আমার প্রিয় পোস্ট
- ব্লগারদের বই নিয়ে আহমাদ মোস্তফা কামালের রিভিউ : ছাপা কাগজে একটুকরো 'ব্লগ' - ফিউশন ফাইভ
- পাঠ পুনর্দর্শন : "ঘর ভরতি মানুষ অথবা নৈঃশব্দ্য"# আহমাদ মোস্তফা কামাল - হিমালয়৭৭৭
- লাক্স এর চামড়া ব্যবসা , দর্শকের দেহ কামনা আর ব্লগে ধর্ষকামী ভূতের আছর- শেষ পর্ব - রাগ ইমন
- তাহলে এইবারের বস্তি পোড়ার জন্য আমরা চাঁদকে দোষারোপ করতে পারি - অন্যমনস্ক শরৎ
- প্রিয় দুইজন ব্লগারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা : শুভ জন্মদিন 'আহমাদ মোস্তফা কামাল'; শুভ জন্মদিন 'প্রিয়তমা' - একরামুল হক শামীম
- অন্ধকার --- জীবনানন্দ দাশ - কালের সাক্ষী
- অপরবাস্তব-৪ এর জন্য ব্লগারদের লেখা মনোনয়নের আহবান - অপ্সরা
- অন্ধ যাদুকর- আহমাদ মোস্তফা কামাল - রাসেল ( ........)
- প্লাস্টিকের ফুল আর খেলনা একতারার গল্প - হাসান মাহবুব
- ২০০৮ সাল পর্যন্ত সকল বাংলাদেশী আইন - রাজন সান
- ইতিহাসের প্রথম বিজ্ঞানী! - ম্যাভেরিক
- আজ ১৯শে মে। ১৯৬১ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার জন্য শহীদ হয়েছিলেন ১১ জন ভাষাবিপ্লবী। - কুঙ্গ থাঙ
- লেখক বন্ধুদের লেখা নিয়ে কিছু এলোমেলো ভাবনা। রেজা ঘটক - রেজা ঘটক
- প্রকৃতির খেলা ২ - ধরিত্রীর বুকে অন্য বিশ্বের ছোঁয়া - অপরিচিত_আবির
- রূপকথা নিয়ে কিছু কথা হতে পারে! - খারেজি
- মায়া-দরোজা - খারেজি
- প্রতিদিন শত তুচ্ছে: ধরো বন্ধু আমার কেহ নাই - নুশেরা
- মনসুন রেইন: বহুদিন পর বৃষ্টি দেখে আশ্চর্য কী-বোর্ড ম্যানিয়া! - মাহবুবা আখতার
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- সেনাবাহিনীর কুকীর্তির লিষ্ট : আমাদের গোল্ড ফিশ মেমরীকে ব্লগে সংরক্ষন - শূন্য আরণ্যক
- রেডিমেড এনিমেটেড ইমো - ভেংচুক
- ডক্টর মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেইন : যার কাছে বাঙালীর অসীম কৃতজ্ঞতা - অমি রহমান পিয়াল
- আপনার জন্ম এবং কিছু কথা - শেরিফ আল সায়ার
- শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নামের তালিকাঃগভীর শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি তোমাদের - এ. এস. এম. রাহাত খান
- প্রিয় দুইজন ব্লগারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা : শুভ জন্মদিন 'আহমাদ মোস্তফা কামাল'; শুভ জন্মদিন 'প্রিয়তমা' - একরামুল হক শামীম
- অনেক দিন পর বোর্হেসকে নিয়ে - রায়হান রাইন
- চট্টগ্রাম - War Cemetery (1939 - 1945 ) - তারার হাসি
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- মারফিসূত্র বা Murfy's Laws - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ফোবিয়া // ভীতি // আতঙ্ক সমূহ (সম্পূর্ণ) - মইন
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস,গল্প ও কবিতা সংকলনের তালিকা - ফারহান দাউদ
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- মনে হচ্ছিল আমি কোনো স্বপ্ন দেখছি..... - শেরিফ আল সায়ার
- অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ - একরামুল হক শামীম
- ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ! - হমপগ্র
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- প্রকাশিত হল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ই-সংকলন ফিরে দেখা একাত্তর - ব্রিগেড সিক্সটিন
- জীবনানন্দ দাশ : 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ - একরামুল হক শামীম
- জীবনানন্দ দাশ : কবিতায় খুঁজি বাংলার রূপ - একরামুল হক শামীম
- একদিন আমি- যা হবার তাই হোকনা - কি আসে যায় - দ্যা গ্রীম রিপার
- নবীজী মুহম্মদ সা. এর বিয়েসমূহ এবং কিছু প্রশ্ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ফিরে আসা বলে কিছু নেই - মুকুল
- ভাইরাস ডিলিট করুন manually - অনিকেত প্রান্তর
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ৯ ( তোমার চোখ এতো লাল কেন--নির্মলেন্দু গুণ ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ”আমরা” যেখানে যেতে চাই ট্রেনটা সেখানে যাচ্ছেনা - অন্যমনস্ক শরৎ
- সৈয়দ শামসুল হক বললেন ভারত বিভাগ একটা ঐতিহাসিক শোকের ঘটনা - কৌশিক
- π (পাই) এর মান - তাজুল ইসলাম মুন্না
- কর্ণেল তাহেরর জবানবন্দি - চিলে কোঠার সেপাই
- মুক্তি পেয়েও আরিফের ফেরারী যাপন - অমি রহমান পিয়াল
'চক্ষু তো এই দুইখান, আর কতো দেখাইবা...'
০৯ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:১৫
[উৎসর্গ : প্রিয় শওকত হোসেন মাসুমকে, যার চলে যাবার সুরটি একদমই ভালো লাগেনি আমার।]
'হৈরব' নামে এক অসামান্য চরিত্র সৃষ্টি করেছিলেন মাহমুদুল হক, তাঁর 'হৈরব ও ভৈরব' গল্পে। বংশানুক্রমে ঢাকী সে; ঢাকঢোল তার জীবন ও জীবীকা। কিন্তু জীবনটা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে, জীবীকাও হুমকির মুখে। একদিকে বয়সের ভার, অন্যদিকে সীমাহীন দারিদ্র। যেন এক ব্যর্থ, ম্রিয়মাণ, নুইয়ে পড়া, জীবনের কাছে পরাজিত মানুষ সে। এবং স্মৃতিভারাক্রান্ত একসময় তাদের জীবনে ঔজ্জ্বল্য ছিলো- অন্তত সে তাই-ই মনে করে; তখন 'বাবু'রা ছিলেন, নানান পালাপার্বনে তাদের বাড়িতে হৈরবদের মতো আরও অনেক ঢাকীদের ডাক পড়তো-
'কয়কীর্তনের ঢাকীদের কি দাপটটাই না ছিলো একসময়, পালাপার্বনের আগে সারাদেশ থেকে বায়না করতে আসতো মানুষজন। বনেদি বাবুদের বাড়ি না হলে তারা বায়না ফিরিয়ে দিয়েছে কতোবার, সেই তারাই এখন ঋষিদাশদের সঙ্গে বাঁশ আর বেতের ঝুড়ি বুনে কোনোমতে নিজেদের পেট চালায়, চুরি ডাকাতি করে বেড়ায়। সময়ে কি না হয়; মাটিতে পড়া ডুমুর ,তার আবার গোমর কিসের।'
এখন আর সেই দিন নেই, বাবুরা দেশগাঁ ছেড়ে পাড়ি জমিয়েছে ওই পাড়ে, সবকিছু ছেয়ে গেছে অভাব, দারিদ্র আর বেলেল্লাপনায়- এখন নবমীর রাতে পূজাকমিটির ছেলেছোকরারা 'খানকি' নাচাতে চায়। হৈরব তাই পা বিছিয়ে কাঁদে, একা একা। স্মৃতির জাবর কাটে, কষ্ট সইতে না পেরে কখনো কখনো নিজের মৃত্যু কামনা করে। এই যখন জীবন- অভাব, দারিদ্রই যখন সার, অন্যের দয়া-দাক্ষিণ্যের ওপর ভরসা করে বেঁচে থাকা, চারদিকে কেবল ভাঙনের সুর, অতীতের সুখস্মৃতিচারণ ছাড়া আর কিছু নেই- তখন গনি মিয়ার কাছ থেকে ধার করা টাকা হৈরব শোধ করে কিভাবে? গনি মিয়া এসে টাকার জন্য চোটপাট করে, ভিটেবাড়ি বিক্রি করতে বলে, তার বিধবা বোন 'দয়া'র দিকে কুনজর ফেলে- যেন সবকিছু গিলে ফেলতে এসেছে।
এ তার কঠোর বাস্তব জীবন বটে, কিন্তু সে যেন বাস করে বাস্তবাতিরিক্ত কোনো উচ্চতার জগতে। জনজীবনের মধ্যে যে প্রবহমান দার্শনিকতা, মাহমুদুল হক যেন এই দার্শনিক ঢাকির মধ্যে দিয়ে ধরতে চেয়েছেন। যেমন, দারিদ্রক্লিষ্ট সংসারে বিধাব পিসি আর মায়ের কলহ দেখতে দেখতে ত্যক্ত-বিরক্ত ভৈরব ( হৈরবের ছেলে) যখন চেঁচায়, তখন ভৈরবের উক্তি :
'তরা যে কি হইলি, বুঝি না তগো। ঘর হইলো গিয়া তর বাগান, বাগানে পাখিরা তো চিক্কুর পারবই'
শুধু জীবনযাপনেই নয়, 'বাজনা' নিয়েও তার আছে এক গভীর দার্শনিক ভাবনা-
'ঢাক বইলা কথা, ঢাকী বইলা কথা; যে নিকি নিজেরে বাজাইয়া থুইছে হ্যার কাছে যা দিবা হ্যা তাই বাজায়া দ্যাখাইবো।... তরা বুঝছ না, হাত কি বাজাইব, বাজায় গিয়া মন; পেরথম নিজেরে বাজান শিখ, শ্যাষম্যাষ যা ধরছ হেই বাইজা উঠব'। ... 'যহন মনিষ্যি আছিলো না, তহন বাজনা আছিলো; পর্বত বাইজা উঠছে, জল বাইজা উঠছে, মাটি বাইজা উঠছে, ধরিত্রি বাইজা উঠছে, বাইজা উঠছে আকাশ। তারপর স্যান বাইজা উঠলো মনুষ্যজন্ম, বাইজা উঠলো মনুষ্যধর্ম, মানবজীবন...।'
যেন এক দারিদ্রপীড়িত ঢাকি নয়, এক দার্শনিকের কথা শুনছি আমরা। (ব্যক্তিগতভাবে আমি নিজেও এমন এক ঢাকির দেখা পেয়েছিলাম, যে বিশ্বাস করে- তার মৃদঙ্গ কথা বলে! একদিন আমাদেরকে সেই অভাবিত কথাবলা মৃদঙ্গ বাজিয়ে শুনিয়েছিল সে, আর আমরা স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম!)
