আমার প্রিয় পোস্ট
- ইসলামের দৃষ্টিতে বিশ্ব ভালবাসা দিবস - ফিদাতো আলী সরকার
- বিজিবি বনাম বিডিআর ও বিএসএফ বনাম জনগন - সবুজ-ভাই
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান অবিস্মরণীয় !! - অজানা কথা
- ঢাকাই মসলিন-ম্যাচবক্সে হারিয়ে যাওয়া এক যাদুকথা - শায়মা
- মমতা আপাকে একটি চিঠি-- আপনি যদি বাঙ্গালী হয়ে থাকেন তবে একবার হলেও পড়বেন, - নাজিম রেজা
- আবেগীয় শিক্ষা - সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন জীবনের প্রথম পাঁচটি বছর - সীমন্ত ইসলাম
- আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা - আপনার সবচেয়ে বড় সম্পদ - সীমন্ত ইসলাম
- দীপ জ্বেলে যাই’১৯৭১ (মুক্তিযুদ্ধের একটি সত্য ঘটনা) - িতর্থক আহসান রুেবল
- ১৮+ পোস্টকারীরা সাবধান!!!পর্নোগ্রাফি বহন, বিনিময়, মুঠোফোনের মাধ্যমে ব্যবহার করা, বিক্রি প্রভৃতি অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড। - আলস্যের আনন্দে আমি
- অসুখ নয়, ঘাড়ে আঘাত পেয়ে নজরুল বাকশক্তি হারিয়েছিলেন। (কপি+পেস্ট)। - অ্যামাটার
- ব্লগার নয়, সাইবার ক্রিমিনাল সাবধান! - আইরিন সুলতানা
- ট্রানজিটের পয়লা মাশুল: তিতাস একটি খুন হয়ে যাওয়া নদীর নাম! - দিনমজুর
- ৩য় বাংলা ব্লগ দিবসের অতিথি আলোচকদের চুম্বক অংশ - কৌশিক
- একটি অপ্রকাশিত তথ্য - কথা সত্য
- অল-ক্লিয়ার নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ ? - দিনমজুর
- পারমানবিক বিদ্যুৎ শক্তি নিয়ে কিছু প্রশ্নের উত্তর - নুভান
- পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশে কতটা জরুরী? - নুভান
- বিশ্বজুড়ে ইসলামী রাজনীতির উথ্থান এবং বাংলাদেশে জামাতীদের ভবিষ্যৎ। - নরাধম
- মুক্তিকন্যা - সুমাইয়া বরকতউল্লাহ
- টিপাইমুখ বাধ প্রসংগে:প্রয়োজন সংগ্রামের আন্ত:সংযোগ(আপডেটেড) - দিনমজুর
- বাংলাদেশ সাইবার আর্মি এবং ইসরাইল থেকে পাওয়া সবক ! - রিক্তের বেদন২০১০
- আসুন পরিচিত হয় বাংলাদেশ সাইবার আর্মির সাথে - মুনলিট
- ভারত প্রসঙ্গে - উৎস
- Part-4) 'ট্রানজিট'-এর সহজপাঠ। ট্রানজিট ও করিডোর কি, ভারতকে ট্রানজিট না করিডোর দেওয়া হলো? - চিকন আলি
- 'ট্রানজিট'-এর সহজপাঠ। ট্রানজিট ও করিডোর কি, ভারতকে ট্রানজিট না করিডোর দেওয়া হলো? (Part-1) - চিকন আলি
- এনার্জি সেভিং বাল্ব থেকে সাবধান - শুভ রহমান
- নারীরা কথা বলছেন,আপনি কেন শুনবেন না?কেন করবেন অন্যায় আচরন ?কেন করবেন নোংরা কাজে সমর্থন ? - ঠোটকাটা ব্লগার
- "আমি বখাটে"- একটি পরীক্ষামূলক ছবিব্লগ অথবা কবিতা অথবা ছবিতা" - শিপু ভাই
- আট বছর ধরে পৃথিবী ঘুরে বেড়িয়ে যে উনত্রিশটি শিক্ষা আমি পেয়েছি - বিলাশ বিডি
- মওলানা আকরম খাঁ - ফিরেদেখা
- বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষা, কিছু সমস্যা যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জানা দরকার - রাজকন্যে
- সাগর বক্ষে গ্যাস ব্লক ইজারার উদ্দেশ্য গ্যাস সংকট মোকাবেল না রফতানি? - ভিন্ন চিন্তা
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- তেল গ্যাস ইজারা দিলে কেন আমার পেটের ভাত হজম হয় না !!! - আসিফ মুভি পাগলা
- আমি তোমাকেই বলে দেব সেই ভুলে ভরা গল্প.....কড়া নেড়ে গেছি ভুল দরজায়...(শেষ প্র্ব) - সরলতা
- [ফিরে দেখা] ভুলে যাওয়া পত্রপত্রিকাগুলি - রাইসুল জুহালা
- ভারতের টেলিকম কেলেংকারি, স্পেকট্রাম লুট ও বাংলাদেশ প্রসংগ - দিনমজুর
- গান-বাজনা প্রসঙ্গে আল্লামা শায়েখ ইউসুফ কারাযাভীর ইসলামী ফতোয়া - সৈয়দ মবনু
- আদিবাসী শিশু মাতৃভাষায় পড়বে কবে? - বিপ্লব রহমান
- আহমেদুর রহমান আজমীঃ যিনি মাদ্রাসার ছাত্র হয়ে উর্দুকে অবজ্ঞা করে মায়ের ভাষার জন্য ঝাপিয়ে পড়েছিলো। - ইউনুস খান
- 'ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে ইসলাম ও তৎসংশ্লিষ্ট ঘটনাপ্রবাহ'বরাবরঃ অয়োময় - রুদ্রপ্রতাপ
- ইন্টারেস্টিং কয়েকটি সংলাপ ('জহির রায়হান' রচিত) - শাহেদ খান
- ভাষাসৈনিক মমতাজ বেগমঃ আজীবন বিপ্লবী এক নারীর ভুলে যাওয়া অধ্যায়। - আসিফ মহিউদ্দীন
- হেনার মৃত্যু ফতোয়া এবং কিছু কথা - মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ - লিয়াকত আলী খান
- পঞ্চাশ টাকার সিএনজি ভাড়া দিলাম দেড়শ টাকা, দিন দিন করতেছি কাফেরের মত আচরন আর সংবিধানে বিসমিল্লাহ না থাকলে মাথা খারাপ। - প্রিন্স অফ ব-দ্বীপ
- লোকক্রীড়া: ইতিহাস ও সম্ভাবনার সরল পাঠ - অনার্য তাপস
- ক্ষতিকর হ্যাকিং নাকি ভালোবাসা? - সচেতন
- নিয়াজ মোহাম্মদ চৌধুরী : বাংলা সঙ্গীতাঙ্গনে একজন অবমূল্যায়িত কিংবদন্তী - কবি রাজ
- করণীয়/বর্জনীয় - ২ - মেরিনার
- আমার প্রথম ইভ টিজিং বিরোধী আন্দোলন এর গল্প। - মাহমুদহাসান
- আমাদের গ্রাম পঞ্চায়েত - নাজমুল ইসলাম মকবুল
- নির্লোভ মা দাও, নির্লোভ জাতি পাবে - মাসকাওয়াথ আহসান
- বিবর্তন এর সরল পাঠঃ বিবর্তন কী এবং কিভাবে কাজ করে? - বিলাশ বিডি
- মহাবিশ্বের সৃষ্টি এবং ঈশ্বর নিয়ে স্টিফেন হকিং এর সর্বশেষ বই “দি গ্র্যান্ড ডিজাইন” এর সার-সংক্ষেপ/রিভিউ - বিলাশ বিডি
- হিল্লা বিয়ে কেন অবৈধ? - আইনের সহজ আলোচনা
- রিডার ওয়ান
- কনষ্টিটিউশন পর্যালোচনাঃ সুরঞ্জিতের বক্তব্য অনুযায়ী বাকশাল চতুর্থ সংশোধনীও অবৈধ (পর্ব-৪) - পি মুন্সী
- ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধান - অরূপ
- আমরা যা বলতে পারি না, সেখানে নীরবতাই উত্তম কথক - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- বিদ্যুৎ এবং পানি সমস্যা কমাতে আমরা সাধারণ জনগন যা করতে পারি... (একটি জনসচেতনতামূলক পোস্ট...) - তাজুল ইসলাম মুন্না
- দুই সাংবাদিকের চাকরিচ্যুতি এবং ইসরায়েলদরদী মার্কিন মিডিয়া - ফাহমিদুল হক
- আহমদ ছফার সাক্ষাৎকার : 'স্বাধীন দেশের নাগরিক হিশেবে কোলকাতা আর আমাদের কিছু দিতে পারবে না - শাহাদাৎ তৈয়ব
- কার্জন হল (ছবি ব্লগ) - জিকসেস
- বিভিন্ন ইসলামিক/ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের সংবিধানের শুরুটা কেমন... - নাজনীন১
- ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণ: একুশ শতকের এক ট্র্যাজিক হিরো - মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন
- খুব সহজেই বানিয়ে ফেলুন সন্দেশ - নির্ঝরিনী
- রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রঃ একটি ঐতিহাসিক বাস্তবতা - এম. রহমান
- কার্যকরী শিক্ষা ব্যবস্থা এবং মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী , কিছু অনুরোধ ! - রাগ ইমন
- মুক্তিযোদ্ধা নারী - আকাশভরাতারা
- প্রস্তাবিত শিক্ষানীতি নিয়ে কিছু আলোচনা (১) - নাজনীন১
- স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র ও কয়েকটি প্রশ্ন - পারভেজ মাসুদ
- উত্তাল ৩ মার্চ ’৭১, এই দিনে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন শাজাহান সিরাজ - নুরুজ্জামান মানিক
- নারীরা জেগেছে : আমাদের যেন কোথায় নিয়ে যায় - ডিজিটালভূত
- মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী ও '৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ - সৈয়দ আমিরুজ্জামান্
- ভাষা আন্দোলনের স্বজাতীয় ভিলেন - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ভালবাসা দিবসে অন্যরকম ভালবাসা। - নরাধম
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < শেষ পর্ব > চিৎকার করে বলতে পারছিনা যে আমি আমার শৈশব হারিয়ে ফেলেছি..... - মনজুরুল হক
- জেনে রাখুনঃ আমাদের সমাজে প্রচলিত কিছু কথা যা হাদীস নামে পরিচিত কিন্তু বাস্তবে এগুলো কোন হাদীস নয়। - আব্দুর রহমান
- শাজাহান সাজুর মা মারা গেছেন......... - মাহবুবা আখতার
- বেঞ্চমার্ক মুহাম্মদ (স):। লাইফ ইজ বিউটিফুল। ট্রাই করেই দেখুন না। প্লিজ! - পাললিক মন
- জায়নিস্টদের অবিসংবাদিত নেতা এবং ইসরায়েলের প্রথম রাষ্ঠ্রপতি ডঃ চ্যাইম ওয়াজম্যানের সাথে ইসরাইল প্রতিষ্ঠা বিষয়ে কথোপকথন। - নরাধম
- সূচীপত্র - মা দিবসের (২০০৯) জন্যে লিখা সকল ব্লগের লিঙ্ক - ~স্বপ্নজয়~
- কবর - সুমি
- শব্দ-রাজ্যে অভিযান (১৯): Hackneyed! - ম্যাভেরিক
- পুরুষের পর্দা পুষিদা - সন্ধ্যাবাতি
- ভি-স্যাট এর অপর প্রান্ত.. আর্থ ষ্টেশন (যারা সবসময় যন্ত্রপাতি খুলে দেখতে পছন্দ করেন তাদের জন্য..) - রাব্বি !
- নবীনদের জন্য - নাদান
- রূপে ঝলমল নিঝুম দ্বীপ - মাহমুদুল হক ফয়েজ
- গৃহস্হলীর নারী দিবস - লীনা ফেরদৌস
- চিটির রান্নাঘর থেকে ঐতিহাসিক রেসিপি- রসমালাই - চিটি (হামিদা রহমান)
- হে মানুষ শোনো ! - জেমসবন্ড
- পশ্চিমা বিশ্বে সমসাময়িক ইসলামী ব্যক্তিত্ব - ইভন রিডলী - উম্মু আবদুল্লাহ
- শিশুদের মাঝে গড়ে তুলুন পড়ার অভ্যাস - নতুন পৃথিবী
- বাংলা বই এর সাইট - মাহবুব জামান আশরাফী
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
- রবীন্দ্রনাথ আর আইনষ্টাইনের সাক্ষাতের কথোপকথন - শূন্য আরণ্যক
- ডক্টর মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেইন : যার কাছে বাঙালীর অসীম কৃতজ্ঞতা - অমি রহমান পিয়াল
- যুদ্ধাপরাধের বিচার: রাষ্ট্র কার বিচার করে - পি মুন্সী
- বিয়ে কি? মুসলিম বিয়ের শর্তগুলো, বিয়ে রেজিষ্ট্রেশন কি? বিয়ে রেজিষ্ট্রেশন কেন গুরত্বপূর্ণ? (রিপোষ্ট) - সিটিজি৪বিডি
- জ্ঞানপিপাসুদের জন্য কিছু ফ্রি ই-বুক সাইট - রাকিব
- স্বাধীনতার পরিক্রমা - বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র - রাগিব
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই-১: একটা কমিশন গঠনের কাহিনী - শওকত হোসেন মাসুম
- কুর'আন, নারী ও শস্যক্ষেত্র, ইসলাম বিদ্বেষ ও আমার বিশেষ জ্ঞানী হওয়া। - আবূসামীহা
নতুন বিবাহিতা নারীদের জন্য কিছু টিপ্স......


০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১২
এটি একটি সাধারণ পোস্ট। কেউ ফান হিসেবে নিতে পারে, কেউ সিরিয়াসভাবে, তবে অবশ্যই নিজ দায়িত্বে।![]()
![]()
এই পোস্টে সদ্যবিবাহিতা নারীদের জন্য কিছু কথা বলতে চাই, কি করবেন ঠিক বিয়ের পরপরঃ
১। বিয়ের প্রথম ২/৩ দিন মানে, বিয়ে, বৌভাত, এরপর আবার বাবার বাড়ি আসা -- এ কয়দিন আসলে আপনার নিজের তেমন বেশী কিছু করার নেই। নতুন আত্মীয়-স্বজনদের সাথে টুকটাক সৌজন্যমূলক কথা বলা, বড়দের সালাম দেয়া, দুলাভাই বা দেবর জাতীয় মানুষদের কাছ থেকে কিছু খুনসুটি হাসি মুখেই হজম করা -- এই তো।
২। তিনদিন পরে যখন সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ, শ্বশুরবাড়িতে আছেন, তখন অনেক নতুন বৌকে দেখা যায় খুব সংসারীপনা দেখাতে নিজে থেকেই রান্না ঘরে যায়, এটা সেটা রান্না করে সবাইকে চমক এবং খুশী করাতে চায়, অন্যান্য গৃহস্থালীর কাজও কাজের মেয়েদের সাথে সাথে করতে চায়.........। আমি বলবো, না। চট্ করে নিজে থেকে রান্নাঘরে ঢুকবেন না, যদি না কেউ অনুরোধ করে। বরঞ্চ খাবার টেবিলে সবাইকে কিছু পরিবেশনের কাজ করতে পারেন। বিকেলে হয়তো চা রেডী করতে পারেন, মানে হালকা কিছু। তারচেয়ে বেশী বুদ্ধিমানের কাজ হবে বাড়ির সবাইকে গল্পের ফাঁকে পর্যবেক্ষণ করবেন। ঐ পরিবারে মেয়েদের অবস্থান কেমন, বাড়িতে কে কি কাজ করছে, কিভাবে করছে, মাছটা কিভাবে কাটছে, তরকারী রান্নার স্টাইলতা কেমন, আপনার বাবার বাড়ীর সাথে মিলে নাকি অন্যরকম, আত্মীয়-স্বজন কার সাথে কেমন আচরণ করা হচ্ছে---- মূলত এগুলো খেয়াল করবেন।আপনি আগে থেকে যতই কাজ জানেন না কেন, সাধারণতঃ তারা তাদের রুচিকেই মূলতঃ প্রাধান্য দিবে, আর তারা সংখ্যায় অধিক। এছাড়া, যদি আপনার শ্বশুরবাড়ি ভাগ্য খারাপ হয়, তাহলে আপনার অতি আগ্রহ হিতে বিপরীত হতে পারে, দেখা যাবে কয়েকদিন পর এমন কাজের চাপ দিচ্ছে যে আর সামাল দিতে পারছেন না। তাই রয়ে সয়ে।![]()
৩। স্বামীর সাথে গল্প করার সময় বাড়ির সদস্যদের সম্পর্কে, তাদের মন-মানসিকতা সম্পর্কে অল্প অল্প জেনে নিন (এ ব্যাপারে আপনার স্বামীরই নিজ উদ্যোগে সাহায্য করা দরকার যে কার সাথে কেমন কথা বলতে হবে, কে কি পছন্দ করে বা করে না, কার কথার স্টাইল কেমন), বাকীটা আপনি নিজ বুদ্ধিতে বুঝে নিন।
৪। বিয়ের পরই অনেক সময়ে অনেকের হানিমুন যাবার প্ল্যান থাকে, এ ব্যাপারে আপনার স্বামীর সামর্থ্য সম্বন্ধে নিশ্চয় আপনি ওয়াকিবহাল। অতএব, স্বামীর সামর্থ্যের বাইরে তাকে অযথা অনুরোধ করবেন না, এতে করে নতুন সম্পর্কে প্রথমেই একটা অস্বস্তিকর পরিস্থিতির অবতারণা হতে পারে, যা কারো জন্যই ভাল নয়। তবে আপনি চাকুরীজীবি হলে এবং সামর্থ্যবান হলে আর্থিক ব্যাপারে স্বামীর সাথে শেয়ার করতে পারেন।
৫। নতুন আত্মীয়-স্বজনদের সাথে একটা ভাল সম্পর্ক তৈরী করা অবশ্যই জরুরী, সেটা করতে সচেষ্টও হবেন। তবে হ্যাঁ, তার মানে এই নয় আপনার স্বামী বা শ্বশুর বাড়ির লোকজন যা বলছে ভুল কি শুদ্ধ, যে আচরণ করছে ভুল কি শুদ্ধ সব আপনি বিনা বাক্য ব্যয়ে মেনে নিবেন। অনেক বিয়েতেই দেখা যায় পারিবারিকভাবে ছোটখাট কিছু না কিছু ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। তখন দেখা যায় স্বামী বা স্বামীর আত্মীয়-স্বজন নতুন বৌটিকেই বিভিন্নরকমভাবে, নানারকম কথা শুনিয়ে কষ্ট দেয়ার চেষ্টা করে, এমনকি অনেক সময় বাবা-মাকে অপমান করেও কথা বলে। তাই, এ ব্যাপারে আমার পরামর্শ হলো শুরু থেকেই প্রতিবাদ করবেন। কোন ভুল কথা বলা হলে ঠান্ডা মাথায় বুঝিয়ে দিবেন, নতুন বলে চুপ করে সব শুনে থাকবেন না, কোন অন্যায়ের ব্যাপারে প্রথম থেকে বলিষ্ঠ হবেন। ভীরুতা প্রদর্শন করবেন না। তারমানে আবার এই নয় যে খুব চিল্লাচিল্লি, ঝগড়া-ঝাটি শুরু করবেন, আপনিও তাদেরকে অপমান করবেন। সেটাও সমানভাবে খারাপ। স্বামীকে আপনার বাবা-মার প্রতি শ্রদ্ধাশীল করে তুলুন। নিজেও তার বাবা-মার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন।
৬। স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ভালোবাসার পাশাপাশি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধও গড়ে তুলবেন। নতুন সম্পর্ক হয়েছে বলে খুব প্রেমে মজে থেকে স্বামীর সব কথায়, সব অনুরোধে জ্বী হ্যাঁ, জ্বী হ্যাঁ করবেন, এটা ঠিক নয়। নিজের বিবেচনাবোধকে প্রথম থেকেই কাজে লাগাবেন। স্বামীর ভালকে ভাল, খারাপকে খারাপ বলার প্র্যাকটিস প্রথম থেকেই করবেন, সর্বোপরি ব্যক্তিত্বসম্পন্ন হবেন। স্বামীকে বোঝার চেষ্টা করবেন। কিছু মেয়ে আছে স্বামীর সামর্থ্য জেনেও অযথা জব্দ করার অজুহাতে স্বামীকে খোঁচা মেরে কথা বলেন, যেটা অবশ্যই উচিত নয়। তবে স্বামীর ইচ্ছাকৃত অবহেলাকেও প্রশ্রয় দেয়ার কিছু নেই। অযথা নমনীয়তা প্রদর্শন করবেন না।![]()
![]()
৭। শ্বশুরবাড়িতে স্বামীর সাথে বা আর কারো সাথে অল্প-বিস্তর মনোমালিন্য হলে সেটা বাবার বাড়ির কারো সাথে শেয়ার না করাই ভাল। যতটা সম্ভব নিজেই সেটা মিনিমাইজ করার চেষ্টা করবেন। যার যার প্রাইভেসী রক্ষা করবেন। অনেক সময়ে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী বিয়ে করলে বাবা-মাকে অনেক কিছু বলাও যায় না, ছোট হবার ভয় থাকে। তবে খুব বড় রকমের সমস্যা হলে সাথে সাথেই বাবা-মার সাথে শেয়ার করবেন।
৮। নিজের জীবনের ব্যাপারে, ক্যারিয়ারের ব্যাপারে যেকোন সিদ্ধান্ত নিজেই নিবেন, স্বামীর সাথে পরামর্শ করবেন, স্বামীকেও তার কাজে পরামর্শ দিবেন, তবে যার যার সিদ্ধান্ত তাকেই নিতে দিবেন, অযথা কেউ কারো প্রতি জোরাজুরি করবেন না। মনে রাখবেন নিজের সত্তা নিজের অধীন, আর কোন মানুষের অধীন নয়। জোর করে কখনো ভালোবাসা বা মনোযোগ বা অতিরিক্ত যত্ন আদায় করা যায় না। স্বামীর সাথে এমন একটা বন্ধুত্ব সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করতে হবে, যাতে করে খুব সহজেই মনের কথাগুলো শেয়ার করতে পারেন। তবে যদি মনে হয় আপনার স্বামী খোলামেলা হতে চাচ্ছেন না, তাহলে ব্যডলাক। আপনিও তখন নিজেকে খোলামেলা করবেন না, এতে করে আপনার স্বামীর কাছে ছোটই হবেন, চটুলই হবেন। সমস্যা, জটিলতা এগুলো বাড়বে বৈ কমবে না।
৯। ভবিষ্যত সংসার জীবনটা কেমনভাবে সাজাতে চান, প্রথম থেকেই নিজেদের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা করে নিবেন।
আর আপাততঃ কিছু মনে করতে পারছি না, আপনাদের যদি আরো কিছু বলতে ইচ্ছা করে তা বলতে পারেন।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): নারী ;
প্রকাশ করা হয়েছে: নারী ও সমাজ বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ৯:৫৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
পুরুষ হয়েও আমি আবার পড়ে ভুল করলাম না তো? লেখক বলেছেন: না ভুল করেননি।
জেনে নিন, তাহলে ভাবীকে সাহায্য করতে পারবেন।
মদন বলেছেন:
ভালো লাগলো...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ![]()
স্পাইডার বলেছেন:
কয়টা বিয়ার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন লেখা?
লেখক বলেছেন: নিজের সাত বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একটা বিয়ে, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, কলিগদের আরো অনেক বিয়ের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন লেখা। ![]()
অভিজ্ঞতার পরিমাণ কেমন হলো ভাইজান?
সিভি ভারী হয়েছে তো?
লেখক বলেছেন: এখন বলেন, আপনার কোন কাজে লাগবে কিনা? ![]()
লেখক বলেছেন: তবে তো খুব ভাল কথা।
কষ্ট সার্থক।
লেখক বলেছেন: খুব ভাল কথা!! ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!! ![]()
এহসান জুয়েল বলেছেন:
সব পোলাদের কমেন্টস, মেয়েরা কোথায়???ছেলেদের জন্য বিবাহিত ভাই বেরাদাররা এমন একটা লেখা দেন প্লিজ।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ তাই তো!!! মেয়েরা কোথায়?? তারা হয়তো অনেকেই জানেন। সেই সাথে আপনাদেরও জানিয়ে রাখলাম আর কি।![]()
লেখক বলেছেন: এহ্ হে রে!! সব তো আপনারা জেনে ফেললেন!!! ![]()
লেখক বলেছেন: আপাততঃ তো আর কিছু মনে করতে পারি না। বাকী কিছু থাকলে পরে বলবো না হয়। কাজে লাগলে ভাল। ![]()
লেখক বলেছেন: আর ফালতু কিছু পড়ে আপনার সময়ের অপচয় করার প্রয়োজন নেই। সময়ের অনেক মূল্য কিনা!!!
তবে আপনার কাছে ভাল কিছু থাকলে দেন না, আমরাও কিছু শিখি।
এস এম শাখওয়াত আহমেদ বলেছেন:
নারী বাদী লেখা । একটা বিয়ে করলে এত অভিজ্ঞতা হয় না ....................।
লেখক বলেছেন: আপনি কয়টা বিয়ে করার পর ব্যাপারটা বুঝলেন দয়া করে জানতে পারি?
লেখক বলেছেন: নারীবাদী লেখা!!! এখনো তো একজন নারীও কমেন্ট করলো না??
পারাবত বলেছেন:
জানা থাক্লো।
লেখক বলেছেন: ভাবীর কাজে লাগলে ভাল। ![]()
পাহাড়ের কান্না বলেছেন:
আফনের মতো বউ পাইলে বিয়া করমু। নাইলে বিয়া করতাম চাই না।
লেখক বলেছেন: কেম্নে বুঝবেন একটা মেয়ে আমার মতো?? ![]()
লেখক বলেছেন: কিছু জানাতে পারলাম বলে ধন্যবাদ। ![]()
ডিজিটালভূত বলেছেন:
সুন্দর অভিজ্ঞতা। সবাই তাদের ভাল অভিজ্ঞতা গুলো এভাবে লেখলে মন্দ কী। ধন্যবাদ অনেক। তবে আমার বউ একটু বেশী চঞ্চল ছিল। এসেই রান্না ঘরে ঢুকে দেখাতে চেয়েছে সে ভাল রান্না করতে পারে। ঘটেছিল দুর্ঘটনা। গ্যাসের চুলাকে কেরোসিনের চুলা ভেবে তেল ঢেলেছলো চুলার উপরে। সবাই বেশ মজা করেছে। কারণ তাদের বাড়িতে গ্যাসের চুলা ছিল না।
লেখক বলেছেন: আমার এক কাছের আত্মীয়া এমন পারদর্শীতা দেখাতে গেছে, পরে তার শ্বাশুরী বাড়ির কাজের মেয়েকে বিদায় করে দিয়েছে, অথচ তারা সামর্থবান পরিবার, বুঝেন অবস্থা!!!
লেখক বলেছেন: ইট'স মাই প্লেজার!!
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
আশাহত হলাম কোন নারীর কাছ থকে এমন লেখা পেয়ে। লেখক শুরুতেই ধরে নিয়েছেন যে একটি মেয়ে বিয়ে করছে মানেই একটা প্রতিকূল পরিবেশে উপস্থিত হতে যাচ্ছে। তাই নিজেকে রক্ষার জন্যে কত পরামর্শ!২ নম্বর পয়েন্টটা খুবই আপত্তিকর। বিয়ে পুরুষ ও নারী দুইজনেই করে। রান্নার কাজটা অবধারিতভাবে মেয়ের ঘাড়েই যাবে বলে ধরে নিতে হবে, এটা কেমন কথা?
শুধুমাত্র রান্নার জন্যে নিশ্চয় কোন মেয়ের জন্ম হয় না। পারস্পারিক বোঝাবুঝির মধ্য দিয়েই নির্ধারিত হতে হবে কখন কে রান্না করবে বা করবে না।
আপনার লেখা নেতিবাচক ও রক্ষনাত্মক। আরো উদার দৃষ্টি কাম্য। যদিও আমি মনে করি আমাদের সমাজের অধিকাংশ নারীর বিবাহ পরবর্তী অভিজ্ঞতা ও লব্ধ পরিবেশ কমবেশী একই রকম এবং সেটা নারীর জন্যে প্রতিকূল।
তাই বলে আমরা প্রতিকূলতা মোকাবেলার প্রশিক্ষনের আয়োজন করবো না। প্রয়োজন সামগ্রিক পরিবেশকে অনুকূলে আনার প্রয়াস।
লেখক বলেছেন: আমি আমাদের দেশের প্রচলিত সংস্কৃতির উপরে ভিত্তি করেই লেখাটি লিখেছি। একজন নতুন বৌ শ্বশুর বাড়িতে গিয়েই সে বাড়ির আচার-আচরণ পাল্টে ফেলবে, এটা ভাবা এক ধরণের বোকামী এবং অবাস্তবতা। তার চারপাশের পরিবেশ সে পাল্টাতে পারে ধীরে ধীরে, তখন আর সে নতুন বৌ থাকে না। আর আমার এ পোস্ট নতুন বৌদের জন্য।
রান্নার ব্যাপারে নিজে যা বলেছেন, তা নিজে মানেন তো? আমাদের দেশে ছেলেরাতো ভাত খেয়ে নিজের প্লেট ধুতেও আগ্রহী হয় না, আবার রান্না??? কয়জন করে?? এ দেশে যেকোন মেয়েরই বিয়ের আগে দেখা হয় রূপ, বিয়ের পরে গুণ। লেখাপড়া, যোগ্যতা এসব নিয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকদের তেমন কোনো মাথা ব্যাথা থাকে না। তাইতো নিষেধ করেছি বেশী গুণীপনা দেখাতে না। আপনি কি বুঝলেন?
'প্রতিকূলতা মোকাবেলা' আর 'সামগ্রিক পরিবেশ অনুকূলে আনা' -- এ দুটো কথার মাঝে পার্থক্য কি, ঠিক বুঝলাম না? একটু বুঝিয়ে বলবেন কি, প্লীজ??
তবুও তুমি আমার বলেছেন:
আমার কাছে কিছুনাই কোনদিন থাকবেওনা আমি শুধু নিয়েই যাবো।
লেখক বলেছেন: কিছু দিবেন না?
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
জানলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লাইফ স্টোরি বলেছেন:
ভালোই লিখেছেন,কিন্তু কতখানি মেনে চলা যাবে জানিনা,ভালো থাকুন
লেখক বলেছেন: যার যার পারিপার্শ্বিকতা বুঝেই সব ম্যানেজ করা ভাল, সবার ক্ষেত্রে সব সমানভাবে করার দরকার নাও হতে পারে। তবুও যদি কিছু ভাল লাগে, তবে ভাল কথা। ![]()
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন:
ভাল টিপস । আসলেই অনেকের কাজে লাগবে ।
লেখক বলেছেন: কাজে লাগলে ভাল। ![]()
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন:
আপু অনেক ভাল লাগল (আপু র মেইল আই ডি টা পাওয়া যাবে, মাঝে মাঝে দরকারে অভিজ্ঞতা ধার করবো)
লেখক বলেছেন: আপু পারিপার্শ্বিক অবস্থার উপর নির্ভর করে নিজের বুদ্ধি-বিবেচনাকে কাজে লাগাবেন, তাহলেই হবে। অন্য কেউ আপনার জায়গায় দাঁড়িয়ে আপনার সমস্যাকে আপনার মতো করে বুঝতে পারবে না কখনোই। তাই প্রবাদ আছে, নিজ বুদ্ধিতে পাগল হওয়াও ভাল। ![]()
মেইল আইডিঃ
আপনি চাইলে আমাকে মেইল করতে পারেন, তবে উপরে যে কথাগুলো বললাম, সেটাই যদি ফলো করেন, বেশী ভাল হবে।
লেখক বলেছেন: হা হা। বেশী ভাল হয়ে গেছে?![]()
লেখক বলেছেন: জ্বী, কিন্তু সুখের লাগিয়া ওই টাফ কাজটা করা ভাল। ![]()
অবয়ব বলেছেন:
মজা পেলুম। অন্য রকম বিষয়। ভাল লিখেছেন।
লেখক বলেছেন: মজা দিতে পারলুম বলে ধন্যবাদ।
রথে চেপে এলাম বলেছেন:
আমি ছেলে তার উপর এই পথে আসতেও বহুউউউ দেরী।
লেখক বলেছেন: রথের স্পীড বহুত কম!!!! ![]()
মাটি ও মানুষ বলেছেন:
ভালই হল . বিয়ে করে নতুন বউকে পোষটা দেখামুনে . সরাসরি প্রিয়তে নিয়ে নিলাম ।
লেখক বলেছেন: বিয়ের একটু আগে আগে দেখালে আরেকটু ভাল হতে পারে। ![]()
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন:
দেশী আপু,,,,,,,,,, হবু বউকে লেখার লিং পাঠাইয়া দিছি তার উপকারে আসবে!! নি:স্বার্থ উপকারের জন্য আন্নেরে অনেক ধইন্না!!
লেখক বলেছেন: আন্নেরেও ধইন্যা, হেতেনেও কি চাঁদপুরের নি? তাইলে তো বালা কাম অইবো। ![]()
আনমনে বলেছেন:
+++++++++++্
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: কোন নাম? আমার নাম? কাহিনী কি বলা যাবে? ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
তানিয়া কবির লিজা বলেছেন:
বাহ: বিয়ের পর শুরু থেকেই তাহলে নিজের পারসোনালিটিকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্যে প্রতিযোগিতায় নামতে হবে দেখছি!আমি নিশ্চিত যে, আপনি সংসার জীবনে সুখি না।
আশা করি, কঠোর মন্তব্যেকে বাঁকা চোখে নিবেন না।
অবশ্য আপনি যে পারসোনালিটি সম্পন্না নারী, তাতে আমার এই মন্তব্য আপনার সহজে হজম হবে না।
আপুমনি, যে যাই বলুক সংসারকে মধুর করতে নারী-পুরুষ যেমন সমান ভুমিকা রাখে তবে তার পাশাপাশি আরেকটা জিনিষ আছে সেটা হলো নারীত্ব।
ইসলাম তো পালন করেন দেখি, ইসলাম অনুযায়ী ইসলামের নারী ব্যক্তিত্বগুলোকে কিভাবে নেন??
লেখক বলেছেন: আসলে শুধু বিয়ের পরই নয়, ছোটবেলা থেকেই ব্যক্তিত্বসম্পন্ন হতে হবে।
আর আপনি আমার ব্যক্তি-বিশ্লেষণের চেষ্টা করলেন বলে মনে হল। আসলে ব্লগে মনে হয় এই প্রথম আপনার সাথে আমার কথা হচ্ছে, তাই আমি ঠিক আপনার মনস্তত্ব বুঝতে পারছি না। আপনি কি এই পোস্টে বা আমার কোথাও কোন মন্তব্যে হার্ট হয়েছেন? হয়ে থাকলে স্যরি। সবার মতামত এক হবে, এমন কোন কথা নেই। টেক ইট ইজি।
আর সংসারে সুখি হওয়ার কথা বললেন?? কারো কাছে সুখ শাড়ী-কাপড়ে, গহনায়, কার কাছে সুখ স্বামীকে ঝাড়ি দিয়ে, কারো কাছে সুখ শ্বশুর বাড়ি থেকে স্বামীকে আলাদা করে ফেলার মধ্যে, কারো কাছে সুখ আমি মিসেস অমুক, আমার সাহেব তমুক এই পরিচয় দিয়ে, কার কাছে সুখ শুধু নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে, প্রতিদানে কিছু না চেয়ে, অপমান আর আঘাত সয়ে সয়ে। পৃথিবীতে রকমারী মানুষ আছে, তাদের সুখের সংজ্ঞাও বিভিন্ন।
আমি আবার এতো মহামানব নই। আমি কিছু দিতেও চাই, কিছু পেতেও চাই, কাউকে ছোটও করতে চাই না, নিজেও ছোট হতে চাই না। যার যার লাইফ, তার তার অধিকার। চাই নিজের সত্তার অধিকার।
আমার পার্সোনালিটি কেমন? আপনি কেমন বুঝেছেন আমাকে, কিভাবে?
সংসার মধুর করতে নারী-পুরুষের ভূমিকাও লাগে, নারীত্ব-পুরুষত্ব দুটোই লাগে।
আচ্ছা, আপনার কাছে নারীত্বের সংজ্ঞা কি? আমার পোস্টে ঠিক কোথায় নারীত্বের অভাব হয়েছে, একটু বলবেন প্লীজ?
খেয়াল করেছেন নিশ্চয়ই , আমার পোস্টে ধর্মীয় কোন আলোচনা করিনি। আসলে এটা আমি মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ ও অন্যান্য সব ধর্মাবলম্বী বাংলাদেশী নারীদের কথা মাথায় রেখে লিখেছি।
আর ইসলামে নারী ব্যাক্তিত্বের ব্যাপারে যদি বলতে চাইঃ আমার খোদেজা (রাঃ) কে পছন্দ, কারণ যখন রাসূল(সাঃ) নবুয়্যতপ্রাপ্তির সময় জিব্রাইল(আঃ) কে দেখে ভয় পেয়েছিলেন, খাদিজা কিন্তু ভয় পাননি, তিনি তাঁর স্বামীকে আস্বস্ত করার চেষ্টা করেছেন এ বলে নিশ্চয়ই আল্লাহ্তাওয়ালা আপনাকে অপমান করবেন না। অনেকে ভুল বুঝলেও খাদিজা কিন্তু নবীজিকে ঠিকই বুঝেছেন, বিচক্ষণ মহিলা। সে সাথে আত্মনির্ভরশীল মহিলাও, আবার প্রয়োজনে কর্মচারীর(রাসূল (সাঃ)) সাহায্য নিয়েছেন।
আবার আয়েশা(রাঃ)কেও পছন্দ, কারণ যখন সবাই তাঁর নামে অপবাদ দিচ্ছিল, রাসূল(সাঃ) কেন তাঁকে বিশ্বাস করতে পারলেন না, সন্দেহ করলেন, পরে যখন এ সংক্রান্ত কোরআনের দুটো আয়াত নাজিল হলো তাঁর বাবা-মা বলেছিলেন রাসূল(সাঃ)কে সালাম করতে, কিন্তু তিনি ঐ ভুলের প্রতিবাদ স্বরূপ সালাম করতে রাজি হননি। দেখুন, কেমন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মহিলা!!! রাসূল(সাঃ)কেও তিরস্কার করতে ছাড়েননি।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
মোট কথা হল, মেয়ের কাছে তার শ্বাশুড়ি হল, "তোমার মা কী চায় তুমি ছেলে হয়ে বুঝনা! তোমার মাকে বোঝাও, তোমরা মা ছেলে মিলে মিটমাট কর...."
ছেলের কাছে তার শ্বাশুড়ি হল, "আম্মা এই শাড়িটা আপনার জন্য...আম্মা এই পাঞ্জাবিটা আব্বার জন্য (শ্বশুর মশাই)"
এভাবে হয়না ম্যাডাম।
লেখক বলেছেন: তাহলে কিভাবে হতে পারে?? কিছু শেয়ার করেন......
রাতফুল বলেছেন:
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। ![]()
জাকির হোসেন বিডি বলেছেন:
তবুও তুমি আমার বলেছেন: এরচে' ফালতু আর কিছু আছে ? থাকলে দেন।ও-হ্যাঁ, আমি কিন্তু মাইনাস দিছি।
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন: আপু অনেক ভাল লাগল এরকম সৎ পরামর্শ দেয়ার লোক এখন নাই।
তানিয়া কবির লিজা বলেছেন: বাহ: বিয়ের পর শুরু থেকেই তাহলে নিজের পারসোনালিটিকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্যে প্রতিযোগিতায় নামতে হবে দেখছি!
অনেক লম্বা গদ্য , তাই শুধু কমেন্ট গুলো পড়লাম !!
তবে পরামর্শগুলো মেয়েদের কাছেই বিতর্কিত বলে মনে হচ্ছে !!
লেখক বলেছেন: তাহলে তো মনে হয় এটা পুরুষবাদী পোস্ট হয়ে গেছে!!!!! ![]()
লেখক বলেছেন: কার বিয়া? আপনার নিজের? খাসীর রোস্ট??
আহারে!!!
যীশূ বলেছেন:
ছেলেদের জন্যও কিছু টিপস দিয়ে দেন।
লেখক বলেছেন: আয় হায়!!! সেটাতো আপনারা ভাল দিতে পারবেন। ![]()
কাব্য বলেছেন:
hummmmmmmm
লেখক বলেছেন: বুঝছেন কিছু? নাকি এখনো ছোট আছেন? ![]()
লেখক বলেছেন: যীশু ভাই নতুন বিবাহিত পুরুষদের জন্য চেয়েছে। ![]()
জেরী বলেছেন:
এত মাইনাস পড়লো যে!!
লেখক বলেছেন: কালরাতে ভাইয়ারাই বেশী মাইনাস দিয়েছিল। কারো অভিযোগ এটা নাকি নারীবাদী পোস্ট, নেতিবাচক...। এরপর আর কারা মাইনাস দিয়েছে কে আর রাখে সে খবর? সবার সবকিছু ভাল লাগবে তা তো নয়। ব্যাপার না আপু।
মেয়েরা নিজের ভাল বুঝুক, মেরুদন্ড সোজা রাখুক, অনেকেই সেটা চায় না।
রাজীব বলেছেন:
বিশাল লিস্ট দিছেন। পরে পড়ব আপাতত প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: না পড়েই প্রিয়তে?? সময় করে অবশ্যই পড়ে নিবেন। ![]()
লেখক বলেছেন: আমার ক্লোন কই পামু? ![]()
লেখক বলেছেন: দেখি, নতুন জামাইদের জন্য যদি কিছু কথা মাথায় গিজগিজ করা শুরু করে, তখনই লিখব। ![]()
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন:
নিজ বুদ্ধিতে পাগল হওয়াও ভাল। মনে থাকবে
আইডুর জন্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। ![]()
লেখক বলেছেন: হা হা। ভাল করেছেন।
লেখক বলেছেন: আপনি কি নতুন জামাই হইতে যাইতেছেন???![]()
লেখক বলেছেন: আইচ্ছা, পারলে জানাবো নি। তবে ব্লগের বিবাহিত ভাইয়েরা এ ব্যাপারে ভাল বলতে পারবে। অভিজ্ঞতা আছে না!! ![]()
সাদাকালোরঙিন বলেছেন:
ভালো লেগেছে পরামর্শগুলো । আমার কাছে বাস্তব মনে হয়েছে পরামর্শগুলোকে। অভিজ্ঞ্তা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ভাববেন না আবার সব আমার নিজের জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনা থেকে অভিজ্ঞতা নিয়েছি, কেউ কেউ সেটা ভেবেছে। আমি ঠেকে শেখার চেয়ে দেখে শিখেছি বেশী। আশপাশকে অবজার্ভ করার একটা অভ্যাস আছে আমার। ![]()
লেখক বলেছেন: ভালই হলো। ![]()
লেখক বলেছেন: আম্নেরেও ধইন্যাপাতা। ![]()
লেখক বলেছেন: নতুন বিবাহিতা নারী বলতে আপনি পুরুষ মনে করছিলেন বুঝি? ![]()
বেওউল্ফ বলেছেন:
দুঃখিত সবার মত আমিও পুরুষ হয়েও ক্লিক করে ফেলেছি। তবে ভালই হয়েছে আমি অন্যদেরকে এই লিংক দিয়ে দেব।আমি কিন্তু ১০ নম্বর টিপস জানি।
আর তা হল পরিবারের সবাইকে একত্র করে [স্বামী সহ] একটা খেলা খেলতে হবে। আর তা হল ডাবলিউ ডাবলিউ এফ রেসেল মেনিয়া। হাঃ হাঃ হাঃ
দুঃখিত, মাফ করবেন।
লেখক বলেছেন: অসুবিধা নাই, ভাবীর কাজে লাগলেও চলবে।
আর ১০ নম্বর টিপসের জন্য ধন্যবাদ। মজার হয়েছে। ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অসম্ভব রকম সুন্দর একটি পোষ্ট করেছেন আপনি।
যারা বুঝতে পারে, তাদের জন্য খুবই দরকারী। এটি তাদের দৃষ্টিভংগী কে সংহত করবে আশা করা যায়।
অনেক পুরুষবাদী/ নারীবাদী বোকার মতো সমাজ পরিবর্তনের কথা বলে। কিন্তু কাদা থেকে পদ্ম ফুল তুলতে গেলে কাদার মখোমুখি হতে হয়, তা বোধহয় তারা ভুলে যাচ্ছেন।
আগে যে পরিস্থিতির মুখোমুখি আমরা হচ্ছি তা থেকে কল্যাণ কিছু বের করে নেয়া এবং তা-কে কল্যাণে রূপান্তরিত করাই সম্ভবত সবচেয়ে যৌক্তিক হবে।
আপনার পোষ্ট যৌক্তিক বোধের সচেতন মানুষের উপকারে আসবে।
আন্তরিক ধন্যবাদ আবারো।
লেখক বলেছেন: অনেক সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আসলেই বাস্তবমুখী হওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই।
রেজোওয়ানা বলেছেন:
আপু মনিরা সব কই।আমি এই ধাপ বহু আগেই পার করে ফলেছি, তবু একবার ঢু দিয়ে দেখমালম, আমার সাথে মিলে কিনা!!
লেখক বলেছেন: কি দেখলেন? মিললো কি? ![]()
মাহমূদ হাসান বলেছেন:
জানি না বাস্তবতা কী, আপনার পোস্টে প্লাস।কিন্তু আমার এসব নিয়ম নীতি ভাল লাগে না।
সেটা আমার ভুলও হতে পারে।
কোন মানুষই নির্ভুল না।
কিন্তু একজন মানুষর উপর চতুর্দিক থেকে এমন চাপ সৃষ্টি করা।
সবার মন খুশি করা , এসব ভাবলে আমার মেজাজ খারাপ হয়ে যায়।
আমি চাই না কারো উপর এমন প্রেসার পড়ুক।
তবে একটা জিনিসকে আমি খুব ঘৃণা করি। তা হলো মুরুব্বীদের সাথে বেয়াদবী করা।
আমি অনেক জল্লাদ শ্বাশুড়ীকে দেখেছি, তাদেরকে আমার শাস্তি দিতে ইচ্ছে করে। কলকাতায় গিয়েছিলাম আমার নানাবাড়ীতে।
আহ, ওখানে যে অবস্থা দেখলাম। আমার অনেক কষ্ট লাগল।
বিয়ের পর নতুন বউ সব কাজ করবে, ননদ, শ্বাশুড়ী, বড় বউয়েরা সবাই আরাম করবে?
