আমার প্রিয় পোস্ট

জীবন বুনে স্বপ্ন বানাই মানবজমিনে অনেক চাষ চাই

ফুলবানুদের ধরা খাওয়ার কাহিনী (ফুলবানুদের জন্য অবশ্য পাঠ্য, লুলবাবুরা উঁকি না মারলেও চলবে)

৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮

শেয়ারঃ
0 0 0

স্কুল ও কলেজ জীবনে মোটামুটি ফুলবানু-বর্জিত জীবনযাপন করতে হয়েছে। কোন একটা অদৃশ্য কারণে ফুলবানুরা আমাকে পছন্দ করত না। X(
প্রাইভেট স্যারের যে ব্যাচে ভর্তি হয়েছি, দেখেছি সেখানে সব লুলবাবু কিন্তু ফুলবানু একটাও নাই। X( নাটকের দলে কাজ করেছি, কিন্তু ফুলবানুরা সব বড় ভাইদের সঙ্গ উপভোগে ব্যস্ত। আমরা পুলাপাইনরা ফাইফরমাস খেটেছি মাঝে মধ্যে। :((
তবে উপরওয়ালা বোধহয় আমার জন্য সঞ্চয় হিসাব খুলেছিলেন। এত দিনের ফুলবানু-বর্জিত জীবনের সঞ্চয় হিসাব ভাঙ্গানো শুরু হল, যখন এম.এ প্রথম পর্ব ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হলাম জগন্নাথ কলেজে।
ভর্তি হইয়াই আমি পুরা টাসকি। নারায়ণগঞ্জ থেকে মাত্র ৩ জন লুলবাবু এবং ১৬ জন ফুলবানু ভর্তি হয়েছে। ৩ জন লুলবাবুর মধ্যে আমিও একজন। অন্য ২ জনের মধ্যে ১ জন্য ক্লাসে আসে না, চেহারা দেখি নাই জীবনে, ফুলবানুদের কাছে পরবর্তী সময়ে তার চেহারার বর্ণনা শুনেছি মাত্র। অপরজন মাঝে মাঝে আসে, কিন্তু কারো সাথে মেশে না। ফলে ১৬ জন ফুলবানুর বিপরীতে আমি একা লুলবাবু। :P
আমার এক মামা আমাকে হিতোপদেশ দিয়ে বলেছিলেন, কখনও ক্লাসমেটরে পাত্তা দিবি না, ও গুলো বড়দের খাবার। :D
মামার হিতোপদেশ মনে করে ১৬ জনের কাউকেই পাত্তা দিলাম না। বাসে, ট্রেনে বা লঞ্চে যাওয়া আসা করি। তারা আমার দিকে তাকায়, আমিও তাদের দিকে তাকাই। কিন্তু কেউ কারো সাথে কথা বলি না। সপ্তাহখানেক পরে ওদের দলের এক মৈনাক পর্বত আমার কাছে এল, জিজ্ঞেস করল, আমি নারায়ণগঞ্জ কোথায় থাকি এবং তাদের ক্লাসমেট কিনা। আমি মৈনাক পর্বতকে নিশ্চিত করলাম যে, তার অনুমান সঠিক - আমি তাদের ক্লাসমেট।
