somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটা দুপুর ও কিছু ছঁেড়া ভাবনা ;)

২৫ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


দুপাশের ছোট ছোট বাগানে ঘেড়া একতলা দু'তলা সুন্দর সুন্দর বাড়ি গুলো দেখতে দেখতে ফুটপাথ দিয়ে হাঁটছিলাম। প্রতিটা বাড়ির সামনে চমৎকার সবুজ ঘাসে ঢাকা আর কিছু ফুলে ঘেড়া বাগান। চমৎকার এই নেইবারহুড!! আমাদের কন্ডোর পেছনের গেট দিয়ে বের হলেই এই নিরিবিলি রাস্তাটির দুপাশে চমৎকার বাড়ি গুলো নিয়ে এই নেইবারহুড।

দুপুর ১টার কাঠফাটা রোদে আমি লাল রং এর ছোট্ট ছাতা মাথায় হাটছি। পাগলে না কামড়ালে কেউ এই ভর দুপুরে হাটার কথা চিন্তা করে? :P কিছু কাজ সারতে হবে। বাড়ি থেকে বের হবার আগে ১০০ বার চিন্তা করলাম ড্রাইভ করব নাকি হেটে যাবো? কারন যেখানে যাবো সেটা ২০ মিনিটের হাটা রাস্তা। কিছু কাজ আছে নেইবারহুডের ভেতরেই। শেষে হাটবো বলেই ঠিক করলাম।

গরমে সব যেন পুড়ে যাচ্ছে। খেয়াল করলাম রাস্তার যে পাশে বেশি ছায়া সে পাশে না হেটে আমি যে পাশে কম ছায়া সেদিক দিয়েই হাটছি। সমস্যা টা কি আমার X(

জলির সাথে সকালে কথা হলো ওর সাথে দেখা হবে কাল.....ও হ্যা জলি.....মিস্টি সহজ মেয়েটার সাথে আলাপ হলো ব্যংকক এয়ার পোর্টে। আমারা একই প্লেনে ট্রাভেল করছিলাম। দুজনই সিংগাপুরে আসছি। দুজনই সিংগাপুরে থাকি ও কাজ করি, দুজনই ঢাকা থেকে আসছি!! ......ঢাকা!!.....চমৎকার সময় কাটলো ঢাকায় এবার ১২ দিনের ট্যুরে!! সবার ভালবাসা আর আন্তরিকতায় ভরে ছিলাম ক'দিন। দাদা রোজ সন্ধ্যায় উনার বাড়ি নিয়ে গিয়ে ডিনার করালেন চমৎকার সব বাংগালী খাবার দিয়ে। এই দাদা আর ভাবিকে যে কি বলে ধন্যবাদ দেব জানিনা। বন্ধু মিশু পারলে আমকে ঢাকার সব ভর্তার দোকানে নিয়ে গিয়ে ১২ দিনেই সব রকমের ভর্তা খাওয়ানোর চেষ্টা করেছে। :) আবার আসবার সময় কত কিছু গিফ্ট....!!

ভাই ও বোনের সাথে সুন্দর সময় কাটানো আর শপিংএ যাওয়া। কাজিন ও বন্ধুদের সাথে চমৎকার দিন কাটানো!! পুরেনো কলিগদের আয়োজনে গেট-টুগেদার পার্টিতে গিয়ে কত পুরোনো সহকর্মিদের চেনা মুখ গুলো আবারও দেখা....। চটপটি খাওয়া পথের পাশে দাড়িয়ে...B-)B-)। শুধু নিরবেই যাওয়া হলো না :)। তাতে কি, যেটুকু পেলাম তাতেই মন ভরে গেল। - সবগুলো স্মৃতি যেন মাথার ভেতর জেগে উঠছে। রাস্তা পেরিয়ে ছায়ার ভেতর দিয়ে রোদে পোড়া দুপুরে আমি হাটছি লাল ছাতা মাথায়। একটা দুটো গাড়ি আমাকে পাশ কাটিয়ে যাচ্ছে। ড্রাইভ করে গেলেই পারতাম....অল্প একটু পথ মাত্র ড্রাইভ করেল। বাস স্টপটা পাশ কাটাতে গিয়ে চোখে পরলো বাস আসছে। ইচ্ছে করলে কিন্তু বাসটা নিয়ে ৫ মিনিটেই গন্তব্যে পৌছাতে পারি। বাস নেবার প্রচন্ড ইচ্ছেটাকে দমন করে হাটতে থাকলাম। বাসটা চলে গেল আমাকে পাশ কাটিয়ে। আজ হাটবো বলেই পণ করেছি।

