আমার প্রিয় পোস্ট

অতএব- লক্ষন যা, তাতে দুঃখ আর ক্ষোভই আমার কপালের লেখা।

পৃথিবীর সবকটি সাদা কবুতর ইহুদী মেয়েরা রেধে পাঠিয়েছে মার্কিন জাহাজে। ( ইওরোপিয়ান জাহাজ ডুবছে তো!)

০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৮

শেয়ারঃ
0 10 0

বড়লোকে চাড়া চাবাইলেও কয় বাতাসা খায়। এইটা আমাগো ওইদিককার গ্রাম দেশের কথা। তয় পুরা দুনিয়ার জন্যই সত্য। এই যেমন স্বঘোষিত 'সভ্য' দুনিয়ার, ইওরোপের লোকরাও নিজেরা নিজেগো বড়লোক কয়। পয়াসাওয়ালা লোক। 'উন্নত বিশ্ব'-এর বাসিন্দা। তারা প্রচুর চাড়া চাবান, চাড়া খান ( চারা হইলো মাটির তৈজসপত্রের ভাঙ্গা অংশ। আর বাতাসা মনে হয় সবাই চেনেন।) , আর কন এইগুলান হইলো বাতাসা।

এইরকম এক চাড়া নাম বর্ণবাদ। ইওরোপের ইতিহাস অনেকাংশেই বর্ণবাদের ইতিহাস। উল্টো তারারা আমাগোরে বর্ণবাদবিরোধিতার সবক দিতে আসেন। তারা নিজেগো হিটলারের বিরোধিতা করেন। হিটলাররে নিন্দা করেন। তাগোর মতে এর পেছনে অনেক কারনের মধ্যে একটা হইলো- হিটলার ইহুদীগো মারছিলেন। ব্যাপক মারছিলেন। হলোকাস্ট। বাকস্বাধীনতা নিয়া ইওরোপীয় কইতররা এতো বাকবাকুম করে অথচ ওইখানে হলোকাস্টের ঐতিহাসিক পর্যালোচনাও করা যায়না।

হিটলারের এতো দোষ ইহুদী হত্যার দোষে! অথচ বাকি ইওরোপ করলো কি? তারা তো আরো বড় হিটলারি করলো। হিটলার চাইলো ইহুদের জার্মানি থেইকা তাড়াইতে, আর বাদবাকী ইওরোপ ইহুদীদের তাড়ায়া ইওরোপছাড়া করলো। তারা ইওরোপে থাকতো লোকালয়ের বাইরে, ঘেটো'তে। ভারতে যেমন দলিত সম্প্রদায়ের লোকজন গ্রামদেশের প্রান্তে বস্তিতে থাকে। সেইখান থেইকা ইওরোপ তাগোর পাঠাইলে আরব মুলুকে । একঢিলে দুই পাখি। ইহুদী তাড়ানো হইলো আবার মুসলমান খিচানোও হইলো।

তয় জারজ ইজরায়েলের জায়গা দিতে গিয়া মাঝখান থেইকা আরেক ঘেটোর জন্ম হইলো আরব মুলুকে । ফিলিস্তিন। বেচারা হিটলার! খালি খালি নিন্দিত হইছিলেন নিজের বোকামীতে। এই বুদ্ধি যদি তার হইতো! নোবেল পুরস্কার টুরুস্কার পাওয়ার চান্স ছিলো নির্ঘাত।

আইজ আর ইওরোপ আগের মতোন নাই। ক্ষমতা কমছে। এখন ইজরায়েল এর বাপ হইলো মার্কিন মুলুক। তাগোর আশ্রয় প্রশ্রয়ে ইহুদী রান্নাঘরে প্রতিদিন জবাই হইতেছে শান্তির কবুতরেরা। কবুতর যদি কসাইয়ের তীর আর ছুরি ধরা হাতে ঠোকর মারে তয় দুনিয়া কবুতররে সন্ত্রাসী কয়। আজব! দুনিয়া কয়- আলোচনা করো। নিজের ঘরে হামলে পড়া ডাকাইতের লগে আলোচনা! এটা কি পড়শীর সাথে বিরোধ যে আলোচনা কইরা সমাধান সম্ভব!

নিজের বিশ্বাসের কথা কই। কেবল মাত্র স্বশস্ত্র লড়াইয়ে ফিলিস্থিনিরা জবর দখল থেকে মুক্তি পাইতে পারে। যদি কিছু দেশ তাগোর সাহায্যে আগায়। নয়তো এইভাবেই চলবো। ইজরায়েলীদের হত্যাযজ্ঞ আর বাদবাকী দুনিয়ার আলোচনা-শান্তি বানিজ্য।

