somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... সত্য চিরদিন সংখ্যালঘুর হাতেই পয়দা হয় - একদিন সে সত্যের অনুসারীরা সংখ্যাগুরু হয় (উৎসর্গ মনির হাসান ও ফারুক আহসান) http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/29008422 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/29008422 2009-09-11 03:17:29 দালাল হারামজাদা লুঙ্গি কাঁপতে থাকে পতপত।
গলার মাফলার আরেকটু কষে বেঁধে
পা বাড়ায় দালালটি -
ঝড়ের পরে রিলিফ এসেছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28976068 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28976068 2009-07-10 05:19:14
মডারেশন প্রসঙ্গে নোটিসবোর্ডের মন্তব্য ও আমার প্রতিক্রিয়া
সামহয়্যার টিম ব্লগারদের জন্য কষ্ট করে একটি নীতিমালা বানিয়েছেন। ব্লগাররা তা মেনে চলবেন এটাই কাম্য। যদি না চলেন, তাহলে নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এতে কারোই কোন আপত্তি নেই। সমস্যা হচ্ছে ব্লগারদের জন্য যেমন নীতিমালা রয়েছে, মডারেটরদের জন্যও সেরকম নীতিমালার আবশ্যকীয়তা রয়েছে। সেটা ব্লগাররা অনুধাবন করলেও মডারেটরবৃন্দ মনে হচ্ছে ঠিক বুঝতে পারছেন না, কিংবা আরো কঠিন করে বললে বুঝতে চাইছেন না। যদি সেরকম একটি নীতিমালা থাকত তাহলে ব্লগার তনুজার মডারেশনের স্বচ্ছতা কি প্রয়োজন? পোস্টটিতে কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র নোটিশবোর্ডের ৫৩ নম্বর মন্তব্যের জন্য তাকে জবাবদিহিতা করতে হতো। ঐ পোস্টটিতে ইতিমধ্যেই অনেক কমেন্ট এসে গেছে আর সহব্লগারের অনুরোধও আছে, তাই আমার প্রতিক্রিয়া আলাদা পোস্ট আকারে দিলাম।

১৯ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:১০ নোটিশবোর্ড বলেছেন: দূর্ভাগ্যক্রমে আলোচ্য ব্লগার তাঁর সাথে যোগাযোগ করার কোন মাধ্যম ইচ্ছাকৃতভাবেই রাখেননি। তাঁর ফোন নম্বর এবং ইমেইল এড্রেস দুটোই ইনভেলিড। দুই মাস পূর্বে রেজিস্টার করা একাউন্টে ইমেইল এড্রেস দেয়া হয়েছিল মেইলিনেটর নামক সাইটের এড্রেসে থেকে, যে সাইটটি ট্রোলাররা ব্যবহার করে কোন সাইটে স্বল্প সময়ে একাধিক ইইজারনেম রেজিস্টার করে কোন সাইটে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য। এবং গত দুইদিনে ভার্চুয়াল নিকটির ব্যবহারকারী আলোচ্য নিকসহ অন্য কিছু নিক ব্যবহার করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করেছেন। এ ব্যপারে আমাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে। এবার আপনার কাছে আমাদের প্রশ্ন, আপনি কিভাবে জানলেন এই নিকটি ব্যান? যে ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এ ধরণের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে তাঁর পরিচয় আশা করি সবার কাছে প্রকাশ করবেন। ধন্যবাদ।

নোটিসবোর্ড সামহয়্যারের মূল মুখপাত্র বলেই জানি। তার ভাষাতেই যদি বলি তাহলে তাকেও 'ভার্চুয়াল নিক' বলা উচিৎ - যদিও তার পেছনে রক্ত-মাংশের এক বা একাধিক মানুষ আছেন। খোদ নোটিসবোর্ডই যদি এরকম অনাকাঙ্খিত মন্তব্য করে তাহলে আসলেই চিন্তার কথা। কেন? বলছিঃ

১) 'সোজা কথা' নামক ব্লগার নাকি রেজিষ্ট্রশনের সময় ইচ্ছাকৃতভাবেই তার সঠিক ইমেইল বা ফোন নম্বর রাখেননি।

নোটিসবোর্ডের এই কথাটি অসত্য, অন্তত আংশিকভাবে। ফোন নম্বর যেহেতু ভেরিফাই করার ব্যবস্থা কর্তৃপক্ষ করেননি সেহেতু এটি সঠিক না বেঠিক সে কথা বলা অবান্তর। তাছাড়া, এ পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ কোন ব্লগারকে ব্যান করার আগে বা অন্য কোন সময় তার সাথে ফোনে যোগাযোগ করেছে এমন নজির আমার জানা মতে নেই! পাঠক, আপনারা কি এরকম কোন ঘটনার ব্যাপারে অবগত আছেন?

ইমেইলের ব্যাপারে নোটিসবোর্ডের এধরনের বক্তব্য কোনমতেই গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ যে কোন ব্লাগরই রেজিস্ট্রশনের পর এ্যাক্টিভেশন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যান, যার অংশ হিসেবে এ্যাকটিভেশনের লিঙ্কটি ব্লগারের ইমেইল ঠিকানায় পাঠানো হয় এবং সদ্য নিবন্ধিত ব্লগার তাতে ক্লিক করে তার রেজিস্ট্রশন প্রকৃয়া সম্পন্ন করেন। অর্থাৎ ব্লগার 'সোজা কথা'র ইমেইল ঠিকানাটি 'ইনভ্যালিড' একথা বলা নিতান্তই চাপিয়ে দেয়া একটি মিথ্যা কথা।

২) একজন ব্লগারের ব্যবহৃত ইমেইল ঠিকানাটিকে 'ট্রোলারদের' ব্যবহৃত ডোমাইনের ঠিকানা বলে দাবি করাটা আমি মনে করি অসভ্যতার পর্যায়ে পড়ে। সামহয়্যারের কর্তৃপক্ষকে এই ধরণের জাজমেন্ট দেবার অধিকার কে দিল? যদি বিতর্কের খাতিরে এই অসভ্যতা উপেক্ষাও করি, তাহলে প্রশ্ন আসে, 'ট্রোলারদের' ব্যবহৃত ডোমেইনের ঠিকানা আপনারা কেন রেজিষ্ট্র্বশনের সময় ঠেকাচ্ছেন না? ব্লগার 'সোজা কথা'কে ব্লগার না বলে 'ভার্চুয়াল নিকটির ব্যবহারকারী' বলার উদ্দেশ্যটি কী সেটা পরিস্কার করুন। এবং এটি যে সূক্ষ্ণভাবে তাকে হেয় করার চেষ্টামাত্র - তা বুঝতে আশা করি কারো অসুবিধে হয়নি। ইন্টার্নেটের এই ভার্চুয়াল জগতে জনাব/জনাবা নোটিসবোর্ড আপনিসহ সকলেই ভার্চুয়াল, সেটা বিশেষভাবে উল্লেখ করার আদৌ কি কোন প্রয়োজন আছে?