শুধু কি তাই? ভাষাহীন-মূক প্রাকৃতিক অনুষঙ্গেরও ভাষা বোঝে হৈরব। যখন নিজের কাছে কাঁদতে বসে, এমন সব ভাবনায় সে আমাদের চমকিত করে, যে মনে হয়- কিছুই আর ভাষাহীন নয়, সবই যেন কথা বলে ওঠে তার কাছে। তার কান্নাটিও তাই হয়ে ওঠে ভীষণ তাৎপর্যময়-
'ঈশ্বর, ঈশ্বর আমারে তুইলা নাও-' হৈরব নিজের কাছে কাঁদবে বলে পা বিছিয়ে বসে। কতো কথা মনে পড়ে, মরে পড়ে সিরাজদিখাঁর সেই পাতক্ষীরের কথা, জিভে স্বাদ লেগে আছে এখনো। মনে পড়ে রামপালের কলামুলোর কথা, গাদি ঘাটের কুমড়ো, আড়িয়লবিলের কই মাছ, কত কিছু। আতরপাড়ার সেই দই, আহারে সব গেল কোথায়। ...গোটাগ্রাম জুড়ে ছিল কদমের বন, বর্ষার নদী ধীরে মন্থর গতিতে ফেঁপে ফেঁপে উঠে শেষে কদমের বনে গিয়ে ইচ্ছে করে পথ হারিযে 'এ আমার কি হল গো' ভান ধরে ছেলেমানুষিতে মেতে উঠতো। এখন গ্রাম কি গ্রাম উজার; দেশলাইয়ের কারখানা গিলে ফেলেছে সবকিছু। কদমের সে বনও নেই, নদীর সেই ছেলেমানুষিও নেই; এখন ইচ্ছে হলো তো এক ধারসে সব ভাসিয়ে দিলো, সবকিছু ধ্বংস করে দিলো, 'আমি তোমাদের কে, আমার যা ইচ্ছে তাই করবো' ভাবখানা এমন।
কিন্তু এসব ভেবেই কি বসে থাকলে চলে? গনিমিয়া তার পাওনা টাকার তাগাদা দিতে আসে নিয়মিতই। 'দয়া'র জন্য সুবিধা করতে পারে না অবশ্য। অবশেষে 'দয়া'র রংঢংয়ের কাছে হেরে গিয়ে 'বাজনা' শুনতে চায়। হৈরবের ছেলে ভৈরব এবার বাপের মতো করেই ঢাকে আওয়াজ তোলে-
'যহন মনিষ্যি আছিলো না, তহন বাজনা আছিলো, পর্বত বাইজা উঠছে, জল বাইজা উঠছে, মাটি বাইজা উঠছে, ধরিত্রি বাইজা উঠছে, বাইজা উঠছে আকাশ বাইজা উঠছে মনুষ্যজন্ম, বাইজা উঠছে মনুষ্যধর্ম, বাইজা উঠছে মানবজীবন, ...বাবু হুনতাছেন? ঢাকে কেমনে কথা কইতাছে হুইনা দ্যাহেন। দশখুশি বাবু, চৌদ্দমাত্রা, মানবজীবন কথা কইতাছে বাবু! দশখুশি বাবু, চৌদ্দমাত্রা, মনুষ্যধর্ম বোল তুলতাছে, আখিজলে আখিজলে, টলমল টলমল, ধরাতর ধরাতল, রসাতল, হা'
ঢাকের বাজনা নিছক বাজনা তো নয় ঢাকীদের কাছে, তাদের হাতে মানবজীবন বেজে ওঠে, বেজে ওঠে মনুষ্যধর্ম। পাহাড় বাজে, ধরিত্রি বাজে, জল-মাটি-আকাশ বাজে। ভৈরবের এমনতর বাজনাতে গনি মিয়া ভয় পেয়ে যায়, কারণ ভৈরব যেন এখন আর ঢাক বাজাচ্ছে না, বাজাচ্ছে অন্য কিছু- 'ফিরান দিয়া বহেন,..দশখুশি বাজাই দ্যাহেন ক্যামনে, মাইনষের চামড়ার ছানিতে দ্যাহেন কেমুন বাজে...'- যেন স্বয়ং মানুষকেই বাজিয়ে চলেছে সে তার সমস্ত আক্রোশ মিটিয়ে। কিন্তু একসময়-
'গনি মিয়ার পিঠ নয়, পরিশ্রান্ত ভৈরব একসময় অবাক বিস্ময়ে দেখে এতোক্ষণ সে তার নিজের ঢাকের গায়েই সর্বশক্তি দিয়ে আঘাত হেনেছে; চামড়ার দেয়াল আর ছানি ফেঁসে গেছে, চুরচুর হয়ে ছিটকে পড়েছে টনটনে আমকাঠ, বেঘোরে নিজের ঢাকটাকেই চুরমার করেছে এতোক্ষণ।'
গল্পের মুখ ঘুরে যায় আবার। নিপীড়িত হৈরব বা ভৈরবদের হাতে ওই গনি মিয়াদের পিঠের চামড়ার দুরবস্থা দেখে যখন একটু খুশি হওয়ার কথা ভাববেন পাঠক তখনই লেখক দেখিয়ে দেন- গনি মিয়ার পিঠ নয়, ভৈরব নিজের ঢাকটারই বারোটা বাজিয়েছে এতোক্ষণ। ইচ্ছে করলেই তো নিপীড়কদের পিঠের চামড়া তুলে নেওয়া সম্ভব নয়, ওটা শ্লোগানে সম্ভব, কিংবা সম্ভব তথাকথিত বিপ্লবী লেকখদের ইচ্ছেপূরণের গল্পে। মাহমুদুল হক শ্লোগানে বিশ্বাসী নন, বিপ্লবীও নন, তিনি কেবল মানুষের প্রকৃত রূপটি আবিষ্কার করতে চান।
সমাজ-বাস্তবতার রূপ যারা খুঁজতে চান শিল্প-সাহিত্যে, তাদের জন্য সব ধরনের উপকরণ রেখে দিয়েও এই গল্পকে তিনি নিয়ে গেছেন শিল্পসফলতার তুঙ্গে। সকল বাস্তবতা বুঝেও আমাদের মন পড়ে থাকে হৈরবের অসামান্য দার্শনিকতার কাছে, মাহমুদুল হকের অপ্রতিদ্বন্দ্বী বর্ণনা আমাদেরকে ঘোরগ্রস্থ করে রাখে দিনের পর দিন-
'এক একবার বিস্তীর্ণ দুপুর ঝনঝন করে বেজে ওঠে। ঝলসানো গাছপালা মুখ নিচু করে আচ্ছন্নপ্রায় দাঁড়িয়ে থাকে। এরই মাঝে এক একটি গন্ধ নেশার মতো জড়িয়ে ধরে হৈরবকে, সে বুঝতে পারে বৌনার ডালে ডালে এখন মঞ্জরি, কী আনন্দ, কী আনন্দ, ঝাঁকে ঝাঁকে মৌমাছি নামে। এক একটা গন্ধ এমন এক একটা স্মৃতি, যাতে নখের কোনো আঁচড় নেই, দাঁতের কোনো দাগ নেই, ছিমছাম, নির্ভার, অবিরল। কাঠালের মুচির গন্ধে হৈরবের বুক গুমরে ওঠে। টুনটুনি পাখি চিরকালই তার চোখে একটা আশ্চর্য প্রাণী, যেমন কাচকি মাছ; এই তো একফোঁটা অথচ এরাও কী স্বচ্ছন্দে বেঁচে থাকে, তাল মিলিয়ে বংশ বৃদ্ধি করে চলে। একটা টুনটুনি, যার ঠোঁটে তুলো, চোখে রাজ্যের বিস্ময়, আকন্দগাছের শাখায় দোল খেয়ে ফরফর করে একদিকে উড়ে যায়; হৈরবের মনে শিশিরের ছোঁয়ায় পদ্মকোরক শিরশির করে ওঠে, ঐ যে তিনি, তিনি নিরভিমান, তিনি নম্র, তিনি ব্যাকুল, তিনি বলেন আমি একফোঁটা, আমি তুচ্ছ, অতিতুচ্ছ।... ঈশ্বর, ঈশ্বর আমারে তুইলা নাও- হৈরব নিজের কাছে কাঁদবে বলে পা বিছিয়ে বসে। কতো কথা মনে পড়ে... সবকিছু দেখে, সব কথা ভেবে হৈরব এই সিদ্ধান্তেই পৌঁছায়, অনেক কিছু তার দেখা হয়ে গেছে, অনেক, অনেক, আর দরকার নেই তার দেখার- চক্ষু তো এই দুইখান, আর কতো দেখাইবা, ঈশ্বর, আমারে তুইল্লা নাও।... জীবনের কি খাঁই, কতো কিছু তার চাই, আজ আর তার কোথাও বাঁশপাতার