*পোস্টে ব্যবহৃত ছবিটি কিউবার আঁকিয়ে 'জুয়ান কার্লোস পেড্রেইরা'র আঁকা
*পোস্টের শিরোনামে ব্যবহৃত 'পৃথিবীর সবকটি সাদা কবুতর ইহুদী মেয়েরা রেধে পাঠিয়েছে মার্কিন জাহাজে' অংশটুকু আল মাহমুদের কবিতা থেকে নেয়া। কবিতার নামটা এখন মনে নেই।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: বৈদেশিকী  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই নভেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:০১
মারুফ আল্লাম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। কিন্তু আপনার এই পোস্ট ব্লগে কতক্ষণ চলবে তা নিয়ে সন্দেহ আছে। ইসরাইলের বিপক্ষে লিখে ব্যান হতে হয় এখানে, আর সন্ত্রাসী এই রাষ্ট্রটির পক্ষে লিখলেও কিছু হয় না।

Click This Link
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:১৯

লেখক বলেছেন: কিচ্ছু করার নাই।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২১

লেখক বলেছেন: হেরা দেখি হামাসের দোষ খোঁজে। যার নিজেরই অস্তিত্বের বৈধতা নাই সে কিভাবে আরেকজনের কাজের বৈধতা নিয়া প্রশ্ন তোলে? ইজরায়েলের পক্ষে বলার মতো কিছু নাই। দখলদারি আর গায়ের জোর ছাড়া।

২. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:০২
স্বজন বলেছেন: কবুতর যদি কসাইয়ের তীর আর ছুরি ধরা হাতে ঠোকর মারে তয় দুনিয়া কবুতররে সন্ত্রাসী কয়। আজব!
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২১

লেখক বলেছেন: নিজের ঘরে হামলে পড়া ডাকাইতের লগে আলোচনা! এটা কি পড়শীর সাথে বিরোধ যে আলোচনা কইরা সমাধান সম্ভব!

৩. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:০৫
মদন বলেছেন: ইজরাইল নিপাত যাক...
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২২

লেখক বলেছেন: বেচারা হিটলার! খালি খালি নিন্দিত হইছিলেন নিজের বোকামীতে। এই বুদ্ধি যদি তার হইতো! নোবেল পুরস্কার টুরুস্কার পাওয়ার চান্স ছিলো নির্ঘাত।

৪. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:০৭
আমি ও আমরা বলেছেন: কবুতর যদি কসাইয়ের তীর আর ছুরি ধরা হাতে ঠোকর মারে তয় দুনিয়া কবুতররে সন্ত্রাসী কয়।

কথাটা বেশ লাগল।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

নিজের ঘরে হামলে পড়া ডাকাইতের লগে আলোচনা! এটা কি পড়শীর সাথে বিরোধ যে আলোচনা কইরা সমাধান সম্ভব!

৫. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:০৯
মদন বলেছেন:
ইসরাইল নিপাত যাক...
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৩

লেখক বলেছেন: পৃথিবীর সবকটি সাদা কবুতর ইহুদী মেয়েরা রেধে পাঠিয়েছে মার্কিন জাহাজে।

৬. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:১৭
হাশেম বলেছেন: গতকাল কোন এক চ্যানেলে দেখলাম- ইসরাইল এর আর্মি নাকি পৃথিবীর সব চেয়ে অত্যাধুনিক দেশগুলোর অন্যতম!!! তাদের সামনে ফিলিস্হিন কিছুই না...
সমস্যাটা হচ্ছে আরব দেশগুলোর মধ্যে কোন ঐক্য নাই। এক আহমেদিনেজাদ ছাড়া কারোর সাহস নাই তাদের বিরূদ্ধে কথা বলার...
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৪

লেখক বলেছেন: চ্যানেল গুলান কয়- 'সংঘর্ষ'। খাঁচাবন্দী কবুতর আর কসাইয়ে নাকি 'সংঘর্ষ' হয়!
অভিধান পাল্টাইতো হইবো মনে লয়।

৭. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:১৮
মইন বলেছেন: তাগোর আশ্রয় প্রশ্রয়ে ইহুদী রান্নাঘরে প্রতিদিন জবাই হইতেছে শান্তির কবুতরেরা। কবুতর যদি কসাইয়ের তীর আর ছুরি ধরা হাতে ঠোকর মারে তয় দুনিয়া কবুতররে সন্ত্রাসী কয়। আজব দুনিয়া!
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১

লেখক বলেছেন: হ। বড়ই আজব।

৮. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৪
উন্মোচক বলেছেন: অসাধারণ! অনেক ধন্যবাদ আরজু ভাই!
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৯. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৯
উন্মোচক বলেছেন: একজন ব্লগার ইসরাইলের পক্ষ নিয়ে বলছেন, ভারত যদি বাংলাদেশের নিরীহ নাগরিকদের ওপর রকেট হামলা চালাত, আপনি-আমি কি শান্তির আশায় বসে থাকতাম?

