আকুপাংচার

১৪ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:৪৬

শেয়ারঃ
0 0 0


গতবার যখন ঢাকায় গেছিলাম তখন থেকে আমার হাটুতে কেন যেন ব্যথা শুরু হলো। ওখানে ডাক্তার দেখাবার সময় পাইনি তাই ফিরে এসে এখানে ডাক্তার দেখাতে গেলাম। ডাক্তার বলল রিউমেটিক মত মনে হচ্ছে। যাই হোক ওষুধ দিলেন। কিন্তু তাতে ফল হলো না খুব একটা।

গত তিন সপ্তাহ ধরে ব্যথা বেশি হওয়ায় ভাবলাম আকুপাংচার ট্রায় করে দেখি। ভয়ে ভয়ে গেলাম সেখানে। জীবনে কখনও আকুপাংচার করিনি। কেমন ব্যথা লাগে তাও জানি না।

যাই হোক নতুন ধরনের এক্সপেরিয়েন্স হবে ভেবে গেলাম আর তাছাড়া ওতে কা জ হলেও তো হতে পারে।

ডাক্তার মশাই ৭০ বছর হবেন কম পক্ষে, ইংরেজী খুব একটা বোঝেন না বা বলতেও পারেন না। হাত কাপে তার সারাক্ষন থর থর করে। অনেক চেষ্টা করে তাকে আমার ব্যথার কথাটা বোঝালাম।

এর পর ভাংগা ভাংগা ইংরেজীতে উনি জিঙ্গেস করলেন আমি আগে কখনও আকুপাংচার করেছি কিনা। বললাম - জীবনেও না। তাতে সে একটু অদ্ভুৎ ভাবে আমার দিকে তাকাল যেন "সাহস কত মেয়ের"!:-*

আমি জিঙ্গেস করলাম - ব্যথা লেগবে না তো? ইংরেজী না জানার কারনে উনি রহস্যের হাসি দিয়ে এক গাদা সুচের বাক্স নিয়ে আমার সামনে এসে বসলেন যেন কোন ব্যপার না...উনার রহস্যময় মুখের দিকে তাকিয়ে আমার ত আত্বারাম খাচা ছাড়ার জোগার। ভাবলাম কোন দুঃখে এসেছিলাম এখানে মরতে। ক্লিফ তো এসব সুচ ফোটানো দ্ৃশ্য দেখতে পারবেনা বলে আরালে গিয়ে বসে আছে। আমি সাহস দেখাতে গিয়ে এখন জীবন নিয়ে টানা টানি।

ডাক্তারের মুখে ত্ৃপ্তির হাসি B-)..যেন ..."আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাশে....ইচ্ছা মত এখন মেয়েটাকে সুচ ফোটানো যাবে।" উমমম একেবারে হরর মুভি/:) ভাষার সমস্যার করনে আমাকে সান্তনার বানীটিও দিতে পারছেন না স্মিত হাসি ছাড়া।

আস্তে আস্তে সুচের মোড়োক খুলে আমার দিকে শেষ বারের মত তাকালেন যেন গরু জবাই এর আগে কশাই তার গরুটির দিকে তাকিয়ে দেখছে। আমার হার্ট ফেলিওরের একটা আশংকা দেখা দিল মনের ভেতর....উঠে দৌড়ে পালাবার প্রচন্ড ইচ্ছেটাকে অনেক কষ্টে দমন করলাম এই ভেবে যে আমার বয়স হয়েছে ছেলে মানুষি আচরন আমাকে সাজেনা। আহ মন কি আর তা মানে যখন জীবন মরন সমস্যা :(( আমার ছেড়ে দে মা কেদে বাচি অবস্থা।

ডাক্তারের সুচ ধরা থর থর করে কাপা হাতটা আমার হাটুর দিকে এগোতে দেখে ভয়ে আপনা আপনি আমার চোখ বন্ধ হয়ে গেল। ভাবলাম হাতের কাপুনিতে সুচটা আবার ভেংগে না যায় মাংসের ভেতর...নিঃশ্বাস বন্ধ করে অপেক্ষা করছি সেই মূহুর্তটির। আলতো একটা টোকা পড়ল আমার হাটুতে যেন ডাক্তারের হাতটি ছুয়ে গেল আমার চামড়া। তারপর আর কিছু নেই। ৩ সেকেন্ড পর চোখ খুলে দেখি ৩"/৪" লম্বা সুচের অর্ধেকের বেশি আমার পায়ের ভেতর। :-* অবাক ব্যপার টেরই পেলাম না এত বড় সুচটা ঢুকে গেল মাংসের ভেতর!!!:-*


এরপর পর পর আরো দুটো ঢুকলো। কোন ব্যপার মনে হলো না। তার পর ডক্তার যখন ইলেকট্রিক শক দেবার জন্য চিমটা নিয়ে এলো আমার আরেক প্যানিক শুরু হলো মনের ভেতর - ও তবে এটাই আসল ঘটনা। সুচ গুলোকে প্রথমে আরো ভেতরে ঢুকিয়ে দাতের রুট ক্যানেল করার মত স্ক্রুইং করতে থাকলো প্রথমে। তাতে একটু ব্যথা লাগল তবে খুবই মাইল্ড। এর পর ইলেকট্রিক শকের চিমটা গুলোকে সুচ গুলোর সাথে ফিট করে পাওয়ার দেয়া শুরু করল। আমার ত ম্ৃত্যুর প্রহর গোনা চলছে তখন।

এর পরেও যখন দেখি ব্যথা খুব একটা লাগলো না তখন উপলব্ধি করলাম ভানুর জোকস এর মত আমার জীবন এতই শক্ত যে বাজ পড়লেও হয়ত মড়ব না :P

সব শেষ হতে ১৫ মিনিট লাগল। উঠে যখন দাড়ালাম দেখি হাটুর ব্যথা ৯০% নেই। অসাধারন এই আকুপাংচার ব্যপারটা। ডাক্তারটিরও অসাধারন হাত। কাপা হাতে উনি কি সুনিপুন ভাবে সুচ গুলো ঠিক যায়গা মতন বসিয়ে দিলেন কোন ব্যথা না দিয়ে। অদ্ভুৎ অভিঙ্গতা!!

আপনাদের সাথে আমার আকুপাংচার নেয়ার অভিঙ্গতাটা শেয়ার করলাম।;)
আপনারও ট্রায় করতে পারেন। খরচ নরমাল ডাক্তারের অর্ধেক।:D

 

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০০৯ সকাল ৯:০৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৪ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:৫৯
লীনা দিলরূবা বলেছেন: ভয় পেয়েছি। ভাল থাকো, সুস্থ্য থাকো।
১৪ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৩৫

লেখক বলেছেন: উমম আমিও ভয় পেয়েছিলাম প্রথমে...আসলে কিন্তু একটুও ব্যথা লাগেনি। আর পরে আবারো দুবার ফিরে গেছিলাম ট্রিটমেন্টের জন্য।

২. ১৪ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:১৫
সৌম্য বলেছেন: এইটা কি হড়ড় পোস্ট?
ছবি গুলা দেখেই ভয়ে হাত পা ......।
১৪ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৩৬

লেখক বলেছেন: হা হা হা হরর রিমুভার পোষ্ট :)

৩. ১৪ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:২৭
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: আকুপাংচারে আসলেই অনেক কাজ হয় ... তবে যারা এই সূচ ফুটানোর ভয়ে এটা করেন না তাদের জন্য রয়েছে "আকুপ্রেশার" ... কাপা কাপা হাতে শরীরের বিভিন্ন নার্ভ গুলোতে চাপ দিয়ে এই চিকিৎসা করা হয় ... একজন কে বলতে শুনেছি, তিনি নাকি হাফ প্যারালাইজড ছিলেন ... প্রায় ৪ - ৫ মাস আকুপ্রেশার চিকিৎসা নেয়ার ফলে এখন তিনি দিব্যি সুস্হ মানুষের মতো হাটছেন, কথা বলছেন ... যদিও একটু আস্তে আস্তে সব কিছু করেন তবুও তাকে অন্তঃত অন্য প্যারালাইজড মানুষদের মতো শুয়ে থাকতে হয় না ...

আপনার লেখাটি ভালো লেগেছে ... ভাল থাকুন ... সবসময় ।
১৪ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। অনেক ধন্যবাদ পড়বার জন্য।

৪. ১৪ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৪৩
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

+
আপনার আকুপাংচার নেয়ার অভিঙ্গতাটা দেখে বিষন ভয় পাইছি আপা।
নিজে ট্রায় করার প্রশ্নই উঠেনা। তবে লেখাটি ভালো লেগেছে।


ভালো থাকুন।
শুভেচ্ছা আপনায়।
১৪ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৪৬

লেখক বলেছেন: ট্রায় করুন একদম ব্যথা নেই...সত্যি!! ;)

১৪ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৪৭

লেখক বলেছেন: উমম তা বটে অসাধারন!!

১৪ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

৭. ১৪ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৫০
কিসলু বলেছেন: ছবি দেখে ভয় লাগে । তারপরও একবার ট্রায় করে দেখতে হয় । আকুপাংচারে কি এধরনের ব্যথা কি একেবারে সেরে যায় ? আমি শুনেছি পুরোপুরি ভাল হয়না । কিছুদিন পর পর ট্রিটমেন্ট নিতে হয় ।
১৪ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:০৭

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন কিছুদিন পর পর নিতে হয় তারপর আস্তে আস্তে ভাল হয়।

৮. ১৪ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩
মইনুল িমঠু বলেছেন: আপনি কি ওদের ঠিকানা অথবা ফোন নাম্বার দিতে পারবেন?
১৪ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:০৮

