somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আগে দিয়েছিলাম অডিও, এবার দিলাম ভিডিও, সঙ্গে আসল কাহিনী ফাও ভিডিওটি একটি ফিল্মের টাইটেল সং, যদিও ফিল্মটি শর্ট ফিল্ম। এখনও টাইটেল বসানো হয়নি, কেবল শটগুলো সাজানো হয়েছে। শর্ট ফিল্মে এই ধরনের কোন টাইটেল সং আমি আগে দেখিনি। জানি না আপনারা কেউ দেখেছেন কি না। আমি অনেকটা ঝুঁকি নিলাম আর কি । একটা সময় প্রত্যেক মানুষকেই ঝুঁকি নিতে হয়। নো রিস্ক, নো গেইন।
শর্ট ফিল্মটির নাম সঙখেলা। অনেক আগে শুটিং হয়েছিল। নানা ঝামেলায় এডিটিং শেষ করা যায় নি। এখন এডিটিং শেষ করেছি। সেই শর্ট ফিল্মের শুরুতে এই গানটি ব্যবহার করা হয়েছে। গানের ফাকে ফাকে টাইটেল দেখানো হবে। মূলত যে লং শটগুলোতে পুরুষ লোকটি নাচছে সেখানে টাইটেল দেখানো হবে। প্রথমে অনেকক্ষণ ধরে লং শট ধরে রাখার কারণ হল, ওখানে ফিল্মের নামটি দেখানো হবে।
কাজ শেষ হলেই প্রদর্শনীর জন্য চেষ্টা চালাব। ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে কয়েকটি প্রদর্শনী করার পরিকল্পনা আছে। সেই সঙ্গে নানা চলচ্চিত্র উৎসবে তো পাঠাবই। সঙখেলা নামের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করে দারুণ মজা পেয়েছি। আশা করি, প্রদর্শনী করে দর্শকদের ভালো সাড়া পাব।
গান শুনে ও দেখে কেমন লাগল জানান। গঠনমূলক আলোচনা ও সমালোচনা তো অবশ্যই করবেন।





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29539242 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29539242 2012-02-11 22:25:34
কেবল গানটা শোনেন, ভালো লাগল কি না বলেন, পরে বলছি আসল কাহিনী গানের কথাগুলো কেমন হল ? সুর বা মিউজিক ? স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্রে এই গান যায় কিনা সেটাও বিবেচ্য। গান শুনে এই গানের বিপরীতে কেমন ভিডিও কল্পনায় ভেসে ওঠে ?
যাই হোক, গানটা শোনেন। ভালো লাগলেও জানান, না লাগলেও জানান। তবে কেন ভালো লাগল বা কেন ভালো লাগল না সেটা বললে আমার বিশেষ উপকার হবে।
আরও ভালো হয়, যারা অনেক অনেক গান শোনেন, অনেক অনেক মিউজিক ভিডিও দেখার অভিজ্ঞতা যাদের, তারা যদি মন্তব্য করেন।
আমি আসলে গানটা নিয়ে খানিকটা দ্বিধায় আছি। গানটা কি ব্যবহার করব কিনা বুঝতে পারছি না। আমার গানটা ভালো লাগছে। কিন্তু আমার একার ভালো লাগায় তো কিছু যায় আসে না।
আর কথা নয়, এবার গানটাই শুনি। পরে আরেকদিন আরেকটা পোস্টে বলব আসল ও পুরো কাহিনী ।
গানের লিংক নিচেই :

জোনাক রাইতে একলা হেঁটে ... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29537405 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29537405 2012-02-08 21:46:22
ছবি ব্লগ : শুটিং হল নাটক ভ্রান্তি বিলাসের এই নাটকে অভিনয় করেছেন নাট্য ও চলচ্চিত্র অভিনেতা এস.এ শামীম, আমিনুল ইসলাম, এটিএম রাসেল, মাহমুদা আক্তার পলি, ইসরাত জাহান প্রিয়া, সানজিদা আক্তার হীরা, রুবিনা আক্তার, তৌকির আহম্মেদ, জাফর মোহাব্বত, শাহরিয়ার জাহান, দ্বীপ, শাফায়েত, রুবেল আহম্মেদ, আলমগীর হোসেন ও পথিক তোতা। নাটকের বেশির ভাগ শিল্পীই বিশ্ব কলার ছাত্র ছাত্রী। নাটকটি মধ্য ফেব্রুয়ারিতে বিটিভিতে প্রচারের সম্ভাবনা রয়েছে। অবশ্য এই ধরনের সমাজ সচেনতামূলক নাটক অনেকবার প্রচার করে বিটিভি।
গতকাল টিএসসিতে নাটকটির শুটিং হয়ে গেল। আমি ছিলাম পরিচালকের সহকারী ও অভিনেতা।
ছবি ব্লগে বেশি কথা বলা হয়ে গেল বোধ হয়।


পরিচালক সৈয়দ রেজাউর রহমান


পরিচালক সৈয়দ রেজাউর রহমান (ডানে) এবং ক্যামেরা ম্যান মেহেদী হাসান বাবুর (বায়ে) মাঝখানে সহকারী হিসেবে আমি শাহজাহান শামীম (মাথায় গামছা)


নাটকের নায়ক ও নায়িকা : যাদের নিয়ে কাহিনী


নাটকের নায়ক ও নায়িকা : যাদের নিয়ে কাহিনী


অভিনেতা ও অভিনেত্রীকে দৃশ্যটি বোঝাচ্ছেন ক্যামেরা ম্যান মেহেদী হাসান বাবু


আরেকটি দৃশ্য বোঝাচ্ছেন পরিচালক স্বয়ং


নাটকের একটি বিশেষ দৃশ্য

ছবি ব্লগ পোস্ট করে অভ্যস্ত নই। কেমন হইল কে জানে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29536000 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29536000 2012-02-06 14:15:51
আরেকটা বিজ্ঞাপন, কেমন হল এবার ? একটা মার্কেটের বিজ্ঞাপন বানাতে হবে। রাজি হয়ে গেলাম। বিজ্ঞাপনের একটি স্ক্রিপ্ট বানিয়ে মার্কেটের মালিককে দেখালাম। তিনি পছন্দ করলেন। শুরু হয়ে গেল কর্মযজ্ঞ।

মডেল বাছাই, রিহার্সেল, শুটিং এবং এডিটিং। অবশেষে আজ সন্ধ্যায় শেষ হল কাজ।
এটা আমার নির্মিত পঞ্চম লোকাল বিজ্ঞাপন। ডিস চ্যানেলে যাবে।

শেষ পর্যন্ত যা হল, তা দেখুন নিচে :



জানি না কেমন হল। সমালোচনা ও মন্তব্য চাই। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29533555 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29533555 2012-02-01 23:20:38
একটি চুরিকৃত মোবাইল ফোন উদ্ধারের দুর্ধর্ষ লুমান্তিক কাহিনী - ০১ পূর্ব দৃশ্য :
আমার অভিনয় স্কুলে ক্লাশের মধ্যে বাইরের লোকজন অতিথি হিসেবে থাকতে পারে। তার জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। অভিনয় সম্পর্কে অনেকের পরিষ্কার ধারণা থাকে না। ক্লাশে তাদের অতিথি হিসেবে থাকার অনুমতি দিয়ে অভিনয় সম্পর্কে একটা ধারণা দেয়ার চেষ্টা। অনেক লোক অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকেন এবং অভিনয় সম্পর্কে ধারণা পেয়ে ভর্তি হয়ে যান। সুতরাং এই অতিথি রাখার সঙ্গে এই স্কুলের বিপণন ও প্রসারের ব্যাপারটাও জড়িত। এখনও অভিনয় সম্পর্কে আগ্রহী যে কোন ব্যক্তি অতিথি হিসেবে ক্লাশে থাকতে পারে।


দৃশ্য - ০১ :
বছরখানেক আগের ঘটনা। সে দিন ক্লাশে সব ছাত্র ছাত্রী উপস্থিত। ক্লাশের প্রথমেই মেডিটেশন করানো হয়। মেডিটেশন করার সময় সবাই চোখ বন্ধ করে থাকে।
সে দিনের ক্লাশে অতিথি মাত্র ১ জন। কালো নাদুস নুদুস স্বাস্থ্যের বছর তিরিশের এক যুবক। তার পরনে জ্যাকেট, শার্ট ও প্যান্ট। তার চেহারার মধ্যে একটা লুচ্চা লুচ্চা ভাব আছে।
যাই হোক, আমাদের ক্লাশ চলছে। মেডিটেশন শেষে মূল ক্লাশে ঢুকে পড়লাম। অতিথি বললেন, তিনি নামাজ পড়তে যাবেন। তিনি নামাজ পড়তে চলে গেলেন।
তিনি চলে যাওয়ার পরই আমার এক ছাত্র তার মোবাইল খুজে পাচ্ছিল না। আমরা হারানো মোবাইলে ফোন করলাম। দেখলাম, তার মোবাইল বন্ধ। আমি বুঝে গেলাম অতিথি সাহেবই মোবাইলখানা হাপিস করে দিয়েছেন। আমরা যখন সবাই চোখ বন্ধ করে মেডিটেশন করছিলাম, সেই সুযোগে তিনি মোবাইলখানা সরিয়ে ফেলেছেন।
খানিকক্ষণ হাপিত্যেস করে আমরা আবারও ক্লাশে মনোযোগ দিলাম। আমাকে অবাক করে দিয়ে অতিথি লোকটা ফিরে এল। একটু দ্বিধায় পড়ে গেলাম। তাহলে মোবাইলটা চুরি করল কে ? উনি যদি চুরি করেই থাকেন, তবে ফিরে এলেন কেন ? পালিয়ে যাওয়াই তো স্বাভাবিক ছিল।
কিছুক্ষণ পর আমি ঘোষণা করলাম, যেহেতু মোবাইলখানা এই ক্লাশ থেকে হারিয়েছে, তাই ক্লাশের সবাইকে চেক করা হবে। কারো কাছে ভুলেও তো মোবাইলটা গিয়ে থাকতে পারে।
এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে অতিথি মহোদয় তার চেয়ার ছেড়ে লাফ দিয়ে উঠে দাড়িয়ে গেলেন। শার্ট খুলে সামনে এসে বললেন, চেক করেন।
তার আচরণ অস্বাভাবিক লাগল। তারপরও তাকেসহ সবাইকে চেক করা হল। কিন্তু কারো কাছেই মোবাইল পাওয়া গেল না।



দৃশ্য - ০২
সে দিন ক্লাশ শেষে মন খারাপ করে বেরিয়ে গেলাম। আধ ঘণ্টা পর আমার পিয়ন আমাকে ফোন করল। সে জানাল, মোবাইলটা ওই অতিথিই চুরি করেছে।
আমি জিজ্ঞাসা করলাম, তুই কিভাবে জানলি ?
ও বলল, আপনারা চইল্যা যাওয়ার পর আমি ওই ব্যাটার পিছন পিছন গেছিলাম। কতক্ষণ পর দেহি, হেই ব্যাটা ফিরা আইতাছে। আমিও পিছে পিছে ফিরা আইলাম। হেয় আমাগো নিচতলায় আইল। তারপর এদিক ওদিক চাইল। শেষে নিচতলায় রাখা সেন্টারিংএর ফাক থিকা মোবাইলটা বাইর কইরা নিয়া গেল গা।
আমি আবারও জিজ্ঞাসা করলাম, তুই ঠিকমতো দেখছিস তো ?
ও জোর দিয়ে বলল, ভাই আমি নিজে চোক্ষে দেখছি। সেন্টারিং এর ফাকে মোবাইল লুকাইয়া রাখছিল।
আমার পিয়নের বুদ্ধিমত্তায় আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম। নিশ্চিত হয়ে গেলাম, অতিথি মহোদয়ই মোবাইলটা চুরি করেছে।

(চলবে) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29523517 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29523517 2012-01-16 21:42:31
কোচিং বাণিজ্য : লেজই এখন কুকুর নাড়াচ্ছে দৃশ্যপট - ০১ :
ছাত্র পড়াশোনায় মনোযোগী। স্কুলেও যায় নিয়মিত। ফাইনাল পরীক্ষার আগে তার মনে হল, অংক, ইংরেজি ও বিজ্ঞানে সে সামান্য পিছিয়ে। তাই পরীক্ষার আগে এক গৃহ শিক্ষক রাখা হল। ছাত্রকে গৃহ শিক্ষক বিকেলে এক ঘণ্টা পড়ায়। ফলে ফাইনাল পরীক্ষায় সে ভালো ফলাফল করল।

দৃশ্যপট - ০২ :
দশ বছর পর । এই ছাত্রও পড়াশোনায় মনোযোগী। স্কুলে যায় নিয়মিত। ফাইনাল পরীক্ষার আগে তার মনে হল, অংক, ইংরেজি ও বিজ্ঞানে সে সামান্য পিছিয়ে। তাই পরীক্ষার আগে সে এক কোচিং সেন্টারে ভর্তি হল। কোচিং সেন্টারের শিক্ষক তাকে প্রতিদিন বিকেলে দুই ঘণ্টা পড়ান। ফলে ফাইনাল পরীক্ষায় সে ভালো ফলাফল করল।

দৃশ্য পট - ০৩ :
আরও দশ বছর পর। এই ছাত্রও পড়াশোনায় মনোযোগী। স্কুলে যায় নিয়মিত। ফাইনাল পরীক্ষার আগে তার স্কুল মনে করল, অংক, ইংরেজি ও বিজ্ঞানে সে সামান্য পিছিয়ে। তাই পরীক্ষার আগে তার স্কুল কর্তৃপক্ষ কোচিং শুরু করল। স্কুলের ক্লাশ শুরুর আগে এক ঘণ্টা এবং পরের এক ঘণ্টা তাকে স্কুলের শিক্ষকের কাছেই কোচিং করতে হয়। আর সাপ্তাহিত ছুটির দিনগুলোতেও তাকে স্কুলে গিয়ে কোচিং করতে হয়। তারপর তাকে প্রতি বিষয়ে কোন শিক্ষকের কাছে কোচিংএ পড়তে হয়। তার জীবন কোচিংময়। কোচিংএর বাইরে তার আর কোথাও যাওয়ার সময়ও নাই। ফলে ফাইনাল পরীক্ষায় সে ভালো ফলাফল করল।


সামান্য কথা :
আগে স্কুলের বাইরে কোচিং ছিল। এখন স্কুলগুলোই কোচিং সেন্টার হয়ে গেছে। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা, জুনিয়র সমাপনী পরীক্ষা বা বৃত্তি পরীক্ষা, এস.এস.সি পরীক্ষাকে উপলক্ষ করে প্রতি স্কুলেই কোচিং দেয়া হয়। এই কোচিং সাধারণও স্কুলের ক্লাশ শুরুর আগে ও পরে করানো হয় এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোকে করানো হয়। এই কোচিং বাবদ স্কুলের শিক্ষকরা অভিভাবকদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করে থাকে। এই টাকা তারা ভাগাভাগি করে নেন।
এছাড়া যেই যেই শিক্ষক পেরেছেন, স্কুলের বা কলেজের বাইরেও কোচিং সেন্টার খুলে বসে আছেন। তিনি স্কুলে বা কলেজে পড়ানোর চাইতে কোচিং সেন্টারেই পড়াতে বেশি আগ্রহী। কেননা, কোচিং সেন্টার মানে কাচা পয়সা।

অন্য কথা :
এই কোচিং বাণিজ্যের জন্য কেবল শিক্ষকরা এক তরফা দায়ী নয়। দায়ী এক শ্রেণীর অভিভাবক ও শিক্ষার্থীও । অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক আছেন, যারা মনে করেন কোচিং সেন্টারে না পড়লে কোন ক্রমেই ভালো ফলাফল করা সম্ভব না। কিন্তু এটা একটা ভুল ধারণা।
এমনকি অনেক শিক্ষার্থী বাংলা, ইসলাম ধর্ম, সমাজ বিজ্ঞান ইত্যাদির মতো সহজ বিষয়গুলোও পড়ার জন্য কোচিং সেন্টারে দৌড়ায়। ফলে সারা দিন ধরে তাকে কোচিং সেন্টারে দৌড়াতে দেখা যায়। এই কোচিং সেন্টারে দৌড়াদৌড়িটা এখন হিস্টিরিয়া রোগের মতো শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে।

শেষ কথা :
শিক্ষা মন্ত্রী মহোদয় কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করার হুমকি দেন মাঝে মধ্যে। কিন্তু স্কুলগুলোতে কোচিং সেন্টার খুলে বসা সম্পর্কে তিনি কি ওয়াকিবহাল কিনা আমার সন্দেহ আছে। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুরোপুরি কোচিং নির্ভর বানিয়ে ফেলেছে অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। এখন কোচিং সেন্টারই স্কুল চালাচ্ছে। কে কোন স্কুলে পড়ছে তার চাইতে কে কোন কোচিং সেন্টারে পড়ছে এবং কতগুলো শিক্ষকের কাছে কোচিং করছে, সেটাই হয়ে উঠেছে ভালো ফলাফলের নিয়ামক। ফলে পরিষ্কার বলা যায়, কুকুর লেজ নয় বরং লেজই কুকুরকে নাড়াচ্ছে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29518202 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29518202 2012-01-07 21:04:13
সাংসদের দায়িত্ব নয় স্কুলের সভাপতি হওয়া, তার দায়িত্ব সংসদ ভবনের ভেতরে
কিন্তু আমাদের দেশের সংসদ সদস্যরা মূলত সংসদের চেয়ে সংসদের বাইরে বিশেষত তার নির্বাচনী এলাকায় খবরদারি করতে বেশি আগ্রহী। উনারা এলাকায় টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করেন, রাস্তাঘাট, ড্রেন, কালভার্ট, ব্রিজ ইত্যাদি নির্মাণের সঙ্গে জড়িত হন, এলাকার মসজিদ মাদ্রাসা বা স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির পদ অলংকৃত করেন। এলাকায় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ইত্যাদি স্থানীয় সরকারের উপর খবরদারি করার জন্য উনাদের আগ্রহের শেষ নাই।

কারণ কী ?
কারণ একটাই। কেবল আইন নিয়ে পড়ে থাকলে তাদের দায়িত্ব পালন হয় বটে, দেশ এগিয়ে যায়, মানুষের উপকার হয়, কিন্তু উনার পকেট ভারি হয় না। স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিটি সেক্টর থেকে পকেট ভারি করার জন্য উনাদের স্থানীয় পর্যায়ে বেশি বেশি দৌড়ঝাঁপ করতে দেখা যায়। আমাদের স্বয়ং রাষ্ট্রব্যবস্থা সংসদ সদস্যদের এই অন্যায্য আচরণগুলোকে জায়েজ করে রেখেছে। আমাদের জনগণকে বোঝানো হচ্ছে, তোমার এলাকার সব উন্নয়ন করবেন সাংসদ সদস্য। অথচ এসব ব্রিজ, কালভার্ট, রাস্তাঘাট নির্মাণ করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকারের বা মন্ত্রণালয়ের, কোন সংসদ সদস্যের নয়। স্থানীয় সরকার তথা ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ বা জেলা পরিষদের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করা সংসদ সদস্যের কাজ নয়। মসজিদ, মাদ্রাসা বা স্কুলের সভাপতির পদ দখল করে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ফান্ড নিয়ে যা খুশি তা করার দায়িত্ব সংসদ সদস্যের নয়।
এই সব দায়িত্ব দিলে যে দুর্নীতি হয়, তার সর্বশেষ প্রমাণ সাংসদ কামাল আহমেদ মজুমদারের সাংবাদিক পেটানো। উনি একটা স্কুলের সভাপতির পদ অলংকৃত করে বসে আছেন। সে স্কুলে উন্নয়ন ফির নামে বিনা রশিদে অতিরিক্ত টাকা আদায় হচ্ছে। সেই টাকা একটা বিশেষ একাউন্টে জমা দিতে হচ্ছে। সে বিষয়ে টিভি রিপোটিং করতে গিয়ে মার খেলেন নারী সাংবাদিক। দুর্নীতি না করে থাকলে মিডিয়ার সামনা সামনি হতে এত ভয় কিসের ?

মোট কথা হল, যার যেটা দায়িত্ব সেটা না করে যখন কেবল মাল কামানোর জন্য দায়িত্ব নেয়ার বা দায়িত্ব দখল করার প্রবণতা তৈরি হয়, তখন দুর্নীতি বানের জলের মতো সব প্রতিষ্ঠানে ঢুকে পড়ে। এটা আমাদের মতো আম জনতা বুঝি, কেবল বোঝেন না রাষ্ট্রের শীর্ষে বসা জ্ঞানী গুণীরা। নাকি বুঝেও চোখ নাক বন্ধ করে থাকেন, কোন লাভের ভাগের আশায় ?


সংবাদের উৎস : সাংবাদিকদের ওপর হামলার নিন্দা টিআইবির, কামাল মজুমদার সংসদের অবমাননা করেছেন ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29516329 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29516329 2012-01-04 22:03:09
নতুন বছরের পরথম দিনে তিনখান প্রতিজ্ঞা করিলাম
প্রতি বছরই নতুন বছর উপলক্ষে গোপনে মনে মনে প্রতিজ্ঞা করিয়া থাকি। এইবার একটা কিছু করিয়া ফেলিব হে। নতুন বছর উপলক্ষে যে কঠিন কঠিন প্রতিষ্ঠা করিতে হয়, তাহা শৈশবকালেই শিখাইয়া ছিলেন আমার মরহুম আম্মাজান। আমার আম্মাজান বছরের প্রথম দিন আমাদের নতুন পোশাক পরাইতেন, ভালো মন্দ মোগলাই খানা প্রস্তুত করিতেন, আমাদের খাওয়ানোর পূর্বে নতুন শপথ নিতে বলতেন। বলিতেন, নতুন বছরে একটা প্রতিজ্ঞা কর, তুমি যা করতে চাও।

আমরা ভাই বোনেরা নানা রকম প্রতিজ্ঞা করিতাম। বলাই বাহুল্য, সেই সব প্রতিজ্ঞার বেশির ভাগই পরে প্রতিপালন করা সম্ভব হয় নাই। যাহার ফলে ' মানবজনম পতিত রইল ' এইটা প্রতি বছরের শেষে প্রবলভাবে স্মরণ হয়। আর আমার মরহুম আম্মাজানের কথা স্মরণ করিয়া বুকটা হু হু করিয়া ওঠে।

আজ থেকে বহু বছর পূর্বে প্রতিজ্ঞা করিয়াছিলাম, এই বছর হইতে আর দাঁতে নখ কাটিব না। কিন্তু তাহার পর বহু বহু বছর কাটিয়া গেল, দাঁতে নখ কাটিতেই লাগিলাম। প্রতিজ্ঞা প্রতিজ্ঞার জায়গায় রহিয়া গেল।
স্কুলে পড়ার সময় প্রতিজ্ঞা করিয়াছিলাম, মেডিক্যাল কলেজে পড়াশুনা করিব। কিন্তু কলেজে আসিয়া মনে হইল, ডাক্তার হওয়াটা বাজে ব্যাপার। বরং লেখক হওয়া ভাল। সেই প্রতিজ্ঞা করিয়া কলেজ জীবনেই দুইখান উপন্যাস (সন্দেহ আছে সেইগুলি আদৌ উপন্যাস হইয়াছে কি না ) লিখিয়া ফেলিলাম। উপন্যাস লিখিয়া ছাপাইয়া বিখ্যাত হওয়ার জন্য কত প্রকাশককে ধরিলাম, কোনভাবেই কোন কিছু্ হইল না। মালপানি না দিলে যে উপন্যাস প্রকাশিত হয় না, সেই নির্মম সত্য জানিয়া দমিয়া গেলাম।

নাটকের দলের সঙ্গে যোগ দিয়া প্রতিজ্ঞা করিলাম, উপন্যাস লিখিতে ফেল করিয়াছি তাহাতে কিছু যায় আসে না, এবার নাটক লিখিয়া নিজেকে লেখক বলিয়া প্রমাণ করিব। নাটক লিখিলাম বটে, কিন্তু নাটকের দল সেই নাটক গ্রহণ করিল না।
নাটক ও অভিনয় শিখিবার জন্য থিয়েটার স্কুলে ভর্তি হইলাম, পড়াশুনা করিলাম, কিন্তু ঢাকায় গিয়া কোন নাটকের দলের সঙ্গে কাজ কবিবার হাত খরচ নাই বিধায় কাজ করিতে পারিলাম না। আমার আম্মাজান নাটক পছন্দ করিতেন না, তিনি ঘোষণা করিয়া দিলেন, আমি যদি নাটক ও অভিনয় ত্যাগ না করি তাহা হইলে তিনি আমাকে ত্যাজ্য পুত্র ঘোষণা করিবেন। সেই হইতে আমি লুকাইয়া লুকাইয়া অভিনয় ও নাটক চালাইয়া যাইতাম।
আমার এক বন্ধু পরামর্শ দিল, টিভির জন্য নাটক লেখ। টিভির জন্য ভালো নাটক লিখিতে পারিলে বিরাট ব্যাপার। নাটক লিখিলাম এবং কয়েক জন পরিচালককে নাটক দিলাম। তাহারা হাসিমুখে স্ক্রিপ্ট নিলেন এবং আর কোন কিছুই জানাইলেন না। আমি অপেক্ষা করিতে করিতে তাহাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করিলাম। তাহারা আবারও স্ক্রিপ্ট চাহিলেন। আবারও লিখিলাম। এইভাবে স্ক্রিপ্ট লিখিয়া লিখিয়া অনেক জনকেই অনেক স্ক্রিপ্ট দিলাম। কোন অজানা কারণে সেই স্ক্রিপ্টগুলি আর চিত্রায়িত হইল না।
অবশেষে আমার এক বুদ্ধিমান বন্ধু বুদ্ধি দিল, নিজেই নাটক বানাও। এবার পরিচালনা শিখিবার জন্য ভর্তি হইলাম, ঢাকা ফিল্ম ইনস্টিটিউটে। কোর্স করিলাম, ফিল্ম ডিরেকশন, ফিল্ম এডিটিং, ফিল্ম রাইটিং ও ফিল্ম একটিং। হাউজ অব মিডিয়া এন্টারটেইনমেন্ট হইতে শিখিলাম টেলিভিশন ক্যামেরা অপারেটিং।
তারপর বন্ধুদের টাকায় এবং নিজের টাকা মিলাইয়া বানাইলাম একটা শর্ট ফিল্ম। অনেকটা পরীক্ষামূলক কাজ। কী কাজ শিখিয়াছি তাহাই প্রমাণ করিবার চেষ্টা। এইভাবে কয়েকখান শর্টফিল্ম বানাইয়া হাত পাকাইয়া নিলাম।

অনেক প্যাচাল হইয়া গেল । এইবার আসল কথায় আসি।

এই বছর মাত্র তিনখান প্রতিজ্ঞা করিব।

০১। এখন হইতে নিয়মিত টিভি স্ক্রিপ্ট, গল্প ও উপন্যাস লিখিতে শুরু করিব। প্রতিদিন লিখিব। যাহা কিছুই ঘটুক না কেন, থামিব না, হতাশ হইব না।

০২। এই বছরে কয়েকখান টিভি নাটক পরিচালনা করিব। যাহা কিছু ঘটুক না কেন পিছ পা হইব না। কিছুতেই এই প্রতিজ্ঞা হইতে সরিব না।

০৩। আমার অভিনয় স্কুলকে আরও সামনে আগাইয়া নিয়া যাইব। যাহাই ঘটুক না কেন দমিব না।

তবে একটাই দুঃখ আমার মরহুম আম্মাজান আমাকে ত্যাজ্যপুত্র করিতে চাহিয়াছিলেন যেই সব অপকর্মের জন্য, এই তিনটি প্রতিজ্ঞা তাহার সবগুলো শর্তই পূরণ করে। তিনি বাঁচিয়া থাকিলে এত দিনে ত্যাজ্যপুত্র হইয়া যাইতাম।

এতক্ষণ এই প্যাচাল পোস্ট পড়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ। সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা।

পুনশ্চ :
আমার মরহুম আম্মাজান যে আমাকে ত্যাজ্যপুত্র করিতেন না, তাহা একটা ঘটনায় নিশ্চিত হইয়াছিলাম। অনেক ঘটনার পর কোন এক নাটকের দল আমার চারখানি নাটক মঞ্চস্থ করে। নাটকের প্রথম প্রদর্শনীর সময় দেখি, সামনের সারিতে আমার মরহুম আম্মাজান তাহার বোনদেরসহ দর্শক হিসেবে উপস্থিত। আমি ভয়ে কুকড়াইয়া গেলাম। আজ বাড়ি ফিরিলে ধুন্দুমার হইবে নিশ্চিত। কিন্তু আমি তাহার সন্তান বলিয়াই হয়তো তিনি সেই নাটকের খুব প্রশংসা করিয়াছিলেন। মাতৃস্নেহ বড়ই অন্ধ হয়।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29514149 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29514149 2012-01-01 15:04:21
যে কারণে সারা দুনিয়ায় সমাজতন্ত্র ইন্তেকাল ফরমাইল
তারপর .....
একজন প্রেসিডেন্ট সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের দায়িত্বভার নিলেন। তিনি সেই যে ক্ষমতায় এলেন, আর তো ক্ষমতা ছাড়েন না। মৃতু্য তাকে আলিঙ্গন না করা পর্যন্ত তিনি মসনদ থেকে সরেন না। ক্ষমতায় আজীবন থাকার নিশ্চয়তার ফলে এই সমাজতান্ত্রিক নেতা স্বৈরাচারী একনায়কে পরিণত হলেন। যা ইচ্ছা তাই করে যেতে লাগলেন। এই ভাবে সাম্যবাদী বৈষম্যহীন রাষ্ট্রের স্বপ্ন বন্দী হয়ে গেল এক প্রবল ক্ষমতাধর ব্যক্তির হাতে।

বর্তমানে কিউবা ও উত্তর কোরিয়া সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সর্বশেষ উদাহরণ হিসেবে টিকে আছে। এই রাষ্ট্র দুটোর শাসন ব্যবস্থার দিকে তাকালে সাম্যবাদ ও বৈষম্যহীন সমাজের কথা মনে পড়ে না। মনে পড়ে দুই স্বৈরাচারী এক নায়কের কথা। ফিদেল ক্যাস্ট্রো দীর্ঘকাল কিউবা শাসন করে এখন তার ভাই রাউল ক্যাস্ট্রোর হাতে ক্ষমতা দিতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বার্ধক্যজনিত কারণে। কিন্তু ক্ষমতা ছেড়েও রাজতন্ত্রের মতো তার ভাইয়ের হাতে ক্ষমতা দিয়েছেন।
অন্য দিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম ইল-জং সম্প্রতি মারা গেছেন। মারা যাওয়ার আগে তিনিও রাজতন্ত্রের মতো করে তার পুত্র উন জংয়ের কাছে মসনদ দিয়ে গেছেন। তার মৃতু্যর পর তার গুণকীর্তনে মেতেছে তার দেশের মিডিয়া। তৈলাক্ত সেই সব খবরের সর্বশেষ খবর হল তার কবরের পাশে মহান নেতার শোকে পাখিরাও কাঁদছে।

শেষ কথা ....
যে মহান বিপ্লবের কথা ও সাম্যবাদী বৈষম্যহীন সমাজের কথা বলে পৃথিবীব্যাপী সমাজতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা কায়েমের আন্দোলন শুরু হয়েছিল, সেটা ব্যর্থ হয়েছে ব্যক্তিপূজায়। প্রথমত এক নেতার আমৃতু্য ক্ষমতায় থাকার নিশ্চয়তা থাকায় সেই নেতা স্বৈরাচার একনায়ক হওয়ার মাধ্যমে, দ্বিতীয়ত রাজতন্ত্রের মতো নিজের পুত্র ও ভাইয়ের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের মাধ্যমে পুরাতন বৈষম্য ফিরে আসার মাধ্যমে।

পৃথিবীর সকল বিপ্লব ও মহান আন্দোলন যখন ব্যক্তিপূজায় গিয়ে শেষ হয়, তখন বৈষম্যহীন সাম্যবাদী সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন কেবল কেঁদে কেঁদে ফেরে। এই ব্যক্তিপূজার কারণেই মার্কস এঙ্গেলসের সেই মহান সমাজতন্ত্রও ইন্তেকাল ফরমাইয়াছেন।

খবরের সূত্র ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29510588 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29510588 2011-12-26 22:10:56
মাননীয় এফডিসি কর্তৃপক্ষ, মেধাবীদের খুঁজে বের করুন, মেধা কাজে লাগান

চলচ্চিত্রকে বাঁচাতে হলে ভার্সেটাইল প্রতিভার লোক লাগবে: এফডিসির নয়া এমডি
বিনোদন ডেস্ক :
চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োজিত এফডিসির বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ম. হামিদ জানান এফডিসি গত বছর প্রায় তিন কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে। বিভিন্ন জটিলতা ও কিছু ভুল সিদ্ধান্তের কারণে এফডিসি এই লোকসান গুণেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ভেজাল মাল সরবরাহ করার কারণে দিশারী ও ফেইথ ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করে রাখা হয়েছে এফডিসিতে। এই প্রতিষ্ঠান এফডিসির ডিজিটাল কমপ্লেক্সের জন্য প্রায় আড়াই কোটি টাকার যন্ত্রপাতি সরবরাহ করেছে। এর মধ্যে ৫০ লাখ টাকার মাল খারাপ পড়েছে বলে জানা গেছে। টেন্ডারের চুক্তির শর্ত মাফিক প্রতিষ্ঠানটি খারাপ যন্ত্রপাতিগুলো পুনর্বহাল করে দিতে বাধ্য। কিন্তু এফডিসি কর্তৃপ ৫০ লাখ টাকার যন্ত্রপাতির জন্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটিকে কালো তালিকাভুক্ত করে গত প্রায় এক বছরেরও অধিক সময় ২১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত কমপ্লেক্সটিকে অকেজো করে ফেলে রাখা হয়েছে। বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক এই কমপ্লেক্সটিকে যত শিগগির সম্ভব কর্মোপযোগী করে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি বলেন, এই কমপ্লেক্সটির কার্যক্রম চালু থাকলে সরকারের প্রতি বছর দুই থেকে আড়াই কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা বেঁচে যাবে।

ম. হামিদ আন্তরিকভাবেই চেষ্টা করছেন কিভাবে চলচ্চিত্রের পাদপীঠ হিসেবে পরিচিত এই প্রতিষ্ঠানটিকে কিভাবে বাঁচিয়ে রাখা যায়। তিনি তার সাধ্য মতো সম্ভাব্য সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাবেন বলে জানান। তিনি বলেন, ফিল্ম ইনসটিট্যুট প্রতিষ্ঠার কাজটা একেবারেই জরুরী হয়ে পড়েছে। তিনি এ বিষয়ে দ্রুতই কাজ করে যেতে চান। এছাড়া তিনি লোক দেখানোর জন্য নয়, সত্যিকার অর্থেই ফিল্ম সিটির কাজও সম্পন্ন করতে চান।
ম. হামিদ এফডিসিতে যোগদানের পর বিভিন্ন সিনেমা হলে গেছেন। সিনেমা হলের পরিবেশ দেখেছেন। তিনি দর্শকের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি মনে করেন সাংবাদিকদের উচিত এখন দর্শক নিয়ে কাজ করা। দর্শকের চাওয়া-পাওয়া সুনির্দিষ্টভাবে সনাক্ত করা গেলে দর্শক পছন্দের ছবি নির্মাণ করা সম্ভব হবে না। তবে তিনি দর্শকের সঙ্গে কথা বলে অনুভব করেছেন, ছবির গল্পে পরিবর্তন আনতে হবে। দর্শক পছন্দের ছবি বানাতে হবে। এজন্য প্রয়োজন ‘ভার্সেটাইল’ প্রতিভা। একজন নির্মাতাকে সাহিত্য থেকে শুরু করে পারফর্মিং আর্টের সব দিক সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে। তিনি অনেকটা সমালোচকের মতো করেই বললেন, চিত্রনাট্যকাররা চিত্রনাট্য লেখেন ঠিকই। তাদের লেখা দেখে মনে হয় সাহিত্যের সঙ্গে তাদের কোনো যোগাযোগ নেই। একই সঙ্গে তিনি সিনেমা হল সংস্কারের ব্যাপারে মনোযোগ দেয়ার উপরও গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া শুধু সুন্দর ছবি হলেইতো চলবে না, ছবিটি উপভোগ করার জন্য সিনেমা হলের সুন্দর পরিবেশও চাই। তাই এফডিসির আধুনিকায়নের ব্যাপারে তিনি সক্রিয় হতে চান বলে উল্লেখ করেন। ইতোমধ্যে কিছু কাজে তিনি হাতও দিয়েছেন বলে জানান।


আমার কথা :
এফডিসির বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ম. হামিদ খুবই গুণী মানুষ। তিনি অনুভব করেছেন, ‘ভার্সেটাইল’ প্রতিভা ছাড়া বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে পুনর্জীবন দেয়া সম্ভব না। কথাটা সত্যি।
চলচ্চিত্র নির্মাণ করার জন্য বহুমুখী প্রতিভাব অধিকারী না হলে হয় না। সাহিত্য, সঙ্গীত, চিত্রকলা, অভিনয়, নৃত্য, কারিগরি জ্ঞান, অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা - ইত্যাদি বোঝার মতো বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী পরিচালক হলেই তখন ব্যবসা সফল ও শিল্পমানসম্মত চলচ্চিত্র তৈরি করা সম্ভব।
কিন্তু বাস্তব অবস্থা পুরো উল্টো। বাংলাদেশের এই সময়ের সবচেয়ে মেধাবী পরিচালকরা এফডিসিতে নানা কারণে উপেক্ষিত। তাদেরকে এফডিসিতে ফিরিয়ে আনা দরকার।
নতুন প্রতিভা তৈরির জন্য প্রশিক্ষণের কোন বিকল্প নাই। তার জন্য দরকার ফিল্ম ইনস্টিটিউট। এটা জরুরী ভিত্তিতে করতে হবে।
প্রতি বছর নতুন মুখের সন্ধানে কার্যক্রম চালিয়ে অভিনেতা, অভিনেত্রী, চিত্রনাট্যকার, পরিচালক হিসেবে নতুনদের সুযোগ করে দেয়া দরকার। তবে কাজে নামার আগে তাদের ফিল্ম ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষণ গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা দরকার। প্রশিক্ষণ ও মেধার গুণে তারা নতুন নতুন ধরনের চলচ্চিত্র উপহার দিতে পারবেন।
নতুন নতুন প্রতিভাকে খুঁজে বের করা ও তাদের কাজে লাগানোর মাধ্যমেই বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে পুনর্জীবন দেয়া সম্ভব। আশা করি, নয়া এমডি সেটাই করবেন।


ভারতীয় চলচ্চিত্রের আমদানি বন্ধ করা হোক

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29507377 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29507377 2011-12-21 21:04:41
http://www.radiolovebangla.com/ এ আসছি http://www.radiolovebangla.com/ এ আসছি। এটা একটা অন লাইন রেডিও। এখনও পরীক্ষামূলক সম্প্রচারে আছে।

আমার অনুষ্ঠানটির নাম কর্পোরেট আওয়ার । এক ঘণ্টার অনুষ্ঠান। প্রতি শনিবার দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত চলবে এই অনুষ্ঠান । পরিকল্পনা ও উপস্থাপনা করব আমি।

এই অনুষ্ঠানে মূলত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপচারিতা হবে। আমরা তাদের সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প শুনব। আমরা সেই সব ব্যবসায়ীদের এই অনুষ্ঠানে আনব, যারা তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হবেন । তাদের সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প উদ্দীপিত করবে তরুণ প্রজন্মকে।

এই শনিবার অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন নারায়ণগঞ্জের প্রথম বুটিক হাউজ নকশার ব্যবস্থাপনা অংশীদার এটিএম জামাল। তিনি ১৯৯৩ সালে নারায়ণগঞ্জে প্রথম বুটিক হাউজ নকশা চালু করেন। তার নকশা চালু করার পর তাকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে অনেক নতুন নতুন উদ্যোক্তা বুটিক ও ফ্যাশন হাউজের ব্যবসায় জড়িত হন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে নারায়ণগঞ্জে দেশীয় ফ্যাশনের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছে নকশা।

অনুষ্ঠানটি লাইভ ব্রডকাষ্ট হবে। আপনাদের শোনার আমন্ত্রণ রইল।

আপনারা ইচ্ছা করলে ফোনও করতে পারবেন। ফোন নাম্বারগুলো হল ০১৭৬৪৩৪২০১০, ০২৮৮১৫৬৪১, ০২৮৮১৫৬৪২।

তবে গান শুনতে চাইলে এখনই চলে যেতে পারেন, রেডিওর সাইটে ....

http://www.radiolovebangla.com/

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29498707 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29498707 2011-12-08 12:18:53
রেলমন্ত্রীর প্রতি খোলা চিঠি ও আবেদন
আপনি দায়িত্ব নিয়েই বলেছেন, “সারা পৃথিবীতে রেলওয়ে লাভজনক, আর বাংলাদেশে তা লোকসানে রয়েছে। কোন অন্ধকার ঘরে এ কালো বিড়ালটি বাস করে, তা দেখতে চাই।”
আপনার এই সাহসী বক্তব্যের জন্য ধন্যবাদ জানাই। কিন্তু স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, আমরা আসলে কথায় যত পারদর্শী কাজে তত পারদর্শী নই। কাজে পারদর্শী হতে হলে কাজ করে যেতে হয়, কথা বলা কমিয়ে দিতে হয়। আপনিও সেই ধারায় কাজ করবেন বলে বিশ্বাস করি। কারণ, আপনার হাতে সময় খুবই কম।
আপনার পরিকল্পনাগুলো এই রকম - রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকায়নের পাশাপাশি সময় মতো ট্রেন চলাচল, ট্রেনে পরিচ্ছন্নতা, আন্তঃনগর ট্রেন জনপ্রিয় করা ও ই-টিকেট চালুর বিষয়ে অগ্রাধিকার । এছাড়াও রেলের অপদলখলীয় জমি উদ্ধারে বিশেষ আইনি ব্যবস্থা এবং আন্তঃদেশীয় যোগাযোগের সুবিধার জন্য রেলপথ স¤প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেছেন আপনি।

আপনি আরও বলেছেন, “সময় মতো ট্রেন চলাচলের ব্যবস্থা করলে এটা (রেল) অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও জনপ্রিয় হবে। ই-টিকিট চালু হলে লাইনে দাঁড়ানো ও টিকিট দেওয়া নিয়ে দুর্ভোগ অনেকাংশে কমে যাবে। আর এ জন্য বড় ফান্ড লাগে না”

আপনার সবগুলো কথা সত্য।
তাই আপনার প্রতি সামান্য আবেদন।

বাংলাদেশে রাজধানী ঢাকা যানজটের নগরী। কেবল ঢাকা থেকে আশেপাশের জেলায় চলাচলকারী ট্রেন সার্ভিসগুলো প্রতি ঘণ্টার সার্ভিস করুন। যেমন ঢাকা- নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা- টঙ্গী প্রতি ঘণ্টার ট্রেন সার্ভিস চালু করুন। প্রতি ঘণ্টার সার্ভিস যেন সঠিক সময়ে ছাড়ে সেই ব্যবস্থা করুন। চাকুরি ও ব্যবসার জন্য নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর থেকে প্রচুর মানুষ প্রতিদিন ঢাকা শহরে যায়। তারা প্রতিদিন সকালে যায় এবং সন্ধ্যায় ফিরে আসে। যদি সকাল ও সন্ধ্যায় বিশেষ ট্রেন সার্ভিস চালু করেন, সেই সার্ভিস ভীষণ জনপ্রিয় হবে এবং প্রচুর লাভজনক হবে। অন্য দিকে ঢাকা শহরের যানজট পরিস্থিতিরও উন্নতি হবে।
আরেকটা কথা, ট্রেনের এই লোকাল সার্ভিসগুলোর অবস্থা জঘন্য। গাদাগাদি করে মানুষকে যাতায়াত করতে হয়। সময় মতো ট্রেন ছাড়ে না। বগিগুলো নোংরা । অনেক বগিতে বাতি জ্বলে না। পকেটমারের দৌরাত্ম্য রয়েছে। এ সব কারণে অনেক যাত্রী ট্রেন যাত্রা এড়িয়ে চলেন। বিশেষ করে মহিলারা এই গাদাগাদির মধ্যে অপদস্ত হতে চান না।
এই অব্যবস্থাপনা দূর করার জন্য কয়েকটি কাজ করতে হবে -
০১। ট্রেনের বগি সংখ্যা বাড়াতে হবে ।
০২। সময় মতো প্রতি ঘণ্টায় ট্রেন ছাড়তে ও পৌছাতে হবে।
০৩। বগিগুলো পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
০৪। প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ট্রেন লাইন বসাতে হবে।
০৫। সিটিং সার্ভিস করলে সবচেয়ে ভালো হবে। দাড়িয়ে যাতায়াত করার খুবই যন্ত্রণার।
০৬। মহিলাদের জন্য একটা আলাদা বগি দিতে পারেন।
০৭। একটা বগি এসি সার্ভিস করতে পারেন। সেটার ভাড়াও অনেক বেশি হবে।

পৃথিবীর বেশির ভাগ রাজধানী শহরে টিউব রেল চালু আছে। এমনকি ভারতের কোলকাতাতেও টিউব রেল আছে। ঢাকার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর টিউব রেল চালু না করলে ঢাকা শহরের ভয়াবহ যানজট কখনই দূর হবে না। তাই অনুরোধ করব, ঢাকায় টিউব রেল চালু করার জন্য এখন থেকেই কাজ করুন। তবে টিউব রেল চালু করবেন বলে বর্তমান রেল ব্যবস্থার উন্নয়ন বন্ধ করে বসে থাকবেন না। মূলা ঝুলানোর দরকার নাই।
আপনার সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29498086 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29498086 2011-12-07 12:47:07
আবুলের বিদায় এই আবুলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন বন্ধ করে রেখেছে বিশ্ব ব্যাংক। তারপরও আবুল দীর্ঘদিন বহাল তবিয়তে ছিলেন।মনে হচ্ছিল কেয়ামত নাজিল না হওয়া পর্যন্ত এই ব্যাটাকে সরানো হবে না। কিন্তু দুই সিনিয়ন নেতা মন্ত্রী সভায় যোগ দেয়ায় কপাল পুড়ল আবুলের। যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

তবে রেল মন্ত্রণালয়ে কি এই আবুলকে মন্ত্রী করা হবে কিনা সেটা বোঝা যাচ্ছে না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29496414 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29496414 2011-12-04 21:50:43
মুখ বন্ধ করার জন্য মন্ত্রিত্ব দেয়া বন্ধ করুন, ব্যর্থদের বাদ দিন আগে
কিন্তু আসলে দরকার ছিল ব্যর্থ মন্ত্রীদের মন্ত্রিসভা থেকে ঝেটিয়ে বিদায় করা। আবুল গং সরকারের সকল সাফল্যকে ম্লান করে দিচ্ছে। কমপক্ষে চার জন ব্যর্থ মন্ত্রীকে বাদ দেয়া দরকার। তারা হলেন, যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল হোসেন, অর্থ মন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বাণিজ্য মন্ত্রী ফারুক খান ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সাহারা খাতুন।

কাজে ব্যর্থতার প্রমাণ বার বার দেয়া সত্ত্বেও কাউকে স্বপদে বহাল রাখা হলে তিনি নিজেকে ব্যর্থ ভাবতে পারেন না। বরং তিনি সোৎসাহে আরও ব্যথতার ঝুলি বাড়িয়েই যেতে থাকেন। সরকার প্রধান হিসেবে প্রধান মন্ত্রীর কি এই চর্চায় উৎসাহ দেয়া উচিত ?

মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ নয়, বরং ব্যর্থ মন্ত্রীদের বিদায় করে মন্ত্রিসভা সংকুচিত করুন। সিরিজ ব্যর্থতার দায়ভাগ থেকে দেশকে বাঁচান। মানুষকে রেহাই দিন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29492348 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29492348 2011-11-28 20:19:00
ভোট বিক্রি নিয়ে একটা প্রমো অভিনয় করলাম আমরা তিন জন। প্রার্থী হিসেবে অভিনয় করল আমার বন্ধু মোশারফ খোকন। আমি করলাম বড় মাস্তান চরিত্রটি। আর আমার অভিনয় স্কুলের ছাত্র অপু অভিনয় করল পাতি মাস্তান চরিত্রে। আর বাকি চরিত্রগুলো একেবারে নতুন মানুষ দিয়ে করানো হল।
ইচ্ছা ছিল আপলোড করে ব্লগে শেয়ার করব। কিন্তু স্লো লাইনের জন্য পারি নাই। অবশেষে আজ সকালে আপলোড দিলাম ইউটিউবে। বিকাল ৩ টায় আপলোড শেষ হল।
একটা উরাধুরা কাজ। ভালো লাগার কথা না। তারপরও যদি কারো ভালো লাগে, তবে সেটা আমার সৌভাগ্য।




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29489590 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29489590 2011-11-24 15:11:10
বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথের কাহিনী অবলম্বনে চলচ্চিত্র উৎসব এই প্রথম আগামী ২৩ নভেম্বর থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত শহরের চাষাড়াস্থ শহীদ জিয়া হলে রবীন্দ্রনাথের কাহিনী অবলম্বনে চলচ্চিত্র উৎসব শুরু হবে। চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন করবেন দেশের খ্যাতিমান চলচ্চিত্র শিল্পী ও সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ার।
উদ্বোধনী অধিবেশনে আরো উপস্থিত থাকবেন চলচ্চিত্রকার মসিহউদ্দিন শাকের এবং চিত্রশিল্পী আনোয়ার হোসেন। চারব্যাপী উৎসবে ‘রবীন্দ্র সাহিত্য ও বাংলা চলচ্চিত্র’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। আলোচনা করবেন লেখক-চিন্তক সলিমুল্লাহ খান এবং চলচ্চিত্রকার জাহিদুর রহিম অঞ্জন।
উদ্বোধনী দিনে ২৩ নভেম্বর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পরিচালিত- চলচ্চিত্র নটীর পূজা, সত্যজিৎ রায়ের পরিচালনায় দুই কন্যা- পোস্ট মাষ্টার, ২৪ নভেম্বর তপন সিনহা পরিচালনায় কাবুলিওয়ালা, সত্যজিৎ রায়ের ঘরে- বাইরে, ২৫ নভেম্বর কুমার সাহানীর চার অধ্যায়, সত্যজিৎ রায়ের চারুলতা, ২৬ নভেম্বর ঋতুপর্ণ ঘোষের পরিচালনায় নৌকা ডুবি, চাষী নজরুল ইসলামের পরিচালনায় শাস্তি ও সুমন মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় চতুরঙ্গ প্রদর্শিত হবে।

পুনশ্চ : চলচ্চিত্র দেখতে হলে টিকেট সংগ্রহ বাধ্যতামূলক। ভয় নাই, টিকেট সংগ্রহ করতে কোন মালপানি খরচ করতে হয় না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29487722 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29487722 2011-11-21 20:57:31
বন্ধ হোক এই ভয়াবহ নির্যাতন - কিন্তু কিভাবে ?



এসব মহিলাদের মানসিক সমস্যা আছে। এদের কঠোর শাস্তির পাশাপাশি মানসিক চিকিৎসাও প্রয়োজন। একটা শিশুকে কিভাবে এই ভয়াবহ নির্যাতন করা সম্ভব বা নির্যাতন করার চিন্তা করা সম্ভব - ভেবে পাই না।
ঘটনা কিন্তু একটা না। একের পর এক ঘটনা ঘটে চলেছে। পত্রিকায় খবর আসছে। মামলা হচ্ছে। কারো কারো শাস্তিও হচ্ছে। সবচেয়ে বড় শাস্তি হল সামাজিকভাবে তিনি অসম্মানিত হচ্ছেন। কিন্তু ঘটনা থামছে না।
শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন একটা ভয়াবহ পর্যায়ে পৌছেছে। কোমলমতী নারীকে আমরা মায়ের জাত বলে সম্মান করি। কিন্তু মায়ের জাতের মমতার বদলে যখন নির্মম নির্যাতন দেখি, তখন অবাক হই। কিভাবে কোমলমতী নারী অসহায় শিশুর উপর এমন ভয়াবহ নির্যাতন চালাতে পারে ? কোন উত্তর মেলে না। কোন হিসাব মেলে না।

পত্রিকায় প্রকাশিত একটা শিশু গৃহকর্মী নির্যাতনের সংবাদ আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম।


নির্যাতনের রোমহর্ষক বর্ণনা দিল রোমেলা

পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন শিশুগৃহকর্মী রোমেলা খাতুন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কাছে (ডিবি) তার ওপর নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিজন বড়ুয়া ১৬১ ধারায় বক্তব্যটি রেকর্ড করেন। এ সময় রোমেলার বড় ভাই আলিম খান ও ভাবি মালা খাতুন উপস্থিত ছিলেন।
হাসপাতাল থেকে ওসি বিজন বড়ুয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের সঙ্গে রোমেলার বর্ণনার সম্পূর্ণ মিল পাওয়া গেছে। আমরা আদালতে নিয়ে মেয়েটির জবানবন্দি রেকর্ড করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু মেয়েটির অবস্থা এখনো স্থানান্তর যোগ্য না হওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে ছাড়েনি। তাই হাসপাতাল থেকে ১৬১ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। এরপর মেয়েটির বাবা, গ্রামের প্রতিবেশী, স্থানীয় থানা ও মামলার আসামির প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে একটি তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করা হবে।’
রোমেলার বর্ণনার বরাত দিয়ে ওসি বিজন বড়ুয়া বলেন, রোমেলার দেওয়া নির্যাতনের বর্ণনা রোমহর্ষক ছিল। মূলত উপপরিদর্শক (এসআই) শাহেদ আলীর স্ত্রী সুইটি বেগম তার ওপর অত্যাচার চালাতেন। শাহেদ আলী এতে বাধা দিতে গেলে সুইটি বেগম তাঁকেও পেটানোর হুমকি দিতেন।
রোমেলা তার জবানবন্দিতে বলেছে, ‘সুইটি বেগম তাকে কাজ করলেও পেটাত, না করলেও পেটাত। রুটি বেলা বেলন, রুটি ছ্যাঁকা গরম খুন্তি, চামচসহ হাতের কাছে যা পেত, তা দিয়েই পেটাতে। একবার খুন্তির আঘাতে মাথা কেটে গিয়েছিল। রক্তে কাপড় ভিজে যাচ্ছিল। রক্ত শুকানোর পর সে আবার পিটিয়েছিল। একদিন হাত থেকে পড়ে একটি প্লেট ভেঙে যাওয়ায় সে (সুইটি বেগম) গরম খুন্তি দিয়ে ছ্যাঁকা দিয়েছিল।’
রোমেলা আরও বলে, ‘মারের আঘাতে আমার একবার ঠোঁট কেটে গিয়েছিল। এদিন সুইটি বেগম কাপড় সেলাই করা সুই সুতা দিয়ে আমার ঠোঁট সেলাই করে দেয়। সুইটি বেগম সব সময় বলত, তোকে মেরে ড্রেনে ফেলে দেবো। তোর বাবাকে দুই লাখ টাকা দিলেই আমার কিচ্ছু হবে না। তার নির্যাতনের কথা দারোগাকে (শাহেদ আলী) জানালে সুইটি বেগম আরও পেটাত। দারোগা তাকে নিষেধ করলে সে দারোগাকেও পেটানোর হুমকি দিত। অনেক সময় এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া-মারামারি হয়েছে।’
এদিকে এ ঘটনায় চট্টগ্রাম পুলিশ এসআই শাহেদ আলীর স্ত্রীকে গ্রেপ্তারের জন্য পরোয়ানা জারি করলেও পাবনার সাঁথিয়া থানা পুলিশ তাঁদের খুঁজে পাচ্ছে না বলে জানিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম বজলুর রশিদ বলেন, আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে। কিন্তু কোথাও তাঁদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
প্রসঙ্গত, পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নের গোটেংরা গ্রামের ইয়াজউদ্দিন তাঁর মেয়ে রোমেলা খাতুনকে সীতাকুণ্ড থানার এসআই শাহেদ আলীর বাসায় কাজে দিয়েছিল। শাহেদ আলীর স্ত্রী সুইটি বেগম রোমেলার ওপর নৃশংস অত্যাচার চালিয়েছেন। বর্তমানে রোমেলা পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন। এ ঘটনায় রোমেলার বাবা ইয়াজউদ্দিন বাদী হয়ে শাহেদ আলী ও তাঁর স্ত্রী সুইটি বেগমকে আসামি করে সীতাকুণ্ড থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন। চট্টগ্রাম পুলিশ মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি)। ঘটনা তদন্তে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল পাবনায় গিয়েছে।

সূত্র : প্রথম আলো

আরো কথা :
শিশু গৃহকর্মী নির্যাতনের জন্য কেবল আইনী কাঠামো নয়, শিশু গৃহকর্মী রাখা আইনত নিষিদ্ধ করা যায় কি না, সেটা ভাবা দরকার সরকারের। ভাবা দরকার আরও কোন বিকল্প পন্থা বের করা যায় কি না যার মাধ্যমে এই নির্মম নির্যাতনের অবসান হতে পারে। তবে এই দরিদ্র শিশুদের জন্মদানকারী পিতামাতাও এর জন্য কম দায়ী নয়। হাদিসে আছে, স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে সক্ষম না হলে বিয়ে করো না। তাহলে যারা শিশুর ভরণপোষণ দিতে পারে না, তাদের কি পিতামাতা হওয়া উচিত ? এই সব দরিদ্র শিশুর সংখ্যা বৃদ্ধিকারী অনাকাঙ্খিত জন্মরোধের জন্য কোন আইন কি প্রণয়ন করা যায় না ? এখন তো প্রযুক্তিগতভাবে জন্ম নিয়ন্ত্রণ কোন সমস্যা না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29483341 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29483341 2011-11-14 21:36:41
জাগো সম্পর্কে জাগো যা বলছে

ব্লগে জাগো সম্পর্কে নানা আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। স্বাভাবিকভাবেই আমারও কৌতুহল হল ওদের সম্পর্কে ।
জাগো সংগঠনটির একটা প্যাড আমার কাছে। তাদের নিজেদের সম্পর্কে সেই প্যাডে যা লেখা আছে সেটা হল ----

জাগো ফাউন্ডেশনের ভলান্টিয়ার শাখা, ভলান্টিয়র ফর বাংলাদেশ, ২০১১ সালের মে মাসে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এই সংস্থাটি মার্কিন দূতাবাস দ্বারা সমর্থিত। এই শাখাটি বাংলাদেশের যুব সমাজের একটি প্লাটফর্ম, যেখানে দেশের যুবকরা তাদের দেশের জন্য কাজ করতে পারে। ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবকদের একটি দেশব্যাপী সংগঠন যেখানে তারা নিজেদের সমাজ ও সমগ্র দেশের জন্য কাজ করতে পারে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বেচ্ছাসেবকরা তাদের একশন গ্রুপ তৈরি করবে যেটা অনুমোদিত ও নিবন্ধনভুক্ত হতে হবে। প্রতিটি একশন গ্রুপ একটি স্থানীয় বোর্ড দ্বারা চালিত হবে যেটাও একটা জাতীয় বোর্ড দ্বারা চালিত হবে। মার্কিন দূতাবাসের সমর্থনে, ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ আগামী ২ বছরের মধ্যে ২১টি ভলান্টিয়ার একশন গ্রুপ তৈরি করতে চায়। এই সংস্থাটির চূড়ান্ত লক্ষ্য বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় তাদের একশন গ্রুপ তৈরি করা।


এই হল ব্যাপার। এই বার যার যা খুশি বুঝে নেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29478646 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29478646 2011-11-06 00:16:40
এরাই নেতা, কেননা নেতা হওয়ার মতো মানুষদের নেতা হতে দেয়া হয় না

রূপগঞ্জের ভুলতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আমির হোসেন বাংলা মদ খেয়ে মাতাল হয়ে কোরবানীর পশুর হাটে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের গালিগালাজ করায় যুবলীগ কর্মী রোমান মিয়া তাকে জুতাপেটা করে। গত শুক্রবার রাতে ভুলতা হাই স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত গরুর হাটে পুলিশের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যদর্শীরা জানায়, মাদকাসক্ত হয়ে গরুর হাটে ভুলতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আমির হোসেন লোকজনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এ সময় যুবলীগ কর্মী রোমান মিয়া প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর শুরু করে। এতে প্তি হয়ে রোমান মিয়াও আওয়ামী লীগ সভাপতিতে জুতাপেটা করে। ঘটনাটি এলাকায় বেশ উত্তেজনা সৃষ্টি করলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রোমান মিয়াকে আটক করে। গতকাল শনিবার সকালে আটককৃত রোমান মিয়াকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।
আমির হোসেন জানান, গরুর হাটে গিয়ে চাঁদা দাবি করায় যুবলীগ কর্মী রোমান মিয়াকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তার বাড়ি উপজেলার ভুলতা ইউনিয়নের মর্তুজাবাদ গ্রামে। পিতার নাম নাজির উদ্দিন মিয়া।

এবার সামান্য কথা :
নরসিংদির পৌর মেয়র লোকমান হোসেন খুন হয়েছেন। এই খুনের পেছনে অন্যতম কারণ তিনি ছিলেন সফল ও জনপ্রিয় নেতা। জনপ্রিয় ও সফল নেতাদের খতম করার মাধ্যমে এটাই ম্যাসেজ দেয়া হয় যে, বড় হওয়ার চেষ্টা করো না। ফলে যারা বেঁচে থাকে, তারা চাটুকার হয়ে গিয়ে ভুলতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আমির হোসেনের মতোই হয়। এদেরকেই দলের মধ্যে বাঁচিয়ে রাখা হয়।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29478576 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29478576 2011-11-05 22:42:53
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোট দেয়ার আগে এই ওয়েব সাইটগুলো দেখতে পারেন
তার আগে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে জমে ওঠা কয়েকটি ওয়েব সাইটের খবর জানুন।

শামীম ওসমানের ওয়েব সাইট

ডা. সেলিনা হায়াত আইভির ওয়েব সাইট

নির্বাচন নিয়ে একটি ওয়েব সাইট

একটি অনলাইন দৈনিক পত্রিকার লিংক

সিটি কর্পোরেশনের প্রার্থীদের হলফনামা পেতে হলে


প্রার্থীদের হলফনামায় একবার চোখ বুলিয়ে নিলে তারপর ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হবে। আমার মতে, সব প্রার্থী সম্পর্কে না জেনে ভোট দেয়া একটা গর্হিত অপরাধ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29474673 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29474673 2011-10-29 23:46:15
আমাদের একটি অনলাইন দৈনিক - নারায়ণগঞ্জ প্রতিদিন
০২. আরেক জন কোন এক সুদুরকালে আমার ছাত্র ছিলেন। এখন সহকর্মী। একটা স্থানীয় দৈনিকের পাশাপাশি ঢাকার একটা জাতীয় দৈনিকের প্রতিনিধি। তিনি ওই অনলাইল দৈনিকের হেড অব নিউজ হিসেবে গুরু দায়িত্ব পালন করছেন।

০৩. অনলাইন দৈনিকটি হুলস্থুল করে প্রকাশিত হয় নি। বরং ধীরে সুস্থে প্রস্তুতিপর্ব চলছে। সীমিত পরিসরে কাজ শুরু হয়েছে আজ থেকে । নারায়ণগঞ্জ প্রতিদিন নামের এই অনলাইন দৈনিক নারায়ণগঞ্জের প্রতি মুহুর্তের খবর প্রকাশের অঙ্গীকারাবদ্ধ।

নিচের লিংকে ক্লিক করে এক্ষুণি জেনে নিন নারায়ণঞ্জের সর্বশেষ সংবাদ। আর পত্রিকাটির উন্নয়নের জন্য চাই অনেক অনেক পরামর্শ।

নারায়ণগঞ্জ প্রতিদিন

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29458471 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29458471 2011-10-01 23:27:10
যেভাবে মিউজিক ভিডিও নির্মাণের সঙ্গে জড়িয়ে গেলাম

পটভূমি :
গায়ক ভদ্রলোকের নাম বোরহানউদ্দিন রানা। নারায়ণগঞ্জে বাড়ি। তিনি মোটামুটি বিখ্যাত লোক। মূলত ফোক গান করেন।বিচ্ছেদের গান বেশির ভাগ। অনেকগুলো গানের মিউজিক ভিডিও বেরিয়েছে। এই সব গানের শ্রোতা মূলত গ্রামের মানুষ। শহরের লোক তার গান না শুনলেও গ্রামে গ্রামে তার প্রচুর সিডি বিক্রি হয়।


আমার সাথে যেভাবে জড়িয়ে গেলেন :
আমার একাডেমিতে নাচ শেখান এফডিসির শিল্পী এ আই রাজীব। এই রাজীব বললেন, ভাই, আপনি মিউজিক ভিডিও বানাবেন ? আমি রাজি হলাম না। মনে হল, এটা আমার কাজ না। আমি মূলত নাটকের মানুষ। আমি কেন মিউজিক ভিডিও বানাতে যাব ?
রাজীব আমাকে একটা অডিও সিডি এনে দিলেন। গানগুলো শুনতে বললেন। শুনলাম, মনে ধরে গেল। বিচ্ছেদের গান। প্রতিটি গানই হৃদয়কাড়া।
আমি সিদ্ধান্ত পাল্টালাম। আমার এক বন্ধু মিউজিক ভিডিও বানায়। ওর সঙ্গে কথা বললাম। মনে হল, মিউজিক ভিডিও বানানো কঠিন কিছু না।
আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু মোশারফ। ওকে মিউজিক ভিডিও বানানোর কথা বললাম। ও স্বেচ্ছায় মিউজিক ভিডিওর স্ক্রিপ্ট লেখার দায়িত্ব তুলে নিল। ১০ টি গানের মধ্যে ৬টি গানের পাণ্ডুলিপি তৈরি করেছে মোশারফ। আরও ৪টি পাণ্ডুলিপি তৈরি করছে ও ।

এখন যা দরকার :
গানগুলোর পাণ্ডুলিপি অনুযায়ী কোন গানেই নাচ হবে না। সাধারণত বাজারে পাওয়া মিউজিক ভিডিওগুলো নাচনির্ভর। কিন্তু আমি ও মোশারফ মিলে সিদ্ধান্ত নিলাম, এই মিউজিক ভিডিওতে মডেলরা নাচবে না, অভিনয় করবে। কেননা, গানগুলোর কথা ও সুর এমন বেদনাদায়ক যে, এই গানের সঙ্গে নিখুঁত অভিনয় ছাড়া ভিডিও ভালো লাগবে না।
ফলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, নতুন একদল ছেলে মেয়েকে নিয়ে একটা টিম তৈরি করব। পত্রিকায় বিজ্ঞাপন যাবে। যারা যোগাযোগ করবে, অডিশন গ্রহণ করে তাদের মধ্য থেকে উপযুক্ত লোকদের নির্বাচন করব। তারপর শুরু হবে তাদের জন্য ট্রেনিং । অভিনয় শেখাব তাদের। সব শেষে ওদের নিয়ে নির্মিত হবে এই মিউজিক ভিডিওর এলবাম।

তবে ট্রেনিংটা হবে কিন্তু আমার নারায়ণগঞ্জের অফিসে। সুতরাং নারায়ণগঞ্জের ছেলে মেয়েদের অগ্রাধিকার থাকবে। কেউ আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন।

শাহজাহান শামীম
০১৯১২৫৭৭১৮৭

পুনশ্চ : উপরের দুটি এলবামের কভার বোরহানউদ্দিন রানার পুরোনো এলবামের। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29456040 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29456040 2011-09-27 16:08:01
মুখ ও মুখোশ, সূর্য দীঘল বাড়ি ও একাত্তরের যিশুর টরেন্ট ডাউনলোড
মুখ ও মুখোশ :
মুখ ও মুখোশ বাংলাদেশ (তথা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের) প্রথম স্থানীয়ভাবে নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য সবাক চলচ্চিত্র। ১৯৫৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবিটি পরিচালনা করেন আব্দুল জব্বার খান। ইকবাল ফিল্মস এই ছবিটি অর্থায়ন ও চিত্রায়নে সহায়তা করে। চলচ্চিত্রটি ১৯৫৬ সালের আগস্ট ৩ তারিখে মুক্তি পায়। ছবিটির প্রথম প্রদর্শনী হয় মুকুল প্রেক্ষাগৃহে (বর্তমান আজাদ প্রেক্ষাগৃহ)। এটি ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ এবং খুলনায় একযোগে মুক্তি পায়। সেই অঞ্চলের প্রথম চলচ্চিত্র হিসাবে দর্শকমহলে এটি নিয়ে আগ্রহের সৃষ্টি হয়। প্রথম দফায় মুক্তির পর চলচ্চিত্রটি ৪৮,০০০ রুপি আয় করে।[১]

উইকি লিংক

ডাউনলোড লিংক

সূর্য দীঘল বাড়ি :
সূর্য দীঘল বাড়ী (ইংরেজি ভাষায়: Surja Dighal Bari, ইংরেজী অর্থ The Ominous House) ১৯৭৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র। ছবিটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন মসিহউদ্দিন শাকের ও শেখ নিয়ামত আলী[১]। বিশিষ্ঠ গ্রন্থকার আবু ইসহাক এর ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত (উপন্যাস) সূর্য দীঘল বাড়ি[২] অবলম্বনে ছবিটি নির্মান করা হয়। এটিই বাংলাদেশের প্রথম সরকারী অনুদান প্রাপ্ত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। ছবিতে প্রধান প্রধান চরিত্র গুলোতে অভিনয় করেছেন ডলি আনোয়ার, জহিরুল হক, রওশন জামিল, আরিফুল হক, কেরামত মাওলা, এ টি এম শামসুজ্জামান।

উইকি লিংক

ডাউন লোড লিংক


একাত্তরের যিশু :
একাত্তরের যীশু ১৯৯৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ভিত্তিক একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র [১]। লেখক শাহরিয়ার কবির এর লেখা একাত্তরের যীশু (উপন্যাস)[২] অবলম্বনে ছবিটি পরিচালনা করেছেন নাসির উদ্দিন ইউসুফ। ছবির প্রধান প্রধান চরিত্র গুলোতে অভিনয় করেছেন পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, হুমায়ুন ফরীদি, জহির উদ্দিন পিয়াল, আবুল খায়ের, আনওয়ার ফারুক, কামাল বায়েজীদ ও শহীদুজ্জামান সেলিম। এছাড়াও বিভিন্ন চরিত্র অভিনয় করেছেন ইব্রাহিম বিদ্যৎ, শতদল বড়ুয়া বিলু, সাইফুদ্দিন আহমেদ দুলাল, ফারুক আহমেদ, ইউসুফ খসরু, দেলোয়ার হোসেনসহ আরও অনেকে।

উইকি লিংক

ডাউনলোড লিংক


হ্যাপি ডাউনলোডিং ।

উপরের কোন লিংক কাজ না করলে নিচের এই লিংকে যান।

http://113.11.16.188:8080/]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29447319 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29447319 2011-09-13 13:42:20
সত্য ও মিথ্যার মাঝে ঝুলন্ত এক জীবন স্কুলে আনুষ্ঠানিক ভর্তি প্রথম ক্লাশ থ্রিতে। আনুষ্ঠানিক নাম রাখাও তখন। এর আগে যে প্রাথমিক স্কুলে ছিলাম, সেখানে কেবল শামীম নামেই পরিচিত ছিলাম। কিন্তু ক্লাশ থ্রিতে এসে আমার বড় মামা আমার স্কুল পাল্টানোর জন্য মাকে পরামর্শ দিলেন। পরামর্শ মতো আমাকে ভর্তি করানোর দায়িত্ব বড় মামার কাঁধে পড়ল। তিনি স্কুলে নিয়ে গেলেন। নাম আদর্শ স্কুল। ইসলামী ভাবধারায় চালিত স্কুল। স্কুলের অধ্যক্ষ আমার মামার বন্ধু।
প্রথম সমস্যা বাঁধল নাম নিয়ে। আমার নাম কেবল শামীম।অধ্যক্ষ জিজ্ঞেস করলেন, তোমার ভালো নাম কী ?
আমি থতমত খেয়ে গেলাম। ভালো নাম বলে যে কোন বস্তু আছে, সেটা তখনো জানা ছিল না। আমি আমার নাম আবারো বললাম। তিনি তখন মামার কাছে ভালো নাম জানতে চাইলেন। আমি আমার নামটা কেন ভালো নাম নয়, সেটা ভাবতে ভাবতে বার বার একই নাম বার বার বলে গেলাম।
মামা ও অধ্যক্ষ মিলে পরামর্শ করে আমার ভালো নাম রাখলেন। নাম রাখা হল শাহজাহান। মুহূর্তের মধ্যে আমার নাম বদলে গেল। কিন্তু কী মনে করে অধ্যক্ষ সাহেব শাহজাহান নামটার পাশে আমার ডাক নামটাও জুড়ে দিলেন। হয়ে গেলাম শাহজাহান শামীম। মামা ও অধ্যক্ষ মিলে আমাকে শেখালেন এটা আমার ভালো নাম।
তারপর গোল বাঁধল জন্মদিন নিয়ে। আমাকে জন্মদিন জিজ্ঞেস করল। আমি বলতে পারলাম না। তখন আবারো মামা ও অধ্যক্ষ মিলে জন্মদিন ঠিক করলেন। আমি মামাকে বার বার বলতে লাগলাম, জন্মদিন তো ভুল হয়ে গেল। বাসায় গিয়ে মায়ের কাছ থেকে আমার জন্মদিন জেনে নিতে বললাম। মামা বা অধ্যক্ষ কেউই আমার কথার গুরুত্ব দিলেন না।
আমি সেই ছোট বয়সেরই বুঝতে পারলাম, নাম আর জন্মদিন কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় না - যে কোন সময়ই বদলানো যায়।


০২.
নাম নিয়ে আর কখনো গণ্ডগোল বাঁধেনি। কিন্ত জন্মদিন নিয়ে আবারো সমস্যা তৈরি হল। ক্লাশ নাইনে উঠে এস.এস.সি পরীক্ষায় রেজিস্ট্রেশন করব। আমাদের শ্রেণী শিক্ষক জয়নাল আবেদীন স্যার কঠোর নির্দেশ জারি করলেন, কেউ জন্মদিন লিখবি না। আমরা জন্মদিন হিসাব করে বসিয়ে দেব।
সেই তখন জানতে পারলাম, বয়স যারা না কমিয়ে এস.এস.সিতে রেজিস্ট্রেশন করে, তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। কমপক্ষে তিন বছর বয়স না কমালে সরকারী চাকুরি পাওয়া যাবে না। আর সরকারী চাকুরি না পেলে জন্ম নেয়াই বৃথা।
যাই হোক, রেজিস্ট্রেশন ফরম আমরা পূরণ করতে পারলাম না। স্যারেরা পূরণ করলেন। আমরা কেবল স্বাক্ষী হিসেবে স্বাক্ষর করলাম। তবে জন্মদিন তৎক্ষণাৎ দেয়া হল না। শ্রেণী শিক্ষক জয়নাল আবেদীন স্যার হিসেব করে পরে জন্ম তারিখ বসাবেন।
রেজিস্ট্রেশন করার পর ২ বছর কেটে গেল। আমরা কেউ জানতে পারলাম না আমাদের জন্ম তারিখ কবে।
এস.এস.সি পরীক্ষার ফরম পূরণ করার পূর্বে আমাদের হাতে রেজিস্ট্রেশন কার্ড বুঝিয়ে দেয়া হল। রেজিস্ট্রেশন কার্ডে দেখি জন্ম তারিখ বসানো আছে । সেটা হল ২৪ নভেম্বর ১৯৭৩।


০৩.
ক্লাশ থ্রিতে জন্ম তারিখ কত লেখা হয়েছিল জানতে পারি নি। জয়নাল স্যার জানিয়েছিলেন, ওই জন্ম তারিখ রেজিস্ট্রেশন কার্ডে লিখলে সর্বনাশ হয়ে যেত। তিনি এটাও বলেছিলেন, কোন গাধা ছাড়া এই রকম জন্ম তারিখ লেখার কথা না। আমারও কেন যেন কথাটা সত্যি বলে মনে হল।


০৪.
মা আমাকে জন্ম তারিখ জানাতে পেরেছিলেন। আমার আব্বার একটা ডায়েরি আছে। সেটাতে একটা তারিখ দিয়ে লেখা আছে - ছেলের জন্ম হল। তারিখটি হল ২৭/০৮/১৯৭০। কিন্তু মায়ের কাছ থেকে জানতে পেরেছি আমার জন্ম রাত দুইটায়। মানে হল আমার জন্ম আসলে ২৮/০৮/১৯৭০ তারিখে।
আমার মায়ের কাছে শুনেছি, আমার জন্ম হয়েছিল নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে। জন্মের সঙ্গে সঙ্গে ঝম ঝম করে বৃষ্টি শুরু হয়েছিল। সেই বৃষ্টি চলেছিল সারা রাত। জন্মের সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টি নামাতে অনেকে নাকি বলেছিলেন, এই ছেলে খুব সৌভাগ্যবান হবে। তাদের কথা সত্যি কি না আজও বুঝতে পারিনি।


০৫.
জন্মদিনে সামুতে একটা ভার্চুয়াল বেলুন উপহার পাওয়া যায়। আমাকে যে কবে এই উপহারটা দেয়া হয়, সেটা এখনো বের করতে পারলাম না। আজকে তো পাইনি দেখতেই পাচ্ছি। ২৪ নভেম্বর তারিখটা মনে থাকে না বলে খেয়াল করিনি কখনো । সামুতে রেজিস্ট্রেশনের সময় কোন জন্ম তারিখটা ব্যবহার করেছি, সেটা আর মনে নেই।


০৬.
বাংলাদেশে শিক্ষিত মানুষদের প্রায় সবাইকে দুটো জন্মদিন বহন করতে হয়। একটা তার প্রকৃত জন্ম তারিখ। আরেকটা সার্টিফিকেটে লেখা জন্ম তারিখ। জীবন যে কেবল সত্য দিয়ে চলে না, তার সঙ্গে মিথ্যাও লাগে, এই চরম সত্য কথাটা স্মরণ করিয়ে দেয় সার্টিফিকেটের জন্ম তারিখ। সত্য ও মিথ্যার মাঝে ঝুলন্ত এক জীবন নিয়ে বেশ ভালোই তো কেটে যাচ্ছে সময়। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29439939 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29439939 2011-08-28 15:18:25
তেল চিনির মজুদদারি ঠেকাতে হাইকোর্ট লাগে, সব কাজেই হাইকোর্ট লাগলে সরকার কী করে অবাক লাগে, আমাদের দেশে মজুদদারি প্রকাশ্যে চলে এলেও কোন সরকারই ব্যবস্থা নেয় না। বরং সরকার এমনভাবে নিশ্চুপ থাকে যে, মনে হয় সরকার নিজেই ব্যবসায়ী। মাঝে মাঝে বাণিজ্য মন্ত্রী হুমকি দেন। কিন্তু হুমকির পর দিন থেকেই জিনিসপত্রের দাম আরও বাড়ে।
এই বার যেমন, সরকার চিনির দাম নির্ধারণ করার পর দিন থেকেই বাজার থেকে চিনি উধাও। সরকার গালে হাত দিয়ে তামসা দেখছে। বাজার থেকে চিনি যে মজুদদাররা সরিয়ে ফেলল, তাদের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নিয়ে এই অবস্থা স্বাভাবিক করতে হবে এবং মজুদদারি যে একটা বেআইনী ও অবৈধ পন্থা সেটা সরকার বেমালুম ভুলে বসে আসে।
এখন আবার শুরু হয়েছে মন্দের ভালো একটা উদাহরণ। যে কোন ইসু্যতে সরকারকে হাইকোর্ট আদেশ দিলে সরকারী লোকজন একটু নড়েচড়ে বসে। হাইকোর্টকে দেখানোর জন্য লোকদেখানো কিছু ব্যবস্থা নেয়। দেখে মনে হয়, সরকার নয়, দেশটা চালায় হাইকোর্ট।
আসলে তো এই দায়িত্বটি ছিল সরকারের। সরকারের উচিত ছিল অনেক আগেই মজুদদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া। কিন্তু কোন অদৃশ্য হাতের ইশারায় সরকার নীরব থেকেছে। এই সব সরকার জনবান্ধব না। এরা সব সময় কোন না কোন গোষ্ঠীর স্বার্থ উদ্ধারে ব্যস্ত থাকে।


দয়াময়, আর যেন রমজান না আসে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29419100 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29419100 2011-07-24 16:41:51
মজা করে অভিনয় শেখা - থিয়েটার গেম -০২ এরোবিকস :

বর্ণনা :
এটা মজার অবজার্ভেশন গেম।
সকল খেলোয়াড়কে একটি লাইনে দাঁড় করান। প্রথম খেলোয়াড় ঘরের চারপাশে হাঁটতে শুরু করবে। হাঁটতে হাঁটতে একটা বড় বৃত্ত তৈরি করবে। দ্বিতীয় খেলোয়াড় প্রথম খেলোয়াড়কে অনুকরণ করবে এবং প্রথম খেলোয়াড়ের মতো হাঁটবে ও অঙ্গভঙ্গি করবে। কয়েক বার এই রকম করার পর প্রথম খেলোয়াড় লাইনের শেষে গিয়ে দাঁড়াবে। এবার তৃতীয় খেলোয়াড় দ্বিতীয় খেলোয়াড়কে অনুকরণ করতে থাকবে। এভাবে দলের সবাই তার পূর্বের দাঁড়ানো ব্যক্তিটিকে অনুকরণ করবে।

নোট :
খেলোয়াড়রা মনোযোগ দিয়ে এই খেলাটি করবে। মজা করতে গিয়ে আগের জনকে অনুকরণ করা বাদ দেবে না।


বিশেষ দ্রষ্টব্য : অভিনয় শেখার জন্য এই গেমটি খুবই উপযোগী এবং মজার। আমার প্রিয় গেমগুলোর একটি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29415810 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29415810 2011-07-19 12:47:44
মজা করে অভিনয় শেখা - থিয়েটার গেম -০১ থিয়েটার গেমকে ইমপ্রোভাইজেশন গেম বা একটিং গেমও বলা হয়ে থাকে। তবে যেই নামেই ডাকা হোক না কেন এই গেমের উদ্দেশ্য কিন্তু একটাই - সহজে অভিনয় শেখানো।
যারা অভিনয় শিখতে চায়, তাদের জন্য সবচেয়ে সহজ বিষয় হল কোন থিয়েটার গেম করা। থিয়েটার গেম শিক্ষার পাশাপাশি আনন্দও দেয়। অনেক লম্বা বক্তৃতা দিয়ে ক্লান্তিকর পদ্ধতিতে যেই বিষয়টি শোখানো যায়, সেই বিষয়টিই একটা ছোট্ট থিয়েটার গেম করে মজা করে শেখানো যায়।
নারায়ণগঞ্জে আমার একটা ছোট্ট অভিনয় স্কুল আছে। এই স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের অভিনয় শেখাচ্ছি। অভিনয় শেখাতে গিয়ে যেই থিয়েটার গেমগুলো ব্যবহার করছি সেগুলো এখানে শেয়ার করব। কারো না কারো উপকারে তো আসবেই।

একটা সহজ থিয়েটার গেম শেয়ার করলাম। থিয়েটারের পাশাপাশি শ্রেণী কক্ষে বর্ণামালা শেখানোর জন্য এই মজার গেমটি ব্যবহার করা যেতে পারে।



