লোকটা হুজুরের পড়া পানি খেয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল, পুলিশের চোখে ধূলা দেয়া। কিন্তু কাজ হয়নি । বেরসিক পুলিশ ঠিকই তার সুলুক বের করে ফেলেছে। উনি এখন শ্বশুরবাড়িতে।
গত মঙ্গলবার তিনি আইনজীবীর গাউন পরে হাইকোর্ট থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ধরা খান। এখন কথা হল, উনার মতো ক্ষমতাধর মানুষের সাথে রসিকতা করল কোন হুজুর ? তার কি ভয় ডর নাই ? যার ভয়ে গোটা ঢাকা শহর কাঁপে, তার সাথে ফাইজলামি মারার সাহস পাইল কেমনে হুজুর ? নাকি এই পড়া পানি চাঁদা হিসেবে দিয়েছিলেন হুজুর ? মনের অন্দরে ক্ষোভ থাকায় দোয়া দরুদে ভুল হয়ে গিয়েছিল । ফলে তদবির ফেইল মেরেছে।
কুখ্যাত চাঁদাবাজ এই ব্যক্তির তো হুজুরের কাছ থেকে পড়া পানি কিনে খাওয়ার কথা না। সেই দুঃখেই হুজুর ভুয়া মাল সাপ্লাই দিয়েছে হয়তো।
আমরা সব কামেই পড়া পানি খাই। যে কুচ হোতা হ্যায় তো সুরমা লাগাও। যো কুচ হোতা হ্যায় তো পড়া পানি খাও। আমাদের জাতীয় কালচার এটা। এই কালচারের সাথে নতুন করে উনি ইতিহাস যোগ করেছেন। এবার পুলিশ মামাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছে বাংলার সেই আদি ধনন্তরী পড়া পানি।
যাই হোক, উনি একজন মাননীয় ব্যক্তি। নানা অঘটনের নায়ক। ছদ্মবেশী আসামী। উনার সাথে এই তামাসা করার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। সেই সাথে সেই ভুয়া হুজুরটাকে গ্রেফতার করার দাবি জানাই।
নাকি সেই হুজুর নিজেও গ্রেফতার এড়াতে পড়া পানি খেয়ে পালিয়ে গেছে ?
কাণ্ডখানা এইখানে
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