লেখক বলেছেন: এটা সিংগাপুরে। অবশ্যই জোগার করে দেব আপনাকে।

৯. ১৪ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:২৪
ডিজিটালভূত বলেছেন: যখন বিদ্যুতের শক দেয়া হল তখনও কি আপনি ব্যথা পাননি? এটা কোন দেশীয় চিকিৎসা? এর কোন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে কি না।
১৪ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:২৫

লেখক বলেছেন: না ব্যথা লাগেনি তবে গা শির শির করে। এখানে পাবেন এ ব্যপারে তথ্য http://en.wikipedia.org/wiki/Acupuncture

১০. ১৪ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৪২
সোহানী বলেছেন: অসাধারন লিখার স্টাইল আর অসাধারন তার বিষয়।
১৪ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:২৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যর জন্য। ভাল থাকবেন।

১১. ১৪ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৫
কন৭১২০০৩ বলেছেন: ডাকটারের ঠিকানা টা দেয়া জাবে?
১২. ১৪ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৪
কষ্টের নদী বলেছেন: আমি যতদুর জানি, আকুপাংচার প্রাচীন জাপানি একটা চিকিতসা।

আচ্ছা এটা কি বাংলাদেশে নাই??
১৪ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:২৭

লেখক বলেছেন: ঢাকায় কলেজ গেটের কাছে একটা ছিল বলে জানতাম। সাইন বোর্ড দেখেছিলাম। জানি না এখন আছে কিনা। http://en.wikipedia.org/wiki/Acupuncture

১৩. ১৪ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৩০
আরিয়ানা বলেছেন: যারা ডাক্তারের ঠিকানা চেয়েছেন তাদের জন্য ঠিকানাটা দিলাম।
Li Kang Acupuncture & Chinese Medical Hall
Blk 809 French Road #01-188
Singapore 200809
Tel: +65 6294 8795
১৪. ১৪ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আকুপাংচার সম্বন্ধে আমি তেমন জানি না, মানে এর চিকিৎসা পদ্ধতি। আসলে জানার সুযোগ থাকলেও টাইম নাই।

তবে কাজ দেয় মনে হয়!

আমার খবর জানি না, তবে আমার টার্গেট আরেকটু গুছিয়ে সামনে পুরা দমে ওয়েট লিফটিং আর বডি বিল্ডিং প্রাকটিস করবো। কেনো জানি টাইম লাইন পিছিয়ে যাচ্ছে। তবে আগের ফিগারটা আনতে একটু টাইম লাগলে এবার ডেফিনেশনটা আনবো!তবে দেখেছি শারীরিক কসরতের মতো মজা আর উপকার কোনোটায় নাই, আর বডি বিল্ডিং- ওয়েট লিফটিং তো বস জিনিস!

ভালো থাকেন
১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০১

লেখক বলেছেন: এনজয় ওয়েট লিফটিং!!!:)

১৫. ১৪ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৪
জেমসবন্ড বলেছেন:

.......আমি এক সময় অবশ্যই ট্রাই করব, আল্লাহ সুযোগ দিলে ।

ব্যাথা না থাকলে কিভাবে ট্রাই করব ? আরে এইটা তো ভাবি নাই !!

ওহ !!! সমস্যা নাই একটা ব্যাথা বানাইতে কতক্ষণ ! উদাসী স্বপ্ন বডি বানানোর পর হের লগে একটু কুস্তি করলেই কাম হইয়া যাবে কি কন ?

হা হা হা

১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০০

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন হা হা হা।

১৬. ১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০২
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: জেমসু, আমি অখন বডি বিল্ডিং করি না, তয় এলাকায় একটু কোস্তাকোস্তি করতাছি, শুনতাছি ফেডারেশন থিকা নাকি মাস তিনেক পর একটা কম্পিটিশন অইবো!

আহ তুমার লগে ট্রায়াল দিমু!

পিছে কিন্তু আক্কু ডাক্তাররে লইয়া আইতে ভুইলো না!
১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৪

লেখক বলেছেন: খেলা জমবে মনে হচ্ছে। আমায় দাওয়াত দিতে ভুলবেন না কিন্তু!!;)

১৭. ১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৫
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: দাওয়াত তো দিমুই, আবার জিগায়, কিন্তু আমাগো এলাকায় আপনের হেলিকপ্টার নামবো না, আইতে হইলো ৭/৮ নম্বরের লোকাল বাসে আইতে হইবো ঝুইলা ঝুইলা!
১৮. ১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৮
রাজামশাই বলেছেন: +++