৩) আলোচ্য ব্লগার আরো এক বা একাধিক নিকের সাহায্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে - এ অভিযোগটি কি আপনারা কোনভাবেই প্রমাণ করতে পারবেন? প্রথমত, একাধিক নামে ব্লগিং করা একান্তভাবেই ব্লগারের ব্যাক্তিগত অভিরুচি। এই সীমানায় হস্তক্ষেপ করার কোনরকম অধিকারই আপনাদের নেই। সুখের কথা আপনাদের নীতিমালায়ও এ ব্যাপারে উৎসাহ দেওয়ার কথাই আছে। সুতরাং একাধিক নিকে কোন নির্দিষ্ট প্রসঙ্গে যদি একজন ব্লগার ব্লগিং করে সেটাতে আপত্তির কোন সুযোগই নেই। যদিও টেকনিক্যালি প্রতিটি নিকই স্বতন্ত্র, কোন প্রযুক্তিতেই আপনাদের পক্ষে প্রমাণ করা সম্ভব নয় যে অমুক নিকটি অমুকের; যদি না কোন ব্লগার ইচ্ছে করে জানায়। আপনার 'সুস্পষ্ট প্রমাণের' দাবীটি মস্ত একটি ফালতু কথা। তাহলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগটি কোথায় গিয়ে ঠেকল?

৪) শেষে এসে তনুজাকেই জিজ্ঞেস করে বসলেন তিনি কি করে জানলেন যে ঐ ব্লগার ব্যানড হয়েছেন! কেই ব্যানড হলে সেটা কি অন্য কেউ জানতে পারেন না? আপনার কি ধারনা পোস্ট আর মন্তব্য ছাড়া ব্লগীয় মেইটদের যোগাযোগের আর কোন মাধ্যম নেই? আপনারাই তো ব্লগারদের সোশালাইজেশনের জন্য আয়োজিত ব্লগীয় আড্ডা, পিকনিক ইত্যাদি ইত্যাদির সাথে ক্লোজলি যুক্ত থাকেন বলে শুনি! নাকি আপনি আসলে ঘুরিয়ে বলতে চেয়েছিলেন যে তনুজাও ঐ গোষ্ঠিরই সদস্য? যদি তা-ই বুঝিয়ে থাকেন তাহলে বলব, আপনি আরেকটি অন্যায় করেছেন।

অতপরঃ যা বললেন সেটা পড়ে খানিকটা চমকে উঠলাম - যে ব্যক্তি বা গোষ্ঠী, আপনার ভাষ্যে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে তাঁর পরিচয় সবার কাছে প্রকাশ করার অনুরোধ করলেন! তার মানে আপনি আসলে বোঝাতেই চেয়েছিলেন যে তনুজাও তথাকথিত ব্যাক্তি বা গোষ্ঠীর সাথে সংশ্লিষ্ট! আরো ভয়ঙ্কর কথা হচ্ছে সেই সব (আপাত) কল্পিত ব্যাক্তি/গোষ্ঠীর পরিচয় সবার সামনে প্রকাশ করতে বললেন!! ব্লগকর্তৃপক্ষের মুখপাত্র হয়ে, ব্লগারদের আসল পরিচয় জানতে চাওয়াটি কি আপনার জব ডেস্ক্রিপশনে আছে? এখন আমি যদি জিজ্ঞেস করি আপনার পরিচয় কি? নাম কি? বাপের নাম কি? জন্মতারিখ কত? লিঙ্গ কি? বৈবাহিক অবস্থা কি? তাহলে কি আমাকে ব্যান করা হবে? সেক্ষেত্রে এ পোস্টের শুরুর দিকটা আরেকবার পড়তে অনুরোধ করছি। গণতন্ত্রের চর্চা করতে কিছু প্রি-রিকুইসিটের ফুলফিলমেন্ট প্রয়োজন।

দেখে শুনে মনে হচ্ছে উক্ত ব্লগার আপনার রোষের শিকার হয়েছেন মাত্র। ভণিতা করার প্রয়োজন কি! আপনাদের স্পর্ধা দেখে এটুকু বেশ বুঝতে পারি যে আপনাদের পায়ের তলায় মাটি এসে গেছে বলে আপনারা জ্ঞান করেন। কিন্তু আসলেই কি মাটি এসে গেছে? ব্লগার ভিন্ন আপনাদের যে ফুটো পয়সাও দাম নেই সেটাও কি বোঝেন না?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28966974 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28966974 2009-06-20 09:44:49
ভুটাভুটি: আয়ারল্যান্ড আইজকা কত দৌড় করব বৈলা মনে হয় আপনের? খ) ৯৫-১০৫
গ) ১০৬-১১৪
ঘ) ১১৫-১২৫
ঙ) ১২৬-১৩৭
চ) ১৩৮+ (জিতব)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28961896 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28961896 2009-06-08 20:21:12
ভুটাভুটি: বাংলাদেশ আইজকা কত দৌড় করব বৈলা মনে হয় আপনের? ক) ৯৫-১০৫
খ) ১০৬-১১৪
গ) ১১৫-১২৫
ঘ) ১২৬-১৪৯
ঙ) ১৫০+
চ) ২০০+ (হে হে হে)

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28961861 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28961861 2009-06-08 19:25:09
তামিম বড় সুন্দর কৈরা রান আউট হৈল! " style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28961853 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28961853 2009-06-08 19:08:27 টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্পের বিরুদ্ধে প্রতিবাদস্বরূপ প্রোফাইলের ছবি বদলে ফেললাম http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28961834 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28961834 2009-06-08 18:13:04 আইনস্তাইন বললেই হল! সমাজতন্ত্রের মরা ভূত আর জাগবে না (উৎসর্গ ব্লগার ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান) সমাজতন্ত্র কেন?
আইনস্তাইনের এই রচনাটি ১৯৪৯ সালে মে'মাসে মান্থলি রিভিউ পত্রিকা প্রথম সংস্করনে প্রকাশিত হয়েছিলো

যিনি অর্থনীতি ও সমাজব্যবস্থা সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ নন্ তাঁর কী উচিত হবে সমাজতন্ত্র নিয়ে কোন মন্তব্য করা? আমার মনে হয় কয়েকটি কারণে এই মন্তব্য করা যেতে পারে।

