আমার প্রিয় পোস্ট

জীবন বুনে স্বপ্ন বানাই মানবজমিনে অনেক চাষ চাই

নববর্ষে যারা পান্তা ইলিশ খাবে না

১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৪৮

                       

আমাদের অনেকের বাড়িতে এক জন বা দুজন গৃহকর্মী আছে। গ্রাম থেকে আসা এসব মেয়ে বা ছেলেরা খুব অভাবী পরিবারের সন্তান। এদের অনেকে নদীভাঙ্গা পরিবারের সন্তান। কেউ কেউ এতিম। কেউ বা বাবা মা পরিত্যক্ত।
এসব গৃহকর্মীকে আমরা প্রায় সময়ই মানুষ মনে করি না। বিশেষ করে বাড়ির গিন্নিটি গৃহকর্মীদের শাসন করার নামে নানা রকম নির্যাতন করতে থাকে। বাড়িতে থাকা অন্যান্য সদস্যরা বিষয়টি দেখেও না দেখার ভান করে।
বাড়ির কর্তাটি তো কখনো কাজের মেয়েটির সাথে ভালো করে কথাই বলে না। কারণ, তার সময় নাই। অন্য দিকে তার গিন্নি কোন খারাপ কিছু ভেবে বসে কিনা কে জানে।
গিন্নির এ অত্যাচারের পাশাপাশি কর্তাটির চরিত্র খারাপ থাকলে তার প্রথম টার্গেট হয় কাজের মেয়ে। কিশোরী বা যুবতী কাজের মেয়েদের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলাকে অনেকে তেমন অন্যায় মনে করে না।
গিন্নির অত্যাচার ও কর্তার অনৈতিক আহবানের মাঝে পরিবারের অন্য সদস্যরা তাদের সাথে কী আচরণ করে ? বাড়িতে কোন জিনিস হারালে ধরেই নেয়া হয়, জিনিসটি চুরি করেছে কাজের মেয়েটি। তাকে জেরা করা হয়, মারধোর করা হয়। তার হাত পায়ে গরম খুন্তির ছ্যাকা দেয়া হয়। তাকে জলন্ত সিগারেটের ছ্যাকা দেয়া হয়। এই সুযোগে অনেক দিনের ঝাল মেটায় গিন্নি বা কর্তা।
বাড়ির সবাই খাওয়ার পর তার খাবার জোটে । ভালো খাবার তো নয়ই ; খাবারের উচ্ছিষ্ট। সকালের খাবারে প্রায়ই থাকে আগের দিনের বাসি পচা খাবার।
ঘুমানোর জন্য সবাই বিছানা পেলেও তার কোন বিছানা নাই। সে মেঝেতে বিছানা পেতে ঘুমায়। তার মাথার উপর ফ্যান ঘুরবে কি না এই গরমে তার কোন নিশ্চয়তা নাই।
আমরা প্রায়ই নারী নির্যাতন নিয়ে নানা কথা বলি। কেউ কি কখনো নারীদের হাতে নির্যাতিত এসব নারীদের কথা বলি ? এসব নারীরা দিনের পর দিন তাদের হাতেই নির্যাতিত হচ্ছে , যারা প্রকাশ্যে ভদ্রলোক বা ভদ্রমহিলা। এসব ভদ্রলোক বা ভদ্রমহিলাদের বাইরের ভদ্র চেহারার আড়ালে লুকিয়ে আছে একজন নির্যাতনকারী। একটু চোখ কান খুললেই আপনি দেখতে পাবেন তাদের ? হয়তো আপনার পরিবারেই আছে একজন।
আজ বাংলা নববর্ষ। সবাই যাবেন পান্তা ইলিশ খেতে। আর ওরা ? ওরা কি আজও অন্যদিনের মতো বাসি পচা খেয়ে দিন শুরু করবে ? একদিনের জন্য ওদের প্রতি মমতার হাত বাড়িয়ে দেখি না ? ওরাও তো মানুষ।

 

 

  • ৩২ টি মন্তব্য
  • ১০৫৩বার পঠিত
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৫ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৫৭
comment by: সুধী বলেছেন: অসাধারণ। সহজ সরল ভাষায় আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের একটি নির্মম দিক তুলে ধরার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
২. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:০২
comment by: সুধী বলেছেন: আমাদের এই নাগরিক জীবনে আপনার বর্ণিত বিষয়টি প্রায় প্রতিটি বাড়িতে প্রতিদিন ঘটছে। মজার ব্যাপার হলো এই নির্মম বর্বরতা নিয়ে কেউ লিখছেন না। পরস্পরকে পরাজিত করতে আমরা এত ব্যস্ত যে দুঃখীদের নিয়ে ভাবার সময় কই।


বঞ্চিত, ভাগ্যহত ও নির্যাতিত ঐ মানুষ গুলোর পক্ষে কথা বলার জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।
১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:০৫

লেখক বলেছেন: আশা করি আপনি ও আপনার পরিবার এসব দুঃখী মানুষের পাশে থাকবে।

৩. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:০৫
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:

লেখাটা ভাল লাগলো ...

আপনাকে নববর্ষের শুভেচ্ছা....


নতুন বছরে আপনার জীবন হয়ে ওঠুক আরো সুন্দর.. আরো সমৃদ্ধ...

এই দেশটাও সমৃদ্ধ হোক....

১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:১১

লেখক বলেছেন: শুভ নববর্ষ।

৪. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:০৭
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: খুব ভালো লেগেছে ,
নববর্ষের এ শিক্ষা ছড়িয়ে পড়ুক বছরের প্রতিটা দিনে
১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। শুভ নববর্ষ।

৫. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:১৫
comment by: মাইনুল বলেছেন: সুন্দর ও সাবলীল ভাষায় নির্যাতিত দের পক্ষে লিখলেন। এজন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আমাদের সমাজে ভদ্রলোকের মুখোশের ভিতরেই অনেক পশু লুকিয়ে আছে।
যাই হোক , এইবারের নববর্ষে আমরা সবাই যদি একটু হলেও দরীদ্র মানুষের জন্য কিছু করি সেটাই হবে সার্থকতা। সাথে সাথে কামনা করি সমাজ থেকে দূর হয়ে যাক সব অনিয়ম, দূর হয়ে যাক দারিদ্র্য।
১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:২০

লেখক বলেছেন: শুভ নববর্ষ। আমাদের সাংস্কৃতির একটি অংশ হোক নির্যাতিতদের পক্ষে দাঁড়ানো। আপনিও হতে পারেন সহকর্মী।

৬. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:০২
comment by: জানা বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে লেখক!

এই মানবিক বিষয়টি নিয়ে তেমন কাউকে লিখতে দেখা যায়না। প্রকৃতপক্ষে ওরা তো আমাদের পরিবারেরই একজন। আমরা ক'জন ভাবি ওদের প্রকৃত শ্রমের বিনিময় মূল্য ঠিকমত দিচ্ছি কিনা, একটুখানি ভালবাসা, স্নেহ-মমতা, নিদেনপক্ষে দু'টো মিষ্টিকথা আমরা কি ওদের দিয়ে থাকি? যে খাবার আমার জন্যে আর খাদ্য বিবেচনা করছিনা তা কি করে আরেকটি মানুষের হাতে তুলে দেই?

একটি মর্মান্তিক দৃশ্য আমি অনেকবার দেখেছি!

খাবারের দোকানে টেবিল ভরা খাবার নিয়ে খাওয়ায় আর গল্পে মেতে উঠেছে সুখী পরিবার; আর তাদের শিশুটিকে যে দেখাশানা করে (১০/১২ বছর বয়সী আরেকটি প্রায় শিশু) সে দঁাড়িয়ে রয়েছে খানিকটা দুরে। মাঝে মাঝে কর্তৃর হুকুম অনুযায়ী কাছে এসে নানান দায়িত্ব পালন করে আবার দুরে গিয়ে দঁাড়িয়ে থাকছে। কেউ একটিবারও ভাবলো না ওর খাওয়ার কথা...! ভোজনান্নদ নিয়ে মহাতৃপ্তিতে ফিরে যায় তারা...!

এক অদ্ভুত অনুভূতি আমাকে ছঁিড়ে খঁুড়ে ফেলে। চোখ জ্ব্ালা করতে থাকে...ক্ষুদ্রতার দায়ভার নিজের ভেতরেই অনুভব করি, গড়ার চেয়ে ভাঙ্গার প্রবল ইচ্ছা আমাকে বিভ্রান্ত করে দেয় বারবার...।

লেখক আপনাকে আবারও ধন্যবাদ ।

১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:২১

লেখক বলেছেন: আশা করি আপনি ও আপনার পরিবার এই বিষয়টি খেয়াল রাখবেন

৭. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৩৯
comment by: নেমেসিস বলেছেন: কাজের লোকের সিসটেমই বাদ দেয়া উচিৎ । নিজের কাজ নিজে করলে কি জাত যাবে???
১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:২২

লেখক বলেছেন: আমার নিজের পরিবারে কোন কাজের লোক নাই। আমার কি জাত গেছে ?

৮. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৩:২৪
comment by: রামন বলেছেন: যতদিন না দেশে মানবাধিকার আইন ও সমতা প্রতিষ্ঠিত করা যাচ্ছে এসকল সমাজিক নিপীড়ন দুর হবে না। কাহিনীগুলো লেখা ও কবিতার মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকবে।
১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৩০

লেখক বলেছেন: মানবাধিকার আইন ও সমতা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য তো আরও বেশি বেশি এ বিষয়টি নিয়ে লিখতে হবে।

৯. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:১৫
comment by: নিনি বলেছেন: সবাইকে পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা
নতুন বছর সবার জন্য হোক আনন্দময়
১০. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৪১
comment by: ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

১১. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৪৩
comment by: কেএসআমীন বলেছেন: নববর্ষের অনেক শুভেচ্ছা।

আমারও মনে হয় যে নারীদের দ্বারাই নারীরা বেশী নির্যাতিত। এর উপর একটা ছোটখাট গবেষনা করা যেতে পারে...
১২. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:০৪
comment by: স্বাপ্নিক বলেছেন: একমত @ নেমেসিস, নিজের কাজ নিজে করার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিৎ।
১৩. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:০১
comment by: জানা বলেছেন:
@লেখক, আপনার লেখায় আমার মন্তব্য থেকে আশা করি বুঝতে পেরেছেন, বিষয়টিতে আমার দৃষ্টিভঙ্গি। এটা আমার পািরবারিক শিক্ষা, অভিঞ্গতা এবং চর্চ্চা। আর এজন্য পরিবারের প্রতি কৃতঞ্গতা বোধ করি।

আপনার দৃষ্টিভঙ্গি ও চর্চ্চা সমর্থনযোগ্য। কিন্তু একটু অন্যভাবে যদি ভেবে দখি? যারা আমাদের সাহায্য(প্রশ্নাতীত বিনিময়ে) করে জীবন ধারণ করে, তাদের সংখ্যা তো কম নয়; একটি বিশাল জনগোষ্ঠি এই পেশায় নির্ভরশীল বলতে পারি। ওদের জন্যে আপনি কি ভাবেন? আমরা যদি 'কাজের লোক' বর্জন করে আত্ননির্ভরশী হই সেতো ভাল কথা, কিন্তু ওরা কিভাবে বঁাচবে?

আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে আপনার সাথে এইটুকু মতপর্াথক্য আমার! বরং ওদের সম্মান-সম্মানি(!!!), নিরাপত্তা, ভালবাসা ও মমতার অধিকার সর্বোপরি সুস্থ বিনিময় নিয়েই আমার প্রশ্ন ও তার উত্তর খঁোজার প্রচেষ্টা।

আপনার মত হাতে গোনা দু'একজন ছাড়া আমরা সবাইতো ওদের উপর নির্ভরশীল এবং তা ক্রমশ বেড়েই চলছে দিন বদলের(সামাজিক প্রেক্ষাপট) প্রেক্ষিতে। উভয় পক্ষেরই এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার সহজ পথ খঁুজে পাওয়া বোধ করি অনিশ্চত সময়সাপেক্ষ।

