আমার প্রিয় পোস্ট
- প্রবাসীদের ঘামের টাকা, সচল রাখে দেশের চাকা। কাজেই বন্ধ হোক তাদের নিয়ে সব প্রতারণা। খবরের অপেক্ষায় রইলাম - হাসান শরিফ
- সামু বিবর্তন - দুঃখবিলাস
- কিছু Technological প্রতিষ্ঠানের নামকরনের ইতিহাস ও উৎপত্তি (১ম পর্ব) - নাফিস ইফতেখার
- ব্লগার পিত্তি আরাফাত মেয়ের বাপ্হলো..আঢ়য়ামার বিয়াই হৈলোনা.. - অ্যালন
- সফট্ওয়্যার ইঞ্জিনীয়ার - রোহণ কুদ্দুস
- শুভ জন্মদিন - শরীফ আবদুল্লাহ
- সম্প্রীতির ডাক - আরাফাত রহমান
কেন আমি পানির গ্লাস দিয়ে মারতে চাই
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ২:৪২
অনেক দিন পরে ব্লগে কিছু পোস্ট করতে এলাম। অনেকেই হয়ত আমাকে ভুলে গেছেন। তবে আমি কিন্তু কাউকে ভুলিনি। পোস্ট না করলেও মন্তব্য করেছি এবং মোটামুটি নিয়মিত সবার পোস্ট পড়ার চেষ্টা করেছি।
যাগগে সে সব কথা। আসল কথায় আসি।
রেগে যাওয়ার চুড়ান্ত পযর্ায় হচ্ছে মারামারি। মারামারির জন্য মাধ্যম প্রয়োজন। যেমন ধরুন, দুই বন্ধুতে তকর্াতর্কি, এর পর রাগারাগি অবশেষে মারামারি। বয়স ভেদে এর রকম আলাদা হয়। বাচ্চাদের কথাই ধরুন। ছেলে বেলায় আমরা কত তকর্াতর্কি, রাগারাগি এবং পরিশেষে মারামারি করেছি। কখনও লাঠি, চামচ, বই, কলম, জুতো, হাত, নখ এমনকি দাতও ব্যবহার করেছি। কি, আপনারা চুপ করে আছেন যে? মনে হচ্ছে একদমই করেন নি। আরে ভাই স্বীকার করেন, স্বীকার করেন। এখনতো আর কেউ আপনার বিচার করতে আসছে না।
আমরা রেগে গিয়ে কাউকে মারতে উদ্যত হলে সাধারণত কোন কিছুর সাহায্য নিয়ে মারতে চাই। একদম কিছু না পাওয়া গেলে হাত ব্যবহার করি। অনেকেই নখ কিংবা দাত ব্যবহারে বেশ পারদর্শি। যাহোক, আমি যদি রেগে গিয়ে কাউকে মারতে উদ্যত হই তখন পানির গ্লাস ব্যবহার করার চেষ্টা করি। এইতো সেদিন আমার সেজ বোন ফোন করে বলল- "ভাইয়া, তানিয়া (আমার আরেক ছোট বোন) ঠিক মত লেখা পড়া করতে চায় না। শুধু ঘুমায় আর খায়।" কথাটা শুনে আমি বললাম- "পানির গ্লাস দিয়ে ওর মাথার উপর ঠাস করে একটা বারি দাও।"
এখন প্রশ্ন উঠতে পারে কাঁচের গ্লাস নাকি স্টিলের গ্লাস? অবশ্যই স্টিলের গ্লাস। (স্টিলের গ্লাসের ছবি খুঁজে পেলাম না বলে কাচেঁর গ্লাসের ছবি দিলাম) কাঁচের গ্লাস কারো কারো মাথায় ভেঙ্গে যেতে পারে। যিনি মারছেন তার উপরেও বিষয়টি নির্ভর করে অনেকটা। আমি ঝুঁকি নিতে রাজি নই।
এবার আসেন, [গাঢ়]কেন এই গ্লাস প্রীতি?[/গাঢ়]
আমি তখন ক্লাস টুতে পড়ি। আরেকটি কথা বলে রাখা ভাল, ক্লাস ওয়ানে পড়ার ভাগ্য আমার হয়নি। সরাসরি ক্লাস টু তে। স্কুলে যেতে তেমন ইচ্ছে করত না আমার। অবশ্য আব্বুর ঘোষণা ছিল প্রতিদিন স্কুল থেকে ফিরে একটি করে টাকা পাওয়া যাবে। টাকার প্রতি লোভ আমার বরাবরই ছিল না। সুতরাং স্কুলে যাওয়ার ব্যপারে অনাগ্রহ চলতেই থাকল।
একদিন আব্বু দুপুরে বাসায় খেতে এসেছেন। আমি বাইরে কোথাও খেলতে গিয়েছিলাম। দুপুরে মধ্যপ্রাচ্যে যখন আন্দোলন শুরু হলো তখন বাসায় ফিরে দেখি আব্বু খাটের উপরে বসে খাচ্ছেন। আমি ঘরে ঢুকতেই প্রশ্ন- 'স্কুলে গিয়েছিলে?' আমি ভয় মিশ্রিত লাজুক হাসি হেসে দুদিকে মাথা নাড়লাম। সঙ্গে সঙ্গে আব্বু যে গ্লাস থেকে পানি খেয়েছেন সেই গ্লাসটি ছুড়ে মারলেন আমার দিকে। আমি 5 হাত দুরে। একটু ঘুরতে সময় পেয়েছিলাম মাত্র। তখনতো দুই মাসের মার্শাল আর্ট ট্রেনিং ছিল না। গ্লাসটি সোজা আমা বাহুতে আঘাত করল। সিনেমাতে নায়কদের যেখানে গুলি লাগে সেখানে। সেটি ছিল স্টিলের গ্লাস। গ্লাসের উপরের অংশ লেগে অনেখানি কেটে গেল। এরপর যা হবার তাই হলো। তারপর থেকে আমি নিয়মিত স্কুলে যাওয়া শুরু করি।
[গাঢ়]আমার থিওরি হলো, কাউকে যদি কথা শোনাতে হয় তাহলে লাঠি কিংবা অন্য কোন অস্ত্র ব্যবহার করে মারার চেয়ে পানির গ্লাস দিয়ে মারলে দ্রুত ফল পাওয়া যায়।[/গাঢ়]
এবার বুঝলেন তো, পানির গ্লাসের ভিন্ন রকম ব্যবহারও আছে।
বি:দ্র: কিছু দিন আগে [link|http://www.somewhereinblog.net/arobd/post/12977|M
প্রকাশ করা হয়েছে: ভাবনা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ২:৫২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
শাওন বলেছেন:
এখন আমার হাতের সামনে একটা গ্লাস থাকলে আমি আপনার মাথায় মারতাম সেদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে রান্নাঘরে গিয়ে কেবল বসলাম আমি আর ছোট বোন । মার হাত থেকে হঠাতই বাসার সবথেকে বড় গ্লাস টা পড়ে ভেঙে গেলো । ছোট বোন চিল্লান দিয়ে উঠলো, আমি চোখ বড় বড় করে হা হয়ে রয়েছি , কারণ এখুনি তাকে বকা দেওয়া হবে চিল্লানের দায়ে । সে মুখ ফসলে বলে উঠলো , আহ ! আর আমার এত পানি একসাথে খেতে হবে না । কারণ মা সবসময় পানি খাওয়ার জন্য আমাদের বকাবকি করে , আর অনেক বড় একটা গ্লাস কিনে এনেছে আমাদের পানি খাওয়ানোর জন্য ।
আরাফাত রহমান বলেছেন:
হ ঠিকই ধরছেন টাহা পয়সা--- হাতের ময়লা @ অ্যালনকেন, আমি আবার কী করলাম? @ শাওন, বেশি পানি খাওয়া ভাল, তোমার ছোট বোন কে বুঝিয়ে বল, যদি না শোনে তাহলে গ্লাস থিওরি কাজে লাগাও, অবশ্যই স্টিলের গ্লাস।
এত বড় পোস্ট কেমনে পড়লেন @ ঝড়ো
অতিথি বলেছেন:
ভাই আপনার জন্য পরেত দেশে গ্লাসের অভাব পরবে ।
আরাফাত রহমান বলেছেন:
আস্ত আপু,প্রশ্ন করে লাভ নাই, কারণ, মাইরের মধ্যে ভিটামিন আছে। প্রমান পেয়েছেন তো?
