অনেক দিনপর অনেক গুলো সুন্দর বাংলা গান শুনলাম স্বপ্নজয়ের দৌলতে। চমৎকার লাগলো। মনটাই ভাল হয়ে গেল
এখানে সব অফিসেই সারাক্ষন রেডিও বাজান হয় যারা কাজ করছেন তাদের মনরন্জনের জন্য। সকালে অফিসে ঢুকেই কেউ একজন রেডিওটা চালিয়ে দেবে আর সেটা বন্ধ হয় শেষ মানুষ টা অফিস থেকে বেরনোর সময়
প্রতিদিন সেই একই ইংলিশ গান শুনতে শুনতে গান গুলো মুখস্ত হয়ে মাথার ভেতর ঘর সংসার নিয়ে সেগুলো বসবাস শুরু করে দিয়েছিল।
আজ অনেক দিন পর বাংলা ফন্ট সমস্যার সমাধান করার পর স্বপ্নজয়ের পাঠান গান গুলো শুনতে শুনতে আপনাদের লেখা পড়া শুরু করলাম। আহ কিযে ভাল লাগা অনুভুতি!!!! ভাল লাগায় গা সিন সিন করতে থাকে। মনের ভেতর ভাল লাগার ১০০ বেলুন ভাসতে থাকে।
ভাবুন তো স্বপ্নজয়ের পাঠান সেই গান গুলোর সাথে লীনা আপুর বাবার ডায়রী, দাদার (কালপুরুষ) লেখা "হাইকু ভাবনা", নাজনীন আপু আর নম্রতার চামৎকার সব কবিতা, কাকনের লেখা.......চাঙ্কুর "ভালুবাসা" .....সত্যি অসাধারন।
ভাল লাগায় ভুলেই গেছিলাম গত কদিনে আমার বাংলা ফন্টের সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে সবার মাথা, কান, মন, জীবন ঝালা পালা করে দিয়ে ছিলাম। আমি কোন সমস্যায় পরলে সবার আগে মাথা নষ্ট করি আমার বোকা ভেলটুর, সেই গুটি পোকা টাকে অনলাইনে না পেয়ে আপনারা সবাই আমার টর্গেট হন
যখন বোকা ভেল্টু টাকে পেলাম, আমি তাকে এ্যটাক করার আগেই টের পেয়ে ছেরে দে মা কেদে বাচি অবস্থা তার। সে উল্টা তার টিকেট সংক্রান্ত ঝামেলা নিয়ে আমায় ফোন দিলো....
যাই হোক আপনাদের সবার সাহায্যে ল্যাপটপ টার সাথে ঘন্টা খানেক যুদ্ধ করার পর সমাধান হোলো। আর তাতই সুজোগ পেলাম কিছু বাংলা অসাধারন গান শোনার। মনটা যে কি ভাল লাগছে!!!!
খুশির চোটে ইচ্ছে করছে পোলাও রান্না করে ফেলি, ঈদ বানিয়ে ফেলি
বানর হলে গাছে চড়ে কিছুক্ষন লাফালাফি করে নিতাম, তাতো আর পারছিনা তাই তিন গ্লাস চিনি পানি খেয়ে ফেললাম পেটের শুর শুরি থামাবার জন্য
আর ঐ চারটা গান এইবার দিয়ে ২৯ তম বার শোন হবে.....। আর বাকি সবার লেখা এখনও পড়ে যাচ্ছি.....। আরেক বার সবাইকে ধন্যবাদ। স্বপ্নজয় কেও..।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


