আমার প্রিয় পোস্ট

জীবন বুনে স্বপ্ন বানাই মানবজমিনে অনেক চাষ চাই

ইসলাম কি জাতীয়তাবাদের বাইরে ?

০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:১৫

শেয়ারঃ
0 0 0

আবারও সেই নুরুজ্জামান০৮। উনি জাতীয়তাবাদ ও ইসলাম নিয়া পুস্ট দিছেন।
উনি বলেছেন ইসলাম জাতীয়তাবাদ প্রশ্রয় দেয় না, সমর্থনও করে না। বরং ইসলামের চরম উদ্দেশ্য হচ্ছে এমন একটি বিশ্বরাষ্ট্র (World state) গঠন করা, যাতে মানুষের মধ্যে বংশগত ও জাতিগত হিংসা-বিদ্বেষের সমস্ত শৃংখলা ছিন্ন করে সমগ্র মানুষকে সমান অধিকার লাভের জন্য সমান সুবিধা দিয়ে একটি তামাদ্দুনিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা কায়েম করা হবে।
তাহলে ইসলামে কেন এত বিভক্তি ? কেন ইসলামে ৪টি মাযহাব। এই মাযহাব সৃষ্টির মাধ্যমে কি বিভেদ সৃষ্টি করা হয় নি ?
তাছাড়া পৃথিবী সব মতবাদই এই বিশ্বরাষ্ট্র গঠন করতে চায়। ইসলামও সেটি চায় এবং চেয়েছিল। এই চাওয়ার জন্য ইসলাম প্রচারের জন্য তরবারী হাতে নেমে পড়েছিলেন খলিফারা। তৎকালীন অর্ধপৃথিবী কেবল ভালো কথায় কব্জায় আসেনি, তার জন্য আরবীয় ঘোড়ার পিঠে চড়ে তরবারী হাতে অবিশ্বাসীদের কল্লা নামাতে হয়েছে। হযরত ওমরের পররাষ্ট্র নীতিতে মূল কথা ছিল তিনটি । তিনি পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রগুলোর কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছিলেন এভাবে - ০১) ইসলাম গ্রহণ করে বিশ্বাসী হও ০২) যিজিয়া কর দাও (অবিশ্বাসী হলে এই অতিরিক্ত কর দিতে হত) অথবা ০৩) যুদ্ধ কর। এই পররাষ্ট্র নীতি কি সম্প্রসারণবাদী বা সাম্রাজ্যবাদী নয় ?
সমাজতন্ত্রীরাও চায়, পৃথিবীর সবাই সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী হোক, পৃথিবীর সব রাষ্ট্র সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হোক। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পরে রাশিয়া সমাজতন্ত্র রপ্তানী করার জন্য পূর্ব ইউরোপের দেশগুলি ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলি গলাধঃকরণ করেছিল। আফগানিস্তান দখল করে পুরো মধ্যপ্রাচ্য দখল করার নীল নকশা ছিল রাশিয়ার। কিন্তু দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনায় তাদের অর্থনীতি ভেঙ্গে পড়ার কারণে তাদের সাম্রাজ্যবাদী ইচ্ছা পূরণ করা সম্ভব হয় নাই। তাছাড়া আফগান যুদ্ধে পরবর্তীতে আমেরিকা ও ইসরায়েলের গোপন সাহায্য ও মুজহিদ বা তালিবান গঠনের ফলে রাশিয়া আফগানিস্তান থেকে ভাগতে বাধ্য হয়।
অন্য দিকে বর্তমান গণতন্ত্রী আমেরিকা ও তার দোসরাও সারা পৃথিবীতে গণতন্ত্র রপ্তানী করে চলেছে। তারা যা ভাল মনে করে সেটাই এখন গণতন্ত্র। ইরাক, আফগানিস্তান দখলের পর তাদের টার্গেট এখন ইরান। মূল কথা হল, পৃথিবীর সব মানুষকে তারা গণতন্ত্র শিখাতে চায় । তারা ছাড়া এই পৃথিবীতে কেউ গণতন্ত্র বোঝে না।
এইভাবে যুগে যুগে নানা মতাদর্শ তাদের ভালোত্ব শেখানোর জন্য সম্প্রসারণবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী নীতি নিয়েছে। যখনই কোন রাষ্ট্রের শক্তির চরম বিকাশ হয়েছে, তারা পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের উপর হামলে পড়েছে সেই মতাদর্শ কাযেমের দোহাই দিয়ে। কথিত বিশ্বরাষ্ট্র (World state) গঠন করার নাম দিয়া তারা দুর্বল রাষ্ট্র ও জনগোষ্ঠীর উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছে। একের পর এক দেশ দখল করেছে। হত্যা, লুণ্ঠন, ধর্ষণ করেছে। আসলে কিন্তু ওই মতাদর্শের আড়ালে থাকে নিজের ক্ষমতা প্রদর্শন ও আর্থিক ফায়েদা। মতাদর্শ প্রতিষ্ঠার নাম দিয়ে সাম্রাজ্যবাদী ও সম্প্রসারণবাদী নীতির কারণেই পৃথিবীতে এত রক্তপাত, এত যুদ্ধ, এত সংঘাত।
অন্য দিকে, ইসলামও জাতীয়তাবাদের উপর ভিত্তি করেই সৃষ্ট। যদি না হয়, তবে কিভাবে ?
০১) ইসলাম তার আচার আচরণ ও পোশাক আশাকের মাধ্যমে আরব জাতির বৈশিষ্ট্যকেই তুলে ধরে, তাই নয় কি ? জুব্বা জাতীয় পোশাক তো আরবরাই পরিধান করে, তাই না ?
০২) কোরানের ভাষা আরবী। আরবদের ভাষাও আরবী। কোরান আরবী ভাষায় হওয়ায় সেটা আরবদের প্রতিনিধিত্ব করে না কি ?
০৩) বলা হচ্ছে, কোরান সকল মানুষের জন্য সংবিধান বা ইউজার ম্যানুয়াল। একটা সফটওয়্যারের ইউজার ম্যানুয়ালও আজকে পৃথিবীর প্রধানতম কয়েকটি ভাষায় রচিত হয়। কমপক্ষে ৬টি ভাষায় ইউজার ম্যানুয়াল থাকে। সে হিসেবে কোরান কেবল আরবী হওয়া মানে অন্য ভাষাগুলোকে অবহেলা করা নয় ? কোরান একই সাথে তৎকালীন সবগুলো প্রধান ভাষায় অবতীর্ণ হওয়া কি উচিত ছিল না ?
০৪) কোরানে যে সকল ঘটনা উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা আছে, তার সব গুলোই আরবীয়। মধ্যপ্রাচ্য থেকে বড় জোর পশ্চিম আফ্রিকা পর্যন্ত এই পরিধি। অথচ কোরান বিশ্ব মানবের। তাহলে উচিত ছিল না কি কোরানে অন্য জাতি গোষ্ঠীর কথা থাকা , কেবল আরব জাতির নয় ?
০৫) ইতিহাস বলে ভারতীয়রা প্রথম গণিতের জন্ম দেয়। বিশেষ করে শূন্যের ধারণা ভারতীয়রাই দেয়। পরবর্তীতে আরবীয়রা সেই ধারণা গ্রহণ করে। ভারতীয় মসলা ইউরোপে বিক্রি করত আরবীয়রা। কিন্তু কোন দিনও ইউরোপীয়দের ভারতে আসার পথ বাতলে দেয় নি। অর্থাৎ ভারতীয় সভ্যতা কোনভাবেই আরবীয় সভ্যতার চেয়ে কম দামি নয় ?
অনুরূপভাবে, চৈনিক সভ্যতাও যে খুব একটা দামি সভ্যতা তাও একটি হাদিসের মাধ্যমে স্বীকার করা হয়েছে।
এভাবে পৃথিবীর নানা জায়গায় নানা সভ্যতা পৃথিবীকে সমৃদ্ধ করেছে। কেবল আরবদেরকেই আমরা কেবল সেরা মনে করব ? অন্য সভ্যতাগুলো কি এই পৃথিবীতে ভাল ভাল অবদান রেখে যায় নি ?
০৬) একটা জাতির জাতীয়তাবোধ একদিনে সৃষ্টি হয় না। প্রথম কারণ হল একটি নির্দিষ্ট ভূমিতে বসবাস। একই ভাষায় কথা বলা। ধর্মাচরণের দিক থেকেও এক। সামাজিক রেওয়াজগুলোর মিল। সংস্কৃতিক আচার আচরণও এক। সবচেয়ে বড় কথা, নিজেকে ওই জাতির অংশ মনে করার অনুভূতি সৃষ্টি হওয়া মনে।
এভাবে সারা পৃথিবীতে নানা জাতি গোষ্ঠীর সৃষ্টি। সৃষ্টি তাদের মধ্যে জাতীয়তা বোধ। এই জিনিসটা কোরান সমর্থনা না করলেও টিকে থাকবে। এটাই বাস্তবতা। কোরান সেই বাস্তবতার বিরুদ্ধে কেন গেল ?

আমার মতো সাধারণ ক্ষুদ্র মানুষের মতামত : (এই মতামতের কোন দাম নাই)
এই পৃথিবীটা কারও একার নয়। সবার। তাই এই পৃথিবীতে বাস করতে হলে শিখতে হবে কিভাবে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান করা যায়। ভাষা, ধর্ম ও মতাদর্শগত দিক থেকে পার্থক্য থাকাই স্বাভাবিক। সেটা মেনে নিয়ে অপরের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। অপরের মতামতকে শ্রদ্ধা করতে হবে।
নিজের মতটাই সেরা, অপরের মতটা ফালতু - এই মনোভাব সংঘাতের জন্ম দেয়। সৃষ্টি করে অশান্তি। আমাদের প্রত্যেককে অপরকে শ্রদ্ধা করতে হবে। কেবল নিজের কথা বলা নয়, তার কথাও শুনতে হবে।

দুর্বল, অসহায়, ছোট মানুষের মতামত ও আদর্শকে শ্রদ্ধা জানানোর সেই স্বপ্নের পৃথিবী কি কোনদিনও নির্মাণ হবে ? নাকি নতুন নতুন মতাদর্শের নামে কেবল সম্প্রসারণবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন চলবে ? কে জানে ?

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): জাতীয়তাবাদইসলামসাম্রাজ্যবাদসম্প্রসারণবাদযুদ্ধ ;
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:২৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:২৩
দুরের পাখি বলেছেন: হযরত ওমরের পররাষ্ট্র নীতিতে মূল কথা ছিল তিনটি । তিনি পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রগুলোর কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছিলেন এভাবে - ০১) ইসলাম গ্রহণ করে বিশ্বাসী হও ০২) যিজিয়া কর দাও (অবিশ্বাসী হলে এই অতিরিক্ত কর দিতে হত) অথবা ০৩) যুদ্ধ কর।


এইটা ওমরের আবিষ্কার না । খোদ মোহাম্মদের পররাষ্ট্রনীতি বা বলা যায় পরগোত্রনীতি ছিলো এইটা । ওমর সেইটারে ইন্টারন্যাশনাল লেভেল দিছে মাত্র


চৈনিক সভ্যতা নিয়া কোন হাদিস নাই । বিদ্যার্জনের জন্য চীনদেশে যাওয়ার হাদিসটা পিউরলি মেড ইন বাংলাদেশ ।

নুরুজ্জামানে কথা ঠিকাছে । আরবীয় ভিন্ন অন্য কোন জাতীয়তাবাদের সাথে ইসলাম যায় না । আর যখন আরবীয় জাতীয়তাবাদ সারা বিশ্বের জন্য কমন হয়ে যাবে তখন সেইটা আর আরবীয় থাকবে না ।
০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:২৭

লেখক বলেছেন: চৈনিক সভ্যতা নিয়া কোন হাদিস নাই । বিদ্যার্জনের জন্য চীনদেশে যাওয়ার হাদিসটা পিউরলি মেড ইন বাংলাদেশ ।

- কত অজানারে ! এই তথ্যটা জানা ছিল না।

০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩. ০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:২৯
সাদাচোখ বলেছেন: শামিম ভাই,

"-----------" ও ইসলাম,

এখানে "--------" চিহ্নের ভেতরে আর কি কি শব্দ সহকারে ভবিষ্যতে পোস্ট আসতে পারে বলে আপনার ধারনা?



যথাযথ যুক্তি উপস্থাপনের জন্য ধন্যবাদ।
০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: ‍".............." চিহ্নের মধ্যে যা খুশি বসান, না করল কে ?

৪. ০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০
দুরের পাখি বলেছেন: লেখক বলেছেন: চৈনিক সভ্যতা নিয়া কোন হাদিস নাই । বিদ্যার্জনের জন্য চীনদেশে যাওয়ার হাদিসটা পিউরলি মেড ইন বাংলাদেশ ।

- কত অজানারে ! এই তথ্যটা জানা ছিল না।




বাংলাদেশি ইসলাম নিয়া টাসকিত হওনের মত অজানা আরো অনেক আছে । একটা গল্প প্রায়ই শুনা যায় , মোহাম্মদের চলার পথে এক বুড়ি কাঁটা বিছাইয়া রাখতো , পরে সেই বুড়ি একদিন অসুস্থ হৈলে মোহাম্মদ গিয়া তার সেবা করে । গেস হোয়াট ! মেইড ইন ইরান । কোন হাদিস কিংবা বায়োগ্রাফিতে নাই ।
০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: কত অজানারে !!!!!!!!