ব্যাস, কাজ হয়ে গেল। পরবর্তী সপ্তাহে আমি ওদের দলে ভিড়ে গেলাম। কিন্তু ইতিমধ্যে ১৬ জন দলের মধ্যে ২ ভাগ হয়ে গেছে। ৮ জন হুজুরাইন ধরনের মহিলা। তারা আমার সাথে পারত পক্ষে কথা বলে না। তারা অন্য ছেলেদের সাথেও তেমন মেশে না। বাকি ৮ জন সবার সাথেই মেশে।
৮ জন ফুলবানু ও আমি লুলবাবু মিলে ৯ জনের একটা দল হয়ে গেলাম। কয় দিন পর এক ফুলবানুর বিয়ে হয়ে গেল। এবার আমাদের দলটি হল ৮ জনের।
আমরা ৮ জন একসাথে ক্লাস করি, আড্ডা দেই, আসা যাওয়া করি। প্রথম পর্বে একটা পেপার ছিল ইংরেজি গ্রামার। ওরা একদিন বলল, কলেজের এক স্যারের কাছে এই পেপারটা পড়া উচিত। ওকে, আমি রাজি হলাম।
স্যারের বাসা মিরপুর ১১ নম্বরে। নারায়ণগঞ্জ থেকে যেতে ২ ঘণ্টা লাগে। স্যারের কাছে পড়া শুরু হয় সকাল ১১ টায়। আমরা ৯টার ট্রেনে নারায়ণগঞ্জ থেকে রওয়ানা হই। স্যারের কাছে পড়া শেষ করতে করতে দুপুর ১টা বেজে যায়।
ওরা বলল, দুপুরে কোন হোটেলে খাওয়া দরকার। প্রথম দিন আমি ভড়কে গেলাম। ধরে নিলাম, খাবারের বিলটা পুরা আমার পকেটের উপর দিয়া যাবে।
তখন আমি একটা ইংলিশ মিডিয়ামের ছাত্র পড়িয়ে হাজার তিনেক টাকা পাই। সেই টাকা থেকে ২ হাজার ছিল পকেটে। আল্লাহ ভরসা করে ঢুকে পড়লাম কাছের একটা হোটেলে।
ওরা পরামর্শ করা শুরু করল কী খাওয়া যায়। আমি পাত্তাই পেলাম না। ওরাই অর্ডার দিয়ে ফেলল। টেনশনে আমার মাথা গরম হয়ে গেল। ২ হাজার টাকায় কুলাবে তো ?
কাচ্চি বিরিয়ানি আর মুরগির মাংস দিয়ে গেল প্রত্যেকের সামনে। বার বার এইচ.এস.সি তে পড়া বিখ্যাত গল্প লাঞ্চনের কথা মনে পড়ল। ভাবলাম, যদি বিল কম পড়ে ওই গল্পের মতো ঘড়ি খুলে দেব। কিন্তু আমার হাতের ঘড়ি যেই পুরাতন, আমার মুখের উপর ছুঁড়ে মারবে কি না কে জানে।
খাচ্ছি আর আমার শরীর বেয়ে ঘাম ঝরছে। ওরা সবাই মজা করে খাচ্ছে আর গল্প করছে। আমার দিকে তাকাচ্ছেও না। অবশেষে খাওয়া শেষ হল। এবার বিল দেয়ার পালা। :|
মৈনাক পর্বত বলল, শামীম, বিলটা দে। তুই তো আমাদের খাওয়ালি। :-*
ওয়েটার বিল নিয়ে এল। ভয়ে ভয়ে বিলের দিকে তাকালাম। না, বেশি আসেনি, সাড়ে আটশ'র মতো। ২টা ৫০০ টাকার নোট দিলাম। ওয়েটারের টিপসসহ ৯০০ নেমে গেল আমার পকেট থেকে।
