ছায়া কারো অদ্বিতীয়া নয়, চন্দ্রে রাতের বেলা- দিনে সূর্য্যয়। ২ {দুই খানি পদ্য }

২৬ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৭

শেয়ারঃ
0 0 0

ডাকিলে কবিতা আসেনা

যেনে রেখো সে বাণী,
ডাকিলে আসেনা কবিতা।
কবিতাই দেবে হাত ছানি
যখন সময় হবে।
মনে যদি থাকে ভাব, পড় ভাবে।
গড়ে নাও নিজের মত,
কবি আর কাব্যটা ঘুচাবে কত ?

কবির ওত স্বাধীনতা আছে
কেন কর নিয়মেতে বন্ধ,
আপনার মনে কবি রচে
তব সাথে না মিলাতে কেন কর দন্দ।


কবি লিখে এলোমেলো
কাগজে কলমে গুটগুট---
আসল তাহার রূপ
দেবে সুন্দর তর কোন ঠোঁট।
এ কথা গাঁথিয়া রাখ মনে।
খালি ভুল খুজনাত ,
যদি পার ঘুরে আস কবির ভুবনে।



অদ্বিতীয়া তোমার আশে

যখন জিগ্যাসা বেধেঁচে দানা
তোমার মনের ঘরে,
আমার পদ্য হৃদয়
কিসের নিদর্শন।
তবে বুঝে নিও, অদ্বিতীয়া তোমার আশে
জীবন হাজার হাটে, "নয় জীবনানন্দ দাসে"
হাজার বছর পথ হাটে, হাটে প্রাচীন নগরে।
অবশেষে পায় তারে আপন ঘরের পাশে নাটোরে।

যার তরে প্রাণের আকুতি
সে নারী চিরকাল আমার প্রতি-
রচনা করিয় যায় তাহার গতি।
আমি তারে পেতে চাই অন্য পথে -
ঘুরে ঘুরে ব্যার্থ রথে,
অশেষে বুঝিবার পারি
আমি যে চলার পথে দুরন্ত চারি,

বুজিনাই
নারী যে কোমল-তারে ঝলমল,
হীয়ার আলোতে পেতেহয়।

যুক্তির সংসদে জোর করে
পাওয়া নাহি যায়।


 

সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫১
স্বপ্নময়ী কঙ্কাবতী বলেছেন: ভালো লাগলো।

নারী যে কোমল-তারে ঝলমল,
হীয়ার আলোতে পেতেহয়।
যুক্তির সংসদে জোর করে
পাওয়া নাহি যায়।

আশা করি নারীর প্রতি সৎ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রাখবেন আজীবন।

ভালো থাকবেন।
২৭ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০২

লেখক বলেছেন:
রাজ কন্যা-

মনে হয় সুযোগ করেছ গ্রহণ
যাক সে কথা, সামনে আসছে শুভদিন-
সেদিনের মোবারক বার করিনু অর্পণ।

আপনি আমার ব্লগে মনেহয় প্রথম এসেছেন,
এই জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আসবেন আবার, এবং যখন তখন।



২. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪২
প্রথম বাংলা বলেছেন: মধুমিতা-
তুমি দিয়ে ছিলে মোরে
পিতার পড়ে' নারীর মনের ঘরে
যে পুরুষ করে বিচরণ,
তাহার শিংহাসন।

আমি সেথা বসেছিনু শুধু-
তোমার তনুবন করিনি শাসন
আমি বুঝিনাই, তোমার অধর বানী,
দেখিতে পাইনি তোমার আশার ছাহনী,
তখনোযে মোর মনে শাসক বাঁধেনি আসন।

তুমি দিলে সাজা সেই অপরাধে
আমি ছিনু রাজা,
পথমাঝে এনু কাপুরুষ অপবাদে।

তুমি ছোটে গেলে পথ মাঝখানে
নতুন শাসকের সন্ধানে
কত ধরি কত ছাড়ি, অবশেষে একজন
যারে তুমি করেদিলে দান
হৃদয় সিংহাসন।
সে তোমারে কি দিছিল সুখ
বুঝিনাই।
কলঙ্ক আছে হেথা তবু
দেখা নাহিযায়, চেয়ে দেখি সুর্য্যের মুখ।
তারি মত, আজো তব বদন উন্নত।

আমারে যা দিতেছিলে তুমি
সেই স্বপ্নের দেশ
আজ ধূসর মরু ভুমি।

তোমার সে লাজ মাখা হাসি
আলোর ঝিলিক হয়ে মহাকাশে ভাসি
অতিত হয়েছে সেই নক্ষত্র মাঝে।
তুবও মনের গতি,
আলো থেকে বেশি তার দ্যূতি-
ভুলেগিয়েও মাঝে মাঝে, তোমার খুজে,
নক্ষত্র লোকে উড়ে উড়ে যায়
নাদিতে পারার সেই চুম্বন সৃতি
স্বরনীকাপটে ডানা ঝাপটায়।
৩. ২৩ শে জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:০৭
প্রথম বাংলা বলেছেন: প্রেমিক বুড়া হইলেও রস যায়না
তাই রবি কবি হয়ে ধরে বায়না।
আজ লিখবই একখানা প্রেমপদ্য
যে প্রেমিকা ফুটে উঠা আজ সদ্য,
লিখবই যদি তবে কেন শেষ নিয়ে
প্রেমের পদ্য হবে শুরুটাকে দিয়ে।
যে প্রেমিকা ফূল হয়ে রোহিনীতে ফুটা
সেই হোক আজকের কাব্যর বুটা।
তার থেকে ছন্দের বিথি গুলি আজ
ছড়াক চতুর্পাশে ভেঙ্গে সব লাজ।


বলবই চুলে তার কি আছে আধার
সূচনা সেখানে রচা প্রেমের ধাধার।
কখনো উজ্বল কখনো সজল চোখে
কি প্রেমে তাকায় কাহার অন্তলোকে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৩৯৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
এর পর পথ হবে শেষ
পথ শেষে সস্যের ক্ষেত,
কোন কৃষ্ণ চুড়ার বন,
ছয়া সুনিবিড় সেখানে
রচিব মোদের ঘর নির্জণ।
শেষ হবে আমাদের নির্বাসন।
চির প্রেমে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই