আমার প্রিয় পোস্ট
- বীভৎস যৌন নির্যাতন, কিন্তু এড়িয়ে গেছেন সবাই - শেরিফ আল সায়ার
- বাংলাদেশে গবেষণার হালচাল-১ - বিবর্তনবাদী
- বাংলাদেশে গবেষণার হালচাল-২ - বিবর্তনবাদী
- বাংলাদেশে গবেষণার হালচাল-৩ - বিবর্তনবাদী
- আমাদের আধুনিকতা বনাম পশ্চিমী আধুনিকতা-০৩ - অনার্য তাপস
- কৌশিক নামের ব্লগারটি তার বয়স ঢাকতে হেলমেট ব্যবহার করছে! - অনার্য তাপস
- চমস্কির সাক্ষাতকার: আমি কোণঠাসা নই, আমাকে চালিত করে সংগ্রামী আশাবাদ - ফারুক ওয়াসিফ
- একজন পিপড়া, একটা কবি এবং..... - মাঠশালা
- তুমি আমার পাশে বন্ধু হে বসিয়া থাকো, একটু বসিয়া থাকো... - অনার্য তাপস
- পবন তাঁতীঃ চা শ্রমিকের আলোর দিশারী, একাত্তরে শহীদ - ভাস্কর চৌধুরী
- মহাকবি সমুদ্র গুপ্তের কবিতা : প্রতিহিংসা - রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র
- এই নিঃসঙ্গ জীবনে - রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র
- থাকতে চাই প্রশ্নমুখর জীবনে… - জামাল ভাস্কর
- ক্লে বেনেটের কার্টুন - মাহবুব মোর্শেদ
- দৈনিক সমকাল এর একটি ভয়ঙ্কর সংবাদ - অনার্য তাপস
- ফুটবলের যাদুকর সামাদ - িনরুপমা.কম
- বাংলাদেশে তাঁর জন্ম। স্ব-ভূমে ফিরে আসতে চান বাসন্তী ওয়াদ্দেদার। - হাবীব ইমন
- প্রিয় মারিয়া - ০৩ - অনার্য তাপস
- প্রিয় মারিয়া-০২ - অনার্য তাপস
- প্রিয় মারিয়া, - অনার্য তাপস
- আহ ইয়াসমিন আহ - আনিসুজ্জামান উজ্জল
- ঢাকায় আছি-০১ - অনার্য তাপস
- [sbকাঁচ দূরত্বে পৃথক পৃথিবীর দৃশ্যরা বেকে দূরে চলে যায়, অধরায় - মাঠশালা
- সময়ের পেণ্ডুলাম - মাঠশালা
দৈনিক সমকাল এর একটি ভয়ঙ্কর সংবাদ
২৬ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৪৩
সমকাল
২৫ জুলাই ২০০৮/শুক্রবার
এই পত্রিকাটি অনুসন্ধান বিভাগে একটি ভয়াবহ সংবাদ পরিবেশন করেছে 'মরণনেশায় কলেজ-বিশ্ববিদ্যারয়ের মেয়েরা' শিরোনামে। এই সংবাদটির অভ্যন্তরে যে পরিসংখ্যান দেয়া হয়েছে তা রীতিমত ভয়াবহ।
১. সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হিসেবে দেশে প্রায় ৫০ লাখ মাদকাসক্ত রয়েছে।
২. এদের ৯১ শতাংশই কিশোর ও তরুণ। এছাড়া দেড় লাখ কিশোরী-নারীও বিভিন্নধরণের মাদকে আসক্ত।
৩. মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে দেখাগেছে, ৫০ লাখ মাদকাসক্তের মধ্যে ১ লাখের বেশি বাস করে ঢাকায়। এদের মধ্যে শতকরা প্রায় ১০ জন অর্থাৎ প্রায় ১০ হাজারই হচ্ছে কিশোরী, তরুণী, মহিলা। মাদকাসক্ত নারীর দুই তৃতীয়াংশই হচ্ছে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। এক্ষেত্রে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীর সংখ্যাই বেশি। যৌনকর্মীদের একটি বড় অংশ মাদকাসক্ত। কিছু গৃহবধূও রয়েছেন মাদকাসক্ত।
৪. ইউনিসেফের এক জরিপে দেখা গেছে, দেশের শতকরা ১৫ ভাগ নারী ধূমপান করে।
৫. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর স্বাস্থ্য ও জনমিতি জরিপে দেখা গেছে, ১৫-১৯ বছর বয়সী মেয়েদের শতকরা ১ ভাগ ধূমপানে আসক্ত।
৬. জাতিসংঘের এক জরিপে দেখা যায়, দেশের অন্তত ৬৫ লাখ মানুষ সরাসরি মাদকাসক্তির শিকার। এদের মধ্যে ৮৭ ভাগ পুরুষ এবং ১৩ ভাগ নারী।
৭. মাদকবিরোধী সংগঠন 'লাইফ' এর সাম্প্রতিক জরিপে (বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের হোস্টেলে থাকা ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ৪৬৫ জনের উপর পরিচালিত) দেখা যায় ৪০ ভাগই বিভিন্ন রকম মাদকে আসক্ত। এদের বয়স ১৫-২২ বছর। সিগারেট আসক্তদের মধ্যে শতকরা ৫৫ জন ছাত্র, প্রায় ৮ ভাগ ছাত্রী। অ্যালকোহল আসক্তদের মধ্যে শতকরা ১৪ ভাগ ছাত্র, ৪ ভাগ ছাত্রী। ফেনসিডিল, হেরোইন, গাঁজা ও বিভিন্ন রকম ঘুমের ট্যাবলেটে আসক্ত প্রায় ২ ভাগ ছাত্রী। চরস ও ভাং দিয়ে নেশা করে প্রায় ১২ ভাগ ছাত্রী।
৮. শুধু সায়েদাবাদ সিটি পল্লীতে ২০০৪ সালের জানুয়ারী মাসে নারী হেরোইন সেবী পাওয়া গেছে ৬৩ জন। এদের বয়স ২০-৩০ এর মধ্যে।
এই অনুসন্ধানী রিপোর্টে বলা হয়েছে, জীবনকে 'ইনজয়' করার জন্য প্রথমে টেস্ট করার মাধ্যমে শুরু হয় মাদকাসক্তি। তারপর চলতেই থাকে। বিত্তবান পরিবারের সন্তানরাই এর মধ্যে প্রথমভাগে অবস্থান করছে। তাদের মাধ্যমে নানান মাদক ছড়াচ্ছে বন্ধুদের কাছে। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিত্তবান পরিবারের সন্তানরা এতে এগিয়ে রয়েছ।
এই এগিয়ে থাকার কারণ কী? তারা কী প্রমান করতে চাইছে? বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন কী করছে?
আমি শুধু তাদেরই দায়ী করছি না। সমাজের সবক্ষেত্রে, যেখানেই মাদককের প্রভাব রয়েছে, সেখানকার সবাইকে বলছি।
আমার কয়েকটি প্রশ্ন তুলে দিলাম।
১. মাদক আসে কাদের মাধ্যমে? কেন আসে?
২. রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত কোন প্রতিষ্ঠান কি এর সাথে জড়িত?
৩. এত কড়াকড়ির মাধ্যমেও এই ব্যবসা চলে কীভাবে?
৪. ইয়াবা আবারও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। কারণ কী? এটি এখন থানা লেবেল পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে।
৫. এর প্রতিকারে সরকারের বর্তমান কর্মপদ্ধতি কী?
প্রকাশ করা হয়েছে: কালচার এ্যান্ড হেরিটেজ বিভাগে ।
লেখক বলেছেন: শামীম, আপনাকে ধন্যবাদ। তাহলে আমরা যাব কোথায়। রাষ্ট্র যন্ত্রই যদি জনগনকে নিরাপদ রাখতে না পারে?
আমার মনে হয়, প্রশাসন এর সুদৃষ্টি ছাড়া এটা অসম্ভব। প্রযুক্তিগত অবক্ষয় থেকে তরুণসমাজকে বাঁচাতে হবে... ইয়াবার সাথে জড়িত সবার শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে এবং মিডিয়ার অভিনেতা, পরিচালক, অভিনেত্রী সকলের প্রতি কড়া নজর আরোপ করতে হবে... আর প্রয়োজন বাবা-মার সুদৃষ্টি যেটা অনেক পরিবারেই দুর্লভ।
+
লেখক বলেছেন: যা কিছু ভালো তার সাথে প্রথম আলো!
বিনোদন জগৎ বোধ হয় মাদকের একটা বড় আখড়া। আমি এমন একটা প্রতিষ্ঠানের কিছু ছেলে-মেয়েকে চিনি যারা বিশ্বাস করে মাদক না নিলে স্মর্ট হওয়া যায় না। এরা মডেলিং করে, বিজ্ঞাপন বানায় ইত্যাদি।
আর একটা বিষয় , উঠতি বিভিন্ন মাধ্যমের যশ প্রার্থী তরুণ-তরুণীরা মাদকে ভীষণভাবে আসক্ত।
রাজামশাই বলেছেন:
এর মূলে রয়েছে নিষিদ্ধ আনন্দ
লেখক বলেছেন: শুধু তাই নয়, আরো কিছু। বাণিজ্য শাসিত এই দুনিয়ায় ভোগবিলাসে মত্ত না করলে মালপাতি কিনবে কারা? কর্পোরেট দুনিয়ার এই রাজনীতিটা দেখলেন না কেন। ড্রাগস এবং সেক্স, সাথে কিছু জ্ঞানের কথা...এই হচ্ছে আজকের পৃথিবী।
প্রয়োজন শক্ত প্রতিরোধ, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে কঠোর নিরাপত্তা,রেব পুলিশ এর সহযোগিতা, মাদক-সন্ত্রাসীদের কঠোর শাস্তি দেয়া এবং যেইসব নেতা, ছাত্র নেতা, মন্ত্রীগণ মাদকদ্রব্যকে সাপোর্ট দিয়ে এতদূর এসেছেন তাদের শিরোশ্ছেদ করা !
ইন্টারনেটভিত্তিক পশ্চিমা পর্নোগ্রাফি এবং মাদক বিষয়ক ওয়েবসাইটগুলোতে সর্বদা চোখ মেলে রাখে একালের তরুণসমাজ, প্রবীণরাও ! সচলায়তন নামের সুপাঠ্য ওয়েবসাইট এই সরকার বন্ধ করে দিতে পারে, পর্ণো সাইটগুলো কী নজর এড়িয়ে যাচ্ছে তাদের ? জামায়াত এর পৃষ্ঠপোষকতা কী না করলেই হয় না ? রাজাকারদের দাপটে পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে উঠছে... মুক্তিযোদ্ধাদের আর্তনাদে ভারী হয়ে গ্যাছে বাতাস...
চলুন সবাই একটা মিছিল করি.... !!!
লেখক বলেছেন: রুদ্র, আসলে আপনি আমি কী করব? রাষ্ট্রই যখন এই কাজ করছে না। একটা হাইপো থিসিস রয়েছে আমার।
'৯০ এর দশকে সৈরতান্ত্রিক শাসনের সময় নানান কারণে (যুব সমাজকে আন্দোলন থেকে নিরস্ত্র করাও একটা কারণ ছিল) তৎকালীন সরকার ফেন্সিডিল ছড়িয়ে দেয় দেশে। তারপর বিভিন্ন সরকার মাদক দিয়ে অনেক অর্থ কামিয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রনেতা, স্থানীয় নেতারা। বর্তমান সরকারের আমলে ইয়াবার বেশ একটা আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন আমরা দেখেছি। যার ফলে বর্তমানে থানা পর্যায়েও সেটা বিস্তার লাভ করেছে। এই বিজ্ঞাপনের প্রকাশনায় প্রথমআলো একটা বিরাট ভূমিকা নিয়েছিল।
প্রভা বলেছেন:
মাদক শেষ করে ফেলছে অনেক প্রতিভাকে। নিজের কেউ আক্রান্ত না হলে আসলে আমরা সচেতন হইনা। তাই এর বিস্তার বাড়ছে দ্রুত। এই বিস্তার ঠেকাতে না পারলে খুব অন্ধকার প্রতীক্ষা করেব আমাদের জন্য। ভালো এই পোস্টের জন্য লেখককে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। সবাই সচেতন হলে একটা ফলাফল আমরা পেতে পারি।
অনার্য তাপস বলেছেন:
চলুন সবাই একটা মিছিল করি.... !!!
আমারো সেটাই মনে হয়... প্রথম আলো'র মাদক বিরোধী 'কর্মকাণ্ড' তে কিছু অসম্পূর্ণতা আছে... তারা প্রচার যতটা করছে তার চেয়ে কাজ করছে কম... কনসার্ট ব্যাপারটা মাদক বিরোধী কোনো কাজে ব্যবহৃত হতে পারে - এহেন হাস্যকর ধারণা তাদের কে দিলো সেটাই তো বুঝলাম না... কনসার্ট উন্মাদনা সৃষ্টি করে, ব্যান্ড দলের সদস্যরা নেশা করে... তবে মতবিনিময় প্রোগ্রাম টা ঠিক আছে
লেখক বলেছেন: রুদ্র ভাই, এই বিষয়গুলোতে বোধ হয় অনেক রাজনীতি রয়েছে। না হলে প্রথম আলোর মতো একটি প্রতিষ্ঠান কি বোঝে না কি করলে কি হয়।
মেহেরুল হাসান সুজন বলেছেন:
তাপসদা, ভালো পোস্ট।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। তোমার খবর কী।
আনিসুজ্জামান উজ্জল বলেছেন:
ভালোই তো...