মিরপুর থেকে দোতলা বাসে আসতাম গুলিস্তান। দুপুরের দিকে দোতলায় তেমন যাত্রী থাকত না বলে ফুলবানুরা দোতলায় উঠত। আমিও দোতলায় বসতাম।
বাসে ওঠার পরই দেখি মৈনাক পর্বত আমাকে টাকা সাধে। কী ব্যাপার, কিসের টাকা ? তখন ও আমাকে বুঝিয়ে বলল, আমরা স্যারের কাছে ৪ মাস পড়ব। প্রতিদিন দুপুরে হোটেলে খেতে হবে। বিলটা তুই দিস, পরে আমরা আমাদের অংশ শোধ করে দেব।
ওরা সবাই যার যার অংশের বিল দিয়ে দিল। আমি হাফ ছেড়ে বাঁচলাম। তাহলে আমার উপর দিয়ে যায়নি।
এই নিয়মে আমরা সপ্তাহে ৩ দিন সেই হোটেলে খাই। আমি বিল দেই। পরে ওদের কাছে বলি, ওরা হিসেব করে প্রত্যেকে টাকা দিয়ে দেয়।
কিন্তু হোটেল মালিক ও ওয়েটারদের ব্যবহার বদলে গেল ১৫ দিনের মধ্যে। প্রত্যেকবার খাওয়ার পর মোটা অংকের বিল ছাড়াও ভালো টিপস দিতাম আমি। ফলে তারা ধরে নিয়েছিল, আমি কোন কোটিপতির সন্তান, আমার পকেট ভর্তি অনেক টাকা, বাপের টাকায় আমার বান্ধবীদের খাওয়াই। ;)
আমি হোটেলে ঢোকার মুখেই জোরে স্যালুট দিত এক ওয়েটার। আমার জন্য ফ্রি স্পেশাল শরবত করে দিত। মালিক নিজে উঠে এসে আমার খোঁজ খবর নিত। আমার হাত ধোওয়ানোর জন্য এক ওয়েটার গরম পানি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকত। হাত মোছানোর জন্য বিশেষ টিসু্য পেপার কিনে এনেছিল। B-)
মাসখানেক পরেই আমার মাথায় দুষ্ট বুদ্ধি খেলে গেল। ফুলবানুরা ইচ্ছে মতো অর্ডার দিত এবং খেত। তারপর ওরা হা হা হি হি করে গল্প করত। আমি একটু ধীরে খেতাম। ওরা উঠে বেরিয়ে গেলে সবার শেষে বিল দিয়ে বেরুতাম আমি। আমি কত বিল দিচ্ছি ওরা কেউ খেয়াল করত না।
বাসে উঠেই যথারীতি ওরা বিল কত জিজ্ঞেস করত। আমি বাড়িয়ে বলতাম। এমন বাড়িয়ে বলতাম যে, আমার স্যারের কাছে যাওয়া-আসার খরচ ও খাওয়ার খরচ উঠেও কিছু টাকা পকেটে থাকত। পরে আমি ওদের আইসক্রীম খাওয়াতাম।
কিছু দিনের মধ্যে হাতখোলা খরুচে লোক বলে ফুলবানুরা আমার সুনাম ছড়িয়ে দিল।
বাকি ৩ মাস ওদের টাকার ওপরেই আমি বেশ হেসে খেলে ভেসে চলে গেলাম।
আহা ! কী সব দিন ছিল /:)

