ভাস্কর চৌধুরী- আপনাকেই বলছি
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৪
ভাস্কর আপনার চা বাগানের মানুষদের নিয়ে লেখাটা পড়লাম। কিভাবে কমেন্ট করব বুঝতে না পেরে পোস্ট টা লিখলাম।
বালেছেন "এরকম হাজার শ্রমিক আছে ক্যামেরার ফোকাসে আসলে জীবন ধন্য মনে করে। আর ওদের পাশে থেকে, জড়িয়ে ধরা , কিছু আদর, সহানুভূতি হলে ওরা ভূলে যায়" ওরা শুধুই ভুলে যায়না আমাদের মত মানুষরা একবারের জন্য একবেলার জন্য ওদের জন্য কিছু করলে ওরা তার অনেক মুল্য দেয়। ওদের কাছে একবারের একবেলার সাহায্য সহনুভুতির অনেক মুল্য। একবেলা বা একটু সাহায্য যেকোনো ভাবে ওদের কাছে অনেক বড় ব্যপার এটা আমাদের দলান কোঠায় বাস করা মানুষগুলো মানতে চান না।
তারা প্ল্যন করেন দল গঠনের, জনগন জাগাবার, ক্ষমতায় আসার, ক্ষমতায় আসলে পরিক্লপনা করেন ওদের সাহায্য করার, তারপর যখন সাহায্য পৌছে ততদিনে ওরা মরেই যায়। আর ঐ সাহায্য আদৌ পৌছে কিনা তার কোন নিশ্চয়তা নেই।
তারা বলেন একা কখনও একটা জাতিকে সাহায্য করা যায় না এর জন্য দল লাগে। হা হা হা হায়রে দল!!!।
একজন মানুষ যদি একবেলা একজন মানুষকে সাহায্য করে একাবারের জন্য তাহলে এই এক বিন্দু সাহায্য বিন্দু বিন্দু করে কিন্তু অনেক হয়। এটা আমাদের দলান কোঠায় বাস করা মানুষরা মানেন না। ধরুন একজন মানুষ সাহায্য করল তার সাধ্যমত একটা বা দুটো মানুষকে একবারের জন্য, আরেক জন মানুষও করল তাই, এভাবে এই বিন্দু বিন্দু সাহায্য একসময় হয়ে উঠবে বড় সাহায্য! আমার বাংলা লেখার মান খুবই বাজে, যানি না যা বলতে চেয়েছি পারলাম কিনা। আশা করি আমার অক্ষমতা ক্ষমার চোখে দেখবেন। বানানও অনেক ভুল কিন্তু আমার মেইন টার্গেট কমিউনিকেট করা। যদি তা পেরে থাকি বাকিটা ক্ষমার চোখে দেখবেন।
আপনি যে শুধু পথিক হয়ে দেখে এবং লেখক হয়ে লিখে বেড়ান না কিছু একটা করার চেষ্টা করেন ঐ সব মানুষদের জন্য যেনে সত্যি ভাল লাগল। আপনি এমন কোথাও লিখছেন যা সাবাই কে দল জন নির্ড়বিষেশে নাড়া দেবে, এমন কিছু করার চেষ্টা করছেন একা আপনার সাধ্যমত কোন দলের আশায় না থেকে এটা অনেক বড় ব্যপার।
দুঃখ্য লাগে যখন দেখি যাদের বড় ডিগ্রি আছে কিছু করতে পারেন কিন্তু সময় কাটান দেশের পরিনতি দেখে, লিখে আর প্ল্যান করেন দল জাগানোর। তারা মানেন না বা জানেন না ঐ মানুষ গুলোর কাছে কোনটা বেশি মুল্যবান, কি তাদের আসলে দরকার। তারা ঐ সব মানুষদের কাছাকাছি পর্যন্ত কোনদিন যাননি অথচ দল গড়ার চেষ্টা করেন ওদের সাহায্য করার জন্য। সময় কাটান গবেষনা করে জাতির ভবিষ্যত নিয়ে। লিখেন তাদের দুর্দশার কথা কিন্তু ভাবেন না টাকা দিয়ে সাহায্য ছাড়াও আরও অনেক ভাবে তাদের সাহায্য করা যায়।
ভাল থাকবেন সব সময়। আনেক ধন্যবাদ আপনার কাজের জন্য, জানি যদিও আপনি ধন্যবাদ পাবার জন্য করেন না।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আপনাকেও বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! আপনাকেও বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা
এম্নিতেই বলেছেন:
ভালো পোস্ট আপু ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
আমার আমি বলেছেন:
অধিকার সবারই আছে। মানুষ মানুষের জন্য।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন আর দল দলের জন্য হা হা হা মাফ করবেন ভুল বলে থাকলে।
টেকনো বলেছেন:
অনেক কথা বলেছেন, ভাল লাগলো। এখন কাজ করার পালা।ভালবাসি এই দেশকে, এই দেশের মানুষকে। কিছু করার ইচ্ছা আছে,যদি পারি করবো নিজের জন্য, ভবিষ্যত প্রজন্ম এর জন্য।
অনেক ভাবেই সাহায্য করা যায়, আমি করবো আমার সাধ্যমত।
কিন্তু মনে প্রানে বিশ্বাস আছে আমি পারবো।
অনেক ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আমি জানি আপনি পারবেন অবশ্যই পারবেন। অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা থাকল এখান থেকে। আসুন আমারা একজন একজন করে একটা একটা মানুষকে অন্তত একবার একবার করে সাহায্য করি মানসিক বা আর্থিক বা অন্য যেকোনো ভাবে আমাদের সাদ্ধ্য মত!
