somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দলীয়করণের রক্ত ঝরছে ক্যাম্পাসে

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের হামলা এবং হানাহানিতে একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে দেশের উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। তাদের রক্তাক্ত সংঘর্ষের পরিণতিতে এ পর্যন্ত ২৬টি উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে আছে। এই তালিকায় সর্বশেষ যুক্ত হয়েছে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ। গত সোমবার রাতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত হয়েছে সংগঠনের মেডিক্যাল কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক ও শেষ বর্ষের ছাত্র আবুল কালাম আজাদ ওরফে রাজিব। চাঁদার টাকার ভাগাভাগি নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। তারই পরিণতিতে সোমবার রাতে ঘটেছে ওই সংঘর্ষ। আহত হয়েছে অর্ধশতাধিক ছাত্র।

ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের প্রথম বহিঃপ্রকাশ ঘটে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাতেও দেখা যায়, ছাত্রলীগের ক্যাডাররা অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালাচ্ছে। যদিও জাহাঙ্গীরনগরে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। তা সত্ত্বেও দফায় দফায় ওই সংঘর্ষে আহত হয়েছে ছাত্রলীগের উভয়পক্ষের অর্ধশতাধিক কর্মী। তখনই দেশের সচেতন মহল, শিক্ষাবিদ এবং মিডিয়া সরকারকে সচেতন করার চেষ্টা করছিল, ছাত্রলীগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারলে তা এক ভয়াবহ দানবে পরিণত হবে। কিন্তু সে কথায় কান দেয়নি কেউ বরং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত সবাই উষ্মা প্রকাশ করেছেন। সতর্ককারীদের বিরুদ্ধেই প্রধানমন্ত্রী বরং অস্ত্রধারী ছাত্রলীগ নেতার ছবি সংবাদপত্রে প্রকাশ করায় মিডিয়ার তীব্র সমালোচনাও করেন। তিনি যেন বলতে চাইলেন, ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হাতে অস্ত্রের ছবি ছেপে মিডিয়া তার সরকারকে হেয়প্রতিপন্ন করতে চাইছে। কিন্তু এতে কোনো লাভ হয়নি। সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের এ ধরনের বক্তব্য থেকে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা এক ধরনের আশকারাই পেয়েছে। ফলে শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস আর হানাহানির ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটেছে। এরা হত্যাকাণ্ডের মতো নিষ্ঠুর ঘটনা ঘটাতেও পিছপা হচ্ছে না।

গত তিন মাসে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্থানে চারজন ছাত্রকে খুন করেছে। এর মধ্যে তিনজনই প্রতিপক্ষ ছাত্র সংগঠনের, একজন তাদের নিজেদের দলের। আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পরপরই জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে ছাত্রলীগ খুন করে নারায়ণগঞ্জ সদর থানার দুই নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্রদল সহসভাপতি ইব্রাহিম রনিকে। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিজুড়ে এরা বিভিন্ন ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রদল ও শিবির কর্মী হটিয়ে দেয়ার জন্য সশস্ত্র হামলা-নির্যাতন চালায়। এরপর ১০ মার্চ এরা জামালপুরে হত্যা করে ইসলামী ছাত্রশিবির নেতা হাফেজ রমজান আলীকে। তাকে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে রেললাইনের ওপর ফেলে রেখে চলে যায় ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। একইভাবে গত ১৩ মার্চ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিবির সেক্রেটারি শরিফুজ্জামান নোমানকে কুপিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা। সবশেষ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে হত্যা করে ছাত্রলীগেরই সাধারণ সম্পাদক রাজিবকে।

দুর্ভাগ্যের বিষয়, রাজশাহীতে শিবির নেতা নোমানকে হত্যাসংক্রান্ত কোনো মামলা নিতে রাজি হয়নি সংশ্লিষ্ট থানা। সে খবর পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে এর কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। থানা কেন মামলা নেয়নি? ওপরের নির্দেশে? সেই ওপর তাহলে কতটা ওপর, যা হত্যাকাণ্ডের মামলা নিতেও বাধা দিতে পারে। অর্থাৎ হত্যার মতো নৃশংস অপরাধের দিকেও সরকার চোখ বন্ধ করে থাকতে চায়। এই মনোভাব আমরা ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকায়ও দেখেছি। আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগের সশস্ত্র নেতাকর্মীরা পুরানা পল্টনে হাজার হাজার মানুষের চোখের সামনে নিরীহ ও নিরস্ত্র সাধারণ মানুষকে পৈশাচিক উল্লাসে হত্যা করেছিল। নিহতের লাশের ওপর চালিয়েছিল তাণ্ডব নৃত্য। আওয়ামী লীগের এই নেতৃত্বই তখন ওই হত্যাকাণ্ডের পক্ষে কত যে সাফাই গেয়েছিল। যেন আওয়ামী লীগের কর্মীরা নির্বিচারে যখন তখন যাকে তাকে হত্যা করার অধিকার রাখে। নারায়ণগঞ্জ, জামালপুর, রাজশাহীর ঘটনাও তই। ভিন্নমতাবলম্বী বলে তাদের হত্যা করা জায়েজ।
সরকার এই মনোভাব গ্রহণ করার ফলেই প্রকাশ্য হত্যাকাণ্ডগুলো আরো নিকটবর্তী হয়ে আসছে। ঢাকায় ছাত্রলীগ হত্যা করেছে ছাত্রলীগেরই আরেক নেতাকে।

তাই হয়। যখন প্রতিপক্ষের কাউকে হত্যার জন্য বাহবা করতালি দেয়া হয়, তখন স্বার্থের সঙ্ঘাতে সমপক্ষের কাউকে খুন করতেও দ্বিধা করে না ঘাতকরা। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের হত্যাকাণ্ড এর জলজ্যান্ত উদাহরণ।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্ররাজনীতি যখন নগদ-নারায়ণের কর্মকাণ্ডে পরিণত হয়, তখন সঙ্ঘাত তো অনিবার্য হয়ে উঠবেই। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ পেরিয়ে সারাদেশে আজ ছাত্রলীগের যে অন্তর্কোন্দল তার পেছনে টাকার স্বার্থ জড়িত। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যার নিয়ন্ত্রণে থাকবে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি থেকে তার হাতে আসবে লাখ লাখ টাকা। গত তিন মাসেই সমাজের সর্বস্তরে যে ব্যাপক চাঁদাবাজি শুরু হয়েছে তার আওতামুক্ত নয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও। এখন প্রতিপক্ষ নেই নগদ টাকার লোভে নিজেরাই তাই পরস্পরের প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে ছাত্রলীগ।
কিন্তু এর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার? আমরা দেখতে পাচ্ছি, এসব সংঘর্ষের মাঝখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিষ্ত্র্নিয় হয়ে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকে। কোন পক্ষ যে কোন প্রভাবশালীর লোক, পুলিশও সেটা নিশ্চিত হতে পারে না, ফলে কাকে ফেরাতে গিয়ে কার রোষানলে পড়তে হয় কে জানে। আর এমনিতেই শত শত বদলিতে অস্থির দিশেহারা পুলিশ প্রশাসন। কাকে বাধা দিতে গিয়ে আবার কোন বিপদ ডেকে আনি তার ঠিকঠিকানা নেই।

যদিও মুখে সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিরা বলছেন, দলীয় আনুগত্যের ঊর্ধ্বে উঠে দায়িত্ব পালন করতে হবে পুলিশকে। কিন্তু দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতেই শত শত পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। পুলিশ সপ্তাহ ২০০৯-এর উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেছেন, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার সাথে যারা জড়িত তাদের কঠোরহস্তে দমন করতে হবে। পুলিশের প্রতি মানসিকতা পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন’? এই মূলমন্ত্রের ভিত্তিতে কাজ করতে হবে। একজন নিরীহ মানুষও যেন হয়রানির শিকার না হন সে দিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

সন্দেহ নেই এ বাণী সুললিত। কিন্তু ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ যখন সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, তখন পুলিশের পক্ষে নির্ধারণ করা কঠিন যে সরকারের দৃষ্টিতে কে সেই নিরীহ মানুষ। আবার সরকার যখন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল নিরীহ মানুষ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাককে কোনো কারণ ছাড়াই বিদেশে যেতে বাধা দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট বাহিনীকে নির্দেশ দেয়, তখনো তাদের পক্ষে বুঝে ওঠা কঠিন হয়ে দাঁড়ায় যে আবদুর রাজ্জাক প্রকৃতপক্ষেই নিরীহ কি না। সরকারের দৃষ্টিতে নিরীহের সংজ্ঞা আপেক্ষিক। পুলিশ কেমন করে উদাসীন সরকারের মনের কথা জানতে পারবে। বর্তমান সরকার গত তিন মাসেই দলীয়করণের যে গণজোয়ার সৃষ্টি করেছে তার ঢেউ লেগেছে সর্বত্র। আমলাতন্ত্রে, মন্ত্রণালয়ে, পুলিশে এমনকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সর্বত্র চলছে পাইকারি দলীয়করণ। এই সরকার তিন মাসেই শত শত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি করেছে ও ওএসডি করেছে। সিনিয়র সচিবদের ওএসডি করে প্রশাসনকে স্থবির করে রাখা হয়েছে। প্রশাসনের সর্বত্র বদলি আর ওএসডি আতঙ্ক। পুলিশ বাহিনীতেও তাই। আর গোটা সমাজে জঙ্গি জঙ্গি বলে চিৎকার করে সরকার এক আতঙ্কজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। পিলখানায় জঙ্গি, কিন্ডারগার্টেনে জঙ্গি, অফিস-আদালতে জঙ্গি, গার্মেন্টসে জঙ্গি? এমন সব আজগুবি কোরাস গেয়ে সরকার গোটা সমাজের ভেতরে ভীতি আর আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। আর এই ফাঁকে সরকারের সহযোগী সংগঠনগুলোর সন্ত্রাসীদের পোয়াবারো অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে এখন মরিয়া। শিক্ষাঙ্গন দলীয়করণের মাধ্যমে সরকার এক নাজুক অবস্থার সৃষ্টি করেছে। দেশের প্রধান প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ভাইস চ্যান্সেলর বা অধ্যক্ষদের বদলে দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে নিয়োগ দিয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা রীতিমতো অবমাননাকর। প্রতিষ্ঠানের প্রধানও দলীয় বিবেচনায় নিয়োজিত, প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণও ছাত্রলীগ কর্মীদের হাতে। ফলে সেখানে দুর্নীতির এক বিশাল মহীরুহ যে গড়ে উঠবে তাতে সন্দেহের অবকাশ কোথায়। এর প্রথম দফায়ই হয়ে গেল ভর্তি বাণিজ্য। সরকারের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের চাঁদা দিতে হয়েছে ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। সেখানে মেধা তালিকার বালাই খুব কম ছিল। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ও ডিন অকপটেই বলেছেন, যারা তাদের ওই পদে বসিয়েছেন তাদের কিছু কথা না রাখলে কী হয়। ফলে মেধা তালিকায় মেধাবীরা বাদ গেছে। ভর্তি হয়েছে ছাত্রলীগের মনোনীত প্রার্থীরা। অর্থাৎ সরকার এমন একটা ব্যবস্থা করেছে যাতে ছাত্রলীগের পেশকৃত তালিকার লোকদের ভর্তি করতে কোনোরূপ আপত্তি না করেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা। যেন তারা মিলেমিশে থাকে, ভাগেযোগে খায়।

এসব বাণিজ্যে লাখ লাখ টাকা আসছে। সে টাকা কোন গ্রুপ পাবে? নিঃসন্দেহে যার শক্তি বেশি, সেই পাবে। আর সে শক্তির প্রদর্শনীর জন্যই ছাত্রলীগ এখন গ্রুপে গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পরস্পরের দিকে বন্দুক তাক করে ধরছে। রামদা, লাঠিসোঁটা নিয়ে পরস্পর হানাহানিতে লিপ্ত হচ্ছে। সরকারের নির্লজ্জ দলীয়করণ যদি অব্যাহত থাকে তাহলে এই পরিস্থিতির আরো ব্যাপক বিস্তার ঘটতে বাধ্য।
কোনো রাজনৈতিক দল নির্বাচন করে যখন সরকার গঠন করে তখন সে সরকার কোনো নির্দিষ্ট দলের থাকে না। সরকার হয় দেশের সব মানুষের। সরকারের কাছে সবাই ন্যায়বিচার আশা করে। সে ন্যায়বিচার না পেলে জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করে। বর্তমান সরকার ন্যায়বিচারের ধারা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্যুত হয়ে পড়েছে।

সরকার যদি দেশে সত্যি সত্যি আইনশৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চায়, যদি হানাহানির অবসান ঘটাতে চায় তাহলে পুলিশ বিভাগকে সত্যি সত্যি স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজির সাথে যে-ই জড়িত থাক না কেন, দল পরিচয় নির্বিশেষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষমতা পুলিশের থাকতে হবে। তা না হলে সেই হানাহানির আঁচ থেকে সরকার নিজেও রেহাই পাবে না।

( লেখক - ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী )
৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×