আমার প্রিয় পোস্ট
- ইসলামের দৃষ্টিতে বিশ্ব ভালবাসা দিবস - ফিদাতো আলী সরকার
- বিজিবি বনাম বিডিআর ও বিএসএফ বনাম জনগন - সবুজ-ভাই
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান অবিস্মরণীয় !! - অজানা কথা
- ঢাকাই মসলিন-ম্যাচবক্সে হারিয়ে যাওয়া এক যাদুকথা - শায়মা
- মমতা আপাকে একটি চিঠি-- আপনি যদি বাঙ্গালী হয়ে থাকেন তবে একবার হলেও পড়বেন, - নাজিম রেজা
- আবেগীয় শিক্ষা - সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন জীবনের প্রথম পাঁচটি বছর - সীমন্ত ইসলাম
- আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা - আপনার সবচেয়ে বড় সম্পদ - সীমন্ত ইসলাম
- দীপ জ্বেলে যাই’১৯৭১ (মুক্তিযুদ্ধের একটি সত্য ঘটনা) - িতর্থক আহসান রুেবল
- ১৮+ পোস্টকারীরা সাবধান!!!পর্নোগ্রাফি বহন, বিনিময়, মুঠোফোনের মাধ্যমে ব্যবহার করা, বিক্রি প্রভৃতি অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড। - আলস্যের আনন্দে আমি
- অসুখ নয়, ঘাড়ে আঘাত পেয়ে নজরুল বাকশক্তি হারিয়েছিলেন। (কপি+পেস্ট)। - অ্যামাটার
- ব্লগার নয়, সাইবার ক্রিমিনাল সাবধান! - আইরিন সুলতানা
- ট্রানজিটের পয়লা মাশুল: তিতাস একটি খুন হয়ে যাওয়া নদীর নাম! - দিনমজুর
- ৩য় বাংলা ব্লগ দিবসের অতিথি আলোচকদের চুম্বক অংশ - কৌশিক
- একটি অপ্রকাশিত তথ্য - কথা সত্য
- অল-ক্লিয়ার নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ ? - দিনমজুর
- পারমানবিক বিদ্যুৎ শক্তি নিয়ে কিছু প্রশ্নের উত্তর - নুভান
- পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশে কতটা জরুরী? - নুভান
- বিশ্বজুড়ে ইসলামী রাজনীতির উথ্থান এবং বাংলাদেশে জামাতীদের ভবিষ্যৎ। - নরাধম
- মুক্তিকন্যা - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ
- টিপাইমুখ বাধ প্রসংগে:প্রয়োজন সংগ্রামের আন্ত:সংযোগ(আপডেটেড) - দিনমজুর
- বাংলাদেশ সাইবার আর্মি এবং ইসরাইল থেকে পাওয়া সবক ! - রিক্তের বেদন২০১০
- আসুন পরিচিত হয় বাংলাদেশ সাইবার আর্মির সাথে - মুনলিট
- ভারত প্রসঙ্গে - উৎস
- Part-4) 'ট্রানজিট'-এর সহজপাঠ। ট্রানজিট ও করিডোর কি, ভারতকে ট্রানজিট না করিডোর দেওয়া হলো? - চিকন আলি
- 'ট্রানজিট'-এর সহজপাঠ। ট্রানজিট ও করিডোর কি, ভারতকে ট্রানজিট না করিডোর দেওয়া হলো? (Part-1) - চিকন আলি
- এনার্জি সেভিং বাল্ব থেকে সাবধান - শুভ রহমান
- নারীরা কথা বলছেন,আপনি কেন শুনবেন না?কেন করবেন অন্যায় আচরন ?কেন করবেন নোংরা কাজে সমর্থন ? - ঠোটকাটা ব্লগার
- "আমি বখাটে"- একটি পরীক্ষামূলক ছবিব্লগ অথবা কবিতা অথবা ছবিতা" - শিপু ভাই
- আট বছর ধরে পৃথিবী ঘুরে বেড়িয়ে যে উনত্রিশটি শিক্ষা আমি পেয়েছি - বিলাশ বিডি
- মওলানা আকরম খাঁ - ফিরেদেখা
- বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষা, কিছু সমস্যা যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জানা দরকার - রাজকন্যে
- সাগর বক্ষে গ্যাস ব্লক ইজারার উদ্দেশ্য গ্যাস সংকট মোকাবেল না রফতানি? - ভিন্ন চিন্তা
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- তেল গ্যাস ইজারা দিলে কেন আমার পেটের ভাত হজম হয় না !!! - আসিফ মুভি পাগলা
- আমি তোমাকেই বলে দেব সেই ভুলে ভরা গল্প.....কড়া নেড়ে গেছি ভুল দরজায়...(শেষ প্র্ব) - সরলতা
- [ফিরে দেখা] ভুলে যাওয়া পত্রপত্রিকাগুলি - রাইসুল জুহালা
- ভারতের টেলিকম কেলেংকারি, স্পেকট্রাম লুট ও বাংলাদেশ প্রসংগ - দিনমজুর
- গান-বাজনা প্রসঙ্গে আল্লামা শায়েখ ইউসুফ কারাযাভীর ইসলামী ফতোয়া - সৈয়দ মবনু
- আদিবাসী শিশু মাতৃভাষায় পড়বে কবে? - বিপ্লব রহমান
- আহমেদুর রহমান আজমীঃ যিনি মাদ্রাসার ছাত্র হয়ে উর্দুকে অবজ্ঞা করে মায়ের ভাষার জন্য ঝাপিয়ে পড়েছিলো। - ইউনুস খান
- 'ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে ইসলাম ও তৎসংশ্লিষ্ট ঘটনাপ্রবাহ'বরাবরঃ অয়োময় - রুদ্রপ্রতাপ
- ইন্টারেস্টিং কয়েকটি সংলাপ ('জহির রায়হান' রচিত) - শাহেদ খান
- ভাষাসৈনিক মমতাজ বেগমঃ আজীবন বিপ্লবী এক নারীর ভুলে যাওয়া অধ্যায়। - আসিফ মহিউদ্দীন
- হেনার মৃত্যু ফতোয়া এবং কিছু কথা - মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ - লিয়াকত আলী খান
- পঞ্চাশ টাকার সিএনজি ভাড়া দিলাম দেড়শ টাকা, দিন দিন করতেছি কাফেরের মত আচরন আর সংবিধানে বিসমিল্লাহ না থাকলে মাথা খারাপ। - প্রিন্স অফ ব-দ্বীপ
- লোকক্রীড়া: ইতিহাস ও সম্ভাবনার সরল পাঠ - অনার্য তাপস
- ক্ষতিকর হ্যাকিং নাকি ভালোবাসা? - সচেতন
- নিয়াজ মোহাম্মদ চৌধুরী : বাংলা সঙ্গীতাঙ্গনে একজন অবমূল্যায়িত কিংবদন্তী - কবি রাজ
- করণীয়/বর্জনীয় - ২ - মেরিনার
- আমার প্রথম ইভ টিজিং বিরোধী আন্দোলন এর গল্প। - মাহমুদহাসান
- আমাদের গ্রাম পঞ্চায়েত - নাজমুল ইসলাম মকবুল
- নির্লোভ মা দাও, নির্লোভ জাতি পাবে - মাসকাওয়াথ আহসান
- বিবর্তন এর সরল পাঠঃ বিবর্তন কী এবং কিভাবে কাজ করে? - বিলাশ বিডি
- মহাবিশ্বের সৃষ্টি এবং ঈশ্বর নিয়ে স্টিফেন হকিং এর সর্বশেষ বই “দি গ্র্যান্ড ডিজাইন” এর সার-সংক্ষেপ/রিভিউ - বিলাশ বিডি
- হিল্লা বিয়ে কেন অবৈধ? - আইনের সহজ আলোচনা
- রিডার ওয়ান
- কনষ্টিটিউশন পর্যালোচনাঃ সুরঞ্জিতের বক্তব্য অনুযায়ী বাকশাল চতুর্থ সংশোধনীও অবৈধ (পর্ব-৪) - পি মুন্সী
- ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধান - অরূপ
- আমরা যা বলতে পারি না, সেখানে নীরবতাই উত্তম কথক - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- বিদ্যুৎ এবং পানি সমস্যা কমাতে আমরা সাধারণ জনগন যা করতে পারি... (একটি জনসচেতনতামূলক পোস্ট...) - তাজুল ইসলাম মুন্না
- দুই সাংবাদিকের চাকরিচ্যুতি এবং ইসরায়েলদরদী মার্কিন মিডিয়া - ফাহমিদুল হক
- আহমদ ছফার সাক্ষাৎকার : 'স্বাধীন দেশের নাগরিক হিশেবে কোলকাতা আর আমাদের কিছু দিতে পারবে না - শাহাদাৎ তৈয়ব
- কার্জন হল (ছবি ব্লগ) - জিকসেস
- বিভিন্ন ইসলামিক/ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের সংবিধানের শুরুটা কেমন... - নাজনীন১
- ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণ: একুশ শতকের এক ট্র্যাজিক হিরো - মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন
- খুব সহজেই বানিয়ে ফেলুন সন্দেশ - নির্ঝরিনী
- রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রঃ একটি ঐতিহাসিক বাস্তবতা - এম. রহমান
- কার্যকরী শিক্ষা ব্যবস্থা এবং মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী , কিছু অনুরোধ ! - রাগ ইমন
- মুক্তিযোদ্ধা নারী - আকাশভরাতারা
- প্রস্তাবিত শিক্ষানীতি নিয়ে কিছু আলোচনা (১) - নাজনীন১
- স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র ও কয়েকটি প্রশ্ন - পারভেজ মাসুদ
- উত্তাল ৩ মার্চ ’৭১, এই দিনে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন শাজাহান সিরাজ - নুরুজ্জামান মানিক
- নারীরা জেগেছে : আমাদের যেন কোথায় নিয়ে যায় - ডিজিটালভূত
- মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী ও '৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ - সৈয়দ আমিরুজ্জামান্
- ভাষা আন্দোলনের স্বজাতীয় ভিলেন - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ভালবাসা দিবসে অন্যরকম ভালবাসা। - নরাধম
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < শেষ পর্ব > চিৎকার করে বলতে পারছিনা যে আমি আমার শৈশব হারিয়ে ফেলেছি..... - মনজুরুল হক
- জেনে রাখুনঃ আমাদের সমাজে প্রচলিত কিছু কথা যা হাদীস নামে পরিচিত কিন্তু বাস্তবে এগুলো কোন হাদীস নয়। - আব্দুর রহমান
- শাজাহান সাজুর মা মারা গেছেন......... - মাহবুবা আখতার
- বেঞ্চমার্ক মুহাম্মদ (স):। লাইফ ইজ বিউটিফুল। ট্রাই করেই দেখুন না। প্লিজ! - পাললিক মন
- জায়নিস্টদের অবিসংবাদিত নেতা এবং ইসরায়েলের প্রথম রাষ্ঠ্রপতি ডঃ চ্যাইম ওয়াজম্যানের সাথে ইসরাইল প্রতিষ্ঠা বিষয়ে কথোপকথন। - নরাধম
- সূচীপত্র - মা দিবসের (২০০৯) জন্যে লিখা সকল ব্লগের লিঙ্ক - ~স্বপ্নজয়~
- কবর - সুমি
- শব্দ-রাজ্যে অভিযান (১৯): Hackneyed! - ম্যাভেরিক
- পুরুষের পর্দা পুষিদা - সন্ধ্যাবাতি
- ভি-স্যাট এর অপর প্রান্ত.. আর্থ ষ্টেশন (যারা সবসময় যন্ত্রপাতি খুলে দেখতে পছন্দ করেন তাদের জন্য..) - রাব্বি !
- নবীনদের জন্য - নাদান
- রূপে ঝলমল নিঝুম দ্বীপ - মাহমুদুল হক ফয়েজ
- গৃহস্হলীর নারী দিবস - লীনা ফেরদৌস
- চিটির রান্নাঘর থেকে ঐতিহাসিক রেসিপি- রসমালাই - চিটি (হামিদা রহমান)
- হে মানুষ শোনো ! - জেমসবন্ড
- পশ্চিমা বিশ্বে সমসাময়িক ইসলামী ব্যক্তিত্ব - ইভন রিডলী - উম্মু আবদুল্লাহ
- শিশুদের মাঝে গড়ে তুলুন পড়ার অভ্যাস - নতুন পৃথিবী
- বাংলা বই এর সাইট - মাহবুব জামান আশরাফী
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
- রবীন্দ্রনাথ আর আইনষ্টাইনের সাক্ষাতের কথোপকথন - শূন্য আরণ্যক
- ডক্টর মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেইন : যার কাছে বাঙালীর অসীম কৃতজ্ঞতা - অমি রহমান পিয়াল
- যুদ্ধাপরাধের বিচার: রাষ্ট্র কার বিচার করে - পি মুন্সী
- বিয়ে কি? মুসলিম বিয়ের শর্তগুলো, বিয়ে রেজিষ্ট্রেশন কি? বিয়ে রেজিষ্ট্রেশন কেন গুরত্বপূর্ণ? (রিপোষ্ট) - সিটিজি৪বিডি
- জ্ঞানপিপাসুদের জন্য কিছু ফ্রি ই-বুক সাইট - রাকিব
- স্বাধীনতার পরিক্রমা - বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র - রাগিব
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই-১: একটা কমিশন গঠনের কাহিনী - শওকত হোসেন মাসুম
- কুর'আন, নারী ও শস্যক্ষেত্র, ইসলাম বিদ্বেষ ও আমার বিশেষ জ্ঞানী হওয়া। - আবূসামীহা
দেবদূতগণের জন্য একটু... ...
১৩ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:২৯
আজ সকালে ব্লগে ঢুকেই একটা পোস্ট দেখলাম, "দেবদূতদের জন্য একটা দিন.................."। তখনই মনে হল শিশুদের জন্য কিছু লিখি। কিন্তু আমি লেখক নই। আমার হাত দিয়ে কিছুই বের হয় না।
যাক, এরপর বিডিনিউজ পড়তে গেলাম......সেখানে অন্য সব খবরের পাশাপাশি "আস্ক দি কিডস ভাইয়া"-ও দেখছিলাম। সেখানে বাচ্চাদের করা কিছু কিছু প্রশ্ন দেখে আমি এতো অবাক হলাম!!!!! ঐসব প্রশ্ন আমার মাথায় কোনদিন আসেনি, আর উত্তর তো জানা দূরের কথা।
তখনি ভাবলাম ঐ প্রশ্ন-উত্তরগুলোই তো আমি ব্লগের সবার সাথে শেয়ার করতে পারি। শিশুরা যে অনেক বেশী বুদ্ধি মাথায় রাখে সেটাও অনেকের জানা হলো, আর আমার দেবদূতদের জন্য কিছু করা হলো ব্লগে।
দেখেন তো এই প্রশ্নগুলো আপনাদের মানে বড়দের মাথায় কখনো এসেছে কি? কে কয়টার উত্তর জানতেন বলবেন কিন্তু...............
প্রশ্ন ১। মাথায় আঘাত পেলে আমরা তারা জ্বলতে দেখি কেন?
উত্তর। আকাশ পরিষ্কার থাকলে স্বাভাবিকভাবে রাতের বেলা তারা দেখা যায়। কিন্তু দিনের বেলা তারা দেখেছ কখনও? হ্যাঁ, দিনেও মাঝে মাঝে তারা দেখা যায়। সে অভিজ্ঞতা আশা করি তোমাদের সবারই একটু আধটু আছে।
আসলে চোখে বা মাথায় আঘাত পেলে কখনো এরকম অভিজ্ঞতা হয়। মনে হয় যেন, ফ্লাশ লাইটের আলোয় চোখ ঝলসে গেল। আবার চারিদিকে কেমন যেনো ফুটকি ফুটকি তারাও ভাসতে দেখা যায়। একে অনেকে চোখে সরিষা ফুল দেখাও বলে। তারা দেখা বা সরিষা ফুল দেখা যাই বলি না কেন, এমন হয় কেন?
আসলে বস্তুকে থেকে আলো প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে। চোখ সংকেত পাঠায় মস্তিষ্ককে। তারপর আমরা কোন কিছু দেখতে পাই। চোখ যদি মস্তিষ্কে সংকেত না পাঠায় তাহলে আমরা কোন জিনিস দেখতে পারব না। চোখ থেকে এই সংকেত পৌঁছে দেবার কাজটি করে থাকে অপটিক নার্ভ। কিন্তু চোখে বা মাথায় জোরালো আঘাত পেলে অপটিক নার্ভ তার কাজ ঠিকমতো করতে পারে না। এতে চোখ থেকে মস্তিস্কে সংকেত পৌঁছাতে বাধা পায়। ফলে এই সংকেত জোরালো আলোয় রূপান্তরিত হয়ে আমাদের চোখ ধাঁধিয়ে দেয়। যার ফলে আমরা চারিদিকে তারা জ্বলতে দেখি বা সরিষার ফুলের মতো হলুদ দেখি।
প্রশ্ন ২। কুমিরের অশ্রু আসলে কী?
উত্তর। তোমরা যারা বাংলা ব্যাকরণ পড়েছো, তারা নিশ্চয়ই ’কুমিরের অশ্রু’ বা ‘কুম্ভীরাশ্রু’ বাগধারাটির সাথে পরিচিত। বাগধারাটির অর্থ হচ্ছে লোক দেখানো কান্না। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানো না- কেন এ রকম বাগধারার উৎপত্তি। আসলে কুমির যখন শিকার ধরে তখন এদের চোখে বিন্দু বিন্দু পানি দেখা যায়। যা দেখে মনে হয়, শিকারটা হত্যা করার কোন ইচ্ছে কুমিরের ছিল না। ভুল করে শিকারটা হত্যা করতে হয়েছে এবং সেই দুঃখে কুমিরের চোখ ফেটে কান্না আসছে।
কিন্তু মূল ব্যাপারটি হচ্ছে- খাবার ধরার জন্য বা অন্য অনেক কারণে কুমিরকে মুখ হা করতে হয়। আর যখনই হা করে তখনই এদের চোখে পানির ফোঁটা দেখা দেয়। কারণ মুখ হা করার সময় এদের উপরের চোয়াল খানিকটা উপরে ওঠে যায়। এর ফলে কুমিরের অশ্রুগ্রন্ত্রির পেশিতে চাপ পড়ে। এই চাপে অশ্রুগ্রন্ত্রিতে জমে থাকা পানি বেরিয়ে আসে চোখ দিয়ে। একেই আমরা বলি কুমিরের কান্না বা কুমিরের অশ্রু।
প্রশ্ন ৩। কুকুর কি রঙ দেখতে পায়?
উত্তর। প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে কুকুর মানুষের বিশ্বস্ত বন্ধুতে পরিণত হয়েছে। কিন্তু মানুষ পৃথিবীতে আসার আগে কুকুর ছিল বন্যপ্রাণী। বন্য কুকুর কীভাবে মানুষের বিশ্বস্ত বন্ধুতে পরিণত হল, সেটা নিয়ে আফ্রিকায় বেশ কটি রূপকথা বা উপকথা প্রচলিত আছে। সে যাই হোক, এই পৃথিবী আমাদের চোখে রঙিন। তাই স্বাভাবিকভাবে আমাদের ধারণা, সব প্রাণীর চোখেই পৃথিবী রঙিন। কিন' আসলে কি তাই?
গবেষকরা বিভিন্ন গবেষণায় দেখেছেন, বেশিরভাগ প্রাণী তাদের চোখে পৃথিবীর রঙ দেখতে পায় না। অর্থাৎ তারা প্রকৃতির কোন রঙ দেখে না। এই দলে কুকুরও পড়ে। গবেষকরা নিশ্চিত হয়েছেন, মানুষ ও বানর প্রজাতির প্রাণীরাই শুধু রঙিন পৃথিবী দেখতে পায়। এমনকি স্পেনের বিখ্যাত বুল ফাইটে ম্যাটাডোর ষাঁড়ের সামনে লাল কাপড় নেড়ে তাকে রাগানোর চেষ্টা করেন। গবেষকরা বলেন, ষাঁড়ের সামনে যদি অন্য কোন রঙের কাপড়ও এভাবে নাড়া হয় তাহলেও ষাঁড়কে রাগানো সম্ভব। কারণ ষাঁড় আসলে লাল রঙ আলাদা করে বুঝতেই পারে না। কারণ ষাঁড়ের চোখেও পৃথিবী সাদাকালো বা ধূসর।
জানো বোধহয়, যারা কোন রঙ বুঝতে পারে না তাদেরকে কালারব্লাইন্ড বা বর্ণান্ধ বলে। কুকুরসহ বেশিরভাগ প্রাণীই বর্ণান্ধ। কুকুর তার স্বাভাবিক কাজকর্মের জন্য রঙের চেয়ে গন্ধের উপর বেশি নির্ভরশীল। তাই রঙ না দেখলেও তার জন্য কোন ঝামেলা হয় না।
তোমরা হয়তো জানো, মানুষও বর্ণান্ধ হতে পারে। এসব মানুষ জন্ম থেকে প্রকৃতির বিশেষ কোন রঙ বুঝতে পারে না। শোনা যায়, আমাদের বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথও নাকি বর্ণান্ধ ছিলেন।
প্রশ্ন ৪। পেন্সিল ষড়ভুজ হয় কেন?
উত্তর। পেন্সিলের বাইরের গঠন বিভিন্নরকম হতে পারে। গোল, চ্যাপ্টা, ষড়ভুজাকার ইত্যাদি। কিন্তু অধিকাংশ পেন্সিলের বাইরের গঠন ষড়ভুজাকার, তা হয়তো সবাই খেয়াল করে দেখেছো। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানো না সঠিক কারণটা।
আসলে উৎপাদন খরচ কমানোর জন্য পেন্সিল গোলাকার না করে ষড়ভুজাকার করা হয়। কারণ গোলাকার পেন্সিলের তুলনায় ষড়ভুজাকার পেন্সিলে কম খরচ হয়। হিসেব করে দেখা গেছে যে, একই পরিমাণ কাঠ দিয়ে ষড়ভুজাকার পেন্সিল তৈরি করা যায় ৯টি। অথচ সেই একই পরিমাণ কাঠ দিয়ে গোলাকার পেন্সিল তৈরি করা যায় মাত্র ৮টি।
এছাড়াও ষড়ভুজাকার পেন্সিলের আরেকটা বাড়তি সুবিধা আছে। সেটা হচ্ছে, গোলাকার পেন্সিল টেবিলে রাখলে তা গড়িয়ে নিচে পড়ে যায়। কিন্তু ষড়ভুজাকার পেন্সিল এই দোষ থেকে মুক্ত। ষড়ভুজাকার পেন্সিল টেবিলে গড়ায় কম।
প্রশ্ন ৫। ইঁদুর জিনিসপত্র কেটে নষ্ট করে কেন?
উত্তর। যাদের বাড়িতে ইদুরের উৎপাত আছে তারা ভালোমতোই জানো ইঁদুরের বদ স্বভাবের কথা। এমন কিছু নেই যা ইঁদুর নষ্ট করে না। বইপত্র, কাপড়চোপড়, দলিল দস্তাবেজ, বিছানা-বালিশ, খাদ্যশস্য সবকিছুই ইঁদুরের শিকার হয়। কিন' সত্যি বলতে কী, এসবের অধিকাংশই ইঁদুরের খাদ্য নয়। বরং সে যা খায় তার চেয়ে নষ্ট করে আরো কয়েকগুন। তাহলে প্রশ্ন জাগতেই পারে, ইঁদুর এসব জিনিস অনর্থক নষ্ট করে কেন? সেটা জানার আগে জানতে হবে ইঁদুরের কিছু শারীরিক বৈশিষ্ট্যকে।
ইঁদুরের চোয়ালে উপর নিচ মিলিয়ে দুজোড়া বিশেষ ধরনের দাঁত থাকে, যাকে বলে কৃদন্ত। এই কৃদন্ত দিয়েই তারা যাবতীয় জিনিস কেটে ছোট ছোট করে খাওয়ার উপযোগী করতে পারে। শুধু তাই নয়, অন্যান্য সব জিনিস তারা এই দাঁত দিয়েই কেটে নষ্ট করে।
কৃদন্তের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই দাঁত সবসময় বাড়তে থাকে। এমনকি ইঁদুরের দৈহিক বৃদ্ধি শেষ হয়ে গেলেও তা বাড়তে থাকে। দাঁতগুলো বেশি বড়ো হয়ে গেলে সেগুলো ইঁদুরের জন্য সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই দাঁতগুলোকে ব্যবহার উপযোগী রাখতে ইঁদুরকে বাধ্য হয়ে সেগুলো ছোট রাখতে হয়।
আর সেগুলোকে ছোট রাখার উপায় হচ্ছে সবসময় কিছু না কিছু কাটাকুটি করা। কোন বস্তু কাটার ফলে তাদের দাঁতের সাথে সেই বস্তুর ঘষায় দাঁতের দৈর্ঘ্য সবসময় ঠিক থাকে। আর দাঁতও থাকে ধারালো। আর তাই ইঁদুর সময় সুযোগ পেলেই কাটাকুটি খেলায় মেতে ওঠে কোন কিছুর তোয়াক্কা না করেই।
প্রশ্ন ৬। মাটি ছাড়া মানিপ্লান্ট মরে যায় না কেন?
উত্তর। বারান্দা কিংবা বসবার ঘরে কাঁচের বোতল বা শিশিতে মানিপ্লান্ট সাজিয়ে রাখবার অভ্যেস অনেকেরই আছে।
মানিপ্লান্ট বোতলের ভেতরে পানির ওপরে নির্ভর করে অনেক দিন বেঁচে থাকে। মাঝে মাঝে অবশ্য বোতলের পানি পাল্টে দিতে হয়। কিন্তু কীভাবে শুধু পানিতে দিনের পর দিন মানিপ্লান্ট বেঁচে থেকে এবং ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠে, তা অনেককেই অবাক করে। এ বিষয় নিয়ে গবেষণার পর বিজ্ঞানীরা এর একটা ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
মানিপ্লান্টের বৈশিষ্ট্য হল, পাতাগুলো তুলনামূলকভাবে অন্যান্য গাছের পাতা থেকে আয়তনে অনেকটা বড় হয়ে থাকে। আর এরা ঘরের বাল্বের মৃদু আলোকেও জৈব খাবার তৈরির কাজে লাগাতে পারে। তোমরা তো জানোই, সবুজপাতা বাতাসের কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস এবং পানি থেকে আলোর সাহায্যে জৈব খাবার নিজেই তৈরি করতে পারে। মানিপ্লান্টও পাতার সবুজ রঞ্জক বা পিগমেন্ট ( ক্লোরোফিল), কার্বন ডাই-অক্রাইড এবং পানি নিয়ে নিজের খাবার তৈরী করে। আলোর সাহায্যে নতুন কিছু তৈরি হয় বলে পাতার এই কাজকে সালোকসংশ্লেষণ বলে।
জৈব খাবার ছাড়াও গাছের খনিজ লবণ, নাইট্রোজেন দরকার। মানিপ্লান্টের পক্ষে বাতাসে ভেসে আসা কিছু খনিজ লবণ পেলেও, নাইট্রোজেন পাওয়া সম্ভব হয় না। তাহলে প্রশ্ন থাকে : এসব জিনিস ছাড়া মানিপ্লান্ট বেচেঁ থাকে কীভাবে?
ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখা যায যে, মানিপ্লান্টের নিচের দিকের একটা পাতা ঝরে গেলে তবেই একটা নতুন পাতা তৈরি হয়। তলার পাতা ঝরে পড়ার আগে পাতার খনিজ লবণ, নাইট্রোজেন ইত্যাদি পুষ্টিকারক উপাদান পাতা থেকে বেরিয়ে কান্ডে চলে যায়। এই থেকেই নতুন পাতা সম্পূর্ন পুষ্টির যোগান পায়। অর্থ্যাৎ মানিপ্লান্টের খনিজবস্তুর ভাণ্ডার আমৃত্যু একই রকম থেকে যায়। এ কারণেই শুধু পানিতেই অনেক দিন বেঁচে থাকতে পারে মানিপ্লান্ট।
আরো জানতে চাইলে এখানে দেখুন......
Click This Link
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): দেবদূত ;
প্রকাশ করা হয়েছে: হরেক রকম বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১০:৪১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সচেতন বলেছেন:
আমিও জানলাম আজ।
লেখক বলেছেন: যাক, আমার মতো আরেকজন পাওয়া গেল।
অপ্সরা বলেছেন:
কুম্ভিরাশ্রুর ব্যপারটা জেনে মজা লাগছে।
লেখক বলেছেন: আমারও।
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন:
ব্যাপক জ্ঞান লব্ধ হইলো। ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: মূল ধন্যবাদ ঐসব শিশুদের প্রাপ্য যারা প্রশ্নগুলো করেছে। ব্যাপক জ্ঞান লাভের কারণে আপনাকে অভিনন্দন।
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
বাহ। চমৎকার সংগ্রহ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
শুভ৭৭ বলেছেন:
শুধু পেন্সিলই না, অনেক কিছু ষড়ভুজ আকৃতির। যেমন, মৌমাছির চাকের ছিদ্রমুখ, কচ্ছপের খোলসের আঁইশ.। তাছাড়া, মোবাইলের সেল সাইজও ষড়ভুজ .........................আরও জানতে http://en.wikipedia.org/wiki/Hexagon
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লিঙ্কের জন্য। কিন্তু মোবাইল সেলের ষড়ভূজের কারণতো ভিন্ন। বেশীর ভাগ এলাকা কাভার করার জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















