মার্কিন কর্তৃপক্ষ সর্বাত্মক চেষ্টা করছে ইন্টারনেটের জগত্ থেকে উইকিলিকসকে উধাও করে দিতে। কিন্তু বিশ্বমোড়লদের গোমর ফাঁস করে দেয়া উইকিলিকস কর্তৃপক্ষ এবং এর প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জও কম যান না। একটা ওয়েবসাইট বন্ধ হলে তিনটা ওয়েবসাইট খুলে বসছেন তিনি। এ নিয়ে সাইবার ওয়ার্ল্ডে যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। সামাজিক যোগাযোগের নেটওয়ার্ক টুইটারের বার্তায় উইকিলিকস কর্তৃপক্ষ লিখেছে, ‘প্রথমবারের মতো বড় ধরনের তথ্যযুদ্ধ (ইনফো ওয়্যার) শুরু হয়ে গেছে। যুদ্ধক্ষেত্র উইকিলিকস, আর আপনারা সৈন্যসামন্ত।’ উইকিলিকস ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সাইবার যুদ্ধ নিয়ে বিস্তারিত প্রদিবেদন লিখেছেন
আতাউর রহমান কাবুল
[email protected]
ঘটনার সূত্রপাত যেভাবে...
উইকিলিকস তাদের ওয়েবসাইটে গত রোববার আড়াই লাখেরও বেশি মার্কিন গোপন নথি প্রকাশ করে। এসব নথিতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মার্কিন কূটনৈতিক স্পর্শকাতর অনেক তথ্য বেরিয়ে আসে। এসব তথ্যের অনেকাংশেই সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ইয়েমেন ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় প্রকাশ পায়। নথিতে পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের শঙ্কা, রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ভদ্মাদিমির পুতিন, জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মরকেল, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন, লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ ও আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের মতো বিশ্ব নেতাদের বিষয়ে মার্কিন মনোভাব প্রকাশিত হয়। এমনকি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন, জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুনসহ জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদের ওপর নজরদারির নির্দেশ দেয়ার মতো তথ্যও বেরিয়ে পড়ে এসব নথিতে।
গত মাসে ইরাক যুদ্ধের প্রায় চার লাখ গোপন নথি প্রকাশ করে ওয়েবসাইটটি। এছাড়া গত জুলাই মাসে প্রকাশ করে আফগানিস্তানের যুদ্ধ বিষয়ে মার্কিন বাহিনীর ৯২ হাজার গোপন নথি। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রশাসন কিছু স্পর্শকাতর কূটনৈতিক তথ্য দেখার পেন্টাগনের অনুমতি সাময়িক স্থগিত করেছে। এছাড়া উইকিলিকসের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়ার কথাও বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র।
‘চুক্তির তোয়াক্কা না করে যুক্তরাষ্ট্রকে গুচ্ছবোমা সংরক্ষণ করার অনুমতি দিয়েছে ব্রিটেন’—সম্প্রতি উইকিলিকসে ফাঁস করা এক মার্কিন গোপন দলিল থেকে এ তথ্য জানা গেছে। গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, আন্তর্জাতিক আইনে বিশ্বব্যাপী গুচ্ছবোমা ব্যবহার ও সংরক্ষণ নিষিদ্ধ। তারপরও এ বোমা সংরক্ষণ করতে যুক্তরাষ্ট্রকে অনুমোদন দেয় ব্রিটেন। ২০০৯ সালের মে’তে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের এক পদস্থ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে খবরে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়। গুচ্ছবোমা আকাশযান থেকে অথবা ভূমি থেকে নিক্ষেপ করা যায়। বড় একটি বোমার খোলসে অনেক ছোট বোমা থাকে। এগুলো মাটিতে থাকলেও বহুদিন কার্যকর থাকে। প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে কনভেনশন অন ক্লাস্টার মিউনিশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৯০টি দেশ গুচ্ছবোমা ব্যবহার ও সংরক্ষণের বিরুদ্ধে চুক্তি সই করে। এ দেশগুলোর মধ্যে ব্রিটেন একটি। তবে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন ও পাকিস্তান ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি। তখন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন বলেছিলেন, এ বোমা ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে তার দেশের ভূমিকা অগ্রগণ্য। তদানীন্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন ওই চুক্তিকে বড় ধরনের সাফল্য বলে স্বাগত জানিয়েছিলেন। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ভারত ও পাকিস্তানসহ সামরিক শক্তির দেশগুলো এতে স্বাক্ষর করেনি। আর এ নিয়ে ব্রিটেনকে তার গুরুত্বপূর্ণ মিত্রের প্রশ্নে এক বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়।
ব্রিটেন ভারত মহাসাগরের দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপ আমেরিকাকে লিজ দেয়। সেখানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের এক বড় ঘাঁটি। আর সেই ঘাঁটিতেই আমেরিকা সংরক্ষণ করেছে গুচ্ছবোমা। ২০১৩ সালে তা সরিয়ে নেবে, এমন ধারণা দেয়া হয়েছে ব্রিটেনের জনমনে।
চলতি বছর এপ্রিলে তত্কালীন প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা মন্ত্রী বোল্টনের ব্যারোনেস টেইলর পার্লামেন্টকে আশ্বস্ত করেন, যুক্তরাষ্ট্র ২০১৩ সালে গুচ্ছবোমা ব্রিটিশ ভূখণ্ড থেকে সরিয়ে নেবে। কারণ এ ইস্যুতে আন্তর্জাতিকভাবে ব্রিটেনকে বেকায়দায় পড়তে হয়। তবে উইকিলিকসের গোপন নথিতে জানা যায়, পররাষ্ট্র দফতর থেকে গুচ্ছবোমা ব্রিটিশ ভূখণ্ডেই রাখার সুপারিশ করা হয়। গোপন নথিতে আরও জানা যায়, ব্রিটেন সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে কীভাবে গুচ্ছবোমা সংরক্ষণের প্রস্তাব দেয় আমেরিকাকে।
উইকিলিকসের তথ্যমতে রাশিয়া হচ্ছে ‘মাফিয়া রাষ্ট্র’
রাশিয়া, বেলারুশ ও চেচনিয়াকে ‘মাফিয়া রাষ্ট্র’ বলে অভিহিত করেছেন একজন জ্যেষ্ঠ স্প্যানিশ কৌঁসুলি। স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের কাছে ওই কৌঁসুলি এ মন্তব্য করেন। উইকিলিকসের সদ্য প্রকাশিত মার্কিন গোপন কূটনৈতিক দলিলে এ তথ্য পাওয়া গেছে। উইকিলিকসে প্রকাশিত ওই তথ্যে রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ভদ্মাদিমির পুতিনও এই মাফিয়া চক্রের সঙ্গে জড়িত বলে উল্লেখ করা হয়।
অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে ‘রেড নোটিশ’
সাড়াজাগানো ওয়েবসাইট উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে ‘রেড নোটিশ’ জারি করেছে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ‘ইন্টারপোল’। একই সঙ্গে তার নাম ইন্টারপোলের ‘মোস্ট ওয়ানটেড’ তালিকায়ও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। মার্কিন কূটনৈতিক গোপন নথি ফাঁস করে বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে থাকা অ্যাসাঞ্জ এখন কোথায় আছেন, তা নিশ্চিতভাবে বলতে পারেনি কেউ। তবে এক স্থানে তিনি একবারের বেশি অবস্থান করছেন না বলে জানা গেছে। রেড নোটিশে অ্যাসাঞ্জের অবস্থান সম্পর্কে কেউ কিছু জানলে তা পুলিশকে জানাতে বলা হয়েছে।
অবশ্য ইন্টারপোল জানায়, ৩৯ বছর বয়সী অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। এই পরোয়ানা জারির মাধ্যমে ইন্টারপোলের সদস্যভুক্ত সব দেশকে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। যে কোনো দেশে অ্যাসাঞ্জকে দেখা গেলে তাকে গ্রেফতার করা হবে। এর আগে অ্যাসাঞ্জ তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গোপন নথি প্রকাশ করায় তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন।
উইকিলিকস কর্মীদের পূর্বসতর্কতামূলক ব্যবস্থা
উইকিলিকস প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ ও তার সহকর্মীরা যে কোনো হুমকি থেকে নিজেদের বাঁচাতে যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছেন। গত শুক্রবার অজ্ঞাত স্থান থেকে অনলাইনে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে উইকিলিকস-প্রধান জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ একথা বলেন। তার দেয়া সাক্ষাত্কারটি ব্রিটেনের দৈনিক গার্ডিয়ানের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। অ্যাসাঞ্জ অনলাইনে দেয়া সাক্ষাত্কারে বলেছেন, তার জীবনের বিরুদ্ধে যদি কেউ হুমকি দেয়, তবে তা হত্যার প্ররোচনা হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের জীবনের হুমকির বিষয়টি সবারই জানা। পরাশক্তির সঙ্গে পেরে উঠতে এ বিষয়ে আমরা যথাযথ পূর্বসতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছি।’ গত বৃহস্পতিবার ডেইলি ইনডিপেন্ডেন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যাসাঞ্জ সম্ভবত দক্ষিণ ইংল্যান্ডের কোনো এক জায়গায় অবস্থান করছেন।
উইকিলিকসের নতুন ওয়েবসাইট চালু
