আমার প্রিয় পোস্ট
- ব্লগারদের বই নিয়ে আহমাদ মোস্তফা কামালের রিভিউ : ছাপা কাগজে একটুকরো 'ব্লগ' - ফিউশন ফাইভ
- পাঠ পুনর্দর্শন : "ঘর ভরতি মানুষ অথবা নৈঃশব্দ্য"# আহমাদ মোস্তফা কামাল - হিমালয়৭৭৭
- লাক্স এর চামড়া ব্যবসা , দর্শকের দেহ কামনা আর ব্লগে ধর্ষকামী ভূতের আছর- শেষ পর্ব - রাগ ইমন
- তাহলে এইবারের বস্তি পোড়ার জন্য আমরা চাঁদকে দোষারোপ করতে পারি - অন্যমনস্ক শরৎ
- প্রিয় দুইজন ব্লগারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা : শুভ জন্মদিন 'আহমাদ মোস্তফা কামাল'; শুভ জন্মদিন 'প্রিয়তমা' - একরামুল হক শামীম
- অন্ধকার --- জীবনানন্দ দাশ - কালের সাক্ষী
- অপরবাস্তব-৪ এর জন্য ব্লগারদের লেখা মনোনয়নের আহবান - অপ্সরা
- অন্ধ যাদুকর- আহমাদ মোস্তফা কামাল - রাসেল ( ........)
- প্লাস্টিকের ফুল আর খেলনা একতারার গল্প - হাসান মাহবুব
- ২০০৮ সাল পর্যন্ত সকল বাংলাদেশী আইন - রাজন সান
- ইতিহাসের প্রথম বিজ্ঞানী! - ম্যাভেরিক
- আজ ১৯শে মে। ১৯৬১ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার জন্য শহীদ হয়েছিলেন ১১ জন ভাষাবিপ্লবী। - কুঙ্গ থাঙ
- লেখক বন্ধুদের লেখা নিয়ে কিছু এলোমেলো ভাবনা। রেজা ঘটক - রেজা ঘটক
- প্রকৃতির খেলা ২ - ধরিত্রীর বুকে অন্য বিশ্বের ছোঁয়া - অপরিচিত_আবির
- রূপকথা নিয়ে কিছু কথা হতে পারে! - খারেজি
- মায়া-দরোজা - খারেজি
- প্রতিদিন শত তুচ্ছে: ধরো বন্ধু আমার কেহ নাই - নুশেরা
- মনসুন রেইন: বহুদিন পর বৃষ্টি দেখে আশ্চর্য কী-বোর্ড ম্যানিয়া! - মাহবুবা আখতার
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- সেনাবাহিনীর কুকীর্তির লিষ্ট : আমাদের গোল্ড ফিশ মেমরীকে ব্লগে সংরক্ষন - শূন্য আরণ্যক
- রেডিমেড এনিমেটেড ইমো - ভেংচুক
- ডক্টর মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেইন : যার কাছে বাঙালীর অসীম কৃতজ্ঞতা - অমি রহমান পিয়াল
- আপনার জন্ম এবং কিছু কথা - শেরিফ আল সায়ার
- শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নামের তালিকাঃগভীর শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি তোমাদের - এ. এস. এম. রাহাত খান
- প্রিয় দুইজন ব্লগারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা : শুভ জন্মদিন 'আহমাদ মোস্তফা কামাল'; শুভ জন্মদিন 'প্রিয়তমা' - একরামুল হক শামীম
- অনেক দিন পর বোর্হেসকে নিয়ে - রায়হান রাইন
- চট্টগ্রাম - War Cemetery (1939 - 1945 ) - তারার হাসি
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- মারফিসূত্র বা Murfy's Laws - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ফোবিয়া // ভীতি // আতঙ্ক সমূহ (সম্পূর্ণ) - মইন
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস,গল্প ও কবিতা সংকলনের তালিকা - ফারহান দাউদ
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- মনে হচ্ছিল আমি কোনো স্বপ্ন দেখছি..... - শেরিফ আল সায়ার
- অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ - একরামুল হক শামীম
- ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ! - হমপগ্র
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- প্রকাশিত হল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ই-সংকলন ফিরে দেখা একাত্তর - ব্রিগেড সিক্সটিন
- জীবনানন্দ দাশ : 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ - একরামুল হক শামীম
- জীবনানন্দ দাশ : কবিতায় খুঁজি বাংলার রূপ - একরামুল হক শামীম
- একদিন আমি- যা হবার তাই হোকনা - কি আসে যায় - দ্যা গ্রীম রিপার
- নবীজী মুহম্মদ সা. এর বিয়েসমূহ এবং কিছু প্রশ্ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ফিরে আসা বলে কিছু নেই - মুকুল
- ভাইরাস ডিলিট করুন manually - অনিকেত প্রান্তর
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ৯ ( তোমার চোখ এতো লাল কেন--নির্মলেন্দু গুণ ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ”আমরা” যেখানে যেতে চাই ট্রেনটা সেখানে যাচ্ছেনা - অন্যমনস্ক শরৎ
- সৈয়দ শামসুল হক বললেন ভারত বিভাগ একটা ঐতিহাসিক শোকের ঘটনা - কৌশিক
- π (পাই) এর মান - তাজুল ইসলাম মুন্না
- কর্ণেল তাহেরর জবানবন্দি - চিলে কোঠার সেপাই
- মুক্তি পেয়েও আরিফের ফেরারী যাপন - অমি রহমান পিয়াল
সে এক পাথর আছে কেবলি লাবণ্য ধরে...
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৩৪
আবুল হাসানের প্রথম কবিতার বই 'রাজা যায় রাজা আসে'র প্রথম কবিতাটির নাম 'আবুল হাসান'! নিজের নামে লেখা কবিতা! এ কি নিজেকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার ইচ্ছে? নাকি আত্নপরিচয় খুঁজে ফেরা? নাকি নিজের সম্বন্ধে নিজের অনুভূতিমালা নিজেকেই জানতে দেয়া? কবিতা মানে কি নিজের সঙ্গে নিজের কথা বলা, নাকি পাঠকের সঙ্গে কবির কথা বলা? যেটাই হোক না কেন, নিজের সম্বন্ধে যে কথাগুলো বললেন তিনি, সেগুলো নিঃসন্দেহে কৌতূহলোদ্দীপক...
কবিতাটি শুরু হয় এভাবে :
'সে এক পাথর আছে কেবলি লাবণ্য ধরে, উজ্জ্বলতা ধরে আর্দ্র,
মায়াবী করুণ'
নিজেকে 'পাথর' হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন বটে, কিন্তু একইসঙ্গে জানিয়ে দিচ্ছেন, এ পাথর যেমন-তেমন পাথর নয়; এ পাথর 'কেবলি লাবণ্য ধরে'! শুধু লাবণ্য ধরলেও না হয় কথা ছিলো, লাবণ্য-ধরা পাথর জগতে অনেক আছে; কিন্তু ওখানেই থামছেন না তিনি, টানা বলে যাচ্ছেন- 'উজ্জ্বলতা ধরে আর্দ্র, মায়াবী করুণ'! উজ্জ্বলতার ব্যাপারটা বোঝা যায়, হিরকখণ্ডও উজ্জ্বলতা ধরা পাথরই, কিন্তু 'আর্দ্র মায়াবী করুণ' উজ্জ্বলতা! কেমন সেটি?
শেষ নয় সেখানেই, পরের পঙক্তিতেই বলছেন তিনি-
'এটা সেই পাথর নাকি? এটা তাই?'
সংশয় তৈরি হয়ে গেল! অমন একটা মনকাড়া পাথরের কথা বলে আবার আত্নমগ্ন কবি যেন নিজের কাছেই জানতে চাইছেন- 'এটা সেই পাথর নাকি?' কবি নিজেই যেখানে সংশয়ী হয়ে উঠেছেন, সেখানে পাঠকের আর কি উপায় থাকে, পরের পঙক্তির দিকে ধাবিত হওয়া ছাড়া? এবং আমরা দেখি, বলছেন তিনি-
'এটা কি পাথর নাকি কোনো নদী? উপগ্রহ? কোনো রাজা?
পৃথিবীর তিনভাগ জলের সমান কারো কান্না ভেজা চোখ?
মহাকাশে ছড়ানো ছয়টি তারা? তীব্র তীক্ষ্ণ তমোহর
কী অর্থ বহন করে এইসব মিলিত অক্ষর?'
এইবার বেছে নেবার অপশন বাড়িয়ে দিচ্ছেন তিনি- পাথর, নদী, উপগ্রহ, রাজা, 'পৃথিবীর তিনভাগ জলের সমান কারো কান্না ভেজা চোখ' অথবা 'মহাকাশে ছড়ানো ছয়টি তারা'! কিন্তু এই অপশন তিনি কাকে দিচ্ছেন? নিজেকে, নাকি পাঠককে? নাকি নিজের পরিচয় খুঁজছেন এইসবকিছুর মধ্যে? কি-ইবা মানে এই প্যারার ওই শেষ দেড়-লাইনের?-- 'তীব্র তীক্ষ্ণ তমোহর/ কী অর্থ বহন করে এইসব মিলিত অক্ষর?' নাকি এগুলোও ওই অপশনই? তবে কি আত্নপরিচয় খুঁজে পাওয়া যাবে 'এইসব মিলিত অক্ষরের' মধ্যে?
না, এখানেই শেষ হয়নি পরিচয় খোঁজা বা পরিচয় দেয়ার আয়োজন। কবি এগিয়ে যান, আমরাও এগোই পরের পঙক্তিগুলো নিয়ে-
'আমি বহুদিন একা একা প্রশ্ন করে দেখেছি নিজেকে,
যারা খুব হৃদয়ের কাছাকাছি থাকে, যারা এ ঘরে ও ঘরে যায়
সময়ের সাহসী সন্তান যারা সভ্যতার সুন্দর প্রহরী
তারা কেউ কেউ আমাকে বলেছে-
এটা তোর জন্মদাতা জনকের জীবনের রুগ্ন রূপান্তর,
একটি নামের মধ্যে নিজেরি বিস্তার ধরে রাখা,
তুই যার অনিচ্ছুক দাস!'
নিজেকে প্রশ্ন করে, বা অন্যকে জিজ্ঞেস করে তিনি জেনেছেন (এই অন্যরা আবার যে-সে নয়, তাদের কেউ কেউ 'সময়ের সাহসী সন্তান যারা সভ্যতার সুন্দর প্রহরী', কেউ বা 'খুব হৃদয়ের কাছাকাছি থাকে'), এটা তার বাবার জীবনেরই 'রুগ্ন রূপান্তর!' এতক্ষণ ধরে আত্নপরিচয় খোঁজার যে মনোমুগ্ধকর-বিশাল আয়োজন ছিলো, এইখানে এসে যেন সেটি করুণ বেদনায় ভরে ওঠে! আর যা-ই হোক, কোনো জীবনের 'রুগ্ন রূপান্তর' হিসেবে নিজের জীবনকে কেউ দেখতে চায় বলে মনে হয় না! সেটা বোঝাও যায় শেষ লাইনটি পড়ে- 'তুই যার অনিচ্ছুক দাস!'
কিন্তু পরিচয়পর্ব তবু শেষ হয় না। এর পরের পঙক্তিগুলোতে আবার নিজেকে খোঁজেন তিনি এইভাবে-
'হয়তো যুদ্ধের নাম, জোৎস্নায় দুরন্ত চাঁদে ছুঁয়ে যাওয়া,
নীল দীর্ঘশ্বাস কোনো মানুষের!
সত্যিই কি মানুষের?'
এবার যুদ্ধ, জোৎস্নায়, নীল চাঁদে, কোনো মানুষের নীল দীর্ঘশ্বাসের মধ্যে চলে নিজের পরিচয় খুঁজে ফেরা! কিন্তু এবারও শেষ লাইনে ছুঁড়ে দেন মর্মান্তিক প্রশ্ন- 'সত্যিই কি মানুষের?' এবং এগিয়ে যান কবিতার শেষ প্যারায়-
'তবে কি সে মানুষের সাথে সম্পর্কিত ছিল, কোনোদিন
ভালোবেসেছিল সেও যুবতীর বামহাতে পাঁচটি আঙ্গুল?
ভালোবেসেছিল ফুল, মোমবাতি, শিরস্ত্রাণ, আলোর ইশকুল?'
শেষে এসে সংশয়টা চূড়ান্তে পৌঁছে। মানুষের সঙ্গে তার সম্পর্ক কি ছিলো কখনো? সে কি ভালোবেসেছিলো 'যুবতীর বামহাতে পাঁচটি আঙ্গুল' বা 'ফুল, মোমবাতি, শিরস্ত্রাণ, আলোর ইশকুল?'
প্রশ্নেই শেষ হয় পরিচয় খোঁজার পালা, উত্তর পাওয়া যায় না! হয়তো এইসবকিছুর মধ্যেই তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে, অথবা কোনোকিছুর মধ্যেই নয়- এমন এক বিমূঢ় সংশয় রেখে কবিতা শেষ করে দেন আবুল হাসান। আর আমরা বুঝে যাই- এ কেবল কবির নিজের পরিচয় খোঁজার আয়োজনই নয়, এ আসলে আমাদেরকেও মুখোমুখি করে দিয়েছে এইসব চিরন্তন প্রশ্নের, সেইসব প্রশ্ন নিয়ে আমরা অতপর ঘুরে বেড়াই, উত্তর মেলে না, উত্তর মেলে না...
[এই লেখাটি লিখতে গিয়ে একজনের কথা খুব মনে পড়ছিলো, যাকে আমার মনে হয় সেই পাথরের মতো, যে কেবলি লাবণ্য ধরে! খুব ভালো লাগতো যদি তাকে উৎসর্গ করতে পারতাম এটি, কিন্তু গত রাতেই সে আমার ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে-- আমি যেন যেখানে-সেখানে তার নাম না নিই! জানি, এই লেখা তার চোখে পড়বে, তাকে বলি-- উৎসর্গপত্র রচিত হয়নি বটে, তবু এটা 'আপনার' জন্যই!]
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): প্রিয় কবিতা, আবুল হাসান.. ;
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
প্রচ্ছদ বলেছেন:
কবিতাটা ভালো লাগে;এ কবিতটি নিয়ে হুমায়ুন আজাদে বক্তব্যটি বেশ ইন্টারেস্টিং; এমনকি বিষয়টি তিনি তাঁর 'কবি অথবা দন্ডিত অপুরুষ' উপন্যাসেও এনছেন।
যাই হোক কবিতাটি বেশ। এবং এই পেষ্টটিও।+
লেখক বলেছেন: হুমায়ুন আজাদের বক্তব্যটি পড়িনি! কি বলেছিলেন তিনি?
দুরের পাখি বলেছেন:
আবুল হাসান আমার বাংলা কবিতার মোহ তৈরীর প্রথম কারিগর । বিশ্লেষণ চমৎকার হৈছে ।
লেখক বলেছেন: আমারও! ক্লাস নাইন থেকে আবুল হাসানের কবিতা পড়ছি!
আপনার খবর কি?
দুরের পাখি বলেছেন:
খবর ভালোই । ভ্যাকেশন কাটাইতাছি । সবচে বড় মজা হৈল কয়েক হপ্তা ধৈরা দাড়ি কাটতে হয় না । পইড়া, ভিড্যু দেইখা ।
লেখক বলেছেন: হা হা হা...
দেশে ফিরছেন কবে?
দুরের পাখি বলেছেন:
জুলাইয়ের মাঝামাঝি ।
লেখক বলেছেন: অনেকদূর!.. আসার আগে জানায়েন...
প্রচ্ছদ বলেছেন:
"... একটা ঘটনা মনে পড়ছে, যা উল্লেখ করার মতো। আমার বটির যখন কম্পোজ শুরু হয়েছে তখন আবুল হাসানের 'রাজা যায় রাজা আসে'র কম্পোজ প্রায় শেষ। আমরা তখন মাঝে মাঝে...। আমি একদিন বলি আমার কবিতার শেষ কবিতার নাম 'হুমায়ুন আজাদ'। শুনে হাসানের চোখ জ্বলজ্বল ক;রে ওঠে; এবং দু-দিন পরেই হাসান জানায় তার বইয়ের প্রথম কবিতার নাম 'আবুল হাসান', এবং সে আবেগে কবিতাটি আবৃত্তি করতে থাকে। ....
আমার নতুন জন্ম
পৃঃ ৩৯
লেখক বলেছেন: হা হা হা...
মজার তথ্য! সত্যি-মিথ্যে যাচাইয়ের সুযোগ নেই, এই আর কি!
সহেলী বলেছেন:
বেশ মনে করিয়ে দিলেন । শুভেচ্ছা আপনার জন্য ।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
লেখক বলেছেন: শুধু কি নিজের নামকে শিরোনাম করা? সেই কবিতা আবার প্রথম বইয়ের প্রথম কবিতা হিসেবে ছাপা! সাহস, না পাগলামি?
ধন্যবাদ আপনাকে।
তিতিয়ানাতান্তা বলেছেন:
লগ আউট করে দিয়েছিলাম আপনার পোষ্ট দেখ আবার লগ ইন হলাম
লেখক বলেছেন: আচ্ছা!... কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: ![]()
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন:
কবিতা দেখলেই ভয় লাগে। [আপনি কিন্তু সেটা জানেন!]তবে কবিতা নিয়ে বিশ্লেষণ ধর্মী লেখা পেলে আবার হাতছাড়া করি না। এই সুযোগ কবিতার ভেতরে ঢুকে যাওয়ার।
ঢুকে গেলাম....বার বার পড়লাম। সোকেইসেও রেখে দিলাম। অসম্ভব ভালো লাগলো। তাই মন চাইলেই পড়বো।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: তুমি তো খামোখাই ভয় পাও!
শোকেসে নেয়ার জন্য ধন্যবাদ। আছো কেমন?
কালপুরুষ বলেছেন:
অসম্ভব সুন্দর একটা কবিতা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। সাথে কবিতার কথাগুলো চমৎকার ভাবে বিশ্লেষণ করেছেন সেজন্যে আরো একবার ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সব মিলিয়ে খুব ভাল লাগলো। প্রিয়তে রেখে দিলাম।
লেখক বলেছেন: ডবল ধন্যবাদের জন্য আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ কালপুরুষদা! প্রিয়তে রাখার জন্য ট্রিপল ধন্যবাদ! ![]()
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন:
ভালো নাই। পরীক্ষা শেষ হলো গেলো সপ্তাহে। একটাও ভালো হয় নাই। তখন আপনার সেই কথাটা মনে পড়েছিল। মনে আছে, আজিজে বলেছিলেন।
"এই পাড়ায় ঢুকছো? শেষ তুমি শেষ!
আমি মনে হয় আসলেই শেষ...
লেখক বলেছেন: হা হা হা...
যেন আমি বলেছিলাম বলেই 'শেষ' হয়েছ! নিজের দোষে 'শেষ' হয়ে আমার দোষ দিচ্ছো! ![]()
তিতিয়ানাতান্তা বলেছেন:
সময় নিয়ে পরে পড়বো। [ অবশেষে এলেন, জীবনের জয় হল। "মৃত্যুর কাছে জীবন হারে না" মা বলেন। আপনাকে দেখে ভাল লাগল]
লেখক বলেছেন: আপনি আর পড়েছেন! ![]()
লেখক বলেছেন: ভালো লাগাতে পেরে আমারও ভালো লাগলো!
লেখক বলেছেন: তা না হয় বুঝলাম, আমাকে যে কবিতাগুলো আপনারই টাইপ করে দেয়ার কথা ছিলো, ভুলে গেছেন???? পরীক্ষা শেষ হয়েছে? রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহকে নিয়ে একটা পোস্ট দেয়ার কথা ছিলো আপনার, বহুদিন আগে বলেছিলেন, দেননি। আবুল হাসানের আর্কাইভ করার কথা ছিলো আপনার, তা-ও করেননি! জীবনানন্দ করে থেমে গেলেন! কাজটা কি ঠিক হলো???
ফাঁকিবাজির জন্য আপ্নেরে মাইনাস! ![]()
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
কবিতা অনেক পড়া হয় কিন্তু মাঝে মাঝে অনেক কিছুরই অর্থ খুঁজে পায় না। আপনার এমন চমৎকার বিশ্লেষণ পড়ে খুব আরামবোধ করছি। শেয়ার করার জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। [অফটপিক: আপনার চশমা দেয়া ছবিটা দেখলে আমার কেন জানি মডেল শিমুল মনে হয়
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও!
[অফটপিকে এইটা কি বললেন? মডেল?? শিমুল??? হায় হায়, আমি যাই কই! ধরনী দ্বিধা হও...
]
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য সব সময়ই উপভোগ্য; অনেক ধন্যবাদ।
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন:
আপনার দোষ দেই নিতো!! আমি আরও বলতে চাইলাম আমার পরিণতি আপনি স্পষ্ট দেখতে পেয়ে আমাকে সাবধান করেছেন। কিন্তু আমি গাধাটা শেষ হওয়ার পরই বুঝলাম।
"তবে শেষ হয়েও হবো না শেষ" এটা নিশ্চিত। সবে তো শুরু....শেষ হতে এখনও অনেক দেরী।
হা হা হা.......
লেখক বলেছেন: গরীবের কথা বাসি হইলে ফলে! ![]()
যাউকগা, শেষ হইবা না, এইটাও ভবিষ্যদ্বানী করলাম! ![]()
তিতিয়ানাতান্তা বলেছেন:
কেন এমন বললে? আমি বুঝি পড়ি না। এমনি তে কবিতা ভাল লাগে না। তুনি লিখেছো দেখে পড়বো বলেছি। আমার পোষ্ট কে পড়ে?
লেখক বলেছেন: আপনার সঙ্গে কি 'তুমি' বলার মতো সম্পর্ক তৈরি হয়েছে আমার? মনে হয় না! সব পোস্টে দুষ্টুমি চলে না তিতিয়ানা...
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
কবিতা টাইপ করে দেওয়ার কথা মনে আছে আর্কাইভের বিষয়টাও মাথায় আছে।
আরেকটা মাইনাচ দেন। দুইটা মিইল্ল্যা পেলাচ হইয়া যাইবো
লেখক বলেছেন: আরো দুইটা মাইনাস দিলাম! দুই মাইনাসে প্লাস, আগের একটা মাইনাস আর এই প্লাসে আবারও মাইনাস... ![]()
সংক্ষেপে জীবনীটা যদি দিতেন। জন্ম-মৃত্যু, কাব্য, প্রেম, বন্ধুত্ব এসব আর কি।
লেখক বলেছেন: জীবনী?!? সে তো বিরাট কাহিনী! কিভাবে লিখবো!
জন্ম : বরিশাল, ১৯৪৭ (সম্ভবত),; মৃত্যু : ঢাকা, ১৯৭৫
মাত্র ২৮ বছর বেঁচে ছিলেন। জীবিতাবস্থায় তিনটি কাব্যগ্রন্থ : রাজা যায় রাজা আসে, যে তুমি হরণ করো, এবং পৃথক পালঙ্ক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের ছাত্র ছিলেন, যদিও পড়াশোনা শেষ করেননি। নির্মলেন্দু গুণের সঙ্গে তুমুল বন্ধুত্ব ছিলো, এক ঘরে থেকেছেন বহুদিন, গুণদা তাঁর 'আমার কণ্ঠস্বর' বইতে সেসবের বিস্তারিত স্মৃতিচারণ করেছেন। তখনকার দিনের হার্টথ্রব সুন্দরী (বলা হয়, তাবৎ ঢাকায় এমন সুন্দরী আর ছিলো না, তখনকার সকল যুবকই এই সুন্দরীর পাণিপ্রার্থী ছিলেন) কবি সুরাইয়া খানমের সঙ্গে প্রেম ছিলো। সুরাইয়া তখন ইংরেজি বিভাগের লেকচারার, আর হাসান ফাঁকিবাজ ছাত্র! হাসানের মৃত্যুর পর সুরাইয়া দেশ ছেড়ে চলে যান, আর ফেরেননি, প্রবাসেই তার মৃত্যু ঘটে কয়েকবছর আগে!
ধুর! এত কথা লেখা যায় নাকি!!!
রুবেল শাহ বলেছেন:
যুগান্তরের অনেক পুরোনে একটা সংখ্যায় আপনার একটা লেখা পড়লাম........... ভাল লাগা রইল
লেখক বলেছেন: কোন সংখ্যায় কি লেখা পড়লেন, বুঝলাম না! যাই হোক, থ্যাংকস।
আছেন কেমন?
তাই লোভ সামলে রাখতে পারলাম না ( লাবণ্য শব্দটি কোথাও দৃশ্যমান হলে যেন নিজেকেই দেখতে পাই... )
ভাল লাগা জানিয়ে গেলাম
আর আপনাকে কৃতজ্ঞতা
নিরন্তর মঙ্গলে থাকুন
লেখক বলেছেন: 'লাবণ্য শব্দটি কোথাও দৃশ্যমান হলে যেন নিজেকেই দেখতে পাই...' হা হা হা.. চমৎকার বলেছেন।
ভালো লাগা জানানোর জন্য ধন্যবাদ।
[অফটপিক : নিক-জটিলতায় নামের শেষে 'গল্পকার' লাগাতে হয়েছে, জানি সেটা, কিন্তু জেনেও দেখতে কেমন যেন অস্বস্তি লাগে। বিকল্প কিছু করা যায় না?]
তনুজা বলেছেন:
আপনার চোখ দিয়ে প্রিয় কবিতা পড়তে পারা সৌভাগ্য বই কি ।পোস্টে ফিরে আসার জন্য অভিনন্দন
শুভকামনা
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ তনুজা।
শুভেচ্ছা আপনার জন্যও।
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
একবার আবুল হাসানের কবিতা নিয়ে কাজ করার সুযোগ হয়েছিল। কাজ করা মানে- আবুল হাসান পাঠ এবং তাঁর কবিতা থেকে একটি আবৃত্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন। সে সময়- টানা মাস ছয়েক আমরা আবুল হাসানের কবিতা পড়েছি। তার আগে- কুরুক্ষত্রে সংলাপ, লক্ষ্মী বউটিকে আমি আজ আর কোথাও দেখিনা... (কবিতাটির নাম মনে পড়ছে না), নিঃসঙ্গতা- এ রকম তিন-চারটে কবিতা পড়েছিলাম। তখন আবুল হাসান সমগ্র সবে বের হয়েছে; আমরা গোগ্রাসে সেটা গিলছি, উদগারও হয়েছে বিশাল! এরমাঝে একদিন টোকন ঠাকুর এসে বলল, আবুল হাসানের কয়টা কবিতা মুখস্থ করছো? আমরা বুক ফুলিয়ে বললাম, আটটা; কেউ বলল, তিরিশটা। টোকন ঠাকুর বলল, আমি পুরা আবুল হাসান জানি। আমরা বাজি ধরলাম এবং হারলাম। সেই সময়ে টোকন ঠাকুর আবুল সমগ্র মুখস্থ করেছিল।যাহোক, আবৃত্তি অনুষ্ঠানের প্রথম কবিতা হিসেবে বেছে নেয়া হল 'আবুল হাসান।' দিন যায়, আমাদের 'আবুল হাসান'-এর জটিলতা কাটেনা, উল্টো বাড়ে। কী মানে এমন শব্দের? কী অর্থ বহন করে এইসব মিলিত অক্ষর? রাজা, কান্নাভেঁজা চোখ, উপগ্রহ! কেমন পাথর সে লাবন্যময় পাথর?
আমরা সেই সময়ে কবিতাটি কতটুকু বুঝেছিলাম- জানিনা; তবে আবুল হাসানের কবিতা সম্পর্কে এই ধারণা তৈরী হয়েছিল যে, বাংলা কবিতায় এমন অন্তর্গত অথচ তীব্র বোধের টান খুব কম কবিই তৈরী করতে পেরেছেন... মানুষ মূলতঃ একা।
___________________________________________
কেমন আছেন আপনি?
লেখক বলেছেন: আপনার চমৎকার মন্তব্য পেয়ে খুব ভালো লাগলো রিপন।
টোকন ওইরকমই, হাসান-পাগল। শুধু টোকন নয়, আলফ্রেড খোকন, মারজুক রাসেলসহ আরো অনেকেই হাসান-পাগল ছিলো। আসলে আমাদের প্রজন্মটা বড়ো হয়ে উঠেছে হাসানকে বুকে করে, তারপর এসেছেন জীবনানন্দ।
জীবনানন্দর পর হাসানের মতো এমন বহুলপঠিত কবি বাংলাদেশে আর আসেননি বলেই আমার ধারণা।
[খুব একটা ভালো নেই আমি, নানারকম দুর্যোগের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। আপনি কেমন আছেন?]
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন:
"নীল দীর্ঘশ্বাস কোনো মানুষের!সত্যিই কি মানুষের?"
লাইন গুলো চমৎকার। আপনার ব্যাখ্যা আরো। কোন কবিতার মহিমা তখনি সম্পূর্ণরুপে প্রকাশ পায় যখন পাঠক এর ব্যাখ্যা করে। আবুল হাসান এর কবিতা আগে পড়ি নি, সিডি তে একটা অবৃতি শুনে ছিলাম তখন তেখন কিছু মনে হয় নি। আপনার পোষ্ট পড়ে উনার কবিতা পড়ার ইচ্ছা হচ্ছে।
ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: পড়ে দেখো, ভালো লাগবে, আমি নিশ্চিত।
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন:
*তেখন = তেমন
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
বাসায় যেয়ে বুক সেল্ফ থেকে বের করবো আবুল হাসান। আমার কাছে মনে হয় তাঁর সব কটি কাব্যগ্রন্থ আছে। আবৃত্তি সংগঠন যখন করতাম, আবুল হাসান সেসময় ছিল নিত্যসঙ্গী। তাকে যখন চিঠি লিখতাম .............অবশ্যই থাকতো আবুল হাসান..
.........আমাদের প্রেম না পেল কবির ভাষা
কাব্য চূড়ায় আমরা তো বাধি বাসা....
আহমাদ মোস্তফা কামাল ভাই.............বাসায় যেয়ে আবার পড়তে বসছি।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, মাসুম ভাই, আমাদের প্রজন্মটা তো বেড়েই উঠেছে আবুল হাসানকে বুকে নিয়ে! সবকিছুতেই আবুল হাসান.. আবুল হাসান.. এখনো খুব নস্টালজিক হয়ে পড়ি হাসানের কবিতা পড়তে গিয়ে!
['আহমাদ মোস্তফা কামাল ভাই' এত বড়ো নামে ডাকতে কষ্ট লাগে না? ছোট করে নেন ইচ্ছেমতো!]
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
লেখক বলেছেন:
['আহমাদ মোস্তফা কামাল ভাই' এত বড়ো নামে ডাকতে কষ্ট লাগে না? ছোট করে নেন ইচ্ছেমতো!]
হা হা হা....খিক খিক
লেখক বলেছেন: খিক খিক করেন ক্যান? ![]()
দুরের পাখি বলেছেন:
['আহমাদ মোস্তফা কামাল ভাই' এত বড়ো নামে ডাকতে কষ্ট লাগে না? ছোট করে নেন ইচ্ছেমতো!] খিক খিক । আমার ব্লগের লিংকে লেখা আছে আমো কামালদা
লেখক বলেছেন: খিক খিক করেন ক্যান? ![]()
বিটলামি শুরু হৈছে!
![]()
[লীনার লেখায় বিটলামি শব্দটা পাইলাম। খুব পছন্দ হৈছে! শব্দটা আপ্নের সাথে খুব যায়। আপ্নে আসলেই বিটলা এক্টা!
]
লেখক বলেছেন: পোলাপান দেখি বিটলামি শুরু করলো! মাসুম ভাই আপ্নে কৈ! ![]()
[শামীমও দেখি বিটলা কম না!
]
লেখক বলেছেন: আবার হাসে!
![]()
আকাশচুরি বলেছেন:
আবুল হাসান!! একটা ঘোর, তারপর ঘোর, তারপরও ঘোর!!কামাল ভাই, শামীম এর সাথে একমত্, চশমাপরা আপনারে মডেল শিমুলের মতো লাগতেছে
লেখক বলেছেন: শিমুলের মতো লাগতেছে!!!
![]()
নুশেরা বলেছেন:
কাব্যমূর্খ মানুষ; কবিতা বুঝিনা; এইভাবে বুঝায় দিলেও না তবে এই কবিতাটার দুইটা লাইন নিয়া আমার নিজস্ব ব্যাখ্যা ছিল।
"এটা তোর জন্মদাতা জনকের জীবনের রুগ্ন রূপান্তর,
একটি নামের মধ্যে নিজেরি বিস্তার ধরে রাখা,
তুই যার অনিচ্ছুক দাস!"
-- এইখানে কবি উনার নিজের নাম অর্থাৎ কিনা "আবুল হাসান"-এর শাব্দিক মিনিং বুঝাইছেন। আরবীতে আবুল হাসান = হাসানের বাপ= কবির জন্মদাতা জনক।
এই ব্যাখ্যাডা বহু বছর আগে আমার জননীরে বলছিলাম। ভদ্রমহিলা নিজের কন্যার বিশ্লেষণী প্রতিভায় বিন্দুমাত্র মুগ্ধ না হৈয়া হাতের চিরুনীখান ফিক্যা মারছিলেন। আপসুস......
লেখক বলেছেন: হা হা হা...
আপ্নের অসাধারণ বিশ্লেষণী প্রতিভায় আমি মহামুগ্ধ, তবে হাতের কাছে চিরুনি নাই, থাকলে আমিও 'ফিক্যা' মারতাম!
![]()
লেখক বলেছেন: বুঝতে পারছি। আমিও এই দুর্যোগ থেকে বেরুবার চেষ্টা করছি। সেজন্যই এই আয়োজন। বেশিক্ষণ অনলাইনে থাকা যাবে না! কাজ আছে...
শীঘ্রই সামলে ওঠ, শুভকামনা রইলো।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
কবিতাটা কতোবার যে পড়েছি! ড. হুমায়ুন আজাদের সাথে আবুল হাসানের 'শিরোনামে নিজ নাম' কবিতার মিল দেখে অবাক হয়েছিলাম। পরে ওঁনার 'কবি অথবা দণ্ডিত অপরুষ' উপন্যাসে এই ঘটনাটির মতোই একটা সিকোয়েন্স ছিল। যেখানে নায়কের নিজের নামে লেখা কবিতার আইডিয়া নিয়ে তার কবি-বন্ধু নিজেই একটা কবিতা লেখে।
সেসব যদিও মেদ-আলোচনা, এই কবিতাটা এতোই চমৎকার যে এধরনের অভিযোগেও কিছু যায় আসে না।
আপনার ব্যাখ্যা-অনুভূতি দারুণ লাগলো! যদি সত্যিই পংক্তিগুলো আপনাকে ওভাবে প্রশ্নাকূল করে থাকে, তাহলে মানতেই হবে আপনি দারুণ সংবেদন নিয়ে কবিতা পড়েন।
========
একটু বিটলামি করি আমিও: আমারও মনে হইছে আপনি দেখতে কিছুটা মডেল শিমুলের মতোন!
লেখক বলেছেন: "যদি সত্যিই পংক্তিগুলো আপনাকে ওভাবে প্রশ্নাকূল করে থাকে"-- করে না থাকলে লিখলাম কেমনে??? ![]()
---------------------------------------------
কবিতা তো সংবেদন নিয়েই পড়ার জিনিস! মানব সর্বোচ্চ সংবেদনশীলতার প্রকাশ ঘটে প্রথমত মিউজিকে, দ্বিতীয়ত কবিতায়। অন্তত আমি তা-ই মনে করি! শ্রোতা ও ভোক্তার কাছে তাই এই শিল্পগুলোও সর্বোচ্চ সংবেদন দাবি করে!
--------------------------------------
আপনার প্রোফাইলে লেখা -- "কারো প্রতি শ্রদ্ধা অটুট রাখার উপায় হচ্ছে তার সাথে কখনো সাক্ষাৎ না করা" -- কথাগুলো পড়ে একটা লেখার চিন্তা মাথায় এসেছে। আপনি অনুমতি দিলে কৃতজ্ঞতাপ্রকাশসহযোগে কথাগুলো ব্যবহার করতে চাই...
-----------------------------------------
পোলাপনরে সব আইজকা বিটলামিতে পাইছে।
![]()
কয়ডারে মাইনাস দিমু? তারচেয়ে বিটলামিরেই মাইনাস দিলাম.... ![]()
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
কবিতাপাঠে আপনার অনুভূতির তীব্রতা নিয়ে বলছিলাম! পড়ে সবাই, অনুভব করে অনেকেই, কিন্তু এত তীব্র শিহরণে কয়জন মাতে? আর মাতলেও সেটাকে লিখে ফুটিয়ে তুলতেই বা পারে কয়জন?মিউজিকের ব্যাপারে আমি দ্বিমত করি। আমি মনে করি, মিউজিকের ক্ষমতা কবিতার চেয়ে বেশি না। (যদি শুধুই বাণীহীন সঙ্গীতের কথা বলেন, তবুও কবিতাকেই আমার অধিক শক্তিশালী, এবং মনোযোগের দাবীদার বলে মনে হয়!)
উক্তিটি ড. হুমায়ুন আজাদের 'প্রবচনগুচ্ছ' বইয়ের। সুতরাং আমার অনুমতির তো দরকার নাই। আপনার লেখাটার অপেক্ষায় থাকলাম!
[ইয়ে, মানে, এই কথাটা, যে "আপনি দেখতে বেশ" আমার মাথায় প্রথম দর্শনে আসছিল। কিন্তু পরিবেশ পরিসর পাইনি বলে কখনই বলা হয়নি! আজকে পেলুম, তাই বললুম, চ্যাতেন কেন?
লেখক বলেছেন: দ্বিমত আছে বলেই শিল্প নিয়ে বিতর্কগুলো এত মধুর! আমি নিজে অবশ্য মিউজিকের ব্যাপারে আপোসহীন। ব্যাপারটা এজন্যও হতে পারে, যে, আমি ওটাকে ব্যাখ্যা করতে পারি না, কিন্তু শুনলে অনির্বচনীয়-অপ্রকাশযোগ্য অনুভূতিতে মন ছেয়ে যায়!
ওটা হুমায়ুন আজাদের! দেড় যুগ আগে তাঁর প্রথম প্রবচনগুচ্ছ পড়ে পত্রিকায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলাম। তারপরে আর পড়িনি! মনেও নেই। যাহোক, ধন্যবাদ জানালাম।
[দুঃখের কথা আর কি কমু ছন্ন, কথাডা আইজ পর্যন্ত নারী জাতির অন্তর্ভূক্ত কাউরে কইতে শুনলাম না! কতো সাজুগুজু, কতো চেষ্টাচরিত্রি, কুনো লাভ হইলো না। তুমাগো চউক্ষে পড়ে, তাগো কি চউক্ষু নাইক্কা??? এর পরেও কও চ্যাতেন ক্যান? চেতুম না ক্যালা?
]
লেখক বলেছেন: দেখেছি তপনদা।
হাল্ক বলেছেন:
সাপ্তাহিক ২০০০ এ আপনার একটা লেখা পড়েছিলাম দুই তিন সপ্তাহ আগে। ইলিয়াসকে নিয়ে লিখিছিলেন। আপনার ব্লগ পড়লেই বুঝা যায় অনেক সময় নিয়ে যত্ন করে লিখেন। ভালো লাগে।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস!
[আপনার প্রোফাইল ছবিগুলো খুব মজার মজার হয়!]
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
চমৎকার লাগল। আবুল হাসানের কবিতাও চমৎকার, সাথে আপনার লেখাটাও চমৎকার।
দু'টোই পড়ে ভালো লাগল।
লেখক বলেছেন: বহুকাল পর আপনার মন্তব্য পেলাম, আপনার লেখা পড়লাম। আমার খুব চমৎকার লাগলো।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আপ্নেও পোলাপানের বিটলামিতে জয়েন করলেন! যাই কৈ! ![]()
নুশেরা বলেছেন:
আরে কী মুশকিল, যার জন্যে চুরি সে কয় ডাকাইত!!!!এই কথাটা কে কইছিল:
[দুঃখের কথা আর কি কমু ছন্ন, কথাডা আইজ পর্যন্ত নারী জাতির অন্তর্ভূক্ত কাউরে কইতে শুনলাম না! কতো সাজুগুজু, কতো চেষ্টাচরিত্রি, কুনো লাভ হইলো না। তুমাগো চউক্ষে পড়ে, তাগো কি চউক্ষু নাইক্কা??? এর পরেও কও চ্যাতেন ক্যান? চেতুম না ক্যালা?
পোলাপান না হইতে পারি, নারীজাতির মেম্বারশিপ তো আছে, না কি?
লেখক বলেছেন: আপ্নে তো আমারে দেখেনই নাই, এই বিষয়ে কথা কন কেম্নে!? ![]()
[আমার ছবি এইখানে না দিয়া, নিজের ছবি দিয়া যান, নয়ন ভইরা দেখি!
]
লেখক বলেছেন: চ্যাতেন ক্যান! ডরাইছি তো!! ![]()
ছবি দেখতে চাইছি, এইটা এমন কি অপরাধ হইলো! ![]()
আইচ্ছা যান, ছবি দেখার দরকার নাই, আপ্নেরে দেখতাম চাই.. ![]()
লেখক বলেছেন: আপ্নেই তো শুরু কইরা দিলেন, তারপর বিটলা পোলাপান আইসা আমারে নাস্তানাবুদ কইরা ছাড়লো! তাই দেইখা আবার হাসতেছেন!
![]()
লেখক বলেছেন: 'কামাল মূলতঃ কবি! ' কিন্তু এক লাইনও লিখতে পারেনি কোনোদিন! ![]()
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
আমার আবুল হাসান এর পরের স্টেজ এর কবিতা বেশি ভালো লাগে।এই কবিতায় যে সংশয় আসছে কেমন যেন জীবনানন্দ ছাপ।আমি অবশ্য কবিতা বুঝি না (ভাইয়া আপনাকে না রাসেল ক্রোর মতো লাগে.....
লেখক বলেছেন: আমিও কবিতা বুঝি না! ![]()
[ রাসেল ক্রো!! এইডা আবার কিডা???
]
আইজকা দল বাইন্ধা সব বিটলামি করতেক আইছে! বুঝছি...
]
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
নুশেরা আপাকে ধন্যবাদ এই মহামূল্যবান ছবিসংগ্রহের খোঁজ দেয়ার জন্যে! আসলেই এই অন্তর্জালিক আশ্রয়ে বিবিধ রতন, তা সবে বেকুব আমি বেনজর করি...( মধুসূদন মাপ করে দাও!) আপনার যুবক বয়সের ছবি তো আরো চমৎকার, শিমুল এত সুন্দর ছিলো না নিজের 'বয়সকালে'। সেই হিসেবে আপনার রাগের কারণ বুঝতেছি।
ভুল হয়ে গেছে কামাল ভাই। আপনি দেখতে শিমুলের চেয়েও অনেক বেশি হ্যান্ডসাম!
লেখক বলেছেন: যুবক বয়সের ছবি!!! মানে কইতে চাও, এখন বুড়া হয়া গেছি!
![]()
'নুশেরা আপু' [
] রে মাইনাস তুমগো উসকাইয়া দেয়ার জন্য!
![]()
[আপনাদের দেখলে বুঝতে পারি, আসলেই বয়স হয়ে যাচ্ছে আমার! বুঝতে পারি, আগের সেই প্রাণচাঞ্চল্য আর নেই... আপনার/আপনাদের মধ্যে যেমনটা দেখতে পাই! 'বয়সে বড়ো হয়ে যাবার মধ্যে একটা দুঃখবোধ আছে'-- কোথায় যেন পড়েছিলাম কথাটা, খুব মনে পড়ে!]
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
আমাকে মধ্যে একজন বলেছেন, যে আমার কথাবার্তা শুনে তার মনে হয়েছে আমার বয়স মধ্যতিরিশের ঘরে (!)। শুনে আমি মিশ্রানুভূতি পেলাম। বুঝলাম, মনে মনে বুড়িয়ে গেছি। এখন আর সেই উথাল পাথাল বিপন্ন আবেগ আমাকে ভাসাবে না। আবার স্বস্তিও পেলাম। এখন আর সেই উথাল পাথাল আবেগ আমাকে ভাসাবে না।এখন মনে হচ্ছে এই পোস্টের পাথরের মতো হতে হবে (আপনি সেরকম হয়ে গেছেন বলেই বোধ করি, দুঃখ না পেয়ে খুশি হউন)!
লেখক বলেছেন: হা হা হা...
আপনার মধ্যেও ভারিক্কি ভাব এসেছে বটে, আর যে পেশায় ঢুকেছেন তাতে ভারিক্কিপনা আরো বাড়বে ক্রমশ!
[আপনিও তো দেখতে বেশ, তরুণীরা জ্বালিয়ে মারে না?!? ইউনিতে যাবার আগে মা টিপ লাগিয়ে দেয় তো! ]
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
ভাইয়া সত্যি আপনার যে ছবিটা প্রথম আলোতে আসলো সেদিন ঐটা কেটে রাখবো।কী স্মার্ট আর সুন্দর ............(আমার চারকোনা বাক্সের সলিউশনটা না দিলে এডিট ও তো করতে পারিনা।
লেখক বলেছেন: খাইছে! এইসব কি বলে! ![]()
[আপনি কোন কি-বোর্ড ব্যবহার করেন? এরকম সমস্যার কথা তো আমি শুনিনি, সমাধান দেবো কিভাবে?
তিতিয়ানাতান্তা বলেছেন:
আপনি ও বোধ হয় আমার পোষ্টে আপনার প্রথম কমেন্টে এমন দুষ্টোমী করেছিলেন সেই থেকে ভেবে ছিলাম ........যাই হোক আপানর লেখা পড়লাম লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, সেটা আপনাকে বুঝিয়েও বলেছিলাম পরে! আমার আড্ডার পোস্টেও অনেক দুষ্টুমি করেছে সবাই, আপনিও! কিন্তু অন্যদের সঙ্গে আপনার পার্থক্য হলো-- তারা সবাই একটা দূরত্ব রেখে কথা বলে, আপনি সেটা রাখতে চান না! এই পোস্টের কমেন্টগুলো দেখুন, অনেকেই দুষ্টুমি করেছে, কিন্তু একটা সম্মানজনক দূরত্ব রেখে! আর তাই আমিও সেগুলো হাসিমুখে গ্রহণ করেছি!
আশা করেছি বোঝাতে পেরেছি বিষয়টি!
অফটপিক: মডেল শিমুল একটা বড়সড় গাধা,আপনারে মডেল শিমুলের সাথে তুলনা করা ভয়ানক অন্যায়।তবে আজিজুল হাকিমের মত লাগতাসে নুশেরা আপা যে লিনকটা দিলেন ঐখানে।
লেখক বলেছেন: আপনেও! ![]()
আমি যাই কৈ!
[আমারে আজিজুল হাকিমের মতো লাগতাছে!!!
![]()
উনার বয়স তো ৫০ ছাড়ায়া গেছে! তার মানে, আপনে বলতে চান-- আমারে ওইরকম বুইড়া দেহায়??? নুশেরা আমারে কী বিপদে ফালাইলো! (এইখানে একটা কান্নার ইমো হবে! কেমনে দেয় এইটা?)]
{চাকরি ছেড়েছেন আবার! সাবাশ! এটা কিন্তু দেশ ছেড়ে চলে যাবার পূর্বলক্ষণ!}
কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি বলেছেন:
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: পুরো কবিতাটি একবার একসঙ্গে পড়ে নেয়া যাক :
সে এক পাথর আছে কেবলি লাবণ্য ধরে, উজ্জ্বলতা ধরে আর্দ্র,
মায়াবী করুণ
এটা সেই পাথর নাকি? এটা তাই?
এটা কি পাথর নাকি কোনো নদী? উপগ্রহ? কোনো রাজা?
পৃথিবীর তিনভাগ জলের সমান কারো কান্না ভেজা চোখ?
মহাকাশে ছড়ানো ছয়টি তারা? তীব্র তীক্ষ্ণ তমোহর
কী অর্থ বহন করে এইসব মিলিত অক্ষর?
আমি বহুদিন একা একা প্রশ্ন করে দেখেছি নিজেকে,
যারা খুব হৃদয়ের কাছাকাছি থাকে, যারা এ ঘরে ও ঘরে যায়
সময়ের সাহসী সন্তান যারা সভ্যতার সুন্দর প্রহরী
তারা কেউ কেউ আমাকে বলেছে-
এটা তোর জন্মদাতা জনকের জীবনের রুগ্ন রূপান্তর,
একটি নামের মধ্যে নিজেরি বিস্তার ধরে রাখা,
তুই যার অনিচ্ছুক দাস!
হয়তো যুদ্ধের নাম, জোৎস্নায় দুরন্ত চাঁদে ছুঁয়ে যাওয়া,
নীল দীর্ঘশ্বাস কোনো মানুষের!
সত্যিই কি মানুষের?
তবে কি সে মানুষের সাথে সম্পর্কিত ছিল, কোনোদিন
ভালোবেসেছিল সেও যুবতীর বামহাতে পাঁচটি আঙ্গুল?
ভালোবেসেছিল ফুল, মোমবাতি, শিরস্ত্রাণ, আলোর ইশকুল?
[আবুল হাসান/ রাজা যায় রাজা আসে / আবুল হাসান]
এটা অসাধারন লাগলো
লেখক বলেছেন: এই কবিতা নিয়েই তো কথা বললাম!
নাহ,অকাজের লোকজনরে কেউ নেয় না,দুনিয়াতে দরকার শুধু কাজের লোকজন। দেশই যারে রাখতে চায় না তারে দিয়া বিদেশ কি করবে?
লেখক বলেছেন: এভারগ্রীন! আমার তো বুড়িও নাই, ছুঁড়িও নাই-- এভারগ্রীন হইলঅম কেম্নে??? ছন্ন'র ৩৮ নম্বর কমেন্টের উত্তরটা পড়েন নাই? না পড়লে শেষ কয় লাইন পইড়া নেন! ![]()
[আপনার ভাবসাব সুবিধার মনে হচ্ছে না, মনে হচ্ছে না-- বছরখানেকের মধ্যে আপনি উড়াল দিবেন! সেই জন্য আগে থেকেই মাইসাস দিয়ে রাখলাম!]
উড়াল দেয়ার ব্যাপারে কিছু বাস্তব অসুবিধা আছে,আর বাকি যেটা থাকে সেটা হলো নিজের উদ্যোগের অভাব আর নিজেকে খুঁজে ফেরা।
তবে কি সে মানুষের সাথে সম্পর্কিত ছিল, কোনোদিন
ভালোবেসেছিল সেও যুবতীর বামহাতে পাঁচটি আঙ্গুল?
ভালোবেসেছিল ফুল, মোমবাতি, শিরস্ত্রাণ, আলোর ইশকুল?
জীবনটা জটিল একটা কবিতা,যেটার সমাধান যে কয় ঘাতের সেইটা বুঝে উঠার আগেই আরেক জীবনের হিসাব মিলাতে হয় অন্ধকারে।
লেখক বলেছেন: জটিল কমেন্ট করছেন রে ভাই! এই মধ্যরাতে মাথাটা আউলায়া দেয়ার জন্যে মাইনাস! ![]()
নুশেরা বলেছেন:
লেখক বলেছেন:
[আমারে আজিজুল হাকিমের মতো লাগতাছে!!!
উনার বয়স তো ৫০ ছাড়ায়া গেছে! তার মানে, আপনে বলতে চান-- আমারে ওইরকম বুইড়া দেহায়??? নুশেরা আমারে কী বিপদে ফালাইলো! (এইখানে একটা কান্নার ইমো হবে! কেমনে দেয় এইটা?)]
আমার দোষ দিতে পারবেন না কামালভাই। ওপেন সাইটে নিজের ছবি আপনিই রেখেছেন । সর্বসাধারণের প্রবেশ নিষেধ -- এজাতীয় কোন সাইনও নেই সেখানে।
আর মূলা-হাইক্যা এদের কথা তো আমি বলিনাই। বললাম জেমসবন্ড; একেবারে এভার ইয়াং!
লেখক বলেছেন: না না আমি আপ্নের দোষ দিমু ক্যান? আফটার অল আপনার তো 'নারীজাতির মেম্বারশিপ আছে'! আপ্নে আমার পোস্টে আইসা দুই চাইরটা কথা কইতেছেন, তাতেই আমি মহামুগ্ধ! এইটুকুও তো কেউ কয় না!!! দুস্ক... মনে বড়োই দুস্ক!
![]()
লেখক বলেছেন: আমি হাকিম হইতাম চাই না, জেমস বন্ড হইতাম চাই!
![]()
নুশেরা বলেছেন:
ইয়ে, মানে, ফারহান, আমি তো শুধু দেখনদারির কথাটাই বলতে চাইছিলাম, আর কিছু তো মাথায় আসেনাই লেখক বলেছেন: হ, বুঝছি!
লেখক বলেছেন: কই, 'চার কোনা বাক্স' আসেনি তো! আমি অভ্র ব্যবহার করি না, ভালেঅ বলতে পারবো না... তবে একটা টেস্ট করে দেখতে পারেন... 'চার কোনা বাক্স' এলেও ওভাবেই পোস্ট করে দেখেন, হয়তো ডিসপ্লে করার সময় ঠিকই যতিচিহ্ন দেখাবে! (আমি নিশ্চিত নই, তবে চেষ্টা করে দেখুন.. এখানেই কিছু একটা লিখে দেখতে পারেন।)
কঁাকন বলেছেন:
ভালো লাগলোএই কবিতাটা আমি আগে পড়ি নি
অট: আমি নুশেরাপুর সাথে একমত জেমসবন্ড একেবারে এভার ইয়ং
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস কাঁকন!
অট: তাতে আমার কি? ![]()
লেখক বলেছেন: ইয়ে, মানে, এইগুলা কারে উদ্দেশ্য কইরা কইতেছেন!
লেখক বলেছেন: এত হাসির কি হইলো, বুঝলাম না! নিজের পরিচয় আর কেম্নে দিমু? পাথর, আবল হাসানের পাথর'!?! ![]()
[বাড়াবাড়ি হয়ে গেল নাকি? তাইলে মুছে দিয়েন]
লেখক বলেছেন: স্পাই বানায়ে দিলেন! ![]()
হা হা হা... দারুন মজার 'গবেষণা!' মাসুদ রানার গন্ধ পাচ্ছি...
বাড়াবাড়ি তো হইছেই, আমি মাসুদ রানার ধারেকাছেও নেই!
[ আমার কৈশোরের নায়ক কিন্তু মাসুদ রানা, কোনো মহামানব নয়! ]
ঝান্ডুদা বলেছেন:
কোবতে ভালা হৈছে
লেখক বলেছেন: আবুল হাসানকে অভিনন্দন! ![]()
লেখক বলেছেন: দেরিতে চোখে পড়লো মন্তব্যটা। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে পড়ার জন্য।
কারন দু সপ্তা আগে পর পর কয়েক রাতে ঘুম ভেংগে উঠে দেখি মাথায় ঘুরছে ;
সে এক পাথর আছে কেবলই লাবণ্য ঝরে। {ঘুমের মাথায় "ধরে" "ঝরে" হয়ে গেছে}
~~~~~~~
কেমন পাথর - ভোতা বেঢপ মনে হয়। কিন্তু হীরার চে উজ্জল । হীরার চে ধারালো।
আবুল হাসানের কবিতাসমগ্রের কোন লিংক দিতে পারবেন ?
খুব পড়তে ইচ্ছা করছে।
লেখক বলেছেন: কবিতাসমগ্রের লিংক আমি কোত্থেকে দেবো? এসব বিষয়ে আমি একবারেই গণ্ডমূর্খ। আমার অন্য একটা পোস্টে (আমার হবে না আমি বুঝে গেছি)তে বোধহয় কেউ একজন একটা লিংক দিয়েছিলো, এখন সেটা ওপেন করতে পারছি না। ![]()
পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ শূন্য!
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস...
কমেন্টগুলোর বিটলামী বেশি ভাল ছিল আমোকা মডেল কামস্ জেমস্ বন্ড্ ভাই !!! ব্যপক বিনোদিত হলাম!
লেখক বলেছেন: বিটলামি করে আমাকে সবাই নাস্তানাবুদ করে ফেললেঅ, আর আপনি হলেন বিনোদিত!!! কই যাই!!! ![]()
রাজর্ষী বলেছেন:
চমৎকার লাগলো।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস রাজর্ষী।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















পুরো কবিতাটি একবার একসঙ্গে পড়ে নেয়া যাক :
সে এক পাথর আছে কেবলি লাবণ্য ধরে, উজ্জ্বলতা ধরে আর্দ্র,
মায়াবী করুণ
এটা সেই পাথর নাকি? এটা তাই?
এটা কি পাথর নাকি কোনো নদী? উপগ্রহ? কোনো রাজা?
পৃথিবীর তিনভাগ জলের সমান কারো কান্না ভেজা চোখ?
মহাকাশে ছড়ানো ছয়টি তারা? তীব্র তীক্ষ্ণ তমোহর
কী অর্থ বহন করে এইসব মিলিত অক্ষর?
আমি বহুদিন একা একা প্রশ্ন করে দেখেছি নিজেকে,
যারা খুব হৃদয়ের কাছাকাছি থাকে, যারা এ ঘরে ও ঘরে যায়
সময়ের সাহসী সন্তান যারা সভ্যতার সুন্দর প্রহরী
তারা কেউ কেউ আমাকে বলেছে-
এটা তোর জন্মদাতা জনকের জীবনের রুগ্ন রূপান্তর,
একটি নামের মধ্যে নিজেরি বিস্তার ধরে রাখা,
তুই যার অনিচ্ছুক দাস!
হয়তো যুদ্ধের নাম, জোৎস্নায় দুরন্ত চাঁদে ছুঁয়ে যাওয়া,
নীল দীর্ঘশ্বাস কোনো মানুষের!
সত্যিই কি মানুষের?
তবে কি সে মানুষের সাথে সম্পর্কিত ছিল, কোনোদিন
ভালোবেসেছিল সেও যুবতীর বামহাতে পাঁচটি আঙ্গুল?
ভালোবেসেছিল ফুল, মোমবাতি, শিরস্ত্রাণ, আলোর ইশকুল?
[আবুল হাসান/ রাজা যায় রাজা আসে / আবুল হাসান]