এই রূপকল্পে তিনি ভারতকে হামাস আর বাংলাদেশকে ইসরাইল হিসেবে কল্পনা করেছেন:)

কেমন হয়েছে রূপকল্পটি?
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৩

লেখক বলেছেন: রুপকল্প? তাইলে ঠিক আছে।

কল্পনায় সবই সম্ভব। এই যতো রুপকল্প ভিশন টিশন দেখেন এইগুলান আসলে কল্পনাই।

১০. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৬
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: দখলদার ইসরাইল এখন সভ্য রাষ্ট্রের ধারক আর যারা সেই অঞ্চলের বাসিন্দা তারাই সন্ত্রাসী। সত্যি আজব দুনিয়া !


Click This Link



http://en.wikipedia.org/wiki/Israel
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩১

লেখক বলেছেন: প্রথম লিংকে তো কোনো ডকুমেন্ট নাই।

১১. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৬
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

এই একটা ইস্যুতে আরব বিশ্বের নপুংসক নেতারা, এনকি আমাদের সবার শব্দগুলো বড়ো বেশী অক্ষম ডানা ভাঙ্গা কবুতর ।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩২

লেখক বলেছেন: এইখানে কিছু মুশকিল আছে। পরে কমুনে।

১২. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৬
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
অনেক লেখাই পড়ছি ইস্রায়েলের এই গণহত্যা নিয়ে, অক্ষম রাগে খালি ফোঁস ফোঁস করছি, আর কিছু পারি না। এই লেখাটির মত সরল স্পস্ট মনে হয় পড়ি নাই।

আমার শেষ পোস্টটি দিয়েছিলাম অশউইৎস এ নাজী হলোকাস্ট নিয়ে, সেখানে ব্লগার আহসান হাবীব শিমুল একটা কমেন্ট করেছিলেন, সেটাই ভাবি। এই গনহত্যা বিনির্মাণযোগ্য নয়, তাই এই ২০০৯ এ এসেও এই নির্বিকার হত্যা দেখে তথাকথিত সভ্যতা আর সভ্য মানুষের বোধহীন হয়ে থাকা আমরা দেখি।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনার পোস্ট পড়েছি। কিচ্ছু বলার নাই। তবে এইটুকুন বলি-
এই হিটলার একা না। হিটলার আসলে ইওরোপের প্রতিনিধিত্ব করে উগ্রভাবে। পুরো ইওরোপ আর হাল আমলের আমেরিকার চুড়ান্ত চরিত্র আসলে হিটলারই। যে সভ্যতা বিশ্বাস আর সমর্পনের চেয়ে 'জানা'র ওপর জোর দেয়। দখলের জন্য, গ্রাসের জন্য জানা।

১৩. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১২
শেরজা তপন বলেছেন: ইজরায়েলীদের হত্যাযজ্ঞ আর বাদবাকী দুনিয়ার আলোচনা-শান্তি বানিজ্য।
দারুন উক্তি। ধন্যবাদ আপনাকে এই পোস্টের জন্য।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৪. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৩
'লেনিন' বলেছেন: তয় জারজ ইজরায়েলের জায়গা দিতে গিয়া মাঝখান থেইকা আরেক ঘেটোর জন্ম হইলো আরব মুলুকে । ফিলিস্তিন। বেচারা হিটলার! খালি খালি নিন্দিত হইছিলেন নিজের বোকামীতে। এই বুদ্ধি যদি তার হইতো! নোবেল পুরস্কার টুরুস্কার পাওয়ার চান্স ছিলো নির্ঘাত।

ভালো লিখেছেন। ইহুদী হিতৈষী যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনে তাদের দেশে জায়গা ছেড়ে দিক কেনো মধ্যপ্রাচ্যে বিশৃঙ্খলা?
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৫

লেখক বলেছেন: তাইলে এক ঢিলে এক পাখিই মরলো। কিন্ত তারা তো দুই পাকি মারতে চায়।

১৫. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৩
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
পৃথিবীর সবকটি সাদা কবুতর ইহুদী মেয়েরা রেধে পাঠিয়েছে মার্কিন জাহাজে।

ভালো লেখছো আরজু।

কিন্তু ইস্যুটা নিয়ে আমরা অসহায়ের মতো শুধু ভাবছি আর দেখে চলছি তান্ডব.... :(
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪৬

লেখক বলেছেন: শামীম,
কেমন লিখছি জানিনা। তয় যা ভাবি তাই লিখছি। এইসবতো আর দৈনিকগুলান ছাপায় না।

১৬. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭
মাহবুব সুমন বলেছেন: ইজরালের প্রতি প্রচন্ড ক্ষোভ ও ঘৃনা প্রকাশ করছি।

দারুন লেখেছেন।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৭. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০২
বকুল০৮ বলেছেন: " কবুতর যদি কসাইয়ের তীর আর ছুরি ধরা হাতে ঠোকর মারে তয় দুনিয়া কবুতররে সন্ত্রাসী কয়। আজব!"-------

অসাধারন লিখেছেন ব্রাদার- প্রতিটি লাইনই আমার মনের কথা-
অনেক ধন্যবাদ---আমাদের শেষ সম্বল এখন ঘৃণায় এসে ঠেকেছে-
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫২

লেখক বলেছেন: আপনার মনের কথা লিখতে পেরেছি জেনে ভালো লাগলো।

তবে ঘৃনা ব্যাপারটাকে আমার খুব সুবিধের মনে হয়। ওইটা অসহায়ের অবলম্বন। কিন্তু আমরা, শান্তিকামী মানুষেরা তো অসহায় নই।

১৮. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০২
কিরিটি রায় বলেছেন: ক্ষমা করো হে নিষ্পাপ শিশু
শুধু বেরিয়ে থাকা মূখে
আমাদের প্রতি তোমার ভ্রুকুটি
লজ্জায় অবদমিত করে মস্তক...

