আমার প্রিয় পোস্ট

ভালো লাগে...এই আমি এক উড়নচণ্ডী আউলা বাউল

দৈনিক সমকাল এর একটি ভয়ঙ্কর সংবাদ

২৬ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৪৩

                       

সমকাল
২৫ জুলাই ২০০৮/শুক্রবার

এই পত্রিকাটি অনুসন্ধান বিভাগে একটি ভয়াবহ সংবাদ পরিবেশন করেছে 'মরণনেশায় কলেজ-বিশ্ববিদ্যারয়ের মেয়েরা' শিরোনামে। এই সংবাদটির অভ্যন্তরে যে পরিসংখ্যান দেয়া হয়েছে তা রীতিমত ভয়াবহ।

১. সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হিসেবে দেশে প্রায় ৫০ লাখ মাদকাসক্ত রয়েছে।
২. এদের ৯১ শতাংশই কিশোর ও তরুণ। এছাড়া দেড় লাখ কিশোরী-নারীও বিভিন্নধরণের মাদকে আসক্ত।
৩. মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে দেখাগেছে, ৫০ লাখ মাদকাসক্তের মধ্যে ১ লাখের বেশি বাস করে ঢাকায়। এদের মধ্যে শতকরা প্রায় ১০ জন অর্থাৎ প্রায় ১০ হাজারই হচ্ছে কিশোরী, তরুণী, মহিলা। মাদকাসক্ত নারীর দুই তৃতীয়াংশই হচ্ছে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। এক্ষেত্রে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীর সংখ্যাই বেশি। যৌনকর্মীদের একটি বড় অংশ মাদকাসক্ত। কিছু গৃহবধূও রয়েছেন মাদকাসক্ত।
৪. ইউনিসেফের এক জরিপে দেখা গেছে, দেশের শতকরা ১৫ ভাগ নারী ধূমপান করে।
৫. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর স্বাস্থ্য ও জনমিতি জরিপে দেখা গেছে, ১৫-১৯ বছর বয়সী মেয়েদের শতকরা ১ ভাগ ধূমপানে আসক্ত।
৬. জাতিসংঘের এক জরিপে দেখা যায়, দেশের অন্তত ৬৫ লাখ মানুষ সরাসরি মাদকাসক্তির শিকার। এদের মধ্যে ৮৭ ভাগ পুরুষ এবং ১৩ ভাগ নারী।
৭. মাদকবিরোধী সংগঠন 'লাইফ' এর সাম্প্রতিক জরিপে (বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের হোস্টেলে থাকা ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ৪৬৫ জনের উপর পরিচালিত) দেখা যায় ৪০ ভাগই বিভিন্ন রকম মাদকে আসক্ত। এদের বয়স ১৫-২২ বছর। সিগারেট আসক্তদের মধ্যে শতকরা ৫৫ জন ছাত্র, প্রায় ৮ ভাগ ছাত্রী। অ্যালকোহল আসক্তদের মধ্যে শতকরা ১৪ ভাগ ছাত্র, ৪ ভাগ ছাত্রী। ফেনসিডিল, হেরোইন, গাঁজা ও বিভিন্ন রকম ঘুমের ট্যাবলেটে আসক্ত প্রায় ২ ভাগ ছাত্রী। চরস ও ভাং দিয়ে নেশা করে প্রায় ১২ ভাগ ছাত্রী।
৮. শুধু সায়েদাবাদ সিটি পল্লীতে ২০০৪ সালের জানুয়ারী মাসে নারী হেরোইন সেবী পাওয়া গেছে ৬৩ জন। এদের বয়স ২০-৩০ এর মধ্যে।

এই অনুসন্ধানী রিপোর্টে বলা হয়েছে, জীবনকে 'ইনজয়' করার জন্য প্রথমে টেস্ট করার মাধ্যমে শুরু হয় মাদকাসক্তি। তারপর চলতেই থাকে। বিত্তবান পরিবারের সন্তানরাই এর মধ্যে প্রথমভাগে অবস্থান করছে। তাদের মাধ্যমে নানান মাদক ছড়াচ্ছে বন্ধুদের কাছে। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিত্তবান পরিবারের সন্তানরা এতে এগিয়ে রয়েছ।

এই এগিয়ে থাকার কারণ কী? তারা কী প্রমান করতে চাইছে? বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন কী করছে?

