আগের পর্ব দেখুন,..
পকৃত পক্ষে অন্তরের তাকওয়া হলো মুল বিষয় অঙ্গ প্রত্যঙ্গের তাকওয়া বা পরহেজগারী নয়। আল্লাহ সুবহানাহওয়া তা'য়ালা কুরবাহীর পশু এবং (হাজ্জ)হাদী কুরবানী করা সম্পর্কে যা বলেন তা এ বিষয়ে প্রমান করে।
আল্লাহ তা'য়ালা এরশাদ করেন,
"আল্লাহর কাছে পৌছে না ও গুলির গোশত এবং রক্ত বরং তাঁর কাছে পৌছে তোমাদের ( অন্তরের) তাকওয়া।" (সুরা হাজ্জ-৩৭)
ঈমান ও কুফরী এবং হিদায়েত ও গোমরাহী , ভ্রষ্টতা ও সততার মূল হলো যা বান্দার অন্তরে সম্পন্ন হয়ে থাকে। কোন ব্যাক্তিকে যদি অন্যায় কাজের প্রতি বাধ্য করা হয়, তা হলে তাকে উক্ত বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হবেনা, যদি ইসলামের প্রতি তার অন্তর প্রসারিত এবং তার অন্তর ঈমানের সাথে নিশ্চিন্ত থাকে। যেমন, আল্লাহ পাক এরশাদ করেন,
" কেউ ঈমান আনার পরে আল্লাহকে অস্বীকার করলে এবং কুফরীর জন্য অন্তর উম্মুক্ত রাখলে তার উপর আপতিত হবে আল্লাহর গযব এবং তার জন্য আছে মহা শাস্তি; তবে তার জন্যে নয়, যাকে কুফরীর জন্য বাধ্য করা হয়েছে, কিন্তু তার অন্তর ঈমানে আবচল। এটা এজন্য যে, তারা দুনিয়ার জীবনকে আখেরাতের উপর প্রাধান্য দেয় এবং এই জন্যে যে , আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে হিদায়েত করেন না।"(সুরা নাহল ১০৬-১০৭)
অন্তরের বিষয় অধিক মনোযোগের প্রয়োজনীয়তার তাগিদের কারন হলো যে, মানুষের অন্তরই হলো তার দেহের মুল। কাজেই অন্তরের যথার্থতা সুস্থতা ও সঠিকতাই হলো দুনিয়া ও আখিরাতের মুক্তির মাধ্যম। বান্দার ঈমান ততক্ষণ পযন্ত সঠিক ও মুক্ত হবেনা যতক্ষণ পযন্ত তার অন্তর সোজা ও সঠিক না হবে। এ কারণেই মহাজ্ঞানী সর্বজ্ঞ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কিয়ামতের দিনের নাজাতকে অন্তরের সঠিকতা সততা এবং পরিচ্ছন্নতার সাথে সম্পৃক্ত করেছেন। আল্লাহ পাক এরশাদ করেন,
" যে দিন, ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি কোন কাজে আসবেনা। সে দিন উপকৃত হবে শুধু সে, যে আল্লাহর নিকট আসবে বিশুদ্ধ অন্তঃকরণ নিয়ে," (সুরা শুআরা)
আরো আছে..........
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুন, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



