আমার প্রিয় পোস্ট
- চার্লস বুকোস্কির কবিতা - অমিত চক্রবর্তী
- বাংলাদেশের চলচিত্র নিয়ে সাতকাহন [কিছু দুর্লভ ছবি সহ] ( দ্বিতীয় পর্ব) - ধীবর
- নাটক ও সিনেমা সংক্রান্ত কিছু নির্বাচিত বইয়ের তালিকা (ডাউনলোড লিংকসহ) - লেখাজোকা শামীম
- :::: ৪০০ বছরের রাজধানীঃ নারিন্দা আর্মেনীয়ান গোরস্তান :::: - সৌম্য
- ঢাকার আর্মেনিয়রা, তাদের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ... - ইমন জুবায়ের
- ব্যানানা বাংলাদেশ-৩ (গডফাদারের স্টিমুলাস মূলা) - বাঙ্গাল
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- নতুন ঈশ্বর আবশ্যক - দীক্ষক দ্রাবিড়
- ১৯৭৪ সালের দূর্ভিক্ষ : Wikipedia বনাম বাস্তবতা : আবু তাশফীন - যুকরুফা ০৭
- শুধু ছন্দই কবিতা নয় কবিতার থাকে আরো অনেক উপাদান/শঙ্খ ঘোষ - আমজাদ সুজন
- কুড়িগ্রাম - মাসুদ খান
- তাহলে স্যাম মানেকশ-ই বাংলাদেশের স্রষ্টা? - ফারুক ওয়াসিফ
- ফাল্গুনী রায়ের কয়েকটি কবিতা - মুয়ীয মাহফুজ
- ~*~*~IP দিয়ে খুজে বেড় করুন যাকে খুজছেন তার অবস্থান!!~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- পছন্দের মুভির তালিকা
- বিডি আইডল
- ফ্রী সফটওয়্যার দরকার আপনার ?? - নিঃসঙ্গ
- শান্তনু চৌধুরীর ৫টি কবিতা - সুতরাং
- ফ্রীতে নিজের একটা সাইট করুন ডমেইন সহ সবেই ফ্রী... - নিঃসঙ্গ
- বাক্যই আততায়ী - মজনু শাহ
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রিন্ট করুন যেকোন প্রিন্টারে - এস. এম. মেহেদী আকরাম
- অভিজিৎ দাসের কয়েকটি কবিতা - অভিজিৎ
- লালনের একটি গানের ইংরেজি অনুবাদ - ইমন জুবায়ের
- জীবনানন্দ দাশ : কবিতায় খুঁজি বাংলার রূপ - একরামুল হক শামীম
- জীবনানন্দ দাশ : 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ - একরামুল হক শামীম
- 'আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার' - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ''জন্মদাগ'' থেকে নির্বাচিত কয়েকটি কবিতা - রায়হান রাইন
- বেদনাজলের গাঙচিল - ইমরান খান ইমু
- জীবন / পাবলো নেরুদা - মৃন্ময় আহমেদ
- কবিতার কৃত্য - রায়হান রাইন
- পরীক্ষাগারে বিগ ব্যাং: উত্তর মিলবে অনেক প্রশ্নের - অনিশ্চিত
- আজ রাতে কোথায় ঘুমাবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- আমাদের কবিতা: শেষ পর্ব - তারিক টুকু
- সূর্যাস্ত মন্দির - তারিক টুকু
- স্মৃতি হন্তারক বৃস্টিতে থ্যাঁতলানো কয়েকজন আর উড়াল সেতু জুড়ে ধাবমান কদম - আকাশচুরি
- একটি অন্ধ মেয়ে - রিফাত হাসান
- রিমিক্স মৌয়ালের শব্দঠোঁট - রথো রাফি
- প্রার্থণা, চিরবৈশ্বিক অন্ধকার - মৃদুল মাহবুব
- জোনাক ধরার কাচের বয়াম - মুয়ীয মাহফুজ
- রেডিও সিরিজ - মৃদুল মাহবুব
The Return - 2003
১৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:৪০