চোখের অশ্রু অক্ষমতার পরিহাস
বুকের বেদনাও
কানে এয়ারফোনে প্রিয় গান..
শীতাতপ কক্ষে
তোমার জন্য সহানুভূতিও বুঝি পাপ।

১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৭

লেখক বলেছেন: পাপ পূণ্যের সংজ্ঞা ঠিক করে দেয় যারা, তাগোর আমরা তোয়াজ করে চলি। মুশকিল ওখানেই।

১৯. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৪
মাহিরাহি বলেছেন: যারা জারজ ইসরায়েলের পক্ষ নিয়েছে তারাও জারজ কিনা?
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৮

লেখক বলেছেন: হ। বাংলাদেশেও দেখি আজকাল ন্যাশনাল ব্রডকাস্টে বসে কারা কারা ইজরেলের পক্ষ নেয়।

২০. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৯
বকুল০৮ বলেছেন: আহঃ কিরিটি তোমার হাত দুটো যদি অক্ষম হৃদয়জ চোখের জলে ধুয়ে দিতে পারতাম- মনটা এত খারাপ লাগছে- ইজরাইল তথা দুনিয়াজোড়া ভণ্ডামির বিরূদ্ধে নিজেকে ভীষণ পাপীষ্ঠ কাপুরুষ মনে হচ্ছে-
তোমার মনে আছে বসনিয়ার সেব্রেনিৎসায় সার্বরা যখন ঘোষনা দিয়ে গনহত্যা চালালো- তখনও এমনি লাগছিল-
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০১

লেখক বলেছেন: আমরা কিন্ত অসহায় নই।

২১. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩০
ম্যাভেরিক বলেছেন: দুনিয়া আসলেই অদ্ভুত; তথাকথিত বাক-স্বাধীনতার ব্যপারটিই দেখুন। হিটলারের অন্যায়ের কারণে একজন নিষ্ঠাবান হিন্দু তার পবিত্র বিশ্বাসের স্বস্তিকা চিহ্নটি ইউরোপে পরিধান করতে পারবেন না।

মজার ব্যপার হল, পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ কল্যাণকামী, কিন্তু দু:খের বিষয়, অল্প কিছু খারাপ মানুষই দুনিয়া পরিচালিত করে।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০৪

লেখক বলেছেন: কিন্তু এই অধিকাংশ মানুষ ঘটনাসমূহের মধ্যে পারস্পরিক যোগসূত্র দেখতে নারাজ।
তাই যারা আজ ইজরেলের গনহ্যতায় দু:খ পায়, তারাই আবার বাংলাদেশে ইজরেলের এজেন্টদের ফ্যান হয়।

২২. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০০
না বলা কথা বলেছেন: চমৎকার একটা লিখা পড়লাম।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৪. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৯
কিরিটি রায় বলেছেন: বকুল০৮ বলেছেন: আহঃ কিরিটি তোমার হাত দুটো যদি অক্ষম হৃদয়জ চোখের জলে ধুয়ে দিতে পারতাম- মনটা এত খারাপ লাগছে- ইজরাইল তথা দুনিয়াজোড়া ভণ্ডামির বিরূদ্ধে নিজেকে ভীষণ পাপীষ্ঠ কাপুরুষ মনে হচ্ছে-
তোমার মনে আছে বসনিয়ার সেব্রেনিৎসায় সার্বরা যখন ঘোষনা দিয়ে গনহত্যা চালালো- তখনও এমনি লাগছিল-

ধন্যবাদ বকুল, ধন্যবাদ আরজু। তবুও এটুক মন্দের ভাল যে আমাদের অনুভব গুলো এখনো মরে যায়নি।
এসো সবাই একে এক সুস্থ পৃথিবী গড়ার প্রত্যয়ে পরিশীলিত করি। আপনাপন ধারায়।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫৫

লেখক বলেছেন: অনুভব গুলো যাতে সক্রিয় চিন্তায়, সক্রিয়তায়, কর্মে রুপান্তরিত হয়।

২৫. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১৫
অসম সাহস বলেছেন: ইসরাইলী আগ্রাসন প্রসূত গণহত্যা নিয়ে হামাস নেতা খালেদ মেশালের বক্তব্য একটি মানবিক আবেদনের জায়গা থেকে হয়তো সমর্থন করা যায়। যা লিবারেল হিসেবে দুনিয়ার তাবৎ মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দেয়। অন্তত কিছু একটা করে ফেলার তৃপ্তি আনে।
কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রটা সামনে রেখে বসলে ইসরাইলের অবস্থানটা দেখে আর ফিলিস্তিনের জন্য সমর্থন জোগাতে ভালো লাগে না। ইচ্ছেও করে না। মনে হয় একটি নির্বোধ জনগোষ্ঠী খামোখাই মৃত্যুর দরবারে বারে বারে ইচ্ছা করে উপস্থিত হচ্ছে। কারণ ওদের ঐ সামান্য ভূমি নিয়ে যুগ যুগ ধরে চলা যে যুদ্ধ বা বিরতিহীন মৃত্যুর মিছিল চলমান তাতে ফিলিস্তিনী প্রতিরোধ যোদ্ধাদের রণকৌশল আমাদের আহত করবেই।
আমি ফিলিস্তিনের মানবিক সঙ্কট নিয়ে উৎফুল্ল মানুষ নই। অত্যন্ত ক্ষুব্ধ। পষ্ট করে বলতে চাই কেন প্রয়োজনীয় একটি বিরতি নিয়ে ফিলিস্তিনিরা চুপ হয়ে যায় না। তার পর যুদ্ধের একটা পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে ইসরাইলের সর্বত্র হামলে পড়ে না। সামান্য কিছু মানুষের বিরুদ্ধে কেন ফিলিস্তিন যুদ্ধে জয়ী হয় না তার একট পর্যালোচনা দরকার।
আমরা দীর্ঘদিন ধরে দেখছি ওদের এই সমস্যা নিয়ে দুনিয়ার অংশ জুড়ে মিছিল-সমাবেশ-বিক্ষোভ হলেও ফিলিস্তিনের ভাষা-ধর্ম ও জাতীয়তার নিকটবর্তী আরবরা নির্লজ্জের মতো চুপচাপ। অথচ মানচিত্র বিশ্লেষণে বলা যায় আরব জনগণ যদি সম্মিলিতভাবে আন্তরিকতার সাথে একদিন একদলা থুথু নিক্ষেপ করতো তাতেও ভেসে যেতো বর্ণবাদী ইসরাইল রাষ্ট্র। কিন্তু তারা তা করে না।
আরবরে জনগণের এই নিরবতা শুধু ফিলিস্তিনের বেলায়ই প্রযোজ্য না। তাদের নিজ নিজ রাষ্ট্র ও সমাজের সহিংসতা, অন্যায় ও অবৈধ শাসনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তারা তাদের শাসকদের মেনে নিচেছ। যারা নিজ সমাজের শাসকদের চোখ রাঙ্গানীকে তুচ্ছ করে ঝলসে ওঠতে পারে না তারা অন্যদের সমস্যায় নিশ্চুপ থাকবে এটাই তো সত্য।
শাসক শ্রেণী তো শাসক শ্রেণীই। নিপীড়নই তাদের ধর্ম। তাদের যখন মুসলমান বা ইহুদি হিসেবে বিভক্ত করা হয়, তখন কার্যত তাদের বিরুদ্ধে লড়াইটা আর চালানো যায় না। আরবরা যদি তাদের নিপীড়কদের উচ্ছেদ করে তাহলেই তাদের পক্ষে সম্ভব ইসরাইলীদের সমস্যার সমাধান করায়। নিপীড়িত ফিলিস্তিনিদের যদি আমরা ঠুনকো একটা জাতীয়তাবাদী কাঠামোতে বেঁধে বিচার করি তাহলে আর তাদের মুক্তি সম্ভব হবে না। কারণ দীর্ঘদিন ধরে জিইয়ে থাকা এই সমস্যা ফিলিস্তিনিদের, কোন ভাবেই তা সৌদি আরবের, মিশরের, সিরিয়ার বা অন্য আরব রাষ্ট্রের না।
তাই আমরা খতিয়ে দেখলে বুঝতে পারবো ফিলিস্তিনের এই সমস্যা সমাধানে আরব শাসকদের ইসরাইল তোষণ ও আরব জনগণের নীরবতা একটি বিরাট বাধা। এ বাধা দূর করতে হবে।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫৬

লেখক বলেছেন: হ। শিপন ভাইয়ের জবাবে আমিও এইরকম কিছু কইতে চাইছি। পরে কমু। এই নিয়া আলোচনা হওনের দরকার আছে।

২৬. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৮
রাজর্ষী বলেছেন: আমার একটা প্রাসংগিক প্রশ্ন ছিলো: ইউরোপে যাওনের আগে ইহুদিরা কই থাকতো?
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: থাকতো নিশ্চয় কোনোখানে। তাতে বর্তমান গনহত্যার প্রাসংগিকতা কি?

২৭. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১৬
নাজিম উদদীন বলেছেন: কবিতার লাইন হিসেবে খারাপ হবে না,

"পৃথিবীর সবকটি সাদা কবুতর ইহুদী মেয়েরা রেধে পাঠিয়েছে মার্কিন জাহাজে।"
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২৬

লেখক বলেছেন: দু:খিত নাজিম ভাই!
ওটা আসলেই কবিতার লাইন। আল মাহমুদের একটা কবিতা থেকে নেয়া। কবিতার নামটা মনে পড়ছে না এখন, তবে লাইনটা ঠিক ঠিক মনে আছে।

পোস্টে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে দিচ্ছি এখনই।

২৮. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৫১
ফারহান দাউদ বলেছেন: ব্যাপক,ব্যাপক,লেখাটা নাজিমুদ্দির চুলকানি উঠায়া দিসে।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: বুঝলাম না।

২৯. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩৯
জাতেমাতাল বলেছেন: ইহুদিদের প্রতি ইউরোপের সাধারন মনোভাব কি ছিল-- আমাদের তা আবার মনে করিয়ে দিয়ে একটা ভাল কাজ করেছেন, আরজু। আপনার চমৎকার বিশ্লেষন ভাল লেগেছে।

আমি শুধু একটু মনে করিয়ে দিতে চাই-- মৌলিক ভাবে ইসলামের সাথে ইহুদি ধর্মের যে বৈরী্তা, সে তুলনায় ক্রিশ্চিয়ানিটির সাথে তার বৈরীতার সম্পর্ক অনেক গভীর। বুদ্ধিমান ইহুদিরা কৌশলগত কারনে ক্রিশ্চিয়ানিটির সাথে সে বৈরীতা সরিয়ে রাখে একপাশে।

অথচ কয়েকশ বছর আগে মহান শেক্সপীয়র তার মার্চেন্ট অব ভেনিসের সবচেয়ে অর্থগৃধ্ন চরিত্র শাইলককে চিত্রিত করেছিলেন একজন ইহুদি হিসাবে-- এটা তারা ভোলে কিভাবে?

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১২

লেখক বলেছেন: তারা তো মনে হয় ভোলে নাই এখনো।
--------------------------------

আর ধর্মীয় বৈরিতার কথা যদি তোলেন তো সেক্ষেত্রে তো ক্রিশ্চিয়ানিটি আর ইহুদী ধর্মই পরস্পররের প্রতি বেশি বৈরিতাপূর্ন , সন্দেহ নাই। তয় এইখানে মুশকিল হইলো ইহুদীবাদ। যেই বাদ ক্রিশ্চিয়ানিটির সাথে আপাত আপোষ করছে ইসলামরে খিচানোর জন্য।

৩০. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪১
মনজুরুল হক বলেছেন:

ধন্যবাদ,একটা গুরুতর বিষয়কে স্যাটায়ারধর্মী কথনে বলবার জন্য। বিষয়টা আসলেই স্যাটায়ার।করুণ স্যাটায়ার।সারা আরব বিশ্ব ইসরায়েলের সমান পাপী। সেই পাপ মোচন না করা পর্যন্ত,"প্রপিতামহ"স্যাম আঙ্কলদের পদলেহন বন্ধ না করা পর্যন্ত এই হত্যাজ্ঞ চলতেই থাকবে।

আপনার "চারা" শব্দটিতে বিভ্রান্ত হয়েছিলাম। শব্দটা হবে "চাড়া"। আর স্যাটায়ার প্রতিশব্দ হিসেবে "ঘেটো" নয়, হবে "ঘেটু"।

"রাজর্ষী বলেছেন: আমার একটা প্রাসংগিক প্রশ্ন ছিলো: ইউরোপে যাওনের আগে ইহুদিরা কই থাকতো? "................প্রশ্নটা অপ্রাসঙ্গিক নয়। ইউরোপে যাওয়ার আগে ইহুদীরা আরবেই থাকত। জিরুশালেম(সত্যেন সেন এর বর্ণনায়) ইহুদীদের আদি বাসস্থান। মুসলমানদের মতই।

আর ইউরোপ বা আমেরিকা ইহুদীদের তাড়ায় নাই। ৪৬ এর পর থেকে প্যালেস্টাইনী ইহুদীরা ধনী ইউরোপীয় ইহুদীদের কে ডেকে এনেছে ,পত্তন গড়ে দিয়েছে। আমেরিকান ওয়েল রিগ এর ব্যবসা, জলপাই ব্যবসা আর জাহাজ ব্যবসার ইহুদী মালিকানাই আমেরিকাকে বাধ্য করেছে ইহুদী তোষনে। এর আরো ব্যাখ্যা আছে.....।

বর্তমানে যে হত্যাযজ্ঞ গত অর্ধদশক ধরে চলছে এর পেছনে প্রধান নিয়ামক আরবীয় রাজতন্ত্র, আর গোষ্টিতন্ত্র।ইহুদীর দালাল এদিককার কেউ নয়,খোদ আরব বেনিয়ারাই তাদের দালাল।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২২

লেখক বলেছেন: চারা>চাড়া ঠিক কইলা দিলাম।

আমি কিন্তু কোথাও স্যাটায়ার করি নাই।

রাজর্ষীর প্রশ্ন যে অপ্রাসঙ্গিক এই ব্যাপারে আমি নি:সন্দেহ।

ইওরোপে ইহুদী তাড়ানো শুরু করছিলো প্রথম হিটলার, আর সেইটারে 'ভদ্র' রুপ দেয়া হইছে ব্যালফোরীয় ঘটনাবলীতে। মাইরা তাড়ানো আর আদর কইরা তাড়ানো। ফলাফল একই। ''প্যালেস্টাইনী ইহুদীরা ধনী ইউরোপীয় ইহুদীদের কে ডেকে এনেছে ,পত্তন গড়ে দিয়েছে। '' এইটা ছিলো 'বসতি স্থাপন' ওরফে উপনিবেশ স্থাপনের প্রক্রিয়ার শুরুর দিক।

''বর্তমানে যে হত্যাযজ্ঞ গত অর্ধদশক ধরে চলছে এর পেছনে প্রধান নিয়ামক আরবীয় রাজতন্ত্র, আর গোষ্টিতন্ত্র''। তার মানে মন্তব্যের শুরুতে যে 'আরব বিশ্ব'রে মোটা দাগে দায়ী করছেন, সেইটা আপনের উদ্দেশ্য ছিলো না। ছিলো আরব শাসকদের দায়ী করা। ঠিকাছে।
তয় এই শেষের দিকের লাইনে 'প্রধান' শব্দটার বিরুদ্ধে প্রবল আপত্তি জানাইলাম। প্রধান নিয়ামক যে ইজরেল আর আমেরিকা এর বিপরীতে আপনার কাছে কি যুক্তি আছে। 'আরবীয় রাজতন্ত্র' নি:সন্দেহে পুরো ঘটনারে সহযোগিতা করতাছে। সহযোগিতা করা আর নিয়ামক হয়া এক জিনিস না, এইটা আপনেও জানেন। বুঝছি , ক্ষোভের কথা কইলেন।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৫

লেখক বলেছেন: তবে আরব ভূমিকা নিয়া 'অসম সাহস' যে আলোচনা শুরু করছেন এইখানে। সেইটারে আগায়া নেয়া দরকার। আরবীয় রাজতন্ত্রসমুহের যে দায় এই হত্যাযজ্ঞে, এবং সেই রাজতন্ত্রের অধীনে বসবাসরত আরব জনগনের যে কর্তব্য সেই নিয়া পর্যালোচনা করার আশা রাখি। এইখানে। আমরা মাথায় রাখি যে, এই রাজতন্ত্র কারা সৃষ্টি করছে এবং টিকায়া রাখছে , সেইটাও। আপাতত ভয়াবহ ব্যস্ত আছি।

আপনাকে আসলেই ধন্যবাদ কাজের মন্তব্য করার জন্য। এ ধরনের মন্তব্যই কেবল আমার ব্লগিংরে আনন্দদায়ক করে।

৩১. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৫৯
বৈকুনঠ বলেছেন: কেউ কয় বিষয় বস্তুর কারন এই পোস্টদাতা ব্যান খাইতে পারেন। আমি উচা গলায় প্রস্তাব কড়তাছি পোস্টখানা স্টিকি করার জন্য।

আশ্চর্য রসবোধ আপনার জনাব আরজু ভাই। ব্যাংগ বিদ্রুপের মাধ্যমে আপনি খুব পরিস্কার ভাবে ফুটিয় তুলেছেন মানব ইতিহাসের নৃশংশতম অধ্যায়টির সত্যরূপ।

শোকেসবন্দী
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪

লেখক বলেছেন: ইজরেলের বিপক্ষে যায় এমন কিছু সামহোয়ারইনে এই পর্যন্ত স্টিকি হইছে কি?

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরন: আমি মোটেই ব্যাংগ করি নাই।

৩২. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: আর এই পোস্টের প্রথম মন্তব্যে দেয়া লিংকটা দেখেন। ইজরেলের বিপক্ষে পোস্টটা দেয়ার কারনে ওই ব্লগারকে ওয়াচে রাখা হচ্ছে।
৩৩. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৬
প্রগতিশীল বলেছেন: আমাদের স্টার আইনজীবী ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বন্ধু নাকি ছিল ইসরাইল।

এই আইনজীবীর ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কি?
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৫

লেখক বলেছেন: এইটা ত আগেই কইলাম-অধিকাংশ মানুষ ঘটনাসমূহের মধ্যে পারস্পরিক যোগসূত্র দেখতে নারাজ।
তাই যারা আজ ইজরেলের গনহ্যতায় দু:খ পায়, তারাই আবার বাংলাদেশে ইজরেলের এজেন্টদের ফ্যান হয়।
একুশে টিভি আর তানিয়াদের পাংখা হয়।
-----------
অফটপিক: আপনে কে ভাই? আপনে দেখি আমার সব পোস্টে আইজ কমেন্টাইতে আছেন।

৩৪. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:০২
নাজনীন১ বলেছেন: "ইউরোপে যাওয়ার আগে ইহুদীরা আরবেই থাকত। জিরুশালেম(সত্যেন সেন এর বর্ণনায়) ইহুদীদের আদি বাসস্থান। মুসলমানদের মতই।"

---- মূলত তারা মিশরের ছিল, মূসা(আঃ)-এর জাতি। ফেরাউন তাদের তাড়ানোর পর নীলনদ পেরিয়ে জেরুজালেম আসে। অতএব তাদের আদি বাসস্থান মিশরে হবার কথা, জেরুজালেম নয়।

হিটলার ইহুদীদের তাড়ালো, খ্রিস্টানরা ইহুদীদের তাড়ালো, অথচ এর জন্য ভুক্তভোগী হচ্ছে ফিলিস্তিনী মুসলমানেরা।

ইসরাঈল কেন আমেরিকা বা ইউরোপের দিকে চোখ রাঙানী দেয় না, সেটাও ভাববার বিষয়। অন্ততঃ হিটলারের দেশের প্রতি কি তাদের ন্যূনতম ক্ষোভও নেই?
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন: অপ্রাসঙ্গিক মনে হইলেও আপনেরে কই-

হামাসের পেছনে ফিলিস্তিনিরা তাদরে জন্মভূমিতে বাস করতে চায় স্বাধীনভাবে। একদম সেকুলার দাবি এইটা। বেহেশতের লাইগা জিহাদ ইত্যাদির কথা চিন্তা না করলেও চলে।

৩৫. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০৩
খালেদ সময় বলেছেন: পৃথিবীর সুপারপাওয়ার যদি ইসরাইল কে বলি তাহলে কি ভুল হবে?

কথাটা বললাম এজন্য যে, শুনেছি আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা থেকে শুরু করে প্রশাসনের প্রধান নির্বাহীর গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারগুলোতে ইহুদীদের বংশধররা বসে আছে। এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের যে বাজেট হয় তার বিরাট ডোনার এই ইসরাইল। এবং বিশ্বের বৃহৎ ব্যবসাগুলো ইসরাইলের ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রনে।

তাই এসব ভেবে বলতে হয় যারা সুপার পাওয়ারদের উপর এতো প্রভাব রাখতে জানে তারাই সুপার পাওয়ার।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনের কথা ঠিক আছে। তয় কথা কিন্তু আরো আছে।

৩৬. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৪৯
মুহাম্মাদ তারিক সাইফুল্লাহ বলেছেন: সবচাইতে মজার ব্যপারটাই হচ্ছে খৃস্টবাদ মতে যিশু কে হত্যা করেছিল ইহুদিরাই (তৎকালীন রোমক সম্রাটকে চাপে ফেলে)! অথচ খৃস্টানরাই আজ তাদের পা চাটা কুকুরে পরিণত হয়েছে!
১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:২৪

লেখক বলেছেন: আপনের শেষ লাইনের সাথে তীব্র দ্বিমত পোষণ করতেছি

৩৭. ০৪ ঠা জুন, ২০১০ দুপুর ১২:০৫
রঙ পেন্সিল বলেছেন: টাইটেলটা অনেক অর্থবহ!!

ধন্যবাদ আপনাকে এই শক্তিশালী লাইনটির সাথে পরিচয় ঘটিয়ে দেবার জন্য!
০৫ ই জুন, ২০১০ সকাল ১০:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

আরো পড়ুন :

মানবিক সাহায্য আর আর্ন্তজাতিক আইনের ওপর ইজরাইলি গণহত্যা

৩৮. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:১৭
খালেদ সময় বলেছেন: আমাদের অনুভুতিগুলো একসাথে হিট করলে ইসরাইলকে খুজে পাওয়া যেতো না। কিন্তু আমরা এতটাই বিভ্রান্ত যে এখন প্যালেষ্টাইনের জন্য আবেগ দেখিয়ে একটু পর ইসরাইলের দেশীয় এজেন্টদের ডাকে কোন কর্মসূচী বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালনে মরিয়া হয়ে উঠবো।
এরকম ভোতা অনুভূতির কারণেই আজ আমরা পথহারা, ফলে সীমান্তে ফেলানীর মৃত্যুর পরও আমাদের বিবেক আজ জেগে উঠেনা সত্য উচ্চারণে। আর সত্য বললে ওই এজেন্টদের দোসররাই কথার ফুলঝুড়িতে আমাকে বিপর্যস্ত করে। শুধু তাই না। এই আবেগধারী মানুষগুলুই তখন আমার দিকে তাকিয়ে হাসে।
হায়রে মানবতা। হায় আমাদের সত্য চেনার চোখ
৪০. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:০০
ঝটিকা বলেছেন: কবুতর যদি কসাইয়ের তীর আর ছুরি ধরা হাতে ঠোকর মারে তয় দুনিয়া কবুতররে সন্ত্রাসী কয়। আজব!

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৯০৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ভূমিহীন মজুর একজন
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