আমার প্রিয় পোস্ট

'মানুষই মানুষের গা ঘেঁসিয়া বসিয়া থাকে'

০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:০৭

শেয়ার করুন:                   Facebook

মাঝে মাঝে মনে হয়, যেন বা স্যামুয়েল বেকেটের 'ওয়েটিং ফর গডো' নাটকের চরিত্রগুলোর মতো এক অ্যাবসার্ড জগতের মধ্যে বাস করছি আমরা।

যেন ওদের মতোই আমরাও নিঃসঙ্গ, বিচ্ছিন্ন, বিযুক্ত ও বিপণ্ন, বিষণ্ন, নৈরাশ্যবাদী, আত্নধ্বংসকারী, দুঃস্বপ্ন ও বিভীষিকায় আক্রান্ত, যন্ত্রণাদগ্ধ, ব্যর্থ, পরাজিত।

যেন আমাদের সবকিছু জুড়ে অর্থহীনতা, আমাদের সব প্রয়াস তুচ্ছ, অকিঞ্চিৎকর, এমনকি পরস্পরের সঙ্গে ইতিবাচক ও অর্থবহ যোগাযোগ স্থাপনেও অক্ষম। আমাদের ভাষা শুধু শূন্যগর্ভ শ্লোগান, বহু ব্যবহারে জীর্ণ, ক্লিশে, পচে যাওয়া অর্থহীন শব্দাবলীর সমষ্টি মাত্র।

আমাদের জীবনও ক্লিশে আক্রান্ত, হাস্যকর, অবান্তর, উদ্ভট। আমাদের মানবিক অস্তিত্ব নিষ্ফল, লজ্জাকর, ব্যর্থ। পৃথিবীর সমস্ত সমস্যার সমাধান হয়ে গেলেও তীব্র বেদনার সঙ্গে আমরা আবিষ্কার করবো-- মৃত্যু জীবনকে নিরর্থক করে দেয়।

যেন বা, যেমনই হই না কেন আমরা-- নিস্পৃহ, নিস্ক্রিয়, নৈরাশ্যবাদী অথবা কর্মতৎপর, আশাবাদী-- সবার জন্যই নির্ধারিত রয়েছে অবক্ষয় ও শূন্যতা।

ওই নাটকের দুটো প্রধান চরিত্র ভ্লাডিমির আর এস্ট্রাগনের মতো আমরাও যেন অপেক্ষা করে আছি 'গডো' নামক অনির্দিষ্ট একজনের জন্য, যাকে আমরা আদৌ চিনি না, কোনোদিন দেখিওনি। তবে এমত বিশ্বাস করি যে, গডো এলে আমাদের সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। পৃথিবী আমাদেরকে যে ক্লেদাক্ত জীবন উপহার দিয়েছে তা থেকে আমরা মুক্তি পাবো। কিভাবে সেটা হবে তা অবশ্য জানি না, তাঁর কাছে প্রত্যাশাটা কি তা-ও আমাদের কাছে পরিস্কার নয়, এমনকি আমরা এ-ও নিশ্চিত নই যে, তিনি আদৌ আসবেন কী না!

