গুটিপোকার গুটি কথা

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৩

শেয়ারঃ
0 0 0

আমর এই ভাগ্নেটা যখন জন্ম নেয় তখন আামার খুশিতে চোখে পানি এসে যবার মত ব্যপার হয়েছিলো। কারন তার মাকে আমি সবচাইতে বেশি ভালবাসতাম আমার বোনদের ভেতর।

আরো বেশি খুশি হবার কারন হলো আমার বোনটি তখনো ইউনিতে তাই যখন সে চলে যাবে হলে তখন বাচ্চা পালনের দায়িত্ব পরবে তার মা আর আমার উপর সো আমার পুরো দখল থাকবে মাংসের মিষ্ট দলাটির উপর এই ভেবে।

অসাধারন অনুভুতি যে মুহুর্তে আমি প্রথম গোলাপি রং এর মাংসের দলাটা আমার নিজের চোখে দেখলাম হসপিটালের দোলনায়। আমি ছোট বলে আমার কোলে দেয়া হচ্ছিল না। কিছুতেই বাড়ি ফিরতে মন চাইছিল না হাদা ভেল্টুটাকে ফেলে সেদিন।

যাই হোক মাস তিনেক পরে হাদাটাকে আমার পূর্ণ আওতায় পেলাম কারন ওর মা ওকে রেখে হলে চলে গেল পড়া শেষ করতে। আমার ফুফু আর আমি দুজন মিলে হাদাটাকে বড় করা শুরু করলাম। আমার বড়টা মেডিকেলে ভর্তির পড়া নিয়ে তখন মহা ব্যস্ত তাই গুটিপোকা টা ১০০% ভাগ আমার আন্ডারে। হা হা হা, স্কুল থেকে ফিরেই ছুটে যেতাম দোলনাটার পাশে । ওটা যখন ঘুমিয়ে থাকত তখন ওকে নেল পলিশ দিয়ে দিতাম, চিরনি দিয়ে ছোট ছোট চুল আচড়ে ঝুটি করে দিতাম, ঘুম পাড়াতাম, আরো কতো খেলা ওকে নিয়ে আমার!!
এই ফাকে যে কখন ১২/১৩ বছর বয়সে মা বনে গেলাম বুঝতেই পারিনি।

বছর খনেক পর আমার আরেক বোন এলো আমাদের সাথে যোগদিতে। ও আসাতে ভাগ্নেটা কিছুটা ভাগা ভাগি হলো। তাতে একটু শুবিধাই হলো আমার কারন গাধাটা যখন কাদতে শুরু করত ভ্যা ভ্যা করে ঘন্টা তিনেক চলত সেই ভ্যা। সো মাঝে মাঝে আমার ওকে তুলে আছার মারতে ইচ্ছে করত। তাই ছোটটা আসায় আমার বোঝা একটু কমল।

এই হাদাটা আমার জীবনের প্রতি মুহুর্ত জুড়ে থাকত সেই সময়। এমন কি বন্ধুদের বাড়ি বা স্কুলের ফাংশানেও তার আমার সাথে যাওয়া চাই!! জিগার আঠা আরকি!!!!

আমার বাবা/মা দেশের বাইরে থাকতেন তাই আমি আমার ফুফুর কাছে থাকতাম। গুটিপোকাটা আমার ফুফুর নাতি। গুটি পোকাটার বয়স যখন ৩ আমার বাবা তখন হুট করে দেশে চলে এলেন আর আমাকে তার নিজের কাছে নিয়ে গিয়ে রাখবেন বলে ঠিক করলেন। বাবার সাথে দেখা আমার তখন দির্ঘ ৫ বছর পর। ৫ বছর কম সময় নয়। বাবা আমাকে শেষ দেখেছেন বালিকা হিসেবে যখন আমি তাকে ছেরে আসি, উনি ফিরে এসে আমাকে পেলেন কিশোরি হিসেবে। অনেক পরিবর্তন এর মাঝে!!

মনে খারাপ করতে লাগলো বাবার কাছে চলে যেতে হবে জেনে পরিচিত সবাইকে ছেড়ে। তবুও যেতে হবে কারন উনি আমার বাবা। আমার গুটি পোকার মহা মন খারাপ। যখন সে ঘুমিয়ে আমি চুপি চুপি ওকে না বলে চলে গেলাম ওর কান্না না দেখার জন্য।

কিন্তু বাবার কাছে গিয়ে লাভ হলো না। বছরের ঐ সময় কোন স্কুল ভর্তি নেয় না। বাবা আমার অনেক চেষ্টা চালালেন বিভিন্ন স্কুলের প্রিন্সপলের কাছে গিয়ে, কিন্তু কোন লাভ হলো না।

অচেনা জায়গায় অপরিচিত মানুষের ভেতর হঠাৎ করে এসে আমার দম বন্ধ হবার দশা তখন। আর আসবার পর গুটিপোকা বা ছোটর কোন খবর পাইনি। আমার ফুফু ও কোন খবর দেননি ওরা কেমন আছে জানিয়ে। তখন ত এত মোবাইল ছিল না। আর আমার বাবার বাড়িতে তখন টেলিফোনও ছিল না।

আমাকে স্কুলে ভর্তি করতে না পেরে বাবার আর কোন উপায় ছিল না আমাকে ফুফুর বাড়িতে ফেরৎ দিয়ে আসা ছাড়া। খুশিতে পাগল হবার মত অবস্থা তখন আমার ফিরে যেতে পেরে।

যখন ফুফুর বাড়িতে গিয়ে পৌছলাম তখন বিকেল ৫ টা। গেট দিয়ে ঢুকতেই দেখলাম আমর ফুফু হাদাটাকে কোলে নিয়ে বসে বারান্দায়। আমকে দেখতেই ফুফু হাউ মাউ করে কেদে উঠল " এত দেরি করে এলি" আমার গা মাথা ঝিম ঝিম করতে থাকল আশংকায় কি হয়ে গেছে এই ভেবে। তখনো আমার চোখ পরে নি হাদাটার উপর। ফুফুর কান্না দেখেই আমি ভয়ে সাড়া। প্রথম কথা মনে এল আমার ফুফা কি মারা গেছেন নাকি? বারন্দার দিকে এগোতেই দেখি ফুফা নিমের ডাল দিয়ে দাত মাজতে মাজতে বেড়িয়ে এলেন। তখন মনে হলো তাহলে কি হয়েছে ফুফাত জ্যন্ত!

ফুফু গুটি পোকাটাকে আমার চোখের আড়াল করে কোলে নিয়ে আছেন। আমি ওকে কোলে নিতে এগোতেই ফুফু ওকে আরো আড়াল করলেন আর কাদতে থাকলেন এই বলে "তুই এই দৃশ্য সহ্য করতে পারবি না। কেমন করে তুই ওকে দেখবি, এত দেরি করে এলি কেন" আমি ত কিছুই বুঝিনা। আমার শক্ত মনের ফুফুকে আমি কোন দিন কাদতে দেখিন। ভাবলাম ফুফুর হলোকি মাথা খারাপ ত হয়ে যায়নি?

জোড় করেই গুটি পোকাটাকে কোলে নিলাম ফুফুর কোল থেকে। আহ আমার হাত পা বড়ফ হয়ে গেল। একি অবস্থা আমার গোলাপি মাংসের টুকরাটার!!!

আমি চলে যাবার পর আমার ছোট্ট ছেলেটা সবখানে আমাকে খোজা শুরু করেছিলো। কোথাও না পেয়ে মনে মনে কষ্ট চেপেছিল। তাই যা পেত তাই বলত এটা দিয়া মনির জন্য রাখ। ও আমাকে দিয়া মনি ডাকত। ভাত খেতে গেলে দিয়ামনির ভাগেরটা দাও, গোছল করতে গেল দিয়ামনির গোসলটা দাও, চা খেতে গেলে দিয়া মনির টা দাও ....সবটাতে তার দিয়ামনির টা চাই।

সেদিন ফুফু উঠানে বসে রান্না করছিলেন আর গুটিপোকাটা উঠানে সাইকেল চালাচ্ছিল। সব সময় ফুফু আমাকে লবন চাখতে বলতেন। সেদিন গুটিপোকা বললো নানু দাও তোমার লবন চেখে দেই, কারন সে জানে দিয়ামনি নেই তো এটা এখন তার দায়িত্ব। সাইকেল চালিয়ে সে নানুর কাছে চলে এলো। সাইকেলে বসেই সে হাত বাড়িয়ে দিল হাতের তালুতে ঝোল নেবার জন্য। লবন সে চেখে দিল। তারপর কি মনে করে সে বললো দাও দিয়ামনিরটাও চেখে দেই। বলে ঘার কাত করে হাত বাড়াতেই সাইকেল নিয়ে তাল সামলাতে না পেরে গরম তরকারির কড়াই এর ভেতর পড়ে গেল!!

আহ নিমিষেই ঝলসে গেল তার মুখের একটা পাশ ঘার সহ!!!

আমি যখন ওকে কোলে নিলাম দেখি থকথকে ঘা আর ফোসকায় আমার গোলাপি মাংসের দলাটাকে চেনা যায়না। আমি কেদে ফেললাম। বার বার নিজেকে দোষ দিতে থাকলাম ... আমি চলে না গেলে আজ এই অবস্থা হতোনা আমার বাচ্চাটার। কেন আমি গেলাম ওটাকে ফেলে!! ওটা আমার সবচাইতে আদরের মানুষ ছিল (এখনও আছে। খুবই কষ্ট পেয়েছিলাম। এর পর সবসময় নিজেকে অপরাধি মনে হতো ওর মুখরে দাগটার জন্য। ঐ ঘটনার পর সে আমার আরো আদরের হয়ে গেছে।

এর পর ভাল চিকিৎসা আর আমার ফুফুর যত্নে হাদাটা সেরে উঠেছে। ইউ কে থেকে আনা এক ক্রম লাগান হতে রোজ রাতে। এখন সে অনেক বড়। ওর মুখে এখন আর কোন পোড়ার দাগ নেই। সব মিলিয়ে গেছে। এখন সে সু-পুরুষ, রিতিমত সুদর্শন!! আর এখনও হাদা ভেল্টুটা আমার সেই ভালবাসা দখল করে বসে আছে। ভাবতে অবাক লাগে আমার ওড়নার কোনা ধরে ঘুর ঘুর করা পড়ুয়া ছেলেটা এখন এত বড় হয়ে বিদেশ পাড়ি দেয় একা একা যে এক সময় দাবায় আমার সাথে জিতলে খুশিতে লাফাত আর হেড়ে গেলে কেদে ভাসাত!!!! আর আমি ওকে ডাকতাম "বোকা ভেল্টু"!!!

সব সময় ভাল থাকিস !!!!

 

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৩
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: আহারে...কতো মায়া পৃথিবীতে!
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: পৃথিবী মায়ার গ্রহ, মংগল গ্রহ কেমন তা জানিনা।

২. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৬
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: এমন হাজারো স্মৃতির ভিড়ে হারিয়ে যেতে কতই না ভালো লাগে আজকে, তাই না ?

আপনাদের দু-জনের জন্যই অনেক শুভেচ্ছা ... ভাল থাকুন ... সব সময় ।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়বার জন্য!

৩. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৭
অচেনা সৈকত বলেছেন: লে হালুয়া। এসব কি???
৪. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৭
অচেনা সৈকত বলেছেন: এনিওয়ে, ধন্যবাদ।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১২

লেখক বলেছেন: বড়ই মন খারাপ লাগছেরে এই মুহুর্তে!!!

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়বার জন্য আর প্লাসটির জন্যও!

৬. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৩
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: বেশ ! বেশ !! তোমার এই বোকা ভেল্টুর জন্য এবার একটা বোকা সুন্দরী জুটিয়ে দাও, বেচারার লেখা পড়লে মনে হয় সে ইদানিং বেশ লোনলি ফিল করে।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৯

লেখক বলেছেন: বোকা সুন্দরী সে নিজেই জুটিয়ে নেবার মত বড় হয়ে গেছে অনেক আগেই হা হা হা!!

৭. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৩
যশোর০০৭ বলেছেন: লেখাটি আপাতত: বাকীতে পড়লাম। ভাল লাগবে মনে হয়। পরে পড়ে নিব।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:২৭

লেখক বলেছেন: উমম ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়বার জন্য!

