সিংগাপুর টুর আর অদীতি
২৪ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:১৬
গত কয়েক সপ্তাহ কাজের চাপে আর বাড়িতে গেস্ট থাকাতে লেখা হয়ে ওঠেনি।
গত দু তিন দিন ধরে অনেক সময় পাচ্ছি...আগামী ১লা জুলাই থেকে পুরো মাসটা আর একদম সময় পাবো না। ভিয়েতনাম যাচ্ছি প্রায় ১ মাসের জন্য।
কলকাতা থেকে বন্ধু এসেছিলো গত মাসে। প্রায় ৭ বছর পরে দেখা হলো। যোগাযোগ ছিল সবসময় ইমেইল এ। ওর মা আমার জন্য এচড়ের নিরামিষ, বুটের ডাল আর ছানা বানিয়ে পঠিয়ে দিয়েছিল ওর হাতে। এচড় আমার ভিষন প্রিয়। বুভুক্ষের মত তাই দিয়ে ভাত খেলাম। আমার বন্ধুটির নাম অদীতি।
অদীতিকে নিয়ে নতুন করে সিংগাপুরে টুুর করে বেড়ালাম। দুজন মিলে বার্ড পার্কে গেলাম .......
হেটে হেটে গল্প করলাম আর মাজার মজার ছবি তুললাম।
পখিগুলোকে কাধে বসিয়ে খাওয়ালাম। নানান রঙের টিয়ে দেখে সত্যিই অবাক হতে হয়। মজা লাগে ওদের রং দেখে।
পালকের রং যে এত লাল হয় আগে কখন দেখিনি।
আফরিকান কুড়ে ঘড় আর নানান রকম পাখির মাঝে আমাদের হাড়িয়ে যাওয়া ২/৩ ঘন্টার জন্য।
যদিও আমি আগে গেছি তবু আসাধারন লাগল অদীতির সাথে ঘুরতে।
প্রচুর ছবি তুললাম পাখিদের আর আমাদের দুজনের।
জানিনা আবার কবে দেখা হবে।
অদীতির খুব মিউজিয়াম প্রিতী আছে। ওকে নিয়ে গেমাল এশিয়ান সিভিলাইজেশন মিউজিয়ামে।
চমৎকার করে অরগানাইজ করা মিউজিয়ামটি। অসাধারন লাগম শত বছর আগের রাজা রানিদের জুয়েলারি, পোশাক আর জীবন যাপনের স্টাইল দেখে। কতরকমের কালচার আর জীবন প্রনালী পেরিয়ে আজ আমরা এখানে দাড়িয়ে। পুরোনো দিনের সিংগাপুরের সাদা কালো ছবি গুলোর মাঝে আজকের সিংগাপুরকে খুজতে মজা লাগল।
ওদের একটা ছোট্ট দোকান আছে মিউজিয়ামটির নিচতলায়। ওখানে ওরা ইতিহাস ও মিউজিয়াম রিলেটেড জিনিস পত্র আর এ্যনটিক বিক্র করে। হঠাৎ করে চোখে পরলো আমার ডিজাইন করা একটা বইয়ের উপর। কয়েক বছর আগে আমি এশিয়ান সিভিলাজেশন মিউজিয়ামের একটা বই ডিজাইন করেছিলাম। বইটি বিক্ষাত চাইনিজ পেইন্টং কালেকশনের উপর। বইটির নাম "The Xiang Xue Zhuang Collection" বইটি মিউজিয়াম সংরক্ষন ও বিক্র করছে। আমার ডিজাই করা একটি বই সিংগাপুরের এশিয়ান সিভিলািজেশন মিউজিয়াম সংরক্ষন ও বিক্রি করছে এই কথাটা ভাবতেই আমার সারা গা সিন সিন করে উঠলো। সেখনে আমার নাম পর্যন্ত লেখা আছে....আহ্ ভাবা যায়!!!
আমার চখে পানি এসে যাবার মত ব্যপার। বইটি কিনে ফেললাম আর জানলাম ঐ পাবলিকেশনের শেষ বই ছিল ওটা সব শেষ হয়ে গেছে। বইটি নিয়ে ক্লিফ আর অদীতিকে দেখালাম। ওরা দুজনেই অবাক হলো। ক্লিফ বললো "তুমিতো কখনো বলনো তুমি এত বড় একটা কাজ করেছ" ভাবলাম মনে মনে আরে দুর আমিকি নিজেও জানতাম আমি এত বড় একটা কাজ করছি যেটা যত্ন করে মিউজিয়াম সংরক্ষন করবে
!!! ভাল লাগায় মন ভরে গেল। দেশের হয়ে খুব গর্ব বোধ করলাম এই ভেবে একজন বাংলীর কাজ সিংগাপুর এশিয়ান সিভিলাইজেশন মিউজিয়ামে রাখা হয়।
এর পর অদীতিকে নিয়ে গেলাম বিক্ষাত মালায়ন দেখাতে।
পথে পরল ডুরিয়ান বিলডিং যেখানে সিংগাপুরের থিয়েটার গুলো।
ওখান হয়ে বোটকি আর ক্লার্কির পুরোনো দিনের রংবেরং এর দোকান গুলো দেখাতে নিয়ে গেলাম যেখানে একসময় সওদাগড়রা ব্যবসা বানিজ্য করত ঘাটের পাশে নৌকা বেধে।
পানশালা, রক্ষিতা আর বারবনিতাদের আখড়া ছিল।
আজ সেখানে জমকালো বার, ক্লাব আর রেসটু্রেন্ট সেই একই বিলডিংএর উপর রেনোভেট করা।
আর তার পাশে গরে উঠেছে নতুন নতুন আকাশ ছোয়া দালান কোঠা নিয়ে নতুন সিংগাপুর!!
সিংগাপুর পুরোনো দিনের কোন ইতিহাস কে ভেংগে নতুন সিংাপুর গরে নি, বরং পুরনো গুলোকে একই রকম ভাবে সংরক্ষন করে তার পাশে নতুন আর আধুনিকতাকে গড়ে তুলেছে।
পথে দেখা হলো এক নব বিবাহিতা মালেয় দম্পতির সাথে ওদের বিয়ের পোশাকে।
অসাধারন লাগল নতুন করে সিংগাপুরকে দেখতে অদীতির সাথে।
১৫ দিন পর অদীতি চলে গেল। এয়ার পোর্টে গেলাম ওকে তুলে দিতে। দুজনেই কান্না লুকিয়ে দুজনকে বিদায় দিলাম মন খারাপ করবেনা এই কথা দিয়ে। শেষটায় সেটা পারা গেল না। ভেউ ভেউ করে দুই বুড়ি এয়ার পোর্টে দাড়িয়ে কাদছে আর সবাই অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে....কি হাস্যকর ব্যপার!!
বাড়ি ফেরার পথে বার বার গত ১৫ দিনের স্মৃতি নাড়া দিতে থাকল মনের ভেতর বিশাল এক শুন্যতা নিয়ে।
আপনাদের সাথে সিংগাপুর আর অদীতিকে শেয়ার করলাম।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৪১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যর জন্য। আমি বাংলায় খুবই বাজে। বানানে অসাধারন গাধা। ভাষা ব্যবহার করি কমিউনিকেট করবার জন্য, বানান ভুল শুধ্য বিচার করার সাহস আমার নেই অযোগ্যতার জন্য
। ভাল থাকবেন।
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
বার্ডস পার্কের ছবিগুলো সুন্দর.।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়বার জন্য!
কালপুরুষ বলেছেন:
তোমার সাথে সাথে নিজেও ঘুরে দেখলাম তোমার চোখ দিয়ে। খুব ভাল লাগলো। ছবিগুলো সুন্দর। তোমাদের দুজনকেও খুব সুন্দর লাগছে ছবিতে। যদিও আমি কয়েকবার সিঙ্গাপুর ভ্রমণ করেছি। '৮৭ থেকে '৯৫ এর মধ্যবর্তী সময়ে। জ্যু, বার্ড পার্ক ও সেন্তসা আইল্যান্ডে বেড়াতে খুব ভাল লেগেছিল।
লেখক বলেছেন: ভাল আছেন দাদা? উমম যদি এসে থাকেন একানে তবেত যায়গা গুলো আপনার কাছে চেনা। অনেক ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যর জন্য। ভাল থাকবেন।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
দারুণ। ঘুরে এলাম লেখা আর ছবির সঙ্গে
লেখক বলেছেন: ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: আসলেই তাই ![]()
মোতাব্বির কাগু বলেছেন:
ছবিগুলো সুন্দর।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়বার জন্য আর ওটা লক্ষ করবার জন্য।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
চমৎকার ..... বিশেষ করে পাখির ছবিগুলো অসাধারন .....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!!!
নতুন রাজা বলেছেন:
আপু অনেক ভালো লাগলো...++++++++আপু একটা প্রশ্ন করলে বিরক্ত হবেন? পোষ্টে লেখার মাঝে মাঝে কি করে ছবি যোগ করা যায় একটু বলবেন আমাকে? আমি কিছুতেই লেখার মাঝে মাঝে ছবি যোগ করতে পারছিনা। আপনাকে আগাম ধন্যবাদ আপু.... সাথে ওসাকা ঘুরে যাওয়ার আমন্ত্রণ রইলো...
লেখক বলেছেন: এখন কাজে বেরচ্ছি পরে শিখিয়ে দেব।
সাগর চক্রবতী বলেছেন:
অসাধারণ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
সাইফুর রহমান(সাইফ) বলেছেন:
এত লেখা পড়ার ধর্য্য আমার ছিলনা... তবে ছবি গুলো দেখে সত্যিই অনেক ভালো লাগলো। আর মনে হয়েছিল এতক্ষন সিঙ্গাপুরেই ছিলাম।
লেখক বলেছেন: আমার পোস্টে লেখা সবসময় কম। এনিওয়ে ধর্য ধরে ছবি দেখবার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকেও ![]()
মহা পাজি বলেছেন:
নাহ.....অদীতির একটু ডায়েট করা উচিৎ,পাসে স্লিম বান্ধবীর কাছ থেকে কেন যে শেখেনা, বুঝিনা আমি.......
লেখক বলেছেন: অদীতি যথেস্ট সুন্দরী এবং শিক্ষতা। ডাবল এম এ আছে ওর। তাছেরা মানুষ হিসেবে সে অসাধারন তাই অন্য কোন কিছুতে তেমন কিছু এসে যায়না।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
খোলা_আকাশ বলেছেন:
ছবিগুলো ভাল লেগেছে। +++++
লেখক বলেছেন: জেনে ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: কেমন আছেন। অনেক ধন্যবাদ পরবাড় জন্য।
পারভেজ বলেছেন:
সুন্দর। অনেক সুন্দর।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেকদিন পর আমার পোস্টে দেখা ভাল লাগল। কেমন আছেন।
লেখক বলেছেন: গুপী আপনাকেও ধইন্যাপাতা। ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাথে দেখবার জন্য।
এখনই সময় বলেছেন:
জুরং বার্ডপার্ক খুবই বড় একটা পার্ক.... কত শত যে পাখি আছে .... সবচে মজার ব্যপার হলো প্রত্যেক প্রজাতির পাখিকে যথা সম্ভব প্রাকৃতিক পরিবেশে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।বার্ডপার্কের পাখির খেলা গুলো দেখতে খুবই মজার....
পাখি কথা বলে, টেলিফোন রিং এর আওয়াজ করে, সাইকেল চালায়....মজার মজার সব কাজ করে....
লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন।
বড় বিলাই বলেছেন:
খুব ভালো লাগল পড়ে আর দেখে। আপনার ডিজাইন করা বইয়ের সম্মানের কথা জেনে গর্বে বুকটা ভরে গেল। অনেক অভিনন্দন আপনাকে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকেও।
১৩ নং ছবিটা ঠিকঠাক করে প্রোফাইল ইমেজ বানালে মন্দ হয়না। আপনার এই ছবিটা খুব সুন্দর এসেছে। আর অন্য ছবিগুলো ও খুব সুন্দর।
ভালো থাকা হোক
লেখক বলেছেন: ুউমম ছবি দিলাম যাতে ঘোরার ইচ্ছে যাগে হা হা হা। অনেক ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যর জন্য। কেমন আছেন?
উধাও ভাবুক বলেছেন:
লেখা ছবি দুটোই চমৎকার !!!যাহোক এই লেখার সুবাদে আরিয়ানাকে পাওয়া গেল।
আরিয়ানা ওই বইয়ের প্রচ্ছদটা কি সাদা এবং কালো লেখার কম্বিনেশনে করা ?
যদি ওটা হয় তবে আমি দেখেছি। এবং সিম্পল বাট চমৎকার ডিজাইন।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। সাদা আর কালো। কোথায় দেখলেন? এর পরের বার যদি দেখেন তাহলে শেষের পাতায় আমার নামটা ইম্মরটালের নিচে দেখবেন। ওখানে একটাই বাংলা মুসলীম নাম আছে, ওটাই আমার। ভাল লাগল জেনে আপনি দেখেছেন বইটা।
আমার সব কাজই খুব সিম্পল আর ক্লিন।
জুল ভার্ন বলেছেন:
খুব সুন্দর লিখেছেন সেই সংগে অপুর্ব সুন্দর সব ছবি পোস্ট সমৃদ্ধ করেছে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আন্ধার রাত বলেছেন:
আহ্ এতক্ষন যেন সিংগাপুরেই ছিলাম! পার্কের পাখি আর মানুষ পাখির ছবি দারুন ভাল লেগেছে। অনেক ধন্যবাদ।
কবে যে সিংগাপুর বেড়াতে যাবার কপাল হবে?
লেখক বলেছেন: অনেক ভাল লাগলো জেনে আপানাদের ভাল লেগেছে। ভাল থাকুন।
শাওন৩৫০৪ বলেছেন:
শাব্বাস...প্লাস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!!!
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন:
কবে যাব সিংগাপুরে...আহারে আহারে
লেখক বলেছেন: শিঘ্রী চলে আসুন।
ইশতিয়াক অাহমেদ বলেছেন:
পড়তে পড়তে ট্যুরের মজা দেখতে সিঙ্গাপুরের মজা ...
ভালো লাগলো...আরো এগিয়ে যান...
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
মুঘল সম্রাট বলেছেন:
আমার অনেক আত্নীয় থাকে ওখানে। ওদের পাঠানো ছবিগুলো সাথে মিল আছে অনেক। ভালো লেগেছে।
লেখক বলেছেন: জেনে ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন: জেনে খুশি হলাম আপনি আমার লেখা পড়েন আর তা আপনার ভাল লাগে। ভাল থাকুন।
আজনবী বলেছেন:
হিংসায় মাথার চুল ছিড়তে ইচ্ছে হচ্ছে।
লেখক বলেছেন: ছিড়ে ফেলুন অথবা বেড়িয়ে যান । না েলে হয়ত সেপ্টেম্বরে আমি যখন ঢাকায় যাব আপনার জন্য উইগ নিয়ে যাব। ![]()
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো আপনাদের ছবিগুলো, সেই সাথে আরো ভাল লাগলো অকৃত্রিম বন্ধুত্বটা ... আর সবচেয়ে ভাল লাগলো আপনার ডিজাইন করা বইটির কথা জেনে।ভাল থাকুন, সবসময় ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। জেনে ভাল লাগল সবটা মনোযোগ দিয়ে পড়েছেন। ভাল থাকুন।
গুরুদেব বলেছেন:
চমৎকার লাগলো। ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: আপনিও ভাল থাকুন গুরুদেব।
সাইফুল্যাহ কামরুল বলেছেন:
ছবিগুলো খুব ভাল লেগেছে। ++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ![]()
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
ভালোই তো দেখি বেড়াইলেনদেইখা ভালো লাগলো
শুভকামনা&শুভেচ্ছা
এমন সুখে থাকেন আজীবন আপু!