নাটকের চরিত্র দুটো গডোর জন্য অপেক্ষা করতে বাধ্য, কারণ এর সঙ্গে তাদের জীবন-মৃতু্যর প্রশ্ন জড়িত। যদিও অর্থহীন এই প্রতীক্ষা, কারণ গডো আসেন না, কখনো আসবেন এমন নিশ্চয়তা বা সম্ভাবনাও দেখা যায় না, তবু এর থেকে মুক্তি নেই তাদের। পুরো নাটক জুড়ে নিষ্ফল ও অর্থহীন প্রতীক্ষার যন্ত্রণা, হাহাকার, অসহায়ত্ব, হতাশা, অর্থহীনতা, অনিশ্চয়তা, বিস্ময়কর বিস্মৃতি, ভাষার মাধ্যমে অর্থবহ ও কার্যকর যোগাযোগ স্থাপনের দুরূহতা, দুর্বিসহ পৌনঃপুনিকতা, জীবনের জটিল ও দুর্বহ ভার, প্রগাঢ় ক্লান্তি ইত্যাদি ছড়িয়ে আছে আর এসবকিছু তাদেরকে নিক্ষিপ্ত করে যন্ত্রণা আর দুঃস্বপ্নে। নাটকের শুরুতেই আমরা এস্ট্রাগনের মুখে একটি সংলাপ শুনতে পাই-- 'না কিছু করা যাবে না।' এই কিছুই করতে না পারা, জীবনে কিছুই না হওয়া, পরিণতিহীন জীবনের দুর্বহ ভারের প্রসঙ্গ বারবার এসেছে নাটকে। শুরুতে যেমন দেখি কিছুই করার নেই তাদের, নাটকের শেষদিকেও মাঝে মাঝেই তাদের নিরুপায়, যন্ত্রণাক্লিষ্ট, বেদনাক্লান্ত কণ্ঠে শোনা যায়-- 'কি করবো, আমরা কি করবো?' কিছুই করার নেই একমাত্র প্রতীক্ষা করা ছাড়া, কারণ সবকিছু অন্তর্হিত হয়ে গেছে, দুর্বিনীত সময় তাদের সবকিছু ছিনিয়ে নিয়েছে। কি-ই বা করতে পারে তারা একমাত্র গডোর জন্য প্রতীক্ষা করা ছাড়া, যে গডো তাদের এই ক্লেদাক্ত জীবন-যাপন থেকে মুক্তি দেবেন, আলোকিত জীবনের সন্ধান দেবেন! কিন্তু সেই প্রতীক্ষা যখন নিষ্ফল হয়ে যায় তখন জীবনে আর কি বাকি থাকে প্রবল অর্থহীনতা আর প্রগাঢ় বিপণ্ন্নতা ছাড়া? পরপর দুদিন তারা অপেক্ষা করে কিন্তু গডো দুদিনই খবর পাঠান যে, তিনি আজ আসতে পারছেন না-- কালকে নিশ্চয়ই আসবেন। তাদের এই অনন্ত অপেক্ষা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। তারা আত্নহত্যার কথা ভাবে কিন্তু পারে না। পুরো নাটকটি পড়লে মনে হয়-- তারা চিরদিনই অপেক্ষা করে ছিলো, এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। কোনোদিনই তাদের এই অপেক্ষার অবসান হবে না এবং গডো কোনোদিনই আসবেন না।

আমাদের অবস্থাটিও যেন ওদেরই মতো।

এ প্রসঙ্গে হাসান আজিজুল হকের খুব ভিন্ন ধরনের একটি গল্প 'সাক্ষাৎকার'-এর কথা মনে পড়ছে। । এটি এমনই এক গল্প যা হাসানের 'সমাজ-সচেতন' শ্রেণী-সচেতন' 'রাজনীতি-সচেতন' ইমেজের সঙ্গে যায় না। যে 'লোকটা গত শতাব্দীর কায়দামাফিক সূর্যাস্ত দেখছিল' আর 'তার চোখে ফুটে উঠেছিল তন্ময় কল্পনা' তাকে ধরে নিয়ে যায় কতিপয় অচেনা লোক, তাকে 'রহমান সাহেব' সম্বোধনে শুরু হয় জেরা, যদিও তার নাম রহমান নয়, হুমায়ুন কাদির। তারা ঠিক কী জানতে চায় পুরো গল্পে তা পরিষ্কার হয় না, বোঝা যায় তারা তার কাছ থেকে একটি স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা করছে, কিন্তু কিসের স্বীকারোক্তি তা-ও বোঝা যায় না, বরং তাদের মুখে শোনা যায়--

'বুঝতে পারছি আপনি কিছুই স্বীকার করতে চান না। তাতে কিছুই এসে যায় না অবিশ্যি। কারণ আমরা সবই জানি কাজেই আর কিছু জানার নেই। কারণ আমরা কিছুই জানি না অতএব আর কিছুই জানার নেই।'

এরকম পরস্পরবিরোধী কথাবার্তা আর রহস্যময় আচার আচরণ পাঠককে বিমূঢ় করে তোলে। মনে হয়, যেন কোনো অ্যাবসার্ড নাটকের মহড়া চলছে (গল্পটি লেখাও হয়েছে অ্যাবসার্ড নাটকের ফর্মে)। পারম্পর্যহীন কথাবার্তার আরেকটি উদাহরণ তুলে দেওয়া যাক--

'আমরা নিজেরা নিজেরা একতা আইন-শৃঙ্খলা, দাঁড়িয়ে বসে বা মাটিতে শুয়ে যদি তা কোনোদিন দেখিয়ে দিতে পারি একসঙ্গে একসঙ্গে যে যেখানে আছে ঠিকঠাক পরিকল্পনা ঘাসে ভিটামিন জনকল্যাণ বন্যা প্লাবন মহামারী বাঁধ দাও লবণ ঠেকাও যতোরকম চালবাজি রকবাজি ঠকবাজি নিলামবাজি জোতদারি মুনাফাখোরি খুন জখম রাহাজানি ভাবনাচিন্তা জাতীয় প্রেস দুই আর দুইয়ে চার আর সাতে ষোলো যার ফলে ছেষট্টি মোট নিশো তেত্রিশ কোটি দেশী বিদেশী চাল গম আটা সব মিলিয়ে সব।'

