আমার প্রিয় পোস্ট

ভালো লাগে...এই আমি এক উড়নচণ্ডী আউলা বাউল

বাংলাদেশ ন্যাশনাল আর্কাইভস

৩০ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৬

শেয়ার করুন:                   Facebook

বর্তমানে ন্যাশনাল আর্কাইভে যেতে হচ্ছে নানান কাজে। এটা একটা বেশ ভালো অভিজ্ঞতা আমার জন্য। কিন্তু দুঃখের বিষয় এর অভ্যন্তরের অবস্থা দেখে। এখানে গবেষণার জন্য কোন কিছু খুঁজতে হলে প্রথমে আবেদন করতে হয়। অনুমতি দিলে তারপর সেখানে ঢোকা যায়।

এখানে অনেক দুর্লভ নথি, পত্রিকা, পুস্তক ইত্যাদি রয়েছে। এর অনেকগুলোই এত পুরোনো যে হাত দিয়ে ধরলেই কাগজগুলো ভেঙ্গে যায়। অথচ এগুলো সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরী। আমি শুনেছি যে আর্কাইভসে মাইক্রোফিল্ম সেটাপ রয়েছে। যা দিয়ে অনায়াসে পুরো আর্কাইভের সবকিছুর ছবি তুলে ডিজিডাইজ করা সম্ভব। এটা হচ্ছে না কেন বুঝতে পারছি না। গতকাল শুনলাম মেশিনপত্র আছে কিন্তু মানুষ নাই। আবার একজনের কাছে শুনলাম, মানুষ আছে মেশিন নাই। বিষয়টা আসলেই রহস্যজনক।

আমি আজকে ১৯৪৮ সালের দৈনিক আজাদ পত্রিকা খুঁজতে গিয়ে দেখি এর অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। কিছু নথির অবস্থাও তথইবচ। মন্ত্রনালয় নাকি এর জন্য টাকা দেয় না। কারণ কী? আর্কাইভসকে বাঁচাতে হলে এখনই এগুলোর সঠিক সংরক্ষণ করতে হবে। না হলে আর কিছুদিন পরে সব নষ্ট হয়ে যাবে। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

 

 

  • ৬ টি মন্তব্য
  • ৭১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫২
comment by: চাঙ্কু বলেছেন: আপনার এই লেখা পড়ে যদি কর্তৃপক্ষের ঘুম ভাংগে..... এই আশায় রইলাম ।


এইরকম অনেক দুর্লভ নথি, পত্রিকা, পুস্তক মনে হয় ইতিমধ্যে হারায় গেছে ।
৩০ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:৩০

লেখক বলেছেন: তা ঠিক। কিন্তু দুঃখটা হলো মেশিন পত্র থাকার পরেও এতগুলো সূত্র হারিয়ে যাবে সেটা ভাবলেই কান্না আসে।

২. ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:০৫
comment by: লুকার বলেছেন:
একবার গেছিলাম আর্কাইভে, ঢুকতে দেয় নাই।
বাংলা একডেমী লাইব্রেরীতেও ঢুকতে দেয় নাই।
ঐগুলা নাকি গবেষকদের জন্য, দরক্ষাস্ত কইরা আমলাগো থেইকা অনুমতি নিতে হয়।
৩১ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: মজাটাতো এখানেই। গবেষকরা আসবে, গবেষণা করবে সেটা ভালো কথা। কিন্তু যে গবেষকরা এই যায়গাগুলোতে আসে তাদের যে কী মানসিকতা তা না দেখলে বুঝবেন না। এরা দুর্লভ নথির উপরেও কলম দিয়ে দাগ টানে, পাতা কেটে নিয়ে যায়। তারপর যা লিখে তা কি পড়ার যোগ্য থাকে? ইতিহাসের পুস্তকগুলোর অবস্থা আমরা জানি। সেগুলো যে কোন সংকীর্ন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে লেখা তাও জানি।

৩. ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:০৮
comment by: মনুমনু বলেছেন: ইতিহাসকে ধরে রাখে এই আর্কাইভ। শিক্ষার জন্য ইতিহাস ঘাটা এটা অনেকটা ঐতিহাসিক ব্যপার আমাদের জন্য। খরচ করা তো বর্তমানের জন্য। আজব এ কর্তৃপক্ষের লীলাখেলা।আজব........।
৪. ৩১ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৬
comment by: অনার্য তাপস বলেছেন: আজব ভাই। এই যায়গাগুলো কর্তৃপক্ষের টাকা মারার মেশিন। কিছু করার নেই। কিন্তু এখানকার দুর্নীতির কথা কেউ বলবে না।

 



 


ভালো লাগে...আমি একজন সেমিপ্রফেশনাল গবেষক। আমার আগ্রহের বিষয় লোকায়ত সংস্কৃতি, স্থানীয় ইতিহাস, মধ্যযুগের ভারতীয় সমাজ ও সংস্কৃতি, নৃতত্ব...বর্তমানে আমি 'বাংলাদেশের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৯০৪৮