৫. ০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৪২
বিবর্তনবাদী বলেছেন: আমার আবার অত গ্লোবালাইজ হইতে মন চায় না। আমি জাতীয়তাবাদই পছন্দ করি। আগে পুরাদমে বাঙ্গালি হওয়া কি সেইটা বুঝে নেই, পরে দুনিয়া বোঝা যাবে।

তবে পুরা পৃথিবীর মানুষকে বাঙ্গালি বানানো গেলে মন্দ হয় না :P :P
০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫২

লেখক বলেছেন: সব মানুষের মধ্যেই বোধ হয় একজন সম্প্রসারণবাদী বাস করে।

৬. ০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩
অপরিচিত_আবির বলেছেন: অনেকগুলো ভালো যুক্তি দেখিয়েছেন যেগুলো হয়তো আমি চিন্তাও করতাম না। এটা অবশ্য সত্যি যে আরবী কেন, অন্য যেকোন ভাষায় কোরান নাযিল হলেও একই প্রশ্ন উঠতো - যেমন চীনে নাযিল হলে আমরা বলতাম তাহলে কি শুধুই চৈনিকরাই আল্লাহর প্রিয় বান্দা। তবে অবশ্যই কোরআনকে অনুবাদ করবার স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। আর জোব্বা পরবার ব্যাপারটা করা হয় আমাদের প্রিয় নবীর প্রতি ভালবাসা দেখিয়ে। এটা নিশ্চিত, আমাদের নবীর জন্ম গ্রীনল্যান্ডে হলে এই খর রৌদ্রেও আমাদের হুজুররা ফারকোট পরে ঘুরতেন। সাম্রাজ্যবাদ কোন দিকথেকেই কোন ভাল পন্থা না। যুদ্ধ ছাড়া পৃথিবীতে কখনোই একটা মতবাদকে ছড়ানো যায় না এটা হল সত্য। যাহোক অন্ধভাবে কোন কিছুর পক্ষ নেওয়া উচিত নয় সেটা আ-না উভয় স্কি এবং আমার মতো সংশয়বাদীদের বোঝা উচিত। লেখার জন্য অনেক ধইন্যা।
০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: ইউজার ম্যানুয়াল হিসেবে তো কোরান একই সাথে পৃথিবীর তাবৎ ভাষায় নাজিল হওয়া উচিত ছিল। কারণ সব ভাষাভাষীই তো আল্লাহর বান্দা, নাকি ?

৭. ০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩
বজ্জাদ বলেছেন: একটু যদি মন্তব্য করতেন এই পোষ্টে তাহলে পোষ্টা একটু জাতে উঠে ।হাজার হোক আপনারা সুশীল ব্লগার ।
Click This Link
০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:০৫

লেখক বলেছেন: বিপদে আছি। আমি সুশীল না।

৮. ০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:১০
আওরঙ্গজেব বলেছেন: 'লেখাজোকা শামীম ',
ইসলাম মানে আরবীয় জাতীয়তাবাদ নয়। কোরআনের কোথাও একথা লেখা নেই।

আমি কিছু উত্তর আমার জ্ঞানের মধ্যে দিচ্ছি:
১.
ইসলামী পোশাক মানে পূরুষ ও মেয়েদের সতর ঢাকা। এর বাইরে যার যার খুশি মতো পোষাক পড়তে পারে। আমেরিকার মুসলমানরা প্যান্ট-শার্ট পড়ে। তবে কেউ বড় পোশাক পড়তে পারে (মাওলানারা পড়ে), তবে তা জরুরী নয়।

২-৩.
মুহাম্মদ সা: এর ভাষা যা ছিল, কোরআনের ভাষাও তাই। আজ বিভিন্ন ভাষায় হাদিস-কোরআনের অনুবাদ ও তাফসির রয়েছে। একটা ইউনিভার্সাল ভাষা তখন ছিলনা, এখন যেমন ইংরেজী।

৪.
অন্য জাতীর কথাও কোরআনে আছে। সুরা রূম পড়ুন যেটা রোমানদের নিয়ে। তখন যেসব জাতি প্রভাবশালী ছিল বা তখনকার লোকজন যেসব জাতির ব্যাপারে বেশী জানত সেগুলোর কথা বেশী এসেছে।

তাছাড়া ঘটনাগুলো শিক্ষার জন্য দেয়া হয়েছে, আরবীয় জাতীয়তাবাদ তুলে ধরার জন্য নয়।

৫.
কোরআন-হাদিস রিচার্স করে ইসলামিক স্কলাররা বলেন, হিন্দু সহ বিশ্বের বেশিরভাগ ধর্মের অরিজিনালি 'ইসলাম' (নিজ নিজ ভাষায়) ছিল (আল্লাহর একত্ববাদের উপর)।

যেমন, হযরত নুহের (আ: ) এর এক পুত্র ভারতে এসে সিন্ধু নদের অববাহিকায় বসতি গড়ে তুলেন, যার পরবর্তীরা আজকের ভারতবাসী।

তাওহীদের বাণিবাহক ইসলাম ধর্ম পরে বিকৃতির কারণে (শিরক) আল্লাহর কাছে বাতিল হয়ে যায়।

৬.
বিশ্বে বিভিন্ন ভাষা, কৃষ্টি, সংস্কৃতি, আচার-আচরণ ইসলাম সমর্থন করে। কোরআনেই আছে এসব আল্লাহ আমাদের আইডেনটিটি হিসেবে সৃষ্টি করেছেন।



তবে ইসলামে জাতীয়তাবাদ নেই বলে যে কথা স্কলাররা বলছেন, তা হল - ইসলামে ধর্ম, বর্ণ, দেশ নিয়ে নাগরিক সুযোগ সুবিধা, হিংসা, মারামারি করা যাবে না। (লেখকের লেখার শুরুটা পড়ুন)

যেমন, রাসুলুল্লাহর সময়, কালো বেলাল (রা: ) ইসলামের প্রথম মোয়াযযেন। তাঁর পালিত ছেলের ছেলে উসামা সেনাপতি হলেন। কেউ তাদের অরিজিন বা কালার নিয়ে কথা বলেনি। অথচ সে সময় কালোরা ছিল ওখানে ক্রীতদাস।

তাই আমি বলি, আপনার চিন্তার সাথে লেখকের লেখা বুঝার সাথে পার্থক্য আছে। পার্থক্যটা সুক্ষ, কিন্তু ইসলাম সম্পর্কে আরো পড়ালেখার মাধ্যমে সহজে পূরন সম্ভব।

ধন্যবাদ।
০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:২৭

লেখক বলেছেন: আপনার চমৎকার উত্তরের জন্য ধন্যবাদ।
রোমানদের কথা এসেছে, কারণ তখন মিশর, তুরস্ক প্রভৃতি অঞ্চল রোমানরা শাসন করত।
কিন্তু ইউজার ম্যানুয়াল হিসেবে তো কোরান একই সাথে পৃথিবীর তাবৎ ভাষায় নাজিল হওয়া উচিত ছিল। কারণ সব ভাষাভাষীই তো আল্লাহর বান্দা, নাকি ?

০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: ৫.
কোরআন-হাদিস রিচার্স করে ইসলামিক স্কলাররা বলেন, হিন্দু সহ বিশ্বের বেশিরভাগ ধর্মের অরিজিনালি 'ইসলাম' (নিজ নিজ ভাষায়) ছিল (আল্লাহর একত্ববাদের উপর)।

- তাইলে তো আর কোন সমস্যাই নাই। হিন্দু ধর্ম ইসলাম থিকাই আইছে। সব ধর্মই ইসলাম থিকা আইছে। জোশ !!!!

৯. ০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:১০
ভন্ডপির বলেছেন: ইসলামের পত্থম সময় না ছেল জাতি, না ছেল জাতিয়তাবাদ। ম্যাকায়াভেলি হালায় সব্বনাশটা করসে। নবি আর খলিফারা উট লইয়া ব্যাপক যুদ্ধ করসে। সাম্রাজ্যের বাইরে আর কিসু নাই হেগো দিলএ। ধম্মটা বাদ দেন দেখবেন নবি করিমরে মধ্যযুগিয় দস্যুর মতই লাগে। :D
০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৩০

লেখক বলেছেন: মহান বুশ কি আধুনিক যুগের দসু্য না ?

১০. ০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:১৬
সত্যান্বেষী বলেছেন: কোরান ইজ ফর দ্যা অ্যারাবস, বাই দ্যা অ্যারাবস, এন্ড অব দ্যা অ্যারাবস।


পোস্টে প্লাস।
০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১. ০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:২৫
মুক্ত মানব বলেছেন: ভাই, আপনার প্রশ্ন গুলো আমার মনের মাঝে নতুন কিছু প্রশ্নের জন্ম দিল। আশা করি আপনি উত্তর দিবেন--
প্রসঙ্গ প্রশ্ন ০১: আমার জানা মনে ইসলামে নিদ্দিষ্ঠ কোন পোষাকের কথা বলা হয় নি। মানব শরীরের নিদ্দিষ্ঠ কিছু জায়গা ঢেকে রাখতে বলা হয়েছে। যেমন, পুরুষদের নাভী থেকে হাটুর নিচ পর্যন্ত। এটুক ঢাকতে আপনি যেমন এক খন্ড কাপড় ব্যবহার করতে পারেন তেমনই পারেন লুঙ্গি ব্যবহার করতে। আপনি জোব্বা তত্ব কোথায় পেলেন?
প্রসঙ্গ প্রশ্ন ০২: আমি এ সম্পর্কে যতটুক জানি, কোরআন আরবী ভাষায় নাজিল হবার কারন, কোরআন মুহাম্মদ [সঃ] এর উপর নাজিল হয়েছিল। তার ভাষা ছিল আরবী। যদি বাংলা ভাষায় নাজিল হত তবে তিনি নিশ্চই বুঝতেন না। আর তিনি যদিওবা তিনি বুঝতেন, তার অনুশারীদের বোঝাতেন কিভাবে? এখানে আরবদের প্রতিনিধিত্ব আসল কি ভাবে?
প্রসঙ্গ প্রশ্ন ০৩: বিষয়টা সম্ভবত উপরেই বলা হয়েছে। আর বিশ্বের অন্য সবগুলো ভাষায় কোরআন অনুবাদ করতে আপনাকে কে না করেছে বুঝলাম না।
প্রসঙ্গ প্রশ্ন ০৪: মনে করেন সেই সময়ে কোরআনের একটা আয়াতে দেখা গেল লেখা হয়েছে, "আজ হতে অনেক বছর পর বাংলাদেশ নামক এক দেশে ফাজিল শামীমের জন্ম হবে"। আপনি আরব বাসীকে কিভাবে বোঝাতেন, বাংলাদেশ নামের দেশটা কোথায়?
প্রসঙ্গ প্রশ্ন ০৫: ইসলামে কোন জাতীকে অবহেলা করা হয়েছে, সুনিদ্দিষ্ট করে বলবেন কি?
প্রসঙ্গ প্রশ্ন ০৬: একমত।
আশাকরি এবার আমার প্রশ্নের জবাব দিবেন।
০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৫

লেখক বলেছেন: ০১) জোব্বা তত্ত্ব বাস্তবে পাইছি।
০২) আরবী ভাষাটা কেমনে আরবদের প্রতিনিধিত্ব করে না কেন সেইটা বলেন ?
০৩) ইউজার ম্যানুয়াল হিসেবে তো কোরান একই সাথে পৃথিবীর তাবৎ ভাষায় নাজিল হওয়া উচিত ছিল। কারণ সব ভাষাভাষীই তো আল্লাহর বান্দা, নাকি ?
০৪) ফাজিল শামীম বলে আপনি আমাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করতে চেয়েছেন। ধর্মীয় বিষয় নিয়া আলোচনা করার এই সমস্যা। অনর্থক মানুষের মাথা গরম হয়া যায়। অন্য জাতির বিষয়ে আলোচনা নাই কেন সেটা বলেন।
০৫) কোন ভালো সভ্যতা সম্পর্কে আলোচনা নাই বলেই এ কথা বলা যায়।
০৬) একমত হতে পেরেছেন বলে ভাল লাগল।

১২. ০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৪৩
বকুল০৮ বলেছেন: একপেশে তথ্য ও যুক্তি।
৯\১১ পরবর্তী গতানুগতিক সুবিধাবাদী ইসলামবিরোধী ধ্যান-ধারনা পুষ্ট দুষ্ট লেখা।
ইসরাইলী কোন ব্লগে লেখাটি প্রকাশ করলে তদ্দেশীয় সত্যান্বাষী(:দ) রা ভীষণ খুশি হত এবং তদের আরো বেশি বাহ্‌বা মিলতো।

আমার মুসলিম বিশ্বাসে অকারন ও অযাচিত আঘাত হানায় আমি মোনাফেক ভাবধারার এই পোস্টে মাইনাস দিলাম।
০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:০২

লেখক বলেছেন: আপনে তো অপ্রাসঙ্গিকভাবে ইসরায়েল নিয়া আসলেন।
আসুন জানি পাশ্চাত্য সভ্যতার অন্ধকার ইসরায়েল সম্পর্কে
কিভাবে বর্জন করব তাদের পণ্য ?

১৩. ০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৪৬
সত্যান্বেষী বলেছেন: @ মুক্ত মানব: .'নাজিল হবার কারন, কোরআন মুহাম্মদ [সঃ] এর উপর নাজিল হয়েছিল। তার ভাষা ছিল আরবী। যদি বাংলা ভাষায় নাজিল হত তবে তিনি নিশ্চই বুঝতেন না। আর তিনি যদিওবা তিনি বুঝতেন, তার অনুশারীদের বোঝাতেন কিভাবে?'

তাহলে কি কোরান শুধু মোহাম্মদ সা. এবং তার আরবীভাষাভাষী অনুসারীদের জন্যই নাযেল হয়নি? আর তাই যদি হয় তাহলে আমরা যারা অনারব তাদের কোরান নিয়ে এত লাফালাফি করার কারণ কি?

আল্লাহ কি পারতেন না, কোরানের বিভিন্ন ভাষাগত ভার্সন বের করতে? কোরান যদি বাঙালীদের জন্যও নাযিল হয়ে থাকে তাহলে এক হিন্দু পন্ডিত এর অনুবাদ বের করার আগে কয়েক শ বছর পর্যন্ত এ অঞ্চলের মানুষ এর কানাকড়িও বুঝেনি কেন?
০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:০৩

লেখক বলেছেন: আমিও তো এই কথাই কই। ইউজার ম্যানুয়াল হিসেবে তো কোরান একই সাথে পৃথিবীর তাবৎ ভাষায় নাজিল হওয়া উচিত ছিল। কারণ সব ভাষাভাষীই তো আল্লাহর বান্দা, তাই নয় কি ?

১৪. ০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৫২
জয় রায় বলেছেন: ১.কোরআন-হাদিস রিচার্স করে ইসলামিক স্কলাররা বলেন, হিন্দু সহ বিশ্বের বেশিরভাগ ধর্মের অরিজিনালি 'ইসলাম' (নিজ নিজ ভাষায়) ছিল (আল্লাহর একত্ববাদের উপর)।

২.আমার মুসলিম বিশ্বাসে অকারন ও অযাচিত আঘাত হানায় আমি মোনাফেক ভাবধারার এই পোস্টে মাইনাস দিলাম।

৩.নুরুজ্জামানে কথা ঠিকাছে । আরবীয় ভিন্ন অন্য কোন জাতীয়তাবাদের সাথে ইসলাম যায় না । আর যখন আরবীয় জাতীয়তাবাদ সারা বিশ্বের জন্য কমন হয়ে যাবে তখন সেইটা আর আরবীয় থাকবে না ।

উপরের কমেন্টস গুলো থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় যে মানুষ তার জন্ম প্রাপ্ত বিশ্বাসের বাইরে কোন কথা মানবে না কারন তাতে ধর্মত্ব চলে যাবার ভয় আছে। সুতরাং কেনো অকারন তর্ক করা যেখানে বিচার মানি কিন্তু তাল গাছটা আমার!!
০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: হ । তালগাছটা সব সময়ই আমার। এমনকি তালের শাসও আমার।

১৫. ০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৫৩
সত্যান্বেষী বলেছেন: এমনকি এত এত অনুবাদ বের হওয়ার পরও কেউ নিশ্চিত না সে ঠিক মতো অনুবাদ করতে পারলো না। একজনের কাছে কোন পয়েন্ট মনপূত: না হলেই বলছে অমুকের অনুবাদটা ঠিক না, তমুকেরটাই ঠিক।

ইসলামকে পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা বলার আগে অন্যান্য দেশে ভাষাগত এই জটিলতা নিরসনে মোহাম্মদ (সা) কি ব্যবস্থা রেখে গিয়েছেন? আর এমতাবস্থায় আল্লাতায়ালাও বা এগিয়ে আসছেন না কেন? মোহাম্মদ (সা) না হয় মারা গেছেন। কিন্তু আল্লাহকে তো অমর বলে জানতাম। নাকি মোহাম্মদ (সা) এর সাথে সাথে তিনিও ওফাত বরণ করেছেন?
০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:০৫

লেখক বলেছেন: ডোজ বেশি হয়া যাইতাছে।

১৬. ০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:১৬
জয় রায় বলেছেন: Though Islam came to India in the early 7th century with the advent of Arab traders and the conquest of Sindh, it started to become a major religion during the later Muslim conquest in the Indian subcontinent.[92] During this period Buddhism declined rapidly and many Hindus converted to Islam. Numerous Muslim rulers such as Aurangzeb destroyed Hindu temples and persecuted non-Muslims; however some, such as Akbar, were more tolerant. সুত্রঃ উইকি

এটাই কি ধর্মের শান্তিময় প্রচারনার নমুনা?
১৭. ০৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:২৬
শুভ৭৭ বলেছেন: "বিদ্যার্জনের জন্য চীনদেশে যাওয়ার হাদিসটা" -এর কোন সহী রেফারেন্স পাওয়া যায়না বলে কথিত। কোন মুহাদ্দিসের সাথে এ ব্যাপারে আলাপ করতে পারেন।

আর এইখানে হাদিস নিয়ে খুঁজে দেখতে পারেন।
Click This Link

Hadeeth 7 - '...Seek knowledge even if it be to China...'

The hadeeth, "Seek knowledge even if it be to China"

Related by ibn Adee (2/207)m Abu Nu'aym in 'Akhbaar Asbahaan' and others via many routes of narration, and all of them adding the words "for indeed seeking knowledge is an obligatory duty upon all Muslims."
Ibn al-Jawzee mentions this and then quotes ibn Hibbaan saying, "invalid/rejected, it has no basis" 'al-Mawdoo'aat' (1/215)]

adh-Dhahabee also endorsed the above words of ibn Hibbaan, ['Tarteeb al-Mawdoo'aat' of adh-Dhahabee (pg. 52 no. 111)] and likewise as-Sakhaawee ['Maqaasid al-Hasanah' (pg. 86 no. 125)]

al-Albaanee declares this hadeeth to be maudu (fabricated) ['Da'eef al-Jaami as-Sagheer' (no's 1005-1006)]

In summary, the above hadeeth is related by a group of trustworthy narrators without the words "even if it be to China" and a few narrators who are deemed weak/liars/abandoned by the scholars narrate this additional wording. So the hadeeth with the additional wording is fabricated, but without is hasan (good). [See 'Silsilah ad-Da'eefah' (1/600 no. 416) for detail.]


কিছু সংখ্যক জাল হাদিস নিয়ে এখানে লেখা আছেঃ
Click This Link

আসলে কয়েকজন মুহাদ্দিস, ফিকহবিদ, মুফাসসরে কোরাণের সাথে আপনি এ ব্যাপারে আলাপ করতে পারেন। আমার মনে হয়, কোরাণ, হাদিস, ফিকহ - এদের প্রতিটি শাখায় ব্যুৎপত্তি লাভ করতে ২০ বছরের বিজ্ঞান সাধনার চেয়ে বেশি চর্চ্চা প্রয়োজন।

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার একটা গলদ হল ইসলামের বিষয়গুলো খুঁজে বের করার ন্যুনতম যোগ্যতা অর্জনের সু্যোগ আমাদের দেয়া হয়নি। এ সুযোগে কাঠ মোল্লারা তাদের মত করে অনেক কিছু ব্যাখ্যা করে আমাদের বিভ্রান্ত করার সুযোগ পায়।

অবশ্য যে ছাত্র দর্শনে(উদাহরণ স্বরুপ) অনার্স/মাস্টার্স মুখস্ত (প্রতি কোর্সে ১৫-২০টা প্রশ্ন) করে পাস করেছে। আমাদের এই মুখস্ত শিক্ষাব্যবস্থা থেকে (মাদ্রাসাও এর অন্তর্গত) দর্শনের ব্যাখ্যা আশা করা বোকামী।

০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:২৪

লেখক বলেছেন: আমি কিন্তু ইসলাম বিরোধী কিছু বলতে চাই নি। কিন্তু ইসলামরে মাথায় নিয়া নাচতেও আমি আগ্রহী না। যে কোন মতবাদের মতো ইসলামেরও অনেক অসঙ্গতি আছে। যে কোন মতবাদের মতো ইসলামও সাম্রাজ্যবাদী ও সম্প্রসারণবাদী। এতে অবাক হওয়ার কি আছে ?

০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:২৬

লেখক বলেছেন: লিংক ২টির জন্য ধন্যবাদ।

১৮. ০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:২১
সীমন্ত ইসলাম বলেছেন: সেই একই বিতর্ক :)

ইসলাম আরবদের কালচার - বাংগালীদের জন্য এর সব বাদ।

ইন্ডিয়ান কালচার হিসাবে বাংলাদেশে সতিদাহ শুরু করা হোক। (সতিদাহ যে বন্ধ করা দরকার তা অন্য কারও দেখেই একদিন মনে হইছে, হোক তা আরব হোক তা ইংরেজ)

আমি জানি আমার কথা শুনে সবার মেজাজ খারাপ হচ্ছে। তার পরও লিখলাম।

আমার কথা হলো ধর্মগুলো মানুষকে ভালো মন্দ সম্পর্কে একটা ধারনা দিছে, এগুলো এখনো বেশ গ্রহনযোগ্য। এখন পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষের ভালো মন্দ সম্পর্কে অনেকটা একই ধরনের ধারনা যা হাজার বছর আগে ছিল না। এই ধারনাগুলো সৃষ্টিতে ধর্মের ভালো অবদান আছে।

কাচারের মধ্যে যেহেতু ভালো মন্দ আছে, তাই ধর্ম বিভিন্ন জাতির কালচারকে কিছুটা প্রভাবিত করে, তবে জাতীয়তার সাথে ধর্মের দ্বন্দ্ব নাই। শুরুতে যারা ধর্ম প্রচার করছেন তারা ধর্মের বাইরেও নিজেদের কালচারের কিছু ইচ্ছায় হোক আর অনিচ্ছায় হোক প্রচার তো করছেনই।

এখন আমরা হাই-হেলো বলা শিখছি, শার্ট-প্যান্ট-টাই পড়া শিখছি, তাতে জাতীয়তাবোধের কত খানি ক্ষতি হইছে?
০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:০৯

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য নুরুজ্জামান০৮ এর বিষয়বস্তুর পুরো উল্টা। উনি জাতীয়তাবাদ ইসলামী বিরোধী বলেছেন। উনার লেখাটা পড়ুন, প্লিজ।
Click This Link

১৯. ০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:৫১
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: হুমমম......
চিন্তার বিষয়.....
বার পড়তে হবে।
০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৩

লেখক বলেছেন: চিন্তা করেন। কল্লার উপর গ্রে মেটার তো আর খামাখা না।

২০. ০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৩২
সীমন্ত ইসলাম বলেছেন: আর আরবী ভাষা নিয়া কথা হলো, আর সেদিন এর কোন ভাষায় কোরআন থাকলে আমাদের বাংলাদেশের মানুষের লাভ হতো?


বিভিন্ন জাতির নিজস্ব ভাষার পাশাপাশি একটা কমন ভাষা জানা থাকাটা তো ভালোই, যেমন ইংরেজী। ধর্ম হয়তো আরবী ভাষা দিয়ে সেই দিকেই গাইড করছে।

০৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৫০

লেখক বলেছেন: গাইড করলে লাভ কী ? এখন তো ইংরেজির যুগ।

২১. ০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৯
মুক্ত মানব বলেছেন: শামীম ভাই,
আপনাকে ফাজিল বলায় দুঃখ পাইছেন মনে হয়। আসলে আমি নিজেই ফাজিল তো তাই, মাঝে মঝেই ফাইজলামো করি। যাই হোক, ধর্ম সম্পর্কে আমার জ্ঞান খুব সীমিত। এই সীমিত জ্ঞানেই যেটুক শুনেছি, মুহাম্মদ [সঃ] এর জন্মের সময় আরবরা ছিল সবচেয়ে বর্বর জাতী। এই বর্বর জাতীকে শান্তির পথে এনে ইসলামের মহত্বের নিদর্শন দেখানোই ছিল মহানবীর আরবে জন্ম নেয়ার কারন। এখন আপনার মত আমারও দুঃখ করতে ইচ্ছে করতেছে, আমারা কেন সেই সময়ে সবচেয়ে বর্বর জাতী হতে পারলাম না? তাইলে তো মহানবী আমাদের দেশে জন্ম নিত। কোরআনের ভাষা হইত বাংলা [তখনও কি আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলতাম? নাকি বাঙ্গালী জাতীর সে সময়ে অস্তিত্বই ছিল না?] আর ইসলাম আমাগরে প্রতিনিধিত্ব করত।
০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: আপনের এই মন্তব্যের জবাব ২৩ নং মন্তব্যে।

২২. ০৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৩
শয়তান বলেছেন: সত্যান্বেষী বলেছেন: কোরান ইজ ফর দ্যা অ্যারাবস, বাই দ্যা অ্যারাবস, এন্ড অব দ্যা অ্যারাবস।
০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: সত্যান্বেষী তো সত্য কথাই কইব।

২৩. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫৬
তন্ময় হাসান বলেছেন: @মুক্ত মানব

আপনের বদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গি দেইখা চুপ থাকতে পারলাম না। আপনি স্বীকার করতেছেন আরবেরা সেই সময় ছিল বর্বর (আমি মনে করি এখনো তাই)। বর্বরদের শান্তির পথে আনার কৃতিত্ব মহানবীর। আবার আফসোস করতেছেন আমরা কেন সেই সময় বর্বর হইলাম না!

আপনি এখন একজন ধার্মিক মুসলমান হিসাবে আমাকে বলেন, বর্বরতা কি এতই পজিটিভ একটি গুণ যে তা অর্জন করা আমাদের দরকার ছিল!

আপনি জন্ম নিছেন বাংলাদেশে, আপনি একজন বাংলাদেশী, কিন্তু আপনার মনে পলিমাটির কোন ছিটেফোটাও নাই; সেইখানে শুধু মরুভূমির বালি কিচকিচ করতেছে!
০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:১৮

লেখক বলেছেন: মুক্ত মানবের মুক্ত বুদ্ধিতে উত্তর দিছে ভাই।

০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:২০

লেখক বলেছেন: PLUS

২৫. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:০২
তন্ময় হাসান বলেছেন: Click This Link

এটা পড়ে দেখতে পারেন, বাঙালি জাতির সূচনা যীশুখ্রীস্টেরও জন্মের আগে।
০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:১৭

লেখক বলেছেন: চমৎকার লিংক । ধন্যবাদ।

২৬. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩৪
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: ভালো লিখছেন ।


এটলিষ্ট ইসলামের প্রতি তেমন বিদ্বেষ দেখান নাই ।

ভালো

ইসলাম সহ সব মতবাদই যে সাম্রাজ্যবাদী আচরনের অংশীদার এতে দ্বিমত নাই ।

মোটামুটি একি সব তন্ত্রের হাবভাব ।
মানুষের বেসিক নেচারই খাই খাই স্বভাব -- তন্ত্র /মন্ত্রতো মানুষই বানাইছে -- এগুলো বাদ যাবে কেন ।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

ইসলামের ব্যাপারে যেই প্রশ্ন গুলো করেছেন অল্প বিস্তর আলোচনা করা যেতে পারে।

১। পোশাক আশাক কোন ফ্যাক্টর না । যদা দেশ যদাচার।
হোয়েন ইন রোম ইউ হ্যাভ টু বি আ রোমান।

২। অনেকের কাছেই শুনছি -- নবীজী আরব -- আর স্থান কাল পাত্র সব আরবদেশে হওয়ার কারনে আরবীতে নাজিল হৈসে ।
এইটা আমারো প্রশ্ন -- এর কোন ভালো যুক্তি শুনি না আজ পর্যন্ত ।
সাউথ আমেরিকার জংলী রা কিভাবে আরবী অনুবাদ করবো এটা একটা বিরাট কোশ্চেন মার্ক।

৩। ^

৪। এই জিনিষটাও ভাবার মতো । তবে সমস্যা হলো আমি কোরআন ঠিক মতো পড়ি নাই ।
আপনে পড়সেন কিনা জানি না ।
বিশ্বাসীদের মতো একবার পড়া উচিত । অবিশ্বাসীদের মতো একবার পড়া উচিত । যে জিনিষটা জানি না -- তারে আরেকজনের কথায় বাতিল করার আগে -- সেকেন্ড থট দেয়া উচিত ।

আলাপ আলোচনায় যতদুর জানি আমেরিকা -- অষ্ট্রেলিয়া

এইসব সম্পর্কে কোন জ্ঞানই ছিলো না তখনকার মানুষের ।
কোরআন পুরো ব্যাপারটাই যদি তখনকার জ্ঞান অনুসারে হয় -- তবে নাস্তিকদের ঐ কথাটাই পোক্ত হয় যে কোরআন মানুষ লিখসে।

আরেকটা ব্যাপার বলা যায় যে -- আপনে সাউথ আমেরিকা - অষ্ট্রেলিয়া - গ্রীনল্যান্ডে থাকলে ইসলাম পালন করতে আপনার সমস্যা হওয়ার কথা না ।
শান্তির ধর্ম -- শান্তিময় ভাবে ভালো জিনিষ পালন করতে পারেন
কমন সেন্স -- আর গ্রে ম্যাটার তো দেয়াই আছে । কোনটা ভালো কোনটা খারাপ এটাও নিশ্চয় বোঝার সমস্যা নাই ।

৫।

আরবরা সেরা । হাহাহাহাহাহহাহাহাহাহ

শালারা হৈল দুনিয়া বর্বরতম জাতিদের মধ্যে একটা ।
ইসলাম আসার আগে মেয়ে বাচ্চা জ্যান্ত কবর দিত ।

এটা আমাদের ধারনা আরবরা সেরা -- টাকা পয়সায় আর তেলে । আপনে মনে করেন ওদের তেল থাকলে ওদের কেউ পাত্তা দিতো !!!

শালার এখনো অশিক্ষিত বর্বর আছে ।
শোনা যায় -- ওরা এত বর্বর হওয়ার কারনেই নাকি বেশির ভাগ নবী সেখানে পাঠানো হৈসে।


৬। জাতীয়তা বোধ নিয়া আমার নিজস্ব কিছু চিন্তা আছে।

সেটা অন্য পোষ্টে আলাপ করা যাবে । মানুষ সেল্ফ সেন্টার্ড -- স্বার্থপর জীব ।
এরা দলে থাকে ঠিকই -- নিজের স্বার্থের জন্য ।
এই ভাবে চিন্তা করে দেখা যেতে পারে। যেকোন আইডিয়া প্রচলিত ধারার বিপরীতে যায় ।

শেষে আপনে যেটা বল্লেন সেটাও কিন্তু প্রচলিত ধারার বিপরীতে যায় । কোন ভালো কিছু করতে গেলে গৎ বাধা সব নিয়ম ধসে পরে -- তখনই সব চিল্লাফাল্লা শুরু হয় ।

তবে আমার মনে ইউনিট লেভেলে মানুষ স্বার্থপরতা ছাড়তে পারলে -- বড় লেভেলেও পারবে ।

মূল সমস্যাটা আশাকরি চোখে পড়েছে।


পোষ্টে ++

একটা প্রশ্ন করার জন্য -- আরেকটা তন্ত্র মন্ত্রের জারিজুরি ধরার জন্য।

০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:১৪

লেখক বলেছেন: ইসলাম সহ সব মতবাদই যে সাম্রাজ্যবাদী আচরনের অংশীদার এতে দ্বিমত নাই ।
- ভাইজান, এইটাই তো মূল কথা এবং আমার কাছে মনে হয় সব মতবাদের মূল সমস্যা। পৃথিবীতে সকল অশান্তির মূল এই সম্প্রসারণবাদী মনোভাব।

২৭. ০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:২৪
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: লেখক বলেছেন: চিন্তা করেন। কল্লার উপর গ্রে মেটার তো আর খামাখা না।

সামান্য গ্রে ম্যাটার যা আছে তাই নিয়া উপরোক্ত বিষয়ে একখান পোষ্টাইছি।

Click This Link

আপনার যাইতে আজ্ঞা হয়!
২৮. ০৬ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৭:০২
মুক্ত মানব বলেছেন: @তন্ময় হাসান,
দাদার কবর কোথায় আর দাদী কাদে কোথায়? কারো মন্তব্য বুঝতে না পেরে মন্তব্য করা উচিৎ নয়। অবশ্য আপনার দোষ নেই। শামীম ভাই নিজেও বুঝতে পারে নি। আমি শুধু বোঝাতে চেয়েছিলাম, মুহাম্মদ (সঃ) আরবে জন্ম নিয়েছিল বলেই কোরআনের ভাষা আরবী। এর জন্য যদি ইসলামকে আরবদের প্রতিনিধি বলা যায় বা ইসলামের দৃষ্টিতে আরব বা আরবী ভাষা কে শ্রেষ্ঠ বলা যায়, তবে আমরা দুঃখ করতে পারি মহানবী কেন আমাদের জাতীতে জন্ম নিলেন না? আর মহানবী জন্ম নিতে হলে আমাদের তো তখন সবচেয়ে বর্বর জাতী হতে হত, তাই না?
ভাল থাকবেন, আর অযথা তর্ক করার কোন ইচ্ছেই আমার নেই। আমার একটা পোষ্টেই যেমন ইসলাম রক্ষা পাবে না তেমনি আপনাদের শত পোষ্টেও ইসলাম ধ্বংষ হয়ে যাবে না। আর আমি এমন কোন ইসলামিক পন্ডিত নই যে, ইসলাম নিয়ে তর্ক করতে যাব।
২৯. ০৬ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৪০
শয়তান বলেছেন: তন্ময় হাসান রে ঝাজাবাদ
৩০. ০৬ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:০৭
তন্ময় হাসান বলেছেন: আমি নিজে ধর্ম মানি আর না মানি, তাতে আমার আশেপাশের সকল ধার্মিকদের মতামত রাতারাতি পালটে যাবে এমন আশা কখনো করি না। ইসলাম কিংবা অন্য কোন ধর্মের উপকার কিংবা অপকার কোনটা করারই আমার ইচ্ছা কিংবা সময় - কোনটাই নাই। সেই কারণেই আমিও তর্কে যাব না। শুধু অনুরোধ করব আমার দেয়া লিঙ্কটাতে গিয়ে বাঙালি জাতি সম্পর্কে জানার জন্য। ভালো থাকেন। @মুক্ত মানব

থেঙ্কু @ শয়তান ;)
৩১. ০৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৩৪
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আপনার লেখায় ইসলাম নিয়ে পুরো চিত্র নেই। যা হোক, এই নিয়ে ক্যাচাল করার ইচ্ছা নেই। ইসলামে জাতীয়তাবাদের কোন ধারনা নেই, বা ইসলাম পুরোই জাতীয়তাবাদ নির্ভর, দুটো মতবাদের কোনটাই ইসলাম সমর্থন করে না। জনগনের ইচ্ছা অনিচ্ছাকে পায়ে মেড়ে বিদেশী শাসক বসানো বহু জায়গায় নিরুৎসাহিত হয়েছে।

ইসলাম সম্প্রসারনবাদী তার বিশ্বাসের ক্ষেত্রে। রাজনীতি কিংবা দেশ দখলের ক্ষেত্রে তেমনটি নিশ্চিত করে বলা যায় না। শাহ জালাল (রা) সহ আরো আওলিয়ারা এসে বাংলাদেশে শাসন ক্ষমতা দখল করতে চান নি। পরে অবশ্য অনেকে রাজনীতিতে জড়াতে বাধ্য হল কারন অত্যাচার চলতো মারাত্মক।

উমর (রা) সহ আরো শাসকদের পররাষ্ট্র নীতি সম্ভবত সে সময়ের রাজনীতির প্রতিফলন। অবশ্য অবশ্য তা ইসলাম অনুমিত। কিন্তু সেটাই একমাত্র গ্রহনযোগ্য নীতি নয়।

রাজনীতির ক্ষেত্রে ইসলামের মূলনীতির পরিধি সাধারন ধর্মাচরনের পরিধির চেয়ে বিস্তৃত। সাধারন ধর্মাচরন যতটা নির্দিষ্ট এবং সংজ্ঞায়িত, রাজনীতির মূলনীতি ততটা সেরকম নয়।
০৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।

৩২. ০৯ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:০৯
অন্যরকম বলেছেন: "নিজের মতটাই সেরা, অপরের মতটা ফালতু - এই মনোভাব সংঘাতের জন্ম দেয়। সৃষ্টি করে অশান্তি। আমাদের প্রত্যেককে অপরকে শ্রদ্ধা করতে হবে। কেবল নিজের কথা বলা নয়, তার কথাও শুনতে হবে।"

ওয়েল, ইসলাম নিয়া আমি যতটুকু জানি, ইসলাম অপরের সহাবস্থানও নিশ্চিত করে, আপরের অধিকারও সংরক্ষণ করে।
১১ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: বাস্তবতা তো তা বলে না । আপনি একটা ধর্ম সম্পর্কে প্রশ্ন করেন। গালি খাবেন কতগুলো সেটা ভাবেন।

৩৩. ১১ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:৫১
অরণ্যচারী বলেছেন: হুদাই কষ্ট করছেন। ঐ পোস্টের ১৫ নাম্বার কমেন্টের রিপ্লাই দেখেন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১০৮৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
স্বপ্ন দেখি, স্বপ্ন দেখাতে চাই। তাই চারপাশে যা ঘটে তা ধরে রাখতে চাই কালো অক্ষরে।
ইচ্ছা করি, যত দিন স্বপ্ন...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