হুমায়ুন কাদির এসব কথাবার্তা-জিজ্ঞাসাবাদ-আচার-আচরণ কোনোকিছুরই অর্থ উদ্ধার করতে পারে না, পারি না আমরাও। অবশেষে অজানা অপরাধে হুমায়ুন কাদিরের মৃত্যুদণ্ড হয়, এবং দণ্ড কার্যকর করার আগে তাকে দুমিনিট ভাববার সুযোগ দিলে সে ভাবে--

'অনেককাল আগে একবার সবুজ ঘাসের মধ্যে শুইয়া আকাশের দিকে চাহিয়াছিলাম। উহার এক প্রান্ত হইতে অন্য প্রান্ত দেখা গিয়াছিলো, উহা হালকা নীল ছিলো। পরে উহা চুম্বনের দাগের মতো মিলাইয়া যায়। ইহার পর মানুষের জগতে ফিরিয়া আসি-- তাহাতে নোনা টক গন্ধ আছে এবং আক্রোশ ও ঘৃণা রহিয়াছে এবং ভালোবাসা ও মমতা রহিয়াছে। মানুষের জীবনে কোথায় অন্ধকার তাহার সন্ধান করিতে গিয়া আমি ঘন নীল একটি ট্যাবলেটের সন্ধান পাই-- মানুষ যে সামাজিক, সে নিজের ইতিহাস জানিতে চাহিয়াছে, তাহাতে সর্বদাই অন্ধকার নর্তনকুর্দন করিতেছে। তবু আমি মানুষেরই কাছে প্রার্থনা জানাইব-- কারণ মানুষই মানুষের গা ঘেঁসিয়া বসিয়া থাকে-- যদিও ওই দাগ দেখা যায় না। অসংখ্যবার সঙ্গম করিয়াও যেমন আমি নারীতে ঐ দাগ কখনো দেখি নাই। কোথাও কিছু পাই না বলিয়াই বাধ্য হইয়া আমি শেষ পর্যন্ত মানুষের কাছেই প্রার্থনা ও আবেদন জানাইব। ইতিমধ্যে সব কিছু চমৎকার ঘটিয়াছে। অবশ্য অনেক কিছুই বাকিও রহিয়া গেল কারণ কিছুই শেষ হইবার নহে।'

আমরা যে অ্যাবসার্ডিটির ভেতরে বাস করি, বিনা কারণে, অজানা অপরাধে আমাদের মৃত্যুদণ্ড হয়ে যায়, আমাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা করা হয় কিন্তু আমরা বুঝেই উঠতে পারি না যে, আমাদের কাছে আসলে কী জানতে চাওয়া হচ্ছে-- তার একটি প্রতীকি উপস্থাপন রয়েছে এই গল্পে।

তবে স্বান্তনা ওটুকুই-- যা কিছুই ঘটুক না কেন, মৃত্যুমুহূর্তেও কোথাও কিছু পাইনি বলে আমরা শেষ পর্যন্ত মানুষের কাছেই প্রার্থনা ও আবেদন জানাবো, কারণ, -- 'মানুষই মানুষের গা ঘেঁসিয়া বসিয়া থাকে।'

 

 

  • ৫৪ টি মন্তব্য
  • ৫১১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৩ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১১
comment by: আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: মি অলসো,ওয়েটিং ফর গডো।
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১৮

লেখক বলেছেন: আমার কোনো 'গডো' নাই!

২. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১২
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: আচ্ছা।
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১৭

লেখক বলেছেন: কি আচ্ছা, কিসের আচ্ছা?

৩. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১৮
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: হাসান আজিজুল হক আমাদের গল্পরাজ্যের রাজা; অতএব আপাতত আপনি নাহয় রাজপুত্র হয়েই থাকুন, কামাল ভাই!
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২৪

লেখক বলেছেন: আমি তো হাসানকেই রাজপুত্র বলেছি! আমার 'ঘরভরতি মানুষ অথবা নৈঃশব্দ্য' গল্পগ্রন্থটির উৎসর্গপত্রে তাঁকে আমি 'আমাদের গল্পরাজ্যের রাজপুত্র' বলে সম্বোধন করেছিলাম। এরপর তাঁকে একদিন জিজ্ঞেস করলাম-- 'আসনটা আর কতোকাল ধরে রাখবেন, একটু ছাড়ুন আমরা একটু চেষ্টা করি।' তিনি বললেন-- 'কেবলমাত্র আসনটা দিয়েছ, এখনই অতো গুতোগুতি করছো কেন!? কিছুদিন শান্তিতে থাকতে দাও!' ;)

উনি আসন ছাড়তে চান না, আমার কোনো সুযোগ নেই রে ভাই! :(

৪. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১৯
comment by: মৈথুনানন্দ বলেছেন: গডো পরিচিত নাম।

'অনেককাল আগে একবার সবুজ ঘাসের মধ্যে শুইয়া আকাশের দিকে চাহিয়াছিলাম...এই প্যারাটা পড়ার পরে হা আ হকের বইটই একটু নেড়েচেড়ে দেখার ইচ্ছে হচ্চে - যদিও লোক্যাল আভেলিব্লিটি নিয়ে কোনো আয়ডিয়াই নেই।

সেদিনের রেখে আসা মন্তব্যে আন্তরিক ধন্যবাদ।

০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২৭

লেখক বলেছেন: আপনাদের ওখানে তো হাসানের বইগুলো পাওয়া যায় বলেই শুনেছি! ওখানেও তিনি খুব আলোচিত লেখক।

[কোন মন্তব্যটার কথা বললেন বুঝলাম না! আমি তো আপনার অনেকগুলো পোস্টেই মন্তব্য করেছি!]

৫. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২০
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: আচ্ছা মানে,এখনো বুঝার চেষ্টা করছি,আমি বা আমরা কিসের জন্য অপেক্ষা করি।
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২৮

লেখক বলেছেন: নাকি কোনোকিছুর জন্যই অপেক্ষা করছেন না?!?

৬. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২২
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: হুমম...
যাক! আজ ঘুমোবার আগে ভাল একটা লেখা পড়ে যেতে পারলাম,
অবশ্য স্যামুয়েল বেকেটের 'ওয়েটিং ফর গডো' নাটকটা আমার দেখা নাই...আবার বাংলা ভাষার উপর আমার দখল খুব একটা খারাপ না হলেও মাঝের কিছু কিছু কথার গুঢ় মর্মার্থ উদ্ধারে ব্যার্থ হলাম, অবশ্য দ্রুত পড়ে যাওয়া একটা কারণ হতে পারে। কিংবা আরেকটা কারণ হতে পারে, বলকানের কষাই,কারাদজিচের আদালতে দৃঢ়চেতা মনোভব দেখে মন-মেজাজও একটু খারাপ...বেটা জামাই আদরেই থাকবে বাকিটা জীবন মনে হয়...

অফটপিক:আর আপনাকে অনেক ধন্যবাদ,ধাঁধাঁটার উত্তর বের করতে সাহায্য করার জন্য,সাত বছরের চেষ্টা সফল হল সাত মিনিটে!!
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৩২

লেখক বলেছেন: সাত বছরের চেষ্টা সফল হল সাত মিনিটে!! যাক, শেষ পর্যন্ত হলো তাহলে!! হা হা হা। তোমার ধাঁধাঁটি পড়ে আমি ওভাবেই সমাধান করেছিলাম, উত্তর দেইনি ইচ্ছে করে। কারণ, সমাধানের পদ্ধতিটা না জানিয়ে কেবল উত্তর জানিয়ে তো কোনো লাভ নেই।

৭. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২৬
comment by: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: এখন আবার ভয় পায় বেশি ঘেঁসাঘেসি হয়ে গেল না তো।.......এই লাইনগুলো লিখতে পারলে সুখী বোধ করতাম। কিন্তু জ্ঞাত মানুষেরা এর সবগুলোই জানে কিংবা অনুমান করতে পারে। আধুনিক মানুষ সততই বিচ্ছিন্ন, এটা তার বাছাই না, এটা তার নিয়তি। কিন্তু মানুষ নিয়তি নিয়েও কথা বলে...কিন্তু একালে মানুষ এত জ্ঞাত যে নিয়তি নিয়ে তার কোন রহস্য নেই। ফলে বেকেটের চাইতে এই কাল আরো ভয়ংকর। আমরা জানি যে আমরা বিচ্ছিন্ন এবং এটাই নিয়তি এবং এটা নিয়েই আমার বিচ্ছিন্ন প্রতিবাদ বা দু:খের রতিস্খলন করব। কৌতুহলী হওয়া একটি প্রাচীন গুণ কেননা সব তথ্য উইকিতে পাওয়া যায়। ফলে সর্ববিষয়ে জ্ঞাত আমরা আসলে অজ্ঞাত যে জ্ঞাত হয়ে কোন যোগাযোগ সম্পন্ন হয় না।
লেখা চমৎকার। প্রিয়তে রইল।
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৪৬

লেখক বলেছেন:

'সর্ববিষয়ে জ্ঞাত আমরা আসলে অজ্ঞাত যে জ্ঞাত হয়ে কোন যোগাযোগ সম্পন্ন হয় না'-- আপনার এই কথাটির সঙ্গে সম্পূর্ণ সহমত পোষণ করছি।

আধুনিক মানুষ বিচ্ছিন্ন, এটা তার বাছাই নয়, সত্যি। কিন্তু এটাকে যদি নিয়তি হিসেবে ধরে নিই, তাহলে এটাও বলার প্রয়োজন হবে যে, এই নিয়তিও মানুষেরই তৈরি। মানুষ নিজেই নিজের নিয়তির নির্মাতা এ যুগে। হয়তো দশজনের তৈরি করা এই নিয়তির দায় ভোগ করে দশ কোটি মানুষ, কিন্তু ওই দশজনও মানব প্রজাতিরই অন্তর্ভূক্ত।

চমৎকার মন্তব্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

৮. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৩৩
comment by: মৈথুনানন্দ বলেছেন: শুভেচ্ছা জানানোর পদ্ধতিতে আপনি প্রীত দেখে আমিও আহ্লাদিত! লোকে আমার মনের কথা টের পেয়ে যাবে বলে অকাব্যিক লেখা ( আক্ষরিকার্থে ) দেই না একেবারেই - বাবোস হ্যাঁকো হুক গত জুনে লিখে দারুণ স্যাটেস্ফ্যাকশ্নে মন ভরে গিসলো।
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৪৯

লেখক বলেছেন: লোকে মনের কথা টের পেলে সমস্যা কোথায়? এত রহস্য করেন কেন কেন আপনি? x)

৯. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৪০
comment by: মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: 'তবু আমি মানুষেরই কাছে প্রার্থনা জানাইব- কারণ মানুষই মানুষের গা ঘেঁসিয়া বসিয়া থাকে'। অসাধারন!

বুঝলাম, বিস্তৃতিতে 'অ্যাবসার্ড' হলেও অন্তর্গত ভাবনায় 'অ্যাবসার্ড' আর অ্যাবসার্ড থাকেনা।

খুব ভাল লাগল।

০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

'বিস্তৃতিতে 'অ্যাবসার্ড' হলেও অন্তর্গত ভাবনায় 'অ্যাবসার্ড' আর অ্যাবসার্ড থাকেনা'-- যথার্থ বলেছেন।

১০. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৪৪
comment by: তারিক টুকু বলেছেন: বহুদিন পর একটা ভাল লেখা পড়া গেল।

বহুদিন পর...

প্রিয়তে...
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ টুকু। এ ছাড়া তোমাকে আর কী-ই বা বলা যেতে পারে?

কেমন আছো তুমি?

১১. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৪৬
comment by: ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: অবাক ব্যাপার হলো, আজকেই একটা মন্তব্যের জবাবে নিচের লাইনগুলো লিখেছি। চিন্তাটা কাছাকাছিই মনে হলো।

সমাপ্তি নিয়ে ঐ বয়সে ভাবতাম অনেক, তাৎপর্য নিয়ে ভাবতাম, লক্ষ্য আর উদ্দেশ্য নিয়ে পার করতাম কত সময়! এখন মনে হয় সেই জিজ্ঞাসাগুলো আর নাড়ায় না। খুঁজে খুঁজে ক্লান্ত হয়ে গেছি হয়ত! এ জীবনে যদি দৈবক্রমে পেয়ে যাই, তাহলে ভাল খুব। নাহলে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর না নিয়েই একদিন শেষ হবে পথ।



আপনার লেখাটা খুব নাড়া দিয়ে গেল!। ঘুমাতে যাবার আগে দারুণ তৃপ্তি!!
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৫৪

লেখক বলেছেন: হয়তো 'প্রশ্নগুলোর উত্তর না নিয়েই একদিন শেষ হবে পথ'-- তবু প্রশ্নগুলো থাকুক। প্রশ্ন থাকটাও খুব প্রয়োজন।

ভালো লাগার কথা জানাবার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

১২. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:৩৯
comment by: আসিফ আহমেদ বলেছেন: গডো আমাদের প্রত্যেকের ভিতরেই অবস্হিত। যারা জাগিয়ে তোলে তারাই এর দেখা পায়। তবে সংখ্যায় হয়তো তারা নিতান্তই কম। মৃত্যু বিষয়টা এখনও পর্যন্ত বাহ্যিকভাবে যদিও সবার জন্য সমান। অনুভুতি গতভাবে সবার কাছে সমান নয়।

ধন্যবাদ আপনাকে।
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৩. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:৪২
comment by: কঁাকন বলেছেন:
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৫৬

লেখক বলেছেন: " কঁাকন বলেছেন: "

কি বলেছেন?

১৪. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৩৩
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: ঘুরে গেলাম।
ইদানিং ব্লগে থাকার সময় পাচ্ছি না। আপনার লেখাও পড়া হচ্ছে না।
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৫৩

লেখক বলেছেন: 'ঘুরে যাওয়ার' জন্য ধন্যবাদ। এত ব্যস্ততা কিসের?

১৫. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৪০
comment by: শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: অনেকদিন ধরে মনটা খুব খারাপ। কিছুই ভালো লাগছে না। wrong-side টেক্সি গিয়েছিল বলে এক জনৈক সার্জেন্ট অপরাধের দায় ভার দিয়েছেন আমার কাঁধে। বলেছেন, আমি এ দেশটাকে একদিন বিক্রি করে দিবো। আমার ভবিষ্যত একজন দেশবিক্রেতা ছাড়া আর কিছুই না।
সেদিন থেকে এ জীবনটা বড় তুচ্ছ মনে হচ্ছে। অপরাধ না করেও অজানা অপরাধ বোধ কাজ করছে।
যেন আমাদের সবকিছু জুড়ে অর্থহীনতা, আমাদের সব প্রয়াস তুচ্ছ, অকিঞ্চিৎকর, এমনকি পরস্পরের সঙ্গে ইতিবাচক ও অর্থবহ যোগাযোগ স্থাপনেও অক্ষম। আমাদের ভাষা শুধু শূন্যগর্ভ শ্লোগান, বহু ব্যবহারে জীর্ণ, ক্লিশে, পচে যাওয়া অর্থহীন শব্দাবলীর সমষ্টি মাত্র।

সব কিছু আপনার লেখা এই লাইনগুলোর মতো। কিছু করতে গেলেই মনে হচ্ছে, কেনো করছি, কার জন্য করছি? নিজের অস্তিত্ত্বকে অকেজো অস্তিত্ত্ব ছাড়া আর কিছুই মনে হচ্ছে না।
কিন্তু তারপরও চলতে হচ্ছে। সমাজে চলতে হচ্ছে। কারণ, আমরা একে অন্যর গা ঘেষে বসে আছি।

হঠাৎ করে এ ধরনের লেখা আমার মনটাকে একটু হলেও হালকা করে দিয়েছে। মনে হচ্ছে, হয়তো লেখাটা আমার জন্যই। ধন্যবাদ।
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৫২

লেখক বলেছেন: একজন তুচ্ছ পুলিশ সার্জেন্টের কথায় আহত হয়ে সবকিছুকে অর্থহীন করে তোলার মানে হয় না। এই লেখায় যে বিচ্ছন্নতা ও বিপন্নতার কথা বলা হয়েছে সেটার ব্যাপ্তি অনেক বড়, সেটি তো বুঝতেই পেরেছো। নিজেকে সমগ্র জীবন আর পৃথিবীর মুখোমুখি দাঁড় করালে এরকম অনুভূতি হয়। তবে, এ-ও ঠিক যে, টুকরো টুকরো সহস্র ঘটনা বৃহৎ ঘটনারই বোধ তৈরি করে।

লেখাটা তোমার কাজে লেগেছে জেনে ভালো লাগলো। ধরে নাও, এটা তোমার জন্যই লেখা।

১৬. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৫৯
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: কামাল ভাই, পুলিশ সার্জেন্ট (তথা কোনো মানুষ তথা কোনো প্রাণী) কে তুচ্ছ বলাটা ঠিক হলোনা বোধহয়!
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:২০

লেখক বলেছেন: যে পুলিশ সার্জেন্ট ওইরকম মন্তব্য করতে পারে সে তুচ্ছ, তুচ্ছাতিতুচ্ছ। আমি 'মানুষ'টিকে বলিনি, বলেছি ওই পোশাকটাকে যা তাকে ওরকম একটা আপত্তিকর মন্তব্য করতে প্ররোচিত করে। আমি আপনার সঙ্গে এ ব্যাপারে একবারেই একমত নই। একটি মাছি বা মশাকেও আমি তুচ্ছ বলে মনে করি না। কিন্তু এরকম পোশাকধারি বদমাশগুলোকে তুচ্ছ মনে করি। অতি তুচ্ছ।

১৭. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:১৩
comment by: শাহানা বলেছেন: কঠিন বক্তব্য!
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:২১

লেখক বলেছেন: কোনটা?

১৮. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১৫
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: পুরো ঘটনা না জেনে মন্তব্য করতে পারছিনা, তবে আপনার কথাগুলো খুব সত্যি কামাল ভাই; ব্যাপারটা আসলে আমি ভালো করে চিন্তা করিনি, আপনার মন্তব্য পড়ে করলাম, এবং বুঝতে পারলাম; ধন্যবাদ।
১৯. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:২৬
comment by: রণদীপম বসু বলেছেন: তারা চিরদিনই অপেক্ষা করে ছিলো, এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। কোনোদিনই তাদের এই অপেক্ষার অবসান হবে না এবং গডো কোনোদিনই আসবেন না।

আমরা সবাই তা-ই তো করি। জীবন মান্ই তো এক অনন্তের অপেক্ষা। জীবন শেষ হয়ে যাবে, তবু অপেক্ষার শেষ হবে না। যদি অপেক্ষার শেষ হতো, তাহলে জীবন আর জীবন থাকতো না, অন্যকিছু হয়ে যেতো। এই অপেক্ষা আর অপেক্ষার কল্পনা, যন্ত্রণা, দুর্বিষহতাই আসলে সৃষ্টিযন্ত্রণার প্রেক্ষিত।
যেদিন অপেক্ষা শেষ হয়ে যাবে, সেদিন জগতে আর নতুন কিছু সৃষ্টি হবে না এবং পুরনো সৃষ্টিগুলো তাদের সাযুজ্য হারিয়ে ফেলবে।

শূণ্যের প্রতীক্ষাই জীবন, প্রতীক্ষার যন্ত্রণাই সৃষ্টি, সৃষ্টির মুগ্ধতাই শিল্প, আর শিল্প মানেই জীবনকে অর্থবহ করার অনর্থ চেষ্টা।

হা হা হা ! ভালো আছেন কামাল ভাই ? অপূর্ণকে পূর্ণ করতে নেই, তাতে অনর্থ বাড়ে !

ধন্যবাদ।
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: অপূর্ণকে পূর্ণ করতে নেই বটে, কিন্তু মানুষ স্বভাবগতভাবেই পূর্ণতা চায়। যে কোনো কাজের, যে কোনো সম্পর্কেরও বটে। হয়তো একসময় আবিষ্কার করে, পূর্ণতা বলে কিছু নেই, তবু পূর্ণতার আকাঙ্ক্ষা শেষ হয় না।

আমি ভালো নেই। আপনি কেমন আছেন? অনেকদিন পর আপনার সঙ্গে কথা হলো। আপনার জন্যও শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ।

২০. ০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৭
comment by: চিকনমিয়া বলেছেন: ডিং
ভালানি?
০২ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: হ, ভালা। তুসি ভালানি, জ্যাডা?

২১. ০২ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০০
comment by: রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন: স্যার লেখাটা কি কাঊ কা উদ্দেশ করে লিখেছেন?
০২ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৮

লেখক বলেছেন: নিজেকে উদ্দেশ্যে করেই লিখেছি, ভাই!

২২. ০২ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৭
comment by: রণদীপম বসু বলেছেন: কামাল ভাই, ভালো নেই কথাটা অপছন্দের। ভালো থাকতে হবে। প্রতি মুহূর্তে ভালো থাকার চেষ্টা করাটাই তো এক ধরনের ভালো থাকা। আমরা এটাই করতে পারি।

মুক্তমনার ই-বুকটা পেয়েছেন তো ? না পেলে: Click This Link
০৩ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: ভালো থাকার চেষ্টা করি, পারি না, পারছি না।

ই-বুক পেয়েছি। ধন্যবাদ আপনাকে।

২৩. ০২ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২০
comment by: চিকনমিয়া বলেছেন: আচি ভালাই
২৪. ০৩ রা আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৪০
comment by: রবিউলকরিম বলেছেন: কদিন দেরী হয়ে গেল পড়তে। যাক, তাহলে তোর বক্তব্য, আমরা গডোর জন্য অপেক্ষা করব? অনন্তকাল? গডো আসলে কে বলে তোর মনে হয়? গডোর অস্তিত্ব কি থাকা সম্ভব?
নিরালম্বী মানুষের যেমন গড তৈরি, তেমনি গডো।
আর,
'মানুষই মানুষের গা ঘেঁসিয়া বসিয়া থাকে।'
আমি বলি থাকে না। মানুষের গা ঘেঁসে যে বসে থাকে তার সমূহ জিজ্ঞাসা, পিপাসা, তার কুকুররূপ ছায়া। লেজ নাড়ে, সঙ্গে সঙ্গে চলে, খায় দায় ঘোরে ফেরে।
০৩ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: গডোর হয়তো কোনো অস্তিত্বই নেই, এটাকে একটা রূপক হিসেবে ধরে নেয়াই ভালো। আসল বিষয়-- অপেক্ষা। মানুষ অপক্ষো করে, কিছু না কিছুর জন্য অপেক্ষা করে। একটা অপেক্ষার ফলাফল পেয়ে গেলে নতুন অপেক্ষা শুরু হয়। আর তাই, অপেক্ষার শেষ হয় না কখনো। যা কিছুর জন্য অপেক্ষা তার নাম গডোই হোক আর অন্যকিছুই হোক, তাতে মূল বিষয়ের কোনো পরিবর্তন হয় না।

আর মানুষ যদি মানুষের গা ঘেঁসে বসে না থাকে, তাহলে কোথাও আর আশা করার মতোও কিছু থাকে না। হয়তো তোর কথাগুলো ঠিক, কিন্তু তবু ওই গা ঘেঁসে বসে থাকার সম্ভাবনাটুকু একজন সর্বস্ব হারানো মানুষকে জীবনের দিকে ফিরে তাকাতে সহায়তা করে, মানুষের কাছে ফিরিয়ে আনে।

২৫. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৫৪
comment by: রবিউলকরিম বলেছেন: বন্ধু, এটাই গডো- প্রতীক্ষা, আকাঙ্ক্ষা।
তোকে মাঝে মাঝে খুব মিস করি।
১২ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন: আমিও মিস করি দোস্ত। কতোদিন মনমতো আড্ডা দেয়া হয় না! জীবনটা অতিমাত্রায় জটিল হয়ে গেলো!

২৬. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৯
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: ব্যস্ত নাকি ভাই?
১২ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ রে ভাই! ব্যস্ত। ভয়াবহ ব্যস্ত!! দিনের ১৮/১৯ ঘন্টা ধরে কাজ করেও কূলকিনারা করতে পারছি না! নানা ধরনের কাজ। একটা সঙ্গে আরেকটি প্রায় সম্পর্কবিহীন। কিন্তু সবগুলোই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

২৭. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৫০
comment by: লাবণ্য প্রভা গল্পকার বলেছেন: অনেকদিন আগে আমি একটি লাইন লিখেছিলাম- আমি মানুষেরপায়ের কাছে গায়ের কাছে গা লেপ্টে বসে থাকি/কষ্টে কাঁদি না। তাই আপনার লেখাটি চোখে লেগে গেলো। এই যে মানুষের গায়ের কাছে বসে থাকা একজন সর্ব্স্ব হগারানো মানুষ সে কেন বসে থাকে? সমানুভুতির জন্য সহানুভুতির জন নয়। আপনাকে ধনবাদ। অনেক দিন আপনার লেখা পড়া হয়ে উঠে না। কেমন আছেন?
লাবণ্য প্রভা
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন:
আপনি কেমন আছেন লাবণ্য? কী-বোর্ড মনে হয় সমস্যা করছে, না? নামটাও ঠিকমতো আসেনি। মন্তব্যের নিচে নাম লিখে না দিলে বুঝতেই পারতাম না। আপনি আপনার ডিফল্ট কী-বোর্ড হিসেবে 'বিজয়' সিলেক্ট করে নিন, তাহলে আর সমস্যা হবে না।

একজন সর্ব্স্ব হারানো মানুষ যে কেন আরেকজন মানুষের গায়ের কাছে বসে থাকে, সেটা বলা কঠিন। হয়তো সমানুভুতির জন্য, সহানুভুতির জন্য নয়। কিংবা হয়তো নিজের খুব গভীরে-গোপনে এই অনুভূতিটা ধারণ করবার জন্য - মানুষের পৃথিবীতে সে একা নয়! কে জানে!!

২৮. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৮
comment by: লাবণ্য প্রভা গল্পকার বলেছেন: ভালো আছি। ভালো থাকতে হয়। কিন্তু কিছুতেই নামটা ঠিক করতে পারছি না। মাঝে মাঝে যন্ত্র আমাকে ঠিক পছন্দ করে না। যাই হোক নতুন কী লিখছেন? ভালো থাকুন। লাবণ্য
১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৭

লেখক বলেছেন:
সবসময়ই লেখার মধ্যে থাকি। নতুন কী লিখছি বলা কঠিন। নানা ধরনের লেখা নিয়ে আছি। আপনার খবর কি?

 



 


জন্ম : ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৬৯; মানিকগঞ্জ।

পৌষের কোনো এক বৃষ্টিভেজা মধ্যরাতে
এদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে জন্ম হয়েছিলো আমার,
মায়ের কাছে শুনেছি।...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ২৮৭৮৬