জীবনে প্রথমবার ছবি বিষয়ে লিখি ইগোস্লাভিয়ান ছবি ”স্কাপলজাসি পেরজা” নিয়ে। এরপর আর সেভাবে ছবি দেখা হয়ে উঠেনি, কিন্তু ডাউনলোড করা থামাইনি। প্রায় পাঁচশত ছবি ডাউনলোড করার পর দেখলাম খুব কম ছবি আমাকে মন্ত্রমুগ্ধ করতে পেরেছে, আর যেগুলো পেরেছে সেগুলো নিয়ে লেখার একটা চাপা উত্তেজনা কিছুতেই দমাতে পারিনি। একটা ভাল ছবি আমার কাছে একটা কালোত্তীর্ণ দলিল, যেটা যেকোন কালে মানুষকে খুব সহজেই পারে আকর্ষিত করতে। শেষ যে দুটো ছবিটা দেখে মন্ত্রমুগ্ধ হয়েছি তার একটা হল জন ফোর্ডের ”হাই গ্রীন ওয়াজ মাই ভ্যালী”, অপরটা রবার্টো বেনিগনির ”লাইফ ইজ বিউটিফুল”। কিন্তু ছবি দু’টো নিয়ে লিখব লিখব করেও আর লেখা হয়ে ওঠেনি, অথচ আজকে যে ছবিটার জন্য পুনরায় বাধ্য হলাম লিখতে সে ছবিটা হল ”দি রিটার্ন”।
ক’দিন আগে আমার এক পরিচিত বড় ভাই আমাকে কিছু ছবির লিষ্ট দিয়ে বলল ছবিগুলো ডাউনলোড করতে, মানে উনার চাই। এদিকে আমার আরেকবন্ধু ধরিয়ে দিয়েছে প্রায় শ’দুয়েক ছবির একটা লিষ্ট। সবগুলো মিলিয়ে প্রায় আড়াইশত ছবি, কখন ডাউনলোড করি, আর কিভাবেই বা করি। বেশ বিরক্ত হয়ে মনে মনে যখন ঠিক করলাম, না, আর ছবি ডাউনলোড নয়, ঢের হয়েছে, ঠিক তখুনি পরশু রাতে ল্যাপটপের চৌদ্দ ইঞ্চি স্ক্রীনে রাত প্রায় একটা পর্যন্ত স্তব্ধ হয়ে যা দেখলাম তা ছিল ”দি রিটার্ন”।
খুব কম ছবিই যেন এভাবে আরম্ভ হয়, অন্তত আমার দেখা ছবিগুলোর মধ্যে তেমন কোন ছবির নাম আপাতত মনে করতে পারছিনা। ছবিটার শুরুটা অনেকটাই যেন কাফকার গল্পের মত, এমনভাবে শুরু যে পাঠক প্রথমে ঘটনার আকস্মিকতায় চমকে যায়, তারপর ধীরে ধীরে ঢুকতে বাধ্য হয় গভীর থেকে গভীরে। রাশিয়ানদের আমি বরাবর ঈর্ষা করি, আর ছবিটা দেখা শেষ হবার পর সেটা এখনও রয়েছে দেখে স্বস্তি পেলাম। ২০০৩-এ মুক্তি পাওয়া ’আন্দ্রেই জিভাজিন্টসেভ’ এর নিদের্শনায় তৈরী ১০৫ মিনিটের এই রাশিয়ান ছবিটি ছবিপ্রেমি মাত্রকেই নিশ্চিতভাবে বসিয়ে রাখবে স্ক্রীনের সামনে।
দু’জন কাছাকাছি বয়সের বালকের মানসিকতাকে সেলুলয়েডে যে এভাবে ফুটিয়ে তোলা যায় তা ছবিটা না দেখলে বোঝা যাবেনা। ছবিটার শুরু এভাবে, কাছাকাছি বয়সের দু’ভাই দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে বাড়ি এসে মায়ের কাছে জানতে পারে যে তাদের বাবা এসেছে। ব্যাপারটা জানার পর তারা এতটা তাজ্জব হয় যে প্রায় বিশ্বাস করতে পারেনা। ১২ বছর যে বাবার কোন খবর নেই হঠাৎ এতবছর পর আকস্মিকভাবে তার উপস্থিত হওয়ার ঘটনা বড় ভাইয়ের মনে তেমন একটা প্রতিক্রিয়া তৈরী না করলেও ছোট ভাইয়ের মনে যে মানসিক প্রতিক্রিয়া, সন্দেহ, তা থেকে সৃষ্ট নানাবিধ প্রশ্ন এবং আত্নদ্বন্দ্বের যে সেলুলয়েড চিত্রায়ণ তাতে ছবিটা এখনও আই.এম.ডি.বি রেটিং-এ ৮.১ ধরে আছে, যা কিনা আমার কাছে কোনরুপ সংশয় ছাড়াই ১০ এবং তা দশের মধ্যেই।
একটা কেমন জানি ঘোর ও রহস্য তৈরী করে ছবিটা। কাহিনী বিন্যাসটাও যেনবা সেভাবেই করা, বিশেষ করে ১২ বছর পরে ফিরে আসা একজন পিতার তার সন্তানদের সাথে কৃত আচরণ দর্শকের মনে অবশ্যম্ভাবীরুপে প্রশ্ন তৈরী করে আর দর্শক সেটা জানার জন্য বাধ্য হয় ক্রমশ সামনের দিকে এগিয়ে যেতে। ১২ বছর পর নিজ সন্তানের কাছে ফিরে আসা পিতা নিশ্চয় চাইবে তাদের সন্তানের সাথে নিজেকে মিশিয়ে নিতে, এত বছরে তৈরী হওয়া বিশাল দূরত্বটা কমিয়ে আনতে। অথচ সম্পূর্ণ উল্টো চরিত্রের এই পিতাকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, তাতেই দর্শক উদগ্রীব হয় এবং নিজের অজান্তেই এগিয়ে যেতে থাকে সামনের দিকে।
পুরো ছবি দেখতে দেখতে আমার এতটুকু ক্লান্তি আসেনি বরং অনেকদিন পর চিত্রনাট্য, নির্দেশনা, অভিনয় সব মিলিয়ে একটা সেন্ট পার্সেন্ট ভাল ছবি দেখার মুগ্ধতায় বসে থাকতে থাকতে যখন শেষ ১৫ মিনিটে উপস্থিত হলাম, তখন আর কোন কিছু ভাবার বিন্দুমাত্র অবকাশ ছিলনা। ছবিটার শেষ ১৫ মিনিটে কি হয়েছে আমি তা বলতে চাইছিনা, তবে যারা দেখবেন তারা বহুদিন পর্যন্ত এই ছবিটার শেষটা ভুলতে পারবেনা।
পুরো ছবিটার মোড় যে এমন অভাবনীয় আকস্মিকতায় ঘুরে যাবে সেটা বুঝে ওঠার আগেই পরিচালক এরপর একের পর এক যেসব দৃশ্যর অবতারণা করেছেন শেষ ১৫ মিনিটে, তাতে দর্শক মাত্রই এমন একটা বোধের মধ্যে ঢুকে যাবে যে যেখানে শব্দ নেই কোন, শুধু স্থির হয়ে থাকা জল আর জল। বার্গম্যানের ছবিগুলোর অধিকাংশেই দেখেছি জলের উপস্থিতি। দেখেছি তারকোভস্কির ছবিতেও। উনার ছবিতেতো জল এবং তার শব্দ একটা বিশেষ স্থান দখল করে রেখেছে। এছাড়া রাশিয়ান অন্যান্য ছবিতেও সেই একি ব্যাপার। তবে এই ছবিটাতে জলকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, তাতে আমার বার বার মনে হয়েছে পৃথিবীর সব ছবিই এভাবে জলের কাছে তৈরী করা উচিত। আর ক্যামেরার কাজ যদি কেউ নিখুঁতভাবে লক্ষ্য করেন, তবে দেখবেন কত দক্ষতার সাথে একটা সামান্য দৃশ্যকেও চিত্রায়ন করা হয়েছে।
এসবই আমার ব্যক্তিগত পছন্দ ও মতামত। আপনারা যারা ছবিটি সম্পর্কে তথ্য চান তারা এখানে পাবেন আর যারা টরেন্ট ডাউনলোড করতে চান, তারা পাবেন এখানে । ভাল থাকুন, ভাল লিখুন আর ভাল ভাল ছবি দেখুন।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সিনেমা ;
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:১১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ''হাউ গ্রীন ওয়াজ মাই ভ্যালী'' - এমন একটা ছবি যেটা আরও কয়েকশ' বছর পরেও সমান আবেদন রাখতে সক্ষম হবে দর্শকের মনে। আর ''লাইফ ইজ বিউটিফুল''-টা আমার ভাল লেগেছে ছবিটার মূল থীমটার জন্য। জীবনটা যে সত্যিই সুন্দর এবং তা যে কোন পরিস্থিতিতে সেটাই যেন প্রমাণ করা হয়েছে ছবিটাতে। আর সেই সাথে চাতুর্যপূর্ণ কমেডির সংযোজন ছবিটার আরেকটা বৈশিষ্টপূর্ণ দিক।
আর ''দি রিটার্ণ''-এর কাহিনীর গতি প্রকৃতি আমার কাছেও ততটা পরিস্কার না হলেও, আমি ছবিটাতে পিতার মানসিক প্রতিক্রিয়া বা চরিত্রকে এড়িয়ে গেছি ছবি দেখার সময় কিংবা পরে। শুধু ইভানের মানসিক দিকটাকেই মুখ্য মনে করে এবং ছবির প্রধান চরিত্র হিসেবে ধরে নিয়ে আমার কাছে ছবিটার চিত্রায়ণ বেশ সাবলীল ও সুন্দর মনে হয়েছে।
অদ্ভুতুড়ে বলেছেন:
দেখব
লেখক বলেছেন: অবশ্যই। একটা ভাল ছবি অনেক কিছু বলতে ও দেখাতে পারে।
রিটার্নের বেলাতেও কি তাই ?