কয়টা ফুল দিলাম তোরে

‎০১.‎ ‎নয়নতারা
০২.‎ ‎রক্ত জবা বা ঝুমকো জবা
‎০৩.‎ ‎কাঞ্চন
‎০৪.‎ ‎পুন্নাগ
‎০৫.‎ ‎কাঠ মালতী
‎০৬.‎ ‎মালতী লতা
‎০৭.‎ ‎ব্রহ্ম কমল
‎০৮.‎ ‎Fuchsia
‎০৯.‎ ‎লুপিন
‎১০.‎ ‎লবঙ্গ
‎১১.‎ ‎নীল চিতা
‎১২.‎ ‎লাল সোনাইল
‎১৩.‎ ‎মিনজিরি
‎১৪.‎ ‎দাঁত রাঙ্গা বা লুটকি
‎১৫.‎ ‎কনক চাঁপা
‎১৬.‎ ‎ডেওয়া
‎১৭.‎ ‎রক্তকমল
‎১৮.‎ ‎স্বর্নচাঁপা
‎১৯.‎ ‎উদয়পদ্ম বা হিমচাঁপা
‎২০.‎ ‎কেয়া
‎২১.‎ ‎ছাগল কুঁড়ি
‎২২.‎ ‎বোতাম ফুল
‎২৩.‎ ‎পানি ফল
‎২৪.‎ ‎Pansy
‎২৫.‎ ‎কয়েক রকম জবা
‎২৬.‎ ‎স্বর্ণ চামেলী
‎২৭.‎ ‎কুঞ্জলতা
‎২৮.‎ ‎ব্লিডিং হার্ট
‎২৯.‎ ‎চন্দ্রপ্রভা
‎৩০.‎ ‎উর্বশী
‎৩১.‎ ‎ডম্রুপানি
‎৩২.‎ ‎গন্ধরাজ
‎৩৩.‎ ‎নীলকন্ঠ
‎৩৪.‎ ‎রুদ্রপলাশ
‎৩৫.‎ ‎রামসর
‎৩৬.‎ ‎দোলনচাঁপা
‎৩৭.‎ ‎শারঙ্গ
‎৩৮.‎ ‎সর্পগন্ধা
‎৩৯.‎ ‎বনজাঈ
‎৪০.‎ ‎নীলমনি লতা
‎৪১.‎ ‎অনন্ত লতা
‎৪২.‎ ‎কাঠগোলাপ
‎৪৩.‎ ‎নাগকেশর
‎৪৪.‎ ‎সজনা
‎৪৫.‎ ‎আকন্দ
‎৪৬.‎ ‎কুটজ
‎৪৭.‎ ‎বরুণ
‎৪৮.‎ ‎ফুরুস‎ বাফুরুস
‎৪৯.‎ ‎কাঞ্চন
‎৫০.‎ ‎সেনালু
‎৫১.‎ ‎দোপাটি
‎৫২.‎ ‎জারুল
‎৫৩.‎ ‎অপরাজিতা
‎৫৪.‎ ‎যুথিকা
‎৫৫.‎ ‎অশোক
‎৫৬.‎ ‎কাঠালী চাঁপা
‎৫৭.‎ ‎সর্বজায়া
‎৫৮.‎ ‎কলাবতী
‎৫৯.‎ ‎নার্গিস
‎৬০.‎ ‎রূপসী
‎৬১.‎ ‎কদম
‎৬২.‎ ‎নীলপদ্ম
‎৬৩.‎ ‎ডালিম
‎৬৪.‎ ‎রজনীগন্ধা
‎৬৫.‎ ‎রক্ত চিত্রক
‎৬৬.‎ ‎বধারা
‎৬৭.‎ ‎পদ্ম
‎৬৮.‎ ‎কলকে
‎৬৯.‎ ‎ডাকুর
‎৭০.‎ ‎কৃষ্ণচূড়া
‎৭১.‎ ‎জবা
‎৭২.‎ ‎ঝুমকালতা
‎৭৩.‎ ‎রঙ্গন
‎৭৪.‎ ‎সন্ধ্যামালতী
‎৭৫.‎ ‎সূর্য্যমুখী
‎৭৬.‎ ‎ধুতরা
‎৭৭.‎ ‎স্থলপদ্ম
‎৭৮.‎ ‎নয়নতারা
‎৭৯.‎ ‎তেঁতুল
‎৮০.‎ ‎বাবলা
‎৮১.‎ ‎হাসনাহেনা
‎৮২.‎ ‎পলাশ
‎৮৩.‎ ‎পারিজাত বা ‎‎রক্তমান্দার
‎৮৪.‎ ‎দুধ কচু
‎৮৫.‎ ‎মৌলভী কচু
‎৮৬.‎ ‎ওল কচু
‎৮৭.‎ ‎মান কচু
‎৮৮.‎ ‎মালঞ্চ
‎৮৯.‎ ‎অন্তমোড়া
‎৯০.‎ ‎নাসপাতি
‎৯১.‎ ‎আলু বোখারা
‎৯২.‎ ‎ভুঁই চম্পা বা একাংগী
‎৯৩.‎ ‎বন্ধুক
‎৯৪.‎ ‎নীলাম্বরী
‎৯৫.‎ ‎বন মরিচ
‎৯৬.‎ ‎আগর
‎৯৭.‎ ‎নিশিন্দা
‎৯৮.‎ ‎বিলাই খামচি
‎৯৯.‎ ‎কলকাসুন্দা
‎১০০.‎ ‎হলুদ অশোক
‎১০১.‎ ‎জামালগোটা
‎১০২.‎ ‎তিসি
‎১০৩.‎ ‎মেহেদী
‎১০৪.‎ ‎জাফরাণ
‎১০৫.‎ ‎ছিটা
‎১০৬.‎ ‎রক্তকরবী
‎১০৭.‎ ‎টগর বা ‎‎টগর
‎১০৮.‎ ‎কলকে ফুল বা হলদে ‎করবী
‎১০৯.‎ ‎ধুতরা
‎১১০.‎ ‎কুঁচ
‎১১১.‎ ‎শিয়ালকাঁটা
‎১১২.‎ ‎হিজল বা ‎‎হিজল
‎১১৩.‎ ‎আকন্দ
‎১১৪.‎ ‎স্বর্ণলতা
‎১১৫.‎ ‎লেমন গ্রাস
‎১১৬.‎ ‎বারসুঙ্গা (Barsunga), ‎কারি পাতা
‎১১৭.‎ ‎পুদিনা বা ‎‎পুদিনা
‎১১৮.‎ ‎তেজপাতা
‎১১৯.‎ ‎তুলসী
‎১২০.‎ ‎সুগন্ধাবচ
‎১২১.‎ ‎নীল
‎১২২.‎ ‎শিউলী
‎১২৩.‎ ‎আনারস
‎১২৪.‎ ‎রক্ত কাঞ্চন
‎১২৫.‎ ‎এলাচ
‎১২৬.‎ ‎রক্ত রাগ
‎১২৭.‎ ‎অশ্বত্থ
‎১২৮.‎ ‎কালোজিরা
‎১২৯.‎ ‎মেথি
‎১৩০.‎ ‎মহুয়া
‎১৩১.‎ ‎শিরীষ
‎১৩২.‎ ‎পোলা
‎১৩৩.‎ ‎গোলাপজাম
‎১৩৪.‎ ‎বনধনিয়া
‎১৩৫.‎ ‎পাট
‎১৩৬.‎ ‎পপি
‎১৩৭.‎ ‎পারুল
‎১৩৮.‎ ‎ক্যামেলিয়া
‎১৩৯.‎ ‎বকফুল
‎১৪০.‎ ‎তাল
‎১৪১.‎ ‎অগ্নিশিখা বা উলটচন্ডাল
‎১৪২.‎ ‎চন্দ্রমল্লিকা
‎১৪৩.‎ ‎বথুয়া
‎১৪৪.‎ ‎বকুল
‎১৪৫.‎ ‎সুখ দর্শন
‎১৪৬.‎ ‎রঞ্জনা বা রক্তচন্দন
‎১৪৭.‎ ‎বিষকাটালী
‎১৪৮.‎ ‎থানকুনি
‎১৪৯.‎ ‎শিমুল
‎১৫০.‎ ‎চুতরাপাতা
‎১৫১.‎ ‎পান্থপাদপ
‎১৫২.‎ ‎শতমূলী
‎১৫৩.‎ ‎বীণা
‎১৫৪.‎ ‎আমড়া
‎১৫৫.‎ ‎অক্টোবর
‎১৫৬.‎ ‎বোতল ব্রাশ
১৫৭.অঞ্জন
১৫৮.কসমস
১৫৯.রক্তদ্রোন
১৬০.কুইন অব সেবা
১৬১.পাতা বাহার
১৬১.ফানুস
১৬২.কামিনী
১৬৩.মুন্দনী
১৬৪.ডগ ফ্লাওয়ার
১৬৫.কাশ ফুল
১৬৭.তামাক ফুল
১৬৮.Freesia
১৬৯.গ্ল্যাডিওলাস
১৭০.ভিক্টোরিয়া লিলি
১৭১.উলটকম্বল
১৭২.বেহেস্তের বৃক্ষ
১৭৩.কস্তুরী
১৭৫.অটোগ্রাফ
১৭৬.জীবন বৃক্ষ
১৭৭.বড়নখা
১৭৮.সাগর নিশিন্দা
১৭৯.মুর্তা
১৮০.চাকুন্দা
১৮১.গোবুরা
১৮২.ছোটকুট
১৮৩.জেফটা
১৮৪.দাদমর্দন
১৮৫.পুর্তলেকা
১৮৬.লবেলিয়া
১৮৭.টিউলিপ
১৮৮.লালঘন্টাফুল
১৮৯.রাজঘন্টা
১৯০.নীলঘন্টা
১৯১.কালী গাঁদা
১৯২.হরকাকরা
১৯৩.শিবঝুল বা শিবজটা
১৯৪.হিমঝুরি
১৯৫.জুঈপান
১৯৬.ভুত ফুল
১৯৭.পুলিশের হেলমেট
১৯৮.ললিপপ
১৯৯.চীনা টুপি



১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৩

লেখক বলেছেন: আহ আই এম ফ্লাটার্ড!!! অনেক ধন্যবাদ।

১৯. ১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১২
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: হালার রাজামশাই র লিস্টি দেইখা মন চায় সব কয়ডা ক্রশ ফায়ারে দেই। এত বড় লিস্টি দেখতে দেখতে মাউস বাবা বোথা হইয়া গেলো!
১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৬

লেখক বলেছেন: দেখুন আমার কত ভাগ্য এত গুলো ফুল আমায় আজ পর্যন্ত কেু দেয় নি!!!

২০. ১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০২
জেরী বলেছেন: ভয় দেখানো ভালো না :(
১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৯

লেখক বলেছেন: উমমমম একদম ঠিক কথা।

২১. ১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৩
নুশেরা বলেছেন: ফোঁড়ানো জায়গাগুলো পরে ব্যথা করেছিলো? এখন কেমন আছো তুমি?
১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:০০

লেখক বলেছেন: নো ব্যথা নো ব্লিডিং নাথিং!!! :)

২২. ১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৬
কালপুরুষ বলেছেন: কোথায় করিয়েছিলে? পিপলস্ পার্কে? আমি ওখানে আমার এক বন্ধুর সাথে গেছিলাম এক চায়নীজ ডাক্তারের কাছে যে নাকি পালস্ দেখেই রোগ ঠাওর করতে পারে। তারপর লাইব্রেরীর ক্যাটালগ বক্সের মতো কাঠের বাক্স থকে নানা রকমের হারবাল (শুকনো ঔষধি গাছের ছাল-বাঁকড়-পাতা) বের করে সেদ্ধ চড়ালো। সেই নির্যাস খেতে দিল। ওদের ওখানে বিছা, বৃশ্চিক, পিঁপড়া দেখলাম ওগুলোও নাকি ওষুধ হিসেবে খেতে দেয়। আমার গা গুলিয়ে আসছিল। তবে ওখানেই এক ডাক্তার আকুপাংচার করছে দেখলাম। সবাই চাইনীজ। কথা বুঝুক না বুঝুক শুধু চোখ বুঁজে হাসে আর মাথা নাড়ে। ভাঙ্গা ভাঙ্গা ইংরেজী বলে।
১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:০৪

লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন তবে আমি অন্য এক জায়গাতে গেছিলাম। নেক্স টাইম পিপল্স পার্কে ট্রায় করব।

২৩. ১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪২
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: আব্বা একবার ফিলিপাইন থেকে একটা মেশিন এনেছিল যেটা দিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় শক দেয়ার ব্যবস্থা ছিল। তবে সেটাতে কোন সূঁচ ছিল না। জিনিসটা ছিল মূলত বাতের চিকিৎসার জন্য। শেষ পর্যন্ত ওটা আর কেউ ব্যবহার করেনি, একসময় নষ্ট হয়ে যায়।
১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:০৫

লেখক বলেছেন: উম খুবই দরকারি জিনিস।

২৪. ১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫২
যুগান্তকারী বলেছেন: ঢাকাতেও পঙ্গু হসপিটালে,সাভারের সি,আর,পিতে আকুপাংচার করানো যায়।আর ঢাকাতে করলে কোন ভালো ফিজিওথেরাপিস্টকে দিয়ে করানো যায়।আকুপাংচার আসলেই খুব ইফেক্টিভ।
১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:০৭

লেখক বলেছেন: তাই নাকি!! ধন্যবাদ তথ্যটির জন্য।

২৫. ১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:০৩
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: লেখক বলেছেন: দেখুন আমার কত ভাগ্য এত গুলো ফুল আমায় আজ পর্যন্ত কেু দেয় নি!!!

বিয়া শাদী না হইলে কবুল বইলা দেখতে পারেন। যতদূর জানি পোলায় সৌদিত ভালো চাকরি করে!

ভাইবা দেখতে পারেন আর কবুল কইলে দাওয়াত দিয়েন;)
১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:০৯

লেখক বলেছেন: ঐ ব্যপারটা সারা হয়ে গেছে হা হা হা

২৬. ১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:০৯
পপি বলেছেন: বড় বোন বলবো নাকি বান্ধবী বলবো, বুঝতে পারছিনে। আপনার আকুপাংচার লেখা সত্যি অভিজ্ঞতার জ্বলন্ত প্রশিক্ষন। তবে শরীরের অংশ বিশেষ ব্লগে না দিলেই ভাল হতো।
১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৭. ১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:২০
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: লেখক বলেছেন: ঐ ব্যপারটা সারা হয়ে গেছে হা হা হা



আহারে ফুলগুলান তাইলে হুদাই!
২৮. ১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:১৯
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: সুঁচ ফিটানোর ব্যাথার ভয়টা কেটে গেলো, দরকার হলে যাওয়া যাবে। :)
১৫ ই মে, ২০০৯ সকাল ৯:০৮

লেখক বলেছেন: খুব ভাল!

২৯. ১৫ ই মে, ২০০৯ রাত ১:০৫
হাসতে হাসতে পরে গেলাম বলেছেন: আমার বাসায় বেশ কিছু সেলাইয়ের সুচ আছে,,,,... কারো আকু লাগলে আওয়াজ দিয়েন,,, মাগনা ফুটাইয়া দিমু....

লগে লগে ভাল হইয়া যাইবেন... ইনশাল্লাহ...
১৫ ই মে, ২০০৯ সকাল ৯:০৯

লেখক বলেছেন: জানাব!

৩০. ১৫ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:২৭
শফিক আসাদ বলেছেন: আ...আ....আ.... আ.... এহুম.. কই আমিতো একটুও ভয় পাইনি।
১৫ ই মে, ২০০৯ সকাল ৯:০৯

লেখক বলেছেন: খুব ভাল কথা!

৩১. ১৫ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০
আবু সালেহ বলেছেন: ব্যাথা গেছে এটাই বড় কথা....

এখন কি অবস্থা??
১৫ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪

লেখক বলেছেন: ভাল ধন্যবাদ :)

৩২. ১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:১৯
নাজনীন খলিল বলেছেন:
আকুপাংচারের কথা অনেক শুনেছি।কিন্তু আমাদের দেশে এখনো এসব পদ্ধতি তেমন প্রচলিত নয়।আর এসব ব্যাপারে অভিজ্ঞ ডাক্তারও মনে হয় তেমন নেই।আমার এক খালু ডাক্তার ছিলেন ,আকুপাংচারের উপর পড়াশুনা করে এসেছিলেন দেশের বাইরে থেকে(কোথায় ঠিক খেয়াল নেই)।লোকজন যায়না দেখে উনার নিডল-টিডল সব জং ধরে গিয়েছিল।বেশ কয়েক বৎসর আগের কথা বলছি।

তোমার লেখাটি ভাল লাগল। ছবিগুলোও। ++++++++++++++++++++++++++++
১৬ ই মে, ২০০৯ সকাল ৯:২৩

লেখক বলেছেন: উনার চেম্বার কি মোহাম্মদ পুর বা কলেজ গেটের কাছে কোথাও ছিল? আমি একটা আকুপাংচার চেম্বার ঢাকার কোন এক জায়গাতে দেখতাম কিন্তু মনে করতে পারছিনা কোথায়। ভাল থাকবেন। অনেক ধন্যবাদ পড়বার জন্য।

৩৩. ১৬ ই মে, ২০০৯ সকাল ৯:৪৯
হামোম প্রমোদ বলেছেন: তাহলে আমারও ট্রাই করতে হবে।
১৬ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: ha ha ha pls don't try if you are not sick.

৩৪. ১৬ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:৪১
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন:
অবশেষে.....আরিয়ানা আপু আকুপাংচার.......এর অভিজ্ঞতা গ্রহন করল!!...........আপু তুমি আমাগোর মনে সাহাস সঞ্চার করিয়াছো!! এজন্যে ধন্যবাদ........আকুপাংচারে......আমিও ভুই পাবো না।
১৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪২

লেখক বলেছেন: গুড!!!!

৩৫. ১৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৪:৪০
সৈয়দ নাসের বলেছেন: খুব ভালো লাগলো পড়ে , অনেকিদন ধরে ভাবছি নিজে একবার আকুপাংচার করাবো তবে সাহসে কুলাচ্ছিলোনা , আপনার লেখা সাহস বাড়িয়ে দিয়েছে । অনেক ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য । ভালো থাকুন -শুভকামনা
১৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ৭:১৭

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৩৬. ১৮ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৯
আজনবী বলেছেন: বেশ ভালো লাগলো।

@ পপি, আপনার চোখদুটো বোরকায় ঢেকে ছবি দিলে ভাল হতো।
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ৭:৫৯

লেখক বলেছেন: হা হা হা মজা পেলাম!!!

৩৭. ২১ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৫৬
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন: হায় হায়....আপনি দেখি এখেনো......ভোট দিতে যান নাই...!

তাড়াতাড়ি,,,,,,,,,,,ভোট দিতে আহেন!! প্রোফাইলীয় ফডুর ভোট চলতেছে.....আমার ব্লগে।
২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৪০

লেখক বলেছেন: আমাকে ভোট দিয়েন..ব্যস্ত তাই ভোট দিতে পারলাম না এখন!!!

৩৮. ২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ১:০৭
নাজনীন খলিল বলেছেন:
নতুন লেখা কই আরিয়ানা? কেমন আছো?

অনেক শুভেচ্ছা।
২৩ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৩৮

লেখক বলেছেন: এক বন্ধু এসেছে বেড়াতে কোলকাতা থেকে আপু ওকে নিয়ে ব্যস্ত। আপনি কেমন আছেন, ভাল তো?

৩৯. ২৫ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:১৩
রাজন রুহানি বলেছেন: আকুপাংচারে যে সুস্থ হয়েছেন, এটাই আশ্বস্তের বিষয়।


ভালো থাকবেন।
২৫ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:২৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!

৪০. ২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৩১
চাঙ্কু বলেছেন: কি ভুয়ানোক। দেখেইতো ডর লাগতাছে :(
২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ৭:০৭

লেখক বলেছেন: উমমম কেমন আছেন ? ভয়ের কিছু নাই.. আর যদি একান্তই ভয় লাগে তো চোখ বন্ধ করে থাকবেন ;)

৪১. ২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ৮:৫৭
মামুন৫৫৮ বলেছেন: জানি, আকুপাংচার একটা চিকিৎসা।আমি শুনেছি আকুপাংচারে পুরোপুরি ভাল হয়না

২৮ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:০৭

লেখক বলেছেন: আমি ভাল দাদা যাস্ট বিজি। আপনি কেমন আছেন?

৪৩. ০৩ রা জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:০৭
চরণ দাস বলেছেন: u may consider goin' 2 :

The Himalaya Drug Company Pte. Ltd.
6 Battery Rd
Singapore, 049909, Singapore
6535 3067‎

and ask for -

1. rumalaya forte

2. rumalaya gel

they're also available in almost any malls of singapore.

do not worry. they're ayurvedic miracle drugs like the chinese herbs. my colleauges, friends, and my family - we all use them regularly.
০৪ ঠা জুন, ২০০৯ সকাল ১১:০০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ইনফরমেশনের জন্য।

০৪ ঠা জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: ঘটনা কি?

৪৫. ০৪ ঠা জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৩১
আমি ও আমরা বলেছেন: লিখাটা পড়ে গেছি অনেক আগেই মন্তব্য করা হয় নাই। এখন অবস্থা কেমন? কম্পিউটারে কাজ করতে করতে আমার রিষ্ট ও ব্যাথ্যা করছে খুব। কিছু এক্সাসাইজ করছি আর মেডিসিন নিচ্ছি কাজ হচ্ছেনা। ভাবছি আপনার মত সুই এর তলায় আমিও যাবো।
০৪ ঠা জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৪৪

লেখক বলেছেন: গ্লুকোসামিন কান প্রতিদিন একটা করে ফল পাবেন।

৪৭. ০৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪৩
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনার নতুন পোস্ট কোথায়? কোনো সমস্যা?
০৯ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০

লেখক বলেছেন: কোনো সমস্যা নেই শুধু ব্যস্ত কজের চাপে। আমি পুরো পুরি খেটে খাওয়া মানুষ!!! :)

৪৮. ১৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:৪৯
পাশা বলেছেন: আকুপাংচার অসাধারণ!!

দেখতে হবে একবার টেস্ট করে।
১৯ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:০৫

লেখক বলেছেন: দেখুন ট্রায় করে।

৪৯. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:২৮
নাজনীন খলিল বলেছেন: তুমি নেই কেন আরিয়ানা? কেমন আছো? অনেক অনেক শুভেচ্ছা ।ভাল থেকো।
১৯ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: আপু কাজের চাপে চিড়ে চ্যপ্টা। আছি ভালই শুধু কাজ আমার সমস্ত সময় নিয়ে ফেলে। আপনি কেমন আছেন?

১৯ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:০৬

লেখক বলেছেন: একদম সময় পাচ্ছি না ভাইয়া। কেমন আছেন।

৫১. ১৯ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:২৪
কালপুরুষ বলেছেন: কেমন আছো তুমি? সব খবর ভালোতো! ভাল থেকো।
৫২. ২০ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৬
ইন্ঞ্জিনিয়ার বলেছেন: অনেকগুলা প্লাস দিতে ইচ্ছা করছে, কিন্তু আঙ্গুল ব্যাথা হয়ে যাওয়ার ভয়ে দিতে পারছি না! আমি সুই ভয় পাই! ;)
৫৩. ১০ ই জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩০
সুরঞ্জনা বলেছেন: আরিয়ানা দিবস শেষে রাত্রি শুরু হলো। :)
১৪ ই জুন, ২০১০ সকাল ৭:৫৬

লেখক বলেছেন: আহ এত লম্বা সময় নিয়ে এত সব রাবিশ পড়ছ এখনও ;)

 

মোট সময় লেগেছে ১.১০৮৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি লেখক নই, গ্রাফিক ডিজাইনার। লেখালেখির হাত কখনই ছিল না। ১৩/১৪ বছর বয়সে একবার বিচিত্রায় লিখেছিলাম বিচিত্রার প্রতি আমার ভালবাসা...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই