আমার প্রিয় পোস্ট

জীবন বুনে স্বপ্ন বানাই মানবজমিনে অনেক চাষ চাই

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যার সময় যেই যুদ্ধাপরাধীরা জেলে ছিলেন তাদের বিচার করা হোক আগে

৩১ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৪৬

শেয়ারঃ
0 0 0

আমরা অনেকেই জানি, বঙ্গবন্ধুর হত্যার সময়ে অনেক চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী জেলে ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে খুন, ধর্ষণ, লুটপাট, হামলাসহ নানা ভয়াবহ অভিযোগ ছিল। সেই সব অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে বিচার চলছিল। রাজাকার চিকন আলী নামে এক ব্যক্তির সাজাও হয়েছিল। যেভাবে বিচার চলছিল, তাতে করে যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হত, তাদের শাস্তি অবধারিত ছিল।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হন। খন্দকার মুশতাক ক্ষমতায় আসেন। ৪ নভেম্বর পর্যন্ত এই সরকার টেকে। ৪ তারিখে সামরিক অভু্্যত্থান করেন খালেদ মোশারফ। কিন্তু খালেদা মোশারফ ক্ষমতা দখল করেন নি। তিনি সম্ভবত কোন রাজনৈতিক নেতৃত্ব গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। এই সময় জিয়াউর রহমান ক্যান্টনমেন্টে বন্দি ছিলেন। বন্দী জিয়া নারায়ণগঞ্জে কর্মরত কর্নেল তাহেরের কাছে তাকে মুক্ত করার আবেদন জানান। কর্নেল তাহের সৈনিকদের মধ্যে খালেদ মোশারফের বিরুদ্ধে পাল্টা অভু্যত্থান করার আহবান জানান। তিনি সফল হন। কেননা এই সময়ে গুজব ছড়িয়েছিল খালেদ মোশারফ আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে চান। কিন্তু কর্নেল তাহের সমাজতন্ত্রের স্বপ্ন দেখতেন। ৭ নভেম্বর কর্নেল তাহের অভু্যত্থান করে সফল হন। খালেদ মোশারফ নিহত হন এবং জিয়া মুক্ত হন। সামরিক শাসন জারি করেন জিয়া। কর্নেল তাহেরকে যখন পুরস্কৃত করার কথা, তখন জিয়া তাকে মিথ্যা কোর্ট মার্শাল করে মৃতু্্যদণ্ড দেন।
তারপরের ইতিহাস ভয়াবহ। জিয়া জেলে থাকা যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দেন। বলা হয়, শেখ মুজিবর রহমান তাদের ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে মিথ্যা প্রচারণার মধ্যে সবচেয়ে সফল প্রচারণা এটি। মুজিব যদি এদের ক্ষমাই করবেন, তবে তারা জেলে ছিলেন কেন এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিচার চলছিল কেন ?
বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে জিয়া যুদ্ধাপরাধী রাজাকার জামায়াতকে রাজনীতিতে পুনর্বাসন করেন। পরবর্তীতে জিয়ার পথ ধরেই খালেদা জিয়া রাজাকার মন্ত্রী উপহার দিয়েছেন।
বর্তমানে দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে জনগণ সোচ্চার। বর্তমান সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। তাই বিচার যদি করতে হয়, যাদের বিরুদ্ধে বিচার চলছিল এবং যারা জেলে ছিল, তাদের ধরে জেলে ঢুকানো দরকার। সবার আগে এদের বিচার করা দরকার।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৩০
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: প্রশ্ন হল- বঙ্গবন্ধু সত্যিকারের কোন যুদ্ধাপরাধীকে ক্ষমা করেন নি। বরং তাঁর সময় ৭৫২ জনের দন্ড হয়েছিল। জিয়াউর রহমান এই দন্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দিলেন কিসের উপর ভিত্তি করে? তার আইনগত ভিত্তি কি?
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: এই প্রশ্নের সুরাহা হওয়া খুব জরুরী।

২. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৩৪
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: জোর গলায় সহমত। প্রিয়তে
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৪৮
কাজ করে খাই বলেছেন: জিয়ার ব্যাপারে অনেকেই সচেতন নন। লেখাটির জন্যে ধন্যবাদ। +
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:০৩

লেখক বলেছেন: জিয়া সফল ছিলেন প্রপাগাণ্ডায়।
আরেকটি প্রপাগাণ্ডার কথা বলি।
১৯৯১ সালে নির্বাচনের আগে ব্যাপকভাবে প্রচার করা হল, আওয়ামী লীগকে ভোট দিলে আওয়ামী লীগ দেশ বিক্রি করে দেবে। আমার জানা অনেক লোক এই প্রপাগাণ্ডা ভীষণ বিশ্বাস করত।
১৯৯১ সালের এই প্রপাগাণ্ডা যে সফল তার প্রমাণ বিএনপি সেই নির্বাচনে জিতে যায়।
আমার কাছে মনে হয়, মানুষ সত্য কথার চেয়ে মিথ্যা কথা ও মুখরোচক কথা তাড়াতাড়ি বিশ্বাস করে। এর সুযোগ নিয়ে রাজনীতিবিদরা এই সব মুখরোচক প্রচারণা চালায় ও মানুষকে বিভ্রান্ত করে।

৪. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৪৯
ঝরা সময়ের গান বলেছেন: ভাই অনেক ব্ড় উপকার করলেন ৷ এই তথ্য জানা ছিলো না আমার ৷ আসলেই এটা তাদের সবচেয়ে সফল প্রপাগান্ডা ৷ জিয়াউর রহমান একটা ঘৃনীত জীব ৷ ধন্যবাদ ৷
৫. ১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৩৯
রুবেল শাহ বলেছেন: শামীম ভাই জিয়া কত বড় ঘাদ্দার সেটা বলার আর অপেক্ষা রাখেনা..

১৯৭৫ এর ৩১ ডিসেম্বর দালাল আইনটি বাতিল করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছিল এই সেই জিয়া .............

১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: তারপরেও তো উনার জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। উনার জন্য এখনও কোটি কোটি মানুষ বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিতে পারে। সত্যি সৌভাগ্যবান এক ব্যক্তি তিনি। আমরা হইলাম ভুদাই পাবলিক।

৬. ১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:৪৬
প্রতিদিন বলেছেন: ভাইজান ইতিহাস জাইন্যা লিখলে লেখাগুলো গাঞ্জা হওনের থেইকা বাঁচে, আপনের সম্মানও থাকে।

খান এ সবুর আর জিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছিল কী যেন নাম, তাগো দুইজনরে শেখ মুজিব ছাড়ছিলো, নিজের কোষাগার থেইকা গাড়ি কিন্যা দিসিল, আরো কতো কি ইতিহাস পত্রপত্রিকায় পাওয়া যায়। আপনে দেহি কয়দিন ধইরাই পুতুপুতু হইয়া মুজিব জিয়া আর বাংলাদেশের নতুন ইতিহাস লিখপার লাগসেন, হাঁ, মোক্ষম সময় বটে, আর এক অমিরহমানপিয়াল (নামটা পুরাপুরি উচ্চারণ করলাম, নীতিমালার কারণে, নইলে যা বলতাম তার বানান করলে নীতিমালায় আটকায় যায়) ব্যাঁব্যাঁ করতে করতে আপনারে তেলে জলে ভাসাই দিতাসে। কি আর কমু।
১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৫৯

লেখক বলেছেন: আপনি পাল্টা পোস্ট দিয়ে ইতিহাস জানান। আমরা ইতিহাস জেনে ধন্য হই।

১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:০০

লেখক বলেছেন: তাই নাকি ?

৮. ১৩ ই মে, ২০০৯ সকাল ৯:৪৪
ইমন জুবায়ের বলেছেন: বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে জিয়া যুদ্ধাপরাধী রাজাকার জামায়াতকে রাজনীতিতে পুনর্বাসন করেন। পরবর্তীতে জিয়ার পথ ধরেই খালেদা জিয়া রাজাকার মন্ত্রী উপহার দিয়েছেন।

একমত।
১৩ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৯. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:২৮
সুবিদ্ বলেছেন: পুরোপুরি একমত.....
০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১০:১৯

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।

০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১০:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০০৪৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
স্বপ্ন দেখি, স্বপ্ন দেখাতে চাই। তাই চারপাশে যা ঘটে তা ধরে রাখতে চাই কালো অক্ষরে।
ইচ্ছা করি, যত দিন স্বপ্ন...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