বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন বলেছেন, তাদের আনচ্যালেঞ্জড ছেড়ে দেয়া হবে না। খালি মাঠে গোল দিতে দেয়া হবে না। দেশের জনগণকে নিয়ে একের পর এক কর্মসূচি দেয়া হবে। যাতে '৯০-এর স্বৈরাচারের মত বর্তমান স্বৈরাচার সরকারও শিক্ষা পায়।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সিরাজগঞ্জে ট্রেন চালিয়ে দিয়ে বিএনপি নেতা-কর্মীদের হত্যা করার প্রতিবাদে শোক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমানের সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, যুগ্ম-মহাসচিব মিজানুর রহমান মিনু, মুজিবুর রহমান সরোয়ার এমপি, আবুল খায়ের ভূঁইয়া এমপি, যুবদল সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল প্রমুখ।
খোন্দকার দেলোয়ার আরো বলেন, সরকার গত কয়েকদিন থেকে নীল নকশা অনুযায়ী বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করতে চতুর্দিক থেকে অভিযান তীব্র করেছে। তারা বেগম খালেদা জিয়া, তার পুত্র, বিএনপির শীর্ষ নেতাকর্মী ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর নির্মম নিষ্ঠুর অত্যাচার চালাচ্ছে।
সিরাজগঞ্জে সরকার পরিকল্পিতভাবে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর ট্রেন চালিয়ে দিয়ে হত্যা ও আহত করেছে। অথচ সেখানে উল্টো বিএনপি শীর্ষনেতাসহ হাজার হাজার নেতাকর্মীর নামে মামলা ও অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীকে আটক করেছে।
তিনি বলেন, বৃটিশ আমল থেকে হাইকোর্টের নিরপেক্ষ বিচারের একটি ঐতিহ্য রয়েছে। অথচ সেখানে দলীয়করণ করে সে ঐতিহ্য ম্লান হতে বসেছে। মানুষের সাংবিধানিক অধিকার ও ন্যায়বিচার পাওয়া ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে। এজন্যে বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
তিনি বলেন, এ সরকারকে যা খুশি তাই করতে দেয়া হবে না, তারা অন্যায় করবে আর দেশের মানুষ বসে বসে আঙ্গুল চুষবে তা হবে না। তিনি সরকারের অসাংবিধানিক ও অগণতান্ত্রিক কর্মকান্ড রুখে দিয়ে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করার জন্য আহবান জানিয়ে বলেন, সরকারের স্টিম রোলারে আমরা ভীত নই।
সভা শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে দলের মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন বলেন, বিচার বিভাগকে দলীয়করণের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে বেগম খালেদা জিয়াকে তার বৈধ বাড়ি থেকে উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ যেভাবে পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতায় এসেছে, ঠিক একইভাবে ষড়যন্ত্র করে জাতীয়তাবাদী শক্তির ধারক, বাহক ও প্রতীক খালেদা জিয়া ও তার পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করতে একের পর এক ষড়যন্ত্র করছে, নিজেরা খুন করে খালেদা জিয়া ও শীর্ষ নেতাদের নামে মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। কিন্তু এভাবে তাদের খালি মাঠে গোল করতে দেয়া হবে না। আন্দোলন করা হবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে আরো উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, বেগম রাজিয়া ফয়েজ, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ফজলুর রহমান পটল, যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মিজানুর রহমান মিনু, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, এম ইলিয়াস আলী, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, রাশেদা বেগম হীরা এমপি, রফিক শিকদার প্রমুখ।
দেলু সহ উপরের হাইলাইটেড বুইড়াগুলিরে জাতি এইভাবে পিটাইতে চায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