গোপন তথ্য ফাঁসের জন্য বহুল আলোচিত উইকিলিকসের ওয়েবসাইট রিশরষবধশং.ড়ত্ম বন্ধ করে দিয়েছে ডোমেইন নেইম প্রোভাইডার ইভরিডিএনএস.নেট। তবে ছয় ঘণ্টা পর নতুন ঠিকানায় (রিশরষবধশং.পয) সাইটটি আবারও চালু করেছে বলে জানিয়েছে উইকিলিকস কর্তৃপক্ষ। প্রোভাইডার কোম্পানিটি জানায়, বিপুলভাবে সাইবার হামলার শিকার হওয়ায় গত শুক্রবার ওই ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়া হয়। তারা জানায়, সাইবার হামলার কারণে তাদের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
উইকিলিকসের অর্থ স্থানান্তর বন্ধ করে দিয়েছে পেপ্যাল
এত সবের পরও যুদ্ধে অতিসত্বর হার স্বীকার করার পাত্র নয় যুক্তরাষ্ট্র। উইকিলিকসের ওয়েবসাইট বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়ে তারা এখন চাপ বাড়াচ্ছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর। উইকিলিকস ও অ্যাসাঞ্জকে কোনো রকম সহযোগিতা না করতে হুমকি-ধমকিও দিচ্ছে তারা। এতে সাড়া দিয়েছে অনলাইনে অর্থ আদান-প্রদানের প্রতিষ্ঠান পেপ্যাল। উইকিলিকসের অর্থ স্থানান্তর বন্ধ করে দিয়েছে তারা। গত শুক্রবার এক বিবৃতিতে পেপ্যাল জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানের নিয়মনীতি ভঙ্গ করায় উইকিলিকসের পেপ্যাল হিসাব স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এতে বিভিন্ন পক্ষ থেকে পাওয়া হাজার হাজার ডলার হস্তগত করতে বেগ পেতে হতে পারে উইকিলিকস কর্তৃপক্ষকে। এদিকে ফরাসি সরকারও এখন উইকিলিকসের ওয়েবসাইট নিষিদ্ধ করার পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। ফরাসি বাণিজ্যমন্ত্রী এরিক বেসন উইকিলিকসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দেশের ব্যবসায়ী এবং তথ্য-প্রযুক্তি খাতের নেতাদের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি নিশ্চিত করেছেন, ফ্রান্সে উইকিলিকসের সার্ভার শিগগির বন্ধ করে দেয়া হবে। আবার এদিকে সুইডেনে ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত অ্যাসাঞ্জের পাসপোর্ট বাতিল করার চিন্তাভাবনা করছে অস্ট্রেলিয়া।
অ্যাসাঞ্জকে হত্যার হুমকি
যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের নানামুখী পদক্ষেপ সত্ত্বেও অ্যাসাঞ্জ যে বহাল তবিয়তেই আছেন, বোধহয় তার প্রমাণ দিতেই গত শুক্রবার অজ্ঞাতনামা স্থান থেকে অনলাইনে হাজির হয়েছিলেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক অ্যাসাঞ্জ জানান, তাকে হত্যার হুমকি দেয়া হচ্ছে। তবে তিনি দাবি করেন, নথি ফাঁস করে তিনি কোনো ভুল করেননি। তিনি বলেন, আমার বা উইকিলিকসের কিছু হয়ে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও এক লাখ গোপন নথি ফাঁস হয়ে যাবে।
উইকিলিকসের বিরুদ্ধে প্রচারণা
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উইকিলিকসের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছে। জনসাধারণের মধ্যে তারা এমন ধারণা সৃষ্টির চেষ্টা করছে যে উইকিলিকস যা করছে, তা বেআইনি। যারা উইকিলিকসকে সহযোগিতা করবে, ভবিষ্যতে তারা সরকারি চাকরির অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে বলেও হুশিয়ারি দেয়া হচ্ছে।
এগিয়ে এসেছেন হ্যাকাররা
এক সময়কার হ্যাকার জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে সহযোগিতা করতে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ইউরোপের হ্যাকাররা। তারা বলেছেন, উইকিলিকসের মতো ওয়েবসাইট চালু রেখে তথ্য অধিকার বহাল রাখতে চান তারা। তাই উইকিলিকসের জন্য ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ২১টি ডোমেইন জোগাড় করেছেন তারা।
এবার দেখার পালা
সব মিলিয়ে কী পরিণতি হয় এই সাইবার যুদ্ধের তা-ই এখন দেখার বিষয়। তবে সাইবার জগতে এ ধরনের যুদ্ধে গোপন তথ্য আরও ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়ে যে যুক্তরাষ্ট্র ভীত তা তাদের হাবভাব দেখেই বোঝা যাচ্ছে। কেননা বিন লাদেনের পর তাদের কাছে এখন বড় শত্রু উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠািতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ।
উইকিলিকস এ মার্কিন গোপন তথ্য ফাঁস : শুরু হয়েছে সাইবার যুদ্ধ
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
১৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন
পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।