৮. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৬
একরামুল হক শামীম বলেছেন: লেখাটা ভালো লাগলো।
পৃথিবীতে কতো যে মায়া...কতো ভালোবাসা....কতো স্মৃতি....
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:২৮

লেখক বলেছেন: ভালবাসা দিবসে আমার এক ভালবাসার গল্প মাত্র!!!

৯. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৫
কালপুরুষ বলেছেন: ভালবাসা দিবসের শুভেচ্ছা রইলো।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:২৯

লেখক বলেছেন: আপনাকেও। ধন্যবাদ আমার পাতায় আসবার জন্য!! ভাল থাকুন।

১০. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮
রুমমা বলেছেন: ভালো লাগলো,ভালো কাহিনী,আপনি কি প্রফেশনাল গ্রাফিক ডিজাইনার?না হলেও গ্রাফিক ডিজাইনার তো,আমিও।তবে সব ভুলে গিয়েছি।help নিব,পাবতো?
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: ওটা আমার জীবিকা .... তাহলে বুঝতেই পারছেন!!! নিশ্চই পাবেন!

১১. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪২
উধাও ভাবুক বলেছেন: মায়া !!!
মায়াই মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে।

ভাল থাকুন জীবনের প্রতিটি মুহুর্তে সেই প্রত্যাশাই রইল।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনিও ভাল থাকুন!

১২. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০১
জলপাই দেশি বলেছেন: মন দিয়ে পড়লাম। ভালো লাগলো। সহজ ভাষায় গভীর ভাবনা আপনি সুন্দর ভাবে সাজিয়েছেন। ধন্যবাদ। আপিন কি গল্প লিখেন? লিখলে ভালো। ভালো থাকুন।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৩

লেখক বলেছেন: কখনই গল্প লেখিনি। বাংলায় গাধা। হা হা হা অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

১৩. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০৮
আজনবী বলেছেন: সুন্দর বর্ননা। আপনার জন্য আর আপনার ভেল্টুর জন্য শুভ কামনা।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে পড়ার জন্য।

১৪. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১৩
হাল্ক বলেছেন: + এবং প্রিয়তে।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!!

১৫. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫১
জামান বলেছেন: আমার বাবা/মা দেশের .......। আমার বাবা তখন......। বাবার সাথে দেখা আমার......। বাবা আমাকে শেষ .....।....... লাগলো বাবার কাছে চলে যেতে হবে ......। তবুও যেতে হবে কারন উনি আমার বাবা।

কিন্তু বাবার কাছে গিয়ে লাভ হলো না। বছরের ঐ সময় কোন স্কুল ভর্তি নেয় না। বাবা আমার অনেক চেষ্টা চালালেন ........

তখন ত এত মোবাইল ছিল না। আর আমার বাবার বাড়িতে তখন টেলিফোনও ছিল না।

দয়া করে আমার ওপর রাগ করবেন না.................।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:১০

লেখক বলেছেন: মানে কি? বানান ভুল অর সামথিং এলস?

১৬. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২০
রুমমা বলেছেন: আপু আপনার মেইল আডরেসটা দেয়া জাবে? আবার মুছে দিয়েন না হ্য।
১৭. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২১
রুমমা বলেছেন: আবার মুছে দিয়ান না হ্য়।উপরে ভুল এসেছে.
১৮. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৮
নম্রতা বলেছেন: তোমার গুটি পোকার জন্যে আমাদেরও মায়া হয়ে গেলো । ওকে বলো !

সুন্দর লিখেছো ! আরিয়ানা ...
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ তোমাকেও..। ভাল থাক।

১৯. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৭
শরিফ রহমান বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা ... ভাল থাকুন ... সব সময়
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা আপনাকেও!!!

২০. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮
রকিব১ বলেছেন: ভাল আপনার মত আমার হাদা মুটু ছোট্ট একটা বোন আছে
ভালবাসি থাকে, নিজের কোলে পিঠে করে মানুষ করলা,
নিজের হাতেই বরের হাতে তুলেদিলাম, অনেক কষ্ট বোনটার জন্য
৩ মাস হয় তার একটি হাদা মুটু গোলাপি রংঙের মাংসের টুকরা আসেছে.......... তাকে দেখার জন্য মনটা খুব খারাপ, আপনার লেখা পড়ে কাদঁতে ইচ্ছে হয় বাবুটার জন্য ভাল থাকেন
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: মন খারাপ করার কিছু নেইত!!

২১. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৪
হেল-বয় বলেছেন: খুব সৌন্দর্য্য হয়েছে লেখাটা। আমারে না চেনারই কথা। কারণ থাকি নরকে। আর থুক্কু ভুল হইয়া গেছে। ...এখন না..শুরু থেইকা সুন্দর। এইবার ঠিকাছে????
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:৩২

লেখক বলেছেন: হা হা হা এইবার ঠিক হয়েছে!!!

২২. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৫
জামান বলেছেন: আমার কমেন্ট এর জবাব এ বাবা কে লিখবেন না বলেছিলেন........মোট ৯ বার বাবা বলেছেন

বাবা তো বাবাই
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:৩৪

লেখক বলেছেন: হা হা ইনটারেসটিং!! গল্পটাত বাবাকে নিয়ে নয়। আর আমি কথা বলি ওভাবেই!!! হু .. তবে দুর্বল লেখনি রাইট!!??

২৩. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৬
হেল-বয় বলেছেন: আমার চেহারাটা কিমুন সেইটা যদি কিছু বইলতেন?? মানে ইয়ে....

যাক শয়তানি করুম না আর,,,,

আমার লেখা পইড়া আইসেন। আমন্ত্রণ রইলো। একটা নতুন পোস্ট দিছি।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩১

লেখক বলেছেন: নিশ্চিই পড়ে নেব। আপনার চেহারা হেল-বয় এর মত!!

২৪. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৬
নাহিন বলেছেন: অসাধারাণ হয়েছে লেখাটা, প্রিয়তে।

আমার কোন গুটিপোকা নাই, আমি নিজেই একটা গুটিপোকা :D । আমার বড় ভাই আর মা এমনই করে আমারে নিয়ে, তাদের দেখা দেখি এখন আমার ছোটটাও শুরু করেছে :P
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩২

লেখক বলেছেন: তাহলেত খুবই মজা আপনার।

২৫. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৬
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন: আপনার গুটিপোকা অনেক ভাগ্যবান, কারন তার জন্য আপনার অকৃত্রিম মায়া........................সত্যিই...............আপনি গুটিপোকার খুব আপনজন. গুটিপোকাকে নিয়ে আবারও লিখবেন কেমন!!!!!!!!!!
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়বার জন্য।

২৬. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৯
নভেরা১১ বলেছেন: অসাধারন হয়েছে।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২৭

লেখক বলেছেন: উমমম!!!

২৭. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৫
প্রলয় হাসান বলেছেন: শিরোনাম - পোস্ট দুইটাই মজার। ++ :)
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:১১

লেখক বলেছেন: থ্যংক্স!!

২৮. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৮
পতত্রী বলেছেন: আপনার লেখাটা পড়ে মন খারাপ হয়ে গেল।
আমার ছোট্ট ভাইটাকে এভাবেই বড় করেছি।এখন ৫ বছর বয়স।

পড়ার ছলে দূরে আসা। ওর কথা মনে পড়ছে।

ধন্যবাদ।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৬

লেখক বলেছেন: মন খারাপ করবেন না। ভাল থাকুন!!

২৯. ১০ ই জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৫
সুরঞ্জনা বলেছেন: গুটিপোকা? সুন্দর বলেছো।
১৪ ই জুন, ২০১০ সকাল ৭:৫১

লেখক বলেছেন: :) ঐ আমার আদরের ডাক ওকে। :)

৩০. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৭:২৮
অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: অনেক ভাল লাগল লেখাটা পড়ে!মাংসের দলাটা বড় হয়ে গেছে??
ঐ ঘটনাটায় খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম,যাই হোক,সব এখন ঠিক আছে জেনে ভাললাগল!
২২ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:০৩

লেখক বলেছেন: ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগলো। ভাল থাকবেন। :)

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬৬৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি লেখক নই, গ্রাফিক ডিজাইনার। লেখালেখির হাত কখনই ছিল না। ১৩/১৪ বছর বয়সে একবার বিচিত্রায় লিখেছিলাম বিচিত্রার প্রতি আমার ভালবাসা...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই