আমার প্রিয় পোস্ট

আল কুরআন ও বিজ্ঞান ।

১৫ ই মে, ২০০৭ বিকাল ৫:২৫

শেয়ারঃ
0 0 0

মহাগ্রন্থ আল কুরআনুল কারীমে রেয়েছে জ্ঞান বিজ্ঞানের এক অপুর্ব নিদর্শনা । বিজ্ঞানের যে কোন শাখার স্পষ্ট তথ্য কুরআন থেকে লাভ করা সম্ভব । বিজ্ঞান সম্পর্কে কুরআনে অসংখ্য আয়াত মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন নাযিল করেছেন। আল্লাহ তা'য়ালা সমস্ত বিশ্ব জাহানের সৃষ্টি কর্তা ও প্রতি পালক । তিনি মানুষকে বিজ্ঞান চর্চা ও গবেষণা করার তাগিদ দিয়েছেন ।

নিশ্চয়ই আসমান ও যমীনের সৃষ্টিতে, রাত ও দিনের বিবর্তনে এবং নদীতে নৌকা সমুহের চলাচলে মানুষের জন্য কল্যাণ রয়েছে । আর আল্লাহ ত'আলা আকাশ থেকে যে পানি নাযিল করেছেন, তাদ্ধারা মৃত যমীনকে সজীব করে তুলেছেন এবং তাতে ছড়িয়ে দিয়েছেন সব রকম জীব জন্তু । আর আবহাওয়া পরিবর্তনে এবং মেঘমালার যা তাঁরই হুকুমের অধীনে আসমান ও যমীনের মাঝে বিচরণ করে। নিশ্চয় সে সমস্ত বিষয়ের মাঝে নিদর্শন রয়েছে বুদ্ধিমান সম্প্রদয়ের জন্য । ( সুরা আল্ বাক্বারাহ্ ১৬৪)

তিনি রাত্রিকে দিবসে প্রবিষ্ট করেন এবং দিবসকে রাত্রিতে প্রভিষ্ট করেন । তিনি সুর্য ও চন্দকে কাজে নিয়োজিত করেছেন । প্রত্যকটি আবর্তন করে এক নিদিষ্ট মেয়াদ পযন্ত। ইনি আল্লাহ তোমাদের পালন কর্তা, সম্রাজ্য তাঁরই। তাঁর পরিবর্তে তোমরা যাদের ডাক, তারা তুচ্ছ খেজুর আঁটির ও অধীকারী নয় ।( সুরা ফাতির ১৩)

নিশ্চয় আল্লাহ আসমান ও যমীনকে স্থির রাখেন, যাতে টলে না যায় । যদি এগুলো টলে যায় তবে তিনি ব্যতীত কে এগুলোকে স্থির রাখবে ? তিনি সহন শীল, ক্ষমাশীল। (সুরা ফাতির ৪১)

তিনিই সমান্তরালে দুই সমুদ্র প্রবাহিত করেছেন, একটি মিষ্ট, তৃষ্ণা নিবারক ও আরেকটি লোনা , বিস্বাদ, উভয়ের মাঝখানে রেখেছেন একটি অন্তরায়, একটি দুর্ভেদ্য আড়াল । ( সুরা ফুরকান ৫৩)

কল্যাণ ময় তিনি যিনি নভোমন্ডলে রাশিচক্র সৃষ্টি করেছেন এবং তাতে রেখেছেন সুর্য ও দীপ্তিময় চন্দ । ( সুরা ফুরকান ৬১)

তিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাদেরকে একই ব্যাক্তি থেকে অতঃপর তা থেকে তার যুগল সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি তোমাদের জন্য আট প্রকার চতুষ্পদ জন্তু অবতীর্ণ করেছেন। তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন তোমাদের মাতৃগর্ভে পর্যায় ক্রমে একের পর এক ত্রিবিধ অন্ধকারে। তিনি আল্লাহ তোমাদের পালনকর্তা, সম্রাজ্য তাঁরই। তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। অতএব, তোমরা কোথায় বিব্রান্ত হচ্ছ। (সুরা আল যুমার ৬)

আল্লাহ মানুষের প্রান হরণ করেন তার মৃত্যুর সময়, আর যে মরেনা, তার নিদ্রা কালে, অতঃপর যার মৃত্যু অবধারিত করেন, তার প্রান ছাড়েন,না এবং অন্যান্যদের ছেড়ে দেন এক নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্য নিদর্শনা বলী রয়েছে। (সুরা আল যুমার ৪২)

তিনি ইচ্ছা করলে বাতাসকে থামিয়ে দেন। তখন জাহাজ সমুহ সমুদ্র পৃষ্ঠে নিশ্চল হয়ে পড়ে যেন পাহাড়। নিশ্চয় এতে প্রত্যেক সবরকারী, কৃতজ্ঞের জন্য নিদর্শনাবলী র‌য়েছে।( সুরা আশ শুরা ৩৩)
অথবা তাদের কৃতকর্মের জন্য সে গুলোকে ধ্বংস করেদেন এবং অনেক কে ক্ষমাও করেদেন। (সুরা আশ শুরা ৩৪)

এবং যারা আমার ক্ষমতা সম্পর্কে বিতর্ক করে, তারা যেন জানে যে, তাদের কোন পলায়নের জায়গা নেই । (সুরা আশ শুরা ৩৫)

এভাবে অসংখ্য আয়াত আছে কুরআনে, সুরা যুমার, সুরা আর রহমান, সুরা যিলযাল সহ বিভিন্ন সুরাতেই আয়াত রয়েছে, বিজ্ঞান চর্চা ও গবেষণা করার মতো । শেষের তিনটি আয়াতে আমরা সবরকারী কৃতজ্ঞের জন্য নিদর্শনা বলী আছে। আমরা হয়তো কিছুটা পয়েছি ও।
পবিত্র কুরআন মাজীদে আল্লাহ তা'য়ালা মানব জাতিকে সঠিক পথে চলার জন্য অসংখ্য আয়াত নাযিল করেছেন। যাতে মানুষ, আল্লাহর অসংখ্য সৃষ্টি সম্পর্কে জানতে পারে ও আল্লাহকে চিনতে পারে ।[wjsK=http://www.55a.net/firas/english/?page=show&select_page=69]

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বিজ্ঞানবিজ্ঞানবিজ্ঞান বিজ্ঞানবিজ্ঞান বিজ্ঞান বিজ্ঞান বিজ্ঞান ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরিআমার দিনকাল  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মে, ২০০৭ ভোর ৬:০৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৫ ই মে, ২০০৭ বিকাল ৫:২৯
জিললু বলেছেন: ভাল।আল্লাহ কে আবার ভাবলাম।
২. ১৫ ই মে, ২০০৭ বিকাল ৫:৪২
দীক্ষক দ্রাবিড় বলেছেন: সব প্রাকৃতিক কর্মকান্ডকে আল্লাহ চালাচ্ছেন এইসব কথাবার্তা বলা ছাড়া এসব আয়াতে বিজ্ঞানের কিছুই তো দেখলাম না।
যা লেখলেন এই পর্যন্ত তার কোথায় বিজ্ঞানের নয়া কথা আছে একটু বললে বুঝতে পারতাম।

পানি দিয়া মৃত জমিন সজীব হয় (বাক্বারাহ-১৬৪), এই কথা কি বিজ্ঞান সম্মত?
বৃষ্টির পানি ছাড়া কি মাটি সজীব না?
মাটির ভেতরে লক্ষ লক্ষ অর্গানিজম থাকে জানেন তো। ঐ অর্গানিজম থাকার জন্য মাটিকে এমনিতেই লিভিং ম্যাটেরিয়াল বলা হয়।
এইখানে বরং বিজ্ঞানের উল্টা কথাই বলা হয়েছে। খিয়াল কইরা।

আসমান ও জমিনকে স্থির রেখেছেন (ফাতির ৪১)। কীভাবে? ধরে রাখছেন? পাহাড় দিয়া আসমানরে ঠেকা দিছেন।
জমিনের কথা বাদ দিলাম, আসমান যে স্থির রাখার কিছু না তা বর্তমানে দুনিয়ার হাদারামরাও জানে। এইটা একটা শূন্যস্থান।
কোরানের সময় আরবের বেদুঈনরা মনে করতো এইটা একটা সামিয়ানা।
এই কথাটাও পুরাপুরি অবাস্তব।

বাকী কথায় আর গেলাম না।
এই অন্ধ হয়ে পড়লে তো আর বলার কিছু নাই।
একটু চোখ মেলে পড়েন।
৩. ১৫ ই মে, ২০০৭ বিকাল ৫:৫৪
চোর বলেছেন: "বিজ্ঞানের যে কোনো শাখার 'স্পষ্ট' তথ্য কুরআন থেকে লাভ করা সম্ভব" হলে আল্লাহ "মানুষকে বিজ্ঞান চর্চা ও গবেষণার তাগিদ দিয়েছেন" কেন? গবেষণাই যদি করা লাগবে, তাইলে কোরআনের স্পষ্ট তথ্য কোন কামে লাগবে?

----
আপনারে আগে পোস্টে কইছিলাম আল্লাহর নামের অবমাননাকারী এইসব বালছাল না পোস্টাইতে। বুঝতেছি, কথা কানে ঢুকে নাই।
৪. ১৫ ই মে, ২০০৭ বিকাল ৫:৫৬
সুমি বলেছেন: কুরআন নিয়ে কোন পোষ্ট না দেয়াই ভাল আমি মনে করি ---
ছোট মুখে আবার বড় কথা হয়েগেলো না তো
৫. ১৫ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০৫
জিললু বলেছেন: যে বিশ্বাসী সে এমনিতেই বিশ্বাসী,আর যে বিশ্বাসী নয় সে কিছুতেই বিশ্বাসী নয়।ধন্যবাদ লেখককে।
৬. ১৫ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:১২
মিয়া মোহাম্মদ হুসাইনুজ্জামান বলেছেন: সহমত @ চোর।

হাস্যকর পোস্টঃ জীবনদর্শন আর বিজ্ঞান এক হয়ে গেল!!
৭. ১৫ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২১
পথহারা বলেছেন: প্প্বগ্গপ্প্বজ্জপ্প্ব্বপ্প্বজ্জপ্প্বক্কপ্প্বজ্জপ্প্বষ প্প্ব্বপ্প্ম
৮. ১৫ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৭
হাসিব বলেছেন: ' কল্যাণ ময় তিনি যিনি নভোমন্ডলে রাশিচক্র সৃষ্টি করেছেন এবং তাতে রেখেছেন সুর্য ও দীপ্তিময় চন্দ '
- কার অনুবাদ এটা !
৯. ১৫ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪২
মাহমুদ রহমান বলেছেন: বৃষ্টি কিভাবে হয়? সাগর নদী নালা থেকে পানি বাস্পীভূত হয় তারপর তা উপরে জমে বৃষ্টি হয়। যদি বৃষ্টি না হত কি হত? এক সময় মাটি তার সজীবতা হারিয়ে ফেলত। মাটিতে যে লক্ষ লক্ষ অর্গানিজম থাকে তার বাঁচার উঃস কি? পানি থেকেই সমস্ত প্রাণিজগতের উৎপত্তি- এটা নিশ্চয়ই কারও অজানা নয়।-- বুঝ লাম না দীক্ষক দ্রাবিড় এই কথাটাকে বিজ্ঞানের উল্টা কিভাবে বলেন?

সামউন শব্দের অর্থ আসলে আকাশ নয়, শুন্যস্থানকেই বুঝায়। যদিও অনেক তাফসীর গ্রন্থে আকাশমন্ডলী লেখা হয়েছে। যদিও শুন্যস্থানের টলিয়া যাওয়া আমার কাছে পরিস্কার না। হতে পারে মহাজগতের টোটাল ব্যবস্থাপনাকে ইঙ্গিত করা হতে পারে।
১০. ১৫ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৭
পথহারা বলেছেন: হাদারাম দীক্ষক দ্রাবিড়,
তোমার মস্তিস্কে গোবরের %, মগজের চেয়ে বেশি মনে হচ্ছে। মোগো দেহে পানির পরিমান ৮০% এর মতো, হেইডা কি চোক্কে দেহো? দেহো না। মাটির পানি ও তুমি দেখবা না। তোমার সেই চোখ বা আক্কেল কোনোটাই নাই।
আসমান-জমিন with all its ingrediants are perfectly placed and stable in a vaccume space miraculously. Even a bull headed peson, if spend a fraction of time asking him/herself what possible mistry could be behind this the accurate miraculous creation? The answer must conclude to the certain possibility of an unique superpower. The Almighty.
১১. ১৫ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৭
চোর বলেছেন: মাহমুদ সাব, আমার মন্তব্যের ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কি? "বিজ্ঞানের যে কোনো শাখার 'স্পষ্ট' তথ্য কুরআন থেকে লাভ করা সম্ভব" হলে আল্লাহ "মানুষকে বিজ্ঞান চর্চা ও গবেষণার তাগিদ দিয়েছেন" কেন? গবেষণাই যদি করা লাগবে, তাইলে কোরআনের স্পষ্ট তথ্য কোন কামে লাগবে?
১২. ১৫ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৮
চোর বলেছেন: পথহারাও উত্তর দিতে পারেন।
১৩. ১৫ ই মে, ২০০৭ রাত ৮:০৩
নুর3ডিইডি বলেছেন: দীক্ষক দ্রাবিড় > কুরআনে তথ্য আছে, কিন্তু , চর্চা ও গবেষণার জন্য, আল্লাহ মানুষকে তাগিদ দিয়েছেন।
আমার জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার মধ্যে ও আপনাকে বলার চেষ্টা করতেছি।
মাটি সজীব বলতে আমি বুঝতেছি ফসল উৎপাদনের মতো মাটি। মাটির ভেতরে লক্ষ লক্ষ অ্যর্গ্যানিজম থাকে , বলেন তো অ্যর্গ্যানিজমের উৎস কি? ভিতরে প্রবেশ করেন পানির সন্ধান পাবেন।

আপনিই বলুন না এই পৃথিবী শুন্যের উপর কি ভাবে আছে?
আসমান একটা শুন্য স্থানে? হাদারামরা ও যে জানে, ঐ হাদারামদেরকে বলেন, ঐ শুন্য স্থানে যাওয়ার পর উপরের দিকে দেখত, আকাশ দেখা যাবে।

আরবের বেদুঈনরা তখনই মনেহয় , এখন আমাদের কারো কারো থেকে জ্ঞানি ছিলো । না হয় তারা কি ভাবে জানতো পৃথিবীকে রক্ষা করার জন্য সামিয়ানা আছে?
বর্তমানে নাকি ঐ সামিয়ানায় পাঠল সৃষ্টি হইতেছে। তাও নাকি আমাদের কারনে, তার জন্য নাকি আমাদেরকে গাছ লাগাইতে হবে।

আমাদেরকে আরও কোরান চর্চা করতে হবে, করা প্রয়োজন। ভাই কর্ম নিয়ে অনেক ব্যস্ত থাকি বিতর্ক করার সময় হয়না।
আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ লেখাটা পড়ার জন্য।
১৪. ১৫ ই মে, ২০০৭ রাত ৮:০৬
পথহারা বলেছেন: চোর ভাই,
নুরু মিয়া কি কৈলো না কৈলো i dont care। I think you also sould not care unless he speak directly from holy Quran.
১৫. ১৫ ই মে, ২০০৭ রাত ৮:১৯
নুর3ডিইডি বলেছেন: চোর ভাই >স্পষ্ট দৃষ্টি প্রয়োজন , স্পষ্ট তথ্য কুরআন থেকে লাভ করার জন্য।

মাহামুদ রহমান ভাই আপনি কষ্ট করে সময় দিতেছেন । আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।
১৬. ১৫ ই মে, ২০০৭ রাত ৮:২৫
মাহমুদ রহমান বলেছেন: কোথায় পেলেন একথা? কুরআন পড়লে বিজ্ঞান জানা যাবে কিভাবে?

বিজ্ঞান হচ্ছে পরীক্ষালব্ধ জ্ঞানের সমস্টি। কুরআনে সৃষ্টিকর্তার নিদশৃনের কথা বলা হয়েছে। যা খুবই সম্প্রতি বিজ্ঞান তার সত্যতা তুলে ধরছে। সৃষ্টিকর্তাকে চিনতে বিজ্ঞান সহায়কের ভূমিকা পালন করছে। @ চোর।
১৭. ১৫ ই মে, ২০০৭ রাত ৮:৩১
মাহমুদ রহমান বলেছেন: বিজ্ঞান ও কুরআন দুটিই মানুষের প্রতি আল্লাহর নিয়ামত। একটিতে তিনি দিয়েছেন গাইড লাইন। আর অপরটি, সৃষ্টিকে অগোছালোভাবে তৈরি না করে একটা নিয়ম শৃংখলার মধ্যে রেখেছেন, প্রয়োজনীয় বিবেক বুদ্ধি মানুষের মধ্যে দিয়ে দিয়েছেন যা থেকে মানুষ আজ এ পর্যন্ত এসেছে আর তাকেই বলছি বিজ্ঞান ।
১৮. ১৫ ই মে, ২০০৭ রাত ৮:৪৩
মাহমুদ রহমান বলেছেন: ডিইডি ভাই, আপনাকে ধন্যবাদ। এটাকে কষ্ট বলছেন কেন? আমি মানুষকে সুখী দেখতে চাই। সৃষ্টিকর্তার খোঁজ পেয়ে আমি সুখী। তাই স্বেচ্ছা প্রনোদিত হয়েই এ মিশনে........ হতে পারে যাদেরকে বলছি তারা না শুনলেও অন্য অনেক নিরব পাঠকের কাজে আসছে।

আপনার প্রচেষ্টাও আল্লাহ কবুল করুন।
১৯. ১৫ ই মে, ২০০৭ রাত ৮:৫৯
আশরাফ রহমান বলেছেন: কুরআনের বিজ্ঞান সংক্রান্ত আয়াতগুলো একত্রে সংকলন করে পোস্ট দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
২০. ১৫ ই মে, ২০০৭ রাত ১১:৪১
ত্রিভুজ বলেছেন: ধারাবাহিকতায় আমার একটা পোষ্ট আসবে ইনশাল্লাহ... সুতরাং মন্তব্য করতে যাচ্ছি না এখনই....


গুড জব নুর ভাই। কিপ ইট আপ।
২১. ১৬ ই মে, ২০০৭ রাত ১২:২৬
মুনতাসির হাসান বলেছেন: নূর ভাই, কুরআন শরীফরে পচাইয়া আপনারা কি মজা পান?
২২. ১৬ ই মে, ২০০৭ রাত ১২:৩৬
চোর বলেছেন: নুর সাব, প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন। স্পষ্ট উত্তর দিন: "বিজ্ঞানের যে কোনো শাখার 'স্পষ্ট' তথ্য কুরআন থেকে লাভ করা সম্ভব" হলে আল্লাহ "মানুষকে বিজ্ঞান চর্চা ও গবেষণার তাগিদ দিয়েছেন" কেন? গবেষণাই যদি করা লাগবে, তাইলে কোরআনের স্পষ্ট তথ্য কোন কামে লাগবে?

মাহমুদ সাব, নুর মিয়ার পোস্ট থেকে আমি উদ্ধৃতি দিয়েছি। ওখানে নুর সাব বলেছেন, "বিজ্ঞানের যে কোন শাখার স্পষ্ট তথ্য কুরআন থেকে লাভ করা সম্ভব ।" অথচ আপনি বলছেন, "কোথায় পেলেন একথা? কুরআন পড়লে বিজ্ঞান জানা যাবে কিভাবে? " তাইলে নুর সাবরে একটু বইলা দেন যে, তিনি টিকটিকির লেজ দিয়া গাঁজা সেবন করিয়া মওদুদীর বাণীরে কুরআনের নামে চালায়া দিতেছেন। মানুষের বুদ্ধিশুদ্ধি নিয়া আমি ক্যাচাল লাগাই না। আল্লা কাউরে বুদ্ধি না দিলে কি আর করা। কিন্তু কাউরে ছাগুর পথ ধরতে দেখলে খারাপ লাগে। নুর মিয়া যে নমুনা দেখাইতেছে, এইডা তার অরিজিনাল কোয়ালিটি হইলে চিরকাল কর্মীই থাইকা যাওন লাগবো। হেরে বুঝান।
২৪. ১৬ ই মে, ২০০৭ ভোর ৬:১৬
এস্কিমো বলেছেন: নূর ভাই, আপনাকে কোরানের ব্যাখ্যা করার অধিকার কে দিল?
ব্লগে এসে ব্লগাইবেন আর যাবার সময় ফাও হিসাবে কিছু ছোয়াব লইয়অ যাইবে, এই ধান্ধা যদি থাকে তবে ভিন্ন কথা।
কিছু মনে করবেন না একটা কথা বলি -
আপনার লেখা পড়লে ঢাকার কিছু স্মৃতি মনে পড়ে। দেখতাম একদল বিকলাঙ্গ মানুষ দল বেধে বেসুরা গলায় আল্লাহ নবীজির নাম নিয়ে বাড়ী বাড়ী যেত। মানুষ আল্লাহ নামের চেয়ে ঐ লোকগুলোর বেশুরা গলায় থেকে মুক্তি পাওয়া তাগিদে দ্রুত ভিক্ষা দিয়ে বিদায় দিতো।
ব্লগে তো সেই ব্যবস্তা নেই - দয়া করে বলুন তো কি করলে আপনি আপনার ঘ্যান ঘ্যান বন্ধ করবেন।
( আবার পড়ুন সুরা কাফিরুন)
ভাই আল্লাহ ওয়াস্তে মাফ করুন।
২৫. ১৬ ই মে, ২০০৭ ভোর ৬:২৯
কেমিকেল আলী বলেছেন: এইটাই সমস্যা। সব তথ্য, সূত্র আল-কোরানে থাকলেও আজ অবধি কোন হাফেজ, আলেম , মোল্লা, বা হুজুর আজ পর্যন্ত বিজ্ঞানের "ব" ও আবিষ্কার করতে পারে নাই।

কিন্তু তাতে কি? কোন কিছু আবিষ্কার হলেই তারা কিন্তু সবার আগেই ওয়াজ ফরমান, এইডা কিন্তু কোরানে আগেই ছিল। আরে ভাই আগেই ছিল তো তোরা তো ২৪ ঘন্টায় ৫৩ বার কোরান পড়িস, তা কিছু ফালাইতে পারস না ক্যান? আর পারে ঐ সাদারা যারা কোরান কি তা জানেও না, প্রয়োজনও মনে করে না।
এতে করে তারা যে কাজ করছে সেটা হল কোরান কেই ছোট করছে। আরে ভাই কুরান যেভাবে আছে সেই ভাবে থাকতে দে, হুদাই প্যাচাস ক্যান?
২৬. ১৬ ই মে, ২০০৭ ভোর ৬:৫০
পথহারা বলেছেন: হা হা. এস্কিমো তুমি চেইতা গেলা কা ? নুরু মিয়ার কথায় তোমার ভালো না লাগলে তার ব্লগে
আইসা তার গোপনাংগের কেশ নিয়ে টানাটানি না করলেই পারো। তোমার ব্লগে ঢুকলে তোমার সব পোস্টিং গুলিরে তো আমার কাছে পাগলের প্রলাপ মনে হয়।
বোধকরি, নুরুমিয়ার কাছেও তার চেয়ে ভালো কিছু মনে হয় না। তাই বইলা নুরু কইলে ই কি তুমি তোমার পাগলামি বন্ধ করবা?
২৭. ১৬ ই মে, ২০০৭ সকাল ৭:২০
এস্কিমো বলেছেন: @পথহারা, দালালীর ব্যবসা ধরলেন কবে থেকে? নারায়নগঞ্জের ব্যবসা কি শেষ?
২৮. ১৬ ই মে, ২০০৭ সকাল ৭:২৪
পথহারা বলেছেন: বোকাচোদা কেমিকেল,
ওয়াটারলুর ল্যাবে বইসা সাদাগো পা চাটো। আর অকালকুষ্মান্ডের মতো কমেন্ট করো। মুসলিম মোল্লারা সাইন্সের কি কি করছে তা তোমার প্রভুদের লিখিত কেতাব পড়লে কখনো জানতে পারবা না।
আজকের মোল্লাদের এই করুন দশাও তোমার সেই সাদা চামড়ার প্রভুদের পূর্ব পুরুষদের হাজারো বছরের ষড়যণত্রের ফসল। মুসলিম সায়েন্টিস দের
গড়া হাজারো আবিষ্কার এখন নিজেদের নামে চালাইয়া দেয়। মুসলিম সায়েন্টিস রা একসময় মোল্লাগিরি ও করতো আবার সায়েন্স নিয়া গবেষণাও করতো। Both science and islam were interdependent.

সাদাচামড়া ওয়ালারা ক্ষমতায় থাকা কালে মুসলিম বিশ্বে ইসলাম থিকা সায়েন্স রে আলাদা করার ষড়যনত্রে নামে
both institutionally and socially.
আজকের দিনের কাঠ মোল্লাদের সায়েন্স বিষয়ক অসাড় প্রলাপ তারই ফসল।





২৯. ১৬ ই মে, ২০০৭ সকাল ৭:৩০
এস্কিমো বলেছেন: @পথহারা, আপনার মতো কিছু পথহারা মানুষই যথেষ্ট বিশ্বের সকল মুসলমানদের দূর্নামের জন্য। মাথায় যদি একটু ঘিলু থাকে - প্রত্যেকটা কমেন্ট পড়ুন - পরে গালাগালি করুন। গালিকরার জন্যেই নতুন নিক নিয়েছেন। এই আপনার ইসলামের শিক্ষা? হা!
৩০. ১৬ ই মে, ২০০৭ সকাল ৭:৪৭
পথহারা বলেছেন: হা হা। এস্কিমো@ আমি মুসলিম কে কইলো আপনেরে? আমি আপনাদের মতো হিপোক্রিট মুসলিম নই। নিজেকে মুসলিম হবার যোগ্য ও মনে করিনা।

কিছুলোক ইসলাম নিয়া মস্করা করবো আর আপনারা সেই সময় পা তুলে ধুয়া টানবেন। আবার কেউ ইসলামের কথা কইলে তার শুদ্ধতা নিয়া ফতোয়া দিবেন, এইডা কেমন কথা?

তাছাড়া আমি "যেমন কুকুড়, তেমন মুগুড়" নীতিতে বিশ্বাস করি।


৩১. ১৬ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:১৬
এস্কিমো বলেছেন: কি সুন্দর একটা পোষ্ট হলো নূর মিয়া, উপরে কোরানের ছবি, নীচে পথহারা নামে এক দালালের খিস্তি। এই না হলে কি ইসলামের খেদমত হয়। ছোয়াব কি এতই সহজ নূর সাহেব?
৩২. ১৬ ই মে, ২০০৭ সকাল ৯:১৭
কেমিকেল আলী বলেছেন: বোকা পথহারা,
তুমি যে বোকা এইটা আবার আমারে প্যাচাইয়া বলার কি দরকার? তোমার লজ্জা না থাকতে পারে আর কারও কথাও তো চিন্তা করা দরকার, নাকি? তোমারে না হয় চুদেই আমি বোকাচুদা হইলাম, কিন্তু এইডা সব জায়গা তো আর বলার দরকার নাই। আমারই ভাগ্যের ফের, কি আর করা বোকা পথহারা রে চুদেছি যখন!!!

আর শুনেন ছ্যার পথহারা, কে কার পা চাটে, আর কে কার লোম কাটে এইডা এত করে বলার দরকার কি?
দেখলাম তো নিজের মস্তিষ্ক থেকে কি বের হয়। অবশ্য এইটা তোমার দোষ না কারন, বংশের (জেনেটিক) একটা ব্যাপার আছে বৈকি। হাজার পাকির রক্ত তোমার শরীরে তুমি কখন কোন পাকির ছবক ফলো করও তা তোমার আম্মাও স্বয়ং বুঝতে পারল না আর আমরা তো সাধারন ব্লগ বাসি।
৩৩. ১৬ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:২৭
অমিত বলেছেন: এইডা দেহি সব জায়গায় গালি খায়..
৩৪. ১৬ ই মে, ২০০৭ বিকাল ৩:০৬
পথহারা বলেছেন: বোকা__কেমিকেল আলী,
দিনখানেক আগে উটুল এর ব্লগে তোমারে দেখলাম
আমার অন্ডকোষ নিয়া টানাটানি করতে। আমিতো অবাক! আর কিছু পেলি না? পরে মনে হলো তুমি
ওয়াটারলুতে বসে হয়ত ঐ বিশেষ অংগ সংক্রান্ত কোনো গবেষণায় রত। এখন আবার আমার পূর্ব পুরুষের সেই বিশেষ অংগ নিয়া টানাটানি।
আরে বাপ, দুনিয়ায় কি উহার অভাব পড়ল নাকি?

সাধেই বলি, "যেমন কুকুড়, তেমন মুগুড়"?

৩৫. ১৬ ই মে, ২০০৭ রাত ১১:৪৫
কেমিকেল আলী বলেছেন: "আরে বাপ, দুনিয়ায় কি উহার অভাব পড়ল নাকি"?
আমি দুঃখিত, আপনার বাপ আমি না, তবে পাকির হাজার খানেক লোক আপনার বাপ দাবি করে। সেইটা আপনার তাদের ব্যাপার আমার তার ভিতরে না আনাই ভাল।
আমি কি নিয়ে কি করি তা নিয়ে ছ্যার আপনাকে ভাবতে হবে না। হ্যাঁ, তোমার মত যাদের বাপ হাজার খানেক তাদের নিয়ে গবেষনা করার দরকার আছে বৈকি।
আমার বসার জায়গা আছে তাই বসি, জায়গার কথা লিখি, আপনের তো ছ্যার!!! না, থাক আর কইলাম না।
দেখলাম তো তোমার ব্লগ ছুঁচা ডাউন অবস্থা।
আবারও কইতাছি, তুমি যতই আমার বাপ ডাকো আমি কিন্তু তোমার বাপ না। তোমার বাপরে যে এই রকম পথে পথে খুজতে খুজতে পথহারা হইছ তার জন্য মায়া হচ্ছে আমার। খুজতে থাক, পথহারা হয়েই !!
একদিন মিলবে তোমার বাপের দেখা!! সেই দোয়া রইল তোমার জন্য।
৩৬. ১৬ ই মে, ২০০৭ রাত ১১:৫১
দ্রোহী বলেছেন: ধুর, অস্র ভাড়া দেয়ার মতো ক্লাসিক কোন গল্প ল্যাখেন মিয়া। কি বাল ছাল প্যান প্যান করেন প্রতিদিন!
৩৭. ১৭ ই মে, ২০০৭ রাত ১২:১৬
সজীব বলেছেন: সবরকম মানুষের সব মতামতই ব্লগে থাকা চাই। তাই যে যাই বলুক ৩ডিইডি ভাই আপনি কিন্তু আপনার মতো চালিয়ে যান... যার ভাল লাগবে না সে না পড়লেই চলবে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮৩৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি মানুষ । আমি মুসলমান ।আমি বাংলাদেশী। আমি বাঙ্গালী ।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