লেখক বলেছেন: খারাপ কী।
আর পরিবারের সদস্যদের অবহেলার কারনে একজন ছেলে বা মেয়ে মাদকাশক্ত হতে পারে। কিশোর-কিশোরীরা প্রতিদিন কি করে কোথায় যায়, মা-বাবাদের খেয়াল রাখলে মাদকাশক্ত হবেনা।
লেখক বলেছেন: পুলিশ ইচ্ছা করলে অনেক কিছু করতে পারে, এর অনেক উদাহরণ আমাদের জানা। তারাই যদি ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে তাহলে আর কী করা।
জাহান৮২ বলেছেন:
একমত।
অমি আজাদ বলেছেন:
প্রায় ১৫ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে ৫০ লাখ কোনো ঘটনাই না। এটা বেশী হলে প্রশাসন দেখবে, তার আগে ঠিক আছে। কেউ না কেউ তো করে খাচ্ছে।
লেখক বলেছেন: করে তো রাজনীতিবিদরাও খেয়েছিল। তাদের ধরা হলো কেন?
লেখক বলেছেন: আপনিই ভরসা রুদ্র ভাই।
মাদক আসে আভ্যন্তরিন এবং আন্তর্জাতীক মাদক চোরা কারবারিদের মাধ্যমে
২. রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত কোন প্রতিষ্ঠান কি এর সাথে জড়িত?
প্রতক্ষ্য ভাবে কেহ জড়িত নয় তবে বিভিন্ন বিভাগের সহযোগিতা আছে
৩. এত কড়াকড়ির মাধ্যমেও এই ব্যবসা চলে কীভাবে?
প্রসাসন নিজেই জডিত বলে
৪. ইয়াবা আবারও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। কারণ কী? এটি এখন থানা লেবেল পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে।
মিডিয়া এবং খবরের কাগজের বিভিন্ন খবরের জন্য এরপ্রতি মাদকাসক্তদের আগ্রহ বেড়ে গেছে
৫. এর প্রতিকারে সরকারের বর্তমান কর্মপদ্ধতি কী?
সরকার.............................হা হাহা ..............সে আবার কি করবে?
লেখক বলেছেন: আপনার উত্তরের জন্য ধন্যবাদ।
আতাহার বলেছেন:
সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হিসেবে দেশে প্রায় ৫০ লাখ মাদকাসক্ত রয়েছ---এই তথ্যের সূত্র কি? একইভাবে এ রকম আরও অনেক তথ্যের সূত্র খুঁজে পাইনি ওই খবরে। বেশির ভাগ তথ্য অনুমান নির্ভর হলেও, বিষয়টি উদ্বেগের। আসলেই বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এক শ্রেণীর শিক্ষার্থী যেভাবে মাদকাসক্ত হচ্ছে, ভবিষ্যৎ জাতির খবর আছে।
লেখক বলেছেন: আমি কোন মৌলিক বিষয়ে লিখিনি। দৈনিক সমকালের সূত্রগুলো উল্লেখ করেছি মাত্র। কাজেই সূত্র বিষয়ে সমকালই ভরসা।
________ কথা সত্যি ! এর থেকে পরিত্রাণের-ই বা উপায় কী ? বড় ভাই-বোনেরা নেশা করলে ছোট ভাই-বোনেরাও কী সেই দিকে ধাবিত হবে না ?
লেখক বলেছেন: বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আরো অনেক বিষয় আছে যেগুলো আমাদের ভাবায়। এরা বোধ হয় পশ্চিমী আবহে জীবন কাটাতে চায়। তবে সবাইকে এক পাল্লায় মাপাও ঠিক হবে না। অবশ্য বেশিরভাগ যদি এক রকম হয় তাহলে সেটাকেই একটা রূপ হিসেবে ধরে নেয়া যায়।
ত্রিভুজ বলেছেন:
ভয়ংকরই বটে....
লেখক বলেছেন: অতি ভয়ঙ্কর...
হরিসূধন বলেছেন:
গভীর চিন্তার বিষয়।
সাধারন মানুষের প্রতিরোধ ছাড়া ও সরকারের প্রয়োজন কঠোর আইন
প্রণনয় এবং তা প্রয়োগ করা। আমাদের দেশে আধুনিকতার নামে অপসংস্কৃতির
মুক্ত বানিজ্য চলছে।
লেখক বলেছেন: সাধারণ মানুষের সচেতনতা একটা প্রক্রিয়া হতে পারে। আইন কিছু করতে পারবে না। অনেক আইন আছে যেগুলোর কোন প্রয়োগ নেই।
অনার্য তাপস বলেছেন:
সবাইকে ধন্যবাদ। এই বিষয়ে আরো আলোচনা হতে পারে।
গত রাতের ভূমিকম্পে যদি আমাদের মনুষ্যত্ব আর একটু ফেরে !



















পুলিশ প্রশাসন ও রাজনৈতিক ক্যাডারের সহযোগিতা ছাড়া মাদক ব্যবসা করা যায় না। যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তাদের ক্যাডারদের একটি বড় আয়ের উৎস হয়ে দাঁড়ায় মাদক ব্যবসা। আর পুলিশের কাজ তো মান্থলি আদায় করা, মাদক ব্যবসা বন্ধ করা নয়।