আমার প্রিয় পোস্ট

জীবনের এই গতিপথ...পূর্ব-পশ্চিমে যেন এক নিছক অন্বেষণ

ইঞ্জিনিয়ার

০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১৬

শেয়ারঃ
0 0 0

১।

রাত প্রায় একটা। ইমিগ্রেশান পার হয়ে, প্লেনে উঠলাম। পাশের সিটে এক ব্যাটা টাইপ ছেলে বসা। আমার মতই বয়স। দেখে মনে হয় চাইনিজ, আবার ঠিক চাইনিজ না। বাহারি রঙ-এর চুল। কৌতুহল নিবারণ করতে পারলাম না। প্রশ্ন করি, “কোথা থাকা হয়?”

আমার মতই মিষ্টি হেসে জবাব দেয়, “অস্ট্রোলিয়া।” প্রতি প্রশ্নে সে জিজ্ঞেস করে, “তুমি কোথা থেকে?”

“বাংলাদেশ।”

“কি করা হয়?” সে আবার সুধায়।

হাসিমুখে উত্তর দেই, “ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি।”

“কোন সাবজেক্ট?”

“ম্যাটেরিয়ালস এন্ড ম্যাটালার্জিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং।”

“হুম” সে বিজ্ঞের মত মাথা নাড়ে। তারপর প্লেনের বডিটাতে একটু খুঁচাখুঁচি শুরু করে। তারপরে আবার প্রশ্ন “আইচ্ছা, এই পেলেনের বডিটা কি ম্যাটেরিয়াল দ্বারা তৈরী?”

ওর বলার মধ্য কি যেন একটা ছিল। আর ওটা দেখে, আমার মনে এক ভয়ংকর ভাবনা উদয় হতে থাকে। সেটা হল, ব্যাটা আবার বাচাল নাতো? তাহলে তো পুরা জার্নিটাকে সে একটা পেইনে পরিণত করবে।

যাই হোক, ভদ্রভাবেই ওর প্রশ্নের উত্তর দিলাম, “সাধারণত, আলুমিনিয়ামের এলয় ইউজ হয়।”

আবার সে বিজ্ঞের মত মাথা নাড়ে। যেন আমার উত্তর শুনেই সে নিশ্চিত হল যে, আমি সত্যি ম্যাটেরিয়ালস ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি।

প্নেন আকাশে উঠা মাত্রই আমি ঘুমানোর তোড়জোড় করতে থাকি। কিন্তু বিধিবাম। সে আবার প্রশ্ন করে, “দুনিয়াতে এত সাবজেক্ট থাকতে তুমি কেন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়লা?”

আরে ব্যাটা বলে কি? এই ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার জন্য কত কাঠখড় পুড়িয়ে বুয়েটে ভর্তি হয়েছিলাম, আর সে বলে কিনা ইঞ্জিনিয়ারিং কেন পড়ি?

ইতিমধ্য নাম জানা হয়েছে দুইজনার। ওর নাম এরিক। এবার আমি প্রতি প্রশ্ন করি, “তুমি কি কর এরিক?”

“কিছুই করি না।” সে একটু ফিক করে হাসে। কিছুক্ষণ পরে সে নিজেই বলে, “চুল কাটি, মানে নাপিত।”

আমি অবশ্য আগেই এটা সন্দেহ করেছিলাম, তার তিন রঙ এর চুল দেখে। মাথার খুলির কেন্দ্র থেকে সামনে-পিছনে একগোছা চুল লাল, তারপরের স্টেপের চুলগুলো সবুজ আর একেবারে সাইডের চুলগুলো ভায়োলেট।

প্লেনের বালিকারা খাবার দিয়েছে ইতিমধ্যে। অতি অনুপাদেয় খাবার। এবং খাবারের ফাঁকে বেশ অনেকটা জ্ঞান অর্জিত হল। তা হল, ছেলেদের এমন সাবজেক্ট পড়তে হবে, যা হল জীবন ঘনিষ্ঠ। বলা যায়, সব ছেলেরই নাপিতগিরির উপর পড়াশুনা করা উচিত। কারণ সেটা নাকি অস্ট্রোলিয়ার টপ সাবজেক্ট। এরিকের ডিগ্রিও নাকি এই বিষয়ের উপরে। আর মেয়েদের শুধুমাত্র পড়া উচিত নার্সিং।

ইতিমধ্য আমি বুঝে গেছে, এরিক খুবই বাচাল। এক পর্যায়ে, সে হাউমাউ করা শুরু করল। কারণ, কেন আমি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়লাম? কেন আমি নাপিতগিরি অধ্যয়ন করলাম না? তাহলে সে আমাকে অতি সহজেই অস্ট্রোলিয়া নিয়ে যেতে পারত। সে নাকি আমাকে অস্ট্রোলিয়াতে থাকার সব ব্যাবস্থা করে দিত। আমি ভদ্রভাবেই বললাম, “আমার এখন অস্ট্রোলিয়া যাবার তেমন ইচ্ছা নেই। আর যদি কোনদিন অস্ট্রোলিয়া যাবার ইচ্ছা হয়, সেটা আমি একাই করতে পারব। বেটার তুমি আমাকে ঘুমাতে দাও।”

কিন্তু কে শোনে কার কথা। একটু পরে এরিক ঘোষণা দিল, “আমি মহাদেশ-মহাসাগর সব দেখেছি আড়াফাত (আসলে হবে আরাফাত), কিন্তু তোমার মত কাউকে পাইনি। তুমি আমার সবচেয়ে ভালো বেস্ট ফ্রেন্ড। যদিও তুমি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েছো, আমি তোমাকে অস্ট্রোলিয়া নিয়ে যাবার সব রকম চেষ্টা করব।”

বুঝলাম, আর না। এবার ঘুমাতে হবে। ঘুমানোর অতল তলে হারিয়ে যেতে যেতে আমি শুনতে পেলাম, এরিক অনুনয় করে বিলাপ করছে “আড়াফাত, তুমি কেন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়লা? কেন? কেন?? কেন???”

জানিনা, মানুষের মাথা ঠিক কিভাবে কাজ করে। ঘুমিয়ে পড়ার আগে মাথাতে একটা স্মৃতি খেলে গেল। রাতের অন্ধকারে প্লেনটি না জানি কোন দেশের উপর দিয়ে ছুটে যাচ্ছে, আর তাতে আমার সেই ছোটবেলার একটা কথা মনে পড়ে গেল, কেমন জানি সবকিছু অবাস্তব লাগতে থাকে।


২।

আমার ছোটবেলা।

কেউ যদি আমাকে ছোটবেলায় জিজ্ঞেস করত, “খোকা তুমি বড় হয়ে কি হবে?”

আমি গাল ফুলিয়ে উত্তর দিতাম, “ডাক্তার হব।”

“তাই। তুমিতো তাহলে খুব ভালো ছেলে।”

সেই আমি কেন ডাক্তার না হয়ে ইঞ্জিনিয়ার হলাম? কারণ, ক্লাস সিক্সের এক ঘটনা।

বিকেলবেলা বাহির থেকে খেলে এসেছি। এখন মাগরিবের নামায পড়তে মসজিদে যাবো। নামাযের জন্য প্যান্ট চেঞ্জ করার সময়, জিপারটা জায়গামত আটকে গেল। আমি গগণবিদারী চিতকার দিয়ে উঠলাম। মা দৌড় দিয়ে আসল। এসেই মা আমাকে কি আর রক্ষা করবে? আমাকে দেখেই মা আরেকটা গগণবিদারী চিতকার দিয়ে দিল। আর এই চিতকারে আশে-পাশে, উপরে-নীচে সব ফ্ল্যাটের বাসিন্দা, আমার সব বন্ধু-বান্ধবী, আংকেল-আন্টি সবাই দৌড় দিয়ে আসল।

আমার মা বিলাপ করতে থাকে, “হায়, হায়, এখন আমার ছেলের কি হবে? ডাক্তারের কাছে নিলে তো মোটা একটা ইঞ্জেকশান জায়গামত দিয়ে অবশ করবে। তখন আমার ছেলের কি হবে রে?”