এমন জঘন্য মানসিকতাকে অলওয়েজ ইগনোর করি।
যৌতুক ছাড়া সেখানে বিয়ে অসম্ভব।
রিক্সাওয়ালা হলেও কমপক্ষে ৮০ হাজার টাকা যৌতুক দিতে হবে।
আমার কোনরকম ইচ্ছা তবু যদি কোনদিন আমার জীবনে কিছু একটা ঘটে,
আমি কাউকে আমার বাবা-মা'র সেবা করতে বলবো না। নিজের ইচ্ছায় হালকা পাতলা করতে পারে। আসল সেবা আমি করবো, এখনো করি,
এখানো বাবার হাত পা মালিশ করে দেয়।
ছেলে হয়েও মায়ের সাথে অনেক রান্নার কাজ করে দেয়।
অতিথি পরায়ণতা ছাড়া এই সমাজের কোন কিছুই আমি মানি না।
এই সব নিয়ম অমানবিক।
শ্বশুর - শ্বাশুড়ীকে কি করতাম আল্লাই জানে।
মাহমূদ হাসান বলেছেন:
মানে যদি আমি মেয়ে হতাম তাহলে। আশ-পাশে অনেক দেখেছি, জল্লাদ শ্বাশুড়ীর গল্প, তাই মনে মনে আমার একটু অরুচি আছে।আমার কথা হলো,কারো উপর ভয়-ভীতি প্রেসার চাপিয়ে না দেয়া।
আমার মানসিকতা অন্য রকম করে গড়ে তুলছি।
ইতিহাস তন্ন তন্ন করে খুঁজছি।
আপনি জানেন পৃথিবীর ইতিহাসে মহামানব কারা আমি কেবল তাদেরই অনুসরণ করব।
অন্য কোন সমাজ কোন জাতিকে না। আমার নিজের জাতিকেও না। এই যে হরতালে অনেকের গাড়ি ভাংচুর করা হয়। তাতে সেই লোকটার দোষ কী? এমন জাতিকে আমি অনুসরণ করতে পারি না। যদিও সমগ্র জাতি এর জন্য দায়ী না।
আরবীকে আমি আমার মাতৃ ভাষার চেয়ে ১০০% বেশী ভালবাসি। তাতে কোন সন্দেহ নেই।
ভাষা আল্লাহর নিয়ামত। তবে আমি তাপমাত্রা ঠিক রাখাতে বিশ্বাসী।
আমার চিন্তা ভাবনা ব্যতিক্রম।
একজন ছেলে তার জন্মের পর থেকে মৃত্য পর্যন্ত একবারের জন্যও তার বাবা-মায়ের সাথে খারাপ আচরণ করতে পারবে না।
বিয়ের পর থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত স্বামী-স্ত্রী কখনোই ঝগড়া করতে পারবে না।
একজন মানুষ কখনোই কোন অবস্থাতেই রাগান্বিত হতে পারবে না।
এই রকম কিছু কঠিন সিদ্ধান্তে আমি বিশ্বাস করি। তবে এই কঠোরতা নিজের ক্ষেত্রেই বেশী প্রযোজ্য।
দয়া করে এই ব্লগে কমেন্টগুলো ডিলেট করে দেন। না হলে সবাই আমাকে আনসোশাল ভাববে।
এইখানে একটা কমন্টে দেয়া আছে দয়া করে পড়ুন।
Click This Link
আর আমি তো মানুষ। ভুল হতেও পারে। ১০০% শিউর।
ভুল হলে ক্ষমা করবেন।
আপনার মন্তব্য আমার ব্লগে দিতে পারেন, যে কোন স্থানে।
কমেন্টগুলো মুছে দিবেন কিন্তু।
শ্বশুর-শ্বাশুড়ী নিয়ে ইসলামরে বিধান ও ইতিহাস পুরোপুরি ঘাটাঘাটি করব বলে আশা রাখি।
লেখক বলেছেন: আপনি যে কথাটা বললেন সেটা তাত্ত্বিক। হ্যাঁ, ছেলে-মেয়েদেরই উচিত বাবা-মার সেবা করা, পূত্রবধূ বা মেয়েজামাই -এর সে দায়িত্ব না। কিন্তু আমাদের সামাজিক প্রেক্ষাপট সেরকম না, তাই ব্যবহারিক ক্ষেত্রে অনেক কিছু পাল্টে যায়। যেমন ধরেন, ছেলেরা কেউ কোন কারণে আপাততঃ কাছে নেই, তাহলে মেয়েদের ঐ সময় বাবা-মাকে সময় দেয়া দরকার। এখন মেয়েরা বিয়ের পর শ্বশুর বাড়ি বা জামাইসহ আলাদা থাকে। সেক্ষেত্রে সে কি করবে? হয় বাবার বাড়ি এসে থাকবে না হয় নিজের বাসায় নিয়ে যাবে। এখন যদি বাচ্চাদের স্কুলে যাবার ব্যাপার থাকে বা বাবা-মা খুব বেশী অসুস্থ যে অনেকদিন ধরে তাদের দেখাশোনা করতে হবে, কিন্তু স্বামীর কর্মস্থল অন্য জায়গায়, এখন এ ক্ষেত্রে কি হবে? নিশ্চয়ই বাবা-মাকে তার নিজের বাসায় নিয়ে আসবে। মনে করুন সে মেয়েটি গৃহিনী। তাহলে তার বাবা-মার খরচ কে দেবে? নিশ্চয়ই মেয়েজামাই, এখানে মনে করলাম ভাই নেই অথবা ভাইদের সে সামর্থ্য নেই। তাহলে দেখুন বিভিন্ন বাস্তবতায় বিভিন্নভাবে সবাই জড়িত হয়ে পড়ে। তবে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে বুড়ো বাবা-মাকে দেখাশোনার দায়িত্ব ছেলে এবং ছেলের বৌ-এর উপরে পড়ে এজন্য যে তারা বেশী কাছাকাছি থাকে।
তবে এটা ঠিক বাড়ির বৌকেই গৃহস্থালীর সব দায়িত্ব কাঁধে নিতে হবে, এ ধারণা পরিবর্তন হওয়া দরকার।
আচ্ছা, এই যে আপনি নিজের হাতে আপনার বাবা-মার সেবা করেন, এখন আপনার বিয়ের পর আপনি কি করবেন? আপনার স্ত্রীকে আপনাদের বাসায় নিয়ে আসবেন নাকি নিজে আলাদা বাসা নিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে আলাদা থাকবেন? যদি আলাদা থাকেন তাহলে কিভাবে বাবা-মাকে প্রতিদিন সেবা করবেন? আর যদি আপনার বাবা-মায়ের সাথে থাকেন, তাহলে আপনার স্ত্রী কি করে তার বাবা-মায়ের সেবা করবে? তাহলে কি যার যার বাবা-মায়ের সেবার জন্য দুজনে যার যার বাপের বাড়ি থাকবেন? নাকি আপনার বাসায় আপনার বাবা-মা এবং আপনার স্ত্রীর বাবা-মা দু পক্ষকেই নিয়ে আসবেন? সাধারণভাবে বললে আপনার স্ত্রীর গৃহিনীই হবার কথা, যেহেতু আর্থিক দায়িত্ব পুরুষের উপরে। তাহলে আপনার শ্বশুর -শ্বাশুরীর খরচ কি আপনি দিবেন? যদি আপনার স্ত্রীর কোন ভাই না থাকে?
----- এভাবে ভেবে দেখুন যেকোন একপক্ষের প্রতি একটু বায়াস্ড হওয়াই লাগে। এটাই আমাদের সমাজের নিয়ম। যে দেশে ছেলেমেয়েরা বড় হওয়ার পর সবাই আলাদা হয়ে যায়, সেখানেই বৃদ্ধাশ্রমের ব্যাপারটা বেশী অথবা অনেকগুলো কাজের লোক রাখা দরকার পড়ে। নিজের ছেলে-মেয়ের চাইতে বাইরের মানুষের উপর নির্ভর করতে হয়। অথচ এই বাবা-মা কত কষ্ট করে ছেলে-মেয়েদের বড় করে, গড়ে তোলে। বুড়ো বয়সে যদি ছেলে-মেয়েরা নিজেদের কাছে নিয়ে রাখে সেটাই কি বেশী আন্তরিকতা না?
মাহমূদ হাসান বলেছেন:
ইয়াপ, আপনার সাথে একমত। চমৎকার যুক্তি উপস্থাপন করেছেন।ছেলে-মেয়েকে মানুষ করে গড়ে তুলতে পারলে আশা করি বৃদ্ধাশ্রমের প্রয়োজন হবে না। আমার কাছে মানুষ হওয়ার একমাত্র পথ . . . . ।
সিটিজি৪বিডি বলেছেন:
আমি বিয়ের পর আমাদের পরিবার সম্পর্কে অনেক ধারনা দিয়েছি যার ফলে বাসায় আর কোন সমস্যা হচ্ছে না। প্রধান কথা হচ্ছে শাশুর বাড়ীর সবাই নতুন বউকে আপন করে নিলেই হয়। আর নতুন বউকে ও সকলের মন জয় করার চেষ্টা করতে হবে। তাহলেই সুখ-আর শান্তি!!! অনাবিল শান্তি!!!!
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, দায়িত্বটা দুপক্ষেরই।
লেখক বলেছেন:
চেষ্টায় কি না হয়।
অনন্যা09 বলেছেন:
ধুর, বিয়াই করুমনা.।.।.।।।
লেখক বলেছেন: তাহলে কিন্তু অনেক কিছু মিস্ করবেন, বুঝে দেইখেন!! ![]()
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
খুব ভালো একটি লেখা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, অনেকদিন পর পড়ার জন্য।
ম্যাকানিক বলেছেন:
আপনার লেখা ও বিভিন্ন প্রতি মন্তব্যের সাথে পুরাই সহমত। এই লেখাটা জামাই বউ দুই জনেরই অবশ্যপাঠ্য।
তবে একটা জিনিশ কি একটু বুঝায়া বলবেন যে
কোনো কোনো বউ যখন স্বামীরে ওভারটেক কইরা নিজে নিজে পোদ্দারী করতে গিয়া শ্বসুর বাড়ীতে ধরা খায় তখন তার সব দোষ কেনো জামাই এর ঘারে দেয়া হয়?
রান্না বান্নার ক্ষেত্রে আপনার প্রতি মন্তব্য একদম সঠিক তবে কিছু কিছু ভাবী আছে জামাই ডেকচি থেকে প্লেটে ভাত দিলেই সবার কাছে প্রচার করে বেড়ায় তার জামাই তাকে রান্না করে খাওয়ায় এটা হয়তো খুবই নির্দোষ একটা জামাই এর গুনগান কিন্তু এর ফলে যে অন্যের সংসারে অশান্তির আগুনে ঘি ঢালা হয় সেটা কি তারা কোনোদিনও বুঝবেন?
আর আমরা ছেলেরা সারাদিন ঘরের বাইরে একটা মেয়ের জন্য সামাজিক স্ট্যাটাস শড়ী গহনাসহ তার নানা রকমের সাধ আহলাদ পুরন করার জন্য যেই পরিমান ঘাম ঝরাই তার বিনিময়ে কি তিন বেলা খাবার প্রত্যাশা করা কি খুব বেশী কিছু!
যাক গা বাদ দেন
অনেক কিছু লিখতে ইচ্ছে করতেছে যার পুরোটাই নারী বিদ্বেষী এবং রেসিস্ট হয়ে যাবে।
ভাইজান সহ আপনারা ভালো থাকেন সুখে থাকেন
লেখক বলেছেন: "কোনো কোনো বউ যখন স্বামীরে ওভারটেক কইরা নিজে নিজে পোদ্দারী করতে গিয়া শ্বসুর বাড়ীতে ধরা খায় তখন তার সব দোষ কেনো জামাই এর ঘারে দেয়া হয়?"
হাসলাম অনেকক্ষণ। সে নারীকে বোকা বলতে আমার কোন দ্বিধা নেই। সাথে কিছুটা আবেগপ্রবণও বলা যেতে পারে। এক্ষেত্রে স্বামীর কাজ হবে ঠান্ডা মাথায় আন্তরিকভাবে স্ত্রীর এই বোকামীটা বুঝিয়ে দেয়া।
যেসব ভাবীরা ডেকচি থেকে খাবার প্লেটে তুলে দিলেই স্বামীর পাঁচমুখে প্রশংসা করে, এমন বৌ পাওয়া তো ছেলেদের জন্য খুবই ভাগ্যের কথা। ![]()
আর মেয়েদের স্ট্যাটাস বলতে আপনি কি বোঝালেন? মিসেস অমুক...এরকম কিছু, নাকি একটা মেয়ের নিজের যোগ্যতাবলে স্ট্যাটাস?
প্রথমটা যদি হয়, এতে আসলে ব্যক্তিগতভাবে আমার কোন আগ্রহ নেই, আমি বা আমার মতো যাদের মানসিকতা, তাদের এতে খুশি হবার কিছু নেই। তার মানে এই না স্বামীর যোগ্যতাকে ছোট করা, মানে হলো সেটাকে স্বামীর যোগ্যতা মনে করা, নিজের না।
শাড়ী-গহনার ক্ষেত্রে বলবো সুজাতারাই সুখী নয়, মেয়েরা আসলে তাদের স্বামীদের কাছ থেকে সময়ও পেতে চায়, মনোযোগ পেতে চায়। স্বামীর সাথে সবকিছু শেয়ার করতে চায়। একটা ছেলে সারাদিন মানে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বাইরে থেকে কাড়ি কাড়ি টাকা রোজগার করবে, আর ভাববে টাকা পেলেই নারীকে খুশী করানো যাবে, তাকে সময় দেয়ার কোন প্রয়োজন নেই, এটা খুবই ভুল ধারণা। এর মানে কিন্তু এই না যে মেয়েরা বেকার স্বামী পছন্দ করবে, মানে হলো সবকিছুতে একটা সীমা থাকা দরকার। জীবনে সবকিছুরই প্রয়োজন আছে। টাকা, ভালোবাসা, পরস্পরকে সময় দেয়া, পরস্পরের প্রতি দায়িত্ববোধ.........
আপনিও ভাল থাকুন, আপনার সঙ্গীসহ (যদি থাকে)।
হুমায়ুন_কবির_হাকিম বলেছেন:
আফা, আমি ছেলে। আমার জন্য কোন টিপস দিবেন নি!!!
লেখক বলেছেন: উপরে অনেকে তো কইলো কথাগুলো ছেলেদের জন্যও প্রযোজ্য। ![]()
অনন্যা09 বলেছেন:
্না ভাই ,মিস ই থাকলাম।মিসেস হয়ে কাজ নাই..।...।
লেখক বলেছেন: এখন আপনার জোয়ানকাল, আশেপাশে বন্ধু-বান্ধব আছে, তাই বুঝতাছেন না। একসময় আমারও মনে হতো কি দরকার ছিলো বিয়ে নামক সামাজিক প্রথার। একা থাকার মজাই আলাদা। কোন দায়িত্ব নাই, পিছুটান নাই, গায়ে হাওয়া লাগিয়ে বেড়ানো......আশেপাশের সবাই যখন যার যার মতো ব্যস্ত হয়ে যায়, তখনই বোঝা যায় একজন আমরণ সঙ্গীর দরকার, তা না হলে সুখ- দুঃখ শেয়ার করার কেউ থাকে না।
ইসানুর বলেছেন:
++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন:
ভাল লেগেছে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ভবিষ্যতে কাজে লাগতে পারে।
ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন:
প্রিন্ট কইরা (নতুন) বউরে দিয়া দিলাম,
লেখক বলেছেন: (নতুন) ভাবী পড়ে কি বললেন? পছন্দ হয়েছে? ![]()
লেখক বলেছেন:
![]()
ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন:
ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন: প্রিন্ট কইরা (নতুন) বউরে দিয়া দিলাম,ভাই, পুরাতনটার খবর কি?
তারে এই লিস্ট টা দিতে পারি নাই
লেখক বলেছেন:
![]()
বিপ্লব কান্তি বলেছেন:
হুম
লেখক বলেছেন: হুমান ক্যান?
অবাঞ্চিত বলেছেন:
পুলাগো লাইগ্যা কোন টিপস নাই???
লেখক বলেছেন: কেউ কেউ বলেছেন এটা উভয়পক্ষের জন্যই প্রযোজ্য হতে পারে। আর কমেন্টের ফাঁকে ফাঁকে কিছু বলেছি তো।
পরান বলেছেন:
ভালো লাগলো... প্রিয়তে রেখে দিছি যারে বিয়া করুম হেরে দেখানোর জন্য
মেয়েরা আসলে তাদের স্বামীদের কাছ থেকে সময়ও পেতে চায়, মনোযোগ পেতে চায়। স্বামীর সাথে সবকিছু শেয়ার করতে চায়। টাকা পেলেই নারীকে খুশী করানো যাবে, তাকে সময় দেয়ার কোন প্রয়োজন নেই, এটা খুবই ভুল ধারণা। এর মানে কিন্তু এই না যে মেয়েরা বেকার স্বামী পছন্দ করবে, মানে হলো সবকিছুতে একটা সীমা থাকা দরকার। জীবনে সবকিছুরই প্রয়োজন আছে। টাকা, ভালোবাসা, পরস্পরকে সময় দেয়া, পরস্পরের প্রতি দায়িত্ববোধ.........
লেখক বলেছেন: দুজনে মিলেই দেইখেন। কাজে লাগতেও পারে। ![]()
দাসত্ব বলেছেন:
যাক ভালো লাগলো জেনে সুখে আছেন , অন্তত ভালো আছেন।ব্রাদার কে গুডলাক। পোস্ট পড়ে মজা পেয়েছি। ইফেক্টিভ - আন ইফেক্টিভ বলতে পারবোনা।
মানুষের সম্পর্কে অনেক পরিবর্তন এসে গেছে।
পোলাপাইন সব ফেসবুক আর ডিজুস প্রজন্ম।সাইবার স্টার- রক স্টার ।
বাংলিশ আর কেএফসি-পিজাহাটের ঠেলায় কতকিছু করে বেড়াইতেসে আর নিজেদেরকে মহা চালাক ভাবতেসে।
যাইহোক - আপনার প্রচেষ্টা সফল হোক।
আর মনে হচ্ছে রান্না বান্না ভালোই পারেন।
সুযোগ থাকলে একটু দাওয়াত টাওয়াত দিয়েন
লেখক বলেছেন: হা হা। রান্না-বান্না শুধুমাত্র ঠেকা সামলানোর মতো পারি, নিজেরও তো খেতে হয়, তাই। নিজের খেতে না হলে রান্না-বান্না শিখতামই না, বড়ই বোরিং লাগে আমার কাছে।
আপনি থাকেন কোথায়? আমার বাসায় দাওয়াত খেতে হলে কিন্তু কোরিয়ায় আসা লাগবে, প্লেন ভাড়া আপনের। চলে আসেন একদিন। ![]()
দেশী পোলা বলেছেন:
পুরান বউদের জন্য কিছু লেখেন, বিশেষ করে আমার বিবি, যিনি প্রথমে মহিয়সী নারী ছিলেন, তয় এখন উনি ফ্যাসীবাদের সমর্থক, উনার জ্বালাময়ী কন্ঠ আর দূরপাল্লার ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষেপের কৌশল ইরানী সামরিক শখতিকেউ হার মানাইয়া দিতেছে। দয়া করিয়া একটা টিপস দেন যাতে উনি স্বামীভক্ত হইয়া আমার ওয়ালেট, ক্রেডিট কার্ড আর ব্যাংকের চেক বইটা ফেরৎ দেন। উনার ভয়ে আমি একটা আন্ডারওয়ার পর্যন্ত ক্রয় করিতে পারিতেছি না, এক লুংগি আর কতদিন পড়িব??লেখক বলেছেন: হা হা হা।
ঘটনা হইলো আমি নিজেই এখন পুরান বৌ হিসেবে ট্রায়াল এন্ড এরর পর্যায়ে আছি, আরেকজনরে পরামর্শ দেওনের মতো চুল পাকে নাই এখনো।
আমার থেকে ওই পোস্ট পাইতে এখনো বহুত দেরী আছে। তয় ভাবতেছি, আপনার উদাহরণ দিয়া জামাই-র সাথে একটা ঝগড়া বাঁধামু কিনা .........মাইনসের জামাইরা বৌয়ের কাছে ওয়ালেট, ক্রেডিট কার্ড, চেক বই সব জমা রাখে, আর আমি তোমার বেতন কত সেইটাই আজ পর্যন্ত ঠিকভাবে জানি না..................![]()
![]()
...............ইহা একটি এরর!
বিপরীত স্রোত বলেছেন:
আপা একটা প্রশ্ন ছিল যদিও বিয়ে সাদি করা হয় নাই তারপরেও জিজ্ঞেস করি বিয়ের পর ছেলেদের কি তার মাতা পিতার সাথে একই ছাদের তলায় থাকা উচিত নাকি কিছুটা দূরত্ব রেখে নিজেদের আলাদা সংসার আরম্ভ করা উচিত ? পত্রিকা ম্যাগাজিনে শাশুড়ী বউয়ের সংঘাত নিয়ে প্রায়ই পড়ি আপনার অভিজ্ঞতা কি বলে ? কোনটা ভালো বাবা মার দেখাশুনা করা ভালোভাবে কিন্তু কিছুটা স্পেস রেখে নাকি একই ছাদের তলায় সবার বসবাস করা কোনটা নারী হিসেবে কোনটা বেশি আপনার কাছে বাস্তব সম্মত মনে হয় ?
লেখক বলেছেন: এটা তো আসলে পরিবার টু পরিবার ভিন্ন হবে। যদি আপনার বাবা-মার বাসায় পর্যাপ্ত প্রাইভেসীর ব্যবস্থা থাকে, আর আপনি এবং আপনার স্ত্রী দুজনেই বাবা-মা যে শহরে সেখানেই থাকেন, এক্ষেত্রে আলাদা বাসায় থাকা দৃষ্টিকটু দেখায়। অনেক সময় বাবা-মাও কষ্ট পায়। তবে শহরের এ প্রান্ত-ঐ প্রান্ত বাসা-অফিস হলে সে আলাদা কথা, বা একেবারেই শাশুড়ী-বৌ এডজাস্ট হচ্ছে না, তখন হয়তো। কিন্তু বিয়ের সাথে সাথেই বাবা-মার কাছ থেকে ছেলের আলাদা হয়ে যাওয়া আমরা অনেকেই পছন্দ করতে পারি না। আমাদের সমাজে এটা সহজভাবে দেখে না। তবে আপনার বাবা-মা যদি নিজে থেকেই আপনাকে বলে, সেটা ভিন্ন কথা।
আবার একজন নারী শুরুতে এসেই শশুরবাড়ির সব সিস্টেম তছনছ করে ফেলবে, সত্য বলতে কি এটা আমি মন থেকে মানতে পারি না, যে কোন পরিবর্তন ধীরে ধীরে হওয়া ভাল, যাতে সবাই পরিস্থিতির সাথে নিজেকে এডজাস্ট করতে পারে।
আবার আপনার স্ত্রীর যদি পড়াশোনা বা চাকরীর কারণে যদি দূরে থাকার ব্যাপার থাকে, সেখানে তো এমনিতেই আলাদা থাকতে হবে। আমি আবার মেয়েদের বিয়ের পর স্বামীর সাথে থাকার জন্য নিজের লেখাপড়া , চাকরী-বাকরী ছেড়ে দিয়ে স্বামীর পিছপিছ ঘুরা, এ ব্যাপারটা সহজভাবে নিতে পারি না। এখানে আসলে পারস্পরিক বোঝাপড়ার ব্যাপার আছে।
আর সন্তানের উপর বাবা-মার একটা স্নেহের টান থাকেই, হুট করে তাদের সেন্টিমেন্টে আঘাত দেয়া ঠিক না। আমরা হাজার চাইলেও বাবা-মার ঋণ শোধ করতে পারবো না, তাই অন্ততঃ যেন অনাবশ্যক, যৌক্তিক কষ্ট না দেই, সেদিকে খেয়াল রাখা দরকার।
দাসত্ব বলেছেন:
জ্বী আমি আছি মধ্য আমেরিকার একেবারে মধ্যখানে- কানসাস।আহা আর বলবেন না , আব্বু- আম্মু অনেক আদর করে বড় করসেন। আসার আগে আম্মু বলতেসিলো রান্না শিখে যা.. কান দেই নাই। এখন বুঝতেসি এটা জীবনের কত বড় ১টা অংশ, বিশেষ করে সুস্বাদু রান্না।
উল্টাপাল্টা রাঁধি , সারাদিন মনমেজাজ খিচড়ে থাকে । ব্লগে আইসা ঝাড়ি। রসনা তৃপ্তি- এটাযে কত বড় বিষয়। আহা!
আসমু- বোয়িং এ চাকরী পাইলেই কোরিয়া আসমু।
সারা দুনিয়ায় সাইবার মিতালী পাতাইতেসি- আসলে ফ্রী খাওয়ার ধান্দায়
লেখক বলেছেন: আহালে! আমার মতো মায়েরে রাইন্ধা তো কিছু খাওয়ান নাই, জলদি জলদি রান্না শিইখ্যা লন, তাইলে বিয়ের পর ভাবীরে মাঝে মধ্যে রাইন্ধা খাওয়াইতে পারবেন। ![]()
আকাশের তারাগুলি বলেছেন:
নতুন স্বামীদের কি করনীয় হতে পারে গো।
লেখক বলেছেন: নতুন স্বামীদের কাজ হইলোঃ
১। বৌ-এর সাথে প্রেম করা, গল্প করা,
২। বেশী বেশী অফিসে না থেকে তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরা, কারণ নতুন বৌ নতুন বাসায় একা আছে,
৩। বৌরে নিয়া ঘুরতে যাওয়া, প্রথম প্রথম একটু ঘন ঘন বৌকে বাপের বাড়ি থেকে ঘুরাইয়া আনা,
৪। শ্যালক-শ্যালিকাদের ছোট-খাট আবদার মিটানো, কিছুটা পকেট খসবে এতে,
কিছু করার নাই, পরে আবার শালা-শালীদের কাছ থেকে সেবা-যত্ন আদায় করে নিতেপারে।
৫। ঐ যে উপরে দেশী পোলা ভাইয়ের মতো, চেক বই, ক্রেডিট কার্ড, ওয়ালেট বৌয়ের কাছে জমা দেয়া। ![]()
৬। পরনারীর দিকে না তাকানো,
৭। নিজের বৌ পৃথিবীর সব মেয়েদের চেয়ে সুন্দর এটা দু-একদিন পরপর অবশ্যই বলা,
৮। বৌ ছাইপাশ যাই-ই রাঁধুক সেটাকে ভাল হইছে বলা, যদি পারে সঠিক পদ্ধতি ভালভাবে বুঝাইয়া বলা (আমি আমার জামাইর কাছ থেকে প্রথম রান্না শিখছি
)
............আপাতত এইটুকু মনে পড়লো।
ইহা একটি আপাত ফানি কমেন্ট, কিছু কঠিন সত্য এর মাঝে লুকিয়ে আছে।
লেখক বলেছেন: দেখলাম আপনার ঐ পোস্ট।
জাপানের রাজকন্যার জন্য যদি আমার মতো আদার ব্যাপারীদের মাথা ঘামাতে হয় তাহলে এ পৃথিবীতে মেয়েদের আর না জন্মানোই হচ্ছে একমাত্র সমাধান।
আর জাপানের রাজকন্যা তো তার নিজের পরিবারেই বোঝার মতো। তাদের সিংহাসনের উত্তরাধিকার হচ্ছে রাজপুত্ররা, রাজকন্যারা নয়, তাই তো রাজকন্যার দাদা-দাদীর চিন্তার অন্ত নেই, কে হবে পরবর্তীতে তাদের রাজা???
আবার ঐ রাজকন্যার মা পুত্রসন্তান জন্ম দিতে পারেননি বলেও একটু তিক্ত অভিজ্ঞতার স্বীকার বলে পড়েছিলাম অনেকদিন আগে পত্রিকায়। ওই হাভার্ড ছাত্রীর সাথে রাজপরিবারের কিছুটা শীতল সম্পর্ক আছে মনে হয়।
ইংল্যান্ডের প্রিন্সেস ডায়ানাও শ্বাশুড়ী রাণী এলিজাবেথ কর্তৃক মানসিক, বৈষম্যমূলক আচরণের স্বীকার হয়েছিলেন, তার ডিভোর্সের কারণ হচ্ছে রাজপুত্রের পরকীয়া।
হিলারীর শ্বাশুড়ীও প্রথম দেখেই হিলারীকে পছন্দ করেনি, সারা জীবন ছিল সে মনোভাব, আবার সেই শ্বাশুড়ীও মানে ক্লিনটনের মা তার মদ্যপ বাবার হাতে প্রায়ই প্রহৃত হতো।
এবার বুঝে দেখেন আমরা কত আদার ব্যাপারী!!!
তসলিমা নাসরিনের "নারীর কোন দেশ নেই" বইটা পড়ে নিয়েন, নারী-পুরুষের বিবাহ বহির্ভূত অবাধ সম্পর্কের বিষয়টা বাদ দিলে , বা ধরতেও পারেন (আপনার ইচ্ছা), সারাবিশ্বের নারীদের ব্যাপারে একটা চিত্র পাবেন তাতে। এসনিপ্সে পাবেন পিডিএফ ফাইলটা।
ধন্যবাদ।
দাসত্ব বলেছেন:
আসলে পুরোটাই চেইন রিঅ্যাকশন। ১ নারী তার জীবনে খারাপ অভিজ্ঞতা পায় , সেটা তার পরের প্রজন্মের উপর ঝাড়ে।তবে রাজপরিবারের ক্ষেত্রে এটা কেন ঘটবে বুঝিনা ? বিশেষ করে ব্রিটিশ রাজপরিবারে.. ওখানে মেয়েরাতো ক্রাউনড হয়।
তবে আমি আপনাকে লিংকটা দিয়েছিলাম এত লক্ষী ১টা কিউট মেয়ে দেখানোর জন্য।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
পোস্ট টা ভালো লিখছেন বস। কিন্তু এসব পড়ে মনটা খারাপ হয়ে যায় যে এখনো আমাদের দেশে একটা মেয়েকে নতুন পরিবেশ হলে তাকে অনেক সাবধানী হতে হয় না হলে বাকী জিবন নানা দুর্দশাতেই যায়। দেখা যাক আমার যে বৌ হবে তাকে আমি সব স্বাধীনতা দিলেও একটা সময় আমি মনে করবো আমার মা বাবার সেবা করুক যেখানে এ ক্ষেত্রে আমি নিজেই উদাসীন। আবার যখন আমার বোনটা অন্যের বাসায় যাবে তখন তাকে বলেই দিবো ভালোমতো সাবধানে চলিস, এই জন্য বলা যে নাহলে আতংক থাকতে হবে সবাইকে।আমাদের মন মানসিকতার পরিবর্তন হয়েছে তবে শহর কেন্দ্রিক। শহরেও আসলে ঢালাও তেমন কিছু ঘটেনি। এখানে আপনি যেমন একটা মেয়েকে উপদেশ দিলেন, কিন্তু ছেলেরা কিন্তু কোনো উপদেশ নেয় না কারন সমাজটা এখনো ছেলে কেন্দ্রিক।
নীচে আপনার লেখায়:
নিজের জীবনের ব্যাপারে, ক্যারিয়ারের ব্যাপারে যেকোন সিদ্ধান্ত নিজেই নিবেন, স্বামীর সাথে পরামর্শ করবেন, স্বামীকেও তার কাজে পরামর্শ দিবেন, তবে যার যার সিদ্ধান্ত তাকেই নিতে দিবেন, অযথা কেউ কারো প্রতি জোরাজুরি করবেন না। মনে রাখবেন নিজের সত্তা নিজের অধীন, আর কোন মানুষের অধীন নয়। জোর করে কখনো ভালোবাসা বা মনোযোগ বা অতিরিক্ত যত্ন আদায় করা যায় না। স্বামীর সাথে এমন একটা বন্ধুত্ব সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করতে হবে, যাতে করে খুব সহজেই মনের কথাগুলো শেয়ার করতে পারেন। তবে যদি মনে হয় আপনার স্বামী খোলামেলা হতে চাচ্ছেন না, তাহলে ব্যডলাক। আপনিও তখন নিজেকে খোলামেলা করবেন না, এতে করে আপনার স্বামীর কাছে ছোটই হবেন, চটুলই হবেন। সমস্যা, জটিলতা এগুলো বাড়বে বৈ কমবে না।
এখানে একটা কমন সমস্যা দেখা যায় সেটা হলো ছাত্রজীবন ভালো ছাত্রী থেকেও অথবা গোল্ড মেডেলিস্ট হয়েও নিজের পরিবারের সাথে মানিয়ে চলার কারনে নিজের ক্যারিয়ারে জলান্জ্ঞলি দিয়েছে। আবার একটা সময় পর্যন্ত ঘর করে শুধু নিজের পরিবারের ভবিষ্যতের কারন ক্যারিয়ারের গলা টেপা নাহলে পরিবার ছাড়া। যেফলই পাক না কেন হার কিন্তু নারীদেরই হয়। যেটা পরিবর্তন আজও খুব বেশী হয়নি। আমার মনে হয় আমাদের দেশে মেয়েদের ক্যারিয়ারটা অনেকটা বিয়ে ওরিয়েন্টেড। কে কত ভালো স্বামী পেলো তার উপরই নির্ভর করে তার জীবনের সার্থকতা।
আপনি সাদামাটা দৃস্টিতে বলে গেলেন কিন্তু আমার মনে হয় মেয়েরা এখন এসব জানে, তবুও তাদের ভয় কিছু জায়গায় থেকেই যায়। মেয়েদের জীবন ভবিষ্যত সবকিছুই যেনো তাদের স্বামীর হাতে বন্দি!
লেখক বলেছেন: যেহেতু মেয়েরা নিজের বাড়ি ছেড়ে স্বামীর বাড়ি যায় তাই স্বাভাবিকভাবে তাদেরকেই সাবধান হতে হয় বেশি, এজন্য তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে বেশি। আর ছেলেরা যেহেতু নিজের সংসারেই থাকে, এখানেই তারা বেশি সুবিধা পেয়ে যায়।
ছেলেদের মনমানসিকতা পরিবর্তনের জন্য মা-বাবাকেই আসল ভূমিকাটা নিতে হবে, দেখা যায় ছোটবেলা থেকে বাবা-মা তার ছেলে সন্তান এবং মেয়ে সন্তানদেরকে দুই রকমভাবে বড় করে, এতে করে খুব সহজেই একটা ছেলের মনে ঢুকে যায় যে সে নারীদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। এসব ছেলেদের তাই বিয়ের পর স্ত্রীর সাথে পরামর্শ করে চলার মনমানসিকতা থাকে না।
বিশেষ করে যে পরিবারে ছেলেরা দেখে তার মায়ের মতামতের কোন মর্যাদাই নেই তার পরিবারে, সে সন্তান কোনভাবেই একজন নারীকে সম্মান জানাতে শিখবে না, কারণ ঐ বাস্তব শিক্ষাই সে পায়নি। তার কাছে নারীদের সম্মান দেখানোটা অসম্ভব ব্যাপার।
অনর্থ বলেছেন:
বাতাসের ছায়া নামক জন্তুটার সাথে আপনার ক্যাচালটা কিসের ম্যাডাম? এইখানে সে আপনাকে খুব বাজে ভাষায় গালাগালি করসে। আমি রিপোর্ট করসি। কিন্তু আমি নিজেই একটা কালারড মানুষ বলে আমার রিপোর্ট গুরুত্ব নাও দেয়া হইতে পারে। যেহেতু আপনি ভিক্টিম এবং ভালমানুষ হিসাবে পরিচিত, আপনি রিপোর্ট দিলে আরো সিরিয়াসলি নিবে।দেখা যাচ্ছে, এই ব্লগটা তারে খুবই অফেন্ড করসে। দুই-তিনবার পড়েও তেমন কিসু পাইলাম না। বুঝলাম না কিসু কাহিনী!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, পোস্টটা দেখে এসেছি। ভুল বুঝেছেন বাতাসের ছায়া।
তিনি ব্লগে এসেছেন মাত্র এ মাসেই, নতুন হয়ে থাকলে ব্লগের কালচার এখনো শেখেনি। আর পুরানো হয়ে থাকলে ইচ্ছাকৃতভাবে উদ্দেশ্যমূলকভাবে কিছু বলে থাকলে সেটাকে আমার গুরুত্ব দেয়ার কিছু নেই। উনার আপত্তি থাকলে এখানে বলে যেতে পারতেন। সে সাহস বা বুদ্ধিমত্তা তো দেখালেন না।
শাহ্ নাজ বলেছেন:
১।আরেকটা বেপার বাদ পড়ে গেল। বিয়ের রাতেই বর জানতে চাইবে আগে কোন এ্যফেয়ার ছিল কিনা (আমার অনেককক বান্ধবীর কাছ থেকে শোনা) কিন্তু ছেলে নিজেরটা স্বীকার করবে না। তাই নতুন বিবাহিত মেয়েদের উচিত হবে এই বেপারে হুড়মুড় করে কিছু না বলা এবং অবশ্যই বরকেও এই বেপারে জিজ্ঞাসা না করা। আমার মতে ছেলে বা মেয়ে কারোই উচিত নয় এই বেপার শুরুতেই জানতে চাওয়া। ২। আর নিজের বা পরিবারের দুর্বলতার দিকগুলো,যেগুলো নিয়ে মেয়েটিকে পরবর্তীতে অন্যরা খারাপ কথা শুনাতে পারে, সেই গুলো আড়াল করা।
আপনার পোস্টটি সতিৎকার অর্থেই নতুন বিবাহিত মেয়েদের জন্য অনেক উপকারি। যদিও সবগুলো পরামর্শ কাজে লাগানো কঠিন। পরামর্শগুলো আমি আরো অনেক আগে পেলে উপকার হতো, অনেক দেরি হয়ে গেল পেতে পেতে ... হেহে।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, কোন স্বামী যদি পুরোনো সম্পর্কের ব্যাপারে জিজ্ঞ্যেস করে, তাহলে তাকে পাল্টা জিজ্ঞ্যেস করা দরকার বিয়ের আগে কেন এটা জিজ্ঞ্যেস করা হয়নি? বিয়ের পরে জানতে চেয়ে কি লাভ? আর তাকে কার্টেসী শেখানো যে স্ত্রীকে কিছু জিজ্ঞ্যেস করার আগে তার নিজের ব্যাপারে বলা উচিত। সে অনুযায়ীই পরিস্থিতি বুঝে কথা বলা ভাল। অনেক ছেলেই বিয়ের প্রথম প্রথম নিজেকে খুব উদার মানুষ হিসেবে দেখাতে চায়, কয়েকদিন পরই টের পাওয়া যায় আসলে কতটা উদার। এগুলো বুঝতে একটু সময় লাগে, ধীরে ধীরে বোঝা যায়। আসলে এজন্যই মেয়েদের কিছুটা সাবধানে চলতে হয়।
আর স্বামী মিথ্যেবাদী হলে একসময় স্ত্রীও পরিস্থিতির কারণে দিনে দিনে মিথ্যেবাদী হয়ে উঠবে , তাহলে দিনশেষে ক্ষতি কার? তাই বিশ্বাস, সততা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা এগুলো বড় ব্যাপার। এ দুটো না থাকলে শুধু বিয়ের আগের প্রেম কেন, বিয়ের পরেরও নানা ব্যাপার নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।
মেয়ের বাপের বাড়ির কোন দুর্বলতা যেমন শ্বশুরবাড়িতে বলা ঠিক না, আবার তেমনি শ্বশুরবাড়ির কোন দুর্বলতাও বাপের বাড়িতে বলা ঠিক না। মেয়েরা কিন্তু এটা অহরহই করে।
আর মেয়েকে কথা শোনাতে থাকলে একসময়ে মেয়েরাও পাল্টা কথা শোনাতে থাকে, এতে করে দু পক্ষেরই সম্মান যায়। এসব যত এড়ানো যায়, ততই ভাল।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
৪। শ্যালক-শ্যালিকাদের ছোট-খাট আবদার মিটানো, দুলাভাই বা দেবর জাতীয় মানুষদের কাছ থেকে কিছু খুনসুটি হাসি মুখেই হজম করাআপনার পিতৃপুরুষের ধর্ম মোতাবেক শ্যালিকা-দুলাভাই আর দেবর-ভাবি সম্পর্ক নিয়ে যদি আলাদা পোস্ট দিতেন তাতে বরং জাতি আমোদিত হত! শ্বশুরবাড়ি গিয়ে ক্যামনে পাক সাফ করতে হবে আর শ্বশুরবাড়ির আমজনতার মন রক্ষা করে চলতে হবে এই সব মধ্যযুগীয় টিপস এ কালে অচল।
লেখক বলেছেন: জ্বী, বাঙালী কালচারে এবং ইসলামী কালচারে কিছু কিছু জায়গায় যে দ্বন্দ্ব আছে, কিছু কিছু জায়গায় সীমারেখা ভিন্ন এটা আমার জানা আছে। আপনিও যে জানেন তাতেও নিশ্চিন্ত হইলাম।
কিন্তু দুঃখজনক ঘটনা হইলো আপনি তো পণ করে আছেন এ জীবনে বিয়েই করবেন না। এখন আপনার মত আধুনিক কিন্তু সঠিক ইসলাম মনোভাবাপন্ন স্বামী পেয়ে যে একটা মেয়ে যে এ সমাজের শ্বশুরবাড়ির অতিরিক্ত দায়িত্ব থেকে উৎরে যেত, সে ব্যবস্থা তো বন্ধ করে দিলেন।
আর আপনার এ সিদ্ধান্ত কতটা ইসলামসম্পন্ন সেটাও যদি একটু বুঝাইয়া বলতেন, তাতে প্রীত হইতাম। ![]()
তৃিষত বলেছেন:
+++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আমার ৭ মাসের এক্সপেরিয়েন্স যা বলে তা হলো, একেকটা পরিবার একেক রকম, মা'র বাড়ির সাথে শ্বশুরবাড়ী কখনোই ১০০% মেলেনা , বরং মিল খুঁজতে যাওয়াটাই বোকামী। বরং অমিলগুলোকে পজিটিভলি নিলে অনেককিছুই শেখা যায়। নতুন নতুন সবকিছুই অন্যরকম লাগে, আস্তে আস্তে সবই ঠিক হয়েই যায়।
আর শ্বশুরবাড়ী থেকে আলাদা থাকা নিয়ে কিছু কমেন্ট দেখলাম। এইটাও আসলে পরিবারভেদে একেকরকম অবস্থা। লাইফ ইজ অল অ্যাবাউট অ্যাডজাস্টমেন্টস। একটু মানিয়ে চলে, একসাথে থাকতে পারলে কিন্তু খারাপ হয়না। তবে অ্যাডজাস্টমেন্ট যে শুধু একজনই করে যাবে তা কিন্তু নয়। সবারই সবাইকে একটু বুঝতে হয়। একটু ছাড় দিতে হয়। যা হোক, আশা করি সবাই সবার পরিবারে ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: আপনার নতুন পরিবেশের শেষ পর্যন্ত ভাল থাকার কথা শুনে ভাল লাগলো। এটা তো অবশ্যই বাস্তব কথা যে অনেকদিন এক পরিবেশে বড় হয়ে নতুন ধরণের একটা পরিবেশে গিয়ে ভাল লাগবে না, অনভ্যস্ত লাগবে, নিজের মতো সবকিছু পাওয়া যাবে না।
আবার বিয়ের আগে যে স্থানে থাকা হয়, শ্বশুরবাড়ী কাছাকাছি এলাকায় হলে একসাথে থাকা যায়, কিন্তু যদি পড়াশোনার স্থান বা কর্মস্থল ভিন্ন জায়গায় হয়, তাহলে তো খুব স্বাভাবিক যে আলাদা থাকতেই হয়। এটা আসলেই পরিবার থেকে পরিবারে ভিন্ন হবে। আর মানিয়ে চলতে পারাটাই আসল কথা, ঠিকই বলেছেন। এটাই মূল কথা।
মাহিন আহমেদ বলেছেন:
ভালো পোস্ট। +++++++আপনার পোস্ট আর কমেন্টগুলো আমার অনেক ভালো লাগে।বলা যায় আমি আপনার ফ্যান।
আরেকটা কথা আমার রিয়েল নাম নাজনিন। তাই এই নিকটার প্রতি বিশেষ দুর্বলতা আছে।
লেখক বলেছেন: নাজনিন নামে মিল আছে দেখে আগ্রহ নিয়ে আপনার ব্লগে ঘুরতে গিয়ে তো চমকে গেলাম, এতো পুরো আমি!! আমিও ভীষণ অলস! পড়তে ভাল লাগে না, না পড়লেও ভাল লাগে না। আপনি আমার ক্লোন নাকি?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রঙ্গীন প্রজাপতি।
আপনার প্রোফাইলের গানটা আমার অনেক প্রিয় একটা গান।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ![]()
লেখক বলেছেন: দুঃখ দুঃখ! মানুষজন আমাকে সাইয়া নিক ভাবে। ভীষণ দুঃখ!!
![]()
ইষ্টিকুটুম বলেছেন:
কারেন্টের কোন বিশ্বাস নাই, যেহেতু উপকারী পোস্ট, তাই পড়ার আগেই ব্যাগে ভরে নিলাম। এখন পড়ি...
লেখক বলেছেন: হা হা, হ্যাঁ, মনে হচ্ছে আপনারই এখন সময় এ পোস্ট পড়ার। ভবিষ্যতে কাজে লাগতেও পারে।
ট্যামটেমি বলেছেন:
ভালি
লেখক বলেছেন: ধইন্যি।
েমাজািহদুল ইসলাম িটটু বলেছেন:
থ্যংকস আপনাকে। তবে আমার মনে হয় পারস্পারিক সহনাভূতি এবং আন্তরিকতা সবার আগে প্রয়োজন। তাহলেই সব ওকে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
রিজভী বলেছেন:
লেখাটাতে নারীবাদী গন্ধ প্রবল। মূল বিষয়টি হলো "এডজাস্টমেন্ট"। অর্থাৎ, পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা। এর বিকল্প আর কিছু হতে পারে বলে মনে করি না।
লেখক বলেছেন: কিন্তু প্রথম প্রথম নারীরা এ লেখা পছন্দ করে নাই।
সঠিক এডজাস্টমেন্টের বুদ্ধি কয়জনের মাথায় থাকে বলেন!
ফয়সাল অাহমেদ রাফি বলেছেন:
মূল বিষয়টি হলো "এডজাস্টমেন্ট"। অর্থাৎ, পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা। এর বিকল্প আর কিছু হতে পারে বলে মনে করি না। আর সব িকছু পিজিটভ হিসেবে দেখা ভাল। কারণ দুজনের জন্যই এটা নতুন,,,,,,,,,,
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। পজিটিভ চিন্তাধারা অনেক সমস্যারই সহজ সমাধান দেয়।
হাসান ইকবাল বলেছেন:
consultancy posting........ভালো লাগলো......।নতুন বিবাহিতা ছেলেদের জন্য টিপ্স কি কেউ লিখবেন PLZ
লেখক বলেছেন: নতুন "বিবাহিতা" ছেলে?!!! ![]()
কয়েকটা টিপস মনে হয় উপরে কোন এক কমেন্টের জবাবে আছে।
লেখক বলেছেন: কি সেটা? ![]()
লেখক বলেছেন: ওরে! একটা আপুর এতো ভাল লাগলো! ধন্যবাদ আপু। প্লাস গৃহীত হলো।
আধাঁরি অপ্সরা বলেছেন:
খুব খুব ভালো লেগেছে!!!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু!!
হানিফ রাশেদীন বলেছেন:
অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ভালো....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ হানিফ।
নীল কষ্ট বলেছেন:
কি যে ভালো লাগল!কথাগুলো বাস্তবের সাথে ১০০ভাগ যায়।
পোস্টটা আমি ২০০৯ পড়েছিলাম খুব ভালো লেগেছিলো আবারও পড়লাম এবং প্রিয়তে।
আপনি জীবনটাকে খুব ভালো ভাবে বুঝতে পারেন।
লেখক বলেছেন: হা হা। অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনি তো ব্লগে এসেছেন বেশিদিন হয় নাই মনে হয়।
স্বাগতম আমার ব্লগে।
আরিফুর রহমান বাবু বলেছেন:
যদি মুছে দেন এই ভয়ে জিনিসটা পিসি তে কপি করে রাখলাম। ইচ্ছে আছে, বিয়ের পয়লা রাইতে আপনার ভাবীরে একখান প্রিন্টেড কপি ধরায়া দিমু(তয় একটু এডিট কইরা)।
দোয়া রাইখেন।
লেখক বলেছেন: দেখ কান্ড! উনি এডিট করবেন! কোন জায়গায়?
তাইলে কিন্তু ঐ এডিটেড পোস্ট আমার বলা যাবে না। ![]()
অযুত বলেছেন:
''তবে যদি মনে হয় আপনার স্বামী খোলামেলা হতে চাচ্ছেন না, তাহলে ব্যডলাক। আপনিও তখন নিজেকে খোলামেলা করবেন না, এতে করে আপনার স্বামীর কাছে ছোটই হবেন, চটুলই হবেন।''-->শেষের লাইন টা যুক্তিযুক্ত হলো কি??
স্বামী খোলামেলা হতে না চাইলে স্ত্রীর-তো বেশী করে খোলামেলা
হওয়া উচিৎ। তাই না?? তাহলে স্বামী তার নিজের ভুলটা বুঝতে পারবে (আমি অন্তত তাই মনে করি।)
যাই হোক আমিতো এখনো জুনিয়র! আ্পনি অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। আপনার ভাবনা আমার থেকে অবশ্যই আলাদা।।
লেখাটা ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: স্ত্রীর আচরণ দেখে স্বামীরা নিজেদের ভুল যে সবসময় বুঝতে পারবেন, এমন কোন গ্যারান্টী নেই। বরং স্ত্রীকে হালকা চটুল স্বভাবের মনে করার সম্ভাবনা বেশি থাকে। অনেক সময় নানা ব্যাপারে চরিত্রহীনও মনে করতে পারে।
নীলপাখি০৩ বলেছেন:
সব মন্তব্য পড়ে শেষ করার নয়।তবু যা পড়লাম, না হেসে পারলাম না, ব্যাক্তিত্ব সম্পন্ন হলে বুঝি ধর্ম রক্ষা হয় না! আবার কয়েকজন দেখলাম খুব নিশ্চিত হয়ে বলছে আপনি নারীবাদি কিংবা সংসার জীবনে অসুখি। আমার বিয়ে হয়নি এখনো, আর মাত্র কয়েকটা মাস ! তবে রান্না ঘরে ঢুকার আইডিয়াটা আমি আমার মা-খালা কে দেখেই ঠিক করে রাখছি। কাজ দেখাতে নয় ভালবেসেই ঢুকেছিলেন তাঁরা , মাশুল আজও দিতে হচ্ছে। ওদের আন্তরিকতাকে দুর্বলতা ভেবেছে সবাই। তাই আমি আপনার সাথে একমত।
প্রেম করছি কয়েক বছর, দেখেছি কিভাবে অনেক সময় ও নিজের লোকদেরকেই প্রাধান্য দিয়ে আর আমার আপনজনদের হেয় করে কথা বলতে পছন্দ করে। সরাসরি প্রতিবাদ করলে আর বেশি করে, এখন কৌশল শিখে নিয়েছি, যুক্তি খন্ডন করলে আর পুনরাবৃত্তি করে না
এক কথায়, অসাধারন হইছে লেখা!
লেখক বলেছেন: হুম, বাস্তবে চলতে গেলেই বোঝা যায় কখন কি করতে হবে? কিছু সত্য ব্যাপার তুলে এনেছেন কমেন্টে, অনেকের ক্ষেত্রেই এমনটা ঘটে।
নীলপাখি০৩ বলেছেন:
@ অযুত --- শেষ কথাটা যুক্তিযুক্ত! কারন যে সব লোক খোলামেলা হতে পছন্দ করে না, তাদের বেশিরভাগই নেতিবাচক ভাবে নেয় স্ত্রীর খোলামেলা হওয়াটা, খুব কম লোকই আছে নিজের ভুল বুঝে বা মেনে নেয়, খুব কাছে থেকে দেখা দুই আপনজনকে কে দেখেছি বলেই বলছি। তবে এও ঠিক ব্যতিক্রম সবখানেই আছে ।
শায়েরী বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শায়েরী।
তানজিলা সারজিন সানী বলেছেন:
অল্প কিছু দিন পরেই হয়ত খুব কাজে লাগবে,প্রিয় তে নিলাম..।
লেখক বলেছেন: হুম, কাজে লাগলে তো ভালই। শুভকামনা রইলো। ![]()
হাসান ইকবাল বলেছেন:
নতুন বিবাহিত পুরুষদের জন্য কিছু টিপ্স দিন ............
লেখক বলেছেন: সেগুলো তো বিবাহিত ভাইরাই ভাল বলতে পারবেন। কেউ যদি দিতো ঐরকম একটা পোস্ট!
হাসান ইকবাল বলেছেন:
যারা সম্প্রতি বিয়ে করবেন ভাবছেন তাদের জন্য আমি একটা বাজারের লিস্ট তৈরী করেছি। কাজে আসতেও পারে। নিচের লিঙ্কটা দেখবেন আশাকরি,
Click This Link
আপনার পোস্টটা আগে আমার চোখে পড়েনি। আমার স্ত্রীকে দেখাতাম। এখন দেখাবো। ভালো থাকবেন।
রাখালীয়া বলেছেন:
+++
নিথর শ্রাবণ শিহাব বলেছেন:
মোন ভোরে গেল আপা। এটা সবার পড়া উচিত
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, ইদানীং অনেক বিয়ের খবর পাচ্ছি। তারা সময় থাকতে পড়ে নিলে ভালই হবে আশা করি। ![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...







