নিপা বলেছেন:
মানুষের মধ্যে চা পানের অভ্যাস গড়ে উঠলে চা বিক্রি হতে শুরু করে। আর সে সুবাধে বৃটিশরা কোটি কোটি টাকা মুনাফা লুটে নিয়ে গেছে এ দেশের মানুষের কাছ থেকে।
চা আজ আমাদের দেশের মানুষের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ, অর্থনীতির অন্যতম প্রধান খাতসমূহের একটি। বিশ্ববাজারে ও আমাদের দেশের আভ্যন্তরীণ বাজারে চায়ের চাহিদা বিপুল হারে ক্রমাগতভাবে দিন দিন বাড়ছে।
কিন্তু আজ চরম দুর্দশাগ্রস্ত চা শ্রমিকরা। চা শিল্পকে বাচিঁয়ে রাখতে হলে তাদের বাঁচাতে হবে।
সুন্দর পোস্ট।
লেখক বলেছেন: ভাল লাগল নিপা আপনার লেখা পড়ে ও সচেতনতা দেখে। চা বাগানের মালিকদের চা এর মানও বাড়াতে হবে ফাকি বাজি না করে কারন শ্রমিক রা তো শ্রম দিয়েই যাচ্ছে একই উন্নত বা অনুন্নত চা দুটোর জন্যই, মালিকরা তাদের পে করছেন খুবই কম, হয়ত অনুন্নত চায়ের জন্য তারা আয় করেন কম তাই পে করেন কম। তবে আমাদের দেশের চা যে খুব অনুন্নত তা কিন্তু মানি না। সো শ্রমিকদের শ্রমের মুল্য দিতে হবে এবং তাদের মজুরি বাড়াতে হবে। আপনি পারলে লিখুন এ ব্যপারে কোন বাংলা পত্রিকায়, তবে জানি হয়তো ফল হবে না, তবু চেষ্টা করতে পারেন। অনেক ধন্যবাদ!
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
... আমিও ভাস্কর লুল্রে বালা পাই
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! শুভ বিজয় দিবস!!
নিপা বলেছেন:
বেশির বাগ পত্রিকাই চা শ্রমিকদের সমস্যার কথা ছাপায় না। কারণ বিশিরভাগ পত্রিকার মালিকই চা বাগানের মালিক।
বিজয়ের চেতনা ছড়িয়ে পড়ুক হৃদয়ে হৃদয়ে
আরিয়ানা আপনাকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নিপা। বুঝলাম। তবেকি জানেন এই সমস্যা শুধু চা শ্রমিকদের নয়। আমি ওদের মত সাবার কথা বলতে চেয়েছিলা। আমরা সবাই মিলে একটু একটু করে চলুন তাদের সাহায্য করি যারা কষ্টে আছে....শুধু চা শ্রমিক নয়....সবাই। ভাল থাকবেন।
ইমন০০৭ বলেছেন:
বাংলাদেশের চা চা শ্রমিকরা আজ হুমকীর মুখে। তাদের জন্য প্রয়োজন অনেক কিছু। কিন্তু কিছুই পাচ্ছেনা তারা।
চা শ্রমিকদের মর্যাদাপূর্ণ জীবনধারণ উপযোগী মজুরী, বছরে ২টি উৎসব বোনাস, প্রতিটি চা বাগানে ১টি সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, প্রতিটি ফাঁড়ি বাগানে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, বাগান কর্তৃপক্ষের খরচে চা শ্রমিক সন্তানদের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়ার ব্যবস্থা, আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণসহ প্রত্যেক বাগানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক এমবিবিএস ডাক্তার-নার্স নিয়োগ, পর্যাপ্ত ওষুধপত্র সরবরাহ, বসতভিটার স্থায়ী বন্দোবস্ত দেয়াসহ চা শ্রমিকদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত ও পর্যাপ্ত ঘর-বাড়ি নির্মাণ, প্রয়োজনীয় আসবাব পত্র সরবরাহ, চা চাষ সম্প্রসারণকল্পে নতুন কর্মসংস্থান, বাগানের অনাবাদী জমিকে আবাদযোগ্য করা, চায়ের উৎপাদন ও গুণগতমান বৃদ্ধি করা, চা শ্রমিকদের শিক্ষিত সন্তানদের কর্মসংস্থান অথবা বেকার ভাতা প্রদান, ঘরে ঘরে বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসম্মত সেনিটেশন, রেশনে খাওয়ার উপযোগী উন্নত আটা বা চাল সরবরাহ, মাথাপিছু রেশনের পরিমাণ ৪ কেজি ধার্য্য করা, প্রতিটি বাগানে সাংস্কৃতিক বিকাশে সমৃদ্ধ গণ পাঠাগার, খেলাধুলার প্রয়োজনীয় উপকরণ সমৃদ্ধ ক্লাব নির্মাণ, সুস্থ রুচিসম্মত বিনোদনের ব্যবস্থা, চা শ্রমিক সন্তানদের জন্য পৃথক চাকুরীর কোটা নির্ধারণ, চা শ্রমিক জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, প্রতিটি চা বাগানের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের প্রকৃত হিসাব চা শ্রমিক জনগোষ্ঠীর কাছে প্রকাশ করা, চা শ্রমিকদের জন্য শেয়ার মালিকানা ঘোষণা করা, প্রতিটি বাগানের মুনাফার ২০% চা শ্রমিকদের মধ্যে বিতরণ করা, চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরী কমপক্ষে ২০০ টাকা নির্ধারণ করা, প্রতিটি বাগানে আইএলও কনভেনশন ও জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকার, নারী ও শিশু অধিকারসহ চা শিল্প শ্রম আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন প্রয়োজন চা শ্রমিকদের জন্য।
লেখক বলেছেন: লিখুন না এই কথা গুলো সব শ্রমিকদের জন্য....যে কোন পত্রিকায় অথবা ম্যগাজিনে। ভাল থাকবেন। ভাল লাগলো আপনার চিন্তা জেনে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নিপা, মন ভাল করা কথা বলে ফেলছেন!
কালপুরুষ বলেছেন:
ভাল লিখেছেন। লেখার বক্তব্যে মানবিকতার ছোঁয়া সুস্পষ্ট বিধায় বানান ভুল তেমন খারাপ লাগলো না।
লেখক বলেছেন: মাফ করবেন বানান ভুেলর জন্য, আমি বানানে বড়ই কাচা। আর আমি মনে করি ভাষা কমিউনিকেট করার জন্য, বানান ভুল ধরবার জন্য নয়, হয়তো আমি ভুল। তবে আমি ভাষা ব্যবহার করি কমিউনিকেট করার জন্য সেটা যদি পরে থাকি ভুল বানানে তাতে খুব বেশি মন খরাপ হবে না আমার।
লেখক বলেছেন: ভাল থাকবেন। ধন্যবাদ
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
কিছু চরিত্র থাকে এমন । যেখানে একটি চরিত্রের আড়ালে হাজারো চরিত্রের উপাখ্যান ভেসে রয়। আমি কোন কাল্পনিক কথামালার ব্যাখা করছি না। কখনো কখনো কিছু বাস্তবতা শুধু বাস্তবতাই নয় ; হয়ে যায় নির্মম বাস্তবতা।
নির্মমতার আড়ালে নির্মম শব্দটি ডেকে যায়। আমরা নির্মমতার সংঙা খুঁজে পাইনা। কিন্তু উপলব্ধি করি.......নির্মমতাকে।
বলতে পারেন কিছু কষ্টের ছাপরেখা ক'টি কথায় আলপনা দিয়ে গেলাম। আসলে ওদের কষ্টের রঙ একদিনে , একটি মুহুর্তে উপলব্ধি করা যাবে না। ওদের পাশে গিয়ে দাড়ানোই শ্রেয় নয়। কখনো ছবির ক্যানভাসে, কখনো ......!
ওদের কষ্ট ও দুঃখ দুর্দশার বর্ণনা আপনিও উপলব্ধি করতে পেরেছেন। হয়তোবা করতে চাচ্ছেন কিছু.....! সেই আকুতির কিছু ছাপরেখা ....!
সেই ডিগ্রীওয়ালাদের আমিও ঘৃর্ণা করি। ওদের দাসত্বের বলি হয়েছে বর্তমানে কষ্ট ও দুঃখকে সাথী করে বেঁচে থাকা সাড়ে ৭ লাখ বিবর্ণ চা শ্রমিক জনগোষ্ঠি।
যাক বলার অনেক কিছু থাকলেও ......!
আপনার কিছু দায়বোধ। দায়বোধ থেকে হৃদয়কে নাড়া দেওয়া কিছু কথা শুধুই কি কথা থেকে যাবে।
না ......
আমি বা আমরা হয়তো লিখেই যাবো। হবে না শেষ। কিন্তু আপনি বা আপনাদের কিছু করার আছে ওদের নিয়ে ।
আপনিও ভালো থাকবেন........আমাদের ভালো থাকার স্বার্থকতা তখনই স্বার্থক হবে যখন আমাদের চারপাশের সেই স্বস্তা ধরের মানুষগুলো ভালো থাকবে......
!
শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রেখে গেলাম ক'টি শব্দের শেষে।
লেখক বলেছেন: আমি আপনাদের মত সুন্দর করে লিখতে পারি না তাই ছোট ছোট হলেও মানুষদের পাশে দাড়াবার চেষ্টা করি সাধ্যমত। ভাল থাকবেন।
অচেনা সৈকত বলেছেন:
খাইছে রে!!! মার দিয়া কেল্লা!!!
আজনবী বলেছেন:
ভালো পোষ্ট।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















আপনাকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা