somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... বাংলা মায়ের আত্ন বচন আর বছর গুণলে চার দশক
মোরে রাহোরখেকে আনল কেড়ে
‍ভ্যাম্পায়ার আর জাত মশক।

স্বাধীন হলাম নাকো
শুধু অ‍ধীন বদল হল
অধিকারির দলে কিছু
আলবদর আর রাজাকারও রল।

দেশখানা ঠিক স্বাধীন হল
আমজনতা গোলাম রলে
শিক্ষকেরা টুকাই হল-
কম দামী কোট বলে।

কিভাবে কে পেয়েছে কোট
সেটাই বোঝা দাই।
আজও দিব্য ‍চোখে চালশে রল, তাই-
এই সত্য বুঝিতে না পাই।

এক দিন এক কথার মালায়
এই কথাটাই বলি,
সারা উদাম করিনি ঠিক
১৪ আনা খুলি।

পারিবারিক তন্ত্র আছে অনেক-
তাহার মাঝে দুই খানিই শেরা।
বেেলছিনু তাইত আমি এই দুটুকে নিয়ে
অন্যসকল ছিল হাতের বারা।

যদি, বলছ কথা- তার বিমতা
হবে' আইন না মানার জাত।
তুমি হবে কাম কুশিলব কর্ম হবে ক্যু
রাজনিতিতে উঠবে তোমার ভাত।

একেবারে চামরা খুলে
গঙ্গাঘাটে ধুঁপে ধুলেম
তার প‍রেও প্রতিক কেহ কলে?
ভাবি, এমন কাব্য লিখে যেজন
এমন পাঠক শুদ্ধ সেজন-
অকাট মূ‍খ্যো আমাদেরকেই বলে।

তাই আজিকেও মুখ্যো রলেম-
এমন দম্ভ উক্তি কলেম !
দুই তপস্বী মহা-রাণীর উপর !
অনেকেই তাই হতভব্য
করেনি কোন মন্তব্য
সঙ্গুপনেই রঙ্গ করে সকল পদ্যকর।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29418524 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29418524 2011-07-23 17:41:03
এখন দেহের প্রেমই বাঁচার আশা। ঠোটে আর কানে নয়
‍ঠোঁটে ঠোঁট রেখে কথা
শুষে নিতে হয়।
কথা শুনার কান পাবেনাত আর' প্রাণ -
নিশ পিশ করে ‍পেতে দেহের ভাষা,
ভালবাসা অম্লান হোক যত চাইনা
এখনন দেহের প্রেমই বাঁচার আশা। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29161222 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29161222 2010-05-23 17:22:21
আমরা দুজন সুখের স্বজন তুমি যদি হও রূপের আগুন
আমি হব প্রিয়া পতঙ্গ,
শুধু জ্বলে দেখ, যদি নও ডাক
পুড়েদেব হিয়া, অঙ্গ।

প্রিয়া-

‍‍রুদে পুড়ে তুমি হলে বৈশাখ
আমি মেঘে হব জ্যৈষ্ঠ,
তোমার বুকের পুড়া ক্ষত যত
‍বৃষ্টিতে ধোব কষ্ট।

প্রিয়-

তুমি যদি হও জ্যৈষ্ঠের মেঘ
আমি হব তার ভেলা-
হাওয়ায় ভাসিয়া যাব দূরে প্রিয়া
‍দিগন্তে হবে ‍‍খেলা।

প্রিয়া-
তখন আমার জ্বালাব আগুন
তুমি পুড়ে নিও বুক,
হৃদয়ের তাপ বাড়েনা সে দাহে-
সে দহনে শুধু সুখ।

‍প্রিয়-প্রিয়া-
আমরা দুজন সুখের স্বজন-
জ্যৈষ্ঠ মেঘের ভেলা,
কখনু ‍রোদ্র কখনু বৃষ্টি
এই হবে মন খেলা ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29160258 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29160258 2010-05-22 13:18:45
দন্তহীন এক বাঘ হইয়া দুদক বাবু ঘুমে, আয় মাঠে আয় চুরেরা সব চলবে চুরি ধুমে। রাজা তখন অনেক ভাবিয়া তাহার রাজ্যের আইন মন্ত্রীকে বলিলেন, যাও -- এমন আইন বানাও যেন আইনের ব্যাবচ্ছেদে আমার সকল রাজন্যবর্গ শান্তিতে চৌয্যবৃত্তি করিয়া বেড়াইতে পারে।
মন্ত্রি আইন করিলেন,
১। কোন রাজন্য বর্গ যদি, কোন প্রকার উৎকৃষ্ট বা নিকৃষ্ট মানের চুরিয়াতি করে এবং ইয়া যদি কোন সাধারণ প্রজা বা কোন দেশ হিতৈশি কারো কাছে বলে তবে তাহাকে সুলে চড়ানো হবে।
২। গেরস্ত বাড়িতে কোন পাহাদার রাখা যাইবেনা।
৩। ঘরের দরজা খুলিয়া ঘুমাইতে হইবে।
৪। আলমিরার চাবি দরজায় ঝুলাইয়া রাখিতে হইবে। আলমারিতে টাকা গহনা ইত্যাদি রাখিতে হইবে।
৫। চৌর্য্যবৃত্তি চলাকালিন সময় কেহ সজাক হইতে পাড়িবেনা। যদি সজাগ হইয়াও যায় তবে তাহার মৃত্যুর জন্য কেহ দায়ীনা, এবং এর জন্য রাজ্যের কেহ কাজির কাছে যাইতে পরিবেনা। কাজি হইবে পাজি কিসিমের লোক।
৬। কজি রাজার অনুমতি বেতিত কাহারো বিচার করিতে পানিবেনা।
৭। রাজার এই আইন অমান্য কারির বিরুধ্যে কঠিন সাজার ব্যবস্থার কথা যেন কেহ ভুলিয়া না যায়।
ইত্যাদি ইত্যাদি

রাজা আইন দেখিয়া যার পড়নাই খুশি হইলেন।
দুখি হইলেন প্রজারা।
কিন্তু আইনের ১ আর ৭ নম্বর ধারার ভয়ে কেহই কিছু বলিলনা।

শুধু বলিল
**** জয় বাংলা ****
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29095483 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29095483 2010-02-11 18:57:08
আমাদের বিশ্বাস ভেঙ্গে পড়ে বার বার শুধু এক'ই থাকি আমি
আর যে যে আমাদের মত,
শুধু শুধু নাচি' গাই- অবিরত-
তাহাদের লাগি।
যারা বসে বসে করে পান
ক্ষমতার মহুয়া মদীর
আর নেশা হয় আমাদের।
নেশায় আবুল তাবুল করি,
বুঝি কি বা নাবুঝি-
ঘুঙ্গোর পড়েছি পায় শিকল পুজার,
মুক্তির পথ আর নাহি খুজি-
দেহ প্রাণ সব করে দান
বেতাল বেসুরে গাই -
তাহাদের তরে মিথ্যার গান।

চোরে চোরে কত গলাগলি, কত গলাবাজী
আমাদের বড়ঘরে, কত নীতি হয় পাস
কত সাধু হয় বলি- পড়ে সে নীতির ফাঁস।
এরপড়ও আছে, মিথ্যে কথার অনাবিল আশ্বাস।

জঞ্জালে ভরা আমাদের চারপাশ
আমাদের সংসার, আমাদের রাজনীতি পরিবার।
স্বপ্নসোনাবঙ্গ প্রতি- আমাদের রাজনীতি খাদের আধাঁর।
তাই আজ আমাদের বিশ্বাস, ভেঙ্গে পড়ে বার বার।


না' সাবাস বাংলাদেশ
কাঁপেনাত আর পদ্মার উচ্ছাসে,
হিমালয় থেকে সুন্দরবন---
বহেনা সে আর কল্যানের আশ্বসে।

এখন সে কাঁপণ লেগেছে অন্যখানে
প্রাণে প্রাণে নয় লেগেছে অকল্যানে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29087928 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29087928 2010-01-29 17:43:15
ক্ষমা কর পিংকি মানুষ হও হে বঙ্গ পুরুষ
অঙ্গে না কর রঙ্গ-
ওহে বেশরম হইয়া মানুষ
উজ্জল কর বঙ্গ।
অভাব ঘুচাও তোমার সভাবে
জেনে লও নারী মা-
এনারীই ভাব কারো বোন হবে-
নির্মল নিরুপমা।

বাঙ্গালী পুরুষ জাতি
পিংকি তোমারি বোন
তোমার বেফাস মুখ খানা কেড়ে
নিয়েছে তাহার খুন।

কেন, কেন তব চরিত্র আজ
এত নীচ হল, লাগেনা মনেতে লাজ?

এই লাজ কোথা লোকাবে পুরুষ তুমি
মাথা নিচু করে কেঁদে কও মাগ-
ক্ষমা যদি কর তুমি।
ঐ সব নর পশু-
যাহাদের দায়ে বঙ্গ জননী
আজও পীয়ে নুনা আশো-
তাহারা জানেনা, তাদেরও জননী আছে
আছে ভগিনী ও, তাহারাও নারী-
পিংকি তাদেই মত, ধরায় মানুষ বাচে
ইহাদেরই অবদান- এদের শ্রদ্ধা করি-
"এতেই রচিত আমার মায়ের সম্মান"।

"লজ্জিত মোরা আজ
ক্ষমাকর পিংকি, সিমি, তৃষা, ফাহিমা
তোমরা মোদের বোন তোমরা মোদের মা।"
"পারিনা তোমায় দিতে যথা সম্মান-
এসমাজ আজ অধপাতে চলে একারন।"

"হে আল্লা, ঈশ্বর, ভগবান
দূর্বল চরিত্র মোরা- আমাদের কর ত্রাণ।
সুপথের সন্ধান আমাদের কর দান।"


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29085110 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29085110 2010-01-25 00:09:30
কবিতার আলো প্রতিবার হাসিমুখে, তুমি আর আমি-
সুদূর নয়নে ছিল কল্পরেখা,
হিয়ার সিংহাসনে রাণী হবে তুমি।
পৃথিবীর সব পথ ঘুরে ঘুরে-
যুগের ক্লান্তি লয়ে ফিরব ঘরে,
তোমার শাসক চোখ জ্বালবে আলোক
সে আলোয় সব ক্লেশ ছাই হবে পুড়ে।
দেখব তোমার চুলে ঝিলিক খেলে
কেমনে তৃপ্ত রবি ডুবে অস্তাচলে-
সমস্ত দিনের সফলতা লয়ে বুকে,
ভাবতাম মনে মনে ভালবাসাবলে
তুমি নূর হবে মোর কল্পলোকে।

আমার স্বপ্নে তুমি দুডানা মেলে
হতে দূর ক্ষুদাতোর-প্রেম লয়ে বুকে
আপন মনেতে শুধু চলে গেলা খেলে
প্রেমের সওদা শেষে দেনা না চুকে।
আমার সকল তুমি নিয়েছিলে হরি
প্রকাশ গুপন যত চিল সঞ্চয়,
দায় যত তাই দিলে আমায় তোমারি
স্বপ্ন হরণ করে নিলে ছলনায়।
ভেবেছিনু ভালবাসা তোমার যা প্রেম
ভাব ছিল ছিলনাতা নিকষিত হেম।

তুমি আর আসবেনা জানি
কত দিন বাতিহীন হৃদ-দিয়া-দানি।
এর পর কাটিয়েছি নিশি বহুদিন
হাসি, বেথা, আনন্দ হীন,
এর পর দূর করে মোর মনের আঁধার
গগনেতে এল মোর নতুন সবিতা,
ব্যদনার কথামালা, আমার কবিতা।

কবিতার কথা তোমাকে বলবনা,
শুধু জেনো আজ সে আমার ঘরে এসেছিল।
কবিতাকে বলেছি তোমার ছলনা
ছন্দময়ী মিটি মিটি হেসেছিল।
আমারে সে বলেছিল উপহাস করে
পদ্য' কেন কাঁদ মিছে আজও তারে স্মরে।
তোমারে যা দেয়নি সে মিছে মিছি কেন
পেয়েছিলে সেই দান ভাবছ এমন-
‌‌‌‍'আপনার ভুলে তারে হারাইলে যেন'।
আমি নিশ্চুপ বসে' কবিতারে করি অনুভব,
ধীরে ধীরে আলো হয় কবিতা রানী-
পদ্য হৃদয় মুর খুজেপায় জীবন বানী।

এমন জাগত রাতে আমি এর পর-
জগতের সব ব্যথা ভুলে কিছুক্ষণ,
সত্য "জীবন বানী" ফুটায়ে অধর-
কবিতারে করেছিনু আমার আপন।
বুঝিলাম মনে মনে এ ক্ষুদে জীবন-
সে নহে অনন্ত মুর এ বসুধাপরে,
তবে কেন সুখে হাসি ব্যাথায় কাঁদন-
সকলি ক্ষনিক, সব দুদিনের তরে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29066831 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29066831 2009-12-28 00:44:54
নাদিতে পারার সেই চুম্বন স্মৃতি তুমি দিয়ে ছিলে মোরে
পিতার পড়ে' নারীর মনের ঘরে
যে পুরুষ করে বিচরণ,
তাহার সিংহাসন।

আমি সেথা বসেছিনু শুধু-
তোমার তনুবন করিনি শাসন
আমি বুঝিনাই, তোমার অধর বানী,
দেখিতে পাইনি তোমার আশার ছাহনী,
তখনো যে মোর মনে শাসক বাঁধেনি আসন।

তুমি দিলে সাজা সেই অপরাধে,
আমি ছিনু রাজা-
পথমাঝে নামি কাপুরুষ অপবাদে।

তুমি ও গিয়াছ ছোটে- পথ মাঝখানে,
নতুন শাসকের সন্ধানে।
কত ধরি কত ছাড়ি, অবশেষে একজন
যারে তুমি করেদিলে দান
হৃদয় সিংহাসন।
সে তোমারে কি দিছিল সুখ
বুঝিনাই।
কলঙ্ক আছে হেথা তবু
দেখা নাহিযায়, চেয়ে দেখি সুর্য্যের মুখ।
তারি মত, আজো তব বদন উন্নত।

আমারে যা দিতেছিলে তুমি
সেই স্বপ্নের দেশ
আজ ধূসর মরু ভুমি।

তোমার সে লাজ মাখা হাসি
আলোর ঝিলিক হয়ে মহাকাশে ভাসি
অতিত হয়েছে সেই নক্ষত্র মাঝে।
তুবও মনের গতি,
আলো থেকে বেশি তার দ্যূতি-
ভুলিয়াও মাঝে মাঝে, তোমার খুজে,
নক্ষত্র লোকে উড়ে যায়
নাদিতে পারার সেই চুম্বন স্মৃতি
স্বরনীকাপটে ডানা ঝাপটায়।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29065168 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29065168 2009-12-25 09:42:04
সকলি বাজার দরে, যাচ্ছে সমাজ বিকে। ( রি পোস্ট) সেকথা শুনবে চল-
বাজারে বিকুবেনা ,
একথা "নেভার " বল।
যদি চাও হইতে বড়
আগে তুমি বাজার চেন,
বুঝে সব কর্ম কর
ভাঙ্গেনা বাজার যেন।
বাজারে উঠলে পড়ে
সকলি বাজার দরে-
যাচ্ছে সমাজ বিকে
সস্তার বস্তা থেকে।
যদি চাও পাইতে সবার
মাঝেতে আসন তোমার
কথা বল বাজর দরে
আস পাশ হিসাব করে।
যেন কথা বিকুয় ভাল
হোকনা শাদা কি কাল।

শাদা কাল খেলা টাকার
এটাও পাচ্ছে বাজার,
কালারই শুল্কটা কম
শাদা দেয় ভিষম রকম।

বিয়েতে আবার শাদা-
বড়াবর হচ্ছে রাধা,
ওমেয়ে বাজার দরে
কাল তাই আটকা পড়ে।

পড়ে যারা তারাও আবার
চিনিতে হয়যে বাজার,
সেখানেও টাকা পেলে
নম্বর প্রেক্টিকেলে ।

চিনিরও বাজারভাল
ছিনিমিনি হচ্ছে ভাল
পটাপট কয় মন্ত্রী
ধরব স্বরযন্ত্রী,
লজ্জায় কপিছে বুক-
আসলে তাহারি লোক।


সংসারে করলে বাজার
মানিব্যাগ হোকনা রাজার
তাতেও কুলোবেনা
লাগবে বাজার চেনা।
বউটাও খুজবে আবার
তোমাতে প্রেমের বাজার।

প্রেমেতেও বাজার লাগে
পকেটে হাজার লাগে,
নাহলে বাজার খারাপ
মন্দা যায় প্রীতিতে।

নয় যাও রাজনীতিতে
রাখ হাত দূরনীতে-
এ বড় বিরাট বাজার,
যদি পার বাজার ধর-
পকেট টি কাট প্রজার।
প্রজা মন উজার করে
তোমাকে রাখবে ধরে
রাজাদের বাজারেতে
নেচেগেয়ে রাত বিরেতে।

মিছিলের স্লোগান ভাল
"নিজেদের খেয়ে চল"-
নয়ত "নাও বাইয়া দাও"
*ক্ষমতা তার হাতে দাও"।

দালাল ও নাস্তিদের
বিদেশে দিগুন বাজার
মিথ্যার বাজার দিগুন
বাজারেও লাগল আগুন।

বাজার সে বিষম জিনিশ
বাজার সে বড়ই চরা,
বাজারের দরের ঠেলায়
গেরস্ত যাচেছ মারা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29065073 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29065073 2009-12-25 01:09:28
ঠিকানা তোমার খোঁজে বহুদূর ধুলাতোর পথ,
যূতিতে উতান পতন
খোঁজে ফিরি তোমার রথ।
পচিমে যেই না থাকাই
হয় তারাময় আপন লুচন,
চেতনায় ঝলক খেলো
ওহে মোর আপন স্বজন।
তারার আছে সাতটা ডানা
এখানে হাজার খানা
খেলে দেখি তোমার ঝলক
চোখে মোর পরছে পলক।

পচিমে আমারি পদ
সে দিকেই তোমার রথ-
গিয়েছে দ্রুত চলে,
আধাঁরে ডোবিয়ে ধরা
যেন রবি অস্তাচলে।

গুটি গুটি পা দুটি মোর
রেখে চাপ ধুলোয় পায়ের-
হাটছি তোমার পিচু
আশা আজ বড্ড নিচু,
তবু্ও তোমার আশা
বলে কথা, আমার ভাষা-
বুকেতে সব জমায়ে
চলেছি পায়ে পায়ে।
ঠিকানা তোমার খোঁজে
নেবই দুচোখ বুঁজে।

একদিন তোমর চোখে
রাখবই আমার চোখ,
বিকিরণ তোমর বুকে
করবেই আমার এ বুক।
প্রেমের ইনফ্রা রশ্মি
জ্বালিয়ে হৃদয় শশি
তোমাকে উজ্বল করে
আমিও উজ্বল হব।
ভাসব শূণ্যে দুজন
আমি-তুমি তারা হব।
তুমি হবে সপ্তর্ষী
কাল পুরুষ আমি হব
দুজনের প্রেমের কিরণ
আকাশে ছড়িয়ে দেব।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29065018 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29065018 2009-12-24 23:29:23
চুরি-২ নাহিরয় নিকষিত হেম,
আঁধারেতে চুরি যায় কত কত প্রেম।
জঘন্য মানবতা চুরি করে দেহ-মন।
প্রকাশ্যে চুরি করে বেচা যৌবন
বলে যায় সে বারতা কা‍নে প্রতিক্ষণ।

কত কলে কাজ করে কত কত জন
চুরি হয় শ্রমিকের সেথা যৌবন।
নেতাদের বাতুলতা চুরি করে সব
নাম-ধাম, শ্রম, ঘাম, মিছিলের শব।
শব নিয়ে রাজনীতি চুরি করে সম্প্রীতি
চিরকাল লালসায় চুরি যায় নীতি।

ভাগ্যটা চুরি যায় যাদের হাতে
স্লোগান বাজাও সবে তাঁদের তরে।
রাস্তায় প্রাণ যাবে আঘাতে আঘাতে
তথাপিও মিঠে স্বরে ভোট চুরি করে।
স্বাধীনতা চুরি যায় আমাদেরই ভোটে
আলাপেতে তেল চুরি আমাদেরই ঠোঁটে।
আমাদের অধিকার হরি চুপ চুপ
নিয়ে যায় এক দল খমতা লেলুপ,
চুরি হয় অধিকার শান্তির নামে
আফগান, সুদান, কিবা কাশ্মির ধামে।
চরিত্র চুরি হয় পরাজিত হলে
স্বাধীনতাকামী যায় সন্ত্রাস দলে।

ছোটলোক চুরি করে আসিলে অভাব
কোট টাই পড়ে কারো চুরির সাভাব।
মানিব্যাগ চুরি করে বস্তির ছেলে-
কহটুকু ক্ষতি হয় পেট পুড়ে খেলে ?
ফাইলের ঝারিঝুরি কত কিছু করে চুরি
কত ক্ষতি ? ফাইল ধরে ব্রিফক্যাস চুরি গেলে।

চুরি করে শৈশব বয়সটা বাড়ে
যৌবন চুরি যায় সময়ের আড়ে।
গুনে গুনে সব্বাই পঞ্চাশ ষাট,
মহাকাল চুরি করে নিবেই ‍সবারে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29063625 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29063625 2009-12-22 14:17:52
চুরি আধারের বুক ‍িচরে
পুবের আকাশে উঁকি দেয় রোজ।
সন্ধায় পুর্ব দোসরাম্বরে
আধাঁর আসে চুপি চুপি
আহ্নিক গতি ভর করে।
তেমন ত কোন কিছু নয়-
অতি তুচ্ছ নিয়ম এক খানি,
চুরি করে আমাদের-
নেয় আলো দানি।
এ চুরিটা মঙ্গল ময়
আমাদের লাগি গড়া
বিধির বিধিতে হয়।

চুরি কভু ভয়ানক ও হয়
ভাবিলে মনেতে জাগে ভয়।
কিছু চুরি ক্ষতি হয়
হলে চার পাশ,
শিল্পের ডামা ডোলে
চুরি হয় বিশুদ্ধ বাতাস।
ইমারত চুরি করে আমার আকাশ।

জগতে মহান ছোট পৃথিবীর বিশাল প্রাসাদ
চুরি করে শহোরে শিশুর আহলাদ।
ঘুমের কাতুরে সভ্যতায়
চুরি হয় প্রতিদিন সোনালী প্রভাত।
রাতের আধারে নয়-
কৃষকের ক্ষেত থেকে ধান চুরি হয়
মহাজন চুরি করে ব্যাবসার নামে
দ্বিবসে কাগজে কলমে।

মানুষের ক্ষিদে, চুরি করে সবুজ
চুরি হয় মাঠ, ঘাট, পেঠ এমনি অবুঝ।


{{{বাকিটা অন্যদিন ...

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29061256 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29061256 2009-12-18 20:28:10
এখনও স্বাধীন নয় আমি কথা বলি ভয়ে ভয়ে
বহন কারীও ভয়ে যায় লয়ে
কি জানি কি হয়।
কারো আছে বাপ, কারো আছে স্বামী
আমাদের কিছু নাই'
তাই তোসামুদি তারে নাচি তুমি আমি।
পাবইত ভয়,
জাতীয় দিবসে চুপচাপ সব
ব্যাক্তি দিবসে জাতিয় পতাকা
জোর করে টানানো হয়।

ব্লগ আছে ভয়ে যদি যায় ক্ষয়ে
তার তিলে তিলে গড়ে উঠা।
বাদ দিয়ে নীতি পচা রাজনীতি
তোসামুদি, কথা বল মিঠা মিঠা ।




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29059911 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29059911 2009-12-16 12:42:35
শিশিরতৃষিত কেয়া।
উত্তরী বায় কানে কানে বলেয়ায়
বারতা খানা, তোমার নতুন ঠিকানা-
আকাশে মেঘের দেশে। যেন তুমি-
সমুদ্র হতে গিয়ে এভারেষ্টের হীম চুমি
হাওয়ার পাখনায় করে ভর,
উড়িছ গগনে ধুসর ঘন দেয়া।
তাল বনে ছাতকি আমি
কত দিন জল তব হয়নি পেয়া।

আমার হৃদয় প্রেমের কানন-
আকাশের মেঘ হল তব মন,
তোমার প্রণয় যদি জল হয়
তবেই বাঁচিব নাহরে বিলয়-
আমার হবেগ প্রীয়া।
জাগে মোর হীয়া-ঘনঘটা দেখে-
আকাশে তোমার, নাচি "হবোসুখে',
বাতাসে যেমন বনে বনে নাচে
শিশিরতৃষিত কেয়া।

তৃষিত হৃদয় মোর, মেলে ধরি বুক -
পবিত্র বৃষ্টির ফুটা হৃদয়ে ঝরুক।
আকাশে মেঘের দেশে উড়ে যাও
মোর প্রেম, নিয়ে যাও আকুতি খানাও।
কতকাল বসে আছি হায় -
এ মেঘের আশায়,
আমি যেন তার ছুঁয়া পাই।

উঠোক আমার হৃদয়ে ফুটিয়া
সবুজ কোন অবোঝ লতিকা
অমরাবতীর খরা ঘুছে যাক
ফুটোক লতায় রঙ্গীন বিথীকা।
আমার বুকের রক্তেই পাক
সে ফুলের বিথি রক্তিম সুখ,
আমার প্রেমের কাননে সে ফুল
মম নিশ্বাসে শুধুই দুলুক।

""আমার প্রাণের চেতনা শুশিয়া
সে ফুলের হোক নিশ্বেস
তারে সুখ দিয়া সুখে ভরি হিয়া
''যোগল বিলয়'' হোক অবশেষ। ""

