বড় হয়ে জানলাম রাডার মানে গোল একটা বল যেটা আকাশের অবস্থা জানাতে পারে। কিন্তু রাডার /Radar মানে হল-RAdio Detection And Ranging।
২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই রাডারের জন্ম হয়েছিলো সামরিক কাজের জন্য-শত্রু পক্ষের বিমান আসছে কিনা এটা জানার জন্য প্রথম রাডার ব্যাবহার করা হয়-যদি ও বা সেই রাডার দেখতে ছিলো তা নিচে দেখানো ছবিতে দেখতে পাবেন।
রাডার বানানোর আগে বিমান থেকে নির্গত রেডিও সিগন্যাল ধরার জন্য একটা স্কেচ আঁকা হয়েছিলো এটাই সেই স্কেচ-যার উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে আজকের রাডার।
কত বড় সউন্ড ডিটেক্টর দিয়ে কাজ চালানো হত-দেখেই হতবাক হয়ে যেতে হয়। রাডার তখনো আবিষ্কার হয়নি-কিন্তু বিমান তো আসবেই-আক্রমন ও করবে-তাই বিমানের শব্দ আগে থেকে শুনতে পাওয়ার জন্য ই এই ব্যাবস্থা।
এটা প্রথমদিককার রাডারের ছবি-কিন্তু এটা সকল দিকথেকে শব্দ ধারন করতে পারতোনা-তাই এভাবে দুজন লোক পালা করে শুনতে ই থাকতো।
এভাবে ধীরে ধীরে রাডারের উন্নতি ঘটতে থাকে শুধু মাত্র প্রয়োজনের তাগিদেই-আর বাড়তে থাকে এর ব্যাবহার।
ঠান্ডা যুদ্ধ বা কোল্ড ওয়ারের সময় এই রাডারই ছিলো নিজেদের বাঁচানোর একমাত্র হাতিয়ার।
ধীরে ধীরে বিজ্ঞানীদের দ্বারা উন্নত হতে থাকে প্রযুক্তি
১৯৪২ সালে ২য় বিশ্বযুদ্ধে ব্যাবহৃত রাডার যেটা আজকের দিনের রাডারের পিতা বলে মনে করা যায়।
এই যন্ত্রটা আজকের দিনের রাডার যেটা গোলাকার বলের ভেতর বসানো থাকে এবং যাতে ধরা পড়ে বিমান ও ঝড়ের সিগন্যাল।
এভাবে ই ধীরে ধীরে রাডারের উন্নতি হয়েছে যার ফলে এটা আমাদের দেশে প্রতিবছর ঘুর্ণিঝড়ের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া জনবলের জন্য আশির্বাদে পরিণত হয়েছে।
রাডার কিভাবে কাজ করে সেটা আজ নাইবা বললাম-আরেকদিন বলবো-তবে আজ ই জেনে নিতে এখানে ক্লিকান এবং এখানে ও
ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়ার জন্য
বি: দ্র: যেকোন ধরণের ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থী।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