আমি শুধু তাদেরই দায়ী করছি না। সমাজের সবক্ষেত্রে, যেখানেই মাদককের প্রভাব রয়েছে, সেখানকার সবাইকে বলছি।

আমার কয়েকটি প্রশ্ন তুলে দিলাম।

১. মাদক আসে কাদের মাধ্যমে? কেন আসে?
২. রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত কোন প্রতিষ্ঠান কি এর সাথে জড়িত?
৩. এত কড়াকড়ির মাধ্যমেও এই ব্যবসা চলে কীভাবে?
৪. ইয়াবা আবারও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। কারণ কী? এটি এখন থানা লেবেল পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে।
৫. এর প্রতিকারে সরকারের বর্তমান কর্মপদ্ধতি কী?

 

প্রকাশ করা হয়েছে: কালচার এ্যান্ড হেরিটেজ  বিভাগে ।

 

  • ৩৮ টি মন্তব্য
  • ৩৪০বার পঠিত
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৭ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৬ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫০
comment by: লেখাজোকা শামীম বলেছেন: মাদক ব্যবসার সাথে কে জড়িত না ?
পুলিশ প্রশাসন ও রাজনৈতিক ক্যাডারের সহযোগিতা ছাড়া মাদক ব্যবসা করা যায় না। যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তাদের ক্যাডারদের একটি বড় আয়ের উৎস হয়ে দাঁড়ায় মাদক ব্যবসা। আর পুলিশের কাজ তো মান্থলি আদায় করা, মাদক ব্যবসা বন্ধ করা নয়।
২৬ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫৭

লেখক বলেছেন: শামীম, আপনাকে ধন্যবাদ। তাহলে আমরা যাব কোথায়। রাষ্ট্র যন্ত্রই যদি জনগনকে নিরাপদ রাখতে না পারে?

২. ২৬ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫০
comment by: রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র বলেছেন: প্রথম আলো যতবার মাদককে 'না' বলতে বলছে আমার বিশ্বাস ততবারই কনসার্ট এর উন্মাদনায় মাদকের আগ্রাসন আরো বেশি হচ্ছে ! কী লাভ কনসার্ট করে এত ? এতে করে মানুষ সতর্ক তো হচ্ছেই না বরং কনসার্ট এর উত্তেজনায় আগ্রহ সৃষ্টি হচ্ছে বেশি। আর বেশিরভাগ ব্যান্ড এর শিল্পীই মাদকাসক্ত ( যত গাঁজাখুরিই বলুক না কেন তারা, সত্য সত্য-ই!)

আমার মনে হয়, প্রশাসন এর সুদৃষ্টি ছাড়া এটা অসম্ভব। প্রযুক্তিগত অবক্ষয় থেকে তরুণসমাজকে বাঁচাতে হবে... ইয়াবার সাথে জড়িত সবার শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে এবং মিডিয়ার অভিনেতা, পরিচালক, অভিনেত্রী সকলের প্রতি কড়া নজর আরোপ করতে হবে... আর প্রয়োজন বাবা-মার সুদৃষ্টি যেটা অনেক পরিবারেই দুর্লভ।
+
২৬ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:০১

লেখক বলেছেন: যা কিছু ভালো তার সাথে প্রথম আলো!

বিনোদন জগৎ বোধ হয় মাদকের একটা বড় আখড়া। আমি এমন একটা প্রতিষ্ঠানের কিছু ছেলে-মেয়েকে চিনি যারা বিশ্বাস করে মাদক না নিলে স্মর্ট হওয়া যায় না। এরা মডেলিং করে, বিজ্ঞাপন বানায় ইত্যাদি।

আর একটা বিষয় , উঠতি বিভিন্ন মাধ্যমের যশ প্রার্থী তরুণ-তরুণীরা মাদকে ভীষণভাবে আসক্ত।

৩. ২৬ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫৭
comment by: রাজামশাই বলেছেন: এর মূলে রয়েছে নিষিদ্ধ আনন্দ
২৬ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:০৩

লেখক বলেছেন: শুধু তাই নয়, আরো কিছু। বাণিজ্য শাসিত এই দুনিয়ায় ভোগবিলাসে মত্ত না করলে মালপাতি কিনবে কারা? কর্পোরেট দুনিয়ার এই রাজনীতিটা দেখলেন না কেন। ড্রাগস এবং সেক্স, সাথে কিছু জ্ঞানের কথা...এই হচ্ছে আজকের পৃথিবী।

৪. ২৬ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:১৩
comment by: আতিক ১৭ বলেছেন: রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র
ভাই আপনার কথার সাথে আমি ১০০% সহমত।
+++++ পোষ্টটির জন্য।
৫. ২৬ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:১৭
comment by: রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র বলেছেন: খারাপ লাগে যখন শুধুমাত্র ঢাবি'র চারুকলা বিভাগের নাম শুনলেই কিছু মূর্খ 'গাঁজাখোর' বলে সম্বোধন করে। আরে, যেখানে ঢাবি'র অন্যান্য ডিপার্টমেন্টের ছাত্র-ছাত্রীরাই কী করে বেড়াচ্ছে, সেখানে অযথা চারুকলার ছাত্র-ছাত্রীদের দোষ দেয়া কেন ? মোস্তফা সরোয়ার ফারুকীর ব্যাপারটাই দেখুন ! কি-সব সিনেমা, নাটক সে তৈরী করে... সেই মানুষ ছিলো নেশাগ্রস্ত ! এখন তিনি জবানবন্দি দিলেন, প্রথম আলোর 'আনন্দ' তে সেটা ছাপা হলো... তিনি মাদক থেকে দূরে থাকার জন্য তরুণদের পরামর্শ দিলেন... বললেন 'মাদক নরকের টিকেট' ! প্রশ্ন হলো মানুষ তার এই লেখা পড়ে ভালো আর কী বুঝবে ? তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন, অনেকের আইডল ফারুকী নেশা করতেন একসময় - এই জিনিসটাই তরুণদের মনে নাড়া দেবে... উপদেশটা কিন্তু তাদের চোখ এড়িয়ে যাবে... এটাই বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা...

প্রয়োজন শক্ত প্রতিরোধ, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে কঠোর নিরাপত্তা,রেব পুলিশ এর সহযোগিতা, মাদক-সন্ত্রাসীদের কঠোর শাস্তি দেয়া এবং যেইসব নেতা, ছাত্র নেতা, মন্ত্রীগণ মাদকদ্রব্যকে সাপোর্ট দিয়ে এতদূর এসেছেন তাদের শিরোশ্ছেদ করা !

ইন্টারনেটভিত্তিক পশ্চিমা পর্নোগ্রাফি এবং মাদক বিষয়ক ওয়েবসাইটগুলোতে সর্বদা চোখ মেলে রাখে একালের তরুণসমাজ, প্রবীণরাও ! সচলায়তন নামের সুপাঠ্য ওয়েবসাইট এই সরকার বন্ধ করে দিতে পারে, পর্ণো সাইটগুলো কী নজর এড়িয়ে যাচ্ছে তাদের ? জামায়াত এর পৃষ্ঠপোষকতা কী না করলেই হয় না ? রাজাকারদের দাপটে পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে উঠছে... মুক্তিযোদ্ধাদের আর্তনাদে ভারী হয়ে গ্যাছে বাতাস...

চলুন সবাই একটা মিছিল করি.... !!!
২৬ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৩২

লেখক বলেছেন: রুদ্র, আসলে আপনি আমি কী করব? রাষ্ট্রই যখন এই কাজ করছে না। একটা হাইপো থিসিস রয়েছে আমার।

'৯০ এর দশকে সৈরতান্ত্রিক শাসনের সময় নানান কারণে (যুব সমাজকে আন্দোলন থেকে নিরস্ত্র করাও একটা কারণ ছিল) তৎকালীন সরকার ফেন্সিডিল ছড়িয়ে দেয় দেশে। তারপর বিভিন্ন সরকার মাদক দিয়ে অনেক অর্থ কামিয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রনেতা, স্থানীয় নেতারা। বর্তমান সরকারের আমলে ইয়াবার বেশ একটা আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন আমরা দেখেছি। যার ফলে বর্তমানে থানা পর্যায়েও সেটা বিস্তার লাভ করেছে। এই বিজ্ঞাপনের প্রকাশনায় প্রথমআলো একটা বিরাট ভূমিকা নিয়েছিল।

৬. ২৬ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:১৯
comment by: রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র বলেছেন: পোস্টটা স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি। যদিও এটা দৈনিক সমকাল থেকে নেয়া তারপরও এতে করে অনেক আলোচনা উঠে আসতে পারে... যেটা সকলের জন্য মঙ্গলদায়ক।
৭. ২৬ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:১৯
comment by: প্রভা বলেছেন: মাদক শেষ করে ফেলছে অনেক প্রতিভাকে। নিজের কেউ আক্রান্ত না হলে আসলে আমরা সচেতন হইনা। তাই এর বিস্তার বাড়ছে দ্রুত। এই বিস্তার ঠেকাতে না পারলে খুব অন্ধকার প্রতীক্ষা করেব আমাদের জন্য। ভালো এই পোস্টের জন্য লেখককে ধন্যবাদ।
২৬ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। সবাই সচেতন হলে একটা ফলাফল আমরা পেতে পারি।

৮. ২৬ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৪
comment by: অনার্য তাপস বলেছেন: চলুন সবাই একটা মিছিল করি.... !!!
৯. ২৬ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৫
comment by: রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র বলেছেন: @ তাপস : এই বিজ্ঞাপনের প্রকাশনায় প্রথমআলো একটা বিরাট ভূমিকা নিয়েছিল...

আমারো সেটাই মনে হয়... প্রথম আলো'র মাদক বিরোধী 'কর্মকাণ্ড' তে কিছু অসম্পূর্ণতা আছে... তারা প্রচার যতটা করছে তার চেয়ে কাজ করছে কম... কনসার্ট ব্যাপারটা মাদক বিরোধী কোনো কাজে ব্যবহৃত হতে পারে - এহেন হাস্যকর ধারণা তাদের কে দিলো সেটাই তো বুঝলাম না... কনসার্ট উন্মাদনা সৃষ্টি করে, ব্যান্ড দলের সদস্যরা নেশা করে... তবে মতবিনিময় প্রোগ্রাম টা ঠিক আছে
২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৪১

লেখক বলেছেন: রুদ্র ভাই, এই বিষয়গুলোতে বোধ হয় অনেক রাজনীতি রয়েছে। না হলে প্রথম আলোর মতো একটি প্রতিষ্ঠান কি বোঝে না কি করলে কি হয়।

১০. ২৬ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২১
comment by: মেহেরুল হাসান সুজন বলেছেন: তাপসদা, ভালো পোস্ট।
২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। তোমার খবর কী।

১১. ২৬ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৫
comment by: আনিসুজ্জামান উজ্জল বলেছেন: ভালোই তো...
২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: খারাপ কী।

১২. ২৬ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৪
comment by: সিটিজি৪বিডি বলেছেন: পুলিশ ইচ্ছে করলে একরাতের মধ্যেই মাদক ব্যবসায়ীদেরকে ধরতে পারে। কিন্তু ধরবেনা, কারন পুলিশ ও পরোক্ষ ভাবে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত।


আর পরিবারের সদস্যদের অবহেলার কারনে একজন ছেলে বা মেয়ে মাদকাশক্ত হতে পারে। কিশোর-কিশোরীরা প্রতিদিন কি করে কোথায় যায়, মা-বাবাদের খেয়াল রাখলে মাদকাশক্ত হবেনা।
২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: পুলিশ ইচ্ছা করলে অনেক কিছু করতে পারে, এর অনেক উদাহরণ আমাদের জানা। তারাই যদি ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে তাহলে আর কী করা।

১৩. ২৬ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৮
comment by: জাহান৮২ বলেছেন: একমত।
১৪. ২৬ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫০
comment by: অমি আজাদ বলেছেন: প্রায় ১৫ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে ৫০ লাখ কোনো ঘটনাই না। এটা বেশী হলে প্রশাসন দেখবে, তার আগে ঠিক আছে। কেউ না কেউ তো করে খাচ্ছে।
২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: করে তো রাজনীতিবিদরাও খেয়েছিল। তাদের ধরা হলো কেন?