প্রথমেই এ প্রশ্নটিকে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোনে বিবেচনা করা যাক। তাহলে প্রাথমিক ভাবে এটা মনে হতে পারে যে জ্যোর্তিবিদ্যা ও অর্থনীতির মধ্যে প্রদ্ধতিগত কোন পার্থক্য নেই। কেননা দুটি ক্ষেত্রেই বিজ্ঞানীরা আশপাশের ঘটনাবলী বিশ্লেষনের মাধ্যমে তাদের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এ দটির মাঝে কিছু পদ্ধতিগত পার্থক্য অবশ্যই বিদ্যমান। অর্থনৈতিক ঘটনাবলী বহু বিষয়ের উপর নির্ভর করে, তাই স্বতন্ত্র ভাবে বিষয় গুলি মূল্যায়ন করা একটু কঠিন। সর্বোপরি মানব সভ্যতার ঊষাকাল হতে এখন পর্যন্ত মানবসমাজের ইতিহাস শুধু অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই প্রভাবিত হয়নি। উদাহরনসরূপ পৃথিবীর প্রধান প্রধান রাষ্ট্রের পত্তনের পেছনে রয়েছে যুদ্ধের ইতিহাস। যুদ্ধজয়ী রাষ্ট্রগুলো পরাজিতদের উপর তাদের নিজেদের সুবিধামত আইন ও অর্থনৈতিক কাঠামো প্রয়োগের মাধ্যমে সুবিধাভোগী শ্রেণীতে পরিণত হয়েছে। এবং ভুমির ইপর একচেটিয়া অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নিজেদেরকে এক একটি গোষ্ঠিতে পরিনত করেছে ।এবং তারা পুরনোযুগের পুরোহিতদের মত তারা শিক্ষাব্যবস্থাসহ সকল সামাজিক মূল্যবোধের উপর নিজেদের নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সাধারন জনগনকে নিয়ন্ত্রন করতে চায়।

কিন্তু ইতিহাস বিচার করলে একটি সত্য বারবার আমাদের সামনে এস উপস্থিত হয় , যা থরস্টাইন ভেবলের ভাষায় বলতে গেলে বলতে হয় যে -তথাকথিত মানব সভ্যতা উন্নয়নের সাথে অর্থ আত্মসাতের সম্পর্ক অগ্রাহ্য করা যায়না। এবং আমরা যে সমস্ত তথ্য যোগার করতে পেরেছি তাতে বার বার এই কথাটির সত্যতাই পূণরাবৃত্ত হয়েছে। যেহেতু সমাজতন্ত্রের মূল উদ্দেশ্য অধিকতর উন্নয়ন ব্যবস্থার প্রচলন তাই উল্লেখিত পর্যায়ের অর্থনীতি ব্যাবস্থা সমাজতান্ত্রিক সমাজের বিষয়বস্তুকে ঠিক ব্যাখ্যা করতে পারেনা।

দ্বিতীয়ত, সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার লক্ষ নৈতিক সততা অর্জন ,যেখানে বিজ্ঞান নিজে থেকে কোন লক্ষ অর্জনে অক্ষম ; বিজ্ঞান মানুষের লক্ষ পূরণের একটি হাতিয়ার মাত্র। যুগে যুগে মহান ব্যাক্তিবর্গ একএকটি সঞ্জীবনী সমাজ সৃষ্টির লক্ষে কাজ করে চলেন।

কাজেই বলা যায় মানবিক/সামাজিক সমস্যা সমাধানের জন্যে একমাত্র বিশেষজ্ঞরাই সর্বদা মতামত দান করবেন তা ঠিক নয়।

অনেকেই বলে এখন মানবসামজ অত্যন্ত সংকটের মধ্য দিয়ে পার হচ্ছে। এপরিস্থিতিতে অনেকেই হয়তো উদাসিন থাকেন। যেমন আমি কিছুদিন আগে একজন বিচক্ষন ব্যক্তির সাথে মহাযুদ্ধের ভয়াবহতা সম্পর্কে আলোচনা করেছিলাম। তিনি ঠাণ্ডা মাথায় আমাকে পাল্টা প্রশ্ন করলেন –‘আপনি খামোখা মানবসভ্যতা বিলুপ্তিকে অসমর্থন করছেন কেন?’

আমি নিশ্চিত যে আজ থেকে একশো বছর আগেও কোন ব্যক্তি বিষয়টা এতটা হালকাভাবে নিতেন না।হয়তো এটা মানুষের হিন্যমনতারই একটি বহিঃপ্রকাশ। এর আসল কারণ কী? এর থেকে মুক্তির উপায়ই বা কী?

এরকম প্রশ্ন করাটা আসলে খুবই সহজ। কিন্তু উত্তর খোঁজাটাই কঠিন। আমি আমার মত চেষ্টা করে যাবো যদিও জানি পুরো বিষয়টা একটা হেয়ালির মতন এবং এর কোন সহজ উত্তর নেই।


মানুষ একই সাথে একা এবং সামজিক জীব। যখন সে তাঁর ব্যাক্তিগত আশা আকাঙ্খা পূরণের জন্যে প্রচেষ্টা চালায় তখন সে একদম একা অপরদিকে সমাজে বসবাসকারী হিসাবে সে অন্যান্যদের স্বীকৃতি ,স্নেহ ভালোবাসা প্রার্থনা করে। এরকম বৈচিত্রপূর্ণতাই মানব চরিত্রের বৈশিষ্ট্য। একজন ব্যক্তির চরিত্রের বিকাশ ঘটে পারিপার্শ্বিক পরিবেশের উপর ভিত্তি করে। সমাজই একজন ব্যক্তিকে খাদ্য, বস্ত্র , বাস্সথান, কাজ করার সামগ্রী যোগায় । এবং মুখের ভাষা ও চিন্তাশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। মানুষের অতীত ও বর্তমানের মঝে শৃংখলার সেতু তৈরি করে এই সমাজ।

পিঁপড়ে বা মৌমাছি যেমন সমাজ ছেড়ে বাস করতে পারেনা ,মানুষের অবস্থাও অনেকটা সেরকম। পার্থক্য শুধু এই যে পিঁপড়ে বা মৌমাছির জীবন উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া কিছু ধরাবাধা নিয়ম পালনের মধ্য দিয়েই কেটে যায়। কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে সামাজিক গঠন, উন্নয়ন , সংঘবদ্ধ হবার চেষ্টাই মূল কথা নয়, স্মরন রাকার ক্ষমতা, পারস্পারিক ভাব বিনিময় প্রভৃতিও ভূমিকা রাখে।এবং এর মাধ্যমেই সৃষ্টি হয় বিজ্ঞান, সাহিত্য, শিল্পকলা ইত্যাদি।

জন্ম ও উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাকৃতিক ও জৈবিক চাহিদাগুলো মানবিক বৈশিষ্টের মাঝে পরে। এছাড়া সামাজিক পরিবেশ থেকে ভাবের আদান প্রদানের মাধ্যমে মনুষের একটি সাংস্কৃতিক ধ্যান ধারণা লাভ করে যা ব্যক্তির সাথে সমাজের সম্পর্ক নির্ধারন করে। যারা মানবসমাজ উন্নতির জন্য দিন-রাত পরিশ্রম করে চলছেন তারা আশা রাখতে পারেন যে মানুষের মানবিক স্বত্ত্বা এখনও এত নীচে নেমে যায়নি যে তাঁরা পরস্পরকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে চাইবে।

আমরা যদি নিজেদের প্রশ্ন করি যে মানবজীবনকে সুন্দর করে তুলতে হলে কী করতে হবে, তাহলে আমাদের আগে একথা মাথায় রাখতে হবে –কিছু পরিবর্তন কখনই সম্ভব নয়। যেমন মানুষের জৈবিক গঠন আমরা পরিবর্তন করতে পারিনা। আবার গত কয়েক শতাব্দি ধরে যে সামাজিক পরিবর্তন হয়েছে তাও অপরিবর্তনীয়। এটা বললে হয়তো অত্যুক্তি করা হবেনা যে এই মানুষের উৎপাদনের সমন্নয়েই এ সমাজ গঠিত হয়েছে।

এ পর্যন্ত আলোচনা শেষে আমি মোটামুটি মূল বিষয়ের কাছাকাছি চলে এসেছি। বর্তমানে একজন ব্যক্তি সমাজের উপর নির্ভরশীলতাকে ইতিবাচক হিসাবে বিবেচনা করেন না, বরং এটিকে তারা অর্থনৈতিক হুমকি হিসাবে বিবেচনা করে। এরকম ব্যক্তি স্বার্থপরতার কারণে মানুষ প্রকৃত জীবনরস হতে বন্ঞ্চিত হয়। প্রকৃতপক্ষে আমাদের এই ক্ষুদ্র জীবনে মানবসেবায় আত্ম নিয়োগের মাঝেই রয়েছে নির্মল আনন্দ।

আসলে সকল সমস্যার মূলে রয়েছে ধনতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা। উৎপাদকরা নানা রকম আইন কানুন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ভোগপণ্য ও মূলধনী শিল্পের সম্পূর্ণটি নিজের সম্পত্তিতে পরিনত করছে।

সহজ ভাষায় বলতে গেলে উৎপাদিত উপকরনের উপর যাদের মালিকানা নেই তারাই হলো শ্রমিক এবং যাদের অধিকার রয়েছে তারা কিনে নিচ্ছে শ্রমশক্তি। যদিও শ্রমিকদের সাথে তাদের তথাকথিত একটি ‘চুক্তি’ হয়ে থাকে, তবুও কর্মক্ষেত্রে উৎপাদিত মূল্যের উপর ভিত্তি করে শ্রমিকদের উপযুক্ত পারিশ্রমিক দেয়া হয়না।

ব্যক্তি মূলধনের কারনে এখন ক্ষুদ্র শিল্পের বদলে বৃহৎ শিল্প গঠিত হচ্ছে। এর ফলে অকল্পনীয় শক্তি অল্পকিছু পুজিঁপাতিদের হাতে চলে গিয়েছে।তারাএ ক্ষমতার বলে রাজনৈতিক পরিস্থতি, নির্বাচন ব্যবস্থা , বেতার , সংবাদপত্র, শিক্ষা ব্যবস্থা পত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রন করে থাকে। এই ভয়ংকর ক্ষমতা কোন নির্বাচিত গনতান্ত্রিক দলই নিয়ন্ত্রন করতে পারেনা এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা দূর্বলতর জনসাধারনের স্বার্থ রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়।

পুজিঁভিত্তিক অর্থনৈতিক সমাজের প্রধান দুটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। প্রথমত: উৎপাদনের উপকরন- এক্ষেত্রে পুজিঁর উপর ব্যক্তির নিয়ন্ত্রন, দ্বিতীয়ত: শ্রমিকের সাথে তথাকথিত ‘স্বাধীন শ্রমচুক্তি’। শ্রমিকরা যদিও অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর শ্রমচুক্তির কয়েকটি শর্ত বাস্তবায়ন করেছে। কিন্তু আসলে বর্তমান অর্থনীতি বিশুদ্ধ পুঁজিবাদ ছাড়া কিছুই নয়।

উৎপাদনের উদ্দেশ্য এখন ব্যবহার নয়, বরং মুনাফা অর্জন। শ্রমজীবী মানুষের অভাব নেই ,কিন্তু সে পরিমানকর্মসংস্থান নেই। বেকার ও সল্প আয়ের জনসমষ্টির ক্রয় ক্ষমতা থাকেনা।তাই ভোগ পণ্যের উৎপাদন শুধু মুনাফা অর্জনকারীদের উপর নির্ভর করে।পুজিঁপাতিদের এই মুনাফার প্রতি লড়াই এর কারনে পুজিঁ বাজারে কখনও কখনও ভয়ংকর মন্দার সৃষ্টি হয়।

আমার মতে ব্যক্তি প্রতিবন্ধকতাই ধনতন্ত্রের সবচেয়ে খারাপ দিক। এই প্রতিযোগিতার বীজ শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সন্ঞারিত হয়। তাদের কে এমন ভাবে শিক্ষা প্রদান করা হয় যেন তাদের শিক্ষাজীবনে অর্জিত শিক্ষা ভবিষ্যতের অর্থ উপার্জনের সহায়ক হয়।

আমি নিশ্চিত যে সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এ সমস্যাগুলো দূর করা যাবে।একই সাথে এমন শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে যার উদ্দেশ্য থাকবে একটি সামাজিক লক্ষ স্থির করা। এবং এধরনের অর্থনৈতিক ব্যাস্থার ক্ষেত্রে উৎপাদিত উপকরনের মালিক হবে সমাজ এবং সামজের প্রয়োজনের উপর ভিত্তি করে উৎপাদন ব্যাবস্থা গড়ে উঠবে। শুধুমাত্র এরকম সমাজেই সকল স্তরের সকল নারী,পুরুষ,শিশু ,বৃদ্ধরা নিশ্চিত রূপে পেট ভরে খেতে পারবে। উল্লেখিত শিক্ষা ব্যবস্থা হবে আমদের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার সম্পূর্ণ বিপরীত।

সবশেষে এটা মনে রাখতে হবে যে পরিকল্পিত অর্থনীতি হলেই সমাজতন্ত্র আসেনা। কোন কোন সময় পরিকল্পিত অর্থনীতি মানুষকে ক্রীতদাসে পরিনত করতে পারে। সমাজতন্ত্রের জন্য দরকার সামমাজিক ও রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান। কিন্তু প্রায় অপর্যাপ্ত রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থায় ক্ষমতা কেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে কি শক্তিশালী আমলাতন্ত্র কে রোধ করা যাবে? একই সাথে কি ব্যক্তি অধিকারকে ঠিক রেখে গনতান্ত্রিক আমলাতন্ত্রকে নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব হবে?

কাজেই এ যুগে এসে সমাজতন্ত্রের লক্ষ সম্পর্কে আমাদের অবশ্যই ধারণা থাকা উচিত। যদিও বর্তমানে এবিষয়ে আলোচনা কে অনেকেই ভালো চোখে দেখেন না, তবে আমার মতে এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠা সাধারন মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28952158 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28952158 2009-05-18 06:34:19
মডারেশন মানে কি স্বেচ্ছাচারীতা? না। একটি সোস্যাল ব্লগিংসাইটের জন্য কার্যকরী মডারেশনের প্রয়োজনীয়তা বোধকরি সকলেই স্বীকার করবন। আমিও করি। স্প্যাম ঠেকানো, বিদ্বেষ-ছড়ানো ঠেকানো, অশ্লীল কন্টেন্ট ঠেকানো, ক্ষতিকর প্রপাগান্ডা ঠেকানো এরকম হাজারটা গুরুত্বপূর্ণ কারণেই মডারেশন প্রয়োজন হতে পারে।

খুবই সুখের কথা, সামহয়্যার ইন ব্লগেও একটি মডারেশন পদ্ধতি বলবৎ আছে। বিধিবদ্ধভাবে একটি নীতিমালাও আছে যার ভিত্তিতেই আসলে নির্ধারিত হয় কোন কন্টেন্ট প্রকাশিত হবে বা প্রকাশ হওয়ার পরও বহাল থাকবে। অর্থাৎ নীতিমালায়ই উল্লেখ করা আছে, কোন কোন কারণে একটি পোস্ট কর্তৃপক্ষ সরিয়ে দিতে পারে। এটা তো বীজগণিতের মত সোজা! ফর্মূলাটা খালি জানা দরকার, তারপর এক্স ওয়াই যেড কে শুধু ঐ ফর্মূলাতে ফেলে দাও! ব্যস খেইল খতম, পোস্ট টিকে থাকার মান বের হয়ে যাবে - আইদার ইয়েস অর নো।

তাই যখনই মডারেটর(রা) মনে করেন কোন একটি পোস্ট নীতিমালার ফর্মূলায় ফেলার পর তার মান আসছে নো, তিনি সেটির বিরুদ্ধে যথাবিহিত ব্যবস্থা নেন; শুধু তা-ই নয়, একটি বার্তাও পাঠিয়ে দেন সংশ্লিষ্ট ব্লগারের নোটিসবোর্ডে। আজকে লগিন করার আমিও পেলাম এরকম একটি মডারেটীয় বার্তাঃ
dear blogger, we are very sorry that we had to remove one of your post from the front page. please note: this action just to keep a diversity of topics in the front page according to rule: 2a. if you complain about a post to be removed or a comment to be deleted or a user to be banned. Or if you ask for explanation about why a certain post was deleted or removed. You should use the kono shomosh-sha page or use the report abuse button (to be built) to report complain directly to us. ২ক. যদি কোন পাঠক কোন পোস্ট সরিয়ে দিতে কিংবা মন্তব্য মুছে ফেলতে অথবা কোন সদস্যকে ব্যান করতে অভিযোগ জানান, বা কোন ব্লগার যদি তার মুছে ফেলা পোস্টের ব্যাপারে জবাবদিহিতা চান তাহলে 'কোন সমস্যা' পাতা কিংবা নির্মিতব্য 'রিপোর্ট এবিউজ' বাটন চেপে সরাসরি আমাদের কাছে অভিযোগ জানাতে পারেন। thank you in advance you for your understanding. regards, somewherein blog team.

এখন মনে প্রশ্ন জাগছে, এই বার্তাটি আসলে কতটুকু তার উদ্দেশ্য পূরণ করতে পেরেছে? উদ্দেশ্য যদি হয় ব্লগারকে জানানো যে তার অমুক পোস্টটি নীতিমালার তমুক ধারাটি ভঙ্গ করেছে, তাহলে বলতেই হয়, তা আধাআধি সফল কিংবা আধাআধি ব্যর্থ হয়েছে। এটি আমাকে জানাচ্ছে আমার কোন একটি পোস্ট নীতিমালার ২ক. ধারাটি ভঙ্গ করেছে। কিন্তু এটি বলছে না, আমার কোন পোস্টটি দায়ী এর জন্য। সুতরাং আসামী হিসেবে আত্মসমালোচনা করতে গিয়ে খুঁজতে শুরু করলাম কোন আমার পোস্টিতে আমি:

* কারো কোন পোস্ট মুছতে বলেছি
* কারো কমেন্ট মুছতে বলেছি
* কোন ব্লগারের ব্যান চেয়েছি
* আমার অন্য কোন পোস্ট মুছে ফেলার ব্যাপারে কৈফিয়ত চেয়েছি

অনেকক্ষন আঁতিপাতি করে খুঁজেও কিছু পেলাম না! কিন্তু কর্তৃপক্ষের চিঠি তো তা-ই বলছে:

2a. if you complain about a post to be removed or a comment to be deleted or a user to be banned. Or if you ask for explanation about why a certain post was deleted or removed.

এমুহুর্তে, প্রতিক্রিয়া হিসেবে তিনটে কথাই কেবল ভাবতে পারছি:

১) অভিযোগটি হয়তো শতভাগই সত্যি; আমি নিশ্চয়ই অভিযোগকৃত এমন কোন পোস্ট লিখে থাকব; এখন ভুলে গেছি, বা চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে! পাঠক আপনাদের কি মনে পড়ছে এমন কিছু দেখেছেন কি-না? মনে পড়লে আমাকে জানাবেন প্লিজ, কৃতজ্ঞ থাকব।

২) কর্তৃপক্ষ কীবোর্ড ফসকে আমার কোন একটি পোস্ট প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দিয়েছে এবং আমাকে জানিয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রেও আমার জানার কোন উপায় নেই আসলে কোন পোস্টটিতে এহেন অপকর্মটি করেছি। যদি এটিই সত্য হয়, তবে কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করব, পোস্ট প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দিলে বা ড্রাফট করে দিলে দয়া করে উল্লেখ করুন সে-টি কোন পোস্টটি। নচেৎ এই ধোঁয়াশা দূর হবে না।

৩) কর্তৃপক্ষ আসলে নিজেই নিজের বানানো নিয়মনীতির তোয়াক্কা করে না, যখন যা ইচ্ছা তা-ই করে। মডারেটরবৃন্দ যদি চান কোন কারণ ব্যাতিরেকেই যে কারো যে কোন পোস্ট যে কোন সময়ে মুছে দিতে বা প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দিতে পারেন। সেক্ষেত্রে অনুরোধ করব, উপরের বোল্ডকৃত লাইনটি নীতিমালায় আরো একটি ধারা হিসেবে যোগ করে দিন।

সবাইকে ধন্যবাদ। হ্যাপি ব্লগিং।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28952151 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28952151 2009-05-18 05:35:13
আমি কবে কমজগৎ গ্রুপে যোগ দিলাম? নুটিশবুট, কেমতে কি? http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28951347 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28951347 2009-05-16 01:33:24 একটি পুঁজিবাদী গল্প
লোকেদের অর্থনৈতিক অবস্থার কিছুটা পরিবর্তন হওয়াতে ব্যবসায়ী বেশ সম্মানের ব্যাক্তিতে পরিনত হলেন। কিন্তু ব্যাপক শিকারে বানারের বেশ আকাল দেখা দিল। ব্যবসায়ী ভদ্রলোক তখন বেশি দাম ঘোষনা করলেন - বানরপ্রতি ২০০ টাকা। এলাকার লোকজন এবার দ্বিগুন উৎসাহে শুরু করল বানর ধরা। অন্যান্য পেশায় বেশ মন্দা দেখা দিল, কারণ সবাই বানর ধরছে! এভাবে কয়েকদিনেই আবার বানরের ঘাটতি দেখা দিল। ব্যবসায়ী আবার দাম বাড়িয়ে দিলেন - এবার বানরপ্রতি ৫০০ টাকা! ঘোষনা দিয়েই তিনি জরুরী কাজে কিছুদিনের জন্য শহরে গেলেন।

এদিকে তার এতদিনের বিশ্বস্ত সহকারী প্রচার করে দিল তার কাছে বেচার মত অনেক বানর আছে - আদতে সেগুলো ঐ ব্যবসায়ী বেচারারই বানর। তো সহকারি মশায় তার বানরের জন্য দাম হাঁকালেন ৩৫০ টাকা করে। লোকজন তাদের যা আছে বেচে-টেচে দিয়ে ৩৫০ টাকার বানর কিনতে লাইন লাগিয়ে দিল; ব্যবসায়ী ফিরে এলেই তো ৫০০ টাকা করে নগদ লাভ! এভাবে অল্প সময়েই সহকারীর খোয়ার খালি হয়ে গেল। যারা কিনতে পারল না তারা ভগ্ন মনে ফিরে গেল আর যারা কিনল তারাতো খুশিতে ডগমগ! লাভের স্বপ্নে বিভোর!

খোয়ার খালি হতেই সহকারী মশায় কেটে পড়ল, আর ঐ ব্যবসায়ীও কোনদিন ফিরে এল না!

বি.দ্র. নাজিম উদ্দিনের ব্লগেও এরকম একটি গল্প আগে প্রকাশিত হয়েছিল Click This Link
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28943718 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28943718 2009-04-28 18:23:02
বিডিআর ছুটলুকের বাচ্চাগুলির হার্ট-কিডনি-কৈলজা ফেইলিউরের লিগা কান্দন কি আমগো শোভা পায়?
আর পলিটিকাল পান্ডারা খুঁজতাসে কেমতে এই বিদ্রোহরে ইউজ কৈরা এন্টি-পাট্টিরে এট্টু টাইট দেওন যায়! নানক হারামির বাচ্চা আইয়া কয়, কুটি কুটি ট্যাকা ছড়ানি হইসে। এইটার সাথে বলে ইসলামি কানেক্শন আছে! আমি বুঝি না এই আবালটা হাম্বালীগের পলিটিক্স করে কেমতে?

এন্টি হাম্বালীগ ফ্রন্টে তো পুরা ঈদ লাগসে! শালারা হাততালি দিয়া দিয়া হাতে কড়া ফালায়া দিসে। নয়া সরকার অখনো নাকি দেশটার লগে হানিমুন খেলতাসে, এরই মৈধ্যে কি কেড়ফা লাগল! মারহাবা মারহাবা! আল্হাম্দুলিল্লাহ! এই কাম ডাইরেক্ট ভারত করসে!

আর আবাল বুদ্ধি-বেচারাগুলির কতা কওন বড়ই মুশকিল! হেতারা একের পর এক কন্সপিরেসী থিয়োরী কপচাইতাসে! টিভিতে চুখ রাখোনই দায় হইসে, খালি টক শো আর ঝাল-মিঠা বিশ্লেষণ। এই ছাগলগুলির সংসারে কি মাইনষের ক্ষিদা লাগে না? খালি কথায়ই কি এগুলির প্যাট ভরে?

এদিকে বিডিআর যে মাইক বাজায়া কৈল আমরা গোলামীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করসি। কে শুনে কার কথা! এই জলপাই জানোয়ারগুলা মিডিয়ায় ক্যু কৈরা পাব্লিকরে প্রায় বিশ্বাস করাইয়াই ফালাইসে যে বিডিআর হৈল ছুটলুকের বাচ্চা, তাগো ঐ হ্যাডমই নাই। এইটা বহির্শক্তির ষড়যন্ত্র। ঘটনা যা-ই হউক আমরা মাশা-আল্লাহ মিলিটারি, এইসব ছুটলুকের বাচ্চাগুলিরে কেমতে টাইট করতে হয় সেইটা আমরা রেবেল শিকার কৈরা দেখাইয়া দিমুনে!

এলা পাবলিক বুঝ! বিডিআর মরতাসে কৈয়া চিল্লাও কেলা! নপুংশক পাব্লিক তুমরা এক্কেরে খামোশ থাকো।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28939538 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28939538 2009-04-18 07:09:43
কিউবা: বাংলাদেশের জন্য একটি অনন্য উদাহরণ প্রবল সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বিকশিত হওয়া দু'টো সমাজ - কিউবা ও বাঙলাদেশ। বাঙলাদেশের নেতা শেখ মুজিবের সাথে যখন দেখা হয়েছিল কিউবার নেতা ফিদেল ক্যাস্ট্রো বলেছিল "আপনি কারাগারে আর আপনারা নামেই স্বাধীন হয়ে গেল একটা দেশ! আপনাকে ও আপনার জণগনকে অভিনন্দন!" তো চলুন এতগুলো বছর পর দেশ দু'টোর বর্তমান অবস্ত্থার মোটাদাগে একটু তুলনা করা যাক:

বাসস্থান
কিউবার শতকরা ৮৫ জন মানুষের নিজের বাসস্থান আছে। বাকী ১৫ শতাংশ মানুষ সরকারী আবাসনের আওতায় বাস করে, যেখানে তারা তাদের বেতনের মাত্র ১০% ভাড়া হিসেবে দেয়।
আর বাংলাদেশে? শুধু ঢাকা শহরেই শতকরা ৩০ এর উপরে মানুষ বাস করে বস্তিতে যেখানে জীবনের ন্যুনতম মানও নেই এবং এগুলোর মালিকও তারা নিজেরা নয়। ঠিক কি পরিমান মানুষ বাঙলাদেশে গৃহহীন তার কোন সঠিক হিসাবও নেই।

চিকিৎসা:
কিউবাতে চিকিৎসকের সংখ্যা পৃথিবীতএ সবচেয়ে বেশি - প্রতি ১৭০ জনে একজন। বাঙলাদেশে প্রতি ৩৮০০ জনে একজন চিকিৎসক। ২০০৭ সালে সিডর আক্রান্ত বাঙলাদেশে সবচেয়ে আগে মেডিকেল টীম পঠিয়েছিল কিউবা।

শিক্ষা
কিউবার ৯৯.৯ শতাংশ মানুষ শিক্ষিত। বাঙালাদেশে ৪৮ শতাংশ। এখানে একটু টীকা দেয়া দরকার - বাঙলাদেশের ৪৮ শতাংশের মধ্যে পরে অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন সকলেই, কিন্তু কিউবার হিসেবে ন্যুনতম যারা নবম শ্রেণী পর্যন্ত পড়েছে শুধুমাত্র তারাই পড়বে তাদের শিক্ষিতের দলে। কিউবার নাগরিকদের জন্য শিক্ষা পুরোপুরি ফ্রী! প্রাথমিক স্তর থেকে পিএইচডি পর্যন্ত! আর বাঙলাদেশে শিক্ষার সমান্তরাল তিনটি ভয়াবহ ধারাই তৈরি হয়ে গেছে। বাঙলাদেশের শিক্ষা এখন সম্ভবত সবচেয়ে বড় বানিজ্য।

কর্মসংস্থান
কিউবার মাথাপিছু বাৎসরিক আয় $৯৫০০, বাঙলাদেশে মাত্র $১৫০০। কিউবার সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ আয়ের মাঝে তফাৎ চার গুনেরও কম। অর্থাৎ সবচেয়ে কম উপার্জনকারীর আয় যদি ১০০ টাকা হয় তাহলে যে সবচেয়ে বেশি উপার্জন করে তার আয় ৪০০ টাকারও নীচে। এটি সম্ভব হয়েছে সম্পদের সুষম বন্টনের মাধ্যমে। বাঙলাদেশে সম্পদের কোন বন্টন নেই যার ফলে আয়ের ব্যাবধানেরও কোন কোন গ্রহনযোগ্য হিসেব নেই। যদিও পে-স্কেল বলে চাকুরীজীবীদের জন্য একটা ব্যবস্থা আছে, কিন্তু সমগ্র দেশের জন্য সেটা প্রযোয্য নয়। গার্মেন্টসের কর্মীরা যেখানে মাসে তিন হাজার টাকা উপার্জন করেন সেখানে একজন ডাক্তার আয় করেন দু'লাখ টাকা। বাঙলাদেশে ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান দিন দিন বেড়েই চলেছে।


সবচেয়ে বড় যে তফাৎটা উল্লেখ করা উচিৎ সেটা হচ্ছে, রাষ্ট্রব্যবস্থা! কিউবা একটি সমাজবাদী রাষ্ট্র যেখানে নীতি নির্ধারিত হয় দশের জন্য। আর বাঙলাদেশ চলছে লগ্নিভিত্তিক একটিপুঁজিবাদী ব্যবস্থা যেখানে নীতি নির্ধারিত হয় ব্যাক্তি বা গোষ্ঠীবিশেষের জন্য।

অথচ বাঙলাদেশও হতে পারত সমাজবাদী কিউবার মতই একটি সুষম উৎপাদন ও বন্টনের দেশ যদি মুক্তিযুদ্ধের চারটি মূলনীতিতে পরিচালিত হত রাষ্ট্রনীতি; '৭২ এর সংবিধানই বাঙলাদেশকে দিতে পারত একটি সফল রাষ্ট্র।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28939004 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28939004 2009-04-16 19:50:55
পুঁজিবাদী নিঃসঙ্গতা পাঁচতারা লাঞ্চ খেয়ে ঢেকুর তুলতে তুলতে,
ঘষা কাঁচের জানালা গলে আসা ফিকে আলোতে
মহাজন তাকান ফিরে যেতে থাকা প্রলেতারিয়েতের পানে!
একদিন তিনিও ছিলেন ঐ দলে।

আজ যে এসেছিল, সে একদিন ছিল তার সহোদর - অগ্রজ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28934509 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28934509 2009-04-06 21:29:42
জিজ্ঞাসা পোস্ট: আর্মি-বিডিআর কি হোমোসেপিয়েন্স? এগো সায়েন্টিফিক নাম কি?
* এই দেশে গার্মেন্টসে আগুন লাগলে একসাথে কয় জন সেলাই কন্যা মারা যায়?
* প্রতি বছর লঞ্চডুবিতে একসাথে কয়টা করে আদম বাঙাল মরে?
* মিছিলে গুলি হইলে কে মরে কে বাঁচে কে মরে তার খবর কে রাখে?
* মেডিকেল কলেজের বেডে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় বা অবহেলায় শিশু মারা গেলে কে খবর রাখে?
* র‌্যাব এই পর্যন্ত কয়জন মানুষকে রাষ্ট্রীয় বিচার ব্যবস্থা বাইপাস করে খুন করেছে?

এইরকম হাজারে-বিজারে মানুষগুলা রেগুলার মারা যায় যখন, তখন কি পেরাইম মিনিস্টার তাগো সাথে মিটিং করে? তিনি কি তাগোর ধমক খান? আপনেও জানেন আমিও জনি! পেরাইম মিনিস্টার কি খালি বিডিআর-আর্মীর ভোটে ঐ চেয়ারে বসছে?

না তা বসে নাই! ঐ মানুষগুলার ভোটেই বসছে! তারপরেও তারা মানুষ না! মানুষ খালি ঐ প্রাণীরা! ঐ প্রাণীরা সবদিকেরটাই খায়; গাছেরটা তো খায়ই, তলেরতাও হাপিস কৈরা ফালায়! রিটায়ার করার পর তারা হয় সরকারি সকল এজেন্সীর পরিচালক, মহাপরিচালক ইত্যাদি ইত্যাদি।

তাইলে বিডিআর আর আর্মীরাই খালি মানুষ? কেমন মানুষ? তারা কি আলাদা শ্রেণীর মানুষ? যদি না হয় তাহলে মধ্যবিত্ত বাঙালী বিডিআর আর্মীর জন্য এত চিন্তিত কেন?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28922222 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28922222 2009-03-10 03:51:04
রাজাকার হইতে কত বয়স লাগে? নব্য রাজাকারগুলারে 'রাজাকার' কইলে শালারা ফাল দিয়া ওঠে, মাদ্রাসার শেখানো 'শুদ্ধ' বাংলায় জিগায়, আমার বয়স ২৫, গন্ডগোলের সময় আমি জন্মাই নাই; আমি রাজাকার হইলাম কেমতে?

পাবলিক আপনারাই উত্তর দেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28912576 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28912576 2009-02-17 21:02:11
একটি ক্যুইজ - না পারলে শাস্তি নাই <img src='http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif' />
বড় মোল্লা কেঠা:
ক. সিনিয়র মোল্লা
খ. জুনিয়র মোল্লা

ডিস্ক্লেইমার: ব্লগের মোল্লাদের সাতে এই ক্যুইজের কোন সম্প্ক্ক নাই।
ছবিটি সহব্লগার এস্কিমোর ব্লগ থেকে ধার করা হয়েছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28909339 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28909339 2009-02-10 20:56:00
এইসব ভেঙ্গে যাওয়া, পুঁড়ে যাওয়া, চলে যাওয়া সময়ের ভারে... কাঁচের বাসনের ঝনঝন শব্দে -
ভেঙ্গে যাচ্ছে সময়।

দুঃখের রোদে কিংবা সুখের আমেজে, সিগারেটে শেষ টান দিতে দিতে -
পুঁড়ে যাচ্ছে সময়।

ছেঁড়া গেঞ্জি, ফেলে দেওয়া একপাটি জুতো, রঙজ্বলা নাইলনের মশারি,
দেয়ালের কোণে ঝুল, দেখে শুনে বিষণ্ন পায়ে -
চলে যাচ্ছে সময়।

এইসব ভেঙ্গে যাওয়া, পুঁড়ে যাওয়া, চলে যাওয়া সময়ের ভারে,
নিজস্ব সুখ দুঃখে চাপা পড়ে যেতে যেতে, নিজের ভিতরে শুনি নিজের কন্ঠস্বরঃ

ওঠো হে! দরজা-জানালা খুলে, সময়ের ঝুঁটিটা এই বেলা শক্ত মুঠোয় ধর হে!
ওঠো হে! দরজা-জানালা খুলে, সময়ের ঝুঁটিটা এই বেলা শক্ত মুঠোয় ধর হে! ওঠো হে!



আপনাদের সাথে শেয়ার করতে ইচ্ছা হল:

Click This Link

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28897201 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28897201 2009-01-14 01:04:24
ঢর্মিয় অনুবুটি আর পারি না...যেদিকে চাই খালি অনুবুটি আর অনুবুটি! বোলগে কার কার ঢর্মিয় অনুবুটি বেশি এদিকে আইসেন দাদারা...ভাইংগা দেই...

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28897193 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28897193 2009-01-14 00:46:32
শৃঙ্খল ছাড়া প্রোলেতরিয়েতের হারাবার কিছুই নেই
আপন মতামত ও লক্ষ্য গোপন রাখতে কমুনিস্টরা ঘৃনাবোধ করে। তারা খোলাখুলিভাবে ঘোষনা করে যে তাদের অভীষ্ট অর্জিত হতে পারে কেবলমাত্র সমস্ত বিদ্যমান সামাজিক অবস্থার সবল উচ্ছেদ ঘটিয়েই। কম্যুনিস্ট বিপ্লবের আতংকে শাসকশ্রেণী কাঁপুক। শৃঙ্খল ছাড়া প্রোলেতরিয়েতের হারাবার কিছুই নেই, জয় করার জন্য আছে সমস্ত জগত। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28881565 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28881565 2008-12-12 22:51:01
কুরবানী-বলি মানুষকে আটকে রেখেছে প্রাগৈতিহাসিক বর্বর যুগে
ধীরে ধীরে মানুষ সভ্য হতে থাকে, কমতে থাকে এই বলির সংস্কৃতির প্রভাব, বদল হতে থাকে বলির ধরন - মানুষের বদলে পশু-পাখী, কোথাওবা মানুষ একেবারেই উঠিয়ে দেয় বলির পাশবিকতা। যেখানেই রয়ে গেল এই ট্র্যাডিশান সেখানেই দেখা যাচ্ছে ধর্মের মোড়কে চলছে এই প্রাগৈতিহাসিক নিষ্ঠুরতার চর্চা।

কুরবানী এর থেকে আলাদা কিছু নয়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28880546 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28880546 2008-12-09 19:51:53
রক্ত দেখলে কাঁপবে কেন মুসলিমের অন্তর গো...প্রেম রাখিও অন্তরের ভিতর

কুরবানীর ঈদ মনে করিয়ে দেয় মুসলমান ট্রেইন্ড হয় রক্ত নিয়া খেলা করতে, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28880359 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28880359 2008-12-09 01:26:11
আসুন সকল দলকে বাধ্য করি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার অংগীকার করতে
চলুন আমরা তাদের বাধ্য করি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28877941 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28877941 2008-12-04 00:28:33
পাকিস্তানপন্থি কিংবা বাংলাদেশ বিদ্বেষীদের জন্য একটা কার্যকর টিপস.....

এই দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কিছু বলতে চাইলে তাতে একটু ইসলামের ফ্লেভার মিশিয়ে দিন, কারো সাধ্য নেই আপনার বিরুদ্ধে কিছু বলে। কেউ কিছু বললেই "ইসলাম" নিয়ে হাজির হয়ে যাবে ইসলামের তথাকথিত পেয়াদারা। ইসলামের চেক ভাঙ্গিয়ে এদেশে কত বড় বড় রাজাকার বাঙ্গালীত্বের সার্টিফিকেট পেয়ে গেল .... আর কত বড় বড় মুক্তিযোদ্ধা এই তথাকথিত রাজাকারদের বিরোধীতা করে ইসলামবিদ্বেষী-নাস্তিক-মুরতাদ হয়ে গেল..... তার খবর কে রাখে?


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28778605 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28778605 2008-03-12 19:02:53
স্বাধীনতা মানে কি?
স্বাধীনতা কি শুধুই কাগজে কলমে রাজনৈতিক পরিচয়? তিন যুগ আগে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। হ্যাঁ তিন যুগ, কিন্তু কে স্বাধীন হয়েছে? বাংলাদেশের মানুষ কি স্বাধীন?

> স্বাধীনভাবে কি তারা শিক্ষা-দীক্ষা পায়? নাকি বাধ্য হয়ে একটা লাইন ধরে?
> স্বাধীনভাবে কি তারা জীবিকা নিতে পারে? নাকি বাধ্য হয়ে একটা চাকরী করে? পড়লো কেমিস্ট্রি আর হলো ব্যাংকার! লাভ হলো কার?
> স্বাধীনভাবে জীবনসঙ্গী বেছে নিতে পারে?
> স্বাধীনভাবে যেখানে ইচ্ছে (দেশের মধ্যেই) যেতে পারে? চাইলেই কি পারে সঙ্গীর সাথে মাঝরাতে সমুদ্রস্নান করতে? কিংবা একটা দেশী মুভ্যি দেখতে?

আচ্ছা, কারা করল এই দেশ স্বাধীন? এই মানুষগুলোই তো! তারাই দেখি স্বাধীন নয়!

হায়রে স্বাধীনতা! স্বাধীনতা মানে কি? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28777231 http://www.somewhereinblog.net/blog/amivalomanushblog/28777231 2008-03-07 17:59:49