somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... বিজয়ের ৪০ বছর পূর্তি হিসেবে বাংলাদেশকে গুগল ডুডল করার আবেদন জানান, এক্ষুণি!

To
Google Doodle Team
...
Subject: Request Google Doodle for 16 December - Victory Day of Bangladesh

Dear Sir / Madam,

Please give a Doodle for 16 December - Victory Day of Bangladesh.

Thanks
Your Name

Send Email to:
পোস্টের ছবিটিও আবেদন মেইলের সাথে সংযুক্ত করে দিন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29503458 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29503458 2011-12-15 17:46:58
আবিদহীন এক অশ্রুস্নাত সন্ধ্যায় প্রকাশিত হলো আবিদের নতুন অ্যালবাম
আমরা ভাষাহীন। আবিদের মাকে কোনো স্বান্তনা দিতে পারিনি!!

ক্লোজআপ তারকা, প্রতিভাবান তরুণ কন্ঠশিল্পী আবিদ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন গত জুলাই মাসে। প্রায় তিনমাস পর প্রকাশিত হলো তার রবীন্দ্রসঙ্গীতের নতুন অ্যালবাম "নব আনন্দে জাগো"। গতকাল গুলশানের টপক্যাপী রেস্তোরায় অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচনের আনন্দ ম্লান হয়ে গিয়েছিলো উপস্থিত সবার বেদনাবিধুর নিশ্চুপতা আর আবিদের মায়ের বুকভাঙ্গা আর্তিতে।

অনুষ্ঠানে আবিদের অ্যালবামের গান পরিবেশন করেন আবিদেরই আপন ছোট ভাই বাঁধন। বাঁধনের কন্ঠে "আমারও পরানো যাহা চায়" শুনে মনে হলো যেন আবিদ ফিরে এসেছে।

ছবি : বাঁধন (মাঝ খানে)

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আবিদের বাবা মিনা মিজানুর রহমান। এছাড়া, একঝাঁক তারকা- মামুনুর রশীদ, শাকিলা জাফর, সামিনা চৌধুরী, পার্থ বড়ুয়া, প্রিন্স মাহমুদসহ আবিদের ক্লাজআপ ওয়ান সহশিল্পীরা।


অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন অভিনেতা ও নাট্যকার মামুনুর রশীদ। পাশে আবিদের বাবা (ডানে) এবং প্রিন্স মাহমুদ (বামে)।


পার্থ বড়ুয়া, প্রযোজক তানভীর খান এবং ক্লোজআপ ওয়ানের শিল্পীরা।

অনুষ্ঠানে আবিদের পরিবারের বন্ধু এবং অভিনেতা মামুনুর রশীদ জানালেন, "নব আনন্দে জাগো" আবিদের সর্বশেষ রবীন্দ্রসঙ্গীত অ্যালবাম হলেও ৩ মাস পর আসছে আবিদের আরো একটি অ্যালবাম।

"নব আনন্দে জাগো" - আবিদের স্বপ্নের অ্যালবাম প্রজেক্ট। আমরা নিশ্চয়ই আবিদকে ভালোবেসে ওর স্বপ্নের স্মারকটুকু্‌ নিজ নিজ সংগ্রহে রাখবো।

ছবি : লেখক]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29473236 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29473236 2011-10-27 18:10:50
নীরব সমাজ, সরব সি সি ক্যাম!
ক্ষতটা দিনে দিনে বড়ো হচ্ছে। পায়ের ক্ষত সারা শরীর শেষে এখন ছড়াচ্ছে মগজে। মূল্যবোধের মূল্যসূচকে নামছে দারুণ ধ্বস! মূল্যবোধ প্রতিনিয়ত হচ্ছে ঘৃণিত! হবেই না বা কেন, মূল্যবোধ কি দিচ্ছে আমাদের- চাকরি, আর্থিক স্বাধীনতা, ভাত-ডাল? না! মূল্যবোধ শুধু দিচ্ছে হ তা শা!! তার সেই হতাশা থেকেই চারিত্রিক অধ:পতনের বাতাসা খেছে নিচ্ছে সুযোগ-সন্ধানীরা। নিজেদের মা-বোনদের শরীর বেচার এক পাশবিক আনন্দে মেতেছে এরা! নিজেদের না হলেও অন্যদেরটা বাজারে বিকোচ্ছে অবলীলায়!

কি সমস্যা এই সমাজের? মনটা কিভাবে-কখন দখল করে নিলো এই অধ:পতন?
বিকৃত কামনা আর উদরপূর্তিই কি জীবনের সব কিছু? কোনো দায়িত্ববোধ নেই, ভালোবাসা নেই!! বেচা কেনা- কেনা বেচা করতে করতে বিবেকই কিনা শেষে হয়ে গেছে পণ্য। এই সমাজে বিবেকের দাম পর্ণোগ্রাফীর সমতুল্য।

একজন বেশ্যার ছেলে ডাক্তার হয়ে হাজার মানুষের সেবা করতে পারলে আমরা যারা সম্ভ্রান্ত পরিবারের, সুশীল সমাজের অধিবাসী- আমাদেরতো আরো ভালো কিছু করা উচিৎ! আমরা কিনা মোবাইল ক্যামেরায়, সিসি ক্যামেরায়, গোপন ক্যামেরায় অমানুষের মতো, দায়িত্ব কান্ডজ্ঞানহীন ভাবে অন্যের সম্মান হানি করছি। পুরো সমাজটাকেই বেশ্যা বানাতে চাইছি!! এতো ক্ষুধা কেন আমাদের? এই ক্ষুধা আমাদের কোথায় নিয়ে যাবে?

মনের হিডেন ক্যামেরাটা আগে সরাতে হবে। মা আর বোন অথবা প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে প্রতিপক্ষকে বেশ্যা বানানো বিকৃত ইচ্ছাটাকে দমন করতে হবে। পুরো সমাজকে ব্রোথেল বানানোর যে প্রাণান্তকর চেষ্টা সেটা বন্ধ করতে হবে। নিজেকে ফেরাতে হবে আগে!

আর আইনপ্রয়োগকারী এবং সরকারের কথা কি বলবো! সমাজের এই অধ:পতন নিয়ে এরা মোটেও চিন্তিত না। বেশ্যাসমাজে যাতে অপরাধীরা বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াতে পারে সেটার পুরো বন্দবস্ত করে ফেলে এই পৃষ্ঠপোষকের দল। দুই একটা কীটকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে দিলেই কিন্তু আইনের অবেশ্যাত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। আইনের ওপর মানুষ ভরসা করতে পারে! কিন্তু বিকৃত কৌশলের আশ্রয় নিয়ে সরকার ও তার আইন নীরব ভূমিকা পালন করছে, ধীরগতিতে এগুচ্ছে। এগুলোর মানে কি? আমরা তো এমন ডিজিটাল বাংলাদেশ চাইনি, যে দেশ মা- বোনদের ইজ্জত বিক্রেতা দেশ হিসেবে পৃথিবীর বুকে আলোচিত হবে!

এখন এক বন্ধু অন্য বন্ধুকে দেখা হলে বলে, " কি মামা, নতুন কারো কিছু বের হইছে?", "নে আমার কাছে অমুকের টা আছে! ব্লু টুথটা অন কর/ পেড্রাইভটা দে" কি ভয়ংকর। কি আত্মঘাতী!! এদের দিয়ে জাতির কি হবে, দেশের কি হবে? আমি জানিনা!! পচনটা রোধ হবে কবে? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29459992 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29459992 2011-10-04 16:38:45
নিজস্ব অনুবাদে প্রিয় কবি লিওনার্দ কোহেনের পংক্তি স্বাধীনতা আমার জীবন!
ঝড়ো একটা সময়,
যখন শুকনো পাতারা হাসপাতালের জীর্ণ দেয়াল ফুঁড়ে উঠছিল তরতরিয়ে।
বেঁচে ছিলাম এক ভীত সময়ে
ফুটবল টীমের মতো গাদাগাদি করে

ওরা যতটুকু দিয়েছিলো, নিয়েছিলো ঢের
মাপসই এক ফানেলের গহীনে ছুঁড়ে দিয়েছিলো আমায়!
সাথে ছিল উপহার আর কিছু সতর্কবার্তা :

" তোমাকে উদার-হৃদয় দিচ্ছি তবে ওয়াইন তোমাকে ঘৃণা শেখাবে !
চাঁদ হবে সহোদর কিন্তু ঘুমের বড়িতে পাবে অসুখী নারীর আলিঙ্গন।
প্রতিটি ভালোবাসার দখলে তুমি হারাবে স্মৃতির তুষারকণা।"

* ২১ সেপ্টেম্বর ছিল প্রিয় কবি, গায়ক লিওনার্দ কোহেনের জন্মদিন। কবিতাটি "আকাঙ্খার খেরো খাতা" (Book of longing )- কাব্যগ্রন্থের অংশবিশেষ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29453274 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29453274 2011-09-22 22:50:05
স্বপ্নে স্বপ্নভঙ্গ
স্বপ্ন কর্তৃপক্ষ বলছেন "সবকিছুর দাম বেড়েছে। তাই আমদানীকৃত শিশুপণ্যের দামও বেড়েছে।"

আমি বললাম, "রিট্যাগিং করা হলো কেন? পুরানো দামের ওপর নতুন দামের স্টিকার চেপে দেয়ার মানে কি? মানে, এটা পুরানো স্টকের জিনিস। আর, দাম বাড়লে এখানে নতুন দামের ট্যাগ হবে, ডাবল ট্যাগিং হবে কেন? আমার কাছ থেকে তাহলে পুরানো দামই রাখা হোক! একই মার্কেটে অভিন্ন পণ্যের দাম ভিন্ন হতে পারেনা! (সমজাতীয় শপে)"

স্বপ্নের চাকরি-ভীত কর্মচারী তরুণগুলো আমাকে শেখানো ব্যাখ্যা দেয়ার চেষ্টা করলো, আমি তাতে মোটেই আশ্বস্ত হতে পারলাম না। আমি কি করে আশ্বস্ত হবো? আমি কি জানি, কোনটার দাম আসলেই বেড়েছে, কোনটা কমেছে? স্বপ্ন কি সেই সুযোগই নিলো না?