১৫. ২৬ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৮
comment by: রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র বলেছেন: সব ব্লগারদের এই পোস্টে মতবিনিময় করবার অনুরোধ করছি
২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনিই ভরসা রুদ্র ভাই।

১৬. ২৬ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৭
comment by: পথ হারা পথিক বলেছেন: ১.মাদক আসে কাদের মাধ্যমে? কেন আসে?

মাদক আসে আভ্যন্তরিন এবং আন্তর্জাতীক মাদক চোরা কারবারিদের মাধ্যমে

২. রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত কোন প্রতিষ্ঠান কি এর সাথে জড়িত?


প্রতক্ষ্য ভাবে কেহ জড়িত নয় তবে বিভিন্ন বিভাগের সহযোগিতা আছে

৩. এত কড়াকড়ির মাধ্যমেও এই ব্যবসা চলে কীভাবে?


প্রসাসন নিজেই জডিত বলে

৪. ইয়াবা আবারও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। কারণ কী? এটি এখন থানা লেবেল পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে।

মিডিয়া এবং খবরের কাগজের বিভিন্ন খবরের জন্য এরপ্রতি মাদকাসক্তদের আগ্রহ বেড়ে গেছে

৫. এর প্রতিকারে সরকারের বর্তমান কর্মপদ্ধতি কী?

সরকার.............................হা হাহা ..............সে আবার কি করবে?
২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনার উত্তরের জন্য ধন্যবাদ।

১৭. ২৬ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:৫৭
comment by: আতাহার বলেছেন: সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হিসেবে দেশে প্রায় ৫০ লাখ মাদকাসক্ত রয়েছ---এই তথ্যের সূত্র কি?
একইভাবে এ রকম আরও অনেক তথ্যের সূত্র খুঁজে পাইনি ওই খবরে। বেশির ভাগ তথ্য অনুমান নির্ভর হলেও, বিষয়টি উদ্বেগের। আসলেই বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এক শ্রেণীর শিক্ষার্থী যেভাবে মাদকাসক্ত হচ্ছে, ভবিষ্যৎ জাতির খবর আছে।
২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: আমি কোন মৌলিক বিষয়ে লিখিনি। দৈনিক সমকালের সূত্রগুলো উল্লেখ করেছি মাত্র। কাজেই সূত্র বিষয়ে সমকালই ভরসা।

১৮. ২৭ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৪৫
comment by: রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র বলেছেন: @ আতাহার : আসলেই বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এক শ্রেণীর শিক্ষার্থী যেভাবে মাদকাসক্ত হচ্ছে, ভবিষ্যৎ জাতির খবর আছে।

________ কথা সত্যি ! এর থেকে পরিত্রাণের-ই বা উপায় কী ? বড় ভাই-বোনেরা নেশা করলে ছোট ভাই-বোনেরাও কী সেই দিকে ধাবিত হবে না ?
২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৫১

লেখক বলেছেন: বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আরো অনেক বিষয় আছে যেগুলো আমাদের ভাবায়। এরা বোধ হয় পশ্চিমী আবহে জীবন কাটাতে চায়। তবে সবাইকে এক পাল্লায় মাপাও ঠিক হবে না। অবশ্য বেশিরভাগ যদি এক রকম হয় তাহলে সেটাকেই একটা রূপ হিসেবে ধরে নেয়া যায়।

১৯. ২৭ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৫৭
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: ভয়ংকরই বটে....
২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৫২

লেখক বলেছেন: অতি ভয়ঙ্কর...

২০. ২৭ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:০৮
comment by: হরিসূধন বলেছেন:

গভীর চিন্তার বিষয়।
সাধারন মানুষের প্রতিরোধ ছাড়া ও সরকারের প্রয়োজন কঠোর আইন
প্রণনয় এবং তা প্রয়োগ করা। আমাদের দেশে আধুনিকতার নামে অপসংস্কৃতির
মুক্ত বানিজ্য চলছে।
২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: সাধারণ মানুষের সচেতনতা একটা প্রক্রিয়া হতে পারে। আইন কিছু করতে পারবে না। অনেক আইন আছে যেগুলোর কোন প্রয়োগ নেই।

২১. ২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৪
comment by: অনার্য তাপস বলেছেন: সবাইকে ধন্যবাদ। এই বিষয়ে আরো আলোচনা হতে পারে।
২২. ২৭ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:১৮
comment by: রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র বলেছেন: আধুনিকতার অর্থ যদি এই হয় - মোবাইল ফোনে অবাধ প্রেমালাপ, অবৈধ সম্পর্ক, পরকীয়া, ইয়াবা, বার - তাহলে এহেন আধুনিকতাকে সমুদ্রে ছুঁড়ে দেয়াটাই কী উত্তম নয় ? আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি আছে, আমরা কেন পাশ্চাত্যের নগ্নতায় নিজেদের অস্তিত্বকে সমর্পণ করবো ? এটা বিরাট বোকামি। কথা ঠিকই আছে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা এই আধুনিকতা নামক রাহুর ভেতরে ডুব দিয়েছে, দিচ্ছে... তাই আধুনিকতা জিনিসটা কী সেটা সংজ্ঞাসহ উদাহরণ দিয়ে তাদের বোঝাতে হবে ( বোঝাবেটা কে !)। প্রথম আলো'র মতো সব জায়গাতেই কনসার্ট - ফনসার্ট করে উন্মাদনার সৃষ্টি করার অর্থ-ই বা কী ? মাদক-এর সাথে কনসার্ট এর নিশ্চয় ভাই-বেরাদর সম্পর্ক নয় ! তারা জানেন, ব্যান্ড শিল্পীরা অধিকাংশই মাদকাসক্ত। যতই মুখে বলুক না কেন... পত্রিকায় রঙচঙা স্বীকারোক্তি দিক না কেন... খারাপ খারাপ-ই। জিম মরিসনকে অনেকেই আইডল ভেবে এগিয়ে গিয়েছে( যেমন জেমস)... তিনি প্রতিভাবান ছিলেন কিন্তু প্রতিভাবান সাহেবের জীবনের শেষ পরিণতিটা হলো হেরোইন খেয়ে বাথরুমে মুখ থুবড়ে মৃত্যু ! কী ভয়ঙ্কর ! কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রী, কিশোর-যুবকদের মনে কী এই ঘটনা দাগ ফেলবে না ? মানুষের ভালো দিকগুলোর চাইতে খারাপ দিকগুলোকে হাইলাইট করা হয় অনেক বেশি। হুমায়ূন আহমেদ একজন বড় মাপের লেখক হয়েও বিয়েঘটিত স্ক্যান্ডাল থেকে বাঁচতে পারলেন না ! এখন অনেক পাঠক তার বই পাঠ করে ঠিকই কিন্তু 'সস্তা', বিয়ের পর 'মান' খারাপ হয়ে গ্যাছে - এইসব বলে আখ্যা দেয়। এর পেছনে মিডিয়ারও বেশ বড় ভূমিকা আছে। অনেক মিডিয়াকর্মী মাদক, পাশ্চাত্য নগ্নতাকে আইডল ভাবছে, রেম্প মডেলিং এর ব্যাপারটাই ভেবে দেখুন ! জিনিসটা থেকে চোখ ফেরানো যায় না, উগ্রতাটা দেখলে মন প্রফুল্ল হয়ে যায় অথচ বেশ কিছু রেম্প মডেল ইয়াবা অ্যাডিক্ট !

গত রাতের ভূমিকম্পে যদি আমাদের মনুষ্যত্ব আর একটু ফেরে !

 



 


ভালো লাগে...আমি একজন সেমিপ্রফেশনাল গবেষক। আমার আগ্রহের বিষয় লোকায়ত সংস্কৃতি, স্থানীয় ইতিহাস, মধ্যযুগের ভারতীয় সমাজ ও সংস্কৃতি, নৃতত্ব...বর্তমানে আমি 'বাংলাদেশের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৫৮২৮