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29059675 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29059675 2009-12-16 01:39:31
আসতেই হবে ভোর, তুমি আসতেই হবে, নাহলে সুদূর
গগণেই রবে ভোর।
তুমি আস ভোর লয়ে
পেতেচাই তোমার গানের সুর
আধাঁর বিলয়ে।
তুমি এস, তুমি এস।
তুমি আলোকের রাণী সবিতা।
আমার গগণে আধাঁরের কবিতা
এস তুমি, তারে করেদাও
উজ্জ্বল-‍জ্বল যেন সদ্য,
হৃদয়ের সাদা কাগজে
তুমি হও প্রেময় ‍কোন পদ্য।

তুমি আস, নাহলে
আধার যাবেনা জানি,
আমার ‍ভূবনে ওগ
তুমিই আলোক রাণী।
ও গ রাণী, আসতেই হবে তোর
তুমি আসলেই আমার গগণে
আসবে সোনালি ভোর।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29054725 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29054725 2009-12-07 02:10:32
উৎসর্গ, হাজার হাজার কর্ম ব্যাস্ত মানুষ এবং প্রবাশী, যারা আমাদের জন্য অক্লান্ত পরি শ্রম করে নিজের সুখ বিলিয়ে দেয়।
দুঃখ করিনা বন্ধু
কাজেই'ত আসল ঈদ
যে হাতে করিয়া কাজ
সকলের তরে আজ
রচনা ‍করিনো ঈদ সুখময়-
তার নাই কোন ক্ষয়।

যারা ঈদ করে ভোগ
তারা মোর ভালবাসা।
দেখে ইহাদের সুখ-
জাগে মম প্রাণ নব উদ্দমে-
আরো শ্রমে আরো ঘামে
আত্ন যে সুখ ছিল তোমার আমার
চল সেই সুখে দেই মোরা
নিত্ব বিষর্জন।

{{{{{ঈদ মোবারক সবাইকে }}}}}}]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29050348 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29050348 2009-11-27 09:41:48
ঈদ মানে গরুর মত ঘাস খাওয়া !!!!! যাক, আমার বন্ধুদের ভাবনা আলাদা।
যেমন
খাওয়া দাওয়া-
আমরার এক বন্ধু আছে খুব ফরসা, চেহারা খানাও মাশাল্লা- তয় এই মাশাল্লা মিয়া একদিন হোটেলে খাইতে খাইতে ক্লান্ত হইয়া আফসুসের সুরে বলল , আহহা!!!--- আমি বলিলাম, কি ব্যাপার ?

----ঈদ আসেনারে।
কেন ঈদত প্রতি বছরই আসে। এবারো আসবে।
-- -ধপ- বেটা !! কবে আইব, আহহা কত দিন গরুর মাংশ খাইনা।

কেন তোর কাছে বুঝি ঈদের মানে গরু খাওয়া ?
----- না, গরু খাওয়ানা, গরুর মত ঘাস খাওয়া। গাধা কোথাকার ?
(অনেক খেপে গিয়ে আমাকে বল্ল। )
একটু বিব্রত বুধ করলাম।


একবার এক ঈদে এক বন্ধু এক বয়োজেষ্ঠ্য মান্যবর ব্যাক্তির উপর চরম প্রতিশোধ নিল।
তার দৃষ্টিতে ঈদ হল প্রতিশোধ নেবার সময়।

ঘটনাটা এরকম-
মামার কাছে ভাগ্ণে মনকষ্ট পেয়েছে। (ভাগনে আমার বন্ধুটি)।
এই গরু খাওয়া ঈদের কয়েক দিন এগে অপ্রত্যাশিত ভাবে সুযোগ এসেগেল তার কাছে।

দেখে মামা তার পাশ দিয়ে হেটে যাচ্ছে।

ভাগনে** মামা আপনি গরু, (কাশি) কিনছেন।

মামা-- না মিয়া, ভাবছিলাম গরু দিমু- নাকি?

ভাগনে** তাহলে মামা আপনি ছাগল ছাগলই ভাল, (কাশি) দেইখা কিনে ফালান একটা।

হাসতে হাসতে আমার পেটে বেথা হতে লাগল।
বল্লাম, এটা কিহল?
আরে বুঝলিনা? আমার মামা আমাকে একবার গরু বলে কান মলে দিয়েছিল। তাই আজ কৌষলে দাড়ি- কমার পেচ লাগিয়ে মামাকে ছাগল এবং গরু দুটুই বলে দিলাম। হাহা হা।

বিবাহিত জীবনে ঈদ কেমন? জান্তে চাওয়া হল আরেক বন্ধুর কাছে।

(আহহা বলিসনারে বন্ধু, আমারে আগে পানি দে। আমার ত কোন নিজশ্ব ঈদ নাই!! আমার কাছে ইদ মানে আমার বউয়ের কথা।)

হায়রে কপাল। এই কথাটা নারী জাতির একটি প্রণীই শুনিল। আর সে হল ঐ বন্ধু বউ।

ঈদ মোবারক সবাইকে।

ঈদে আপনার মজার ঘটনাটা জানিয়ে দিন সবাইকে।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29050263 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29050263 2009-11-27 00:27:42
ছায়া কারো অদ্বিতীয়া নয়, চন্দ্রে রাতের বেলা- দিনে সূর্য্যয়। ২ {দুই খানি পদ্য } ডাকিলে কবিতা আসেনা

যেনে রেখো সে বাণী,
ডাকিলে আসেনা কবিতা।
কবিতাই দেবে হাত ছানি
যখন সময় হবে।
মনে যদি থাকে ভাব, পড় ভাবে।
গড়ে নাও নিজের মত,
কবি আর কাব্যটা ঘুচাবে কত ?

কবির ওত স্বাধীনতা আছে
কেন কর নিয়মেতে বন্ধ,
আপনার মনে কবি রচে
তব সাথে না মিলাতে কেন কর দন্দ।


কবি লিখে এলোমেলো
কাগজে কলমে গুটগুট---
আসল তাহার রূপ
দেবে সুন্দর তর কোন ঠোঁট।
এ কথা গাঁথিয়া রাখ মনে।
খালি ভুল খুজনাত ,
যদি পার ঘুরে আস কবির ভুবনে।



অদ্বিতীয়া তোমার আশে

যখন জিগ্যাসা বেধেঁচে দানা
তোমার মনের ঘরে,
আমার পদ্য হৃদয়
কিসের নিদর্শন।
তবে বুঝে নিও, অদ্বিতীয়া তোমার আশে
জীবন হাজার হাটে, "নয় জীবনানন্দ দাসে"
হাজার বছর পথ হাটে, হাটে প্রাচীন নগরে।
অবশেষে পায় তারে আপন ঘরের পাশে নাটোরে।

যার তরে প্রাণের আকুতি
সে নারী চিরকাল আমার প্রতি-
রচনা করিয় যায় তাহার গতি।
আমি তারে পেতে চাই অন্য পথে -
ঘুরে ঘুরে ব্যার্থ রথে,
অশেষে বুঝিবার পারি
আমি যে চলার পথে দুরন্ত চারি,

বুজিনাই
নারী যে কোমল-তারে ঝলমল,
হীয়ার আলোতে পেতেহয়।

যুক্তির সংসদে জোর করে
পাওয়া নাহি যায়।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29050234 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29050234 2009-11-26 23:27:59
ওগ ফুল মম হৃদয় তব দানি। --------------------খুঁজে খুজেঁ আমি ক্লান্ত,
----------------------তবুও তোমার অন্ত
-----------------------পাইনি যে খুঁজে।
--------------------অবশেষে নিয়াছি বুঝে
--------------আমি চোখ বুঁজে, খুঁজেছি তোমায়
-------চিরকাল আমার আধারে, তাই খুজে নাহি পাই।
---- --অবশেষে ক্লান্ত মনে, ফিরিয়া মনের কোণে মম-
--------------দেখি তুমি সেথা হৃদয়ের পশরায়
---------------------অনুভূতি সুখে, দুখে
-----------------------রাখিছ সাজায়।
---------------------আমি পাই অনুভব
------------------আমার বুধের, ওগ নারী,
--------- --হায় আমি ভুল পথে মিছে চিরকাল
------- ----খুজে খুজে হয়রান তোমার আঁচল।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29050185 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29050185 2009-11-26 22:11:06
মেসকিন আর মায়ের ঈদের খুশি জিলহজ্বের এই মাসে
দশটি সোপান পেড়িয়ে চাঁন
ঈদ'টা নিয়ে আসে।
এল খুশির কোরবানি'র ঈদ
সেই খুশিতে ঘুচিল নিদ
নয়ন পাতা থেকে।
খুকা খুকির নতুন জামা
জোড়ায় জোড়ায় কাকা, মামা-
না দিলে মন পাকে।

হাটের পথটা গেছে একেবেকে
দেখে বড়ো একটা গরু
আনল সে হাট থেকে।
দেখে যা সব কোথায় তোরা
দাদা ভাইযে ডাকে।
কপালে তার এক খানা চাঁদ
দশ তিথিরই মত,
হিসেব করি সিনাতে তার
মাংশ হবে কত।

কোথায় কেবা ঘুরতে যাবে
কার সাথে কে ঈদ কাটাবে
সবাই বেস্ত সেই হিসাবে
ঈদের দিনটা কেমন যাবে।
মাংশ পুলাও রান্নাহবে বেশ
টমেটু আর শশা দিয়ে
সালাত হবে জোস্ত
ভাই বোন, আর বাবার সাথে
পেটাই নম সব ঘরেতে
ভোজন হবে গোস্ত।

আনন্দ কি আনন্দ চারিপাশে
খুশিতে মন হাওয়ায় ভাসে
সবাই খুশি ঐ আকাশের
ঈদের চাঁদের মত,
ভুলেছি আজ মনেরো মাঝ
কেও হয়েছে গত।

ভেবে দেখ যাদের ঘরে
কোরবানি নাই- সাজেনা
যে নতুন জামায়, বাজেনা
যে খুশির সুরে বাজিয়ে তাল।
হাতে নিয়ে একখানা থাল
কিবা একটি ছেরা থলে,
তোমার আমার দারে দারে
দুপর অদ্বি ঘুরেফিরে
বাড়ি ফেরে বিকেল হলে
আধ খানা শের মাংশ নিয়ে থালে
ঘরে ফেরে। তার কি কপালে
মাংশ পুলাও আর টমেটু
দুপুর বেলা একটা-দুটো
জুটবে কোন দিন
শোধাও আপন-মন।

ঘরের কাজের বোয়াটা আর
কাজের ছেলে, তোমার আমার-
আনন্দের লাগি, আপন ভুবন তার-
করিয়া -ত্যাগ-ঈদের খুশি ,
আত্নীয় আর তার পরিবার
আমায় দিল ওজার করে
তাহার গায়ের ঘাম।
ভুলিনা যেন তাদের ক্ষুদ্র নাম।

আবার ভাব মাঁয়ের কথা'
সেই ফজরের নামাজ পড়ে-
সবার তরে রান্না করে,
নেয়না প্রাণে কোন ব্যাথা।
তোমার আমার মুখটি চেয়ে
সকল খুশি দেয় বিলিয়ে।
আমরা যেন ভুলেনা যাই
সেই মায়ের ই দান
ঈদে হোকনা মায়ের তরে
একটো সময় দান।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29049124 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29049124 2009-11-24 23:17:56
নিতম্ব নামা ন'য়েতে নিতম্বটার
ন'য়েতে না বলা কথা
শোন বলি নিরিবিলি
নিতমের যত কথা।

নিতম্ব সবার পিচে
রয়েছে নয় অযথা।

এ বড় ভিষম জিনিস
দুষে গুনে সকল খানে-
ভিষমণ তার ব্যবহার
কী শিশু কী যৌবনে।
শিশুকালে পা'ঠ'শালে
কদাচিত কামাই খেলে-
মাস্টার সাজে জল্লাদ
নিতমে চরত চরাত
পড়ে ঘাঁ দু'এক খানা।

নিতমের রক্ত গুলো
উরুষের লাগে ভাল।
মসা দেয় কামর হঠাত
ঠাস' ঠাস' চপেটাঘাত।

যদি হয় কৃমি সেথায়
তবে আর শান্তি কোথায়।
যদি রস হয় নিতমে
কী সময কী অসমে-
ভিষমে দেবে মুচর
'টাট্টি' নাহোক গোচর-
বদনা নাথাক সেথায়
বসবেই যথায় তথায়।

কেও কেও ইচেছ করে
অ'তথায়' ইয়ে করে।
যদিও ক্ষতি ভিষম
কেও কেও মাঠের পরে
দুলিয়ে হাওয়ায় নিতম
ইয়েটা নিচ্ছে সেরে।

আবার এই ইয়ে যদি
সেজে গুজে আসলে পরে
কা কা বিচ্ছিরি কাক-
নিতম্ব করিয়া তাক
কাহারো মাথার পরে।
মেজাজের মিটার তখন
চরমে বাঁধে গদি।

আবার
টিনেজের নিতম্বেতে
পেন্টের দুই পকেটে
মানিবেগ নিচেছ ভরে
কিছু ছেড়াকাগজ এটে।

আবার ঐ নিতম যবে
রমনীর পিছে হবে
দুলিয়ে যখন যাবে
তাকাতে একটু হবে।
নিতমের মৃদু কাঁপন
পাজরে উঠায় তুফান।

ঐ দূর আফ্রিকাতে
নিতমের ভিষম কদর
কুহুবাস আড়াইটি মাস
তরে হয় এই নিতমের।

নিতম্ব চাই মজাতে
নিতম্ব চাই সাজাতে,
সাজা আর মজায় মিলে
কী রাজা কী প্রজাতে-
ভিষণ এক রহস্যময়
ন, য়েতে নিতম্ব হয়।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29046612 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29046612 2009-11-20 09:55:28
নিন্দা জানাই মামলা প্রত্যাহারে প্রকৃয়াকে ** মামলা তাদের এই সকল রাজনৈতি দুর্বৃত্তায়নে বাধা সৃষ্টি করে । এতে তারা... আপনি যত বর অপরাধ ই করিয়া থাকেন অথবা অতি ক্ষুদ্রই করিয়া থাকেন আর যদি মামলার ভয় থাকে তবে আপনি রাজনীতির আশ্রয় নিতে পরেন । কোন ভয় নেই, আপনার মামলা প্রত্যাহার। এটি কোন দেশে জানেন ? এশিয়ার একটি উন্নয়নশিল দেশ। যাহা অবস্থান দক্ষিণ এসিয়ার বঙ্গোপ সাগরর পাড়ে। হ্যা পাঠক ঠিকই ধরিয়াছেন, এইটির নাম বাংলাদেশ।
আমাদের দেশের নেতাদের বেপারে , ইনারা মামলা মোকাবিলা করিতে ভয়পান অজানা কোন কারণে। তাই বিনা মোকাবিলায় প্রত্যাহারের দাবি জানান।
আমাদের দেশর রাজিনৈতিক নেতা কর্মীদের চরিত্র যে ফুলের মত পবিত্র তাহা সকলেরই জানা। গত তত্বাবধায়ক আমলে ইনাদের উপর এবং ইনাদের ধুসরদে উপর এবং ইনাদের পুষ্য কুক্কুর দিগের উপর অনেক মামলা হইয়াছে। যাহার বিচার কার্য্য কোন টির শেষ হইয়াছে কোনটির হয়নাই। বেশির ভাগেরই হয়নাই।

এক খানি পরিসংখ্যান দিলাম-
এযাবত কালে ৫১৩২ টি মামলা প্রত্যাহারের আবেদ কমিটির কাছে এসেছে। এর মধ্যে ২৭১৬ উপস্থাপিত হয়েছে। যার মধ্যে ১১৮৩ টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে।
যাদের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েক জন হলেন-

খলনা সিটি মেয়র' তালুক দার আব্দুল খালেক' ৪টি

মানিক গঞ্জ পৌরসভা মেয়র " রমজান আলি" ৪টি

ব্যাবসায়ী "সালমান এফ রহমান " ৩টি

হাজি সেলিম

মিজানুল হক

আরো আরো অনেক।

প্রীয় পাঠ এতসব মামলা কি তাদের উপর অকারণেই করা হইয়াছে ? রাজনৈতিক হইরানি করিবার জন্য ? রাজনীতির ময়দানে কি কোন অপরাধ নাই ? দা কাঠি লেলিয়ে দেয়া ---- বয়টা লগি লেলিয়ে দেয়া এই সব কি অপরাধ নয়। কোটি কোটি টাকা মাজারে ঢালা, দেশের সম্পদ লুট, এইসকল কি অপরাধ নয়। তারা রাজনৈতিক বলিয়াই কি তাদের উপর কোন মামলা করা যাইবেনা ?
মামলা তাদের এই সকল রাজনৈতি দুর্বৃত্তায়নে বাধা সৃষ্টি করে । এতে তাহারা হয়রান হয় । তাই কি মামলাগুলি রাজনৈতিক হয়রানি মূলক ?

আর যদি ইনারা এই সকল না করিয়া থাকেন মামলাগুলি সত্যিই মিথ্যে, হয়রানি মুলক, তাহা হইলে বালিব ----------

ইনারা আমাদের দেশের চালক ইনাদের যারা হয়রানিমূলক মামলা দিয়ে এমন সংকট সৃষ্টি করিয়াছেন তাদের সাজা দেয়া উচিত । আমাদের নেতা দের উচিত মামলা মোকাবেলা করিয়া প্রমাণ করা যে তাহারা নির্দুষ , যিনারা মামলা করিয়াছেন তিনারা অসত লোক এবং বিশৃখলা সৃষ্টি কারী।
এবং তাদের বিচার করা উচিত।

আর যদি সেই সাহস নাথাকে , যদি কাপুরুষের মত হারিয়া যাইবার ভয়ে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানায় রাজনৈতিক ইস্যুতে, তবে বলিব

"ডাল মে কোচ কালাহেগা"

আর এমটি হইলে সেই হইবে সবচাইতে দুঃখ জনক। এবং এ থেকে অনেকেই সুযোগ গ্রহণ করিবে। রাজনৈতিক দলে নাম লিখাইয়া নিয়া
বিভিন্ন অপ কর্ম করিয়া বেড়াইবে।

দেশ পরিচালনার দুহাই দিয়া গণতন্ত্রের বুলি আওরাইয়া মুক্তি পাইবার আশায় মামলাগুলিরে রাজনৈতিক হয়রাণি মোলক মামলা হিসাব প্রত্যাহারের দাবি জানানো হইয়াছে এবং যাহা কার্যকর হইবার পথে।
একে বারে প্রথম শ্রেণীর নেতা আমলা হইতে শুরু করিয়া চুনুপটি পর্যন্ত সেই সুযোগে মামলা প্রত্যাহারে দাবি জানাইয়াছে। অবশ্য তাদের দাবিটা মূলক, কারণ যদি প্রথম শ্রেনীর এরা প্রথম পর্যায়ে অপরাধ করিয়া মামলা হইতে বিনা মুকাবেলায় মুক্তি পাইতে পারে তবে তারা পাইবেনা কেন ?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29044902 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29044902 2009-11-17 14:02:04
বেদনা, আনন্দ এবং ঐতিহ্যের দিবস আজ । ১লা অগ্রহায়ণ, ১৫ ই নভেম্বর। নবান্ন কিন্তু আমাদের নতুন কোন উৎসব নয়। এটি হাজার বছরে বাংগালি সংস্কৃতি। যেটিতে কোন ধর্মবর্ণ নাই। এই উৎসব গ্রামের ঘরে ঘরে ধানের আমেজে পালন হয়। কিন্তু এখন কৃষকের সময় বড় কঠিন। এখন আর গ্রামের কৃষকের ঘরে এই দিনে পিঠা পায়েষের উৎসব হয়না।
গ্রামের বেশির ভাগ মানুষ মনেহয় আজ আর এই দিবসটির কথা মনেই রাখেনা। এ কথা মনেহবার কারণ আমিও গ্রামের ছেলে , এবং আজীবন গ্রামেই আছি। এখন এক বিঘা জমিতে যে পরিমান ফসল ফলে তাতে চাষের খরচটাই আসতেই দমাদম। কিন্ত আমরা যখন মঞ্চে দাড়িয়ে নাচি, গাই, বা নবান্নের কবিতা বলি তখন মনেহয় "আমরা যেন ধানে---র উপর ঘুরপাক খাচ্ছি। আহাহা।
যাক সে কথা এবার আসি এই নবান্নে বেদনা কিসের বলি,
২০০৭ সালের এই তারিখে বাংলাদেরমের সমুদ্র উপকোলে হানা গিয়ে ছিল ভয়াবহ ঘুর্ণিঝড় সিডর।
আজ সিডরের সেই দুঃসহ স্মৃতিবহ দিন। স্মরণ কালে ইতিহাসের ভয়াবহ তম ঘুর্ণিঝড় ছিল এটি। ঘন্টায় ২৪০ কিলুমিটার গতিতে আঘাত এনেছিল
আমাদের উপর । আর তাকে বুক পেতে বাধা দিয়ে ছিল আমার ঐতিহ্য সুন্দর বন এর বৃক্ষরাজি। সুন্দর বনে বাধা পেয়ে উন্মত্ত সিডর, তচনচ করেফেরে আমাদের পাণের অংশ সুন্দর বনকে। সিডরে বিনুদ্ধে মাথা তুলে রুখে দাঁড়িয়ে ছিল উপকোলের অসংখ্য ক্ষুদ্র প্রাকৃতিক, ও মানুষ সৃষ্ট সামাজিক বনাঞ্চল। কিন্ত হায় আমরা তার প্রতিদান বুঝিনা। আমাদের মত মানুষ এম. পি, মন্ত্রীর ছেলেরা। একটি দুটি নয় ১৫ হাজার গাছ। তাও আবার পুলিশ পাহারায়। কয়েক হাজার মানুষ মারা যায় সিডরে।
হয়ত সচেতনতার কারনে কয়েক হাজারে সীমাবদ্ধ তেকেছে। না হলে কয়েক লাখে যাওয়া কোন কঠিন ব্যাপারছিলনা।
কিন্ত সম্পদের যে পরিমান ক্ষতি হয়েছে। তার পরিমান করতে যাওয়াটা হবে নিজে নিজে ব্যার্থ হবার মত।
তবে তা পিষিয়ে উঠা সম্ভব । সেটা অর্থনীতিরগুনে। কিন্তু এই কয়েক হাজার প্রানের অপ পরিণতি আর কোনদিন পুরন হবার নয়।।

কি করব, তবু আমাদের মাথা তুলে দাঁড়াতে হবে।
আমরা দাড়াঁবই।

''' সাবাস বাংলাদেরম, এপৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়
জ্বলে পুরেমরে ছার খার তবু মাথা নোয়াবার নয়। '''

এইক্ষণ আসিব ঐতিহ্যের দিকে। আজ কৃষি দিবস।
প্রীয় পাঠক , কৃষি আমাদের দেশের প্রাণ বাচালে। কৃষক বাছলে দেশ বাছবে। এই কথা খাণি সবাই বলিয়া থাকে। আমরাও বলি , কিকারণ তারপরও কৃষকের মূল্যায়ন আমরা তেমন করিনা।

কৃষি দিবসে একটিই আব্দার , যেন, সার বিজ এবং পানি নিয়ে কৃষকের মনে আর কোন সংশয় না থাকে। আর গত বারের মত কৃষক যখন সারে
হাজার ব্ছরে এতিহ্য কৃষি আজ বিপর্যস্থ। কিন্তু কৃষক মর দেশ মরেনা।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29044061 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29044061 2009-11-16 00:05:15
আচরণে অনুপম নবান্ন ................আমার জামার ঘামে, শহর তোমাতে নামে নবান্ন।
.................আমার গৃহিনী কাজে, শরীরের ভাজে ভাজে কালি
....................তোমার পার্কে সাজে, ভড়া সুখে বিনা লাজে
.......................নাগরিকা বধু সব, শাদা, লাল, কৃষ্ণকলি।
..........................হে শহর তোমি আজ উঠিয়াছ গেয়ে
.............................জ্ঞানের ছন্দ স্বরে সুর তাল লয়ে
.................................তাল দিলে সক্কলে, সবেরে।
...................................আমার প্রাণের মাঝে ঠিক
......................................খুশি আছে, সেটা নয়-
..........................................তব সাথে এক।
...................................আমার খুশিটা হল প্রাণে।
........................খুলা আকাশের নিছে, "শুক্রিয়া হে খোদা"
..........সমিরণ সনে মন খুলা মাঠে গানে। এ বিশাল পরিধিতে বাঁধা।

...............................................হায় হায়-
.......................................কি বিশাল ব্যাবধান
.......................আমার যে গান, দেহ থেকে ক্লন্তি শুষিয়া লয়।
...................নতুন দেখিয়া ধান, গাই আমি যাহা, সুখে কি দুখে-
......................তুমি যাহা গাও, দেহে অবসাদ আসে সন্ধায়।
.....................................এই ধান কত ব্যাবধানে ,
..........................................মোদের ভাবায়।

.....................আমার ক্ষেতের শ্রম তোমার ঘরেতে শোভ অন্ন,
...................আমার জামার ঘামে, শহর তোমাতে নামে নবান্ন।





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29044024 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29044024 2009-11-15 22:27:42
বহু ঘাটনিক কবিতা (জৈবযৌগিক কবিতা) বাতাসে আবার সে মন- ঘুরবে যখন তখন-
খুঁজবে কৃষ্ণ- রাধা- যতজন পড়বে বাধন,
আপন নয়ন মাঝে,- মনেতে সকাল সাঁঝে
সকালে কেও কি এল - বিকেলে নয়ন মাঝে-
দেখি জাগে অন্য আলো - বহু দূর ভূবন ঘুরে
দূরে কার ঝাপসা ছায়া - দেখে মন ভর দূপুরে।

প্রীয় পাঠক আপনি কবিতাটিকে মাঝখানের হাইফেন কেন্দ্র করে যে ভাবেই সাজাননা কেন সে এক একবার এক এক ধরনে কবিতায় রূপ নিয়ে নেবে।

যেম বাম পাশের প্রতিটি লাইনের নিচে ডান পাশের প্রতিটি লাইন নিয়ে আসলে হবে এক রকম, আবার যদি ডান পাশের সব লাইন একবারে বাম পাশের সব গুলার নিচে নিয়ে আসেন তাহলে হবে আরোক রকম। পাশাপশি ছন্দও কাটবেনা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29043122 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29043122 2009-11-14 00:39:44
রাজনীতির ময়দানে কি কোন অপরাধ নাই ? দা কাছি লেলিয়ে দেয়া ---- বইঠা, লগি লেলিয়ে দেয়া এই সব কি অপরাধ...
দেশ পরিচালনার দুহাই দিয়া গণতন্ত্রের বুলি আওরাইয়া মুক্তি পাইবার আশায় মামলাগুলিরে রাজনৈতিক হয়রাণি মোলক মামলা হিসাব প্রত্যাহারের দাবি জানানো হইয়াছে এবং যাহা কার্যকর হইবার পথে।

একে বারে প্রথম শ্রেণীর নেতা আমলা হইতে শুরু করিয়া চুনুপটি পর্যন্ত সেই সুযোগে মামলা প্রত্যাহারে দাবি জানাইয়াছে।
অবশ্য তাদের দাবিটা মূলক, কারণ যদি প্রথম শ্রেনীর এরা প্রথম পর্যায়ের অপরাথ করিয়া মামলা হইতে বিনা মুকাবেলায় মুক্তি পাইতে পারে তবে তারা পাইবেনা কেন ?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29043047 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29043047 2009-11-13 22:21:35
বাজারই সকল কিছু, ছুটছে পাগলা ঘোড়া। সকলে তাহা পিচু, ছুটছে যুবা কি বোড়া। সেকথা শুনবে চল-
বাজারে বিকুবেনা ,
একথা "নেভার " বল।
যদি চাও হইতে বড়
আগে তুমি বাজার চেন,
বুঝে সব কর্ম কর
ভাঙ্গেনা বাজার যেন।
বাজারে উঠলে পড়ে
সকলি বাজার দরে-
যাচ্ছে সমাজ বিকে
সস্তার বস্তা থেকে।
যদি চাও পাইতে সবার
মাঝেতে আসন তোমার
কথা বল বাজর দরে
আস পাশ হিসাব করে।
যেন কথা বিকুয় ভাল
হোকনা শাদা কি কাল।

শাদা কাল খেলা টাকার
এটাও পাচ্ছে বাজার,
কালারই শুল্কটা কম
শাদা দেয় ভিষম রকম।

বিয়েতে আবার শাদা-
বড়াবর হচ্ছে রাধা,
ওমেয়ে বাজার দরে
কাল তাই আটকা পড়ে।

পড়ে যারা তারাও আবার
চিনিতে হয়যে বাজার,
সেখানেও টাকা পেলে
নম্বর প্রেক্টিকেলে ।

চিনিরও বাজারভাল
ছিনিমিনি হচ্ছে ভাল
পটাপট কয় মন্ত্রী
ধরব স্বরযন্ত্রী,
লজ্জায় কপিছে বুক-
আসলে তাহারি লোক।


সংসারে করলে বাজার
মানিব্যাগ হোকনা রাজার
তাতেও কুলোবেনা
লাগবে বাজার চেনা।
বউটাও খুজবে আবার
তোমাতে প্রেমের বাজার।

প্রেমেতেও বাজার লাগে
পকেটে হাজার লাগে,
নাহলে বাজার খারাপ
মন্দা যায় প্রীতিতে।

নয় যাও রাজনীতিতে
রাখ হাত দূরনীতে-
এ বড় বিরাট বাজার,
যদি পার বাজার ধর-
পকেট টি কাট প্রজার।
প্রজা মন উজার করে
তোমাকে রাখবে ধরে
রাজাদের বাজারেতে
নেচেগেয়ে রাত বিরেতে।

মিছিলের স্লোগান ভাল
"নিজেদের খেয়ে চল"-
নয়ত "নাও বাইয়া দাও"
*ক্ষমতা তার হাতে দাও"।

দালাল ও নাস্তিদের
বিদেশে দিগুন বাজার
মিথ্যার বাজার দিগুন
বাজারেও লাগল আগুন।

বাজার সে বিষম জিনিশ
বাজার সে বড়ই চরা,
বাজারের দরের ঠেলায়
গেরস্ত যাচেছ মারা।





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29039689 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29039689 2009-11-08 09:10:25
চাকুরী এবং শিক্ষার হালচাল। (বেহিসাবি পথ চলা) লক্ষ করুন প্রীয় পাঠক প্রস্তাবিত৪০০০০ কিন্তু কমানো হয়নি। কমানো হয়েছে সর্ব নিম্ন যারা আছেন তাদেরটা। আর প্রশাসনিক এর ব্যাবধানটা দেখেন ---- ৪০হাজার আর ৪১০০।
এটা কিসের জন্য ? এটা হল বানরকে রোটি বাটার পাল্লা হাতে দিলে এমনি হয়। যারা বেতন কমিশনে ছিল তারা সবাই উচ্ছ পদস্থ কর্ম কর্তা। তারা তাদেরটা করেছে জৌলুসের হিসাবে আর সাধারণের টা ফেলেছে ডাল ভাতের হিসাবে। নিজে বাছরে বাপের নাম----- আর সাধারণের নামত ছাই।
অথচ তাদের মধ্যে কিন্তু শিক্ষগত যুগ্যতার ব্যাবধান তেমন বেসিনা।
এই বৈষম্য মূলক নীতি দূরনীতির জন্ম দেয়।

এবার একটু শিক্ষকতার পেশা নিয়ে বলব।
আমার বাবা ছিল প্রায়মারি স্কুলে প্রধান শিক্ষক। এখন অবসরে আছেন। এমন এক বয়সে এসে অবসরে গেলেন যে তাঁর আর কিছুই করার সময় রইলনা। পুরা সংসারটা যার পুষ্যছিল, একটি অবসরে সে নিজেই হয়ে গেল সংসারের পুষ্য। সরকারি চাকরীর মিয়াদ এত দীর্ঘ হতে হবে কেন? বিভিন্ন আন্তযাতিক সংস্থা বা এন, জি, ও এদের ত এর অর্ধেক মেয়াদ।
ভেবে দেখুন পাঠক, এবার আবার সকারি চাকুরীর মেয়াদ বাড়ানো হল।
চাকুরী জীবীদের লাভের কথা চিন্তা করে সরকান এই সদ্ধিান্ত গ্রহন করেছেন। কিন্তু আসলেকি সাধারণ চাকুরী জীবীদের কোন লাভ হল। লাভ হয়েছে। নীতি নিধারক দের যারা ৪০০০০ হাজার টাকা স্কেলে বেতন পাবে তাদেরর। তারা এই উচ্চ বেতন টা আরো দুই তিন বছর গ্রহন করতে পারবে। আর সেই সাথে পাবে বিরাট অঙ্কের প্যানশন।
আর সবছেয়ে খতি হল বেকারদের । চাকুরীর বাজার সঙ্কীর্ণ হল। বয়স বাড়িয়ে দেবার ফলে এবারে স্কেলে একজন ষাটউর্ধ কর্মকর্তা কর্মচারী কে যে বেতন দেয়া হবে তাদিয়ে অন্তত দুজন নুতন লোক নিয়োগ দিয়ে অন্তত ৫ বচর বেতন দেয়া যেত। এই ভাবে কত লক্ষ বেকার যুবককে কাজে লাগানো যেত তা সরকারে মাথায় ঢুকেনি। আর একটি বেপার হল বেশিরভাগ চাকুরী জীবীই চাননি চাকুরির বয়স বাড়োক। তার পর ও সেটা কেন বাড়ল কি ভাবে বাড়ল বুঝিনা।

শিক্ষার কথা যখন এলই ত প্রথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান নিয়ে কিছুত বলতেই হয়।
আমাদের গ্রামে একটি ব্র্যাক কমিউনিটি বিদ্যায় আছে । সেটি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় থানাকোটার ৭০ ভাগ বৃত্তি নিয়ে আসে একাই। আর কোন কোন সরকারি প্রথমিক বিদ্যায় একজনকেও পাস করাতে পারে। আবার কেও কেও বৃত্তি দেবার মত ছাত্রীই খুজে পায়না।
কেন এই দশা। একদিন ব্র্যাক কমিউনিটির প্রধান শিক্ষক সাহেবার সাথে কথা হল এই বেপারে।
ইনি বললেন-
" পড়ানো ছাড়া স্কুলে আমাদের তেমন কোন কাজ নেই। ছাত্র ভর্তি থেকে শুরু করে সকল কাজ হয় ব্র্যাক কর্তৃ পক্ষের তত্যাবধানে। আর প্রতিদিন একজন কর্মকর্তা তদারকি করেন বাচ্ছাদের পড়ালেখা। স্কুলের পড়া স্কুলেই শেখানো হয়। আমরা অনেক সময় পাই বাচ্ছদের পড়ানোর জন্য। কারণ স্কুলের অন্যসকল লেখালেখির কাজ বেশিরভাগই করে কর্তৃপক্ষ, আমাদে ঘারে পড়ে সামান্য মাত্র।"
আর প্রায়মারির অবস্থা কি ।
সেখানে একজন শিক্ষক লেখিতে লেখিতে জীবন যাবার উপক্রম। এত লেখা লেখি কেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বুঝিনা। বাচ্ছাদের পড়াবার সময় তারে ক্ষুব কম। তার উপর আছে টি.ও ,, এ. টি. ও দের অবহেলা। তদারকির অভাব।

গেলেও দায় সারা
ঘুষ নিয়ে ঘরে ফেরা।

(অবশ্য বসাই খারাপ না। এ মাঝে ভালও আছে।)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29038979 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29038979 2009-11-07 00:44:53
সেত যে ভাবেই হোক সামনের ইস্টিসনে যাইবেই, যখই হোক, চাই ততক্ষণে সেইখানে ইস্টিসন থাকুক কিবা না থাকুক " বিশ্ব মন্দার প্রভাব আমাদের উপর পড়িবেনা। "
আহা হা -- কি অমৃত বচন। ইনারা কিভাবে দেশ চালাইবে।

নজরুল বলেছিল'
"ঝড় সাইক্লোনে কি করিবে এরা ঘুর্ণিতে ঘোরে মাথা "
কাদের উদ্দেশ্যে বলিয়া ছিল জানিনা, তবে আমাদের দেশের নেতা নেতৃরা এমনি জড়পদার্থ যে ইহাদের মাথা সুপার টাইফুন, সিডর, এমননি মহা প্রলয়েও ঘুরেনা।

এই যে দেশের আইন শৃংক্ষলা পরিস্থিতির এমন তর উন্নততর অবস্থা, তাহাতে ইনাদের কোন মাথা বেথা নেই মাধা ঘুরেওনা, তাই তারা মাধা ঘামায়ওনা। এমন অবস্থা মাথা বলে কিছু নাই বলেই মনেহয়, আছে খালি পেট আর পকেট।

বরংছ মুখে কথার খই ফুটছে। জ্যুতিসের মত ভবিষ্যত বানী করিয়া যাইতেছে। তবে যাহা আপনি আপনি ফলিবে তাহা।
বুঝলেননা ?
আমরা যখন স্কুলে পড়তাম আমাদের এক শিক্ষক ছিলেন, ওনি প্রতি বছর কয়েক জন ছাত্রের বেপারে ভবিষ্যত বানী করতেন যে এরা এরা, অমুক তমুক পাশ করবে, আর আশ্চর্যজনক ভাবে তা কার্যকর হয়ে যেত। ত আমরা সবাই অবাক, তাই আমরা সবাই ছুটিতাম বানী আনিবার জন্য। যা হোক একদিন স্যারকে বললাম যে স্যার আপনি কিভাবে এমন নিখুত ভাবে বলেদেন কে কে পাশ করবে ?
সার তখন হাসতে হাসতে বলিলেন " আরে বোকা- আমিত ভবিষ্যত বানী করি ক্লাসের ১ম,২য়,৩য়, ৪থ, ৫ম এদের বেপারে। এরাত পাশ করবে এটা সবাই যানে।
আমরা তখন থ বনে বনিয়া গেলাম। বুঝিলাম সারের বানির আসল রহস্য।

ঠিক তেমনি আমাদের সরকার যা হা ঘটিবে এমনি এমনি তাহা নিয়া ভবিষ্যত বানি করিয়া জনগণ কে বিভ্রান্ত করিয়া থাকে প্রতি মূহুর্তে।

লেখক বলেছেন: ভাঙ্গা দুইখানি পা দিয়ে খুরাইয়া খুরাইয়া দেশ খানি আগাইয়া চলিতেছে অন্য সকল দেশের পিছে পিছে। সেত যে ভাবেই হোক সামনের ইস্টিসনে যাইবেই, যখই হোক, চাই ততক্ষণে সেইখানে ইস্টিসন থাকুক কিবা না থাকুক সেইটা দেখার বিষয়না। দেশগাড়ির চালক বানী করিয়া বসিলেন দেশকে সেইখানে নিয়া যাইব এত সালের মধ্যে। এইটা হইল এইটা হইল (সবছেয়ে খারাপ ছাত্র ফেইল করবে, তবে পরিক্ষার হলে তাকে পৌচে দেব ) টাইপের ভবিষ্যত বানি। সেই ফাকে মিয়ানমারও আমাগেররে পাছে ফালাইয়া যাইতেছে। যাওগ্গা। কথা হইল পুঞ্জি মাত্র (৫) মানে পাঁচ বছর। এর বিতরেই যা করার কতে হইব। পড়েত আবার তাগদের সুযোগ। আরে গনতান্ত্রীক দেশনা ! হা- না- দুইটাইত লাগে। কি বলেন। এক মেডামের শুরু আর এক মেডামের শেষ। ইয়েস এবং নো ঠিক থাকিলে আর কি দরকার বলেন ? এইটাত এই ইয়েস/ নোর দেশ, মানে হা, না মেডামদের স্বামীতৃক এবং পৈতৃক ভিটেমাটি।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29037977 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29037977 2009-11-05 10:40:05
''আসলেকি ব্ল্যাকহোল ভিন জগতের পথ ? আসলেকি ব্ল্যাকহোল সময়ের রথ ?'' জিজ্ঞাসে টুকাই । এক পথশিশু, আর এক বিজ্ঞানি,
জ্ঞানিটার কপালেতে চিন্তার রেখা
টুকাইটা জানে শুধু কাগজ কুড়ানি।

ভাবে জ্ঞানি,
সমেয়ের ক্যারিকেচ টুকাইকে শেখাবই,
আকাশের ব্ল্যাকহোল আজ তাঁকে দেখাবই।

এই ছুড়া এদিক আস' এসে মোর পাশে বস-
আকাশের পানে দেখ; কত কত তারা-
জান- তাহাদের চলনেতে আছে কত ধারা ?

ঐ দেখ এটি কালপুরুষ,
আর ঐদিকে সপ্তর্ষী মন্ডল
একি ছায়াপথে চলা পাশাপাশি
যার যার পথে তারা অবিছল।

টুকাইটা মনে মনে হাসে,

'' স্যার দুজনেকি দুজনকে নাহি ভালবাসে?''
পাশাপাশি তবু-
দুজনের পথ কেন দুটি ,
কেন তারা এক পথে মিশেনা কভূ।"

জ্ঞানি বলে, "দুর বেটা গাধা",
তুর ঠুলে আছে শুধু এক থালা বাঁদা।
এরা সব প্রাণ হীন তারাদের দল,
আকাশে তাদের বাস আজ কতকাল।
চেয়ে দেখ্ আমার ঐ নলের ভিতর,
দেখা যায় এক খানা কালো আধাঁর।
ঐখানে স্থীরতা- রাখা সময়ের।

জ্ঞানের ভাসায় একে বলে'
টাইম ডিলেশান--
ঐখানি করিলি গমন-
তুই হবি তোর- অস্থিত্বে বিলীন,
সোময়ের গতিহবে শূণ্য
যেখানে ঘটিবে তোর অবতরণ,
জগত সেখানে হবে ভিন্ন।

সেই যাত্রা কালে
পার হয়ে যাবি তুই বহুদুর-
অগনিত আলোক বছর,
লক্ষবছর তোর কাটিবে সময়
তবু তোর সময়টা থাকবে অনড়।

''ভিন জগত টাকি ঐ
ধারণ করিয়া আছে গুলাকার বস্তু নীচয়''
জিজ্ঞাসা করিল টুকাই।
আরো জিজ্ঞাসে-
"সোময়ের পরিমাপ বলেদিন স্যার
কত কাল ইস্থির কাটিবে সময়,
বাহিরে আসিব আমি কত কাল পর।"

চির ধরে জ্ঞানিরটার মনে-
টুকায়ের কথা খানি শুনে।

বিজ্ঞানি ভাবে,
মহাকাল পথিকের কত কাল কাটিবে এভাবে ?
অচল কালের হিসাব করিতেযে হবে
সচলের প্রভাবে।
আহাহা' অচল সময়
সেত নহে অচল,
তাহারোত পরিমাপ হয়।

''আসলেকি ব্ল্যাকহোল ভিন জগতের পথ ?
আসলেকি ব্ল্যাকহোল সময়ের রথ ?''
জিজ্ঞায় টুকাই, কি ক্ষমতা আছে ঐ বৃত্তর,
"নিশ্চোপ বিজ্ঞানি", মিলিলনা এক্থার কোন উত্তর।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29037810 http://www.somewhereinblog.net/blog/apelbangla/29037810 2009-11-04 22:54:46