অপ্রতিরোধ্য ও সাহস সঞ্চারী, তুমি ভালো থেকো!
১৩ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ১১:১৫
স্যারের আত্মবিশ্বাস অনেক সময়ে অহংকারে পরিণত হয়েছিলো। যা কখনো কখনো স্যারের কথা বার্তায় প্রকাশ পেয়েছে। তরুণ লেখকদের নিয়ে স্যারকে আমি একবার জিজ্ঞেস করেছিলাম, স্যার আপনি কেন বললেন যে, ( সাপ্তাহিক ২০০০ এর এক সাক্ষাতকারে) তরুণ লেখকরা লেখালেখি না করে টেম্পো ড্রাইভার হলে ভালো করতো!!
স্যার বলেছিলেন, স্তুতির কথা। তরুণরা নাকি স্তুতি করতে পছন্দ করে।স্তুতি শুনতে পছন্দ করে! স্যার তরুণদের স্তুতি করতে চাননি!! তাই এ কথা বলেছেন!
কিন্তু আমি জানি, স্যারও ব্যক্তিগত ভাবে স্তুতি পছন্দ করতেন। কিন্তু স্বীকার করতেন না!!
স্যারের উপন্যাস সবচেয়ে সমৃদ্ধ। কবিতায় ব্যক্তিগত বিশ্বাসের প্রবল প্রতিষ্ঠায়ন (!!) থাকার দরুণ, সেটা নিয়ে আমার একটু দ্বন্দ্ব আছে।
তবে, স্যারের অহংকারের যে ব্যাপারটা আমার ভালোলাগতো, ওনার বলার সততা! সরল ও অকপটে নিজেকে তুলে ধরার বাচন ক্ষমতা। ব্যক্তিগত ভাবে ওনার সাথে আমার অনেক জায়গাতেই মেলেনা। তবে, মাথানিচু করে চলা মানুষদের মধ্যে হুমায়ূন আজাদ স্যারের উচ্চশির আর নির্ভীক উচ্চারণ আমাকে গর্বিত করে।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আউটসাইডার বলেছেন:
ভাল লেখা।
অন্যআনন বলেছেন:
অনেকটা তুষার ভাই!
তুষার ০০৭ বলেছেন:
তাইলে ঠিকাছে। কিন্তু আমার মত হচ্ছে, তাঁর অন্য অসাধারণ কাজগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে উপন্যাসগুলো ম্লান, নিষ্প্রভ। আবারও বলি, এটা আমার অভিমত। @অন্যআনন
তুষার ০০৭ বলেছেন:
আরেকটা কথা, তাঁর মস্ত দুর্বলতা ছিল, ঠিক কোথায় থামতে হবে, কতটা বলতে হবে, এটা না জানা
মুহম্মদ জুবায়ের বলেছেন:
কোনো লেখায় মন্তব্য করে প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই সেটিকে আলাদা পোস্ট হিসেবে দেওয়ার কায়দাটা নতুন লাগলো, অন্যআনন। নতুন সংযোজন বলতে ছবিটা। আমার লেখায় মন্তব্য করার দরকারই ছিলো না। কায়দাটা ভালো, কী বলেন?
অন্ধকার বলেছেন:
অনেকাংশে সহমত আনন, কিন্তু দ্বিমত যেখানে... গতবছর পোস্টে বলেছিলাম, কাজ হিসেবে ওনার বাংলা ভাষার উপর কাজটাই সবচেয়ে বড় মনে করি।
হোসেইন-দ্য এ টিম বলেছেন:
হুমায়ুন আজাদের বড়ো কাজ তার ভাষা নিয়ে কাজ,এটা আমার মতামত।
হোসেইন-দ্য এ টিম বলেছেন:
এইটা তো এখন দেখি জুবায়ের ভাইয়ের পোস্টে কমেন্ট হিসাবে দিছেন?আবার পোস্ট দিছেন,বিষয়টা কী?
মুহম্মদ জুবায়ের বলেছেন:
নতুন কায়দা @ হোসেইন। ওপরে এই বিষয়ে মন্তব্য করেছি।
অন্যআনন বলেছেন:
জুবায়ের ভাই, মন্তব্যকে পোস্ট করা যাবেনা এমনটা কোনো নিয়মের পর্যায়ে পড়ে কি? স্যারের ছবিটা পেলাম বলে,সাথে লেখাটা জুড়ে দিলাম। এখানে কোনো কায়দা ফায়দার ব্যাপার নাই! সবার সাথে শেয়ার করতে চাইলাম আর কি!হোসেইন ভাই ও অন্ধকার, ভাষা নিয়ে স্যারের ব্যাপারে আমারও একই মত! ধন্যবাদ আপনাদের!
অন্যআনন বলেছেন:
জুবায়ের ভাই কি কষ্ট পাইলেন? আমার মন্তব্যটা মুইছা ফালাইলে আমি কিন্তু কষ্ট পামু না!
মুহম্মদ জুবায়ের বলেছেন:
আরে না, কষ্ট কীসের? মজা পেলাম খুব, তাই বলা। কষ্ট তো করলেন আপনি। একবার মন্তব্য করলেন, সেটাকে আবার পোস্ট আকারে দিলেন। কষ্ট না?আর আপনার মন্তব্য আমি মোছার কে? থাক না।
অন্যআনন বলেছেন:
আমার আসলে কোনো কষ্টই হয়নি। স্যারের জন্য লেখাতো! কিন্তু আমি একটু অবাক, কোনো প্রতিষ্ঠত নিয়ম আবার ভাঙ্গলাম কি না!!!ধন্যবাদ আপনাকে।
বিপ্লব রহমান বলেছেন:
...মাথানিচু করে চলা মানুষদের মধ্যে হুমায়ূন আজাদ স্যারের উচ্চশির আর নির্ভীক উচ্চারণ আমাকে গর্বিত করে। ...খুব ভাল লিখেছেন।
তবে আমার মনে হয়, হুমায়ুন আজাদ কবিতাতেই অনেক ধারলো, গদ্যে ততটা নন।
নূরে আলম বলেছেন:
ভাই, এমন একটা মানুষের ছবি দিলেন, যার ছবি দেখলেই মনটা বিরক্তিতে ভরে ওঠে। এজাতীয় বাজে মানুষ নিয়ে না লিখলেই কি নয়! বেচারা মরে গেছে। ঝামেলা চুকেছে। বাদ দেন এইসব বাজে লোকদের কথা।আপনার কোন মা বোন থাকলে আপনি এ কথা লেখেন কী ভাবে?
নূরে আলম বলেছেন:
ভাই, এমন একটা মানুষের ছবি দিলেন, যার ছবি দেখলেই মনটা বিরক্তিতে ভরে ওঠে। এজাতীয় বাজে মানুষ নিয়ে না লিখলেই কি নয়! বেচারা মরে গেছে। ঝামেলা চুকেছে। বাদ দেন এইসব বাজে লোকদের কথা।আপনার কোন মা বোন থাকলে আপনি এ কথা লেখেন কী ভাবে?
রাশেদ বলেছেন:
মাঝখানের এক দীর্ঘ বিরতির পরে নূরে আলম ভাই আইসা পড়ছেন।
স্পিট ফায়ার বলেছেন:
"সব কিছু যাবে নষ্টদের অধিকারে" আমার মনে হয় হুমায়ূন আজাদ স্যারের এই কবিতার লাইনটি পরিবর্তন করে এখন বলা যায় সব কিছু গেছে নষ্টদের অধিকারে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















