আমার প্রিয় পোস্ট

জীবন বুনে স্বপ্ন বানাই মানবজমিনে অনেক চাষ চাই

গাছভুদাই না হইলে কেউ জঙ্গী হয় না

৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০১

শেয়ারঃ
0 0 0

মুসলমানদের মধ্যে সবচেয়ে গাছভুদাইতম একটি প্রজাতি আছে। তারা জঙ্গী। কেন তারা গাছভুদাইতম ? আসুন বুঝে নেই --------
১. তারা ইসলাম প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে সম্পৃক্ত। অথচ খোদ ইসলাম ধর্মই জঙ্গীবাদী হামলা সমর্থন করে না। বরং নিরীহ মানুষ হত্যা করা ভয়ংকর অপরাধ। তার মানে তারা এই কর্ম করে খোদ ইসলামকেই অমান্য করল।
২. মানুষ জীবনটা পায় একবারই। এই জীবন আর পাওয়া যাবে না। সেই জীবনটাকে ধর্মের নামে ধর্মের বিপক্ষে ব্যয় করার কোন মানে হয় না। এই সুন্দর পৃথিবীটার জন্য এবং নিজের জন্য কত কিছুই তো করার আছে। যদি মানুষের জন্য করার ইচ্ছা না থাকে তো নিজের জন্য করা যেতে পারে।
৩. ইসলাম বলেছে, প্রতিটি মুসলমান নর নারীর জন্য জ্ঞান অর্জন ফরজ। জ্ঞান অর্জন করলে কেউ ইসলামের নামে নিরীহ মুসলমান হত্যা করতে পারে না।
৪. ধর্ম তো প্রচারের বিষয়। কাউকে স্বমতে আনার বিষয়। মানুষ মারার বিষয় নয়। যদি মানুষ মারাই ধর্মের মূল উদ্দেশ্য হত, তবে মুহাম্মদ (সাঃ) সেটা করতেন। কিন্তু তিনি সেটা করেন নি। বরং মক্কা বিজয়ের পর তিনি অমুসলিমদের মাফ করে দিয়েছিলেন। এই মাফের ফলেই অমুসলিমরা দলে দলে মুসলমান হয়েছিল।
৫. তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম ইসলামের বিপক্ষে যারা আছে তাদের মারা ইসলামে জায়েজ। তাহলে জঙ্গীদের হামলা করার কথা এমন রাষ্ট্রে বা এলাকায় যেখানে মুসলমান নাই। তাদের টার্গেট হওয়ার কথা অমুসলিমরা। কিন্তু বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের মতো মুসলিম প্রধান রাষ্ট্রে তারা বোমা কাকে মারতে চায় ?
৬. একটি আন্তর্জাতিক চক্রান্তের জাল বিছানো হয়েছে যাতে করে কিছু গাছভুদাইকে জঙ্গী বানানো যায়। জঙ্গীর দোহাই দিয়া কিছু রাষ্ট্র দখল করা বা কিছু রাষ্ট্রকে চাপে রাখা এই ষড়যন্ত্রের মূল উদ্দেশ্য। এই গাছভুদাইগুলি সেই ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পড়ে জীবন হারাচ্ছে।
৭. চোখ কান খোলা নাই, এমনকি নিজের ধর্মটাকেও ঠিক মতো জানা নাই। যেই মতবাদ প্রতিষ্ঠা করতে চায়, সেই মতবাদটা নিজে শেখে নাই। কেবল আরেকজনের কথা শুনে জান কোরবান করার জন্য রাজি হয় গাছভুদাই ছাড়া আর কে ?
৮. যদি ধর্মের বিধান সত্য হয়, তবে ধর্মকে অমান্য করে মারা যাওয়া এই গাছভুদাইগুলির পরকালে জাহান্নাম ছাড়া আর কিছু প্রাপ্য নাই।
গাছভুদাই আর কাকে বলে ? ধর্ম অনুসারে এরা ইহকালও হারিয়েছে, পরকালও হারিয়েছে। তাই বলা যায়, গাছভুদাই ছাড়া জঙ্গী হওয়া সম্ভব না। কোন সুস্থ বুদ্ধির মানুষ জঙ্গী হতে পারে না।

গাছভুদাইগুলির সাম্প্রতিক অপকর্ম



 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০৬
চাচামিঞা বলেছেন: ভোদাই দের ব্রেইন ওয়াস করা সবচেয়ে সহজ, কারন ব্রেইন ওয়াস করটে না পারলে তাকে জংগী বানানো সম্ভব না। সুতরাং ভুদাই না হইলে কেউ জঙ্গী হয় না যথেস্ট যুক্তি সংগত কথা। তবে গাছভুদাই শব্দটা জিবনে প্রথম পড়লাম।
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০৯

লেখক বলেছেন: ভোদাই ছাড়া কেউ অনর্থক জীবন দেয় ?

২. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০৭
চাচামিঞা বলেছেন: মাইনাস কিন্তু আমি দেই নাই।
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০৮

লেখক বলেছেন: যাদের গাছভুদাই বলছি, তাদের মধ্যে কেউ দিছে হয় তো।

৩. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১০
নাফিস ইফতেখার বলেছেন:

চাচামিঞা বলেছেন: গাছভুদাই শব্দটা জিবনে প্রথম পড়লাম

হা হা হা........ব্লগে আরেকটু রেগুলার হন........:)
৪. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১০
সৈয়দ নূর কামাল বলেছেন: (ধর্ম তো প্রচারের বিষয়। কাউকে স্বমতে আনার বিষয়। মানুষ মারার বিষয় নয়।)

সম্পূর্ণ একমত। ভালো লেখা, ধন্যবাদ।
৫. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১৩
ফারহানা আহমেদ বলেছেন: গাছভুদাইরা পরকালে ৭০টা হূরী পাইবো, ইহাতো কুনো সন্দেহ নাই
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১৬

লেখক বলেছেন: তবে সেগুলি জঙ্গী হুরী হইবেক।

৬. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:২৭
ফারহানা আহমেদ বলেছেন: আপনার কাউন্টার-কমেন্টে ব্যাপক মজা পাইলাম
৭. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৬
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: সব ইহুদী-নাসারাগো চক্রান্ত, এর সাথে ইন্ডিয়ার 'র' এরও হাত থাকতে পারে ;)
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:০৮

লেখক বলেছেন: খারাপ বলেন নাই।

৮. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৪০
তন্ময় ভট্টাচার্য বলেছেন: "তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম ইসলামের বিপক্ষে যারা আছে তাদের মারা ইসলামে জায়েজ। তাহলে জঙ্গীদের হামলা করার কথা এমন রাষ্ট্রে বা এলাকায় যেখানে মুসলমান নাই। তাদের টার্গেট হওয়ার কথা অমুসলিমরা। কিন্তু বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের মতো মুসলিম প্রধান রাষ্ট্রে তারা বোমা কাকে মারতে চায় ?"

তর্কের খাতির এটা ধরবেন কেন? দোষ নাই কোন অমুসলিম সমাজে গিয়ে বোমা মারার বৈধতা কিন্তু আপনার লজিক থেকে আসতেছে।

চিন্তা করে দেখেন।
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৬

লেখক বলেছেন: এটা আমার যুক্তি নয়, বরং যারা বোমা মারে তাদের যুক্তি। তারা বিশ্বাস করে বোমা মেরে ইসলাম প্রচার করা উচিত। আসলে তো ইসলামের কোথাও এভাবে ধর্ম প্রচারের কথা বলা নাই। আমি যে কোন ধরনের বোমাবাজি করার বিরোধী। সুতরাং বোমাবাজির পক্ষে বলার কোন সুযোগ নাই।

৯. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫১
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: ব্যপক মজা পাইলাম বৈশিষ্ট্যগুলো দেখে
পোস্টে +
১০. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৩
সত্যের মত বদমাশ বলেছেন: ধন্যবাদ...যুক্তিপূর্ণ উদহরণ দিয়ে একটি সমৃদ্ধ পোস্ট উপহার দেয়ার জন্য।


...আবারো ধন্যবাদ
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:০৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১১. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৯
সরকার সেলিম বলেছেন: কি আর বলবেন ভাই এগুলো বানাইছে সি আই এ। আফগানিস্হানে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য সি আই এদের use করেছে আর এখন সারা বিশ্বে এরা ছড়িয়ে পড়েছে । তারপর ইরাকে, আফগানিস্হানে হামলা ও প্যলেষ্টাইনের সমস্যা তো আছেই..... ইরাক আফগানিস্হান, বা প্যলেষ্টাইনের ক্ষেত্রে OK ধরা যায় কারন ঐটা যুদ্ধের মাঠ but bangladesh কেন তাদের এই যুদ্ধের ক্ষেত্র ? আমার বুঝে আসেনা। bangladesh এ ইসলাম এসেছে সেবার মাধ্যমে অন্য কনো ভাবে এখানে আসেনাই। যদি একান্তই তাদের ইসলামি সমাজ বিপ্লবের ইচ্ছা থাকে তারা রাজনীতি করলেই তো পারে। মানুষের কাছে যাক সেবা করুক, মানুষের মন জয় করার চেষ্টা করুক সমাজের ভীতর থেকে তারা বদলানোর চেষ্টা করুক।
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন: একটি মতবাদ প্রতিষ্ঠা করতে গেলে বোমা না মেরে মানুষকে বোঝাতে হয়। কেবল বোমা মেরে কোন মতবাদ প্রতিষ্ঠা করা যায় না। মানুষকে স্বমতে আনতে না পারলে কোন মতবাদ প্রতিষ্ঠিত করা যাবে না।

১৩. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:২০
ল্যাটিচুড বলেছেন: শামীম ভাই আপনার পোষ্ট এর সাথে ব্যাপক একমত।

তবে একটা বিষয় না বললেই নয় তা হল মসুলমানদের মধ্যে একদল গাছভুদাইতম এর সাথে একদল গাছচামচাইতমও আছে যাদের একমাত্র কাজ হল, আমেরিকার শিখাইয়া দেয়া বাক্য ( কি ওয়ার্ড) বেদবাক্য মনে করে কায় মনে তাহা আউড়াইয়া যাওয়া, সে যত বড়ই মিথ্য হোক।

লক্ষকরুন -

আফগানস্থান দখলে কাদের কি ওয়ার্ড ছিল - আল-কায়দা
ইরাকের বেলায় কি ওয়ার্ড ছিল - বিধ্বংসী অস্ত্র
বাংলাদেশের বেলায় কি ওয়ার্ড হল - জঙ্গি

এখানে একটি বিষয় বিশেষ ভাবে লক্ষনীয় যে - আল-কায়দার জনক হচ্ছে আমেরিকার ও তার গোয়েন্দা সংস্থা সি,আই,এ । আফগানস্থানে রাশিয়ার সাথে যুদ্ধে আমেরিকা আল-কায়দাকে যুদ্ধের ময়দানে কাজে লাগিয়েছে আবার যুদ্ধ শেষে আফগানস্থান দখল করার জন্য ওদের নাম ভাঙিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য আফগানস্থান দখল করেছে।

অপরদিকে খেয়াল করলে দেখবেন - ইরাকের বিধ্বংসী অস্ত্রের মুল সরবরাহকারী হল খোদ আমেরিকা। ইরানের বিপক্ষে সাদ্দামকে ও তার বিধ্বংসী অস্ত্র ব্যাবহার করে স্বার্থ সিদ্ধি হয়ে যাওয়ার পর সেই একই বিধ্বংসী অস্ত্রের ধোয়া তুলে ইরাক দখল করে নেওয়া হয়েছে।

সুতারাং গাছভুদাইতম এর সাথে সাথে গাছচামচাইতামদের ব্যাপারেও সতর্ক থাকা উচিত।


৩১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: আরেকটি বিষয় স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

১৪. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:২১
কঁাকন বলেছেন: হ
গাছ ভুদাই না হইলে পরকালের লোভে ইহকাল বরবাদ করে
১৫. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৪
অলস ছেলে বলেছেন: স্যাটায়ার ভঙ্গিতে আপনার চমৎকার কথাগুলো নির্মম সত্য । ইসলাম আসলেই এই গাছভুদাইগুলো যা করছে, তার জন্য ভুক্তভোগী হয়ে পড়েছে। এই ভুদাইগিরির আসল প্রেক্ষাপট এসেছে মুসলিমদের জ্ঞানহীনতা এবং সেই অজ্ঞানতাপ্রসূত প্রতিক্রিয়াশীলতা থেকে। সত্যিকার ইসলাম, পড়ালেখা করে জানলে বুঝলে আজকের মুসলিমদের অবস্থা অন্যরকম হতো। একটা মানুষকে মারা কিংবা পঙ্গু করে দেয়ার মত সীমাহীন পরিণতির একটা কাজ করতে যাচ্ছে যে জঙ্গী, সে কখনো ক্বুরআনকেই ভালভাবে অধ্যয়ন করেনি, ইসলামের অন্যান্য দিকের আরো হাজার হাজার বইতো পরের কথা। এই হলো বাস্তবতা। আপনাকে এই লেখার জন্য ধন্যবাদ।
১৬. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৩১
নতুন বলেছেন: ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১৬
লেখক বলেছেন: তবে সেগুলি জঙ্গী হুরী হইবেক।

[img|http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/neoblog_1238513410_2-x.gif

এই রকমের হুরের স্বপন দেখে সব জঙ্গিরা... তাই তো সেই রকম জজবা পায়.. ;)
১৭. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৩২
নতুন বলেছেন: ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১৬
লেখক বলেছেন: তবে সেগুলি জঙ্গী হুরী হইবেক।



এই রকমের হুরের স্বপন দেখে সব জঙ্গিরা... তাই তো সেই রকম জজবা পায়..
১৮. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:২৬
চাণক্য বলেছেন: কিন্তু বালক, এই সকল অহিংস বানীর সহিত ইসলাম অন্য দিকেও দৃষ্টিপাত করিয়াছে। যুদ্ধকালীন সময়ে নিরীহ মানুষ বলিতে ইসলাম কি বুঝায় তাহা উল্লেখ করিবে কি?
২০. ১৫ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৫০
বড় ভাবী বলেছেন: ধর্ম হচ্ছে "গরিবের বউ"। সুযোগ পেলেই সবাই অবৈধ আদরে মেতে উঠে।
২৩. ০৫ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৩২
মুহাম্মদ মোহেব্বুর রহমান বলেছেন: সহমত। আপনার এ পোস্ট লিফলেট আকারে প্রচার করা উচিৎ।
২৬ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৫. ২৬ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:৪৮
ফটোগ্রাফার বলেছেন:
উদ্ধৃতি:

ল্যাটিচুড বলেছেন: শামীম ভাই আপনার পোষ্ট এর সাথে ব্যাপক একমত। তবে একটা বিষয় না বললেই নয় তা হল মসুলমানদের মধ্যে একদল গাছভুদাইতম এর সাথে একদল গাছচামচাইতমও আছে যাদের একমাত্র কাজ হল, আমেরিকার শিখাইয়া দেয়া বাক্য ( কি ওয়ার্ড) বেদবাক্য মনে করে কায় মনে তাহা আউড়াইয়া যাওয়া, সে যত বড়ই মিথ্য হোক। লক্ষকরুন - আফগানস্থান দখলে কাদের কি ওয়ার্ড ছিল - আল-কায়দা ইরাকের বেলায় কি ওয়ার্ড ছিল - বিধ্বংসী অস্ত্র বাংলাদেশের বেলায় কি ওয়ার্ড হল - জঙ্গি এখানে একটি বিষয় বিশেষ ভাবে লক্ষনীয় যে - আল-কায়দার জনক হচ্ছে আমেরিকার ও তার গোয়েন্দা সংস্থা সি,আই,এ । আফগানস্থানে রাশিয়ার সাথে যুদ্ধে আমেরিকা আল-কায়দাকে যুদ্ধের ময়দানে কাজে লাগিয়েছে আবার যুদ্ধ শেষে আফগানস্থান দখল করার জন্য ওদের নাম ভাঙিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য আফগানস্থান দখল করেছে। অপরদিকে খেয়াল করলে দেখবেন - ইরাকের বিধ্বংসী অস্ত্রের মুল সরবরাহকারী হল খোদ আমেরিকা। ইরানের বিপক্ষে সাদ্দামকে ও তার বিধ্বংসী অস্ত্র ব্যাবহার করে স্বার্থ সিদ্ধি হয়ে যাওয়ার পর সেই একই বিধ্বংসী অস্ত্রের ধোয়া তুলে ইরাক দখল করে নেওয়া হয়েছে।

২৬ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: এই হল কঠিন সত্য।

২৬. ০৩ রা নভেম্বর, ২০১০ রাত ১১:১২
রানা চৌধুরী বলেছেন: এতদিন পর আপনার লেখাটা চোখে পড়ল,পড়ে ব্যাপক মজা পাইলাম। আপনার অনেক লেখা পড়েছি,কিন্তু এই লিখাটা পড়ে আমি আপনার ভক্ত বনে গেলাম।
০৮ ই নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:০৩

লেখক বলেছেন: হা, হা, হা, হা।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১১২৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
স্বপ্ন দেখি, স্বপ্ন দেখাতে চাই। তাই চারপাশে যা ঘটে তা ধরে রাখতে চাই কালো অক্ষরে।
ইচ্ছা করি, যত দিন স্বপ্ন...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