লেখক বলেছেন: আমিত থাকিই এখানে তাই আমার জন্য শহজ সিংগাপুরে ঘোরা টা। আপনিও ভাল থাকুন।
মুহিব বলেছেন:
আমি একবার গিয়েছি তবে বার্ডস পার্ক আর স্যান্তোজা ছাড়া কিছুই দেখা হয় নাই। আমার ইচ্ছা ছিল সাধারনভাবে সিঙ্গাপুর দেখা। ট্যুরিষ্টের মত না।
লেখক বলেছেন: আবার আসুন আর দেখে যান।
লেখক বলেছেন: আমার ও তাই মনে হয়েছে লাল রং টা অসাধারন!!
সেতূ বলেছেন:
আরও দু বার সিংগাপুর ভ্রমন করে করেছিলাম কিন্তু স্যান্তোসা ও জু ছাড়া কিছুই দেখা হয় নাই।
আপনার লিখা পড়ে - বার্ডস পার্ক দেখার ইচ্ছা জাগলো,
তাই +++
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ![]()
ইচ্ছে বলেছেন:
আপনার লেখনীর গুনে কখনযে সিংগাপুর চলে এসেছি টেরই পাইনি।আপনাকে ধন্যবাদ এত সুন্দর একটা ভ্রমন এর জন্য, ভিয়েতনাম থেকে ফিরেও এমনি একটি লেখা দেবেন আশা রাখছি ...
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। আশা করি ফিরে এসে নতুন গল্পো শোনাব আপনাদের। ভাল থাকুন ততদিন।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আমার ঘুরনের ইচ্ছা জাগতে জাগতে ডেড খাইয়া গেলো। যতই যা কন বুলবুলি পাখির মতো সুন্দর পাখি আমি জীবনেও দেখি নাই। এই পাখিটা অন্য দেশে পাওয়া যায় কি না জানি না তয় এই পাখিটার প্রতি কুটিকালে একটা অবসেশন আছিলো। কিন্তু আফসুস তখন আমার কোনো ক্যামেরা ছিলো না। আর অখন ক্যামেরা থাকলেও বুলবুলি পাই না। কখনো সখনো চিড়িয়াখানায় গেলেও ক্যামেরা নেই না!মানুষের জীবনে কত ছুট ছুট আফসুস, তাই না?
লেখক বলেছেন: ছোট ছোট আফসোস কে মাথায় রেখে বড় কিছুর দিকে এগোতে হয়। ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: অনেকদিন পর দেখলাম আপনাকে। কেমন আছেন? আমি আছি ভাল। ব্যস্ত ছিলাম কাজ নিয়ে এখন একটু ফ্রি তবে নতুন কাজ শুরু করতে যাচ্ছি খুব শিঘ্রী। এর মাঝে যাচ্ছি ভিয়েতনাম। সামনের মাসটা খুবই ব্যস্ত থাকব আবার।
রাজর্ষী বলেছেন:
পাখি।হুমম.
লেখক বলেছেন: উমমম...
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়বার জন্য আর ছবি দেখবার জন্য। মজার ব্যপার ওদের বয়স বোঝা খুবই কঠিন। তাছারা ওরা খুব কম বয়সে বিয়ে করে ও ওদের বয়সের ডিফারেন্স টা কম থাকে হাজব্যন্ড ওয়াইফের ভেতর। ছেলেরা ওদের চাইতে খুব কম বয়সি মেদের বিয়ে করতে চায়না। ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু। ভাল আছি, আপনি কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।
নম্রতা বলেছেন:
দিন দিন এত সুন্দর হচ্ছো যে , ব্যপার কি ? S'pore আমার খুব প্রিয় জায়গার একটি .... আবার যাবো কখনো ....তখন না হয় তোমাদের সাথে ঘুরে বেড়াবো ....! দারুন সব ছবি তুলেছো !অদিতিকে শুভেচ্ছো !
লেখক বলেছেন: তাই নাকি
। উমম অপেক্ষায় থাকবো তোমার আসার। অনেক শুভেচ্ছা তোমাকেও।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!!
নভেরা১১ বলেছেন:
পাখি গুলোর ছবি সহ সবই সুন্দর.....................।
লেখক বলেছেন: থ্যাংক্স। ভাল থাকবেন।
বিপ্লব রহমান বলেছেন:
একটু দেরীতে বলছি:"দেশের হয়ে খুব গর্ব বোধ করলাম এই ভেবে একজন বাংলীর কাজ সিংগাপুর এশিয়ান সিভিলাইজেশন মিউজিয়ামে রাখা হয়।"
আপনাকে অভিনন্দন।।
চমৎকার সব ছবি, চমৎকার লেখা। ক্যারি অন!!
লেখক বলেছেন: উমমম অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: হা হা হা আমি চন্ঞল তবে কিশোরী নই...
ভাল থাকবেন।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আপনের নতুন লেখা নিয়াও একখান আফসুস আছে। এইটাও কি থাইক্কা যাইবো? সব ভালো তো?
লেখক বলেছেন: বুঝলাম না ব্যপারটা।???
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
আপু, ভালা নি??আমি ভবিষ্যতে কোনদিন ট্রাভেল এজেন্সি খুললে এই পোস্টটা আমার বিজ্ঞাপনে লাগাই দিব.. পুরা কাট-টু-কাট!!!!
ফটুকগুলা ব্যাপক হইছে।
অ:ট: আপনার বইয়ের লিংকু দেন।
লেখক বলেছেন: হা হা হা অনেক ধন্যবাদ
আর আপনার ট্রাভেল এজেন্সি থেকে আমি ট্যুর প্যাকেজ নেব ![]()
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
রুখসানা তাজীন বলেছেন:আরিয়ানা, আপনাকে আমার একটা চঞ্চল কিশোরী মনে হয়। ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: হা হা হা আমি চন্ঞল তবে কিশোরী নই...
তাইলে কি??
কুড়িতেই বুড়ি!!!
লেখক বলেছেন: কিশোরী বয়স পেড়িয়ে এসেছি অনেক আগে। বরং বলতে পারেন বুড়িতেও কুড়ি।
নুশেরা বলেছেন:
তোমার ডিজাইন করা বইটার কিছু ছবি দিতে! খুব ভালো লাগলো লেখা আর ছবি। বিখ্যাত, সংরক্ষণ, অদিতি এই তিনটা বানান অন্তত ঠিক করে দাও লেখক বলেছেন: আমার সময়ের বরই অভাব তাই ছবিয়ে দেয়া হলো না বইটার। আমি ভাষা ব্যবহার করি কমিউনিকেশনের জন্য। ধন্যবাদ শুদ্দ বানানের জন্য। খুব শিঘ্রী ঠিক করে দেব।
কঁাকন বলেছেন:
Dhonnobad singapur ar apnar bandhobir sathe poricoy koriye dear jonno valo thakun
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ অনেক পড়বার জন্য।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন।
পারভেজ বলেছেন:
চমৎকার অনুভুতি হলো লেখাটা পড়ে।সিঙ্গাপুর গেলেও কিছু কিছু জায়গায় ঢু মারা হয়নি,আবার কখনো গেলে অবশ্যই এই লেখাটা পড়ে নেবো
লেখক বলেছেন: কখনও এলে আমায় জানাবেন।
মুকুট বলেছেন:
ধন্যবাদ, বেশ আগে অফলাইনে পড়েছিলাম, মন্তব্য করা হয়নি। ধন্যবাদ শেয়ারের জন্য! সীওয়ার্ল্ড ট্যুর নিয়ে একটা পোষ্ট দিয়েছি, সময় পেলে দেখিয়েন।
লেখক বলেছেন: নিশ্চই পড়ব।
লেখক বলেছেন: বানান ভুলটা ভাড়িই হা হা হা। বাংলায় আমি কাচা। বাংলা ব্যবহার করি বাংলায় কমিউনিকেশনের জন্য। অনেক ধন্যবাদ পড়বার জন্য।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ![]()
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
অনেক মজা হল বুঝি......আসলে ঘুরতে সবারই ভালো লাগে। আমারও ......
সময় করে দেশে একবার ঘুরে যান।
অসাধারণ ছবিগুলো। প্রশংসার দাবীদার। অনেকটা সময় নিয়ে ছবিগুলো তুলেছেন। আর আপনার বান্ধবীও বেশ ভ্রমণ পটু মনে হয়।
সত্যিই খুব সুন্দর ছবিগুলো সাজিয়েছেন । আর মানাংশ লেখাগুলো।
ভালো থাকবেন।
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: ২৭শে সেপ্টেম্বর দেশে যাচ্ছি ২ সপ্তাহর জন্য। আশা করি আপনাদের সাথে দেখা হবে।
কালপুরুষ বলেছেন:
তোমার বান্ধবী অদিতীকে চেনা চেনা লাগছে। সম্ভবত অর্কুটে ওর প্রোফাইল দেখেছি। আর হ্যাঁ এবার কোথায় কোথায় বেড়াতে যাবে তার একটা লিস্ট করে রেখো। দুই সপ্তাহ খুব একটা বেশী সময় না। দেখতে দেখতেই কেটে যাবে।
লেখক বলেছেন: উমমম হয়তো হবে। ও কোলকাতার মেয়ে। ওয়াও !!! কোথায় কোথায় বেড়ানো যায় আপনারা ঠিক করেন তবে অরুনিমায় যাবার ইচ্ছে আছে। ওন দা ওয়া টু সিলেট।
পাথুরে বলেছেন:
খাইছে... সেইরকম পক্ষীকূল।
লেখক বলেছেন: ঠিক কথা !!
অশেষ ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আমি মালয়েশিয়ায় ছিলাম চাকরির জন্য বেশ কিছু দিন যার কারনে মালয়েশিয়ার বেশির ভাগ যায়গা দেখা হয়েছে, সিংগাপুরে আমি থাকছি গত ৬ বছর। এগুলো সেনটোসার ছবি নয়। এগুলো বার্ড পার্ক, এসপ্লানেড, ক্লার্কি ও বোটকির ছবি। ধন্যবাদ পড়বার জন্য। ভাল থাকুন।
ম্যাক্স পেইন বলেছেন:
আপনার ভ্রমণ গুলো চরম ইন্টারেসটিং
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!!
অচেনা সৈকত বলেছেন:
তোমাকে অনলাইন পাচ্ছি না। ব্যস্ত?
লেখক বলেছেন: খুবই ব্যস্ত। ঘটনা কি?
না আপা আপনার বুঝার ভুল ছিলো।
আমি বলতে ছিলাম আপনা ছবিগুলো অত্যন্ত ভালো হয়েছে।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
খোকন জিও বলেছেন:
আপনাদের ছবিগুলো তুললো কে?
লেখক বলেছেন: আমার তোলা ছবি এগুলো। তবে যেটাতে দুজন আছি অন্যদের দিয়ে রোকোয়েস্ট করে তোলা।
লেখক বলেছেন: একদিন...নিশ্চই বেড়িয়ে পরবেন !!!!
সাদাকালোরঙিন বলেছেন:
সিংগাপুরের পথে পথে অনেক বেড়িয়েছি । বার্ড পার্ক, নাইট সাফারি, মার্লায়ন, সেন্টোসা আইল্যান্ড, ক্যাবল কার, ক্লার্ককুয়ে, বোট কুয়ে দেখে আবার সেই দিন গুলোতে ফিরে গেলাম। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ পড়বার জন্য। ভাল থাকুন।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



























আপনার লেখা ভালো। খালি কয়েকটা বানান ভুল ছাড়া কোন সমস্যা নাই।