থাইল্যান্ডের এই পণ্যের দাম হবে বাংলাদেশী টাকায় ১২০-৩০টাকা। দেশের মার্কেটে এর খুচরা মূল্য ১৮০ টাকা। আর স্বপ্ন আমাকে স্বপ্ন দেখাচ্ছে ২৩৬ টাকার ( ভ্যাট ব্যতীত)। এমন হলে, বাংলাদেশ নিয়ে এরপর আর স্বপ্ন দেখতে ইচ্ছে করে বলুন? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29443669 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29443669 2011-09-06 10:06:32
১৫ আগস্ট উদযাপনে একটি প্রস্তাবনা মারো বাঙ্গালী মারো! ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29427814 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29427814 2011-08-08 13:18:06 গানটা তোকে দেয়া হলোনারে আবিদ!
আমার সাথে আবিদের সখ্যতা কোনো বয়সের সীমানায় বাধা ছিলো না। আসলে ওর মধ্যে একটা গুণ ছিলো, যে কাউকে খুব সহজেই বন্ধু করে ফেলতো! ওর সেন্স অফ হিউমার অসাধারণ। ক্লোজআপ ওয়ানের কাজের সময় আমি, আবিদ, পুতুল, সুপন রায়, পার্থদা, নুমা আপা (ফাহমিদা নবী), কৌশিক দা, সামি ভাই ও ক্লোজআপ- এনটিভির অন্যান্য বন্ধুরা চুটিয়ে আড্ডা দিয়েছি। এতো প্রাণবন্ত ও অশেষ তারুণ্য ছিলো আবিদের যে ও হয়ে থাকতো আড্ডার শিরোমণি।

আবিদ খুব, খুবই অপ্রত্যাশিত ভাবে আমাদের ছেড়ে চলে গেলো! সামনে জীবন তো আরো পড়ে ছিলো ওর, স্বপ্নপূরণের পথে এখনো অনেক হাঁটা বাকী ছিলো! কিছুই হলো না! কি সান্তনা দিবো নিজেকে, কি সান্তনা পাবে ওর প্রাণপ্রিয় বাবা-মা-বোন-বন্ধুরা আমি জানিনা!

সেই গানটার কথা আবার মনে পড়ছে। পথে ঘাটে যেখানেই যেভাবে আবিদের সাথে দেখা হতো, দুষ্টমিভরা কন্ঠে আবদার করতো- আনন ভাই গানটা তো দিলেন না! গানটা তাহলে একটু গেয়ে শোনান!

সেই গানেরই শেষ চার লাইন আবিদকে উৎসর্গ করছি-

"একদিন কিছু থাকবেনা এই ভুল-বোঝাবুঝি,
চলে যেতে হবে আমাদের নিশ্চুপ-সোজাসুজি,
তোর হৃদয়ে আমি ছিলাম, আমার হৃদয়ে তুই!
এটাই সম্বল বেঁচে থাকার জানবে অন্তরযামী...

বুঝেও কেন না বোঝার ভান,
করে চলে যাস,
তুই ছাড়া খুব বিষন্ন আমার নীলাকাশ..."

গানটা তোকে দেয়া হয়নি আবিদ! হয়তো কোনো একদিন দিয়েও দিতাম, সেই সুযোগও থাকলো না বন্ধু! পারলে ভাইটিকে ক্ষমা করিস, ভালো থাকিস।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29422399 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29422399 2011-07-30 00:07:52
৬ ছাত্র হত্যাউৎসব : আসুন আমরা একজন অন্যজনকে পিটিয়ে মেরে ফেলি! আমি গতকাল রাতে সংবাদ দেখে ঘুমোতেই পারিনি। এ কোন অসভ্য দেশে থাকি আমি, এ কোন অপরাধীদের দেশে থাকি আমি? যে এলাকায় প্রকৃত ডাকাতদের পুলিশ ধরতে পারেনি কখনো, যে এলাকায় ডাকাতির নিয়মিত ঘটনা ঘটে সেখানকার অধিবাসী ডাকাতদের ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করবে, সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আইন ও প্রশাসনের দুর্বলতার বলি কেন সাধারণ এ ৬ ছাত্রদের হতে হলো? পুলিশ কেন প্রকৃত ডাকাতদের শাস্তি নিশ্চিত করতে পারেনি! গতকালের এই ট্র্যাজিডি আসলে প্রকৃত অপরাধীদেরই আড়াল করলো! আমিনবাজারের মাদকচক্রের কাছে মাসোহারা খেতে তো আইন-প্রশাসনের জিহ্বা লকলকিয়ে থাকে! মানে, প্রশাসন মাদকচক্রের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ!

এক্ষেত্রে শাসনব্যবস্থারও একটা জোরালো ইন্ধন রয়েছে। কোনো সরকারই এমন কোনো দৃষ্টান্ত স্থাপন করেনি যে, এক প্রতিপক্ষ অন্য প্রতিপক্ষকে পিটিয়ে মেলে ফেললে তাঁর শাস্তি হয়। অর্থাৎ শাসনব্যবস্থাও অপরাধী তৈরি করছে। RAB এর বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ডের ঘটনা এক্ষেত্রে একটা উল্লেখ করার মতো বিষয়।

জনগণ আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে কেন? কারণ প্রচলিত আইন-প্রশাসনের কাছে তারা কোনো প্রতিকার পাচ্ছে না! যদি আমিনবাজারে গতকাল প্রকৃত ডাকাতও ধরা পড়তো, তাদেরকেও এভাবেই নৃশংসভাবে হত্যা করা হতো! এতে ডাকাতি হয়তো বন্ধ হতো, কিন্তু প্রশাসনের নপুংশকতার বিষয়টি থেকেই যেত!

অসভ্য এ দেশ ও জাতি বলে দিচ্ছে- আমরা সবাই আইন, আমরা সবাই অপরাধী! তবে চলুন, আমরা একজন অন্যজনকে পিটিয়ে মেরে ফেলি! তাহলে, সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে!!!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29415764 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29415764 2011-07-19 11:13:04
জাস্ট শেয়ারিং অ্যান্ড বিটিং নিজ ঢোল! <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />
মোজো অন্তরে অন্তরে

লিরিক :
ব্লু স্কাই, হট সান
সাউন্ড অব মিউজিক, ট্রাফিক জ্যাম
রাফ অ্যান্ড টাফ বাউল, একতারা হাতে
লং ড্রাইভ, ছুটে চলা এফ এম-এর সাথে
অন্তরে অন্তরে মোজো।।

একফালি নাউ, দূরে নদী ছোটে
দুষ্ট ছেলের দল, ঝাঁপ দিয়ে উঠে
থ্রি কোয়ার্টার প‌্যান্ট, স্নিকারটা লাল
হঠাৎ পাহাড়, এলোমেলো ঢাল
অন্তরে অন্তরে মোজো।।

টেকনাফ তেতুলিয়া অলিগলি ডান-বাম
এভরিবডি, এভরিহোয়ার মুখে ফিরে এক নাম
অন্তরে অন্তরে মোজো।।
২.
Mojo FnF pack jingle

লিরিক :
বাবা পড়েন রাজনীতি, মা নারী পাতা
শাহেদ আছে রক এন্ড রোলে, সুমি কবিতা
খালা রবীন্দ্র, খালু নজরুল
ভাবী ধারাবাহিক, ভাইয়া টক শোতে মশগুল
তপু বার্গার, মিলি চানাচুর
ভিন্ন সবাই তবু অন্তরে এক সুর
তবু মিলে যাই FnF-pack মোজোতে
উই লাভ টু শেয়ার মোজো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29393963 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29393963 2011-06-09 16:17:14
বই "আজাহার বয়াতীর জীবন ও গান" ও প্রকাশনার কিছু মুহূর্তছবি
ডিসপ্লেতে আজাহার বয়াতী


লেখকতথ্য ও বই


আড্ডার আলোচক ( ডান দিক থেকে) সাহিত্যিক রশীদ হায়দার, বাউল গবেষক ড. এস এম লুৎফর রহমান, চিন্তাবিদ বদরুদ্দীন উমর, প্রাবন্ধিক ড. আবুল কাশেম ফজলুল হক এবং সমাজ সংগঠক জনাব ডেনিস দিলিপ দত্ত


বাউল কবি পাঞ্জু সাঁই, পাগলা কানাই, শীতলং সাঁই,শাহ আব্দুল করিম, শেখ মদন, দুদ্দু সাঁইয়ের মতোই আজাহার বয়াতীর অবদানও গুরুত্বপূর্ণ, বলছিলেন গ্রন্থকার আমিনুল ইসলাম।


কবি হাসান হাফিজ বলছিলেন আয়োজন নিয়ে


আলোচনা-বিশ্লেষণ চলছে


ব্লগারবন্ধু শরৎ ও কৌশিক


ফটোসেশনে চিন্তাবিদ ও প্রাবন্ধিক বদরুদ্দীন উমরের সাথে লেখক পরিবার
বই : আজাহার বয়াতীর জীবন ও গান লেখক : আমিনুল ইসলাম প্রচ্ছদ : ধ্রুব এষ প্রকাশক : কাশবন প্রকাশন মূল্য : ২৮৫ টাকা
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29392881 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29392881 2011-06-07 12:48:53
পপসম্রাট না ক্লাউন?
উনিতো পপসম্রাট, সাধারণ লোক নন। উনি একজন মুক্তিযোদ্ধাও বটে। উনি খুব সাধারণ জীবন যাপন করেন। পোষাকআশাকেও বেশ সাধারণ। সেটা তো হইতেই পারে। কিন্তু এই সাধারণ জীবনযাপনের মানুষটার অসাধারণত্বের বিষয়টাই ছবিতে ফুটাইয়া তুলতে হইবো।

বাইরের দেশের পপসম্রাটদের ছবিগুলো কতো সুন্দরভাবে অ্যারেঞ্জ করা হয়, ইমেজ আর অ্যাটিটিউডের সাথে ভারসাম্য রেখে প্রকাশ করা হয়। আমাগো পত্রিকাওয়ালারা যেটা কখনোই করে নাই। আর দেশে ভালো ক্যামেরা আর ফটোগ্রাফারের কি অভাব আছে? আমার ধারনা এগুলো নিয়া আমাদের পত্রিকার সম্পাদকেরা খুব বেশি ভাবেন না, যতোটা তারা ভাবেন "ফান ম্যাগাজিন"এর বিষয়বস্তু নিয়া। আমরা তো লোকটারে কম বেচি নাই। লোকটা কি ক্লাউন?