বর্ণমালার বৃত্ত

বর্ণনা :
মনোযোগ ধারালো করার জন্য একটা অসাধারণ খেলা।
সবাই গোল হয়ে দাঁড়ান। একজন খেলোয়াড় জোরে বলেন ‌‌‌‌‌‘ক’ । তারপর এই ‘ক’ অক্ষরটি মুখে বলে হাত দিয়ে অন্য কারো দিকে ছুঁড়ে দেয়ার ভঙ্গি করুন। যার দিকে ছুঁড়ে দিলেন, তিনি সেটা গ্রহণ করে, এবার জোরে বলবেন ‘খ’। এই ‘খ’ বলার সঙ্গে সঙ্গে অন্য কারো দিকে ছুঁড়ে দেয়ার ভঙ্গি করুন। আসলে কিছুই ছুঁড়ে দেয়া হচ্ছে না, ছুঁড়ে দেয়ার ভঙ্গি করা হচ্ছে মাত্র। ধীরে ধীরে খেলার গতি বাড়ান।
যদি একটা বড় দলের সঙ্গে কাজ করেন, তবে দলটাকে দুটি ভাগ করে নিতে পারেন। একটা হবে ‘সোনালি’ অন্যটা হবে ‘রূপালি’ দল। তাদের প্রতিযোগিতায় লাগিয়ে দিন যে কোন দল দ্রুত ‘চন্দ্রবিন্দু’ এ পৌঁছে যেতে পারে।

বিভিন্নতা :
০১) ক থেকে চন্দ্রবিন্দু অথবা ১ থেকে ১০ ও বলা যেতে পারে। আবার উল্টোটাও করা যেতে পারে।
০২) ইচ্ছে করলে ছুঁড়ে দেয়ার জন্য টেনিস বলও ব্যবহার করা যেতে পারে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29414576 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29414576 2011-07-17 11:02:40
টেলিভিশন নাটক রচনা কর্মশালা অনেকেই হয় তো জানেন, আমার একটা সাংস্কৃতিক একাডেমি আছে। সেই একাডেমিতে নাচ, গান ও অভিনয় শেখানো হয়। নারায়ণগঞ্জের চাষাড়ায় অবস্থিত এই একাডেমির মাধ্যমে আমি শর্ট ফিল্ম বানাচ্ছি।
কয়েক দিন আগে মুম রহমান ও শাকিরা পারভীন নারায়ণগঞ্জে তাদের টেলিভিশন নাটক রচনা কর্মশালা করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করলেন। আমি বললাম, অনায়াসে আমার সাংস্কৃতিক একাডেমিতে এই আয়োজন করা যায়। তারা রাজি হলেন।

আগামী পহেলা জুলাই শুক্রবার দিনব্যাপী (সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা) অনুষ্ঠিত হবে এই কর্মশালা। একেবারে পেশাদার এই কর্মশালা । যাদের টিভি নাটক রচনা শেখার ইচ্ছা আছে, তারা এই কর্মশালা থেকে উপকার পাবেন।

কর্মশালা সম্পর্কে সংক্ষেপে বলতে গেলে ব্যাপারটা এই রকম :

প্রশিক্ষণ দেবেন :
০১) টিভি, রেডিও মঞ্চ নাট্যকার ও নির্মাতা মুম রহমান (এম.এ - নাট্যরচনা)
০২) নাট্যকার, নির্মাতা ও শিক্ষক সাকিরা পারভীন (এম.এ - নাট্যরচনা, ফিল্ম এণ্ড মিডিয়া)
০৩) টিভি, মঞ্চ নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা শাহজাহান শামীম

তারিখ : ১ জুলাই, ২০১১, শুক্রবার
সময় : সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা
কোর্স ফি : ১৫০০ টাকা মাত্র (অগ্রিম প্রদেয়)

পুনশ্চ : সারা দিনের খাওয়া দাওয়া, কোর্স মেটেরিয়াল, কাগজ-কলম সব কিছু আমরাই বহন করবো। আসন সংখ্যা সীমিত।


যোগাযোগ করুন
শাহজাহান শামীম
এক মুঠো চলচ্চিত্র
৪৩/বি নবাব সলিমুল্লাহ রোড, চাষাড়া, নারায়ণগঞ্জ
ফোন : ০১৯১২৫৭৭১৮৭, ০১৭১২৭৩৩৯১৭]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29399578 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29399578 2011-06-20 10:08:07
টিউটোরিয়াল : কিভাবে আপনার প্রথম চলচ্চিত্রটি বানাবেন ? -১০
টু শট :
যদি ফ্রেমের ভেতর একের অধিক ২ ব্যক্তি থাকে, তবে সেটাকে টু শট বলে। দু’ব্যক্তিকে রেখে ফ্রেম কম্পোজিশনের সাধারণ কিছু নিয়ম আছে।
টু শট সাধারণত ৩ ধরনের :
০১। ডাইরেক্ট টু ক্যামেরা টু শট
০২। প্রোফাইল টু শট
০৩। ওভার দ্যা শোল্ডার টু শট

এবার বিস্তারিত আলোচনা করা যাক :

০১) ডাইরেক্ট টু ক্যামেরা টু শট :
দুজন মডেল পাশাপাশি থাকে এবং ক্যামেরা তাদের সামনে থেকে ধরা হয়। এই শটকে ডাইরেক্ট টু ক্যামেরা টু শট বলে।
ক্যামেরা দুরত্ব অনুসারে এই শট নানা রকম হতে পারে। হতে পারে মিড শট। যেমন :

ডাইরেক্ট টু ক্যামেরা টু শট (মিড শট)

আবার হতে পারে ক্লোজ শট। যেমন :

ডাইরেক্ট টু ক্যামেরা টু শট (ক্লোজ শট)


০২) প্রোফাইল টু শট :
দু জন মডেল মুখোমুখি থাকলে এবং ১৮০ ডিগ্রি কোণে ক্যামেরা বসিয়ে পাশে থেকে ছবি তুললে তাকে বলা হয় প্রোফাইল টু শট।
প্রোফাইল টু শটও ক্যামেরা দূরত্ব অনুসারে নানা রকম হয়। হতে পারে লং শট। যেমন :

প্রোফাইল টু শট (লং শট)

আবার শট হতে পারে মিডিয়াম শট। যেমন :

প্রোফাইল টু শট (মিডিয়াম শট)

শটটি হতে পারে ক্লোজ আপ। যেমন :

প্রোফাইল টু শট (ক্লোজ আপ শট)

০৩) ওভার দ্যা শোল্ডার টু শট :
এই শটেও দু জন মডেল মুখোমুখি থাকে। একজনের কাঁধের উপর দিয়ে অপরজনের মুখের উপর ক্যামেরা তাক করা হয়। এই শটকে বলা হয় ওভার দ্যা শোল্ডার টু শট।
ওভার দ্যা শোল্ডার শট বা ওএস শট বা ওটিএস শট

মডেল : স্মৃতি আঁচল ও পারভেজ শরীফ
ফটোগ্রাফি : এটিএম জামাল।

(চলবে)

আমি চেষ্টা করছি এই টেকনিক্যাল বিষয়গুলো যতটা সহজ করে লেখা যায়, ততটা সহজ করে লিখতে। যাতে করে যে কেউ এই ধরনের বিষয় খুব সহজে বুঝে ফেলে। আমি কি সহজ করে লিখতে পারছি ?
আরেকটা কথা, অনেকে এই বিষয়গুলো অনেক ভালো জানেন, তারা যদি মন্তব্যের আকারে আমাকে পরামর্শ দেন, খুবই খুশি হব।



(অফ টপিক : আমার লেখা "কিভাবে আপনার প্রথম চলচ্চিত্রটি বানাবেন ? " নামের একটি অপ্রকাশিত বই থেকে লেখাটি দেয়া। )


পর্ব - ০১
পর্ব - ০২
পর্ব -০৩
পর্ব - ০৪
পর্ব - ০৫
পর্ব -০৬
পর্ব - ৭
পর্ব -০৮
পর্ব -০৯
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29394874 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29394874 2011-06-11 10:44:46
আমার বন্ধু আলুর দম ক্লাশ ফোরে ওঠার পর হঠাৎ করে আমাকে মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়ে দেয়া হল। কারণ, অনেক ছোট থাকতে একবার ভীষণ অসুখ হয়েছিল আমার। একেবারে দম যায় যায় অবস্থা। তখন আমার মা মানত করেছিলেন, যদি আমি বেঁচে থাকি, তবে আমাকে মাওলানা বানাবেন। মায়ের সেই মানত পূরণ করার জন্য আমাকে মাদ্রাসায় দেয়া হল।
মাদ্রাসায় বেশির ভাগই হতদরিদ্র এতিম ছেলে। ওদের মাঝখানে আমি অনেক ধনী ঘরের ছেলে। আমি প্রতিদিন বাসায় যেতাম এবং মায়ের কাছ থেকে বা বড় ভাইয়ের কাছ থেকে দু তিন টাকা করে হাত খরচ আদায় করতাম। তাছাড়া আমার বাসা থেকে প্রায়ই আমার জন্য ভালো ভালো খাবার পাঠানো হত।
আমার হাত খরচের টাকা ও বাসা থেকে পাঠানো খাবারের লোভে আমার অনেক বন্ধু জুটে গেল। আমি অনেককেই প্রতিদিন আচার, লজেন্স কিংবা চটপটি খাওয়াতাম। ওদের মধ্যেই একজন ছিল যে কিনা ভীষণ আলুর দম পছন্দ করত। এক টুকরো আলুর দমের দাম ছিল ১০ পয়সা। ওকে প্রতিদিন বিকালে আলুর দম খাওয়াতাম। আলুর দম খেতে খেতে ওর নাম পাল্টে হয়ে গেল আলুর দম।
সব ছাত্রদের শোয়ার ব্যবস্থা ছিল মেঝেতে বিছানা । এক রাতে দেখি ও মশারি ছাড়াই ঘুমানোর চেষ্টা করছে কিন্তু মশার কামড়ে ঘুমাতে পারছে না। আমার মায়া লাগল। ওকে ডেকে আনলাম আমার মশারীর ভেতরে । এর পর থেকে আলুর দম আমার সাথে ঘুমাতো। তার মুখ থেকে বের হত ভয়াবহ দুর্গন্ধ। আমি উল্টো দিকে মুখ ঘুরিয়ে শুয়ে থাকতাম।
কয়েক দিন পর ওর বালিশ ছিঁড়ে গেল। ও আমার বালিশে মাথা রেখে ঘুমাত। আমি ক দিন পর বাসা থেকে বালিশ আনতে গেলাম। বাসায় গিয়ে দেখি একটা রাবারের বালিশ। ও্ই বালিশটাই আনলাম। ওটা দেখে আলুর দম অবাক। এই রকম রাবারের বালিশ যে আছে সেটা ও জানত না।
আমার মাদ্রাসা ভালো লাগত না। শিক্ষকরা ছিল নিষ্ঠুর। কারণে অকারণে ছাত্রদের ভয়াবহ পেটানো হত। আমি একদিন ভয়াবহ মার খেলাম। আমার অপরাধ ছিল শিক্ষক মেঝেতে বসা ছিলেন, আমি ভুল করে তার খাটে বসে ফেলেছিলাম। ব্যাস, আর যায় কোথায়, আমার দুই হাত বেত মেরে ফুলিয়ে ফেলা হল।
আমি বাসায় ফিরে জানালাম, আমি আর কোন দিন মাদ্রাসায় যাব না। কিন্তু আমাকে আবারও মাদ্রাসায় দিয়ে এল আমার বড় ভাই। এর পর থেকে সেই শিক্ষক আমাকে মারার অজুহাত খুঁজতেন । পড়া না পারলেই ভয়াবহ মারতেন।
আলুর দম আমাকে এক রাতে মলম দিয়ে মালিশ করে দিল এবং আমাকে পরামর্শ দিল আমি যেন পালাই। এক সপ্তাহের মাথায় আমি পালালাম। পালিয়ে চলে গেলাম আমার বড় বোনের বাসায়। গিয়ে খুলে বললাম সব ঘটনা।
অবশেষে আমার বড় বোনের হস্তক্ষেপে আমার মাদ্রাসায় পড়া সাঙ্গ হল। আর সেই সাথে হারালাম আমার এক প্রিয় বন্ধু আলুর দমকে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29385270 http://www.somewhereinblog.net/blog/amishamimblog/29385270 2011-05-22 23:45:07