কিছুদিন আগে আমি গাজীপুর বড় বাড়ী যাবার সময় এক পুলিশ কন্সটেবল আমার কাছে লিফট চায়। আমি তাকে লিফট দিতে রাজি হই এবং বড়-বাড়ী পর্যন্ত নিয়ে যাই। এই সময় যে সকল গাড়ী সাইড দেয়নি তাদেরকে কি পরিমান বকা দিল তাতে হাঁসতে হাঁসতে আমার অবস্থা খারাপ।
এরপর মাঝে মাঝেই অনেককেই লিফট দিয়েছি। গত ১৫ তারিখে প্রথম এস্তেমার সময় এক ছেলে আমার কাছে লিফট চায়, তাকে আমি বিশ্বরোড হতে বনানী পর্যন্ত নিয়ে আসি। বনানী নামার পর সে বারবার আমাকে ধন্যবাদ জানায় এবং তার সাথে চা খেতে বাধ্য করে। তাকে আমি আমার অফিসের নিচে চায়ের দোকানে নিয়ে আসি এবং একসাথে চা খাই।
আজ অফিসে আসার সময় খিলক্ষেতে জ্যামের মধ্যে আসার সময় একটি মেয়ে আমার বাইকের সামনে দাঁড়িয়ে হাত দেখিয়ে বাইক থামাতে বলে। আমি একটু ভয়ে ভয়ে বাইক থামাই। কেন থামাতে বলছে তার কিছুই তখন বুঝতে পারি নাই। তখন সে আমাকে বলে তাকে বিশ্বরোড এ নামিয়ে দেয়া যাবে কিনা। তখন তাকে বাইকে করে বিশ্বরোড পর্যন্ত নিয়ে আসি। বাইক হতে নামার পর আমাকে বলে যে তার কলেজে যাবার টাইম পার হয়ে যাচ্ছে তাই সে আমার কাছে লিফট চায়। আমি ঠিক আছে বলে চলে আসি। চলে আসার পরে মনে হইলো আর যদি এই ভুল করছি...। মেয়ে মানুষ কখন কি করে বসে তার ঠিক নাই। আমি আর কাউরে লিফট দেবার ব্যাপারে নাই। মেয়ে মানুষকে তো কখনোই না।
তবে একটা বিষয় খুব ভালভাবে লক্ষ্য করছি, আর তা হল খিলক্ষেত হতে অফিস টাইমে বাস পাওয়া আসলেই কঠিন ব্যাপার। কারণ এই তিন বছর হতে প্রতিদিন দেখি এখানে অনেক লোক বাসের জন্য দাড়িয়ে থাকে। কিছু বাস আবার সকাল বেলা এখানে থামতে চায় না। এদের সবার উচিত একটা করে বাইক বা প্রাইভেট কার কিনে নেয়া। তা না হলে সকালে অফিস বা ভার্সিটিতে সঠিক সময়ে আসতে পারবেনা।
প্রথম প্রকাশঃ আমার দিনকাল ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