আজম খান একটা সেনসেশন, একটা অ্যাটিটিউড। পপগুরুর পারসনালিটিটাকে ফীল করতে হবে। ওনার প্রতি ন্যুনতম শ্রদ্ধা থাকলে সেটা সম্ভব। আর ফিল করতে না পারলে ওনাকে নিয়া নিউজ করার দরকার নাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29388444 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29388444 2011-05-30 13:52:26
ঢাকায় যে কারণে গাছ মরে : যেভাবে সমাধান পরিবেশবিজ্ঞানী কাজী জাকের হোসেনের মতে, ‘বিদেশি গাছের প্রভাবেও দেশি গাছ মরে যাচ্ছে । বিদেশি গাছের পাশে দেশি গাছ বংশ বৃদ্ধি করতে পারে না। কারণ বিদেশি গাছের মূল থেকে এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ বের হয় যা দেশি গাছের জন্য ক্ষতিকর। এছাড়া এদেশের পশু-পাখি বিদেশি গাছের ফুল-ফল গ্রহণ করে না। ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।’ তিনি বলেন,‘দালানকোঠার ভিড়ে গাছ তার খাদ্য উৎপাদনের যে প্রস্বেদন প্রক্রিয়া তা সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পারছে না। বাতাস, পানি, আলোর প্রস্বেদন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গাছের যে খাদ্য উৎপাদন তা হচ্ছে না ফলে খাদ্য ছাড়া গাছ আর কতদিন আর বাঁচবে!’ঢাকায় গাছ মারা যাওয়ার সমস্যা দিন দিন বাড়ছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। এ সমস্যা দ্রুত চিহ্নিত করা জরুরি বলে তারা মনে করেন । গাছ নিয়ে সরকারেরর কোনও বিভাগ বা প্রতিষ্ঠান গবেষণা করছে না। তাই এর সমাধানও বের হয়ে আসছে না। ঢাকার পরিবেশ সারা দেশের থেকে ভিন্ন বলে ঢাকার গাছপালা জন্য আলাদাভাবে গবেষণা করা প্রয়োজন জরুরী বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। এ ব্যাপারে দ্বিজেন শর্মা বলেন, ‘গাছের মড়কের সুনির্দিষ্ট কারণ চিহ্নিত করণে সমন্বিত গবেষণা ও উদ্যোগ প্রয়োজন। গাছের চারপাশের মাটি একটু নরম থাকা, কমপক্ষে একমিটার দূরত্বে পাকা করা, নিয়মিত পানির ব্যবস্থা থাকা দরকার। গাছের চারপাশে কমপক্ষে এক মিটার জায়গা রাখা উচিৎ।’ তিনি বলেন,‘ মোটকথা আমাদেও নিজেদের স্বার্থে, আমাদের ঁেবচে থাকার জন্য গাছকে বাঁচাতে হবে। গাছের স্বাভাবিক প্রক্রিযাকে বাধাগ্রস্ত করে এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।’ এজন্য সবার মানসিকতার পরিবর্তনের উপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন। অধ্যাপক এ কে এম নজরুল ইসলাম বলেন, বায়বীয় পরিবেশে বিভিন্ন ক্ষতিকর গ্যাসের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং বৃষ্টি ও পানির সঙ্গে মিশে মাটির অম্লতা বৃদ্ধি পেয়ে গাছ মারা যায়। তাই রাসায়নিক দ্রব্যের ব্যবহার কমাতে হবে। এজন্য রাসায়নিক ও শিল্পকারখানা ঢাকার বাইরে সরাতে হবে। তিনি বলেন, ভূগর্ভস্থ পানির উচ্চতা বাড়াতে হবে যাতে খরা মৌসুমে গাছের শিকড়ের নাগালে পানি থাকে। সকল নদীনালা দূষণমুক্ত রাখতে হবে যাতে দূষিত পানি চুইয়ে ভূগর্ভস্থ পানিতে না মিশে যায়।

স্টাফ রিপোর্টার:http://amarkagoj.net/?p=6312]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29379340 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29379340 2011-05-11 20:12:38
ওসামা-বিন-লাদেন নয়, ডাক্তার ওসামা! Dr. Osama - Karnishey Magpie
ডাক্তার ওসামা, লিরিক ও সুর : আনন, অ্যালবাম : বন্ধুতা, ব্যান্ড : কার্নিশে ম্যাগপাই।
ডাক্তার ওসামা,
ফার্স্ট এইড বক্স হাতে হলো রওনা
ওসামা
বোমা নয়, ঔষধ হাতে

একদিন ভোর রাতে ফার্স্ট এইড বক্স হাতে,
মনস্থির যাবে সুদানে,
কৃষক খালিদ তার , অসুস্থ পরিবার
বেঁচে থাকা দূর্লভ জীবনে...
ওসামা,
আজ বাঁচাতে যেতে হবে শত পরিবার!
ওসামা,
বোমা নয়, বিশুদ্ধ পানি দরকার!

(সংক্ষেপিত)
কার্টুন : আমেরিকান কার্টুনিস্ট ডেভ গ্র্যানলান্ড।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29374298 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29374298 2011-05-03 13:37:55
সংসার : মার্চ ২৯, ২০০৫ উঠোনে শায়িত অনাগত দিনগুলো
বিবর্ণ রঙ্গীন, তবু রয়ে যায়!

তবু বয়ে যাই বুক পকেটে শীতল নিশ্বাস
অনাবৃত আশাগণ যেন প্রলোভন, আর
ছায়া পরিধি হেঁটে চলে সাথে, অচিন আশ্বাসে!

তোমাকে খুঁজিনিতো সহযাত্রী
দেখিনিতো শত নিস্প্রদীপতায় আলোকদ্যুতি
বুঝিনি তো প্রতিবেশী, এই হৃদয় মাঝে
জেগে ছিল- আমার ছুটি!

কী ছিল সেই প্রথম চুম্বন? শিহরণ শুধু !
বিনিদ্র সহবাসের বিলুপ্ত নির্যাস!
সেই আবছায়া ঘর আর মায়াময় স্যাক্সোফোন,
সুরভিত বিছানা- কিছুইতো বদলায়নি!

বদলে যাওয়া শুধু তোমার- আমার।
যেন মাটির দামে কেনা সংসার,
শেষে উবে গেছে উপযোগীতা
সব আর্থ-মানবিক চাহিদার!

তবু বয়ে যাও বুকের গভীরে- শীতল বিশ্বাস,
অনাগত আশাগণ প্রলোভন যেন !
কাছে আসার ছলে শুধু দূরে চলে যাওয়া
যেন দুজনের আড়ালে দুজনই খেলছি খেলা-
পাশাপাশি, নিখুঁত নিয়মে!

ছায়া পরিধি- আমরা দুজনার
অনুভূতির তপ্ত কফিনে এখন ঘুমায় সংসার!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29370467 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29370467 2011-04-27 18:30:46
অপরবাস্তব ৫-এর জন্য পরবর্তী বিক্রয়যোগ্য বিষয়বস্তু " style="border:0;" />
এবার চৈতী... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29353707 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29353707 2011-03-30 13:06:57
"আপনার বই মেলা" বইমেলা ২০১১ পরিদর্শন, বইক্রয়, প্রিয়বই, প্রকাশক ও প্রকাশনা নিয়ে আপনার ভালো-মন্দ অভিজ্ঞতা ব্লগে লিখুন।

- আসলে এটা একটা কনসেপ্ট। আমি এতো ভালো লিখতে পারিনা। তাহলে সুন্দর ভাবে তথ্যসমৃদ্ধ লেখা লিখে লেখাটিকে স্টিকিপোস্ট করার জন্য সা.হো কে বলতাম। প্রতিবারের বইমেলা নিয়ে আমাদের অনেক ধরনের অভিজ্ঞতা থাকে, আনন্দ-আক্ষেপের গল্প থাকে। প্রিয়-অপ্রিয় বই নিয়ে বিতর্ক থাকে। যেগুলো আমরা কোথাও না কোথাও শেয়ার করি। সা. হো যদি এমন একটা স্টিকিপোস্ট রেসিউম করতো- তাহলে এক জায়গায় এবারের বইমেলা নিয়ে আমরা আমাদের কথা শেয়ার করতে পারতাম।

আসলে যে পোস্টটি পড়লে যে কেউ বইমেলা ২০১১ নিয়ে সামগ্রিক একটা ধারণা পাবে। স্বশরীরে মেলা প্রত্যক্ষণের ব্যাপারটাই আলাদা। আর পাঠকের সরেজমিন অভিজ্ঞতা অনেকটা বাস্তবতাকেই তুলে ধরে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29332014 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29332014 2011-02-22 15:40:20
মনের মন্দির ১.
কবিতার মতো কাছে আসি, কল্পনার কাছাকাছি হৃদয়-বিহঙ্গ মেলে অস্থির ডানা, ছোঁয় আকাশ...

মারুফ ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে অনার্স করে উচ্চতর ডিগ্রী নিতে স্কলারশিপে চলে যায় যুক্তরাষ্ট্র। মেধাবী মারুফের সাথে যুক্তরাষ্ট্রেই পরিচয় হয় শম্পার সাথে।
হাসি-খুশি প্রাণচ্ছোল শম্পার বেড়ে ওঠা আমেরিকাতেই কিন্তু চলনে-বলনে বাঙ্গালিয়ানা তাকে ভিনদেশে অন্য যেকোনো বাঙ্গালী মেয়ে থেকে একদমই আলাদা করে দেয়।
প্রথম পরিচয় হয় ক্যাম্পাসের ২১ শে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষ্যে একটি অনুষ্ঠানে।শম্পা সেখানে আবৃত্তি করছিল শামসুর রাহমানের একটি কবিতা আর মারুফ আবৃত্তি করছিলো একুশ নিয়ে স্বরচিত পংক্তিমালা।সেইদিন প্রোগ্রামে এক মিনিটের জন্যেও মারুফ শম্পাকে চোখের আড়াল করেনি।নাছোড়বান্দা চোখদুটোকে সেদিন পেয়ে বসেছিলো ফাল্গুনের অপরূপ শোভা!
মনের ভিতরটা গুনগুনিয়ে উঠে-
আমাকে অন্ধ করে দিয়ে ছিলো চাঁদ...আমাকে নি:স্ব করে দিয়ে ছিলো চাঁদ...

: হাই, অকবির নাম মারুফ।
: অকবি বলছেন কেন! ভালোই তো লাগলো!
: আর কবিকে?
: মানে?
: শেষ পর্যন্ত কবিতাই জিতে গেলো! সেই যাই হোক...আবৃত্তি মনে ধরেছে।কবিতা কিন্তু কন্ঠের কাছে হেরে গেলো! হা হা হা

মারুফের সাথে শস্পার পরিচয় পর্বের কথপোকথন এমনই ছিলো।মারুফের হালকা হাস্যরস শম্পাকে আনন্দিত করে।

তারপর দিন যতো গড়ায়, কবি আর পাঠিকা মুক্ত বিহঙ্গের মতো নিজেদের ভাসিয়ে দেয় হৃদয়-আকাশে। একটু একটু করে কাছে আসে।ক্যাম্পাস থেকে মন দেয়া নেয়া চলে লং ড্রাইভে, এক স্টেইট থেকে অন্য স্টেইটে! দেয়া নেয়ার এক বালুকা বেলায় মারমেইড ক্যাফেতে নিবিড় চোখ মেলে শম্পার হাতখানি আলতো করে ধরে কাছে আনে মারুফ।

: আজ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে তোমার অনুমতি চাইছি!
: মানে!
: এই মূহুর্তে আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই! May I have the honor!

নিস্তব্ধ সমুদ্রে তীরে উত্তাল হয় স্রোত।শম্পা হাত বাড়িয়ে দেয়, অনামিকায় বেঁধে নেয় মধুর জীবন।

সময় করে দুজনই চলে আসে বাংলাদেশে।দুই পরিবারের সম্মতিতে বিশাল আয়োজন।সুখের সংসার বলতে যা কিছু- মারুফ শম্পার জীবনে নতুন করে শুরু হয়।আমেরিকায় ফিরে এসে দুজনেরই পাল্লা দিয়ে বাড়ে কর্ম ব্যস্ততা। কিন্তু এর মধ্যেই ছোট করে ওয়েডিং রিসেপশনের একটা প্রোগ্রাম হয়।শম্পার অনেক বন্ধুদের সাথে সেদিন প্রথমবারের মতো পরিচয় হয় মারুফের! সেদিনই মারুফ বুঝতে পারে আমেরিকায় বেড়ে ওঠা শম্পার বন্ধুত্বের নেটওয়ার্কটা কতো বিশাল!
২.
Put on a show, i wanna see how you lose control...

এরই মধ্যে একদিন বান্ধবী জুনের বার্থডেতে একা একা গিয়ে গিফট কিনে আনে শম্পা।সন্ধ্যায় পার্টিতে মারুফসহ পৌঁছে যায় সবার আগেই।
জুন শম্পার ছোটবেলার বন্ধু এবং ওরা পাকিস্তানি।পাকিস্তানি পরিবারের মেয়ে হয়েও ওয়েস্টার্ন সংস্কৃতিতে বেড়ে উঠেছে ওদের মন-মানসিকতা!
অতএব জন্মদিনের পার্টি বলতে মারুফ যে রকম ভেবেছিলো ঠিক ঘটেছে উল্টোটা! একদম ওয়েস্টার্ন ঘরানার একটা পার্টি!
এর মধ্যে জুনের বয়ফ্রেন্ড সালমান শম্পার হাত ধরে নিয়ে যায় নাঁচবে বলে!
You oughta know, tonight is the night to let it go...
Put on a show, i wanna see how you lose control...

জে সিনের ডাউনের তালে তালে আলো-আধারিতে শম্পার হাত ধরে নাচছে সালমান আর ওদিকে জুন মারুফকে যারপরনাই রিকোয়েস্ট করেও ড্যান্স ফ্লোরে আনতে পারে না। মারুফের মুখে আনন্দ মনে বিষ! মুড অফ, কোনো কথা-বার্তা না বলেই গাড়ি ড্রাইভ করে মারুফ।শম্পা বুঝতে পারেনা!

এর পর থেকেই একই ছাদের নিচে মনের ব্যবধান বড় হতে থাকে দুজনের! শম্পার পার্টি এভয়েড করে মারুফ!এর মধ্যে একদিন অনেক রাত করে ফেরে শম্পা! মারুফ তাকে আনতে যায়নি।ফোন ধরে নি! শম্পা বুঝতে পারেনা মারুফ কি চায়! মারুফতো তার বন্ধুত্বের আদ্যপান্ত সবই জানে! তারপরও ভুলবুঝির খসড়া বড় হতে থাকে! শম্পা একদিন প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করে মারুফকে!

: তুমি এমন করছো কেন?
: ক্যামন
: গতকাল আমাদের অ্যানিভারসরি ছিলো, আমি ডিনারে তোমার জন্য অপেক্ষা করতে করেতে ঘুমিয়ে গেছি! what's wrong with u...! do u hear me?

মারুফ জানালার বাইরে বসন্তের সবুজ প্রান্তরের দিকে তাকিয়ে বলে,
: আমাকে একা থাকতে দাও, প্লিজ!

লাগেজ রেডি।অভিমানী শম্পা নিজেই ড্রাইভ করে টেক্সাস থেকে ছোটে নিউইয়র্কের দিকে! ম্যাজিক 95.5 fm-এ বাজে গ্লোরিয়া গেনরের বিরহী মনের দৃঢ় প্রত্যয়-
...you think I'd lay down and die
Oh no, not I
I will survive...

বিরহের সময়সীমা দীর্ঘ হতে থাকে।সেপারেশন থেকে অনেক সময় realization হয়! তারই অপেক্ষা কিন্তু ঘটে তার উল্টোটা!
মারুফের আইনজীবি ডিভোর্স লেটার পাঠায় শম্পার কাছে।শম্পা দেরি করেনা এক মূহুর্ত। চোখ মুছে ডিভোর্স পেপারে সাইন করে।
মোবাইল থেকে মারুফের নম্বর চিরতরে ডিলিট করার আগে একবার ফোন দেয়,

: Thank u.
: ok.

আর বেশি কিছু কথা হয়না ওদের মধ্যে।কথা শেষে সরাসরি ফোনবুকে।নম্বর ডিলিট।স্ক্রিনে ভেসে আসে- Delete? Yes/No।শম্পা দূরের ঝাপসা ব্রুকলীন ব্রিজের দিকে তাকিয়ে Yes বাটনে চাপ দেয়!
সময় চলে যায়।শম্পা নিজের জগতটাকে আবার আকড়ে ধরে বাঁচতে চায়। নিউইয়র্কের কোনো একটা কলেজে লেকচারার হিসেবে জয়েন করে।চির চেনা জীবন, বন্ধু বান্ধব আর শিক্ষকতা নিয়ে কেটে যায় শম্পার!
মারুফ কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং চাকরিটাকে আকড়ে ধরে পড়ে থাকে।দুজনের স্মৃতি মাখা ৪ কামড়ার সাজানো-গোছানো কটেজ ছেড়ে বাসা নেয় অন্য আরেক জায়গায়।একা একা সারারাত-সারাদিন, কবিতার খাতায় বাড়ে ধূলোর স্তর।জীবন বয়ে চলে জীবনের মতো!

৩.
সে সুধাবচন, সে সুখপরশ, অঙ্গে বাজিছে বাঁশি । তাই শুনিয়া শুনিয়া আপনার মনে হৃদয় হয় উদাসী– কেন না জানি ।

ফেব্রুয়ারি মাসে দুই সপ্তাহের জন্য মারুফ দেশে আসে।বই প্রকাশক বন্ধু নাসিম খুব করে ধরেছে কবিতার পান্ডুলিপি জমা দেয়ার জন্য।২১ এর বই মেলায় প্রকাশিত হবে।ধূলো পড়া কবিতার ডায়রিটা বন্ধুকে দিয়ে ক্ষান্ত হয় মারুফ।বই প্রকাশিত হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি।বইয়ের নাম - দূরুত্বের নির্মল শোকগাথা।
নিউইয়র্কে শম্পার হাতে বইটির একটি কপি পৌঁছে দেয় নিহার।যে মারুফ এবং শম্পা- দুজনেরই বন্ধু।
শম্পা বইটা হাতে নিয়ে একটু আড়ালে যায়।পাতা উল্টায়!
চলে গেছি- সহজ করে যায় বলা
সব কিছু এতো সহজ যদি,
ভুলে থাকা কঠিন কেন?
কঠিন কেন দূরত্বের সমীকরণ?
উৎসর্গ-
একাকীত্ব, আমার অম্ল-বিধুর সহযাত্রী

উৎসর্গের পাতায় লেখাগুলো দেখে শম্পা বইখানি ভাঁজ করে রাখলো।মনের কথাগুলো মারুফ এখনো চমৎকার করে তুলে ধরতে পারে।শম্পা ভেবে ছিলো মারুফ একদমই যান্ত্রিক হয়ে গেছে, কবিতা-টবিতা ওর হৃদয় থেকে মরে গেছে। কিন্তু অকবির কবিত্ব মরে নি।শম্পা হাসে ।নিহারের কাছ থেকে নম্বর নিয়ে মারুফকে ফোন দেয়।

: একাকীত্ব কি কারো মধুর সহযাত্রী হতে পারেনা?
: ক্যামন আছো তুমি?
: যেমন থাকার কথা ছিলো! তুমি?
: অম্ল-বিধুরতায় যেমন থাকে মানুষ!
: তোমার বই হাতে পেলাম মাত্র!
: কবিকেতো ভুলেই গেছো!
: সব কিছু এতো সহজ যদি, ভুলে থাকা কঠিন কেন? লাইনগুলোতো তোমারই লেখা...

পাতায় পাতায় জাগে প্রাণ।হৃদয়ে জাগে ভালোবাসার গান।কবিতারই জয় হলো।শম্পা সপ্তাহখানিক পরে টেক্সট করলো মারুফকে।
and I suffer.
As u.
Suffer as you do
In the abyss loneliness.

মারুফ রিপ্লাই দেয়।টেক্সাস থেকে নিউইয়র্ক পৌঁছাতে যতোগুলো ঘন্টা লাগে।১৭ ব্যারো স্ট্রিটের ওয়ান ইফ বাই ল্যান্ডে দেখা করে দুজন।ওয়েটারকে ডেকে শম্পা বিফ ওয়েলিংটন অর্ডার দেয়।

দুজন দজনকে যেন কখনোই দূরে রাখেনি।দীর্ঘদিন যেন দুজনকেই দুজন ধরে রেখেছিলো হৃদয়ের গোপন ব্যথায়।মারুফ শম্পার হাত ধরে।অনামিকায় আংটি পরিয়ে দেয়।শম্পা খেয়াল করে দেখে বিয়ের সেই আংটি যেটি সে ফেলে এসেছিলো।মারুফ সেই আংটিটি সযত্নে রেখে দিয়েছে, ভালোবাসা ফিরিয়ে দিয়েছে এতো বছর পরও! শম্পা আংটি খুলে ফেলে।মারুফ স্তব্ধ হয়ে যায়, শম্পা চোখের দিকে তাকায়!

: মানে কি?
: মানে কিছু না!
: তাহলে রিং খুলে ফেললে যে!
: আমার আর এটার দরকার নেই! তোমাকে কাছে পেয়েছি, সেটা কি কম?

৪.
ভালোবাসি, ভালোবাসি– এই সুরে কাছে দূরে জলে স্থলে বাজায় বাঁশি ।


মারুফ বাংলাদেশে ফোন দিয়ে মাকে সব জানায়।মা-বাবা খুশী না হয়ে বরং প্রচন্ড রকমের আপসেট হয়।
একই ভাবে শম্পার বাবা-মাও! এটা কি করে সম্ভব! ধর্মের বিধিনিষেধ আর নিয়মনীতিতে আটকে যায় জীবনের হাসি আনন্দ! এটা কি ধরনের ইয়ার্কি! বিয়ে কি ছেলে-খেলা...আত্মীয়-স্বজনদের টিপন্নী শুনতে শুনতে দিন গুণে ওরা।সিন্ধান্ত হয় পূর্বতন স্বামীর কাছে ফিরে যেতে শম্পাকে হিল্লা বিয়ে দেয়ার।কিন্তু শম্পা আর মারুফ পরিত্রাণ খোঁজে, চালিয়ে যায় তাদের কাছে আসার অভিসার! বিশ্বের বিখ্যাত সব মুসলিম স্পিকার আর স্কলারদের সাথে যোগাযোগ শুরু করে ওরা।মিশর, টার্কি, ইরান, যুক্তরাজ্য-যুক্তরাষ্ট্রের ইসলামিক জিনিয়াসদের সাথে যোগযোগ করে ওরা জানতে পারে হিল্লা বিয়ে নিষ্প্রয়োজন।যুক্তি তর্ক আর প্রমাণ দিয়ে ওরা জয় করে বাধা।ওরা ফিরে আসে ওদের মনের মন্দিরে।জয় হয় ভালোবাসার, জয়ী হয় কাছে আসা!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29321462 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29321462 2011-02-06 21:08:16
তাহসান- মিথিলা ও তৌকীর-বিপাশার পর এবার আলী-সারা যাকের দম্পতির কাছের আসার গল্প! Closeup কাছে আসার গল্প
ফেসবুক কমিউনিটি :
View this link ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29309954 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29309954 2011-01-18 21:38:36
আবার লেখালেখিতে ফেরার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ বাবা!

বুদ্ধিজীবী হত্যা ও মিরপুরের বধ্যভূমি
আমিনুল ইসলাম
জাতীয় সংসদ ভবনের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমের বিশাল জনপদের নাম মিরপুর। এক সময় রাজধানী ঢাকার অনেক দূরের গ্রাম ও গঞ্জ হলেও বর্তমানে সম্প্রসারিত ঢাকার একটি সুবৃহত্ উপশহর মিরপুর। বর্তমানে রাজধানীর মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকের বাস এই মিরপুরে। উদ্যান, স্টেডিয়াম, বেনারসি, হজরত শাহ্ আলীর পুণ্যভূমি মিরপুরে কী ঘটেছিল একাত্তরে? লাল-সবুজ একটা পতাকার জন্য স্বাধীনতাকামী কত প্রাণ বলি দিতে হয়েছিল তার একটা পরিসংখ্যান আমাদের জানা প্রয়োজন।
দীর্ঘ ঔপনিবেশিক শোষণ, নির্যাতন-নিপীড়ন, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, ভৌগোলিক ও ভাষাগত বৈষম্য এক সময় একাত্তরের স্বাধীনতা আন্দোলনে রূপ নেয়। বাহান্ন, বাষট্টি ও ঊনসত্তরের গণআন্দোলন এবং ২৫ মার্চ ১৯৭১-এর পাকবাহিনীর আক্রমণ ও গণহত্যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনকে অনিবার্য করে তোলে।
পাকবাহিনী ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ পর্যন্ত সারা দেশে ব্যাপক হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। তারা লাখ লাখ নারী-পুরুষকে নির্মমভাবে হত্যা করে। বাড়িঘর-হাটবাজার জ্বালিয়ে দেয়, ধর্ষণ ও লুটতরাজ করে। পরিকল্পিতভাবে পাকবাহিনী ও তাদের সহযোগী রাজাকার-আলশামস-আলবদর বাহিনী দেশ স্বাধীন হওয়ার মাত্র ক’দিন আগে দেশের খ্যাতিমান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে জাতিকে অসার ও মেধাশূন্য করার প্রয়াস প্রায়। চট্টগ্রামের ফয়’স লেকের পাড়, বি-বাড়িয়ার শালদা নদীর তীর, রাজশাহীর গোপালপুর, পাবনার ইপসিক নগরী, খুলনার গল্লামারি, ঢাকায় রমনা পার্ক, কালীবাড়ী, গভর্নর হাউস, জগন্নাথ হল, কল্যাণপুর, রায়েরবাজার, কাটাসুর এবং সমগ্র মিরপুরসহ সারা দেশে অসংখ্য বধ্যভূমির সন্ধান পাওয়া যায়।
স্বাধীনতা-পূর্বকালে মিরপুর অবিভক্ত ও একটিই থানা ছিল। গাবতলী, দুয়ারীপাড়া, নবাবের বাগ, কালশী, বেগুনবাড়ী, চটবাড়ী, হরিরামপুরসহ বিভিন্ন গ্রামে আদিবাসী মুসলমান ছাড়াও সনাতন ধর্মের লোকজন ও সরকারের আশ্রিত মোহাজের ও বিহারী সম্প্রদায় ছিল। মিরপুরে প্রবেশের প্রধান রাস্তা ছিল গাবতলী মাজার রোডের সরু রাস্তাটি।
পাঠকের অবশ্যই মনে থাকার কথা যে, ১৬ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জেনারেল নিয়াজীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিজয় বা পূর্ণ স্বাধীনতা সূচিত হলেও মাত্র ১৪ কিলোমিটার দূরে রাজধানীর মিরপুর স্বাধীন হতে সময় লাগে আরও অতিরিক্ত ৪৫ দিন। অর্থাত্ মিরপুরে স্বাধীনতার পতাকা উড়ে ৩১ জানুয়ারি ১৯৭২। মিরপুর স্বাধীন হতে অতিরিক্ত দেড় মাস সময় লাগার প্রধান কারণ এই যে, মিরপুর ছিল পাকবাহিনীর ছত্রছায়ায় ননবেঙ্গলি-বিহারি সম্প্রদায়ের এক দুর্ভেদ্য ঘাঁটি। উল্লেখ্য, স্বাধীনতাকামী মিরপুরবাসী বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিকে দেশীয় অস্ত্র, লাঠি, দা ইত্যাদি নিয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তারা সফল হননি। বিহারি ও মিলিটারির আক্রমণে তারা এলাকা ত্যাগ করে আশপাশের গ্রামগুলোতে আশ্রয় নেয়। পরে টিক্কা খান অর্ডিন্যান্স ১৯৭১ জারি করলে স্থানীয় অনেক বাঙালি শান্তি কমিটি ও রাজাকার বাহিনীতে যোগ দিয়ে বিহারিদের সঙ্গে লুটপাট ও হত্যাযজ্ঞে অংশ নেয়। যার ফলে সারা দেশে ৯ মাস হত্যাকাণ্ড ও স্বাধীনতা যুদ্ধ চললেও ঢাকার মিরপুরে সাড়ে ১০ মাস স্বাধীনতা যুদ্ধ স্থায়ী হয় এবং মিরপুর মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়। যুদ্ধকালীন মিরপুর এত ভয়াবহ ছিল যে, কেউ জীবন নিয়ে ফিরে এসেছে এমন প্রমাণ পাওয়া যায় না। এমনকি স্বাধীনতার পর ৩০ জানুয়ারি ১৯৭২-এ মিরপুর অভিযানে অংশ নেয়া শহীদ লেফটেন্যান্ট সেলিম ও তার ৪১ জন সঙ্গী-সাথীর কেউ ফিরে আসেনি। স্বাধীনতার পর দেশে ফিরে বরেণ্য চলচ্চিত্রকার ও সাহিত্যিক জহির রায়হান তার নিখোঁজ বড় ভাই সাংবাদিক-কথাসাহিত্যিক শহীদুল্লাহ্ কায়সারকে খুঁজতে গিয়ে তিনিও আর ফিরে আসেননি মিরপুর থেকে। এবার স্বাধীনতার পর মিরপুরে আবিষ্কৃত বধ্যভূমির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দেয়ার চেষ্টা করব।
শিয়ালবাড়ি বধ্যভূমি : মিরপুর পুরনো থানার (জার্মান টেকনিক্যালের পেছনে) অদূরেই বেতঝাঁড় আর জঙ্গলে ঘেরা গ্রামটির নাম শিয়ালবাড়ি। সেখানে একপাশে ছিল পরমেশ্বর, পার্বতী, গঙ্গা ও হরিদের সুইপার পাড়া। আর অপরদিকে ছিল দিলা, তোতা, সামাদ, সৈয়দ আলী, কদম আলী মাদবরদের বাড়ি। মাওরা ওয়াহিদ নামে একটি বিহারি পরিবার এবং দোরেস্বামী নাইডু নামের এক খ্রিস্টান পরিবার সেখানে বাস করত। দোরেস্বামী নাইডু নিখোঁজ হয়েছে ’৭১-এ। আর তার স্ত্রী রোজমেরি বছর দুয়েক আগে পৃথিবী ছেড়েছেন। শিয়ালবাড়ি ফকির বাড়িতেও থাকত বিহারি ও বাঙালি যৌথভাবে। কবি সিকান্দার আবু জাফর যখন ১৯৭২ সালে কয়েকটি বধ্যভূমি ঘুরে এসে লিখলেন—‘গ্রামে গ্রামে বধ্যভূমি তার নাম আজ বাংলাদেশ।’ ঠিক সে সময়ে দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকায় এরশাদ মজুমদার আর আনিসুর রহমানের ভয়াবহ প্রতিবেদন প্রকাশিত হলো—‘খবর পেয়ে শিয়ালবাড়ির গ্রামে গিয়েছিলাম। মিরপুরের পুলিশ ভাইয়েরাও আমাদের সঙ্গে ছিলেন। তন্ন তন্ন করে সারা গ্রাম দেখলাম। মনে হলো প্রতি ইঞ্চি জায়গাতেই মানুষের লাশ আর কঙ্কাল পড়ে আছে। এই কঙ্কালের মিছিল জীবনে কেউ কোনোদিন দেখেছে বলে মনে হয় না। প্রতি মুহূর্তেই মনে হচ্ছিল আমাদের বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন, নাম জানা-অজানা বহু বাঙালি হত্যার জন্য শিয়ালবাড়ির বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে বধ্যভূমি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।’ 
উল্লেখ্য, স্বাধীনতা-উত্তরকালে এখানে ১১০ একর জায়গার ওপর রূপনগর নামে সরকার একটি আবাসিক প্রকল্প গড়ে তুলেছে। বধ্যভূমির স্থানটি সংরক্ষণের জন্য সরকারি সিদ্ধান্ত থাকলেও বর্তমানে স্থানীয় এক মাতবরের পারিবারিক গোরস্থান হিসেবে তা ব্যবহৃত হচ্ছে।
১০ নম্বরে পাওয়ার হাউস সংলগ্ন বধ্যভূমি : মিরপর ১০ নং সেকশন খালের ধারের নির্জন এলাকায় ছিল ছোট একটি পাকা ঘর। এই পাকা ঘরটি তৈরি হয় পয়ঃনিষ্কাশন ট্যাঙ্কির ওপর। ৪০ ফুট গভীর এই ট্যাঙ্কির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল অসংখ্য লাশ।
বাংলা কলেজের পেছনের বধ্যভূমি : গাবতলী টেকনিক্যালসহ বিভিন্ন স্থান থেকে মুক্তিযোদ্ধা ও সন্দেহভাজনদের ধরে এনে মিরপুর বাংলা কলেজের পেছনে হত্যা করা হতো। লাশ ও কঙ্কালের সঙ্গে এখানে নারীর শাড়ি, ব্লাউজ, চুড়ি ইত্যাদি পাওয়া গেছে। অনেকের ধারণা, ধর্ষণের পর এদের এখানে হত্যা করা হয়েছে।
চিড়িয়াখানা রোডের বধ্যভূমি : দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি সাইফুল আমিনের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ‘মিরপুরে চিড়িয়াখানা রোডের এ জল্লাদখানায় এলাকাটির যে স্থানে গণকবর আবিষ্কৃত হয় তার চারদিকে ছিল ডোবা ও বস্তি এলাকা। ডোবাটির মাঝখানে আছে এক রুমবিশিষ্ট অনেকদিনের পুরনো পাম্প ঘর।... মাটি সরানোর সময় ক্রেনের ধাক্কায় কক্ষটির একাংশ ভেঙে পড়লে মাটির নিচ থেকে বড় ধরনের কুয়া পরিলক্ষিত হয় এবং সে কুয়াতে বেশকিছু মানুষের খুলি ও হাড়গোড় দেখা যায়।’
এছাড়া মুসলিমবাজার, কালসী, দুয়ারীপাড়া, ১২, ১৩, ১৪ সহ মিরপুরের বিভিন্ন স্থানে গণকবরের চিহ্ন রয়েছে। মাত্র বছরকয়েক আগে নূরী মসজিদ সংস্কার করতে গেলে মিরপুর ১২ নং সেকশনের ডি-ব্লকে এক বধ্যভূমির সন্ধান মেলে। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মাথার খুলি ও হাড়গোড় সংগ্রহ করেছে সেখান থেকে।
হরিরামপুর বধ্যভূমি : বাংলার কয়েকজন সূর্যসন্তানের লাশ পাওয়া গেছে মিরপুরের হরিরামপুরের বিহারি গোরস্থানের ৫০ গজ দূরে দুটি গর্ত থেকে। বুদ্ধিজীবী হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ হত্যাকাণ্ড সংঘঠিত হয়। হরিরামপুরের গণকবর থেকে যাদের লাশ উদ্ধার করা হয় তারা হলেন যথাক্রমে—
সিরাজুল হক খান (১৯২৪-১৯৭১) : বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটর সহকারী অধ্যাপক, পাঠ্যপুস্তক প্রণেতা, লেখক ও গবেষক এই সিরাজুল হক খান। নোয়াখালী নিবাসী জনাব খানকে আলবদর বাহিনী তার বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসা থেকে তুলে এনে মিরপুরের হরিরামপুরে হত্যা করে।
মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী (১৯২৬-১৯৭১) : কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্সে ফার্স্ট ক্লাস ফাস্ট ও স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত মেধাবী ছাত্র, ‘রবিপরিক্রমা’, ‘রঙ্গিন আখর’, ‘কলোকোয়াল বেঙ্গলী’ প্রভৃতি আকর গ্রন্থের রচয়িতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বিভাগের রবীন্দ্র সাহিত্যের অধ্যাপক শহীদ মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরীকে শান্তিবাগে ছোট ভাই লুত্ফুল হায়দার চৌধুরীর বাসা থেকে ১৪ ডিসেম্বর বদর বাহিনীর সদস্যরা একটি কাদামাখা বাসে তুলে নিয়ে যায়। নোয়াখালির কৃতী সন্তান শহীদ চৌধুরীকে মিরপুরের হরিরামপুরে নিয়ে হত্যা করে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও ২ ছেলে রেখে যান। ছাত্রছাত্রীদের হৃদয় জয়করা পরোপকরী এই রবীন্দ্র অধ্যাপক আর কোনোদিন ফিরে আসবেন না।
ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা (১৯৩১-১৯৭১) : পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনায় সব হারিয়ে আসা ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা বাঁচার ও বাঁচানোর স্বপ্ন দেখেছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই খ্যাতিমান চিকিত্সক একজন যশস্বী লেখক, কথাসাহিত্যিক ও সমাজবিজ্ঞানী ছিলেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সঙ্গে আজীবন যুক্ত ছিলেন। ‘জনসংখ্যা ও সম্পদ’, ‘প্রেম ও বিবাহের সম্পর্ক’, ‘চিকিত্সা শাস্ত্রের কাহিনী’ ডাক্তার মোর্তজার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। ফুলার রোডের বাসা থেকে তাকে ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ বদর বাহিনীর সদস্যরা তুলে নিয়ে যায় এবং মিরপুরের হরিরামপুরে ৪ জানুয়ারি তার লাশ পাওয়া যায়।
রাশিদুল হাসান (১৯৩২-১৯৭১) বীরভূমের কৃতী সন্তান অধ্যাপক রাশিদুল হাসান একজন শিক্ষাবিদ। জন্মভূমি ত্যাগ করে তিনি বাংলাদেশে এসেছিলেন, ভালোবেসেছিলেন দেশটাকে। নরসিংদী, পাবনা এডওয়ার্ড ও বীরভূমের কৃষ্ণচন্দ্র কলেজে অধ্যাপনা শেষে তিনি যোগ দিয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে। ২৫ মার্চের আক্রমণে জহুরুল হক হল থেকে তিনি অল্পের জন্য বেঁচে যান। মৃত্যুপুরী ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল—সেখান থেকেও তিনি ফিরে আসেন। কিন্তু স্বাধীনতার আগ মুহূর্তে ঢাবি স্টাফ কোয়ার্টারের ৩০ নম্বর বিল্ডিং থেকে বদর বাহিনী ধরে নিয়ে গেলে তিনি আর ফিরেননি। হরিরামপুর গোরস্থানের পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার হয়।
ডক্টর এমএ খায়ের (১৯২৯-১৯৭১) : বরিশাল জেলার কাউখালি নিবাসী ডক্টর খায়ের একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক ও গবেষক ছিলেন। তিনি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে এমএ ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। চাখার ফজলুল হক কলেজ ও ঢাকার জগন্নাথে ছাত্র পড়িয়ে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে যোগ দিয়েছিলেন ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর। এই কৃতী শিক্ষাবিদকে ধরে নিয়ে মিরপুরে হত্যা করে বদর বাহিনীর সদস্যরা।
সন্তোষ ভট্টাচার্য (১৯১৫-১৯৭১) : ঢাকার পগোজ স্কুলে যার শিক্ষা জীবন শুরু এবং পাশেই অবস্থিত জগন্নাথ কলেজে ইতিহাস বিভাগে কর্মজীবন। জীবনের সব পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ ও প্রথম শ্রেণী পাওয়া এই জ্ঞানতাপস সন্তোষচন্দ্র ভট্টাচার্য্য ১৯৪৯ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাস বিভাগের জনপ্রিয় অধ্যাপক। বিশেষ করে ভারতবর্ষের ইতিহাস পড়ানোর জন্য যিনি ছিলেন অনিবার্য, সেই খ্যাতিমান ইতিহাসবিদকেও প্রাণহীন পাওয়া গেল হরিরামপুর বধ্যভূমিতে।
ডক্টর ন. আ. ম. ফয়জুল মহী (১৯৩৯-১৯৭১) : ফেনীর এই কৃতী শিক্ষাবিদ ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে বিএড এবং যুক্তরাষ্ট্রের নর্দান কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও ডক্টর অব এডুকেশন ডিগ্রি লাভ করেন। মফস্বলে শিক্ষকতা জীবন শুরু করলেও ১৯৬৮ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিল্পকলা বিভাগের লেকচারার নিযুক্ত হন। ক্রীড়া ও সঙ্গীত অনুরাগী অধ্যাপক মহীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসা থেকে আলবদররা তুলে নেয় ১৯৭১-এর ১৪ ডিসেম্বর। পরে মীরপুরের বধ্যভূমিতে তার লাশ শনাক্ত করা হয়।
শহীদুল্লাহ কায়সার (১৯২৬-১৯৭১) : ‘সারেং বৌ’, ‘সংশপ্তক’-এর কালজয়ী লেখক ও সাহসী সাংবাদিক শহীদুল্লাহ কায়সারকে চেনেন না এমন লোক পাওয়া ভার। তিনি কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হানের অগ্রজ। বিশিষ্ট লেখক অধ্যাপক পান্না কায়সার তার স্ত্রী। শমী কায়সার তার সুযোগ্য কন্যা। অর্থনীতির ছাত্র হয়েও তিনি লেখালেখি ও সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন; প্রথমে ইত্তেফাক এবং পরে আমৃত্যু দৈনিক সংবাদ পত্রিকায়। আয়ুববিরোধী আন্দোলনে তার দীর্ঘ জেলজীবন ছিল এবং জেলে বসেই লিখেছিলেন বিখ্যাত উপন্যাস ‘সারেং বৌ’।
পরিবারের সদস্যরা তাকে পালাতে বলেছিলেন; কিন্তু তিনি বললেন, ‘সবকিছু তাকে দেখতে হবে। সবাই পালালে ইতিহাস লিখবে কে?’ ১৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ঘাতক আলবদর বাহিনী কায়েতটুলীর বাসা থেকে তাকে তুলে নিয়ে যায়। স্বাধীনতার ৩৯ বছরেও তার খোঁজ মেলেনি। তাকেও অবাঙালিদের দুর্ভেদ্য ঘাঁটি মিরপুরে হত্যা করা হয়েছে বলে অনেকের ধারণা।
জহির রায়হান (১৯৩৩-১৯৭১) : জননন্দিত চিত্র পরিচালক ও কথাসাহিত্যিক জহির রায়হানের পরিচয় সংক্ষিপ্ত পরিসরে তুলে ধরা অসম্ভব। শহীদুল্লাহ কায়সারের অনুজ সাহিত্য, সংস্কৃতি ও চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব, দুর্বার সৈনিক জহির রায়হানের লেখাপড়ায় হাতেখড়ি কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউশনে; কিছুদিন মাদ্রাসায়, পরে নিজ জেলা ফেনীর আমিরাবাদ হাই স্কুল থেকে ম্যাট্রিক, জগন্নাথ কলেজ থেকে আইএসসি এবং বাঁকবদল করে বাংলা সাহিত্যে অনার্স করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। অসাধারণ প্রতিভার অধিকারী জহির রায়হানকে শিক্ষাঙ্গনের চার দেয়াল বেশিক্ষণ আটকে রাখতে পারেনি। ‘জাগো হুয়া সাবেরা’র পরিচালক লাহোরের কারদারের মাধ্যমে তার সহকারী হিসেবে চলচ্চিত্রে প্রবেশ (১৯৫৬)। পরে খ্যাতিমান পরিচালক সালাউদ্দিন ও এহতেশামের সহকারী হিসেবে ‘যে নদী মরুপথে’ এবং ‘এদেশ তোমার আমার’ চলচ্চিত্র নির্মাণ। নিজের পরিচালনায় প্রথম ছবি ‘কখনো আসেনি’; তারপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি জহির রায়হানকে। একের পর এক জীবনঘনিষ্ঠ ছবি বানালেন এই অমর চলচ্চিত্রকার। ‘কাঁচের দেয়াল’, ‘বেহুলা’, ‘আনোয়ারা’, ‘জীবন থেকে নেয়া’, ‘সঙ্গম’, ‘বাহানা’, ‘জ্বলতে সুরুজ কি নিচে’, ‘লেট দেয়ার বি লাইট’, ‘ঝঃড়ঢ় এবহড়পরফব’ জহির রায়হানের অনবদ্য সৃষ্টি। মুজিবনগরে থেকে জহীর রায়হান প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটি তৈরি করেছিলেন। তিনি ‘শেষ বিকেলের মেয়ে’, ‘হাজার বছর ধরে’, ‘আরেক ফাল্গুন’, ‘বরফ গলা নদী’, ‘আর কতো দিন’ উপন্যাস রচনা করে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই বরেণ্য লেখক চলচ্চিত্রকার অগ্রজ শহীদুল্লাহ কায়সারের নিখোঁজ হওয়ার ও বুদ্ধিজীবী হত্যার সংবাদে বিচলিত হয়ে পড়েন। তার চেষ্টায় গঠিত হয় বুদ্ধিজীবী হত্যা তদন্ত কমিটি। অনুসন্ধানে বের হয়ে পড়েন তিনি। ১৯৭২-এর ৩০ জানুয়ারি মিরপুরে অগ্রজ শহীদুল্লাহ কায়সারকে খুঁজতে গিয়ে তিনিও আর ফিরে আসেননি।
দেশ স্বাধীন হয়েছে আজ ৩৯ বছর। এখনও মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়নি। বন্ধ হয়নি গুপ্তহত্যা, খুন, রাহাজানি, ধর্ষণ। মানবতাবিরোধী ক্রসফায়ারে ঝাঁঝরা হচ্ছে যুবকের বুক, খালি হচ্ছে মায়ের কোল, মেলেনি অর্থনৈতিক মুক্তি। বাংলার যে শহীদ সূর্যসন্তানরা ভাসল খালে-বিলে, শিয়ালবাড়ি, হরিরামপুর, রায়েরবাজারের কাটাসুরে; তাদের জন্য কী করেছি আমরা। একটি সড়কের নাম, ফুলের বাগান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মিলনায়তন কিছুই হয়নি এখনও। আসুন, মহান বিজয় দিবসে মহান শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি এবং একটা কিছু করি তাদের জন্য।
সূত্র : বাংলা একাডেমী চরিতাভিধান, বুদ্ধিজীবী কোষ, ’৭১-এর বধ্যভূমি, বুদ্ধিজীবী স্মারক গ্রন্থ। দৈনিক আমার দেশ, ২৬ ডিসেম্বর ২০১০
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29296973 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29296973 2010-12-27 13:04:18
এই জানোয়াররা ভালো আছে, আমরা? লেফট-রাইট, লেফট-রাইট, লেফট-রাইট...!
যুদ্ধাপরাধী মহাশয়গণ দেখবেন আর হাততালি দিবেন।
বাহ বাহ, ক্যায়া বাত হ্যায়। ৪০ দশক হো গায়া!!!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29290088 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29290088 2010-12-15 13:41:15
প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রীর এবারের কোরবানি!
আমাদের রাজনীতি দেশসমৃদ্ধির রাজনীতি নয়, অর্থনৈতিক উন্নয়নেরও নয়, কর্মসংস্থান-দেশদুর্নীতিমুক্তকরণের রাজনীতি নয়- আমাদের হলো ক্ষমতা কুক্ষিগতকরণ ও বিরোধীদমনের রাজনীতি। যার মূলে রয়েছে প্রতিহিংসা।

প্রতিহিংসার সাথে আবার প্রতিশোধপ্রবণতারও মিশেল আছে। গণভবন আর ক্যান্টনমেন্ট বাড়ির ঘটনা আমাদের রাজনীতির এক কলঙ্কময় ঘটনা- চরম প্রতিহিংসার দৃষ্টান্ত। দিনবদলের স্লোগান দিয়ে আসা এবারের সরকার বিরোধীদল বদলের রাজনীতিতে বেশি সময় ব্যয় করছেন। জনগণের কাছে প্রতিহিংসা আর রাজনৈতিক স্বার্থপরতার কি মূল্য আছে যদি না সে ভালো থাকে? আমাদের কাছে অমুক সদন আর তমুক ভবনের কি মূল্য আছে যদি আমরা কষ্টে থাকি? ২০ বছরের রাজনীতি আমাদের এ কোন গণতন্ত্র শেখাচ্ছে? গণতন্ত্র কি আমাদের কাছে অভিশাপই হয়ে থাকবে?

সরকার, তার প্রতিটি প্রতিষ্ঠান, অঙ্গ-প্রতিষ্ঠান, প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি মানুষ-দেয়াল-জানালা-দরজা নিজ রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলে এখন ভীষণ ব্যস্ত। বিরোধীদল এবারের সরকারের কাছে একেবারেই শিশু যেন। তবে তারা যদি সরকারের প্ল্যান অনুযায়ী বিলীন না হয়ে যায়, ঘুরে দাড়াবে! আরো শক্তিশালী বিষদাঁত বসাবে বিপক্ষের ঘাড়ে! অতএব, হানাহানি এবং কাপড় টানাটানি চলবে!

এবারের ঈদে খালেদা জিয়া একেবারেই একা। স্বামীর স্মৃতিবিজড়িত কেড়ে নেয়া ঘর, পরবাসে থাকা পুত্রদয়ের শূণ্যতা নিয়ে এবারের ঈদ কাটাবেন তিনি। তার আবেগটা সরকারের কাছে কেবলই রাজনৈতিক, মানবিক নয়। সব হারানো আমাদের প্রধানমন্ত্রীর আবেগও কম নয়। কেউ আবেগকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন, কেউ রাজনৈিতক শরবতে আবেগের চিনি গুলাচ্ছেন। কিন্তু প্রতিহিংসা পরিনতি নিয়ে কেউই ভাবছেন না।

দেশের চেয়ে এখানে বাড়ি দখল ও উচ্ছেদ বড়, আবেগ বড়, স্মৃতি বড়, নামকরণ বড় এবং সর্বোপরি বড়ো হলো ক্ষমতা ও দমনের রাজনীতি। এখানে গণতন্ত্র অটো কোরবানি হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এবারের কোরবানির ঈদে আমাদের দুই নেত্রী কি কোরবানি দিবেন? গরু, উঠ ভেড়া না খাসি? দেশ ও জনগণকে তিলে তিলে মৃত্যু কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া এই নেত্রীদ্বয়ের কোরবানি কি আল্লাহতালা গ্রহণ করবেন? আমার মনে হয় না।

নিজেদের কোরবানির (লোভ-হিংসা-ক্রোধ) কথা তারা ভাবতে পারলেই বোধ হয় আমাদের মুক্তি আসবে। গণতন্ত্রের কোরবানির আগেভাগে সেটা যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29272688 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29272688 2010-11-15 15:59:58
দিনবদলের হাওয়ায় বদলে যাওয়া হাজারি : আসছে হাজারিকা প্রতিদিন http://www.youtube.com/watch?v=cEpUQy95DDk' target='_blank' >হাজারিকা প্রতিদিন টিভি বিজ্ঞাপন
আসছে হাজারিকা প্রতিদিন। দেখে নিন এর নির্বাক করে দেয়া আউটস্ট্যান্ডিং টেলিভিশন বিজ্ঞাপনটি। যেখানে হাজারিকা নিজেই হয়েছেন বিজ্ঞাপনের মডেল। দিনবদলের হাওয়ায় নিজেও অস্ত্রবাজ থেকে বদলে (!) হয়ে যেতে চাইছেন কলমবাজ। একটি বিজ্ঞাপনেই জয়নাল হাজারি নিজের অতীত বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ দেখাতে চেয়েছেন। নারীকে নয় এখন তিনি নারীকে বগলদাবা করে ভালোবাসতে চাইছেন দেশকে! স্বাগতম হাজারিকা প্রতিদিন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29261009 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29261009 2010-10-25 13:49:30
রোদবিদ্ধ এর বেশি কিছু নয়।
শব্দের রোমকূপে
মায়ার শিহরণ
ভেসে ভেসে যাই
প্রিয়তম মরণ!

একা একা কই কথা
পাতারাও করে কতো কিচির মিচির
পাখিরা বদলায় ব্যথা
আমি, রোদবিদ্ধ কবিতা এক
একা একা কই কথা!

কোলাহলের স্নিগ্ধ সকাল
মাঝে নির্জন অপরাজিতা
তোমার পায়ে পায়ে হাঁটি
ছুঁই, রোদবিদ্ধ এক কবিতা!


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29257878 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29257878 2010-10-19 18:53:08
বাংলাদেশে এ্যাক্স বডি স্প্রের প্রথম বিজ্ঞাপন axe free with clearmen

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29234208 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29234208 2010-09-02 20:32:54
ওরা যদি এতিম হয়, আমরা তো গরু ছাগল
বিএনপির ডাকা হরতালে ছাত্রলীগের তান্ডব সম্পর্কে স্থানীয় পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফ বলেছেন, " ছাত্রলীগের দায় আমরা নিবো না"। মানে, পুরো ছাত্রলীগ এখন অভিভাবক শূণ্য। নাকি, ভালো কাজ করলে ছাত্রলীগের দায় আমাদের, খারাপ কাজ করলে না! সরকার নিেজই কিন্তু পরোক্ষভাবে ছাত্রলীগে বিভক্তি ছড়াচ্ছে। অভিভাবকের প্রশয় ছাড়া কেউ এতো বেপরোয়া হয়ে উঠে না। খালি ভালো কাজের দায় নিয়ে সুনাম কুড়াবেন আর খারাপ কাজ করলে চোখ উল্টে ফেলবেন- সেটা কোনো ভালো অভিভাবকের কাজ না।

জাবির ঘটনাকে সরকার ও তার পোষ্যরা নানান কায়দায় ব্যাখ্যা করে ফেরেশতা সাজতে পারেন কিন্তু ছাদ ফেলে দেয়া টগবগে তরুণগুলোর নিথর দেহের ঐসব দৃশ্য স্বজনদের নিশ্চয়ই ব্যথিত করেছেন। ব্যথিত করেছে পুরো জাতিকে (পুরো জাতির মধ্যে যারা গোড়ালীগ তারা ব্যতীত)। ছাত্রলীগের অনেক ডাকসাইটে ও প্রবীণ নেতা আছেন তারাও সৈয়দ আশরাফের ঐ চোখ উল্টানো কথার প্রতিবাদ করেননি। কারণ, দলীয় সুবিধা থেকে তারা বঞ্চিত হতে চান না। দলীয় সুবিধা, ক্ষমতা ও শর্টকাট মেথডে বড়োলোক হওয়ার রাজনৈতিক কালচার তো তারাই শিখিয়েছেন ওদের। আপনারা কেন আজ চুপচাপ বসে আছেন। ১০ তলার উপর থেকে ঝাপ দিয়ে পাপমোচন করুন।

তবে ছাত্রলীগকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ না করে তাদের দায় নিতে সরকার অস্বীকৃতি জানাতে পারে না। এসব চালাকি করে সরকার পার পাবেনা। হাজার হাজার মায়ের বুক খালি করে, তরুণ আবেগকে বিপথে পরিচালিত করে ফায়দা লোটার রাজনীতি এখনই বন্ধ করুন। তরুণদের কু-স্বার্থে ব্যবহার না করে, তাদের ব্যর্থতাকে নিজ ব্যর্থতা হিসেবে গ্রহণ করুন এবং শিক্ষাঙ্গনে পড়ালেখার সু-শৃঙ্খল পরিবেশ ফিরিয়ে আনুন।

আপনার যদি ওদের দায় নিতে না নিতে চান তাহলে তো আমরা কোন ছাই। ওরা এতিম হলেতো আমরা গরু-ছাগল পর্যায়ের প্রাণী। দেরি হলে কিন্তু আপনারদের ব্যর্থতার দায় নিতেও জাতি অস্বীকার করবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29193862 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29193862 2010-07-06 19:43:06
আবার তোমার টানে, বৃষ্টি ভেজা গানে!
১৯৫২ সালে নির্মিত আমেরিকান কমেডি মিউজিক্যাল মুভি "সিংইং ইন দ্য রেইন"-এ ছবির পরিচালক ও অভিনেতা জেন কেলির অনবদ্য বৃষ্টি ভেজা নাচ ও গানটির দৃশ্য আমাকে ভীষণ টানে।গানটির কথা লিখেছেন আর্থার ফ্রিড এবং সুর করেছেন নেসিও হার্ব ব্রাউন।গানটি ১৯২৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।সিংইং ইন দ্য রেইন গানটি এর আগে ও পরে বহু ছবিতে ব্যবহৃত হয়েছে।আমি বাংলায় সেই লিরিকটি আমার ব্লগার বন্ধুদের জন্য অনুবাদ করলাম।জেন কেলির সেই স্মরণীয় বৃষ্টি ভেজা গান ও অনবদ্য নাচের অংশ দেখুন : Singing in the rain


বৃষ্টি ভেজা গান

বৃষ্টিতে গাই গান
বৃষ্টি ভেজা গান
আবেগী এই ক্ষণ
আমার পাগল করে মন।

হেসে উঠি মেঘ দেখে
সব আঁধারে যায় ঢেকে
শুধু উষ্ণ হৃদয় হায়
আজ ভালোবাসতে চায়!

ঝড়ো মেঘ ছুটে যাক
সবাই যাক সরে
বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে
হাসিমাখা আদরে!

অলিগলি হেঁটে যাবো
সুরের দোলা প্রাণে
কথায় সুরে বহুদূর
শুধু বৃষ্টি ভেজা গানে

বৃষ্টিতে নেচে নেচে
আবার তোমার টানে
এই বৃষ্টি ভেজা গানে!




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29188041 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29188041 2010-06-29 19:04:35
মরার বৃষ্টি- শিশুগুলো যখন আগুনমুখো মায়ের বুকে শেষবারের মতো মাথা গুঁজছিলো, কোথায় ছিলি তুই?
ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি তখনও আসেনি। বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে! আমি ভীড় ঠেলে চাচার একতলা বাড়ির ভিতর ঠুকে পড়ি। চাচা বারান্দায় দাঁড়িয়ে বাড়ির দিকে ধেয়ে আসা আগুনের দিকে তাকিয়ে আল্লাহকে ডাকছেন আর চাচার ছোট্ট মেয়েটি ঘরের টুকটাক জিনিসপত্র ঘরের বাইরে এনে রাখছে। ঘরে আর কেউ নেই যে তাকে হেল্প করবে! এদিকে চাচা হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে মাটিতে বসে পড়েছেন আর আল্লাহর নাম জপছেন।

আমি ছোট্টমেয়েটার সাথে ঘর বাঁচানোর কাজে নেমে পড়ি। আগুন তেড়ে আসছে, আমরাও গৃহস্থ জিনিসপত্র সরিয়ে যাচ্ছি। বীভৎস আর্তনাদ এবং চিৎকারে বাতাস ভারী হয়ে আসছিল। আমার মনে তখন চট করে একটা চিন্তা ঢুকলো! আগুন তখন বাড়ি ছূঁই ছূঁই! ভাবলাম, জিনিসপত্রতো এভাবে আর বাঁচানো যাবেনা, চাচা আর ছোট্টমেয়েটিকে নিয়ে বরং সরে পড়াই ভালো!

কিন্তু চাচা যাবেননা। আমাকে হাত উঁচিয়ে থামতে বললেন। বাড়ির কাছে এসে আগুন থেমে গেলো আচমকা। অবিশ্বাস্যভাবে বেঁচে গেলাম আমরা!

আমি পুরান ঢাকার ছেলে। ঘিঞ্জি এই শহরে কোনো দূর্যোগ ঘটলে ব্যাপারটা কি ভয়াবহ হবে সবসময়ই সেটা নিয়ে আতংকে থাকতাম। গতকালের নিমতলীর ঘটনাটায় বুঝতে পারলাম, ভয়াবহতার সেই স্বরূপটি! মূহুর্তে পোকামাকড়ের মতো মানুষ মরে গেলো, আগুন থেকে রক্ষা পেতে একটি পরিবার বাড়ির ছাদে আশ্রয় নিয়েছিলো- ১১ জন মূহুর্তে পুড়ে ছাই! ফায়ার সার্ভিসের গাড়িও ঢুকতে পারছিলো ঐ সংকীর্ণ গলিতে।আমি পুরো ঘটনার মর্মান্তিকতায় বাকরুদ্ধ!

পুরান ঢাকার কয়েকশত বাড়ি আছে অপরিকল্পতি নগরায়নের শিকার।বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ভয়াবহ ঝুঁকিপূর্ণ! বাড়ির সাথেই লাগোয়া বৈদ্যুতিক তার, ট্রান্সফর্মার।এর মধ্যেই মানুষ থাকছে, অস্বাস্থ্যকর-আলো-বাতাসহীন পরিবেশে।কোনো সরকারই একটা যথার্থ উদ্যোগ নিয়ে এই সমস্যার সুরাহা করতে পারেনি বা করেনি।এই সব দুর্ঘটনার সাথে প্রত্যক্ষভাবেই দুর্নীতি সম্পর্কযুক্ত! ডেসা, ওয়াসা, হাউজিং, সিটি কর্পোরেশন, রাজউক সবাই এ ব্যাপারে উদাসীন।এদের আকাশচুম্বি দুর্নীতির কারণে এ ধরনের দুর্যোগ-বিপর্যয়-দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে গেছে।গতকাল বেগুনবাড়ি, আজ নিমতলী এবং ভবিষ্যতে আপনি ও আমি - আমাদের পরিবার যে কেউ এ ধরনের বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে পারে।পোকামাকড়ের মতো নিমিষেই মিশে যেত পারি ধূলিতে!

এই কিছুক্ষণ আগেই এক পষলা বৃষ্টি ধুয়ে দিলো নগরীকে।গতকাল রাতেও আকাশ মেঘলা ছিল কিন্তু বৃষ্টি ছিলো না।জানালার বাইরে ঝাপসা শহরের দিকে তাকিয়ে মন শুধু বলছিলো, মরার বৃষ্টি- গতকাল রাতে নিমতলীর আগুন যখন বাড়ছিল, শিশুগুলো যখন আগুনমুখো মায়ের বুকে শেষবারের মতো মাথা গুঁজছিলো, তুই কোথায় ছিলি? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29169945 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29169945 2010-06-04 13:28:11
সাবাস কনডম বাহিনী, সাবাস! ডিজিটাল কনডম মন্ত্রে জানান দিচ্ছো ক্ষমতা
ভাত থেকে ডাল, ইতিহাস-বর্তমান-আগামীকাল
সবকিছুতেই এ মন্ত্র ভীষণ টাল-মাটাল।

সাবাস কনডম বাহিনী,
বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে যে দেশে
বিরোধী বীর্য রোধ করছ প্রতিদিন ডিজিটাল বেশে!
নতজানু প্রজাতন্ত্রে মন্থর প্রজাপতি
অথচ লুব্রিকেন্ট যোগায় তোমার কতো রথি-মহারথী!

ডিজিটালমূলার অবাধ হয়েছে চাষ
মুক্তিবীরের জন্মভূমি এখন দূর্নীতির আবাস!
দিনবদলের শারাবে মাতাল করেছ হাওয়া
নানান কথার ছলে শুধু তোমাদের আসা যাওয়া!

কনডমের সুবিধাবাদী কতিপয় ছিদ্রে শুধু
নির্গত হয় রাঘব-বোয়ােলর বীর্য অবিরত!
আমাকে দাও মৃত্যুর অধিকার,
তুমি কেড়ে নাও স্বাধিকারের ক্ষত!

জন্মেই যদি অপরাধী হই শেষে
মুখসর্বস্ব এই ডিজিটাল বাংলাদেশে
জীবনের সব নদী কি তবে রাজনীতিতে গিয়েই মিেশ?



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29169384 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29169384 2010-06-03 18:26:48
গণরোধতন্ত্র : যে দেশে সরকার একটি পত্রিকার কাছে হেরে যায়! হুগো শ্যাভেজ : View this link
ফ্যাস্টিবল এর অন্য আরেকটা প্রোমোতে আমরা দেখি, সুদর্শনা আর্জেন্টাইন প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিনা ফারনান্দেজ এক বক্তৃতায় সবাইকে শুয়োর খেতে উৎসাহিত করছেন। কারণ, শুয়োর আপনাকে যৌন শক্তি জোগায়। এ্যাড শেষে স্লোগানে সেই একই কথা- "আমাদের বাস্তবতা যদি এমন হয়, তাহলে ভাবুন আমাদের ফিল্মের কথা "! দেখুন: View this link

তৃতীয় বিশ্বের একটি দেশ হিসেবে আমাদের বাস্তবতাও নিদারুণ হাস্যকর। অথচ যেখানে রাষ্ট্রনায়কদের আছে চোপা ভরা বুলি, ডিজিটাল ভাওতাবাজি, বিরোধী কন্ঠ রোধ করার গণরোধতন্ত্র! অতীত নিয়ে কাঁদা ছোড়াছুড়িতো আছেই, সাথে আছে নামবদলের, জবরদখলের রাজনৈতিক সংস্কৃতি! আইনের শাসনকে পদদলিত করে দেশের গণমাধ্যমকে নতজানু করে রাখা বর্তমান প্রবণতা সত্যি সেলুকাস! বিরোধী কন্ঠ রোধ করার এইসব ঘটনা ইরান বা পাকিস্তানের সমতূল্যে বাংলাদেশকে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে। সেটা নিয়ে সরকারের কোনো মাথা ব্যথাই নেই। যে সরকারের কাছে আমাদের আশা ছিল এভারেস্ট সমতুল্য, সেই সরকারের নতজানু রাষ্ট্রনীতি আমাদের কোন বাস্তবতায় নিয়ে যাচ্ছে কে জানে!

ফ্যাসিবাদের পদলেহন করে চলতে পারলেই ডিজিটাল না পারলেই রাষ্ট্রদ্রোহী। অবশ্য এরকম কিছু গণমাধ্যম যখনকার যে হাওয়া পালে লাগিয়ে দিব্যি জমিয়ে যাচ্ছে। বদলে দিচ্ছে আমাদের সমাজ। দিনবদলের ঋণ আমরা আর কতো অন্যায় দিয়ে শুধবো! আর কতো দিন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29168354 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29168354 2010-06-02 12:58:30
সম্রাটরা ঘুমুচ্ছে, সরকার ঝিমুচ্ছে! http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29166822 http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/29166822 2010-05-31 16:28:35