যাই হোক, আমার মায়ের কন্নাকাটি দেখে, আমি আমার কান্না ভুলে গেছি। ইতিমধ্যে আমাদের পাশের ফ্ল্যাটের এক ইঞ্জিনিয়ার আংকেল চলে এসেছেন। তিনি এসেই বললেম, “মুশকিল নাই। কেউ একটা কাঁচি দাও।”

কেউ একজন একটা কাঁচি জোগাড় করে দিল।

তারপরে আমি তাঁর ইঞ্জিনিয়ারিং দেখতে লাগলাম। তিনি কি করলেন তা চিত্রসহকারে নিম্নে বর্ণনা করলাম।

১। শুরুতে তিনি আমার প্যান্টের জিপারের কাছে কাঁচিটা নিয়ে গেলেন।


চিত্র ১ – জিপারের কাছে কাঁচি


২। তারপর তিনি আস্তে করে জিপারের অংশটুকু রেখে, বাকি প্যান্টটুকু কেটে ফেললেন। সুতরাং, আমার পরিধেয় বস্ত্র হিসেবে তখন শুধু একটা জিপার।


চিত্র ২ – পরিধেয় বস্ত্র হিসেবে শুধুমাত্র জিপার

৩। যেহেতু, জিপারের মাথাগুলা কেটে ফেলা হয়েছে, তাই জিপারের মুখদুটো আলগা হয়ে গেছে।


চিত্র ৩ – জিপারের আলগা মুখ

৪। মুখ দুটোতে আস্তে করে টান দেবা মাত্র, সুন্দরভাবে কোন ঝামেলা ছাড়া জিপারটা খুলে আসল।


চিত্র ৪ – এইভাবে বল প্রয়োগ করতে হবে

৫। আমার মুখে এক শান্তির ঢেউ খেলে গেল।


চিত্র ৫ – হাসি হাসি মুখে আমি

যাই হোক, আমার মায়ের দুশ্চিন্তা দূর হয়ে গেল। কিন্তু, আমি আসলে এই কারণে ইঞ্জিনিয়ার হই নাই। আমি ইঞ্জিনিয়ার হয়েছি অন্য কারণে। তা হল, যখন আমার জিপারটা খোলা হচ্ছিল, তাতে সেই কাজে পুরোটা সময় তদারক করছিল, আমার তদকালিন বান্ধবী ডালিয়া। যখন পুরো জিপারটা জায়গা থেকে খোলা হল, তখন আমি ডালিয়ার মুখে যে সুন্দর ও নিস্পাপ হাসি দেখেছিলাম, তা আমি কোনদিনও ভুলতে পারিনি। আর সে হাসিটাই আমার ইঞ্জিনিয়ার হতে অনুপ্রেরণা জোগায়।


৩।

প্লেনটি কোন ঝামেলা ছাড়াই ল্যান্ড করল। আমি আমার গন্তব্যে পৌছে গেছি। কিন্তু এরিকের দুই ঘন্টা ট্রানজিট। ইমিগ্রেশানের ঝামেলা পার হবা মাত্রই, কোথা থেকে এরিক আবার তেড়েফুড়ে উদয় হল। এখন সে পিংক কালারের একটা স্যুয়েটার পরেছে। কোন ছেলে পিংক কালারের ড্রেস পরলে এমনিতেই আমার মেজাজ খারাপ লাগে, তারপরে আবার এরিকের স্যুয়েটারটা লেডিস কাটের।

আমি কিছু বোঝার আগেই এরিক এসে আমাকে জড়িয়ে ধরল। ওর চোখের পানিতে আমার শার্টের কলার ভিজে যেতে থাকে। সে বিলাপ করতে থাকে, “আড়াফাত, ও আড়াফাত । তুমি চলে যাচ্ছো। কিন্তু এটা কোন বিচ্ছেদ নয় আড়াফাত, সাময়িক বিরতি মাত্র............”

সে একটানা একটা যন্ত্রের মত বলেই যেতে থাকে। এদিকে আমার মনে এরিক সম্পর্কে এক ভয়ংকর ভাবনা উদয় হতে থাকে। ব্যাটা নির্ঘাত একটা ......। ভাবলাম, আর নারে বাবা। তাই এরিককে বললাম, “সরি, এখন আমার তাড়া আছে এরিক। সাময়িক বিরতির পরে আবার কথা হবে।”

শহরতলির ভেতর দিয়ে যখন আমার ট্যাক্সিটা যাচ্ছিল, তখন আমি ট্যাক্সির জানালা দিয়ে এরিকের ঠিকানা লেখা কার্ডটি আস্তে করে ফেলে দিলাম।


উৎসর্গ – বুয়েটের সকল শিক্ষকদেরকে, যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম আর অনুপ্রেরণা ছাড়া আমি কোনদিনও ইঞ্জিনিয়ার হতে পারতাম না।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩৪
ফ্রুলিংক্স বলেছেন: আড়াফাত, ও আড়াফাত । তুমি খুবই ভালো লিখেছো। ইস্পেশিয়ালি চেইন খোলার সময় বান্ধবী থাকা ;)
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফ্রুলিংক্স ভাই। কি ছিল সেই সময়টা...আহা

২. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩৮
মোটু মিয়া বলেছেন: বান্ধবী ডালিয়ার সামনে ইজ্জতের জিপার....হায় হায় এ কি হল???
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: ইজ্জত...কি বলেন?
এটা তো ডালিয়ার সামনে আমার গর্বের ইতিহাস।

০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: আপনার ভালো লাগল জেনে আমারও খুব ভালো লাগল।

০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...ভালো থাকবেন।

৫. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৯
আকাশ_পাগলা বলেছেন: +++++++++

দারুণ লিখেছেন।
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...ভালো থাকবেন।

০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১৬

লেখক বলেছেন: ধইন্যবাদ ভাই...

০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া।
ভাইয়া কেমন আছেন?

৮. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৪৮
দি ওয়ান বলেছেন: আমার বউ আপনার লেখা পড়ে হাসিমুখে আমাকে জিগাইলো, তোমার লাইফে এই জিপার কাহিনী কয়বার হয়েছিলগো???? :-)

লেখা ভালো লেগেছে।
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: হা হা হা...
আপনার কথা শুনে মজা লাগল।
আমারও একই প্রশ্ন, কয়বার?

০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: হুম জনাব...ভালো থাকবেন।

১০. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫২
মহলদার বলেছেন: চিত্র সহ সুন্দর বর্ননা দিলেন কিন্তু যে জিনিষে জিপার আটকে গেছিল সেটার চিত্র দিলেন না। দিলে বিষয়টি আরো পরিষ্কার হত ;)
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: দারুন বলেছেন ভাইসাব। দেওয়ার তো ইচ্ছে ছিল...কিন্তু মডুরা আপত্তি করত।

১১. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫৬
এস এম শাখওয়াত আহমেদ বলেছেন: ভালা লাগলো..

তবে আপনার বান্দবী এখন কোথায়...................।
তার কি এখন আপনার জিপার খোলার কথা মনে আছে।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: বান্দুবী কত এল আর গেলো জীবনেরে ভাই।
সে যে কোথায় জানি না।
জিপার খোলার কথা তো তার মনে থাকার কথা।
এটা কি ভুলে যাবার মত একটা ঘটনা, আপনি বলেন?

১২. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮
নতুন রাজা বলেছেন: ভালো আছিরে ভাই। আপনি আছেন কেমন???
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪

লেখক বলেছেন: হুম ভাইয়া, আমি ভালোই। চলে যাচ্ছে আর কি।

১৩. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৪
ম্যাভেরিক বলেছেন: গল্পটা ব্যাপক! হাস্যরসের গভীরে, অন্তঃসলীলা অনুভূতি।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৩

লেখক বলেছেন: যেমন বলেছেন ভাই।
আমি কিন্তু আপনার লেখার ভক্ত, বিশেষ করে ম্যাথ সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে।
নতুন কোন প্রবলেম থাকলে জানাবেন প্লিজ।
(হে হে হে, একটা কথা, এটা কিন্তু গল্প নয়।)

১৪. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৪৯
পাপী বলেছেন: ভালো লিখেছো আড়াফাৎ ! তুমি মালেশিয়া গিয়া কি আমারে ভুলে গেলা?এসএমএস নাই ইয়াহু ম্যাসেঞ্জারেও নাই। আমাকে কি চিনিতে পারিয়াছো?আমি নাখালপাড়া তোমার সহিত থাকিতাম। আসিফ নামে ডাকিতে আমায়!
তোমার বর্তমান ফুন নাম্বার পাইলে কিঞ্চিত উপকৃত হইতাম।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২১

লেখক বলেছেন: তোমারে কি ভুলিবার কোন কারণ আছে আসিফ? তোমার সাথে আমার গীটার নিয়া কতই না স্মৃতি জড়াইয়া আছে। আমি প্রায়শই তোমার কথা ভাবি। ফেইসবুকে আমার ফোন নম্বর পাইবে। অতি সত্ত্বর আমি তোমার সহিত ফোনে যোগাযোগ করিব।

১৫. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩১
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: যখন পুরো জিপারটা জায়গা থেকে খোলা হল, তখন আমি ডালিয়ার মুখে যে সুন্দর ও নিস্পাপ হাসি দেখেছিলাম, তা আমি কোনদিনও ভুলতে পারিনি। আর সে হাসিটাই আমার ইঞ্জিনিয়ার হতে অনুপ্রেরণা জোগায়

-----------------

+

কোন ব্যাচ আপনি?
১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৬

লেখক বলেছেন: ০২ ব্যাচ। আপনি?

১৬. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১৭
ছায়ার আলো বলেছেন: ২ নাম্বারে এসে অজান্তেই একটা শব্দ কর্লাম: আউচ! ;)
১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:২০

লেখক বলেছেন: আউচ! কই ব্যাথা পাইলেন রে ভাই।

১৭. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৫
নকীবুল বারী বলেছেন: হা হা জোসসসসসস.................তবে বুয়েটের টিচাদের একদিক দিয়া আমি খুব শ্রদ্ধা করি। খাতায় যে জিনিস লিখতাম, তেনারা যাকাত ফেতরা না দিলে ইন্জিনিয়ার হবার পারতাম না।
১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:০৮

লেখক বলেছেন: আপনি যা বললেন, তা আমিও মানি।
বাট ম্যাটালার্জি মার্কিং অবস্থা খুব সুবিধার ছিলনা ভাই।
পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাই।

১৮. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৮
আট আনা বলেছেন: প্লাস। অনেক ভাল লিখছেন। ছোটবেলায় আমারো সেইম জিপারীয় সমস্যা হয়েছিল, মা কিভাবে জানি খুলে ফেলেছিলো। তারপর থেকে ভয়ে অনেকদিন আমি বোতামওয়ালা প্যান্ট পরেছি।
১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:১৪

লেখক বলেছেন: হা হা হা
আপনার জিপারীয় সমস্যা নিয়ে পোষ্ট চাই।

১৯. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:১২
নীল ভোমরা বলেছেন: ক্বারনী স্যার-কে মনে পড়ে!
২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: জ্বী মনে পড়ে। আপনি কি উনার স্টুডেন্ট ছিলেন?

২০. ০৯ ই আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:২২
সুবিদ্ বলেছেন: আপনার লেখা আগে না পড়ে মিস করেছি.......

ভালো লাগলো আড়াফাত;)
১০ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ৮:০৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। আপনার লেখা পড়ছি এখন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০০৫৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
দূর থেকে দূরে, আরো বহুদূর.........
চলে যেতে হয়, কত স্মৃতির ছায়ায়,
এই রোদ্দুরের নীচে, নীল সবুজের খেলাঘরে
জীবন মেতে থাকে কত নিয়মের প্রতীক্ষায়...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই