আমার প্রিয় পোস্ট
- লালনের গানের অর্থ: আসল লালনকে ধরতে - ভূপর্যটক
- দাড়ি কামাবার জন্য শুভক্ষণ - মানস চৌধুরী
- Search Engine Optimization – এ হাতেখড়ি (পর্ব ১) - হাসান
- নেপালের মাওবাদী আন্দোলন এবং ভারতীয় আধিপত্য - জামীর রাসেল
- ধর্ম যার যার কিন্তু রাষ্ট্র হোক সবার - নুরুজ্জামান মানিক
- হৈমন্তী (মানুষের ছোট গল্প) - মানুষ
- যেকোন Webpage থেকে বিজ্ঞাপন অপসারন করুন, বিজ্ঞাপনহীন ওয়েবের জগতে আপনাকে স্বাগতম! (রিপোস্ট)
- নাফিস ইফতেখার
- *মুভি গাইড* ৫০টি মুভির রেটিং - সাইফ সামির
- ধর্মনিরপেক্ষতা বিষয়েঃ দ্য ডেন্স অব দ্য পেন, দ্য প্লে অব দ্য সাইন - ননাই
- বাংলাদেশের সমুদ্রসীমাঃ "দিন বদল" না হলেও দিন কিন্তু বয়ে যায় ...... - দিনমজুর
- বাংলা উইকিপিডিয়া-তে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় সব সফটঅয়্যার এক পাতায়। তবুও দয়া করে বাংলা উইকি তে কাজ করুন। - সাদাচোখ
- জিএম শস্যের ভালো মন্দ - দিনমজুর
- হাইব্রীড বীজ নিয়ে আশঙ্কা সত্যি হলো এবার 'সত্যিরা' ভয়াবহ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ! - মনজুরুল হক
- ধর্মনিপেক্ষতা বিষয়ে তালাল আসাদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন নার্মিন শেখ - ননাই
চৈত্র সংক্রান্তি বাঁচলেই কেবল শুভ হবে পহেলা বৈশাখ । এবং পান্তার মঞ্চওয়ালারা চৈত্র সংক্রান্তি বাঁচাবে না।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭
এককালে আমাদের (বৃহৎ বাংলার: আমাদের বলতে দুর্ভাগ্যক্রমে আলাদা হয়ে যাওয়া দুই বাংলাকেই বোঝানো হচ্ছে) কোনো কালচার আছিলো না। তাহাদের মতে আমাদের আছিলো শুধু এগ্রিকালচার। ব্রিটিশ উপনিবেশী সাহেবদের দেখাদেখি ওইপাড়ে এবং এইপারেও বাবুদের কালচার চালু হইলো। এবং আমাদের এগ্রিকালচার এর ৩৬০ ডিগ্রী বিপরীত মেরুতে। এগ্রেরিয়ান কালচারের, কৃষি সংস্কৃতির বিপরীতে সাহেবদের চাকর-নফরদের নন্দনবাগান। সে যাউকগা, এখন আইজকার কথাই কই।
-------------------------------------------------------
আইজ চৈত্র সংক্রান্তি। সুতরাং কাইল পহেলা বৈশাখ কিংবা অন্য যা কিছুই হোক তাতে কিছু আসে যায় না। বাংলার নিজস্ব সংস্কৃতি, কৃষি সংস্কৃতি'র মধ্যে কৃষির জীবনযাত্রার মধ্যে চৈত্র সংক্রান্তি হইলো জীবনমানের মানদন্ড। এইটা মাপজোখ কইরা আমাগোরে জানান দেয় যে; তোমাদের জীবনমান ঠিক আছে। আগামী মাসের প্রথম দিনে, বিশাখা নক্ষত্রের রেখায়, রাশিতে যখন সূর্য তার জায়গা নিবো, সেই পহেলা বৈশাখের বর্ষ তোমাদের জন্য শুভ হইবো যদি আমি চৈত্র সংক্রান্তি আমার স্বরুপে থাকতে পারি, শুভাবস্থায় থাকতে পারি।
সুতরাং সংক্রান্তি নিজে কোনো উদযাপন এর দিন নয়। সংক্রান্তি উদযাপন এর লক্ষ্য। কৃষি-প্রাণ-প্রকৃতি আমাদের ঠিক আছে কি না, সেইটা খেয়াল কইরা আগামী বর্ষে প্রবেশের উদযাপন। এই ঠিক আছে কি না, সেইটা আমাদের কিভাবে বুঝায় চৈত্র সংক্রান্তি?
