আমার প্রিয় পোস্ট
- ব্লগারদের বই নিয়ে আহমাদ মোস্তফা কামালের রিভিউ : ছাপা কাগজে একটুকরো 'ব্লগ' - ফিউশন ফাইভ
- পাঠ পুনর্দর্শন : "ঘর ভরতি মানুষ অথবা নৈঃশব্দ্য"# আহমাদ মোস্তফা কামাল - হিমালয়৭৭৭
- লাক্স এর চামড়া ব্যবসা , দর্শকের দেহ কামনা আর ব্লগে ধর্ষকামী ভূতের আছর- শেষ পর্ব - রাগ ইমন
- তাহলে এইবারের বস্তি পোড়ার জন্য আমরা চাঁদকে দোষারোপ করতে পারি - অন্যমনস্ক শরৎ
- প্রিয় দুইজন ব্লগারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা : শুভ জন্মদিন 'আহমাদ মোস্তফা কামাল'; শুভ জন্মদিন 'প্রিয়তমা' - একরামুল হক শামীম
- অন্ধকার --- জীবনানন্দ দাশ - কালের সাক্ষী
- অপরবাস্তব-৪ এর জন্য ব্লগারদের লেখা মনোনয়নের আহবান - অপ্সরা
- অন্ধ যাদুকর- আহমাদ মোস্তফা কামাল - রাসেল ( ........)
- প্লাস্টিকের ফুল আর খেলনা একতারার গল্প - হাসান মাহবুব
- ২০০৮ সাল পর্যন্ত সকল বাংলাদেশী আইন - রাজন সান
- ইতিহাসের প্রথম বিজ্ঞানী! - ম্যাভেরিক
- আজ ১৯শে মে। ১৯৬১ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার জন্য শহীদ হয়েছিলেন ১১ জন ভাষাবিপ্লবী। - কুঙ্গ থাঙ
- লেখক বন্ধুদের লেখা নিয়ে কিছু এলোমেলো ভাবনা। রেজা ঘটক - রেজা ঘটক
- প্রকৃতির খেলা ২ - ধরিত্রীর বুকে অন্য বিশ্বের ছোঁয়া - অপরিচিত_আবির
- রূপকথা নিয়ে কিছু কথা হতে পারে! - খারেজি
- মায়া-দরোজা - খারেজি
- প্রতিদিন শত তুচ্ছে: ধরো বন্ধু আমার কেহ নাই - নুশেরা
- মনসুন রেইন: বহুদিন পর বৃষ্টি দেখে আশ্চর্য কী-বোর্ড ম্যানিয়া! - মাহবুবা আখতার
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- সেনাবাহিনীর কুকীর্তির লিষ্ট : আমাদের গোল্ড ফিশ মেমরীকে ব্লগে সংরক্ষন - শূন্য আরণ্যক
- রেডিমেড এনিমেটেড ইমো - ভেংচুক
- ডক্টর মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেইন : যার কাছে বাঙালীর অসীম কৃতজ্ঞতা - অমি রহমান পিয়াল
- আপনার জন্ম এবং কিছু কথা - শেরিফ আল সায়ার
- শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নামের তালিকাঃগভীর শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি তোমাদের - এ. এস. এম. রাহাত খান
- প্রিয় দুইজন ব্লগারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা : শুভ জন্মদিন 'আহমাদ মোস্তফা কামাল'; শুভ জন্মদিন 'প্রিয়তমা' - একরামুল হক শামীম
- অনেক দিন পর বোর্হেসকে নিয়ে - রায়হান রাইন
- চট্টগ্রাম - War Cemetery (1939 - 1945 ) - তারার হাসি
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- মারফিসূত্র বা Murfy's Laws - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ফোবিয়া // ভীতি // আতঙ্ক সমূহ (সম্পূর্ণ) - মইন
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস,গল্প ও কবিতা সংকলনের তালিকা - ফারহান দাউদ
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- মনে হচ্ছিল আমি কোনো স্বপ্ন দেখছি..... - শেরিফ আল সায়ার
- অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ - একরামুল হক শামীম
- ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ! - হমপগ্র
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- প্রকাশিত হল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ই-সংকলন ফিরে দেখা একাত্তর - ব্রিগেড সিক্সটিন
- জীবনানন্দ দাশ : 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ - একরামুল হক শামীম
- জীবনানন্দ দাশ : কবিতায় খুঁজি বাংলার রূপ - একরামুল হক শামীম
- একদিন আমি- যা হবার তাই হোকনা - কি আসে যায় - দ্যা গ্রীম রিপার
- নবীজী মুহম্মদ সা. এর বিয়েসমূহ এবং কিছু প্রশ্ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ফিরে আসা বলে কিছু নেই - মুকুল
- ভাইরাস ডিলিট করুন manually - অনিকেত প্রান্তর
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ৯ ( তোমার চোখ এতো লাল কেন--নির্মলেন্দু গুণ ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ”আমরা” যেখানে যেতে চাই ট্রেনটা সেখানে যাচ্ছেনা - অন্যমনস্ক শরৎ
- সৈয়দ শামসুল হক বললেন ভারত বিভাগ একটা ঐতিহাসিক শোকের ঘটনা - কৌশিক
- π (পাই) এর মান - তাজুল ইসলাম মুন্না
- কর্ণেল তাহেরর জবানবন্দি - চিলে কোঠার সেপাই
- মুক্তি পেয়েও আরিফের ফেরারী যাপন - অমি রহমান পিয়াল
কৈশোরপর্ব
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৯
খুব নরম মনের ছিলাম আমি, ছোটবেলায়। অল্পতেই কেঁদে বুক ভাসিয়ে দিতাম। সেই 'অল্প' কিন্তু কোনো আব্দার বা আহ্লাদ নিয়ে নয়। হয়তো একটা ফড়িঙের জন্যই কাঁদতাম, কিংবা একটা প্রজাপতির জন্য। বিকেলে মাঠে খেলতে গেলে সমবয়সীরা খেলার অংশ হিসেবেই ফড়িঙ ধরতো, দুই নরম পাখা ধরে নিজেই দৌড়ে যেত বহুদূর ভোঁভোঁ শব্দ মুখে তুলে, বলতো- প্লেন চালাই! ফড়িঙের দিকে তখন নজর থাকতো না তাদের, আকৃতিটা উড়োজাহাজের মতো হওয়াটাই ছিলো তার অপরাধ, বালকদের হাতে ধরা পড়ে তাদের খেলার সঙ্গী হতে গিয়ে জীবন সাঙ্গ হতো তার। কোনো-কোনো নিষ্ঠুর ছেলে হয়তো তার পাখা দুটো ছিঁড়ে দিতো, আহত ফড়িঙটা পাখা হারিয়ে নিশ্চল-নিশ্চুপ পড়ে থাকতো, হয়তো মাড়িয়েই চলে যেত সবাই, আর আমার মন খারাপ হয়ে যেত। সবাই চলে যাওয়ার পর ঘনায়মান সন্ধ্যায় আমি ওদের শুশ্রূষা করতে বসতাম। লাভ হতো না কিছুই। পাখা হারিয়ে কি ফড়িঙ বাঁচে? একসময় মন খারাপ করে বাড়ি ফিরতাম, আর রাতে গোপনে-গোপনে কেঁদে বুক ভাসাতাম। কিন্তু গোপনে কাঁদবার কী উপায় আছে? মা'র কাছে ধরা পড়তেই হতো। মা'র নরম কণ্ঠে জিজ্ঞাসাবাদের জবাবে কান্না বাড়তো বৈ কমতো না। আর আমার কান্নার কারণ শুনে মা যে কী গভীর মমতায় আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরতো! এখনো সেই কোমল-মমতাময়-উষ্ণ স্পর্শ গায়ে লেগে আছে।
এখন আমার মনে হয়, ওই অভিজ্ঞতাগুলো আমার ঝুলিতে জমা না পড়লে- 'দুরন্ত শিশুর হাতে ফড়িঙের ঘন শিহরণ মরণের সাথে লড়িয়াছে'- এই পঙক্তির অর্থ আমি বুঝতেই পারতাম না! ফড়িঙের ওই ঘন শিহরণ কী মায়াময়, কী মন খারাপ করা! জীবনানন্দ ছাড়া আর কেই-বা এভাবে দেখতে পেরেছিলেন!
২.
আমার ছোটবেলা ছিলো পাখিময়। টুনটুনি, চড়ুই, শালিখ, কবুতর, ঘুঘুর বসবাস ছিলো আমার গ্রামের বাড়িতে। নারকেল গাছে কাঠ ঠোকরা আর টিয়ে বাসা বেঁধেছিল। বাবুইয়ের বাসা ঝুলতো তালগাছের ডগায়! দিনের পর দিন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বাবুইয়ের ওই কারুকার্যময় বাসা বোনার কাণ্ড দেখতাম। বাড়িতে বিরাট একটা শিমুল গাছ ছিলো, ছোটবেলায় সেটাকে মনে হতো আকাশের সমান উঁচু, সেখানে বাসা বেঁধেছিল চিল, মাঝে মাঝেই হানা দিয়ে ছোঁ মেরে মুরগির বাচ্চা ধরে নিয়ে যেত। শকুনের দেখা মিলতো গরু মরে গেলে। রাত দুপুরে প্রহরজাগা পাখি ডাকতো। ওই পাখির নাম কখনো জানা হয়নি, গ্রামের মানুষ বলতো 'কোড়াল'। আসল নাম যে কী, কে জানে! ডাকটা ছিলো করুণ আর প্রলম্বিত, শুনলে ভারি মন খারাপ হয়ে যেত! মাকে কতবার জিজ্ঞেস করেছি ওই পাখির কথা। মা বলতো, রাতের তিন প্রহরে তিনবার ডেকে ওঠে ওই পাখি, তাই ওর নাম প্রহরজাগা পাখি। গাছের ডালে ঠিক মাঝরাতে ডেকে উঠতো পঁ্যাচা। ওই গুরুগম্ভীর ডাক শুনে অজানা কারণে ভয়ে গা হিম হয়ে যেত। তেমনই এক ভয় ধরানো পাখি ছিলো 'কুক পাখি'। এই পাখিটারও নাম জানা হয়নি কোনোদিন। সবাই বলতো- কুক পাখি অমঙ্গল বয়ে আনে! প্রায় সারারাত ধরে পাখিটা কোন অন্ধকারে বসে যে ডেকে চলতো! ডাকের ধরনটা ছিলো এইরকম : কুক... (বিরতি)... কুক... (বিরতি)...কুউক...(দীর্ঘ বিরতি)...কুক কুক কুক...। কোনোদিন দেখা হয়নি পাখিটাকে। আরেকটা পাখিও ছিলো অমঙ্গলের চিহ্নবাহী। মাটিতে ঠোঁট ডুবিয়ে বিচিত্র ঘররর ঘররর শব্দে ডাকতো ওটা। সবাই বলতো- এই পাখিটা সবসময়, সব জায়গায় ডাকে না; যে বাড়িতে মৃত্যু আসন্ন, সেই বাড়িতে ডাকে। মাটিতে মুখ ডুবিয়ে ডাকার মানে হলো- সময় হয়ে এসেছে, কবর খোঁড়ো। আমি জীবনে একবারই ওই পাখির ডাক শুনেছি। বাড়িতে সেদিন বাড়তি সতর্কতা। এবং কী আশ্চর্য, দুদিন পরই দাদু মারা গেলেন! প্যাঁচা, কোড়াল, কুক, আর মাটিতে মুখ ডুবিয়ে ডাকা পাখি- এর সবগুলোই ছিলো রাতে ডাকা পাখি। প্যাঁচা ছাড়া আর কোনোটাকে কোনোদিন দেখাই হয়নি। টুনটুনি, চড়ুই, শালিখ, কবুতর, ঘুঘু, বাবুই, টিয়ে, কাঠ-ঠোকরার মতো আনন্দময় পাখি যেমন ছিলো, তেমনই ছিলো ওইসব নাম-না-জানা ভয়-ধরানো রোমাঞ্চকর পাখি।
নানা ধরনের ছোটখাটো জিনিসের প্রতি আমার আগ্রহ ছিলো মাত্রাতিরিক্ত। প্রজাপতির রঙ দেখে মুগ্ধ বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে যেতাম। টুনটুনি পাখি বরাবরই ভীষণ মন কাড়তো আমার। এই এতটুকুন পাখি, অথচ কী প্রাণবন্ত! সদা চঞ্চল, সর্বদা চলমান; কোথাও দুদণ্ড বসবার ফুরসত নেই। যদিও বা এক দণ্ড বসে, তখনো ব্যস্ততার শেষ নেই। চড়ুইও কাছাকাছি ধরনের চঞ্চল। মনে পড়ে- একবার ভাইয়া একটা চড়ুই ধরে দিয়েছিল। গভীর মমতায় আমি সেই চড়ুই বুকের মধ্যে চেপে ধরে সারা বিকেল আর সন্ধ্যা ঘুরে বেড়ালাম। রাতে খাবারটাও নিজ হাতে খেলাম না। মা বারবার বলতে লাগলো- ওটাকে ছেড়ে দে, মরে যাবে তো! এত আদর করে ধরে রেখেছি, মরে যাবে কেন, বুঝতে না পেরে মা'র কথা শোনা হলো না। কখন যে চড়ুইটাকে বুকে চেপেই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, মনে নেই। ঘুম ভেঙে দেখি, হাতের মধ্যে চড়ুইটা মরে পড়ে আছে। সেই স্মৃতি এখনো আমাকে তাড়িয়ে বেড়ায়।
ঘটনাটি আমাকে এক ধাক্কায় অনেকখানি বড় করে তুলেছিল।
সারা জীবন ধরে মনে হয়েছে- অতি কাঙ্ক্ষিত, অতি ভালোবাসার কোনো জিনিসকে এত গভীরভাবে চেপে ধরতে নেই। ধরলে, মরে যায়!
[শৈশব-কৈশোরের কথা লিখতে গেলে কলম থামতে চায় না! তবু, এতটুকুই থাকুক আজ।]
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): শৈশব, কৈশোর, ডায়রি ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
দুরের পাখি বলেছেন:
কুক পাখির ডাকের কথা এখনো মনে পড়ে । একবার সন্ধ্যার দিকে সেই ডাক শুনে বের হয়ে পড়েছিলাম খোঁজার জন্য । কিসের কি । ঘন্টা দুই পরে দক্ষিণের খেত থেকে কান ধরে বাড়িতে এনে দিয়েছিলেন প্রাইভেট মাস্টার সাব । উনাদের বাড়িটা সর্বদক্ষিণে ছিল ।
লেখক বলেছেন: কি নাম ছিল ওই পাখিটার? জানেন? আমি এখনো জানতে পারিনি। দেখিওনি কোনোদিন!
শেষের লাইনটা মনে হচ্ছে অক্ষরে অক্ষরে ঠিক....
অফটপিক: সংশয়ীদের ঈশ্বর হাতে এসেছে....ভূমিকা পড়লাম...বাদবাকি ধীরে ধীরে....হয়তো আলোচনার দুয়া খুলে গেল একজন প্রিয় লেখকের সাথে

শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: পরের পর্ব!
কিভাবে? এটাতো ধারাবাহিক না!
অফটপিক: সংশয়ীদের ঈশ্বর হাতে এসেছে শুনে খুশি প্রীত হলাম। হ্যাঁ, আলোচনার দুয়ার খোলাই আছে। সবসময় স্বাগতম।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
দারুণ লাগছিল...থেমে যাওয়ার জন্য মাইনাস দেয়া যায়এর আগে আপনার জন্মের একটা গল্পও পড়েছিলাম...দারুণ লেগেছিল।
লেখক বলেছেন: না থেমে উপায় কি? সারা রাত লিখলেও তো শেষ হবে না!
ধন্যবাদ আপনাকে।
নিটোল গদ্য...............বর্ণময়, গন্ধময়। ঠিক যেন বৃষ্টিঝরা, না- আলো, না -অন্ধকার বিকেলের মাঠের ঘাসের গন্ধ.....................। আমায় নিয়ে গেল অন্যকোথা, অন্য কোনোখানে।
লেখক বলেছেন: খুব ভালো লাগলো আপনার কথাগুলো। এইসব অতি ব্যক্তিগত কথাবার্তা আদৌ কারো ভালো লাগবে কী না, এ নিয়ে সংশয় ছিলো! ধন্যবাদ আপনাকে!
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
''সারা জীবন ধরে মনে হয়েছে- অতি কাঙ্ক্ষিত, অতি ভালোবাসার কোনো জিনিসকে এত গভীরভাবে চেপে ধরতে নেই। ধরলে, মরে যায়!''ব্লগ উদ্বৃতির ব্যবস্থা থাকলে এটা আমি নির্বাচিত করতাম।
পড়ে মুগ্ধ হলাম।
লেখক বলেছেন: আপনার নির্বাচন তো পেয়েই গেলাম মাসুম ভাই! কী যে আনন্দ লাগছে! থ্যাংকস।
পারভেজ বলেছেন:
অ-সা-ধা-র-ণ
লেখক বলেছেন: ধ-ন্য-বা-দ!
লেখক বলেছেন: লেখা নিয়ে মন্তব্য করার যোগ্যতা নেই!?!
বিনয় মজুমদার সাজার জন্য মাইনাস!
জীবনটা জীবনানন্দময়-ই! ঠিকই ধরেছেন।
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
আমি এই কথাগুলা ফেসবুকে দিতে যেয়ে দেখি শামীম এরইমধ্যে দিয়া ফেলছে।
লেখক বলেছেন: হা হা হা। ![]()
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
আহ! কৈশোর! সেই সুবাদে আপনার লেখা। আমি একটু কম রিলেট করতে পারি, কারণ আমার বড়ো হওয়া শহরে, নিদেনপক্ষে শহরতলিতে। আমার পিতামাতার আক্ষেপ, আমি গাছ, পাখি, মাছ এগুলো চিনলাম না। এদের জগতের অপার সৌন্দর্য চিনলাম না। এই যেমন কুক পাখিটা দেখার, বা ঐ মাটিতে আঁচড় কাটা পাখিটা দেখার খুব ইচ্ছা হচ্ছে!----
ফড়িঙের ঘটনা আমি নিজে করেছি একবার। তারপরে পাখাহীন ফড়িঙ-টাকে তড়পাতে দেখে এত কষ্ট লেগেছিল যে অনেকদিন পর্যন্ত ফড়িঙ দেখলেই আমার তাকে মনে পড়তো! আর কোনদিনই ফড়িঙ ধরি নাই।
----
["সংশয়ীদের ঈশ্বর" পড়ছি একটু একটু। গতকাল আপনাকে দেখেছিলাম, কিন্তু প'রে যখন কথা বলবো বলে খুঁজলাম, আর পাইনি।
লেখক বলেছেন: ফড়িঙের পাখা ছেঁড়ার জন্য আপনাকে একটা প্রমাণ সাইজ মাইনাস প্রদান করা হইলো!
[আমি তো প্রায় সাড়ে আটটা পর্যন্ত মেলায় ছিলাম! আপনাকে দেখতে পাইনি, পেলে আড্ডা দেয়া যেত।]
লেখক বলেছেন: রোমান্টিকতা ছাড়া ছোটবেলা হয়!?!
লেখক বলেছেন: মর্মান্তিক! ![]()
নির্ঝরিনী বলেছেন:
বাহ! দারুন স্বপ্নময় কৈশোর।আমিও কুক পাখিটার ডাক শুনেছি, এবং আমাদের ওখানে পাখিটাকে কুক পাখিই বলে।
মাটিতে ঠোঁট ডুবিয়ে ডাকা পাখিটার ডাক অবশ্য কখনো শুনিনি।
ভালো লাগলো আপনার কৈশোরের রঙিন গল্প।
লেখক বলেছেন: পাখিটার নামই জানা হলো না কোনোদিন! এর কোনো মানে হয়?
পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
ভালোবাসর জিনিসকে চেপে রাখতে নেই বলছেন-না কি যাকে চেপে রাখা যায় না তাকে চেপে রাখতে নেই। আমার শৈশবের সেই জনলা দিয়ে দেখা শরত আকাশের শাদা ঘোড়াগুলো আজো ছুটে বেড়ায়। তাকেতো চেপেই রেখেছি মনে। একবার এক মরা পাখি কবর দিয়েছিলাম-সে কেন মরেছে কখনোই জানতে পারিনি। কতো ফড়িং এর জীবন নষ্ট করেছি-সেতো ভালোবেসে নয় কৌতুহলে-পাওয়ার আশায়। ভালোবাসায় বোধহয় পাওয়ার আশা থাকে না।
আমার যেমন কখনোই সেই শরতের শাদা ঘোড়া পাওয়ার আশা ছিল না।
লেখক বলেছেন: ভালেঅবাসার জিনিসকে চেপে রাখতে নেই- এটাই বলেছি! যাকে চেপে রাখাই যায় না, বা চেপে ধরাই যায় না তাকে ধরা বা রাখার তো প্রশ্নই ওঠে না। কিন্তু যাকে রাখা যায় বলে মনে করি আমরা, তাকেও রাখতে নেই। রাখতে চাইলে আর থাকে না!
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
লেখাটা খুবই ভালো লেগেছে।দুইটা অংশ আলাদা করে মনে দাগ কেটেছে।
"এখন আমার মনে হয়, ওই অভিজ্ঞতাগুলো আমার ঝুলিতে জমা না পড়লে- 'দুরন্ত শিশুর হাতে ফড়িঙের ঘন শিহরণ মরণের সাথে লড়িয়াছে'- এই পঙক্তির অর্থ আমি বুঝতেই পারতাম না! ফড়িঙের ওই ঘন শিহরণ কী মায়াময়, কী মন খারাপ করা! জীবনানন্দ ছাড়া আর কেই-বা এভাবে দেখতে পেরেছিলেন!"
আর
"সারা জীবন ধরে মনে হয়েছে- অতি কাঙ্ক্ষিত, অতি ভালোবাসার কোনো জিনিসকে এত গভীরভাবে চেপে ধরতে নেই। ধরলে, মরে যায়! "
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস শামীম।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
একটা মেইল করেছি জিমেইলে। একটু দেখবেন।
লেখক বলেছেন: দেখেছি, উত্তরও দিয়েছি। থ্যাংকস।
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
আপনার ছেলেবেলা অনেক বর্ণিল ছিল।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, খুব বর্ণিল ছিলো।
কঁাকন বলেছেন:
আমাদের অন্চলে একটা পাখি ছিলো ডাক ূনলে মনে হোতো বলছে কূ-হোক(খারাপ হোক); ঐপাখির ডাক ও অমঙ্গলের চিহ্ন হিসেবে বিবেচিত হোতো-ঐ পাখির নাম আমরা জানতাম কুহক; পরে একটা উপন্যাসেও এইনাম এবং বর্ননা পেয়েছিলাম জানিনা সেই পাখির কথাই বলছেন কিনা।ভালো থাকুন
আমার কেন যেন মনে হয় জীবনানন্দ মৃত্যু নিয়ে অনেক রোমান্টিক ছিলেন কেন মনে হয় জানিনা যেটুকু অনুভুতি সেটুকুও সুন্দরকরে বা বুঝিয়ে লিখতে পারবো না এই বিষয়ে আপনার ধারনাটা জানতে পারলে ভালো লাগতো।
লেখক বলেছেন: পাখিটার নাম জানি না। কুহক! হতেও পরে।
মৃত্যু নিয়ে কম-বেশি সবার মধ্যেই রোমান্টিকতা থাকে। জীবনানন্দেরও ছিলো। একটু বেশিমাত্রায়ই ছিলো। 'রূপসী বাংলা'র প্রতিটি কবিতায় মৃত্যুর জয়গান।
'সেইদিন এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি...'
আহসান জামান বলেছেন:
বিনা টিকিটে গ্রামে বেড়ালাম; অনেকদিন পর; ডুবে ছিলাম পানকৌড়ির মতো। স্মৃতি এতো কাছাকাছি থাকে কিন্তু তার কাছে ফিরে যাওয়া যায় না আর।
লেখক বলেছেন: এখনও বেঁচে আছিস তাহলে!!
আকাশচুরি বলেছেন:
আহ! কৈশরের সেই সব মায়াবী বিভ্রান্তি! কামাল ভাই, আপনি কি জানেন আপনার লেখনী বুকের গহিনে জমে থাকা ঘুমানো কান্নাটাকে উসকে দিল?ভালো থেকেন
লেখক বলেছেন: কী আর বলা যায় এই মন্তব্যের উত্তরে?
লেখক বলেছেন: হয়তো! অন্তত আমাদের শৈশবগুলো ওরকমই ছিলো।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
কোথায় যেন মিল পেলাম কামাল ভাই ।
লেখক বলেছেন: আমাদের কৈশোর হয়তো একইরকম ছিলো!
অনেক অনেক ধন্যবাদ বিমা, একের পর এক লেখা পড়ার জন্য এবং সেটি আমাকে জানতে দেয়ার জন্য।
হামোম প্রমোদ বলেছেন:
আমার প্রিয় ব্লগের লেখকদের মধ্যে আপনিও একজন। যখন প্রথম প্রবাস জীবন শুরু করি তখন বাংলা'র বই, বাংলা তে লেখা, বাংলা কবিতা-গল্প-উপন্যাস-প্রবন্ধ পড়তে পারবো না বলে কি যে খারাপ লেগেছিল, মনে হয়েছিল আমার অর্ধেক মৃত্যু হয়েছে।
শেষ পর্যন্ত ব্লগ এবং ইন্টারনেটের অপর বাস্তব আমাকে নতুন ভাবে বাঁচিয়ে দিল।
আবার শুরু করলাম স্বাভাবিক জীবন। লেখা - পড়া -চিন্তা করা এবং বাংলাতেই। আমার অপর বাস্তব জগতে কিভাবে জানি আপনার লেখা গুলোও সুন্দর করে ঠাঁই করে নিল।
আর কৈশোরের স্মৃতিচারণ, তাও আবার গ্রামের -- নতুন কিছু লেখার -ভাবার প্রেরণা পেলাম ।
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার চমৎকার মন্তব্যের জন্য। এমন প্রতিক্রিয়া পেলে মনে হয়, লেখালেখিটা বিফলে যায়নি!
এটাও ঠিক যে, ভালবাসার মানুষকে কাছে পেতে নেই, সুন্দর লিখেছেন আপনার শৈশব নিয়ে।
আমি পশু পাখি থেকে সবসময় হাজার মাইল দূরে।
লেখক বলেছেন: 'পশু পাখি থেকে সবসময় হাজার মাইল দূরে' কেন? ভয় পান নাকি? আমি তো প্রাণীজগতের সঙ্গে সম্পর্কিত বোধ করি, ভালো লাগে ওদের সঙ্গ!
হাইফেন বলেছেন:
আপনে বালো লেহেন।
ভোরের তারা বলেছেন:
লেখাটা অনেক আগেই না পড়ে প্রিয়তে রেখেছিলাম, জানি ভাল লাগবে। শৈশবতো সবারই প্রিয় অধ্যায়। আর সেই শৈশবে যদি গ্রাম থাকে তবেতো কথাই নেই! মধুময়তার সাথে সৌন্দর্য জড়িয়ে স্মৃতি গুলো আরো হৃদয়গ্রাহী হয়। আমি জীবনানন্দময়তায় ডুবে থাকি(যদিও নির্মম বাস্তবতায় সেই বোধ ঘুমিয়ে থাকে, এক কালেতো তাকে নকল করে কবিতা লিখতাম)। আপনিও দেখি তাই-এটা বুঝতে বড় দেরি করে ফেললাম, আসলে মানুষ চিনতে পারিনা এখনও।
"সারা জীবন ধরে মনে হয়েছে- অতি কাঙ্ক্ষিত, অতি ভালোবাসার কোনো জিনিসকে এত গভীরভাবে চেপে ধরতে নেই। ধরলে, মরে যায়!" তীব্র সত্য কথা, শরৎচন্দ্র লিখেছিলেন "বড় প্রেম শুধু কাছেই টানে না দূরেও ঠেলিয়া দেয়।" কৈশরে এই কথা শুনে খুব অবাক হয়েছিলাম, তবে অর্থটাও জটিল গবেষনা করে বুঝে নিয়েছিলাম। ইচড়েপাকার মত তখন থেকেই প্রিয় বই,কার্ড,...এসব পছন্দের জিনিস গুলো বন্ধুদের দিয়ে দিতাম। তারুণ্যে সেই থিওরী খুব একটা কাজে দেয়নি।
যাইহোক ভাল থাকবেন। এমন চমৎকার লিখে সবাইকে নস্টালজিয়ায় ভাসাবেন আশা করি।
রাগ ইমন বলেছেন:
সারা জীবন ধরে মনে হয়েছে- অতি কাঙ্ক্ষিত, অতি ভালোবাসার কোনো জিনিসকে এত গভীরভাবে চেপে ধরতে নেই। ধরলে, মরে যায়!-- চমৎকার
রিয়াদ পারভেজ বলেছেন:
অসাধারন
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