লেখক বলেছেন: তা বলতে পারছিনা। আমি সিনেমা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কারণে দেখি। শুধু বিনোদেনর জন্য যখন দেখি তখন এসব উঁচু মানের ছবি দেখার কোন প্রশ্নই ওঠেনা। ফেলিনির ছবিগুলোতো মাঝে মাঝে অর্ধেক অর্ধেক করে দেখি। আর তারকোভস্কির ছবি একবারে দেখার সাহস হয়না এমনকি দু তিনবারেও।
যদি নিতান্তই বিনোদন চান অল্প সময়ের মাঝে তবে এটা তা পূরণ করতে ব্যর্থ হবে। ভাল থাকুন।
দারাশিকো বলেছেন:
ভালো লিখলেন, দেখার ইচ্ছেয় ডাউনলোড দিলাম। মুভি নিয়ে আরও লিখবেন!
লেখক বলেছেন: হা হা! কবিতা-ই লেখা হয়ে ওঠেনা তো ছবি। তবে মাঝে মাঝে যেসব ছবি মনের ভেতরে দাগ কেটে যায়, সেগুলো নিয়ে খুব লিখতে ইচ্ছে করে। এমন ছবি দেখা হলে অবশ্যই লিখব। দেখা হলে জানিয়েন, কেমন লাগল। ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: দেন, নামাইতে দেন। ছবি কালেক্ট করোনের মজাডা যে কি, যারা করচে, হেরাই বুঝবো। নামাইয়া দেইখাফালান, হেরপর আমার কইয়া যাইয়েন, কেমুন ?
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে
চাঙ্কু বলেছেন:
যেমনে কইছেন , তাইলেতো দেখতে হইবেক ।
লেখক বলেছেন: হা হা, এতো মহা বিপদ, পরে না আবার গালি খাইতে হয় ?
!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
শংকিত...........................
আল-ইমরান সিদ্দিকী বলেছেন:
khub valo laglo likha ta por a. onek onek dhonnobad
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ । ভাল থাকুন। শুভ কামনা।
মুভি পাগল বলেছেন:
এই ছবিটা এখনই ডাউনলোড করব। অনেকদিন ধরে চিন্তা করছিলাম। আপনার লেখাটা পড়ে আর বসে থাকতে পারছিনা
লেখক বলেছেন: করুন এবং জলদি দেখুন।
কাঊসার রুশো বলেছেন:
''লাইফ ইজ বিউটিফুল''-টা আমার ভাল লেগেছে ছবিটার মূল থীমটার জন্য। জীবনটা যে সত্যিই সুন্দর এবং তা যে কোন পরিস্থিতিতে সেটাই যেন প্রমাণ করা হয়েছে ছবিটাতে। আর সেই সাথে চাতুর্যপূর্ণ কমেডির সংযোজন ছবিটার আরেকটা বৈশিষ্টপূর্ণ দিক।সহমত । শুধু থিম নয় যেকোন দিক থেকেই এটি একটি অসাধারন ছবি।
আমি মুভি দেখতে ভালোবাসি। কীভাবে যেনো আপনার ব্লগের সন্ধান পেলাম।
পেয়ে মনে হলো একটা খনি পেয়ে গেলাম। অনেক বিখ্যাত মুভি নিয়ে আমি লিখেছেন যার কয়েকটা দেখা, অনেকগুলো নামে পরিচিত এবং বেশিরভাগই অদেখা। আর কয়েকটার নামই শুনিনি।
তাই সিদ্ধান্ত নিলাম আজ ব্লগে অরণ্য দিবস পালন করবো। দেখি আপানর কতগুলো মুভি পোস্ট এক বসায় পড়তে পারি...
+++
লেখক বলেছেন: হা হা হা !!
আমি তো আমার ব্লগের পোষ্টগুলো উড়িয়ে দিই কিছুদিন পর পর। দেখুন এগুলো কতদিন থাকে।
ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: হুম। অনেক পোস্ট ছিল। এখন আর নেই।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















লাইজ ইজ বিউটিফুলো ততোটা ভালো লাগেনি।
"দ্যা রিটার্ণ" অ্যাসথেটিক দিক দিয়ে খুবই জোড়ালো মনেহয়েছে।কাহিনীর গতিপ্রকৃতি সেইভাবে ধরে উঠতে পারিনি।তবে পারস্পারিক সম্পর্ক ভালো ফুটে উঠেছে।কিন্তু বাবা ঠিক কি উদ্দেশ্যে ছেলেদের লেকে নিয়ে যায় সেইটা স্পষ্ট না।
শেষের দৃশ্যটা করুন এবং মানবিক।