(অফ টপিক : এই কাহিনীটা পরে কোন এক ফুলবানুর বিয়েতে ফাঁস করে দিয়েছিলাম। পারলে ওরা আমার চুল ছিঁড়ে নেয় আর কি । :D থাক সেই কাহিনী আরেক দিন বলা যাবে।)

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): হোটেলখাওয়া ;
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫২
ভাঙ্গন বলেছেন: হে ভ্রাতা, এতদিন পরে ফুলবানুদের জন্য আপনার এই স্মৃতিরোমন্থন দেখিয়া আমি যারপরনাই কুন্ঠিত হৈয়াছি।

ব্যাপারটা ভাবী বরাবর জানানো নিতান্তই দায়িত্ববোধ করিতেছি!
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: ভ্রাত, সেইটা আমি নিজ দায়িত্বে সারিয়া ফেলিয়াছি। আমি আবার নিজের ঢোল নিজেই পিটাই, কেননা অপরকে দিলে ফাটাইয়া ফেলিতে পারে।

২. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩
আনিকা শাহ বলেছেন: হা হা হা! মজা পেলাম পড়ে। :)
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০৬

লেখক বলেছেন: আমিও এই ঘটনা স্মরণ করে মাঝে মাঝে মজা পাই।

৩. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৪
শওকত আহমেদ বলেছেন: মাছের তেলে মাছ ভাজছেন দেহি।
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০০

লেখক বলেছেন: কই মাছের তেলে তিমি মাছ ভাজছি ভাইজান।

৪. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৪
তামিম ইরফান বলেছেন: ইংরেজি বিভাগে পড়ার এই এক সুবিধা:D...........একবার এক সাবজেক্টে ৩০ জন স্টুডেন্টের মধ্যে আমি একমাত্র লুলবাবু ছিলাম:D
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০০

লেখক বলেছেন: বুকে আয় ভাবুল, তুই এত দিন কুথায় ছিলি ? তুর কাহিনী বলিস রে

৫. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৪
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: খাইচে ... শামীম ভাই তো দেখি ওস্তাদ মানুষ !!!!
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: হ, কদমবুচি করেন।

৬. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৫
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: হাহাহা, জটিল! মজা পাইলাম পইড়া

৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০৫

লেখক বলেছেন: এত হাসলে তো ফিট খাইবেন তো।

৭. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯
কাক্কা বলেছেন: আপনি যা লিখেছেন তা বোধগম্য। আর বিটুইন দ্যা লাইন যা আছে তাও বোধগম্য। আপনি ভালই লিখেছেন। এইভাবে আপনি আপনার জীবনের আরও নানান গোপন কথা ফাঁস করবেন বলে আশা করি।
আমার প্রত্যাশা শুধু ফুলবানু কেন আমার সুইট ভাবীর সাথে আপনারযত ইটিশটপিটিশ হয় তাও লিখতে পারেন। মানে লিখলে আমরা আমুদিত হই আর কী। ভালই লিখছেন। নমস্কার।
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০২

লেখক বলেছেন: জীবনের কোন গোপন কথাই আর শেষ পর্যন্ত গোপন থাকে না।

৮. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০০
মহিউদ্দিন আহামেদ সৈকত বলেছেন: দারুন লাগল বস্ যাকে বলে একেবারে লা-জবাব...
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১০

লেখক বলেছেন: উনারাও এই ঘটনা পড়ে শুইন্যা লা জবাব হয়া গেছিল।

৯. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০১
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: দেখেন ফুলবানু বন্ধুরা কত ভাল।
আহা সেইসব দিনের কথা মনে করাইয়া দিলেন।
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪

লেখক বলেছেন: হ, ওদের মাঝে মাঝে খুব মিস করি। ওরা খুব ভালো মানুষ ছিল।

১০. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০২
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
বস দারুন একটা শব্দ বানাইলেন তো
লুল বাবু:)
পোস্ট কি পড়ুম
হাসতে হাসতে শ্যাষ এইটা শুইনাই:)
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১১

লেখক বলেছেন: যত দিন দাঁত আছে, তত দিন যত পারা যায় হাসা উচিত।

১১. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০৩
মহিউদ্দিন আহামেদ সৈকত বলেছেন: দারুন লাগল বস্ যাকে বলে একেবারে লা-জবাব...
১২. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪
নাজমুল আহমেদ বলেছেন: অতপরঃ জানতে পারলাম শামীম ভাইয়ের লুলবাবু জীবনের কাহিনী। এবং ইদানিং আরো বুজিতে পারতাছি বুড়া হইলেও শামীম ভাই এখনও লুলবাবুর অভ্যাস ছাড়িতে পারে নাই ;);)


রুকছানা আপার সাথে সুর মিলাইয়া বলতে হয় এই কাহিনী ভাবী কে না জানাইলে নিতান্তই দায়িত্বের ভরখেলাপ হবে ;) শত হইলেও বড়ভাইদের প্রতি ছোটভাইদের একটা দায়িত্ব আছে ;);)
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০৮

লেখক বলেছেন: তুমার অভিজ্ঞতা কম হে। তুমি কি মুনে কর, স্ত্রী-রত্ন স্বামী-দেবতার কোন খবর না জানে ? (১নং মন্তব্যের উত্তর দ্রষ্টব্য)

১৩. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০৫
শ।মসীর বলেছেন: আহা ! কী সব দিন ছিল ...মজা পাইলাম
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০৯

লেখক বলেছেন: সত্যি, সুন্দর দিনগুলো বেশি দিন থাকে না।

১৪. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০৭
তুতুষার বলেছেন: ব্যাপকসhttp://faltu.net/emo/basics/007.gif
১৫. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১০
শান্তির দেবদূত বলেছেন: আপনেরে তো সহজ সরল ভালো মানুষ মনে করছিলাম ! এখনতো দেখতেছি আমি আপনে দুইজনেই একই পথের পথিক ;)
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১৩

লেখক বলেছেন: কন কি ! আপনের আবার কোন কাহিনী ?

১৬. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১৫
অন্য কেউ বলেছেন: খিক্স! বিয়াফখ খার্বার। আম্মো খর্তাম ছাই। দুয়া রাইখ্খেন!
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১৭

লেখক বলেছেন: কদমবুচি ছাড়া দুয়া করি কেমনে ?

১৭. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১৫
বৃত্তবন্দী বলেছেন: তাইতো বলি শামীম ভাইয়ের মাথায় টুপি কেনো ;)

ডিস্ক্লেইমারে পুরোটা বলেন নাই, মগর বুইঝা নিসি ;););)
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:২০

লেখক বলেছেন: হ , উস্তাদ আপনে পুরাই বুজছেন।

১৮. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১৭
ভাঙ্গন বলেছেন: পূর্ববত কোন ফুলবানু কি ঢোলখানা একবার ভাঙ্গিয়াছিল কী না?
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১৮

লেখক বলেছেন: কেউ কি নিজের ধরা খাওয়ার কাহিনী বলিয়া আবারও ধরা খাইতে চায় ?

১৯. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১৯
সেতূ বলেছেন: ৭ জন ফুল বানু ;)
আমরা পুলাপাইনরা ফাইফরমাস খেটেছি মাঝে মধ্যে।
খাচ্ছি আর আমার শরীর বেয়ে ঘাম ঝরছে।
বাকি ৩ মাস ওদের টাকার ওপরেই আমি বেশ হেসে খেলে ভেসে চলে গেলাম।

মজাই মজ্জা :):):)
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:২২

লেখক বলেছেন: :) :) :)

২০. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:২৩
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: জীবনই জীবন। তা আপনার বর্তমান ফুলবানুরে নিয়া কিছু লেখেন :)
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:১৭

লেখক বলেছেন: লিখব হে, গুছাইয়া লই।

২১. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:২৫
ভাঙ্গন বলেছেন: জগতে কত রকম খাওয়া বাকি রাখিয়া লুলবাবুরা খালি "ধরা" খায় কেন ?
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:১৮

লেখক বলেছেন: ধরা খাইল ফুলবানুরা, আপনে কন লুলবাবু ! বুঝিতে পারিলাম না, হে বৎস।

২২. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৩
সাইফ ইমাম বলেছেন: ভ্রাতা তো দেখি ভালোই মৌজ-মাস্তির সহিত দিন কাটাইছেন।
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৩০

লেখক বলেছেন: সবই উপরওয়ালার ইচ্ছা।

৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১

লেখক বলেছেন: হ, দাদা, লাঞ্চন পইড়া শিখছিলাম।

২৪. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৫২
অন্য কেউ বলেছেন: @রিয়াজুল ইস্‌লাম: হা হা চে থে উ প গে!
২৫. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০১
নতুন রাজা বলেছেন: শামীম ভাই, আপনি একটা জিনিস...
২৬. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০২
অপরিচিত_আবির বলেছেন: এইভাবে প্রতারণা করেছিলেন!!!!!

আর চুল কি আসলেই ছিঁড়ে নিয়েছিল নাকি??? ;)
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৭

লেখক বলেছেন: চেষ্টা তো করিয়াছিল।

২৭. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০৩
রাজীব বলেছেন: (অফ টপিক : এই কাহিনীটা পরে কোন এক ফুলবানুর বিয়েতে ফাঁস করে দিয়েছিলাম। পারলে ওরা আমার চুল ছিঁড়ে নেয় আর কি । :D থাক সেই কাহিনী আরেক দিন বলা যাবে।)

বৃত্তবন্দী বলেছেন: তাইতো বলি শামীম ভাইয়ের মাথায় টুপি কেনো ;)
২৮. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০৩
মোতাব্বির কাগু বলেছেন: নিজের ঢোল নিজেই পিটাই, কেননা অপরকে দিলে ফাটাইয়া ফেলিতে পারে।
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৯

লেখক বলেছেন: পুরানা জ্ঞানের কথা।

২৯. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:২০
তাজা কলম বলেছেন:
"মৈনাক পর্বত বলল, শামীম, বিলটা দে। তুই তো আমাদের খাওয়ালি। :-*
ওয়েটার বিল নিয়ে এল। ভয়ে ভয়ে বিলের দিকে তাকালাম। না, বেশি আসেনি, সাড়ে আটশ'র মতো। ২টা ৫০০ টাকার নোট দিলাম। ওয়েটারের টিপসসহ ৯০০ নেমে গেল আমার পকেট থেকে।"

৯০০ টাকা তাহলে পানিতে যায়নি। বাকি ৩ মাসে পুষিয়ে নিয়েছেন। জাতে মাতাল তালে ঠিক। হা: হা: হা: হা: ......
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৮

লেখক বলেছেন: ওই দিনও বিলটা ফেরত পেয়েছিলাম। তবে আমার বিল আমাকেই দিতে হয়েছিল।

৩০. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:২৮
জানপরী বলেছেন: বস, অন্য লুল বাবুরা যে আপনাকে উত্তম মধ্যম দেয় নাই এটা আপনার ভাগ্য।
কারণ একা একা এতগুলো ফুল বানু নিয়ে ঘুরেছেন।
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৪

লেখক বলেছেন: জ্বি না, দাদা, পরবর্তীকালে আর একা একা থাকে নাই। সে এক লম্বা কাহিনী।

৩১. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:২৮
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: আপনিতো ভাই কামেল মানুষ।

প্রভাতের সূর্য দেখে দিনটা বোঝা যায়---- (:P)না না আর কিছু বলব না।

৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: আর কিচু কওয়ার থাকলে তো কইবেন

৩০ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৩

লেখক বলেছেন: জ্বী, সেই সব দিন আর নাই।

৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৮

লেখক বলেছেন: যার যেই দিকে নজর।

৩৪. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৫০
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ফুলবানুগো লগে লুলাইতে মন চায়!
সেই কপাল কি নাই?
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:২০

লেখক বলেছেন: সেই দিন আর নাই। উনাদের প্রত্যেকের বান্ধা লুলবাবু জুইট্যা গেছে।

৩৫. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৫
সেতূ বলেছেন:
শামীম ভাইয়ের : ফুলবানু না লুলী ???

এইটা কি কয় নম্বর ডিজুস ফুলবানু না লুলী ???....


Click This Link
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৬

লেখক বলেছেন: আর বৃষ্টিতে ভিজতে চাইতাম না। বিপজ্জনক দুনিয়া।

৩৬. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:০৬
শাকালাকা বুম বলেছেন: আপনার ফুলবানুরা বড়ই ভালা আছিল।

তা ৭ এর মাঝে এক , আপনার তো সাত ভাই চম্পা কাহিনী হইছে।

হাসতে হাসতে মরে গেলাম.....বাইচা আছি নাকি ভাবতাছি :)
৩৭. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৭
বড় বিলাই বলেছেন: ফুলবানুদের কাছ থেকে এবার আপনার চুলগুলোও উদ্ধার করে নিয়ে আসেন, সুদে আসলে।
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০০

লেখক বলেছেন: উনাদের চুল গেলে উনাদের বান্ধা লুলবাবুরা উনাদের ত্যাগ করবে। তখন আমার কী হবে ?

৩৮. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫২
সাইলেন্সার বলেছেন:

৮ ফুল ১ মালি!!!
আমি ঐ জায়গায় থাকলে নির্ঘাত আপনাকে হাফ-লেডিস বলে ডাকতাম....... ;)
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:২৭

লেখক বলেছেন: পারতেন না, আমার সাইজ সম্পর্কে আপনের কোন ধারণা নাই।

৩৯. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৫
সোনালীডানা বলেছেন: ওরে রে ... জটিল বুদ্ধিতো।B-)
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৩২

লেখক বলেছেন: সুযোগ থাকলে কামে লাগায়া দেন।

৪০. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:১৯
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: "আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম
আমরা আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম............." ;)
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৩১

লেখক বলেছেন: আহা ! সেই দিনগুলি ..............

৪১. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:২১
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: @সেতূ ভাই হুদাই আমারে মাইনাস দিয়া আসলেন, আমি ঐ পোস্টটা না দিলে শামীম ভাইয়ের গোপন রহস্যটা কি জানতে পারতেন? :)
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:২৬

লেখক বলেছেন: আর বৃষ্টিতে ভিজতে চাওয়া যাইব না। বিপজ্জনক অবস্থা।

৪২. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৪০
সাইলেন্সার বলেছেন:

লেখক বলেছেন: পারতেন না, আমার সাইজ সম্পর্কে আপনের কোন ধারণা নাই।

হা.......হা........হা

পারতাম.......... আমার পাগলামি সম্পর্কে আপনার ধারণা নাই...... ;)
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: একটা বিখ্যাত সংলাপ দিয়া আপনের মন্তব্যের উত্তর দেই। আমি দুইডা জিনিস ডরাই - পাগল আর কুত্তা।

৪৪. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৫৫
সৌরভ১৩ বলেছেন: ভাইয়া চমৎকার লাগল আপনার গল্প... ফুলবানুদের কারো সাথে যোগাযোগ হয় এখন? মাছের তেলে মাছ ভাজার ট্রিক্সটা ভালা পাইলাম... :) :) :)
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:০০

লেখক বলেছেন: মাঝে মাঝে ফোনে যোগাযোগ হয়।

৪৫. ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:৩২
এখন ও বৃষ্টি ভালবাসি বলেছেন: আপনারে তো আমি একজন ভালা মানুষ বলে জানতাম ,আজ আপনার এ কী রুপ দেখলাম ।
০১ লা আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৬

লেখক বলেছেন: এখানের খারাপের কী দেখলেন ? বন্ধু-বান্ধবদের মধ্যে মজা করা কি খারাপ ?

০১ লা আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৮

লেখক বলেছেন: আমিও ধন্য হইলাম, একজন ফুলবানু পড়ল বইলা।

৪৭. ০৩ রা আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৩০
এখন ও বৃষ্টি ভালবাসি বলেছেন: আপনে কী মাইন্ড খাইছেন নাকি আমার কথায় ,আমি মজা করছি ভাই ।
৪৮. ০৩ রা আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:০৪
'লেনিন' বলেছেন: আরে এ যে ব্যাপক কাহিনি.. আপনি তো মশাই সকল কাজের কাজী :)

 

মোট সময় লেগেছে ১.১২৫৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
স্বপ্ন দেখি, স্বপ্ন দেখাতে চাই। তাই চারপাশে যা ঘটে তা ধরে রাখতে চাই কালো অক্ষরে।
ইচ্ছা করি, যত দিন স্বপ্ন...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