এবং গতকাল রাবিতে যা হলো...সেটা এক কথায় একটা নাটক। পুরো বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হবার মতো কোন ঘটনাই নয় এটা। একেবারে ফালতু একটা কারণে অনির্দিষ্ট দিনের জন্য বন্ধ হয়ে গেল রাবি ক্যাম্প্যাস। প্রশাসন ইচ্ছে করলেই সেটা রদ করতে পারতো। গতকাল রাতের ঘটনার আমি একজন প্রত্যক্ষদর্শী। পুরো ঘটনার সময় কোন দ্বায়িত্বপ্রপ্ত ব্যক্তিকে ঘটনাস্থলে দেখা যায়নি। ফলত যে ঘটনাটা ঘটেছে, মেসের ছাত্ররা মার খেয়েছে কোন কিছু না জেনেই, না করেই। আর একারণেই তারা ভয়ে হোক আর কষ্ট নিয়েই হোক ক্যাম্পাস ত্যাগ করেছে বা করতে বাধ্য হয়েছে।
একটি ঘটনার কথা বাতাসে ভাসছে। ২০০৭ সালের ২২ আগস্ট রাবিতে যে ঘটনা হোক আর দুর্ঘটনাই হোক ঘটেছিল, তার প্রথম বার্ষিকী উদযাপন করার একটা প্রয়াস চলছিল ক্যাম্পাসে। শোনা যাচ্ছে, প্রশাসনের দুর্বলতার সেই অকাট্য প্রমানের প্রথম বার্ষিকী পালিত না হোক কর্তা ব্যক্তিরা সেটা চাইছিল ভেতরে ভেতরে। আর সে জন্যই একটা তুচ্ছ কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ষোষণা করা হলো। অথচ আজ অনেকেরই ক্লাশ টেস্ট, টিউটরিয়াল হবার কথা। অনেক বিভাগের পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা হবার কথা।
আর একটা প্রশ্ন জোরের সাথেই উঠেছে যে, এই সরকারের আমলে এমন একটা ঘটনা কেমন করে ঘটল। এটা চালের দাম বৃদ্ধির মতই নজিরবিহীন হয়ে থাকল না।
উল্লেখ্য, কর্তৃপক্ষ শ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণার অনেক পূর্ব থেকেই ছাত্র-ছাত্রীরা হল এবং মেস ত্যাগ শুরু করে। বিনোদপুরের স্থানীয় লোকজন তাদের রিকশা বা ট্যাম্পুতেও উঠতে দেয়নি। আমি সকালে আমার বোনকে বাসে তুলে দিতে বিনোদপুর থেকে হেঁটে হেঁটেই কাজলা এলাকায় আসি। এরকম শত শত ছাত্র-ছাত্রী হেঁটে হেঁটে এসেছে বিভিন্ন স্থান থেকে।
আমাদের প্রশ্ন হচ্ছে, রাবি প্রশাসন আসলে কারা চালাচ্ছে? এত দুর্বল চিত্তের কোন ভিসি আগে সেখানে ছিল না। ১৯৯৬ সালের পর থেকে একটা প্রবাদ প্রচলিত হয়েছিল যে কেউ মার্ডার না হলে ক্যাম্পাস বন্ধ হবে না।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



