চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ইভটিজিং সংক্রান্ত একটি পোস্ট স্টিকি হয়ে আছে। প্রথমেই কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই পোস্টটি স্টিকি করার জন্য।
প্রায় সময়েই আমরা ইভটিজিং নিয়ে ব্লগে নানা মতামত দেই। তর্ক বিতর্ক করি। কেউ কেউ ক্ষেপে উঠি। কেউ কেউ হতাশ হই। কেউ কেউ নানা পদক্ষেপের কথা বলি।
ক'দিন আগে উচ্চ আদালত একটি দিক নির্দেশনা দিয়েছে। সেটা নিয়ে যথেষ্ঠ রসিকতাও করেছি আমরা। কিন্তু যখন দরকার হয়েছে আমরা প্রতিবাদ জানাতে ভুল করিনি। তার প্রমাণ পোস্টটির প্রতি অসংখ্য ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া।
আমার মতো একজন সাধারণ মানুষের কিছু প্রস্তাব ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি। প্রথমত আমার মনে হয়, সদিচ্ছা থাকলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ খুব সহজেই এই ইভটিজিং বন্ধ করতে পারে। কয়েকটা বদমাশকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিলেই বাকি কুলাঙ্গারগুলো ভালো হয়ে যাবে। তাদের জন্য কয়েকটি সাধারণ শাস্তির ব্যবস্থা করা যেতে পারে। আশা করি, ওতেই ওদের সহযোগীরা ভাল হয়ে যাবে।
এদের জন্য দরকার -- সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হলে
০১) বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার, কালো তালিকাভুক্ত করা এবং এই তালিকা অন্য সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়ে দেয়া যাতে করে ওই কুলাঙ্গারটি অন্য কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি না হতে পারে।
০২) উত্ত্যক্তকারীকে বহিষ্কার করার পর ওর ছবি সবগুলো ডিপার্টমেন্টে টানিয়ে দেয়া দরকার যাতে করে সবাই জানতে পারে ওর কুকীর্তি।
০৩) বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে এই কুলাঙ্গারদের কুকীর্তি ছবিসহ প্রকাশ করা দরকার।
০৩) স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় এদের সম্পর্কে ছবিসহ প্রেস রিলিজ পাঠানো দরকার যাতে করে সবাই এই সব লোক থেকে সাবধান থাকতে পারে।
০৪) ওর পরিবারকে ডেকে এনে জানানো এবং সামাজিকভাবে ওর মুখোশটা খুলে দেয়া দরকার।
আসলে আমাদের দরকার একটা সম্মিলিত প্রতিরোধ - পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়। তাহলেই এই দুর্বৃত্তের দল আর কখনও কোন মেয়েকে উত্ত্যক্ত করতে সাহস পাবে না।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