আমাদের বোধ আর বিবেককে আমরা যদি জাগিয়ে রাখতে পারি, প্রতিটি পরিবার যদি এ, বিষয়টিতে আন্তরীক হই; সুফল আসবেই। এ,জন্যে পরিবারের দায়িত্বই সবার উপরে। ভাল আর মন্দের শিক্ষাতো পরিবার থেকেই আসে।


আপনাকে আবারো ধন্যবাদ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনায় তুলে আনার জন্য।
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৪. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:২১
comment by: দস্যু বনহুর বলেছেন: কেএসআমীন বলেছেন: আমারও মনে হয় যে নারীদের দ্বারাই নারীরা বেশী নির্যাতিত। এর উপর একটা ছোটখাট গবেষনা করা যেতে পারে...


কেএসআমীনের সাথে একমত। বাস্তব অভিজ্ঞতায় এটা আমি দেখেছি যে অধিকাংশ ক্ষেত্রে পরিবারের গৃহকর্ত্রী এবং নারী সদস্যদের কাছে গৃহকর্মী বা গৃহপরিচারিকারা মানুষ হিসাবে গন্য হয় না, এদেরকে সবসময় সন্দেহ এবং মানসিক চাপের মধ্যে রাখা হয়।


একটি বিশাল জনগোষ্ঠি এই পেশায় নির্ভরশীল বলে এই মুহুর্তে এই কাজের লোক সংস্কৃতির উচ্ছেদ ঘটানো সম্ভব নয়। এতে হাজার হাজার পারিবারের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাবে।

কাজের লোকদের পেশাকে চাকুরী হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে অথবা সরকারীভাবে এদের নিবন্ধনের ব্যাপারে কোন উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে।
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: নির্যাতন করার বিষয়ে নারী বা পুরুষ বিবেচনার চেয়ে বরং সুবিধাভোগী ও সুবিধাবঞ্চিত বলে বিবেচনা করাই ভালো। আমরা যখন সুবিধাভোগী হই, সে নারী কিংবা পুরুষ, তখনই সুবিধাবঞ্চিতদের নির্যাতন করে থাকি। এই দৃষ্টিভঙ্গি পুরুষ ও নারী সবার মধ্যেই আছে।

কাজের লোকদের পেশাকে চাকুরী হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে অথবা সরকারীভাবে এদের নিবন্ধনের ব্যাপারে কোন উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে।
একশত ভাগ একমত। আমাদের টার্গেট হওয়া উচিত এটাই।

১৫. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:২৮
comment by: জানা বলেছেন:
@ দস্যু বনহুর, আপনার সাথে একমত অনেকাংশেই এবং তা অত্যন্ত দুঃখজনক! লজ্জার ব্যাপার হচ্ছে যে, এই ক্ষুদ্রতা শিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত বা অশিক্ষিত সবার মধ্যেই কম-বেশী রয়ে গেছে।

অন্যদিকে ওদের নিরাপত্তার বিষয়টিও অহরহ ক্ষুন্ন হয় বাড়ির অসৎ পুরুষ সদস্যের কাছে(এদের সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়)!

আর এ,ভাবেই পরিবারের ছোটরা জানে, দেখে, শেখে এবং অনুকরণ করে।

এর বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরী করতে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে নিয়মিত লেখালিখি, প্রচারমাধ্যমে ডকুমেনটারী, সেমিনার, ছায়াছবি ইত্যাদি যথেষ্টই ভূমিকা রাখতে পারে।

ধন্যবাদ।


১৬. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৭
comment by: ইয়।সিন কবির বলেছেন: খুবই মর্মস্পর্শী লেখা।
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৭. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৩:২২
comment by: নেমেসিস বলেছেন:
জানা বলেছেন:
অন্যদিকে ওদের নিরাপত্তার বিষয়টিও অহরহ ক্ষুন্ন হয় বাড়ির অসৎ পুরুষ সদস্যের কাছে(এদের সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়)!

>>>> একচোখে দেখলেন ?? বর্তমান সমাজে উল্টোটাও কিন্তু কম হ্চছে না । বাড়ীর অসৎ চরিত্রের কর্তী অথবা কন্যা দ্বারা কিশোর কাজের ছেলেরাও নানাভাবে নির্যাতিত হচ্ছে (এদের সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়)!
১৮. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৬:৪১
comment by: মানবী বলেছেন: আপনার লেখাটি খুঁজে পড়লাম।

বাড়িতে গৃহকর্মী রাখার মাঝে খারাপ কিছু নেই, তাঁদের সাথে অন্যায় আচরন করা, অত্যাচার করা দোষের। অসহায় দরিদ্র পরিবারের সন্তানরা যখন অবস্থাপন্ন গৃহস্থের ঘরে কাজ করতে যায়,, রুটি রুজির জন্যই তো বাবা মা পরিচিত পরিবেশ ছেড়ে এই যাওয়া। গৃহকর্মীর প্রচলন বন্থ হলে গৃহকর্তা বা কর্তৃ'র চেয়েও বেশি বিপদে পরেন এই হতদরিদ্র নারী শিশুরা।


খুব অদ্ভুত ভাবে আমরা ভদ্রতার মুখোশ পড়ে, সমাজে নারী নির্যাতন, শিশুনির্যাতনের বিরুদ্ধে বড় বড় বক্তৃতা দিয়ে নির্বিকার ভাবে নিজের ঘরের কাজে সাহায্যকারী এসব মানুষদের প্রতি নির্মম আচরন করি।

আমাদের এই মানসিকতা, এই মনোভাবের পরিবর্তন জরুরী। যে আহার অন্নের জন্য তাঁরা এমন কষ্ট সহ্য করেন সেই অন্ন থেকেও কিভাবে কিছু (?)মানুষ তাঁদের বন্চিত করেন, অবাক হতে হয়। গৃহকর্মীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করা যেন খুব স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। তাঁদের অসন্মান করা, বন্চিত করা.. আমাদের মাঝে অধিকাংশই খুব স্বাভাবিক ভাবে মেনে নেই।


পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:২৭

লেখক বলেছেন: গৃহকর্মীদের পেশাকে সম্মান করার দিন আসছে। তারা গরীব অসহায় বলে তাদের পক্ষে কেউ দাঁড়ায় না।
নারী নির্যাতন বন্ধের জন্য কত আন্দোলন হচ্ছে। অথচ এসব সুবিধাবঞ্চিত নারী অন্য সুবিধাপ্রাপ্ত নারীদের হাতে বেশি নির্যাতিত হয়। সুবিধাপ্রাপ্ত এসব নারীরা বাইরে নারী নির্যাতনের বিপক্ষে ভাষণ দেয়, কিন্তু নিজে ঘরের কাজের মেয়েটিকে নির্যাতন করে। বংশানুক্রমিকভাবে চলে আসা এই দ্বিমুখী ভণ্ড আচরণ বন্ধ করা দরকার এক্ষুণি। নইলে আমরা কেবল পোশাকী ভদ্রলোক থেকে যাব।
আমার পোস্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১৯. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৯
comment by: মুতাসিম বলেছেন: আচ্ছা গিন্নি তাহলে কেন অত্যাচার করে? আপনি কি কখনো কোন ভদ্রমহিলাকে জিজ্ঞেসা করেছেন? করে থাকলে উত্তরটা আমাকে জানাবেন। আমি অপেক্ষায় রইলাম।
২০. ২৮ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৯
comment by: রেটিং বলেছেন: কস্ট
২১. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৬
comment by: কাঙাল বলেছেন: বাহ, জানা তো দেখি বেশ জানাশুনা পাবিলক

 



 


স্বপ্নাক্রান্ত এক মানব সন্তান। যে স্বপ্ন জীবনকে অনেক বড় করে, যে স্বপ্ন মানুষকে ইতিহাসের অংশ বানায়, তেমন অনেক স্বপ্ন নিয়ে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১৫৯২৪