মোটামুটি সংক্রান্তি'র আচার ইত্যাদি সারাদেশে এইরকম; চৈত্র সংক্রান্তিতে সারা রাত্রি পাড়ায় পাড়ায় কীর্তন হতো। নগর কীর্তন। বাংলার দেবতা, অনার্য দেবতা শিব-পার্বতীরও বটে। ঘরদোর লেপা পোছা থাকতো। গোয়ালঘরও। সকালে গোয়াল থেকে গরুগুলোকে বের করে গোসল করানো হতো। দুপুরে রান্নাবান্না। আমিষ ছিলো নিষিদ্ধ। অবশ্য কেউ করলে শুধু জিয়ল মাছ যেমন কই-শিং-মাগুরের ঝোল করতো। নিরামিষ শাক সবজি’র সাথে সাততিতে রান্না করা হতো। সবচেয়ে অনিবার্য হইলো ব্রত পালন। সারা চৈত্র মাস জুইড়া নারী'রা ব্রত পালন করতো।(দু:খজনকভাবে বাংলাপিডিয়া এইটারে হিন্দুর উৎসব লেখছে)। কৃষিজীবনের নারীর নিজস্ব সংস্কৃতাচার এই ব্রত। আমিষ নিষিদ্ধ ব্রতকালীন সময়ে। স্বামী সংসারের কৃষির ব্যবসার শুভ কামনা করে ব্রত পালন। আলানে পালানে কুড়িয়ে পাওয়া শাক খাওয়া হইতো এই সময়। এই চাষ না করা, কুড়িয়ে পাওয়া শাক যদি আলানে পালানে ক্ষেতে বাগানে পাওয়া যায় তবে বুঝতে হবে সারা বছরের কৃষি ঠিক ছিলো। সারা বছরের কৃষি মানুষসহ সব প্রাণ এর, চারপাশের প্রকৃতির আপন ছিলো। সুতরাং আগামী বর্ষে প্রবেশ শুভ, পহেলা বৈশাখ শুভ।
আমাদের আগামী পহেলা বৈশাখ কি শুভ? না। কারন এখন আর চৈত্র সংক্রান্তির ব্রত পালনে নারীরা উপায় উপকরণ খুজে পায়না। আমরা ক্রমাগত ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফুড প্রডাকশনের বিষের দিকে যাচ্ছি, প্রাণ ও প্রকৃতির কৃষি ছেড়ে। আমাদের মাটি নষ্ট করে কেএফসি'র দিকে ঝুকছি। আমরা আমাদের সবই ছিলো কৃষিভিত্তিক জীবনযাত্রার সাথে সম্পৃক্ত। নানা ঋতুতে নানা রকম শষ্য-শাক-সবজি-ফল-মাছ ইত্যাদি। এবং এই বিভিন্ন রকম কৃষি ফসলাদি ও বিভিন্ন ঋতুর আবহাওয়া বৈশিষ্ট্যের ওপর ভর করে পাল্টে যেতো উৎসবাদিও ধরন, আচার-অনুষ্ঠান। হঠাৎ-ই সব পাল্টে যেতে লাগলো, খুব দ্রুত। দেশে অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠলো হাইব্রীড বীজ আর সবশেষে জিএম বীজ-শস্য। ঋতুর কোনো বাছবিচার নাই। যখন যা ইচ্ছা সে বীজ দেয়া হচ্ছে জমিতে, সাথে প্রাণবিনাশী সার কীটনাশক। এমনকি আগন্তুক সব শস্য ফল ফসল জোর করে গছিয়ে দেয়া হচ্ছে । এমনকি প্রাণ ও। হাইব্রীড পশু পাখি। নষ্ট হচ্ছে আমাদের চিরচেনা প্রকৃতি প্রাণ পরিবেশ। অথচ এসব যারা করছেন আধুনিক কৃষির নামে। খাদ্য নিরাপত্তার নামে। তারা’ই আবার পহেলা বৈশাখ পালনের ধূম করছেন। হৈ হুল্লোড়ের কনসার্ট করছেন। চাষাভূষোর দেশে রবীন্দ্র সংগীত করছেন। কৃষির গান আর পুথির জায়গা নাই। কোথাকার ভুয়োমি'র পান্তা ইলিশ আমদানী করছেন। বাচ্চা ইলিশ, জাটকা ইলিশের প্রাণবিনাশী উৎসব। কৃষির জীবনে সংক্রান্তির নিয়মে থাকা গাছের নিরামিষ এর জায়গা নাই, বাবু কালচারের বৈশাখে।
যে বাংলা দীর্ঘ কৃষি জীবনের ইতিহাসের মধ্যে থেকে উঠে এসেছে সে এসবের সাথে জুড়তে পারেনা নিজেকে। কারন এসবই প্রকৃতির সাথে মানুষের সম্পর্ককে অস্বীকার করে। যে সম্পর্কের আচার আমরা দেখি চৈত্র সংক্রান্তির আচার অনুষ্ঠানে। সুতরাং আমরা চাই পহেলা বৈশাখ এর হৈ হুল্লোড় নয় বরং চৈত্র সংক্রান্তি ফিরে আসুক। সেই কৃষি ফিরে আসুক যে কৃষি মানুষ আর প্রকৃতিকে আলাদা করে না। যে কৃষি এই বাংলাদেশের চিরচেনা শস্য আর পশু পাখিকে সাথে নিয়ে। সে কৃষি যদি বাচে তবে তার সাথে কৃষি জীবনের উৎসব চৈত্র সংক্রান্তিও বাচবে।
---------------------------------------
এবং পান্তা আমদানী করনেওয়ালারা আমাদের কৃষি বাঁচাবে না, তারা বরং কেএফসির শিল্পকারখানাজাত মুরগী এবং অন্যান্য ভাজির নতুন বিষ ছড়াবে। তারা আমাদের নিজস্ব উদ্ভিদ বাঁচাবে না। এই মঞ্চওয়লাদের হাতে আমাদের প্রাণ ও প্রকৃতি নিরাপদ নয়। আমরা আমাদের নিজস্ব কৃষি চাই। কৃষির গান চাই। যাতে চৈত্র সংক্রান্তি আবার ব্রত হয়ে উঠতে পারে। আমাদের জানান দিতে পারে- শুভ পহেলা বৈশাখ।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:২৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: হ। আপনেরেও ধন্যবাদ।
গতকালকের মামলা'র কি খবর?
রোহান বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে
সাইফ শিশির বলেছেন:
চাষাভূষোর দেশে কালচার!
লেখক বলেছেন: এগ্রিকালচার। এইটাই আমাদের সংস্কৃতি। কৃষির সংস্কৃতি।
লেখক বলেছেন: জজ বাহাদুর তো কিছু কয় নাই!
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
সহমত
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে
লেখক বলেছেন: তা অবশ্য ঠিক। তয় উনারে আমি চিনি। লুক ভালা। বিস্তর পড়াশুনা আছে। কিন্তু জজ হইলে যা হয় আর কি!
আজহার ফরহাদ বলেছেন:
আমার এইহানে কাইল চরক পুজা হৈবো। বৈয়া আছি দেখুম বৈলা।
লেখক বলেছেন: চাইলে আমারে দাওয়াত দিতে পারেন। সমস্যা নাই।
আবদুল ওয়াহিদ বলেছেন:
মানুষ আর প্রকৃতির সম্পর্ক অলঙ্ঘনীয় এককে বাধা।
যার লঙ্ঘন মানে মানুষের নিজ প্রকৃতির বিরুদ্ধে যাওয়া।
অথ্যাৎ মানুষ আর প্রকৃতিকে আলাদা করা মানে নিজের প্রাণে ছুরি চালানো।
বাংলার দেবতা, অনার্য দেবতা শিব-পার্বতী"
আমি একজন মুসলমান হিসেবে নিজেকে এই দেব-দেবীর বুঝাপড়ায় কিভাবে নেব।
আমার কাছে এরা আর্য কি অনার্য তা মুখ্য নয়, যদি তা পৌত্তলিকতা হয়।
আশা করছি কিছু বলবেন।
লেখাটা ভালো হয়েছে।
লেখক বলেছেন: ''আমি একজন মুসলমান হিসেবে নিজেকে এই দেব-দেবীর বুঝাপড়ায় কিভাবে নেব''
আমি মুসলমান হিসেবে ভাবি নাই। এই জনপদের মানুষের কাছে তাদের যে জায়গা আছে তাওহীদ চিন্তার বাইরে সেখান থেইকা আমি বলছি। মানুষ ঠিক এক আল্লারে বিশ্বাস রাখে আবার শিব পার্বতীরে দুনিয়ার চরিত্র বইলা জানে, কিছু অস্পষ্ট জায়গায় তাদের সাথে আল্লার কিছু ক্ষমতা-কাজ ইত্যাদি ভাগাভাগিও করে।
তবে মুসলমান হিসেবে আপনার বোঝাপড়ার কথা আপনারেই জানান দিতে হইবো। অপেক্ষায় রইলাম।
লেখক বলেছেন: জানিনা।
হাসান বায়েজীদ বলেছেন:
অতি চমেৎকার হৈছে লেখা..+++
লেখক বলেছেন: আপনে ভালো আছেন? জজ বাহাদুরের খবর কি?
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
+++++
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
পহেলা বৈশাখ এর প্রচলন তো জমিদারের খাজনা আর ব্যবসায়ী-সুদখোর মহাজনদের হিসাব ক্লিয়ার করা উপলক্ষ্য করে শুরু হয়েছে। সেসময়ের দরিদ্র চাষারা এ জমিদারী উৎসবের শিকার। এক হিসেবে পহেলা বৈশাখ ট্রাডিশনটার উৎপত্তি সভ্যতার আস্তাকুড়ে, আমরা তা অন্য খাতে নিচ্ছি, তাতে প্রাণ দিচ্ছি। যতোক্ষণ তাতে কোনো ক্ষতি হচ্ছে না, সমস্যা কি? ব্যস্ত রঙচংহীন নগরজীবনে একটু রঙ লাগছে, দেশজ সংস্কৃতি একদিনের জন্য হলেও মানুষের মনে দোলা দিচ্ছে, এ তো নিতান্তই খারাপ না!
লেখক বলেছেন: ''জমিদারের খাজনা আর ব্যবসায়ী-সুদখোর মহাজনদের হিসাব ক্লিয়ার''
রাষ্ট্রের কর কিংবা শস্য ইত্যাদি'র খাজনা এইসবের সাথে আপনে গুলায়া ফেলছেন। আবার পড়েন বাংলা বর্ষের জন্ম ইতিহাস।
''দেশজ সংস্কৃতি''
এইটা কি জিনিস যা নগরজীবনে 'দোলা দেয়'? দেশজ সংস্কৃতির মানে আপনের কাছে কি?
লেখক বলেছেন: সেইটাই
পোস্টে প্লাস।
লেখক বলেছেন: আপনে হতাশ করলেন!
যা 'বাস্তবতা' যা 'টিকে থাকবে' বলে আপনি মনে করেন সেইটার বাইরে কিছু বল্লে নাকি কান্না হয়ে যায়?
নাকি কান্নার পোস্টে আবার প্লাস কেন!
'হারানো অতীত' ফিরায়ে আনতে চাওয়ার মতো বোকামী আকাংখা এখনো জন্ম দিতে শিখি নাই। দুনিয়ায় আবার নগররাষ্ট্র কিংবা খেলাফত কিংবা কিংবা রামরাজ্য কিংবা শায়েস্তা খার আমল অথবা বৌদ্ধ বিহারের যুগ এমনকি চৈতন্যের নদীয়া ও আর ফিরানো যাইতো না। কিন্তু এইগুলানের চেয়ে ভালো কিংবা খারাপ সময় দুনিয়ায় নামানো খুব সম্ভব।
অতীতের যে অনিবার্য ধারাবাহিকতা বর্তমানে সাধারন এবং সংবাদ মাধ্যমের আড়ালের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগনের মধ্যে বিরাজ করে সেইখান থেইকা নতুন শুভ সময়ের-সংস্কৃতির দিকে পা বাড়ানো যায়।
তাছাড়া আপনে মনে হয় বুঝছেন যে, এই লেখা 'উতসবের' নিছক 'সমালোচনা' করার জন্য লেখা হয় নাই। আমাদের নতুন প্রতিশ্রুতি আছে। প্রচেষ্টা আছে। তারই বয়ান।
ধীবর বলেছেন:
আমাদের দেশে যখন পালা পার্বনের আকাল, তখন ঘটা করে এই দিবস পালনের মধ্যে কোন সমস্যা দেখি না। তবে সহমত যে, আমরা বিশ্বায়নের ফাদে পড়ে আমার মুল শক্তি কৃষিকে করে ফেলছি কর্পোরেট পুজির হাতে বন্দি। তাছাড়া পুজার মাধ্যমে পহেলা বৈশাখ উদযাপনকে সীমাবদ্ধ করলে, এই দিবসটি সার্বজনিনতা হারাবে।
লেখক বলেছেন: *দিবস পালনে না রাজী হইতাছি না তো! কইতাছি যে- দিবস কি পহেলা বৈশাখ না কি চৈত্র সংক্রান্তি? আমি কই- প্রধানত এই চৈত্র জুড়ে কৃষিজড়িত সংক্রান্তি যার শেষ হয় শেষ চৈত্রে। স্বাভাবিক কৃষি জীবনের অংশ। যদি নগরের বিত্তবানরা (মধ্য কিংবা উচ্চ) এই সংক্রান্তিরে ছুটি ছাটার উৎসবের উপলক্ষ বানাইতে চায়, বানাক। এমনকি সংক্রান্তি যেইখানে আইসা নতুন বছরে প্রবেশ করে- বৈশাখের পহেলা তারিখে, (ইতিহাসে যেইটা হইলো সংক্রান্তির তুলনায় অপ্রধান) সেইটারে যদি 'যা দেখি তার সবই ভালো' পশ্চিমের অনুকরনে 'শুভ নববর্ষ'(হ্যাপী নিউ বাংলা ইয়ার!!) হিসবে 'ঘটা করে' পালন করতে চায়, করুক। এইটারে আমি করুনা করি, সন্দেহ নাই। কিন্তু বাধা দিইনা তো।
শুধু কই- প্রাণ আর পরিবেশে বাঁচতে হলে যে জীবনাচার-সংস্কৃতির মধ্যে দিয়ে যাইতে হয় সেইটা এইটা না।
*এবং যারা হ্যাপী নিউ বাংলা ইয়ার করে তারাই কৃষিরে কর্পোরেট করে। কৃষিরে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফুড পোডাকশন বানায়।
*নতুন কইরা পূজার কথা কইলেন ক্যান বুঝি নাই। যেমন চড়ক পূজাতো অনেককাল ধইরাই হয়।
ভূপর্যটক বলেছেন:
শত্রু-মিত্রের ভেদাভেদটা ভাল হয়েছে।তবে বেশি মজা লাগল মন্তব্যগুলো।
দিকভ্রান্ত মহাকাল। কালচারাল কনফিউশন।
আব্দুল ওয়াহিদ আর ধীবরের মন্তব্য প্রতিনিধিত্ত্বমূলক। দেখেন, এদুটো নিয়ে কথা আগাতে পারেন কী না!
লেখক বলেছেন: হ। অচেতনে খাবি খায় লোকজন। প্রচারের প্রসারের স্রোতের মধ্য থেইকা উইঠা আসা মুশকিল নি:সন্দেহে। আর সচেতনে লোকজন হুশিয়ার। টিকায়া রাখার, নতুন প্রচেষ্টারে ডিমোরালাইজ করায় হুশিয়ার।
প্রথমত ওইটা জনাব ওয়াহিদের নিজের কাজ, দ্বিতীয়ত ধীবরের পূজার অভিযোগ আরো পরিস্কার হওয়া দরকার।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
বাবু কালচারের রূপ ধরে এখন ঢুকে পড়ছে কর্পোরেট দুনিয়া। জায়গাটা সংস্কৃতির নয়, কেবলি মুনাফার এবং সম্পদ বাড়াবার লোভের। এই লোভের ফাঁদে পড়ে আমাদের সকল সংস্কৃতি উবে যাচ্ছে। চমৎকার ও ভিন্নধর্মী চিন্তার এই পোস্টের জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
শুভ নববর্ষ।
লেখক বলেছেন: 'ভিন্নধর্মী' বা 'প্রথাবিরোধী' বানাইতে চাইলে জানপ্রাণ দিয়া ঠেকামু শামীম ভাই!
আর সংস্কৃতি কিন্তু উবে যায়না। আপনার আমার কাছ থেইকা আড়াল কইরা রাখা হয় মাত্র।
রাসেল ( ........) বলেছেন:
" আমরা আমাদের সবই ছিলো কৃষিভিত্তিক জীবনযাত্রার সাথে সম্পৃক্ত। নানা ঋতুতে নানা রকম শষ্য-শাক-সবজি-ফল-মাছ ইত্যাদি। এবং এই বিভিন্ন রকম কৃষি ফসলাদি ও বিভিন্ন ঋতুর আবহাওয়া বৈশিষ্ট্যের ওপর ভর করে পাল্টে যেতো উৎসবাদিও ধরন, আচার-অনুষ্ঠান। "আব্দারটা বুঝলাম না, আমাদের কি পুরোনো কৃষিনির্ভর ব্যবস্থায় ফিরে যেতে হবে? ব্রত হিন্দুয়ানী উৎসব না মেনে নিয়েই বলছি, আমাদের হাইব্রীড বীজ ব্যবহার করা উচিত কি উচিত নয় এমন তর্কের সাথে আমাদের কৃষিনির্ভর একটা সমাজ গড়ে তুলতে হবে আব্দারটার সাথে একমত হতে পারলাম না।
হাইব্রীড নিয়ে আলাদা আলোচনা চলতে পারে, তবে বাংলাদেশের এত মানুষ, তাদের শিক্ষিত করা এবং তাদের সবার ন্যুনতম আয়ের ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য এই সীমিত ভূখন্ডে কৃষিনির্ভর অর্থনীতি অব্যহত রাখা সম্ভব না বর্তমানের বিবেচনায়। ঠিক এই কারণেই আমি আব্দারটা বুঝলাম না।
লেখক বলেছেন: আব্দার? ভালো শব্দ পসন্দ করছেন। তয় আমি পাঠকের কাছে আপনার কাছে আব্দার করি নাই। এমনকি আমার প্রশ্ন আব্দার এইখানে আসলো কিভাবে?
মাঝখান থেইকা লেখা আপনে উঠাইয়া আনছেন ভালো কথা তয় সেইটার সাথে আশপাশের সম্পর্ক আছে সেইটাওতো বোঝেন। শুধু হাইব্রীড তো না, প্রাণ বৈচিত্রের ব্যাপার, নিজস্ব প্রাণ আর প্রকৃতিরে বাঁচায়া রাখনের ব্যাপার। উঠাইয়া আনা অংশের নীচের লেখায় আবার খেয়াল দেন।
লেখক বলেছেন: আর 'কৃষিনির্ভর' অথনীতি আপনে নাও রাখতে পারেন (আমি কি কোথাও বলছি যে অর্থনীতি কৃষিনির্ভর রাখতেই হইবো?) কিন্তু আপনার অন্য কিছু নির্ভর অর্থনীতিতেও যে কৃষি থাকবো সেইটা যাতে প্রাণ ও প্রকৃতির বন্ধু হয়, সে কথাই আমি কইলাম।
মুশকিল হইলো এইরকম কোনো সুরের লেখা দেখলেই আমরা খালি মনে করি এই বুঝি পুরানা কাহীনি নিয়া নস্টালজিয়া করতে আইছে! তাছাড়া আধুনিকতা মোহও থাকে প্রতিক্রিয়ায়।
মহলদার বলেছেন:
"কোথাকার ভুয়োমি'র পান্তা ইলিশ আমদানী করছেন। বাচ্চা ইলিশ, জাটকা ইলিশের প্রাণবিনাশী উৎসব।"আমার মনে হয় এই পান্তা ইলিশ ও বদলে হয়ত আরো নুতন কিছু হবে(হয়তোবা পান্তা এবং হাইব্রীড অন্য কোন মাছ) কারন আমাদের দেশে ইলিশের/জাটকার যে প্রাণবিনাশী উৎসব চলছে তাতে ইলিশ আর বেশীদিন টিকে থাকতে পারবেনা।
লেখক বলেছেন: সেইটাই
অচন্দ্রচেতন বলেছেন:
ভাই কি কৃষিকাজে জীবিকা নির্বাহ করেন? হয়তো না। এইব্লগের কয়জন কৃষিকাজে জড়িত? হয়তো একজনও নয়। কারণ, আমরাও কৃষিভিত্তিক কালচার থেকে ক্রমশঃ সরে আসছি। ট্র্যাডিশন বদলে যেতে পারে। অস্বাভাবিক কিছু না। আপনার লেখা সুখপাঠ্য। প্লাস!!!
লেখক বলেছেন: তাইলে ঠিক আছে। যদি আপনে বদলে যাইতে চান তাইলে বদলে যান বদলে দ্যান!
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
একটানে পড়লাম, তুমুল মুগ্ধতায়। অসাধারণ বললে খুব কম বলছি মনে হবে
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে
বন্ধনহীন বলেছেন:
সংস্কৃতির প্রকৃতি নদীর মতো, এক জায়গায় থেমে থাকে না।
আজকের বাংলাভাষীদের ভবিষৎ সম্পর্কে কোন ধারণা নেই বলেই, আমরা অতীত নিয়ে হা-হুতাস করি। সময়ের জন্য আমরা নিজেদের তৈরী করতে এখনো পারিনি। আমদানী করা ভোগবাদী আদর্শে আমরা তৃপ্ত হতে পারছি না। এটা বর্জন করাও অসম্ভব। সে জন্যই সব কিছুতে ঢং করা বা আবেগ দেখানোটা আমাদের স্বভাব হয়ে গেছে। পান্তা-ইলিশ এরই এক প্রকাশ।
লেখক বলেছেন: বুঝি নাই।
লেখক বলেছেন: পাভেল করচাগিনরে জিগান (৪১ নং মন্তব্য দ্রষ্টব্য)। সে এই কথাই কইবো।
বিডি আইডল বলেছেন:
ফারহান দাউদ বলেছেন: লেখা ভাল লাগসে। সব জায়গায় একমত না,তবে এই কর্পোরেট কালচার থাইকা উৎসবরে বাইর করতে না পারলে কয়দিন পরে কাউরে যদি জিগাই পয়লা বৈশাখ কি তাইলে কইবো পান্তা-ইলিশ খাওয়ার স্পেশাল ডেএখনই তাই জানে..
লেখক বলেছেন: হ। উপরের মন্তব্যের জবাব দেখেন।
কুঙ্গ থাঙ বলেছেন:
ঔপনিবেশিক নয় নিজস্ব কৃষি চাই। কৃষির গান চাই ... শুভ হোক নববর্ষ।
লেখক বলেছেন: হুম। আধুনিক কৃষি'র নামে হাতুড়ে কৃষি চাইনা। নিজস্ব প্রাণ আর প্রকৃতি বান্ধব কৃষি চাই।
রাজামশাই বলেছেন:
আমি চাইয়া চাইয়া বিবর্তন দেখি................ভাল না মন্দ তার স্বাক্ষী দিবো ইতিহাস ।
লেখক বলেছেন: বিবর্তনবাদী!
তনুজা বলেছেন:
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: একটানে পড়লাম, তুমুল মুগ্ধতায়। অসাধারণ বললে খুব কম বলছি মনে হবে সরাসরি প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনে ঠিক কোত্থেইকা খারিজ হইলেন?
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে
দেশী পোলা বলেছেন:
বাঙালীর ট্রাক্টর ভেংগে দিয়ে খেমেররুজদের মত হালচাষ করা উচিৎ?তাহলে অন্যান্য ক্ষেত্রেও আধুনিকতাকে ছুড়ে ফেলে ব্রত পালন করলেই ভাল হয়। দেশের টাকা নাই, দাতা দেশ ভিক্ষা দেয় নাই, শাক-পাতা খাইয়া ব্রত পালন করেন সবাই।
লেখক বলেছেন: নিকের সাথে বোঝাপড়ার মিল নাই!
ট্রাক্টর নিয়া কি সমস্যা? 'আধুনিকতা' মানে কি পশ্চিমের বাতিল মাল আকড়াইয়া ধরা নাকি নিত্য অগ্রসর থাকা? ব্রত নিয়া লেখাটা আবার পড়েন। দেশি মানুষের তো ব্রত না জানার কথা না!
জাতেমাতাল বলেছেন:
আপনার লিখা মুগ্ধ হয়ে উপভোগ করলাম। একমত হতে পারলাম কিনা এখনই বলতে পারছি না। বিষয় গুলান ভাবতে হবে...আমাদের সবার জন্য আগামী বছর শুভ হোক।।
লেখক বলেছেন: আপনের ছবি তোলার কি খবর?
সোজা কথা বলেছেন:
ভাল লেখা । কবে যে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পুর্ণ হবে? তবুও আশায়।=
এদিকে শিক্ষাবৃত্তি?!
Click This Link
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে
লেখক বলেছেন: হ। তোমার কি খবর? পড়াশুনা নিয়া ব্যস্ত?
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা
প্রতিদিন বলেছেন:
এই লেখাটা দেখসিলাম স্টিকী ছিল, একদিন রাখবার পার্লো না?
লেখক বলেছেন: স্টিকি ছিলো নাকি?
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: হ।
মুহাম্মদ শাহাদত হাসান বলেছেন:
লেখা ভাল অইছে, আরজু। তোমার লেখক ভবিষ্যত নিয়া আমি আশাবাদী। তয় অন্যের বই থাইক্যা উদ্বৃতি দেওনের অভ্যাস কমাইতে অইব।
লেখক বলেছেন: লেখক হইতাম চাই না। আপনে আর এদিকে আইলেন না তো!
লেখক বলেছেন: অবশ্য হার হাইনেস/হার এক্সিলেন্সিদের সঙ্গ বইলা কথা!
জাতেমাতাল বলেছেন:
শুরুতেই একটা কথা বলে নেই, চৈত্র সংক্রান্তিকে বাঁচিয়ে রাখতে আমার তেমন কোন আপত্তি নাই। কিন্ত প্রশ্ন হলো, এ প্রসঙ্গে উঠে আসা আলোচ্য বিষয় গুলো এখানে কি পরিমান প্রাসঙ্গিক?পাশ্চাত্যেও ক্রিশমাস নিয়ে নানা ধরনের মিথ চালু আছে। যেমন ২৫শে ডিসেম্বরের সাথে ক্রাইস্টের কোন সম্পর্ক নাই। ধর্মেরও কোন যোগ নাই। আড়তদাররা তাদের সারা বছরের স্টক ক্লিয়ার করার জন্য বছরের দুইটা দিন বেছে নিয়েছে, তারপর তার সাথে জিশাস ক্রাইস্টকে ব্লেন্ড করেছে। তাদের কাছে বানিজ্যই মুখ্য, ধর্ম নয়। ফি বছর ক্রিশমাস আসার আগে কেউ না কেউ এই আলোচনা তুলেই, ক্রিশমাস উদযাপনে লোকের ভীড় তাতে অবশ্য তেমন কমে না। ২৫শে ডিসেম্বরের সাথে ক্রাইস্টের কোন সম্পর্ক আছে কি নাই, তা নিয়ে মাথা ঘামাতেও তারা তেমন উৎসাহ পান না।
যেমন আমরাও মাথা ঘামিয়ে কুলকিনারা পাই না, আপনি যখন ঢালাও ভাবে বর্তমান কৃষিকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফুড প্রডাকশন হিসাবে চিহ্নিত করেন। আমাদের যান্ত্রিক সেচ, যান্ত্রিক লাঙ্গল, যন্ত্রের সাহায্যে ফসল সংগ্রহ—সবই তো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফুড প্রডাকশনের আওতাধীন। আমাদের ইরি এবং উফশী জাতীয় ধানবীজ সমুহ, সবই তো এক অর্থে হাইব্রীড!! আপনার সমালোচনা কি সে সব নিয়েও?
কে এফ সি এবং ব্রয়লার মুরগীর বিষ নিয়ে আপনি যে উৎকন্ঠা দেখিয়েছেন তাতে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে উঠবে কোন সন্দেহ নাই। আমাদের দেশে প্রোটিনের ঘাটতি মেটানোর এক বড় উৎস এখনও এই ব্রয়লার। এর বিকল্প হিসাবে বিষবিহীন মুরগী কিভাবে সংগ্রহ করা যাবে তা জানতেও অনেকেই আগ্রহী হবে বলে আমার ধারনা।
ভাল হতো এই আতঙ্ক ছড়ানোর সাথে সাথে সেই বিষবিহীন মুরগীর খোঁজ দেবার দ্বায়ীত্বটাও যদি নিতেন…
লেখক বলেছেন: *চৈত্র সংক্রান্তির আলোচনায় এইগুলান না থাকলে পরে তো সংক্রান্তিই অপ্রাসঙ্গিক হইয়া যাইবো।
*নাহ। বর্তমান কৃষিরে ঠিক ইন্ড্রাস্টিয়াল ফুড প্রোডাকশন বলা যায়না পুরোপুরি। তবে সেদিকেই নেয়া হইতাছে ধীরে।
*সমালোচনা নয় আমি বিরোধীতা করি এমন কৃষির যা কৃষকের হাতে বীজ রাখে না, যা কৃষকের জ্ঞানকে অস্বীকার করে, যা প্রাণ বৈচিত্রকে ধ্বংস করে, যা স্থানীয়তাকে প্রত্যাখান করে।
*বিকল্প নিশ্চয়ই পেতে পারি আমরা আগ্রহী হলে। এই লেখায় কেবল কইলাম যে 'হ্যাপী নিউ বাংলা ইয়ারের' সাথে আমাদের সংস্কৃতির কোন যোগ নাই যা আছে সংক্রান্তির সাথে সংক্রান্তি শেষের পহেলা বৈশাখের সাথে। তবে নগরবাসীরা হৈ হুল্লোড় করতে চাইলে তাদের মানা করছে কে!
আর বিকল্প সন্ধানের কিংবা প্রদর্শনের কাজ টা মনে হয় আপনারাই ভালো পারেবন দাদা। একটু লেখেন না!
পাভেল করচাগিন বলেছেন:
ঠিক বুঝলাম না আমাদের কি করতে হবে?বৈশাখের এক তারিখে রমনায় যে হাজার হাজার মানুষ যায়, তারা যাবে না? অন্য অনেক গানের সাথে রবীন্দ্রনাথের গান থাকলে নিয়মের বরখেলাফ হয়া যাবে? কেঊ যদি মজা কইরা পান্তা আর ইলিশ খায় তার দোষ হয়া যাবে ? বছরের একটা দিন বাংগালি যদি পরিবার পরিজন নিয়া নির্মল আমোদ ফূর্তি করে তাও কি গাইড বুক মাইনা করতে হবে?
এই সব গাইডের ঝকমারি অনেক দেখছি। সমাজ চলে তার ডিনামিক্স নিয়া। অযাচিত আতলামিরে সমাজ তার গতিধারায় কোন পাত্তাই দেয়না।
লেখক বলেছেন: আপনারে আমোদ ফূর্তি করতে না কয় নাই কেউ। যা ইচ্ছা তাই (যাচ্ছেতাই) করেন। খালি এগুলানরে এই দেশের ঐতিহ্য কইয়া চালাইতে যাইয়েন না। এইটুকু সততা অন্তত দেখানো অনুরোধ করি।
আর অবশ্যই আপনার যা না পসন্দ তা নিসন্দেহে আতলামী। একমত।
মুহাম্মদ শাহাদত হাসান বলেছেন:
হাইনেস, এক্সিলেন্স কিছু না। তুমি ফোন করনাই বইলা আসি নাই।
যাই হোক। নতুন কোন লেখা নাই কেন?
লেখক বলেছেন: এখন না লিখে পারতাছি তো, তাই!
যখন না লিখে পারবো না তখন লিখবো।
-----
আমি এখন ফোন করিনা। মুঠোফোন অফ কইরা রাখি। লোডশেডিং হইলে অন করি।
ঘোর-কলিযুগ বলেছেন:
@জাতেমাতালের আক্কেল দেইখা বাচি না, প্রোটিনের উৎস নাকি পোল্টি মুরগ, হায়! ক্ষতিকর হরমোন দিয়া কি পুষ্টি যে সাধন করতাছে মার্কিন মুল্লুকের লোকরা এখন কিছুটা টের পাইতাছে।প্রথম কথা হইল নানান ধরণের প্রোটিনের সোর্স আমাদের খাদ্য ব্যবস্থার মধ্যে আছে, মাছ মাংস শব্জি ইত্যাদি নানান কিছু। প্রোটিনের দোহাই দিতাছেন কি পুষ্টি বিজ্ঞান বুঝানোর জন্য নাকি খামাখাই পোল্টি ফার্মের বেনিয়া লজিক ফেরি করবার লাইগা। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ডাল থেকাই তাদের বেশিভাগ প্রোটিন পাইয়া থাকে। পোল্টি মোরগ খাওয়ানোর জবরদস্তির লগে প্রোটিন পুরণের হিতাকাঙ্ক্ষারে অনিবার্য কইরা তুলনের দরকার নাই।
লেখক বলেছেন: বছর পার হয়া যাইতাছে, কিন্তু জাতেমাতাল কিছু কইতাছে না . . .
বাইত যামু বলেছেন:
গ্রামণীফোন লালন উৎসব এমপি যায় ফিতা কাটতে। বাংলালিংক বাউল উৎসব সব বুদ্ধিজীবি প্রথম সারির সিট দখলের জন্য কাড়াকাড়ি। আবার দেখলাম বাবু সংস্কৃতির প্রথম সারি দখলে রাখা উদীচি বুদ্ধিজীবিরা বাংলালিংকের বিজ্ঞাপনে উৎসব করে রমনাতে। ভাষণে ভাষনে কম্পিত করে তোলে রমনা দেশীয় সংস্কৃতি রক্ষার প্রথম সারি নেতা তারা। পিটাইতে মনে চায়। সব কটা দালাল + করপোরেট বেজন্মারে
লেখক বলেছেন: না। মাইরপিট কইরেন না এইসব নিয়া
সরি... ভাই ... অপ্রাসংগিক একটা প্রশ্ন করি.. ঢা বি গ্রুপের এডমিন কে? ১ মাসের বেশি হল আপ্লাই করছি কিন্তু আমাকে সদস্য করা হচ্ছে না.. আবার এখানেও কি ভর্তি পরীক্ষা দিতে হবে নাকি?....
লেখক বলেছেন: জানিনা ঠিক। আমি বোধ হয় ছিলাম গ্রুপে একসময়
লেখক বলেছেন: হ। নতুন ব্লগ দেখলে ঢু মারি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অগ্নিলা ।
বলাকা মন বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বলাকা
স্বপ্নিক বলেছেন:
আমরা আসলে একটি দুর্ভাগা জাতি। এই জনপদ কখনো জমিদার-প্রথা আর সুদখোরের ষড়যন্ত্রে, কখনো পশ্চিমা কলোনীর যাতাকলে, আবার কখনো ধর্ম আর সংস্কৃতির মধ্যে সৃষ্ট দ্বিধা-দ্বন্দ্বে আবার কখনো নষ্ট মানসিকতার নষ্ট রাজনীতির চাপে নিজেদের সংস্কৃতি নিয়ে ভাববার অবকাশ পায়নি। অত:পর নিজেদের সুবৃত্তিগুলো ধরে রাখার চিন্তা করতে পারেনি কখনো এই জাতি। আমার ধারণা, এইসব দুর্ভাগ্যময় সময়ের পর আমাদের এখনো একটি জাতি হিসেবে গড়ে ওঠা হয়নি। আমরা এখনো উদভ্রান্ত হয়ে নিজেদের খুঁজছি। তাই আমাদের কেউ সখের পান্তা ভাতে মজি, কেউ 'র' কে 'ড়' বলার মধ্যে নিজের অহংকার বুঝি, কেউ পুরোনোকে ধরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করি, কেউ আবার নতুনকে প্রতিষ্ঠা করি, আবার কেউ ত্যাক্ত-বিরক্ত হয়ে বলি 'এই জাতির কিছুই হবে না'। আসলে পুরোনো বাংগালী জাতি আমরা বোধহয় আর নেই, আমরা নতুন ভাবে গড়ে উঠছি এক বিবর্তনের মধ্য দিয়ে। ভাগ্য ভালো হলে হয়তো, একদিনের পান্তাভাত, 'র' কে 'ড়' উচ্চারণ, নতুন আর পুরানো সবকিছু থেকে যে সুবৃত্তিগুলোর উত্তোরণ ঘটবে, সেগুলোই আমাদের জাতির সম্পদ হবে। আমরা আমাদের জাতির সুময় সম্পদ নিয়ে অহংকার করতে পারবো।
লেখক বলেছেন: র আর ড় এর কাহীনি বুঝি নাই
স্বপ্নিক বলেছেন:
হাহাহা, এটা এক ধরণের অপভ্রংশ, বাংলাকে পশ্চিমা ধাচে বলতে গিয়ে এটার উৎপত্তি, আগে কতিপয় লোকেরা এটা ব্যবহার করতো। এখন ড়েডিও জকিদের কল্যাণে এই ধারা জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
লেখক বলেছেন: হুম।
তবে আগের মন্তব্য বিষয়ে একটু বলি- পুরনোকে বা অতীতকে কখনোই ফিরিয়ে আনা যায় না। কেবল তাকে নিত্যনতুন রাখা চলে। মানুষের ইতিহাসে অতীতের চেয়ে ভালো বা খারাপ বিষয় আসতে পারে, কিন্তু অতীত ফেরে না।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















শুভ হোক আজকের চৈত্র সংক্রান্তি......
শুভ নববর্ষ ১৪১৬।