অতিথি বলেছেন:
আরো প্রশ্ন ঃ01. গ্লাস দিয়ে মাইর খেতে আপনার কেমন লাগে ?
02. স্টিলের গ্লাস ছাড়াও অন্য আর কি ধরনের গ্লাস দিয়ে আপনি মার খেয়েছেন ?
03. মাইর দেওয়ার জন্য গ্লাশ কে আপনি আদর্শ মনে করছেন কেন ?
আরাফাত রহমান বলেছেন:
আরে ভাই, কাচের গ্লাস নাতো..... স্টিলের গ্লাস @ শেরিফ
অতিথি বলেছেন:
থুক্কু @ ব্রোকেন অ্যারো ... হবে
অতিথি বলেছেন:
ফিহহ
আরাফাত রহমান বলেছেন:
পুরাটা পড়লে আর জিগাইতেন না @ ঝড়ো
আরাফাত রহমান বলেছেন:
আউচ........ আমি আপনের কাছে যে 40 টাকা পাই সেইডা আগে দেন তারপর কমেন্ট করেন। @ অ্যালন
খুশবু বলেছেন:
ভাল বুদ্ধি ।এখন তো তাহলে স্কুলে গ্লাস দিয়ে পিটানো শুরু হবে । ঃ )
অতিথি বলেছেন:
আরাফাত ঃ উহু..আগে আমাড় 60টাহা দ্যাও দি মনু..
আরাফাত রহমান বলেছেন:
ঢাকা শহরে যারা রিস্ক নিয়া খাজ (কাজ) করে তাদের গেইন আছে, তবে তাদের আবার সেইনও আছে। সুতরাং ঝোপ বুঝে কোপ মারতে হবে। @ খুশবু60 টাকা ? হ, দিমু...... পানির গ্লাস দিয়া একটা বারি দিমু।
অতিথি বলেছেন:
দেন দেখি সাহস থাকলে..আইচ্ছা দাড়ান আমিই আসতেছি..
অতিথি বলেছেন:
তা ভাইজান, আর যাই বলেন আপনার লগে আত্নীয়তা করা যাইবো .... ধরেণ, ঘুরে ফিরে বিয়া-সাদির কারবার নিয়া আপনার বাসায় গেলাম। আপনার বাপপসসসস(ড্যানজার 5000 ভোলট) যদি চেইত্তা উঠে... তাইলে তো আমি দৌড় দিয়া কুনো মতে জান বাচাঁইতে পারুম... কিন্তু আমার আব্বা-আম্মার কি হইবো....

যদি পারি নায়কের মত ... নায়িকা নিয়া দে দৌড়

আর গ্লাস কাহিনী আমারও একটা আছে। তবে ঐটা একটু বেশী ব্যক্তিগত...যা ব্লগে বলা সম্ভবত না... সরি....
নূর-ই-হাফসা বলেছেন:
গেলাস দিয়ে মাড়ামাড়ি অসাধারন তো।
আরাফাত রহমান বলেছেন:
আমার এইটা তো গ্লাস কাহিনী না.... গ্লাস থিওরী ... 
ভয় পাইলেন নাকি @ নূ-র-ই-হা-ফ-সা
অতিথি বলেছেন:
আরাফাত ভাইআপনার সাথে গ্লাসের সম্পর্ক বেশ গভীর..

ভাই ভবিষ্যতে গ্লাসের মতো কোন মেয়েকে বিয়ে কইরেন...আর তা যদি করতে চান তাইলে আপনের বিয়া আর হইছে..
অতিথি বলেছেন:
আমার জন্মদিন 12 জুলাই। তোমারো তাই। শুভেচ্ছা তোমাকে!
ত্রিভুজ বলেছেন:
খাইসে....
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















আর..আই এইডা ফড়ে বেশ খুশি হলাম..ইল্লাই..আন্নের টাকা-ফয়সার কোন লোব নাই..