ঢাকায় ১২টা দিন কেমন করেই চলে গেল দেখতে দেখতে.......যাবার দিন চলে এলো ফরড়ুৎ করেই। ২০শে মে.....সকালেই ভাই বোনরা এল দেখা করতে সি অফ করতে। ঢাকার জ্যাম ঠেলে ওদের আর এয়ার পোর্টে যাবার ঝামেলা দিতে চাইলাম না। দাদা যাচ্ছেন আমার সাথে। তাছাড়া ওদের এয়ার পোর্টে ছাড়তে আরো বেশি খারাপ লাগবে।

বের হলাম সকাল ১০।৪৫ শে। সবার অনেক অনেক ভালবাসা আর প্রচুর উপহারে আমার লাগেজ ফুলে উঠেছে। ওভার ওয়েট চার্জের আশংকা হলো। শেষ মুহুর্তে আনা বোনের উপহার গুলো পরে ফেললাম কিছু আর হ্যন্ড ক্যারি। বের হবার আগ মুহুর্তে আমার প্রিয় কলিগ-বন্ধু পোলেন এলো হন্ত দন্ত হয়ে তার উপহারটি দেবার জন্য। ছেলেটার এই ভালবাসা দেখে চখে পানি চলে আসবার মত হলো। জলদি সানগ্লাসটি চোখে দিয়ে বিদায় জানালাম।

পথে মিষ্টি কিনলাম আর তার পরেই পরলাম জ্যামে। ঢাকার বিখ্যাত জ্যামে শেষ বারের মত :)। এয়ার পোর্টে পৌছেই লাগেজ চেক ইন করতে গিয়ে দেখলাম ওভার ওয়েট হয়নি :D:D। দাদার দেয়া এক্সট্রা ব্যাগটা লাগলোনা। দাদা বাইরে দাড়ানো। আমি লাগেজ দিয়ে বাইরে বের হব এই কথা শুনে চেক ইনের অফিসার বলে যে "আপানর লাগেজ চেক আপ হয়ে গেছে আপনি আর বাইরে যেতে পারবেন না।" ওনার কথা শুনে অবাক হয়ে জিঙ্গেস করলাম "কোথাকার নিয়ম এটা?" রাগে মাথা মচমচ করতে থাকল। উত্তর দেবার বা শুনবার অপেক্ষা না করে বাইরে বেরিয়ে এলাম। দাদা কে উনার ব্যাগটা দিয়ে ইমিগ্রেশনের ফর্মটি ফিলাপ করে দাদাকে বিদায় জানালাম। সানগ্লাস চোখে দেয়াটা জরুরি হয়ে পরল তখন /:)

ইমিগ্রেশনে পৌছালাম। অফিসার আমাকে ফরেনার ভেবে গুড আফটারনুন বলে অভিবাদন জানাল। হেসে বললাম গুড আফটারনুন। আমার পাসপোর্ট দেখতে গিয়ে টের পেল আমি বাংগালী। কি করে টের পেল যে আমার হাসব্যান্ড ফরেনার। আমাকে জিঙ্গেস করলেন "কেমন ওদের ব্যবহার?" প্রথমে বুঝলামনা কি জিঙ্গেস করছেন। বললাম " মানে কি? কে কেমন ব্যবহার করে?" উনি বললেন "আপনার হাসব্যান্ড" অবাক হয়ে গেলাম এমন পার্সোনাল প্রশ্ন শুনে তাও আবার ইমিগ্রশনের অফিসারের কাছ থেকে। ঝামেলা এড়ানোর জন্য বললাম "ভাল"। উনি বললেন "আসলে আমার একজন গার্ল ফ্রেন্ড আছে ইটালিয়ান, ও আমাকে খুব চায়। তাই ভাবছি কি করব" আমার পেছনে লম্বা লাইন হয়ে যাচ্ছে ইমিগ্রেশনে। সেদিকে তাকিয়া বললাম " উম ভাল তো!! আমার হাসব্যান্ড খুবই ভাল মানুষ ( ঘটনা সত্যি ) আশা করি আপানার গার্লফ্রেন্ড ও খুবই ভালই হবেন" ইটালিয়ানরা যে মাফিয়া হতে পারে সেই আলোচনায় আর যাবার কথা ভাবতেও পারলামনা। তবে উনার কিন্তু অনেক সময় আমার সাথে কথা বলবার জন্য। :P:-/ । আমার পেছনের লম্বাতর লাইনের দিকে আরেকবার তাকিয়া উনাকে ধন্যবাদ বলে - "হ্যাভ আ লাভলি ডে, উইশ ইউ অল দ্যা বেস্ট" ইমিগ্রশন পেরোলাম, যদিও উনার কথা তখনও শেষ হয়নি।

বোর্ডিং এ গিয়ে অফিসার আমার পাসপোর্ট তন্ন তন্ন করে ভিসা খুজতে লাগলেন। যা তাঁর করার কথা নয়। ইমিগ্রেশন পেরোলাম তবে কেন? উনার দেখবার কথা পাসপোর্ট ও বোর্ডিং পাস। আমার ভিসা তো পাসপোর্টে নয় আমার সিংগাপুর গ্রীন কার্ডেই আমার ভিসা। উনাকে সেটা দেখাবার পরেও উনি বোঝেন না। মনে হলো এসব অফিসার দের অন্তত একবারের জন্যও বিদেশ পাঠানো উচিৎ সরকারের, উনাদের শেখাবার জন্য ইমিগ্রেশনে ও বোর্ডিং এর সময় তাদের দ্বায়িত্ব টা আসলে কি।

প্লেনে উঠেই দেখলাম আমার সিট পরেছে এক বিশাল দাড়িওলা জামায়াত সাহেবের পাশে। হাই বলে বসলাম। আমাকে দেখেই সেই যে উনি চোখ বুজলেন আর খোলেননি। টেক অফ করবার পর দেখলাম অর্ধেকের বেশি প্লেনের সিট খালি। সিট বদলিয়ে সামনে চলে এলাম। ভালই ছিল ঢাকা ব্যংকক ফ্লাইট টা।


ব্যংকক এয়ার পোর্টে নেমে ৩ ঘন্টা ট্রানজিট। ওয়াশ রুমে দেখা জলির সাথে। দুজনে এর পর কথা বলতে বলতে এয়ারপোর্ট টা ঘুরে দেখলাম আর কিছু ডিউটি ফ্রি শপিং!!


চমৎকার মেয়েটি!! খুবই ফ্রেন্ডলি!! কন্টাক্ট দেয়া নেয়া করে কথা দিলাম বাড়ি ফিরে যোগাযোগ করব। দুজনে পাশা পাশি বসলাম ব্যংকক - সিংগাপুর ফ্লাইটে। প্রচুর কথা হলো দুজনে। সময়টা ভাল কাটল যদিও আমার অসহ্য মাথা ব্যথা ছিল শেষের দিকে। রাত ১২টায় বাড়ি পৌছালাম সেদিন....আহ্ কি শান্তি!!!!

এত সব ভাবতে ভাবতে দেখি রোদে পুরতে পুরতে গন্তব্যে পৌছে গেছি। কাজ সারবার পরে পেটে যেন ছুচো ছোটাছুটি করছে খিদেয়। পাশের ফুড কোর্টে ঢুকলাম। কি খাবো কি খাবো অবস্থা আমার তখন। ধান্দায় পরলাম চিকেন রাইস, না কাটোং লাক্সা, নাকি ইয়াং তোফু খাবো। লাক্সাই নিলাম তিন ডলারে। সাথে সুগার কেইন জুস। পেট পুজো সেরে আবার হাটা দিলাম। হঠাৎ মনে হলো আমার ছাতা আর ফোনটা কোথায় গেল। বুকটা ধরাস করে উঠল। পরি মরি করে খুজতে গিয়ে দেখলাম ওগুলো আমার ব্যগেরই ভেতর X((X(( । এই আমার শুরু হয়েছে কিছু দিন হলো। মনে রাখতে পারিনা কি করছি কোথায় জিনিস পত্র রাখছি। ঢাকা যাবার পথে একবার পাসপোর্ট ও দুবার আমার গ্রীন কার্ড হাড়িয়ে আবার পেয়েছি সিংগাপুর এয়ারপোর্টে। আহ্ আমার কি অ্যালজেইমার রোগ হলো নাকি /:):-*:|

হেনরি পার্ক পেরোতেই হেনরি পার্ক স্কুলের বাচ্চা গুলোকে ছুটি হয়ায় বের হতে দেখলাম পিল পিল করে স্কুল থেকে। ওদের পাশ কাটিয়ে আরো দশ মিনিট হেটে জেলিটায় পৌছালাম। ছোট খাটো কাজ গুলো সেরে বের হতেই দেখি আকাশ মেঘে ঢেকে গেছে। আর রোদের কড়া তাপ নেই। এখানে ও ঢাকার মত গরম তবে শব্দ ও ধুলো না থাকায় গরমটা ওভাবে কষ্ট দেয় না। বাড়ির পথে হাটা দিলাম। আজ হাটব ই অল দ্যা ওয়ে :P। পায়ের চার জায়গায় ব্লিস্টার অনুবভ করলাম। আমার নতুন জুতো পরলে তো ব্লিষ্টার পরবেই, এমনকি পুরোনো জুতো সপ্তাহ খানেক গ্যাপে পড়লেও ব্লিস্টার পরবে। ভাবলাম আমার আসলে খালি পায়েই হাটা উচিৎ। বাড়ি ফিরলাম বিকেল ৪।৩০ শে। পায়ে ৫ম ব্লিস্টারের অনভুতি নিয়ে ভেতরে ঢুকলাম।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মে, ২০১০ সকাল ৭:৩২
৩৬টি মন্তব্য ৩৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×