কোনো গন্ধ লেগে নেই, উইঢিপির গন্ধ নেই, এ্যাওলাশ্যাওলার গন্ধেও কতো আত্নীয়স্বজন, কতো পালাপার্বণ, কতো জন্মমৃতু্যর স্মৃতি ভুরভুর করেছে একসময়। জীবনের এখন গণ্ডা গণ্ডা মাথা, গণ্ডা গণ্ডা চোখ, হাত, নখ, দাঁত; রাবণ কোন ছার; জীবনের এখন সবকিছু চাই, কেবল ভালোবাসা ছাড়া, যতো কিছু আছে সব...। ঈশ্বর আমারে তুইলা নাও- গলায় আকন্দের মালা পরে 'হে বিরিক্ষ এ অধমের পেন্নাম লইবেননি, হে হনুমানসকল, আপনেরা খুশি থাকিলেই বিশ্ব সংসার লীলাময় হয়, 'আহা সরলতার কিবা দিব্যকান্তি, মরি মরি' আপন মনে এইসব বলে আর কেউ একা একা কেঁদে ফিরবো না দেবদারু বনে, আর কেউ চৌতালে, একতালায়, টেওটে, ত্রিতালে, ঝাঁপতালে, ঠুমরি ঠেকায় ঢাকে বর্ষাভর ডাহুকের ডাক বাজাবে না, ঈশ্বর হৈরবরে তুমি তুইলা নাও-'
নিজেকে মাঝে মাঝে হৈরবের মতো মনে হয় আমার। মনে হয়- 'আহা সরলতার কিবা দিব্যকান্তি'... মনে হয়, মাটিতে পা বিছিয়ে বসি, বলি- চক্ষু তো এই দুইখান, আর কতো দেখাইবা, ঈশ্বর...
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্পপাঠ, প্রিয় গল্প ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
ভাল থাকবেন সবসময়।লেখক বলেছেন: থ্যাংস রন্টি।
আপনি আছেন কেমন?
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
চক্ষু মুজার আগ পর্যন্ত এই শাস্তি চলবরে মমিন।
লেখক বলেছেন: হ! ![]()
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
পড়ি নাই ; দেখি পাই কিনা ! "চক্ষু তো এই দুইখান, আর কতো দেখাইবা, ঈশ্বর... "
অসাধারণ .......
লেখক বলেছেন: কি পড়ো নাই? গল্প, নাকি এই লেখা? এই লেখা না পড়ে থাকলে এক্ষুণি পড়ো। ফাঁকিবাজ পোলাপান, 'বড়ো' লেখা পড়তে চায় না...![]()
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
বাহ ভাইয়া বললাম দেখি পাই কিনা ।এই লেখা হলে সেটা কেন বলবো !! আর আপনি বরং আমার লাস্ট পোস্টে আপনার কমেন্টের অ্যান্সার পড়েন নাই ,তার আগে আমি অনেক কষ্ট করে একটা মন্দা নিয়ে লেখছি ,সেটা খোলেন ও নাই ।আমি কিছু বলছি আপনাকে ??কিছু বলি নাই ,খালি খেয়ালে রাখছি
লেখক বলেছেন: খাইছে, এই মেয়ে কি কইতে চায় আমারে! ![]()
মন্দা নিয়ে লেখা? পড়েছি তো, কিছু বলা হয়নি- এই আর কি! এরকম তো আমার প্রায়ই হয়, জানোই তো... ![]()
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
ভাল নেই খুব একটা।জীবন নানা কারনে বিপর্যস্ত করে দিচ্ছে। রীতিমত পরীক্ষা দিচ্ছি ধৈর্যের।
তবে, মনে হয় কেটে যাবে দুঃসময়।
লেখক বলেছেন: দুঃসময় কেটে যাক, শুভকামনা রইলো।
সময় করে একটা মেইল করবো আপনাকে, কিছু কথা বলার আছে...
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
এই গল্প পড়া হয় নাই। বইয়ের নাম হৈরব আর ভৈরব?
লেখক বলেছেন: না, বইয়ের নাম 'প্রতিদিন একটি রুমাল'। এটাই তাঁর জীবনকালের একমাত্র গল্পগ্রন্থ।
অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্যের জন্য প্রথমেই ক্ষমাপ্রার্থী।
ঢাকের কাঠি দিয়া পিটাইলেও মনে লয় চলব....
লেখক বলেছেন: মেজাজ যে চরমে উঠে আছে, সেটা কমেন্ট পড়েই বোঝা গেল, মেঘ!
ব্লগে আপনাকে দেখে অনেক ভালো লাগছে।
~~~~~~~~~~~~~~
লেখাটা টোকা দিচ্ছে মাথার মধ্যে।
লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা...
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
আমার খুবই পছন্দের একটি ছোটগল্প। এবং সবচেয়ে রোমাঞ্চিত ঘটনা হচ্ছে আমি এই গল্প দিয়েই মাহমুদুল হক পড়া শুরু করেছি। অসাধারণ এই বাক্যে আমি স্তব্ধ হয়েছিলাম অনেক্ষণ-জীবনের এখন গণ্ডা গণ্ডা মাথা, গণ্ডা গণ্ডা চোখ, হাত, নখ, দাঁত; রাবণ কোন ছার; জীবনের এখন সবকিছু চাই, কেবল ভালোবাসা ছাড়া, যতো কিছু আছে সব...।
আমরা কোন ব্লগারকে হারাতে চাই না।
লেখক বলেছেন: আমার বিবেচনায়, এই গল্পটি বাংলা গল্পসাহিত্যের অন্যতম সেরা একটা গল্প। আর সেরা বাংলা গল্প মানেই বিশ্বসাহিত্যের সেরা গল্প। অন্তত ছোটগল্পের দিক থেকে বাংলাসাহিত্য বিশ্বের যে কোনো সাহিত্যের সঙ্গে তুলনীয়!
যে দুটো লাইন ধরেছেন সেটি আমি প্রায়ই আউরাই। গল্পটাই ঝিম ধরানো আসলে, কোন অংশ ছেড়ে কোনটার কথা বলবো!
-----------
ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: কী আর বলবো!
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
আমার সৌভাগ্য।তবে, আর যাই করেন, কোন ব্যাড নিউজ দিয়েন না। অনেকদিন ধরে খালি খারাপ খবর পাই, আর খারাপ খবরের ভয়ে তটস্থ থাকি। একটা প্রেসার কুকার হয়ে আছে মাথাটা।
লেখক বলেছেন: নাহ, নতুন করে আর কী খারাপ খবর দেবো! সব তো জানেনই।... আপনি আমার রাত জাগার ব্যাপারটা নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন অনেকদিন আগে, আমি কথা দিয়েছিলাম- সময় হলে বলবো। এখন সেই সময় এসেছে। মেইলটা সেই বিষয় নিয়েই।
লেখক বলেছেন: সেটাই!
অদ্রোহ বলেছেন:
কেমন জানি একটা ঘোর লাগানো লেখা,আমরা সবাই বোধহয় হৈরবের মতই চক্রে আটকে গেছি,বেরোতে পারছিনা কিছুতেই।
লেখক বলেছেন: চক্র নয়রে ভাই, এই-ই জীবন!
লেখক বলেছেন: পছন্দ মিলে গেল!
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
আহা সরলতার কিবা দিব্যকান্তি'... মনে হয়, মাটিতে পা বিছিয়ে বসি, বলি- চক্ষু তো এই দুইখান, আর কতো দেখাইবা, ঈশ্বর... গল্পের চমৎকার বিশ্লেষণ হইছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শামীম।
কঁাকন বলেছেন:
ভালো থাকুন
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস। আপনার জন্যও শুভকামনা।
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন:
আপাতত দৌড়ের উপর আছি হালকা চোখ বুলায়ে কিছুই বুঝলাম না। দেখি পরে পড়ে কিছু মাথা য় ডুকে কিনা।ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: এত রাতে দৌড়ের ওপর আছো কেন? পরীক্ষা তো শেষ! ফাঁকিবাজ পোলাপান মিথ্যেটাও ঠিকমতো বলতে শিখলো না!
![]()
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
আমারও আউলা লাগলো লেখাটা পড়ে। গল্পের অর্ধেক আমেজ পেলাম, তাতেই মুগ্ধ হলাম। আজকাল কোনকিছু গায়ে লাগে না, উপর দিয়ে বয়ে চলে যায়। তারপরে হঠাৎ চমক ভাঙে, টের পাই যা যা বয়ে গেছে তা শরীরে, মনে গভীর দাগ ফেলে গেছে। আমার স্নায়ুই আমাকে বাঁচাতে সেই খবর মস্তিষ্কে পৌঁছে জানায়নি। সারা শরীরে টানা টানা ক্ষতচিহ্ন। আর ভাল লাগে না এই ব্লগের মারামারি কাটাকাটি। সবকিছু মিলিয়েই আমাদের মাঝের নীচতা কেন প্রকট হয়ে ওঠে?
লেখক বলেছেন: আপনার অবস্থা তো জটিল মনে হচ্ছে, ছন্ন! জীবনের কোনো ট্র্যানজিশন পিরিয়ডের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন নাকি?
-----------
ব্লগের ক্যাচালগুলো আমি সর্বদাই পরিহার করে চলতে চাই, অসহ্য লাগে বলে। সবসময় পারা যায় না, এই আর কি!
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
ট্র্যানজিশন কিনা জানি না। এরকম বোধ আমি গত দুইবছর ধরে অনুভব করছি। কখনো কম, কখনো বেশি, এই যা। সয়ে গেছে বলা যায়। মাঝে মাঝে খালি 'অভিজ্ঞতা' শেয়ার করার খায়েশ হয় আর কি!আমিও পরিহার করি, মানসিক সুস্থতা টিঁকায় রাখতে এগুলো পরিহার করাই দরকার। আমার মতে এখানে সবাই যার যার নিজের ভার নিতে সক্ষম। তারপরেও কথা থাকে বলেই মাঝে মাঝে কথা বলাই লাগে।
লেখক বলেছেন: ট্র্যানজিশন-ই বোধহয়! এই সময়টা জটিল ধরনের, ভবিষ্যতের পথ ঠিক করে দেবে এই সময়টিই!
---------
হ্যাঁ, এড়াতে চাইলেও পারা যায় না সবসময়!
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন:
আমার মত দুর্ভাগ্যবান আর কয় জন আছে পরীক্ষা শেষ না রবিবারে পরীক্ষা আর পরীক্ষার পর প্রেজেন্টেশন আছে কান্নতে কান্নতে শেষ আমি শুক্রবারেও খোদাদাদ স্যারের ম্যাথ পরীক্ষা দিসি
শান্তি নাই
লেখক বলেছেন: আহারে!
তনুজা বলেছেন:
অবাক বিস্ময়ে দেখে এতোক্ষণ সে তার নিজের ঢাকের গায়েই সর্বশক্তি দিয়ে আঘাত হেনেছে; চামড়ার দেয়াল আর ছানি ফেঁসে গেছে, চুরচুর হয়ে ছিটকে পড়েছে টনটনে আমকাঠ, বেঘোরে নিজের ঢাকটাকেই চুরমার করেছে এতোক্ষণ।' শুক্তি সেঁচে তুলে আনলেন কামাল ভাই -মাইন্ডব্লোয়িং
মূলগল্প পড়লে বোধহয় এতো নজরে আসতো না
যাক কমেন্টের যখন বেশি কিছু নেই টাইপোগুলোই ধরিয়ে দিই না হয়
ঢাকঢোল তার জীবন ও জীবীকা -----জীবিকা
বিধাব পিসি আর মায়ের কলহ দেখতে দেখতে ত্যক্ত-বিরক্ত ভৈরব --বিধবা
এখন গ্রাম কি গ্রাম উজার --উজাড়
কিংবা সম্ভব তথাকথিত বিপ্লবী লেকখদের ইচ্ছেপূরণের গল্পে -- লেখকদের
কতো জন্মমৃতু্যর স্মৃতি ভুরভুর করেছে একসময় -জন্মমৃত্যুর
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
------
যে টাইপোগুলো ধরেছেন, তার প্রথমটি বানান ভুল। অর্থাৎ আমি ভুলই লিখেছি! পরেরগুলো টাইপো।
ভুলটা শুধরালাম না! থাক ওভাবে! বানানের ব্যাপারে সোচ্চারকণ্ঠ আমোকাও যে ভুল করে, তার একটা প্রমাণ না হয় রয়েই যাক!আপনার সূক্ষদৃষ্টির প্রতি সম্মানপ্রদর্শনপূর্বকই ভুলগুলো 'ভুল' হিসেবে রেখে দেয়া দরকার, নইলে পাঠকরা বুঝবে কিভাবে, আপনি ঠিক কোথায় ভুল ধরেছিলেন!
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, তনুজা।
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
মাহমুদুল হকের লেখা পড়া হয় নাই। গল্পটার যেটুকু অংশ আপনি লিখলেন.. তাতেই লোভ হচ্ছে, এখনই গিয়ে পড়ে ফেলি। ব্লগের ক্যাঁচাল আর ভালো লাগে না। আমরা-আমরা নিজেরা মারা-মারি করে অন্যদের সুবিধা করে দিচ্ছি। এটা দু:খজনক। ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: মাহমুদুল হককে না পড়লে বাংলাসাহিত্যের পাঠটা যে অসম্পূর্ণ থেকে যায় ভাই। পড়বেন আশা করি...
কৌশিক বলেছেন:
মুক্ত বয়ান বলেছেন: মাহমুদুল হকের লেখা পড়া হয় নাই। গল্পটার যেটুকু অংশ আপনি লিখলেন.. তাতেই লোভ হচ্ছে, এখনই গিয়ে পড়ে ফেলি।
লেখক বলেছেন: ওটা তো মুক্ত বয়ান বলেছেন, আপনি কি বললেন?
আমার লেখার ব্যাপারে যে আপনার কিছুই বলার নেই, সেইটা মনে করিয়ে দিলেন নাকি কৌশিকদা!?
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন:
মাহমুদুল হকের এই লেখাটা পড়া হয়নি। আপনার আলোচনায় গল্পটা পড়া হয়ে গেলো।
তবে আপনার একটি গল্পের কথা মনে পড়ে গেলো। মাহমুদুল হক ঢাকিদের কথা তুলে এনেছেন। আবার আপনি তুলে এনেছেন যাত্রা শিল্পিদের কথা।
"মুধুবাবুদের আশ্চর্য কান্না" আপনার এক অদ্ভুদ গল্প।
কিছু লাইনের কথা উল্লেখ করতেই পারি। যাত্রাশিল্পীদের যাত্রা গুলো থাকতো বেদনায় ভরা। কান্নায় যাতে মানুষ ভেঙে পড়ে; গল্পের চরিত্র মধুবাবু এক সময় সেই চেষ্টাই করতেন।এবং তিনি সফলও হয়েছিলেন। মানুষ তার যাত্রা দেখে কেঁদে বুক ফাঁটাতেন।
"মধুবাবু একসময় প্রশ্ন করেন, মানুষের এত দুঃখ-কষ্ট, এতো বেদনা, এত হাহাকার, এত অভাব-অভিযোগ, এত সমস্যা-সংকট, এত অনিশ্চিত জীবন-তাও মানুষ কান্দে না ক্যান?
মানুষেরতো সবসময়ই কান্দার কথা।"
এই প্রশ্নের উত্তর মধুবাবু তার দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমেই বর্ণনা করেছেন,
"কান্দে না কেন জানেন? আসলে কানতে পারে না। চাইলেও পারে না। কান্দাডা এত সহজ ব্যাপার না গো দাদারা। শরীর কাইটা রক্ত বাইর করানোর চেয়ে চোখ ফাইটা জল বাইরানো কঠিন। মানুষ তো কানতে চায়, কাইন্দা বুকের ভার হালকা করতে চায়, আমি খালি সেই সুযোগডা কইরা দেই, এমনভাবে পালা লেখি য্যান তাগো মনে অয়-এসবই তাগো জীবনের কথা, য্যান দেইখা মন ভইরা কানতে পারে। মানুষ কান্দে, মন হালকা কইরা বাড়ি ফিরে যায়। আর আমি ভাবি, এই এ্যাতগুলা মানুষের মন আইজকা হালকা কইরা দিলাম। অ্যাক্টরগো কই- তোমরা আইজ অনেক বড় পূণ্য করছো, মানুষের বুকের ভার নামায়া দিছো, পরকালে তোমাগো স্বর্গপ্রাপ্তি নিশ্চিত। "
-------------------------------------------------------------------------
হয়তো মন্তব্যটা অপ্রাশঙ্গিক মনে হবে। তারপরও মাহমুদুল হকের গল্পটি কথা পড়তে গিয়ে মধুবাবুদের কথাও মনে গেলো। এরকম আরও কতো যে শিল্পী আছে! দিন দিন শিল্পও হারিয়ে যাচ্ছে; যাচ্ছে শিল্পীরাও।
তবে আমাদের জীবনে কোনো মধুবাবু নেই যাদের পালা দেখে কেঁদে নিজের ভার মনটা হালকা করতে পারতাম!
লেখক বলেছেন: মন্তব্য অপ্রাসঙ্গিক হয়নি। কষ্ট করে যে আমার গল্প থেকে এতখানি অংশ তুলে দিয়েছো, আমি তাতে অভিভূত!
আমাদের গ্রামগঞ্জে এই শিল্পীরা ছড়িয়ে ছিলেন-আছেন। যদিও নানা জটিলতায় নিজেদের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে গেছে তাদের, শিল্পরক্ষা হবে কি করে?
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
আমিও আশা করি, মাসুম ভাই শীঘ্রই ফিরবেন।
দুরের পাখি বলেছেন:
আগে পইড়া গেছিলাম । শোকেইসড ও করছি । আপনে মিয়া মানুষডা ভালানা । একেকডা বিশ্লেষণ লেখেন আর আমার ইমিডিয়েট ঐ লেখকের/কবির লেখা পড়তাম মন্চায় । দেশে হৈলে শাহবাগ বাংলাবাজার থাইকা কিন্যা আনতাম । এইখানে কই পাই ?!
লেখক বলেছেন: কী আর করবেন, দুধের সাধ ঘোলে মিটান! গল্প/কবিতা তো পড়াইতে পারুম না, কবিতা/গল্পের বিশ্লেষণ পড়েন!! দেশে আইসা লেখক/কবির লেখা পইড়েন!
নুশেরা বলেছেন:
এই গল্পটা যতবার পড়েছি গায়ে কাঁটা দিয়েছে... ... "প্রতিদিন একটি রুমাল"-এর বাকী গল্পগুলো আলাদাভাবে পড়তে হয়েছে প্রতিবার। "হৈরব ও ভৈরব"-এর সঙ্গে একবারে পড়তে পারিনি কখনোই। মাহমুদুল হক এই গল্পটাকে উপন্যাসের বিস্তৃতি দিলেন না কেন, সামান্য পাঠক হিসেবে অবাক হই, ক্ষুব্ধও। এটাও মনে হয়; এ শুধু তাঁর পক্ষেই সম্ভব... এই নিস্পৃহতা... নিজের ক্ষমতা সম্পর্কে এমন নিরাবেগ উদাসীনতা... ...আপনার বিশ্লেষণ লেখকের বয়ানের মতোই নির্মোহ। "মাহমুদুল হক শ্লোগানে বিশ্বাসী নন, বিপ্লবীও নন, তিনি কেবল মানুষের প্রকৃত রূপটি আবিষ্কার করতে চান"-- এককথায় মাহমুদুল হকের লেখনীকে চিনিয়ে দিলেন। বিশ্লেষণের জন্য গল্প থেকে যেটুকু বেছে নিয়েছেন; ঢাকের বোলের "সম"। দুরূহ কাজ নিঃসন্দেহে। অসাধারণ গল্পের অসামান্য বিশ্লেষণ।
===========================================
এই গল্পটার কথা এলেই আমার শৈশবে দেখা গ্রামের দুই যমজ ভাইয়ের কথা মনে পড়ে; জীবন ঢাকী, পবন ঢাকী। গাছি-র কাজ করতে আমাদের বাড়ীতে এলে ঢাকের বোল শিখতে চাইতাম। মনে পড়ে, একবার ঝুমুরের বোল শিখিয়েছিলেন এভাবে, "এক ধামা চাল একটা কদু..."। এটা কী করে বোল হয়? জবাবে যা বলেছিলেন তখন বুঝিনি; বহুবছর পর মাহমুদুল হকের হৈরব বুঝিয়েছে জীবনের খাঁই ঢাকের বোলও গ্রাস করেছিল...
===========================================
কামালভাই, আপনি বোধহয় একটু ডিস্টার্বড... (প্রসঙ্গ- বানান, টাইপো)। লেখায় ফিরে আসুন, শুভকামনা রইল।
লেখক বলেছেন: চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ নুশেরা।
হ্যাঁ, একটু ডিস্টার্বড আছি, বটে। কিন্তু আপনার কি অবস্থা, টাইপো তো আপনার মন্তব্যেও দেখা যাচ্ছে!
নুশেরা বলেছেন:
অফটপিক: আমিও ডিস্টার্বড... ... টেনশিত ছিলাম খানিকটা। একটা ঘটকালি করলাম; শেষ পর্যন্ত কী হয়, দুশ্চিন্তা হচ্ছিল। এই মাত্র খবর পেলাম, বিয়েটা হয়েছে (ঢাকায়)।অনটপিক: টাইপো ধরিয়ে দিলেন না কেন! কতোজনকে দেন, শুধু আমাকেই দিলেন না
লেখক বলেছেন: ঘটকালি করলেন, আর ঘটকই বিয়েতে থাকলেন না, খবর পেলেন বিয়ে যাবার পর, কেমনতর ঘটক!!!!
[আপনাকে টাইপো ধরিয়ে দেয়ার সাহস নেই, বানান-বিশেষজ্ঞ হিসেবে আপনিই ব্লগ-সেরা। তাঁকে টাইপো ধরিয়ে দেবো কোন সাহসে?]
নুশেরা বলেছেন:
জানেন না তো, আসর থেকেও কতো বিয়ে বাতিল হয়ে যায়! তাই চূড়ান্ত খবর পাওয়া পর্যন্ত দুশ্চিন্তারই কথা। ঘটকালি করেছি অনলাইনে; মাত্র গত সপ্তাহেই করলাম [
লেখক বলেছেন: পোস্টে কমেন্টসংখ্যা এমনিতেই কম (সকলে তো আপনার মতো কমেন্টপ্রাপ্তি ভাগ্য নিয়ে জন্মায় না!), তারওপর আবার কমেন্ট মোছার অনুরোধ! রাখতে পারলাম না বলে আনন্দিত! ![]()
নুশেরা বলেছেন:
কামালভাই, আমি পুলাপান নিয়া আপ্নের পোস্টে আইসা কমেন্ট ফ্লাডিং করতেসি কইলাম। তখন কাইন্দা কুল পাইবেন না। একটা কমেন্ট মুছলে দশটা কমেন্ট দেয়া হইব। রক্তবীজ অসুর ট্রিটমেন্ট। খিয়াল কৈরা কিন্তু!
লেখক বলেছেন: পুলাপানের ডর দেখান ক্যান? ফেলাডিঙ করতে চাইলে করেন, আমি চুপ মাইরা দেখুম, পরে সবাইরে দেখায়া কমু- এই যে দ্যাখেন, আমার পোস্টে কতো কমেন্ট আসে! আমি নুশেরার চেয়ে পপুলার! ![]()
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
তনুজা বলেছেন: শুক্তি সেঁচে তুলে আনলেন কামাল ভাই -মাইন্ডব্লোয়িং
মূলগল্প পড়লে বোধহয় এতো নজরে আসতো না
নুশেরা বলেছেন:
অসাধারণ গল্পের অসামান্য বিশ্লেষণ।
১০০ ভাগ সহমত। এত চমৎকার বিশ্লেষন। খুব ভালো লেগেছে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই।
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
হ্যা কামাল ভাই ভালো তো ? শরীর ভালো ? মন ভালো ?- কমেন্ট ট্রিটমেন্ট শুরু এখান থেকে ।
নুশেরা বলেছেন:
কামালভাই, গাছটা তো শুকায়া শ্যাষ! পানি দেন না ক্যান?
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
কেরাম আছেন কামাল্ভাই?
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন:
গরম পানির রেসিপিটা জানি কে দিছিল?
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
নুশেরা আপু পানি না দিয়ে কামাল ভাই একটা জিনিস প্রমাণ করতে চান । কি প্রমাণ করতে চান তা এখানে গেলেই বুঝবেন Click This Link
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
আরে জয় মিয়া পানির রেসিপি চাইলে নতুন দেয়া হবে ।তবে গাছে কি গরম পানি দেয়া ঠিক ?
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
হু ট্যাং খাইতে মন চায়
নুশেরা বলেছেন:
কামালভাই, মৃন্ময়ীআফায় কেরাম আছে?
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
ইনি কে ? মৃণ্ময়ী আফা কে নুশেরাপু ?
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
ট্যাংএর রেসিপি দিবো কিডা?
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
আমরাই দিবো দরকার পড়লে
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন:
কামাল ভাইয়ের গল্পটা যে আমারে পইড়া শুনাবে, আমি তারে কল দিব, কে শুনাবে হাত তুলো (আমার প্রচন্ড মাথা ব্যথা, পড়তে ইচ্ছা করতেছে, পারতেছিনা
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
হ মৃণ্ময়ী আফা কেডা? নুশেরান্টি ঝাতি কে ঝানাউক।
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
হ মিনু আফা (আদর কৈরা ছুডু কৈরা দিলাম) য় কেডা , কৈ থাকে ? কামাল ভাই এর সাথে তার কি কাম ?
নুশেরা বলেছেন:
মিন্মইআফারে চিনোনা এপু! তুমি কিসব বিশ্বমন্দাফন্দা নিয়া আছো, জানবা ক্যাম্নে এইসব... ...
তেনি হইলেন গিয়া স্যারের নিচক ফ্রেমের গফের নাইকা। আইচ্ছা থাউক, এগুলান ছুড পুলাপানের পড়া ঠিক না
রোহান বলেছেন:
নুশেরাপু আবার ডাইকা আনছে তয় গল্প কিন্তু আগেই পইড়া গেছি কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: হ মৃণ্ময়ী আফা কেডা? নুশেরান্টি ঝাতি কে ঝানাউক।
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
অ নায়িকা !! সে স্যারের নায়িকা না , গপ্পের নায়িকা । সাসপেন্স ই গেলো গা ।স্যারে যেমনে নারীরা না ফেরা নিয়া বিজি আছেন আমি ভাবলাম মিনু আফায়ই সেই ক্রিমিনাল কি না !!
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
আমি একটু গেলাম , ডিপার্টমেন্টে কাম আছে ।ফিরা আইসা আবার অ্যাটাকে নামবো ।ব্রেক
নুশেরা বলেছেন:
হে হে হে, এপুমণি, এই গফের ইসপেশালিটি হ্যাজ। এইখানেও আফায় হাজিরা দিছে, খুউব খিয়াল কৈরা Click This Link
নুশেরা বলেছেন:
কাউয়াঙ্কেল, স্ক্রল কইরা আপাতত ইম্পর্ট্যান্ট(
নুশেরা বলেছেন:
কাঁকনাও আইছে। কে আছোস, ওরে চা-চু-ভাত-ভুত যা পারোস দে!এই পোস্টে কমেন্টের আসর বসাইতে হবে কাঁকনবিবি। কেন, তা জানতে হইলে স্ক্রল কইরা উপরে যাও।
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন:
নুশেরা বলেছেন: কাউয়াঙ্কেল, পোস্ট দেখে তোরা করিসনে ভয়, আড়ালে তার ঘোস্ট হাসে নুশেরার কবিতা সমগ্রে যোগ হইলো ...
নুশেরা বলেছেন:
হোস্ট এইখানে। চা না ট্যাং কিসের মইদ্যে সানাই চুবায়া খাইতেসেন।http://www.amkamalbd.com/
কঁাকন বলেছেন:
একা একা খাইলে হবে আমাদের দেয়া লাগপে না?
কঁাকন বলেছেন:
কেন সানাই থাকলে সমস্যা কি
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
ইজি থাক্তাম ছাই, কেম্নে থাক্মু....
নুশেরা বলেছেন:
কাউয়াঙ্কেল, ইজি থাকতে হইলে বিজি থাকতে হইবো। আর বিজি থাকতে হইলে আমারে পুস্টার সাইজ ছবিসহ বায়োডাটা মেইল করতে হইবো
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
আন্টি ফেবুকে আছেন্না? আমি আপ্নেরে এ্যডাইতেছি।
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
ফেবুতে আমার সবকিছু আছে। আমার ফটুক, বাপের ফটুক, মায়ের ফটুক, বৈন্দের ফটুক, ভাগ্নির ফটুক সবের ফটুক আছে।
নুশেরা বলেছেন:
টমরে নিয়া কী করি! অন্যের পুস্টে গেলেই তার খালি খিদা লাগে! আরো বিশপঁচিশটা কমেন্ট করেন, তারপর খানাপিনার চিন্তা কইরেন। আমি আজকা জিলাপী ভাজুম, হে হে হে
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
হৈবো না। সুদুর অস্টেলিয়া বৈসা জিলাপী ভাইজা আম্গোরে লোভ দেখানির টিব্ব দিক্কার।
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন:
৫টা বাইজা গেছে, যাই গা, আধা ঘন্টা পরে আবার মহা সমারোহে আসতেছি মনে হয়, জিলাপী রেডি রাইখেন
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
আপনে যে কামেল লোক সেইটা তো আগে থেইকাই জানি @ নুশেরা! সেলিব্রিটি ব্লগার বইলা কথা!! কমেন্ট ট্রিটমেন্ট/ফ্লাডিং শুরু করার কথা বইলা (৩১ নং মন্তব্য দ্রষ্টব্য) সত্যি সত্যি দেখায়া দিলেন! আমি বাকরুদ্ধ এবং আনন্দিত! তবে, ফ্লাডিং কইরাও মন্তব্যের সংখ্যা এখন্ও আপনের কোনো পোস্টেরই ধারেকাছেও নিতে পারেন নাই!! সেলিব্রিটি জোর কইরা বানানো যায় না গো আফা, কপাল থাকতে হয়। ট্রিটমেন্ট কইরাও আপনে আমারে বানাইতে পারবেন না! আপনে সেলিব্রিটির কপাল নিয়া জন্মাইছেন, সবাইর কি সেই ভাগ্য আছে? সালাম নেন গো সেলিব্রিটি আফা!
কঁাকন বলেছেন:
জিলাপির রেসিপি দিবেনকামাল ভাই আসলে ফুটা লাগবে কেন
উনি কি আমাদের চা-পানি খাওয়াবেন না
উনি কি আতিথিয়তা শব্দটার সাথে পরিচিত না
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
@এপু, মৃন্ময়ী হইলো গিয়া, এই ধরো, একটা কাল্পনিক চরিত্র! বাস্তবে যে কেউ এমন হইলেই আমার প্রেমের গল্প শুরু হইবো!! সবারই চান্স আছে, তুমি নিজের কথাও ভাইবা দেখতে পারো!
কঁাকন বলেছেন:
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: আপনে যে কামেল লোক সেইটা তো আগে থেইকাই জানি @ নুশেরা! সেলিব্রিটি ব্লগার বইলা কথা!! কমেন্ট ট্রিটমেন্ট/ফ্লাডিং শুরু করার কথা বইলা (৩১ নং মন্তব্য দ্রষ্টব্য) সত্যি সত্যি দেখায়া দিলেন! ফ্লাডিং মানে কি
আপ্নি তো ডাইকা আইনা অপমান করতেসেন
আম্রা কত কষ্ট কইরা সুচিন্তিতভাবে মিনু আর সানাইএড় ব্যাপারে গবেষনালব্ধ মন্তব্য করতেসি আর আপ্নি সেগুলারে ফ্লাডিং বললেন
লেখক বলেছেন: ফ্লাডিং শব্দটা নুশেরার, কাঁকন, আমার না! (৩১ নং মন্তব্য দ্রষ্টব্য)
আমি তো ডাকি নাই, আপ্নেরা আইছেন নুশেরার ডাকে!! (আবারও (৩১ নং মন্তব্য দ্রষ্টব্য)
নুশেরা বলেছেন:
সালামডা নিলাম না! আপ্নে ব্যাপক বৈটকারি করছেন কামালভাই, মাত্র তো সোয়া এক ঘন্টা টাইম পাইছি। সকালের টাইমটা মিস করছি। তহন কমেন্টাইলে আপনের আর এই পুস্টে ঢুকাই হইতোনা
লেখক বলেছেন: 'বৈটকারি'টা কি জিনিস? ![]()
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
কামাল্ভাইয়ের ভুই নাই ব্লগ পথ ছারি নাই।আম্নেরে সেলিবিটি বানায়া ছাড়ুম এ দেহে করেন্থাক্তে থাক্তে........
লেখক বলেছেন: লাভ নাই কাউয়া, সেলিব্রিটি কাউরে বানানো যায় না, ওইটা হওনের জন্য কপাল লাগে। এই যেমন আমাগো নুশেরা আফা/আন্টি/নানি!
দুরের পাখি বলেছেন:
কমেন্টের বন্যায় দেখি সব ভাইসা যাইতাছে । কামালদার সেলিব্রেটি না হওনের দুঃখে চুখের জলও ভাইসা যাইবো মনে হৈতাছে আর কিছুক্ষণের মধ্যে ।
লেখক বলেছেন: লাভ নাই পইখ, সেলিব্রিটি কাউরে বানানো যায় না, ওইটা হওনের জন্য কপাল লাগে। এই যেমন আমাগো নুশেরা আফা/আন্টি/নানি!
নুশেরা বলেছেন:
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: @এপু, মৃন্ময়ী হইলো গিয়া, এই ধরো, একটা কাল্পনিক চরিত্র! বাস্তবে যে কেউ এমন হইলেই আমার প্রেমের গল্প শুরু হইবো!! সবারই চান্স আছে, তুমি নিজের কথাও ভাইবা দেখতে পারো! লুলসম্রাট বইলা কী একটা টাইটেল জানি ব্লগে আছে
লেখক বলেছেন: ভাইসকল, নারীজাতির হিংসার নমুনা দেইখা যান! আমি এপুরে কইছি বইলা নুশেরা নানী হিংসায় জ্বইলা যাইতেছে, সেইজন্যে এরাম, অপবাদ দিতেও কার্পন্য করতেছে না!
![]()
কঁাকন বলেছেন:
কামাল ভাই কমেন্টের সংখ্যা বাড়াইতে হইলে নিজেরও কিছু করা লাগে , সবার কমেন্টের জবাব দেন
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
@স্বপ্নজয়, কাঁকন-- খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারটা নুশেরাই দেখাশোনার দায়িত্ব নিছেন। আইজকার এই আয়োজনে নুশেরাই হোস্ট। যা চাইবেন, উনার কাছে চাইবেন। সেলিব্রিটির পক্ষ থেইকা খাওয়া-দাওয়া পাইলে সেইটাতেও সেলিব্রিটির স্বাদ-গন্ধ পাইবেন! আমি গরীব-গুর্বা মানুষ, কি থেইকা কি খাওয়াই তাতে আবার আপনেগো মানসম্মান লয়া টানাটানি পড়বো!
কঁাকন বলেছেন:
নুশেরাপুর অনুমতিক্রমে লুল সম্রাটের পদে কামাল ভাইকে মনোনয়ন দেয়া হোলো রোবোট নানা অনুমতি দিলেই ফাইনাল লেখক বলেছেন: নারীজাতির হিংসা-ঈর্ষার আরেকটা নমুনা দেখেন আপনেরা! ও এপু, তুমি কিছু কও না ক্যান এগুলারে!? ![]()
নুশেরা বলেছেন:
কাঁকনা, কামালভাই হইলেন গিয়া একে বড় লেখক, তায় মাষ্টর, তায় বুদ্ধিজীবি, তার উপর সেলিব্রিটি। উনারা কমেন্ট পায়াই অভ্যস্ত। উনাদের কাছ থিকা কমেন্ট, বা কমেন্টের উত্তর আশা না করাই ভাল
লেখক বলেছেন: আপনে আমারে এতগুলা গালি দিতে পারলেন? ![]()
নুশেরা বলেছেন:
আর খানাপিনা? ফুহ্! ঐসব হইল আলতুফালতু ব্লগারের পুস্টের বিষয়আশয়
কঁাকন বলেছেন:
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: গরীব মাইনষের হাত্থিকা মুড়ি গুড় খাইতাম্ছাইঝিটকার হাজারী গুড় দিয়া মুড়ি খাইতামচাই
দুরের পাখি বলেছেন:
হ পক্ষিজাতের প্রতি এক বিষম অবহেলা দেখা যাইতাছে । আহেন দুই ভাই গলাগলি ধৈরা কান্দি , কাউয়া । (এই আকালে আফনেরে পক্ষী বৈলা স্বীকার কৈরা লওয়া হৈল
নুশেরা বলেছেন:
পুলাপান, কিপটা হোস্টের বাড়ীতে আসছো, কি আর করা, আমিই ব্যবস্থা করি। এই নাও, এইখানে বসো আর খাও।লেখক বলেছেন: হ, এই আয়োজনটা সেলিব্রিটি আয়োজন হইছে। ধইন্যা!
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
খাওন্দাওনের নাম্গুলা কৈয়া দিলে খাইতে সুবিদা হৈতো @নুশেরান্টি
নুশেরা বলেছেন:
কী দিনকাল পড়ছে, কাউয়াও আইটেমের নাম জানতে চায়...
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
নোয়াখাইল্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্যাএইফের হৈছে স্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্যর?
নুশেরা বলেছেন:
কামালভাই উর্পে লুল্কামাল্ভাই, আমি যদি নানী হই তো আপ্নে কী? জন্মসাল যা দেখতেছি সেইটা তো... লেখক বলেছেন: আমি কি, সেইটা আর কইলাম না! আপ্নে আবার মাইন্ড খাইতে পারেন। সেলিব্রিটিগো চেতাইলে কী অবস্থা হয়, সেইটা তো দেখতেই পাইতেছি! আবার চেতানোর রিস্ক নেওন যাইবো না! ![]()
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
নাম্না জান্লে খায়া মজা পাইতাম্না তো@নুশেরান্টি
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
হু সবই দেখলাম ।আগে বইয়ে পর্ছিলাম কানেও শুনছিলাম বড়সড় লেখকদের নাকি এই প্রব থাকে , এইবার প্রত্যক্ষ কর্লাম ।
তয় আর কি কমু , এমন বিশাল কৈরা জন্মসালটা লেখা ঐটা আমার বাপের জন্মসালের আশেপাশেই ।ঐটা না টাংগাইলে কিছু কওন যাইতো.
আইচ্ছা এহন ট্রিটমেন্ট সাথীরা কেউ নাই ,আমিও আপাতত যাই ।
ভালো থাইকেন কামাল চাচা
লেখক বলেছেন: জন্মসালটা তো অনেক আগে থেইকাই লেখা! সেইটা দেইখাও এতদিন ভাই ডাকছো, এমনকি এইখানেও শুরু করছো ভাই বইলাই (৩৩ নং কমেন্ট), আর আমি যে-ই বললাম, অমনিই তোমার জন্মসাল চোখে পড়লো, দাম বাইড়া গেল!!! মনে দাগা দিলা, ফল ভালো হইবো না কয়া দিলাম!
![]()
যাউকগা, চাচা যখন ডাইকাই ফালাইছো, ওই ডাকেই থাকো। ভাই বইলা কাছে আসার চেষ্টা কইরো না কিন্তু! খবরদার!
নুশেরা বলেছেন:
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:আগে বইয়ে পর্ছিলাম কানেও শুনছিলাম বড়সড় লেখকদের নাকি এই প্রব থাকে , এইবার প্রত্যক্ষ কর্লাম ।
তয় আর কি কমু , এমন বিশাল কৈরা জন্মসালটা লেখা ঐটা আমার বাপের জন্মসালের আশেপাশেই ।ঐটা না টাংগাইলে কিছু কওন যাইতো.
ভালো থাইকেন কামাল চাচা
===========================================
আমি কী হেরিলাম!
চক্ষু তো এই দুইখান, আর কতো দেখাইবা... ... ...
লেখক বলেছেন: আপনে আর কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিয়েন না গো সেলিব্রিটি আফা! ![]()
লেখক বলেছেন: নাহ, নির্যাতিত মনে হচ্ছে! ![]()
রোবোট বলেছেন:
কাকনালুলসম্রাট উপাধি দেয়ার অনুমতি দিলাম।
নুশেরা আন্টি (দ্য সেলিব্রেটি ব্লগার)
আমার পোস্টেও কমেন্ট খরা। আপনার ভাড়াটে কমেন্টক বাহিনীকে একটু বলবেন।
এই বাড়ি কার? খাবারের নামের ব্যাপারে কাউয়া সাবের সাথে একমত।
তনুজা বলেছেন: সর্বনাশ কামাল ভাই আপনার পোস্ট তো বলতে বলতে -- তাহলে সেলিব্রেটি মনে হচ্ছে এখন?
নিজের পোস্টে কমেন্ট কয়শ হয় হিসাব আছে?
এপু
তোমার কমেন্ট পুরা লেমিনেটেবল (লেমিনেট করার যোগ্য) হৈসে।
লেখক বলেছেন: আপনে আবার কোইত্থেইকা আইলেন???
নুশেরা বলেছেন:
অবজেকশন, রোবোটনানা। "আপনার ভাড়াটে কমেন্টক বাহিনী" কথাটা চরম আপত্তিকর! এইখানে সকলে আমার একান্ত আপনজন (লুলসম্রাট সেলিব্রিটি লেখক-স্যার ব্যতীত)।লেখক বলেছেন: এই পোস্টে আপ্নে আমারে যতগুলা গালি দিলেন, আমি জীবনে ততো গ্লাস পানিও খাই নাই! ![]()
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন:
আরে আরে আরে ... এপু দেহি কামাল ভাইরে চাচা ডাকে হুমায়ুন জ্যাডার কথা মনে পইরা গেল হঠাৎ
লেখক বলেছেন: কইতে দ্যান, 'চাচা' হয়া জন্মাইছি (
) চাচা না কয়া কি করবো? ![]()
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
নাহ জন্মসালটা আগেই নজরে পড়ছে চাচা , তয় তখন ভাবছিলাম আমার বাপের ২৩ বছরের বড় ভাইর প্রথম পুত্র । এখন বুঝলাম ঘটনা টাইনা ঐদিকে নেয়ার কোনো মানেই হয়না , আপনে চাচার মতন , চাচা ডাকাই কর্তব্য ।বুজুর্গ মানুষের সাথে কি বেয়াদবি করা উচিত ??লাল জামার ইসমার্ট পিক ও তো নাই , পাতা ছাড়া একটা বৃদ্ধ পিক দেখলে সম্বোধনেও আপ ডাউন হবেই ।
@ পাক্নাজয় , আমার তুলনায় হৈছে ,আপনের তুলনায় না ।আপনার ও তো কাছাকাছিই ।
আর স্যারে যেন মনে কৈরেন না এইটাই শেষ , যত পোস্ট আসবে সামনে , নুশেরা আপুর অপমানের শোধ নিতে এমন ১৪ টা বাজায়া যাবো , আমরা এখন প্রতিশোধ এর আগুনে
জ্বলছি
নো আপোষ ।
লেখক বলেছেন: অতো ব্যাখ্যা দেয়ার দরকার কি? 'চাচা' ডাকলেও অসুবিধা নাই তো! ব্লগে দুই-চারটা ভাগ্নে-ভাগ্নি, ভাসে-ভাস্তি থাকা ভালো! তয়, 'চাচা' ডাকটা একটু কানে লাগে। আমার ভাস্তে-ভাস্তিরা আমারে 'কাক্কু' বইলা ডাকে (আমার বড় ভাতিজিটা তোমার বয়সীই হইবো), বড়োই মধুর সেই ডাক! তুমিও ডাকতে পারো, যদি মন্চায়!
[নতুন আর কোনো পোস্ট ইহজীবনেও আসবো না, নিশ্চিত থাকো। এইটাই এই ব্লগে আমার শেষ পোস্ট। তোমার এতবড়ো হুমকির পর নতুন পোস্ট দিমু কোন আক্কেলে?]
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
ভাড়াটে কমেন্ট বাহিনী বলাও রোবোট মামারে তীব্র দিক্কার সুদ্ধ বয়কট করার প্রস্তাব কর্লাম .
বাফড়া বলেছেন:
এটা অফলাইনে পড়ছিলাম.. আপনের দেখতাছি ''মাহমুদুল হকে''র ব্যারাম আছে
আপনার লেখা এই পোস্টের কথা মনে আছে? এইখানে বলেছিলাম মনসুর চাচার ভাববাদিতাটাও আমার মাঝে পাই... তয় উল্টা লাইনে... আপনি জিগ্যাস করেছিলেন সেইটা কি? কষ্ট করে আর উত্তর দেয়া লাগলো না আমার... এই পোস্টে আপনিই বললেন গুরু... ভাবনার প্রায় কাছাকাছিই কিছু কয়া দিলেন......
... দেখতে হইব জানি.. খালি এইটাই প্রশ্ন... আর কত দেখাইবা, আর কতকাল দেখাইবা
লেখক বলেছেন: মাহমুদুল হক আমার অসম্ভব প্রিয় লেখক। তাঁকে নিয়ে আমার একাধিক লেখা আছে। ব্যক্তিগত সম্পর্ক্ও ছিলো চমৎকার। আমার তো মনে হয়, জীবনের নানা প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে স্মরণ করার মতো লেখক তিনি।
হ্যাঁ, মনে আছে। কথাটা আর শোনা হয়নি তখন, এখন বোঝা গেল!
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
পোলায় স্কুলে যায় আর বাপের বয়স ১৩ !! না ?
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন:
সামুর ''বিশ্বাসী'' ব্লগারদের ভাড়াটে বলায় মিঃ আহমেদ নামক ব্লগারের কুচক্রী ব্যান মারা হোক আমার কমেন্টের সৌজন্যে নূশেরা আপা (
বাফড়া বলেছেন:
ই ই ই ই ঈ ই ই ই... এইটা আমি কি দেখলাম... আমাদের পরিয় পূত পবিত্র কামাল জেডা পিচে নেমে ওভারের কততম নং বলে ভুইলা গেছি ক্লিয়ার কাট লূল শট খেললেন... জয় হো, জয় হো কামাল জেডারে ট্রেডমার্ক লূল দারা পুষ্পমালয়য় পরানো হোক
(বাফড়া নিকে কমেন করলে নও-লূলরাজের হাতের থাবড়া খাওয়ার শংকা কম তাই এই নিকেই কমেন মাইরা গেলাম
বাই দ্য ওয়ে মৃন্ময়ী নাম দিয়া একটা পোস্ট মারা প্ল্যান হাতে নিলাম
লেখক বলেছেন: আপ্নেও বিটলা পোলাপানগো পক্ষ নিলেন! কই যাই আমি? ![]()
রোবোট বলেছেন:
নুশু, অপু ও বাফড়াভাড়াটে শব্দটি এক্সপান্জ করা হৈলো।
এপু
আমি আপাতত নিজেই নিজেরে বয়কট করসি। নতুন ব্লগ বন্ধ।
লেখক বলেছেন: আপ্নে নুশেরাকে 'নুশু' ডাকেন ক্যান? এর শানে নুজুল কি? নুশেরা তো আমারে গাইলাইতে ব্যস্ত, আপ্নেও পোলাপানের লগে তাল দিলেন!! এখন তো দেখি আপ্নের এই ডাকে তো লু...র গন্ধ পাওয়া যায়! এই ব্যাপারে মাননীয়া নুশেরার মতামত কি?
নুশেরা বলেছেন:
লেখক বলেছেন: এই পোস্টে আপ্নে আমারে যতগুলা গালি দিলেন, আমি জীবনে ততো গ্লাস পানিও খাই নাই! নিজে খাইসেন কিনা জানিনা, তবে আপনের গাছটারে যে খাওয়ান নাই, সেইটা বুঝা যায়।
লেখক বলেছেন: গাছটা তো আমার না, আমি খাওয়ামু কেম্নে? ![]()
গাছটা হইলো, মানে, আমার জীবনের প্রতীক। শুকায়া খা খা হয়া গেছে। এইটারে পানি কেমতে দিতে হয়, শিখি নাই তো! কি করা যায় কন তো?
রোবোট বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আপ্নে নুশেরাকে 'নুশু' ডাকেন ক্যান? এর শানে নুজুল কি? নুশেরা তো আমারে গাইলাইতে ব্যস্ত, আপ্নেও পোলাপানের লগে তাল দিলেন!! এখন তো দেখি আপ্নের এই ডাকে তো লু...র গন্ধ পাওয়া যায়! এই ব্যাপারে মাননীয়া নুশেরার মতামত কি?হিনদিতে আছে "আপ লুল তো জগত লুল"
আপনি লুল হৈলেই কি আমি লুল হৈ? আর
মার্শাল নুশেরার (খান্ডারনী বলি নাই) সাথে লুলামি করমু? আমারে পাগল পাইসেন? ঘাড়ের উপর আমার ১খানই মাথা (মতান্তরে সিপিইউ)।
রাশেদরে সবাই রাশু (বা ড়াশু) ডাকে
টুশকিরে কেউ কেউ টুশু ডাকে
সেই সিরিজে বানাইলাম নুশু
আপনার নাম মোশতফা হৈলে আপনারে মোশু/মোশ্তু ডাকা যাইত।
হাসতে হাসতে চেয়ার থাইকা পইড়া গেসি
রোবোট বলেছেন:
নাহ আপনি ছার মানুষ। আপনার কথার একটা প্রাইস আছে। এখন থেকে নুইশ্যা ডাকুম নুশেরারে। তনুইজ্যার সাথে মিল থাকবো।
েজবীন বলেছেন:
আরে!! নতুন নামকরন হয়ে গেলো দেখছি!!......বাহ! লোকজন দেখছি জলদিই কদর করতে শুরু করছে গুনীর!!..;P
নুশেরা বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আপ্নে নুশেরাকে 'নুশু' ডাকেন ক্যান? এর শানে নুজুল কি? নুশেরা তো আমারে গাইলাইতে ব্যস্ত, আপ্নেও পোলাপানের লগে তাল দিলেন!! এখন তো দেখি আপ্নের এই ডাকে তো লু...র গন্ধ পাওয়া যায়! এই ব্যাপারে মাননীয়া নুশেরার মতামত কি?
--- মাইন্যগইন্য ল্যাখকছার, আপ্নে যেইসুমে দারাপুত্রপরিবার লয়া সুখে নিদ্রা যান, সেইসুমে আম্রা কতিপয় মুখ্যুসুখ্যু আর দুইএকজন ঘ্যানীলুক মিল্যা বল্গের মইদ্যে সুখদুখের আলাপ পাড়ি। আইলে দেকতেন, আপ্নেও মোস্তু কি কাম্লু ... ...
আপচুস... ... আইলেন না কুনদিন
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
অসাধারণ কামাল ভাই। কৃতজ্ঞতাও জানাই।
নুশেরা বলেছেন:
[উৎসর্গ : প্রিয় শওকত হোসেন মাসুমকে, যার চলে যাবার সুরটি একদমই ভালো লাগেনি আমার।]
প্রিয় কামাল ভাই, আপনার চলে যাবার অশ্রুত সুরও আমাদের ভালো লাগছেনা। প্রচণ্ড মিস করছি। আপনি কোথায়???
মিনেসোটা বলেছেন:
বস,ফিফার গোবর নিয়ে বলেছি দেখে মাইন্ড করবেন না প্লীজ, আপনার এই লেখা পড়ে কমেন্ট করার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছিলাম, ৯ মাস পরে সেফ হয়ে বুঝেছি এখানকার মডুরা কি টাইপের গর্দভ।
আপনার লেখার বিরাট ফ্যান আমি, পারলে একদিন দেখা করতাম, সম্ভব হবে কি??
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















