প্রথম আলো প্রত্রিকায় 'নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদনে অগ্রগতি নেই
তবু ৫১ হাজার খুঁটি ক্রয়!" শিরোমে একটি সংবাদ পডেছি। সংবাদ পড়ে ভালোই লেগেছে। সংবাদটি পড়ার পরে জোট সরকারের কথা মনে পড়ে গেলো। ঐ সময়ে আলোচিত খাম্মা মামুন ( গিয়াস আল মামুন )। এখন আবার সেই খাম্মা। তবে জোট সরকারের সময় খাম্মা,কিভাবে খুটি হয়েগেলো। তার মানে আবারও দেশে খাম্মা মামুনদের আভির্ভাব হয়েছে। তবে সেটা মিডিয়া নামক যাতাকলের মধ্য পড়ে খুটি হয়ে গেলো।
Click This Link
প্রথম আলোর সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে,
আরইবি সূত্র জানায়, গত ২৭ জুলাইয়ের দরপত্রে পাঁচটি প্যাকেজের আওতায় ৫০ হাজার ৯০০ বৈদ্যুতিক খুঁটি কেনার পরিকল্পনা করা হয়। নিজ নিজ এলাকায় সংযোগ বাড়াতে মন্ত্রী ও সাংসদদের চাপে এই উদ্যোগ নেয় আরইবি। খুঁটিগুলোর উচ্চতা সর্বনিম্ন ৭ দশমিক ৬ মিটার থেকে সর্বোচ্চ ১০ দশমিক ৬ মিটার। আরইবির একটি সূত্র বলছে, এসব খুঁটির সর্বনিম্ন দাম আট হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত ধরা হয়েছে। সব মিলিয়ে এসব খুঁটি কিনতে সরকারের কমপক্ষে ৫০ কোটি টাকা খরচ হবে। ২৫ আগস্ট ছিল দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। সাতটি প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশ নেয়। এর মধ্যে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান কাজ পেয়েছে বলে আরইবি সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
কাজ পেয়েছে এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কনফিডেন্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ইলেকট্রোপ্যাক, জেমকন গ্রুপের পাথর লিমিটেড, পোলস অ্যান্ড কনক্রিট লিমিটেড, এসকিউ গ্রুপের টেসকো পাওয়ার লিমিটেড।
কনফিডেন্স গ্রুপের পরিচালক ইমরান খান প্রথম আলোর কাছে স্বীকার করেন, সম্প্রতি তাঁদের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আরইবির চুক্তি হয়েছে। অন্যদের সঙ্গেও আরইবি ইতিমধ্যেই চুক্তি করেছে বলে জানা যায়।
তবে এ বিষয়ে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা কেউই মুখ খুলছেন না। বিদ্যুত্সচিব আবুল কালাম আজাদের কাছে জানতে চাওয়া হলে প্রথমে বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। পরে বলেন, ফাইল দেখে বলতে পারবেন। বিদ্যুৎ উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীও বলেন, তিনি বিষয়টি জানেন না।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



