আমার প্রিয় পোস্ট

জ্বীন: বাস্তবতার আড়ালে লুকানো ভন্ডামি আর আমার কল্পনা (চার পর্ব একসাথে)

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৩১

শেয়ারঃ
0 0 0

পর্ব-১
আবহমান কাল থেকে জ্বীন নামক একটি অদৃশ্য জাতির (!) নাম প্রচলিত রয়েছে। শুধু নামেই নয়, জ্বীনদের নিয়ে রয়েছে কত সব রহস্যজনক কাহিনী। এই কাহিনী কি শুধুই লোকমুখেই? মোটেও না, জ্বীনদের উপস্থিতি রয়েছে সাহিত্যে, গল্পে, উপন্যাসে, আরব্যরজনীর অধ্যায়ে, ধর্মগ্রন্থে, গবেষণায়, কল্পনায়, ভয়ে, আরাধনায়। জ্বীনদের উপস্থিতি রয়েছে বিভিন্ন মিথোলজিক্যাল সংস্কৃতিতে, অন্ধকার জগতে, আত্মাদ্ধিক বিচরণে, ভর ও শক্তির পারস্পারিক পরিবর্তনে, ইতিহাস বিখ্যাত মনীষীদের দর্শনে। জ্বীনের প্রভাব রয়েছে সুপার নেচারাল ঘটনার জন্ম প্রক্রিয়াতে, প্রেমিক-প্রেমিকার কল্পনায়, কবিরাজের লাঠির শরীরে, কবরখানায়, শশ্মান ঘাটে, প্রেতাত্মার ডাকে, কোয়ান্টাম মেডিটেশনে, আলো-আধারের লুকোচুরিতে। হালের এনার্জি ক্রাইসিসও নাকি মিটতে পারে এই জ্বীন জাতির অস্তিত্ব আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে! তাহলে কিভাবে বলি জ্বীন মিথ্যা বা বানোয়াট?? চলুন দেখি নিচের ব্যাখ্যা গুলো কি বলে:

লোকনাথপুর গ্রামের আজিবর কবিরাজ জ্বীনদের বড় ওস্তাদ। দুনিয়ার এমন কোন জ্বীন নেই যে তার কথা শুনে না, মানে না। আজিবর কবিরাজের শুধু মুখের কথায় জ্বীনরা ওঠা বসা করে, গান-বাজনা করে, সাত সমুদ্র তের নদী পার হয়ে এনে দেয় চাহিবা মাত্র বস্তু। একদা নিজের চোখের দেখা দশ-বারো জন লোক অচেনা যুবককে (বয়সে ২৮/৩০ হবে) মোটা দড়ি আর লোহার শিকলে বাঁধা অবস্থায় নিয়ে আসলো আজিবর কবিরাজের কাছে। যুবককে নাকি জ্বীনে ধরেছে! কোন লোকের কাছে রেফারেন্স পেয়ে তারা এসেছে এই আজিবর কবিরাজের কাছে। সামনে আসতেই আজিবর বুঝতে পারে এটা জ্বীন ধরা রোগী, আর তৎক্ষনাৎ সে আগত লোকদের বলে যুবকের হাত পায়ের শিকল খুলে দিতে। লোকজন জানায় এটা করলে সে এখনই রক্তারক্তি বইয়ে দিবে, খুনোখুনি করবে কেই ঠেকাতে পারবে না। জড় হয়ে গেল শত শত লোক! সবাই দেখল কিভাবে আজিবর কবিরাজ ঐ অচেনা যুবকের জ্বীন ছাড়িয়ে দিল সবার সামনেই। অথচ গত ১০ বছর ধরে পরিবারটা ভুগছে এই সমষ্যায়। কি বলবেন তাহলে? অবশ্যই জ্বীন আছে!

রুমেল-জয়া বড়লোক দম্পত্তির একমাত্র মেয়ে সোহানার বয়স ৬ বছর। সোহানা হাটতে পারে না সেই ছোট বেলা থেকেই। মেয়ের হাটার শক্তি ফিরিয়ে আনার জন্য ঘুরে বেড়িয়েছে দেশ বিদেশের বড় বড় ডাক্তার, হসপিটাল এমনকি আজমির শরীফের মত বড় বড় মাজারে। নাহ, কোন কিছুতেই কোন কাজ হয়নি। লোক মুখে শুনে সেও এসেছিল আজিবর কবিরাজের কাছে, মেয়েটি কয়েক মিনিটের মন্ত্রবলেই ভালো হয়ে গিয়েছিল। এ ঘটনাটিও অন্তত ১০/১৫ জন মানুষের সামনে আর সবচাইতে বড় সাক্ষি তার বা-মা এবং সোহানা নিজেই। কি বলবেন তাহলে? অবশ্যই জ্বীন আছে!
****************************************************************
পর্ব-২
এ পর্বেও চলবে আজিবর কবিরাজের কয়েকটি ঘটনা। আজিবর কবিরাজের বড় ছেলে রাসেলের সঙ্গে আমার ভাব সেই ছোটবেলা থেকেই, সে একাধারে আমার ক্লাসমেট, বন্ধু, ভাই, প্রতিবেশী, খেলার সাথী, ন্যায়-অন্যায় কাজের সর্বসময়ের সাথী। খুব সাধারণ থেকে অসাধারণ যে কোন ঘটনায় যদি আমার অন্তরালে হয়ে থেকে তাহলে যত দ্রুত সম্ভব সে আমার সাথে শেয়ার করে।

একবার রাসেল ওর আব্বুর সঙ্গে ওর নানীর কবর জিয়ারত করতে যায়, কবরটি অনেক পুরোনো আর মাঠের মধ্যে যে মাঠে যেতে হলে পার হতে হয় অনেক বড় জঙ্গল। যায় হোক, পথ, পথের ধারে জঙ্গল পার হয়ে ওরা পৌঁছে নানীর কবরের কাছে। কবরের পাশে অনেক লম্বা তালগাছ। রাসেল নিজের চোখে দেখল ধবধবে সাদা কাপড় পরিহিতা এক সুন্দরী মহিলা তাল গাছে বেয়ে নেমে এসে ঠিক ওদের পিছনে দাঁড়ালো। রাসেল ওর আব্বুর জ্বীনের উপর বিদ্যার কথা জানতো তাই ভয় না পেয়ে মনে মনে সাহস সন্চয় করে আব্বুর সাথে কবর জিয়ারত করে ফেরৎ আসার পথেই আবার দেখলো ঐ মহিলা খুব দ্রূত আবার তালগাছের উপর এক লাফে উঠে গেল। রাসেল তার পরদিনই ঘটনাটি আমার সাথে শেয়ার করলো। তাহলে কি বলব? অবশ্যই জ্বীন আছে!

আজিবর কবিরাজের যে ঘটনাটি সবচাইতে আমাকে ভাবিয়ে তোলে এখন সেটি তুলে ধরব। ঘটনাটি আমাদের প্রতিবেশি আসাদ মিয়ার বাড়ীর ঘটনা। তখন আমি এ পৃথিবীতে আসিনি। কিন্ত আমার গ্রামের যত সব মরুব্বী আর বয়স্ক লোকজন রয়েছে তারা সবাই ঐ ঘটনার সাক্ষী! এবং তারা যে মিথ্যা বলে না সেটা সহজেই অনুমেয়।

আসাদ মিয়া তার মাঠের এক জমি থেকে ৫০ বছরের পুরোনো এক তেতুল গাছ কেটে ফেলে। গাছটি কাটার আগে সে কয়েক রাতে ঘুমের মধ্যে স্বপ্নে দেখেছিল যেন গাছটি সে না কাটে। এবং জ্বীনরা নাকি তাকে সেই স্বপ্ন দেখাতো। কিন্ত ঐসব স্বপ্নকে পাত্তা না দিয়ে গাছটি কেটে ফেলার পর শুরু হয় আসাদের বাড়ীর উপর অসহ্য রকমের যন্ত্রনাদায়ক ব্যাপার স্যাপার।
বাড়ীতে তেমন কেউ-ই নেই, কিন্ত হটাৎ ছাদের বাড়ীর ছাদের উপর শুরু হয় আর্মি প্যারেড। ভয়ে যবু থবু বাড়ীর লোক কেউ তখন আর বাইরে বের হয় না। প্যারেডের আঘাতে মনে হয় যেন ছাদ এখনি ভেঙ্গে পড়বে।
বাড়ীতে সবাই আছে, হটাৎ দেখা গেল ধান ভাঙ্গা ঢেকিটা ঢেকির ঘর থেকে বাইরে এসে শুন্যের উপর ভাষতেছে। হটাৎ করে কোত্থেকে যেন শত শত হাড় আর মাথার খুলি বাড়ীর উঠানে বৃষ্টির মতন বর্ষণ হতে লাগলো।

অবশেষে আজিবর কবিরাজকে আনা হয়েছিল, এবং ৫০ জন আলেম ব্যাক্তিকে সাথে নিয়ে সিরিজ ওজিফার মাধ্যমে আসাদ মিয়ার বাড়ীর সেই আশ্চার্য্যজনক ঘটনা বন্ধ করেছিল আজিবর কবিরাজ। তাহলে কি বলব? অবশ্যই জ্বীন আছে!
*****************************************************************
পর্ব-৩
এই সব ঘটনা থেকে আজিবরকে আসলই জ্বীনদের গুরু মানতে আমার কোন আপত্তি হয়নি কোনদিন। আজ এ পৃথিবীতে রাসেল নেই, মন খুব খারাপ লাগে, রাসেল জেগে ওঠে আমার স্মৃতিতে প্রায়শ। আমি নিজেই যেন আজিবরের ছেলে এমনই মনে করে আজিবর, আমিও তাকে আমার বাবার মতই সম্মান করি। কথা হয় মাঝে মাঝে। কিন্ত জ্বীনদের নিয়ে কৌতুহুল আমার শেষ নেই! এই কৌতুহুলের প্রধান কারণ আল-কোরান। কারণ আজ প্রায় ১৫০০ বছর ধরে স্বমহিমায় উদ্ভাষিত এই আল-কোরান। কোরানকে নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই, যারা নাস্তিক তাদের কথা আলাদা, তারা কি বললো না বললো সেসব নিয়ে কথা বলার জন্য পোষ্ট এটা না। তবে অনেক অনেক ইতিহাস প্রসিদ্ধ ব্যাক্তিত্ব, সায়েন্টিষ্ট, দার্শনিক তো এই কোরনাকে বিশ্বাস করে। কালকে জয় করে কোরান হয়েছে এক চির-সত্যের বাণী সংকলন। সেই কোরান-ই স্বয়ং জ্বীন আছে তা ঘোষণা করেছে বার বার। তাই বরাবর-ই আমি এই জ্বীন জাতির উপর কৌতুহল বটে।

আমার অনেক স্বপ্ন নিজে চোখে এই জ্বীনকে দেখা বা জ্বীনের অস্তিত্বকে বুঝতে পারে। কিন্ত আফসোস সেই স্বপ্ন আমার পূরণ হলো না কখনই। তাই দ্বারস্ত হলাম আজিবর কবিরাজের কাছে। কেন যেন বিশ্বাস হয়েছে, পৃথিবীতে জ্বীন বলে যদি কিছু থেকে থাকে তাহলে এই আজিবর কবিরাজ তা জানবে (কেন জানবে? সেটা প্রথম ২ পর্বের ঘটনাগুলই ব্যাখ্যা করে)। যাই হোক, অবশেষে নিজের ইচ্ছার কথা ব্যাক্ত করলাম আজিবরের কাছে। তিনি আমাকে হতাশ করলেন না, বরং একটা নিদির্ষ্ট দিনক্ষণ ঠিক করে দিলেন এবং আমাকে বললেন সেই সময় তার সাথে দেখা করতে, জায়গা হিসাবে ঠিক করে দিলেন একটা গোপনীয় জায়গা। কথামত কাজ। আজিবর মিয়া আমার সামনে, আমাকে প্রশ্ন করলেন কেন আমি জ্বীন দেখতে চাই? বললাম, আমি কোরান বিশ্বাস করি আর হাজার হাজার বছর ধরে জ্বীনদেরকে যে এত এত গল্প, কথা, গবেষণা প্রচলিত রয়েছে কিন্ত নিজ চোখে দেখি নাই তাই আমি এটা জানতে চাই। এর মাধ্যমে হয়তো সৃষ্টিজগতের আরো এক বিষ্ময় সম্পর্কে অবগত হওয়া যাবে।

বৃদ্ধ আজিবর মিয়া আমার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনলেন। আমাকে বললেন, বাবা রাজ আমার অনেক বয়স হয়েছে, কদিন-ই বাঁচবো দুনিয়াতে, তাই তোমার এই আশা আমি পূর্ণ করবো আমার সাধ্যমত। তিনি আমাকে জানালেন অনেক কিছু:

জ্বীন নিয়ে আজিবরের শিক্ষা শুরু হয় সেই বৃটিশ আমলে থেকে। বিরাট এক আলেম ব্যাক্তি তার প্রথম ওস্তাদ। এরপর এই পৃথিবীর বুকে জ্বীন নিয়ে যতধরনের গবেষণা/আরাধণা আছে সবই তিনি পালন করেছেন। তিনি রাতের পর রাত কাটিয়েছেন কবরখানায়, শশ্মানঘাটে, জনশুন্য মাঠে, পুরোনো মন্দিরে, গভীর জঙ্গলে, সমুদ্রের বুকে, শত শত বছরের বুড়ো নীম-বট গাছের ডালে। কিন্ত তার এই সব গবেষণায় তেমন কোন ফল আসে নি। হতাশ হয়েছে বারবার। তিনি কোনদিন কোন জ্বীনের দেখা পাননি!

এরপর উপসংহার হিসাবে বললেন, সারাটা জীবন জ্বীন নিয়ে কাটিয়ে দিলাম, কিন্ত জ্বীন বলে কিছু আছে বলে টার বিশ্বাস হয় না। তিনি মনে করেন জ্বীন জাতি যদি কখনও পৃথিবীর বুকে থেকেও থাকে তবে তারা এখন ধ্বংস হয়ে গেছে, এই পৃথিবীতে তাদের অস্তিত্ব এখন আর নেই! আমি তার কাছে জানতে চাইলাম, তাহলে আপনাকে নিয়ে এট সব ঘটনা রয়েছে এইগুলো কিভাবে সম্ভব। তিনি উত্তর দিলেন, প্রত্যেকটির ঘটনার পিছনেই যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে। এসব ঘটনার কোনটিতেই জ্বীনদের সংশ্লিষ্টতা ছিলা না। আজিবর কবিরাজকে আমি আরো বললাম, আপনি নিজে এরকম মনে করেন তাহলে কেন জনসম্মুখে এটা প্রকাশ করেন না? তিনি বললেন এতে করে শরীয়তের আলেমরা তাকে কাফের বলে ঘোষণা দিবেন, ঝামেলা শুরু হবে।

অবশেষে, কি আর করার! প্রিয় পাঠক আমিও হতাশ হয়েছি, কারণ জ্বীন বলে আদৌ কোন কিছু আছে এরকম কোন প্রমান আমি নিজ চোখে দেখিনি।
*****************************************************************
পর্ব-৪ (শেষ)
জ্বীন দেখিনি, জ্বীনের অস্তিত্ব আদৌ আছে কিনা তা আমার কাছে রহস্যই থেকে গেল! কিন্ত তবুও কথা থেকেই যায়। জ্বীন জাতি বলে কিছু আছে সেই অন্ধ বিশ্বাস আমি করতে পারছি না তবে নেই সেটাও বলছি না। মানুষ তার জ্ঞান দিয়ে যদি কোন দিন প্রমান করতে পারে সেই আশায়।

বিভিন্ন বর্ননায় জ্বীনদের যে চিত্র ফুটে ওঠে তার আলোকে হয়তো কোনদিন সম্ভব হবে জ্বীনদের অস্তিত্ব প্রমান করা!

জ্বীনদের মোটামুটি বর্ননাগুলো এরকম:
১) জ্বীন অদৃশ্য।
২) জ্বীন আলো দিয়ে তৈরি।
৩) জ্বীন খুব দ্রুত বেগে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারে।
৪) জ্বীন আমরা যে সব প্রানী দেখি সে সবের রুপ ধারণ করতে পারে (হয়ত সব প্রানীর না তবে কিছু কিছু হয়তো)।
৫) জ্বীন পৃথিবী বাদে অন্য গ্রহ-নক্ষত্রে চলাফেরার করার ক্ষমতা রাখে।
৬) জ্বীনকে মানুষ নিয়ন্ত্রন করার ক্ষমতা রাখে।
৭) জ্বীন অন্ধকারে থাকতে সাচ্ছন্দ বোধ করে! আলোতে ডিষ্টার্ব ফিল করে!


এই সব বর্ননাগুলো কি একে অপরের সাথে কনফ্লিক্ট করে? বর্তমান বিজ্ঞান অনুসারে কিন্ত তা করে না! কিভাবে?

মনে করি জ্বীন আলো দিয়ে তৈরি। আলোর বৈশিষ্ট্য সত্যিই অদ্ভুত! আলো আসলে বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গ। আলোকে যদি আমরা কোন ফ্রিকোয়েন্সি ব্যাপ্তিতে সীমাবদ্ধ না রেখে, বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গের সম্ভব্য পুরো ফ্রিকোয়েন্সিতে চিন্তা করি তাহলে কিন্ত বিষয়টি জটিল হয়ে গেল। কারণ তাত্বিকভাবে আমরা অসীম ফ্রিকোয়েন্সির বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গ জেনারেট করতে পারি। তাহলে জ্বীন কোন ফ্রিকোয়েন্সিতে তার অদৃশ্য অস্তিত্ব ধারণ করে সেটা গবেষণার বিষয়। তবে আমরা মনে করতে পারি, জ্বীন যদি আলো তথা বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গ দিয়ে তৈরি হয়, তাহলে সে অদৃশ্য হতে পারে এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে খুব দ্রুত যেতেও পারে।

আমরা জানি বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গ শক্তি বহন করে এবং সেই শক্তিকে ভরে পরিবর্তন করা সম্ভব। অন্যদিকে ভরকে শক্তিতেও পরিবর্তন করা সম্ভব। সুতরাং জ্বীন যদি আলো তথা বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গ দিয়ে তৈরি হয় তাহলে সে দৃশ্যমান ভরেও পরিবর্তন হতে পারে তবে সেই ভর দেখতে কেমন হবে সেটা আমি এখন ভাবতে পারছি না।

বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গ অন্য কোন বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গের সাথে ইন্টারএ্যাকশনে যেতে পারে এবং এতে করে তাদের বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয়ক্ষেত্রের পরিবর্তন হতে পারে। সুতরাং জ্বীন আলোতে ডিষ্টার্ব ফিল করতেই পারে। তবে এক্ষেত্রে কথিত যে হিউম্যান চোখে ভিজিবল আলোতেই তারা ডিষ্টার্বড হচ্ছে। এটা গবেষণার একটা ক্লু বৈকি!

জ্বীন যদি বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গ দিয়ে তৈরি হয়, তাহলে বলায় যায় বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গের বিচরণ সমস্ত মহাবিশ্বব্যাপি। আর এই মহাবিশ্বকেই তো নিয়ন্ত্রন করতে চায় মানুষ! সুতরাং জ্বীন তো নস্যি মাত্র।

জ্বীনদের নিয়ে কিন্ত আসলেই গবেষণা হয়! ১৯৮৮ সালে পাকিস্থানের নিউক্লিয়ার সায়েন্টিষ্ট সুলতান বশিরউদ্দীন মাহমুদ ওয়াল ষ্ট্রীট জার্নালে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন জ্বীন হতে পারে রিনিউএবল এনার্জির এক অফুরন্ত উৎস।

যাই হোক ভবিষ্যত সময়ই হয়তো সঠিক তথ্যটি আমাদের সামনে নিয়ে আসবে, হয়তো আমরা জানবো না, কিন্ত মানুষ তো জানবে। আর সেই সাথে হয়তো শুরু হবে সভ্যতার এক নবদিগন্তের অধ্যায়। ক্রমান্বয়ে বস্তবাদী দুনিয়ার দিকে ধাববান বিশ্বে জ্বীন কি হতে পারে কোন গবেষণার বিষয়?

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): জ্বীন-পরীবাস্তবতাও কল্পনাজ্বীন-পরীবাস্তবতাও কল্পনা ;
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৫১ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৪৫
নষ্ট গিটার বলেছেন: আল কোরানে জ্বীন সর্ম্পকে স্পষ্ট বলা আছে। No arg after this.
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৪৭

লেখক বলেছেন: ভাই পুরো পোষ্টটা ভালো করে পড়ার অনুরোধ করছি। আমি এখানে কোরানকে অসম্মান করিনি।

তবে, আল-কোরানে বলা আছে তাতে কি? তাই বলে কি আমাদের গবেষণা থেমে থাকবে?

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৩. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:২৭
আদনান শওকত বলেছেন: ভালো লাগল...:):)
অনেকদিন পর এতো লম্বা পোষ্ট পড়ে আমার ভালো লাগল....
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: কষ্ট করে পড়েছেন, ধন্যবাদ।

৪. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৪২
মোহাম্মদ মজিবর রহমান বলেছেন: জ্বিনকে অস্বিকার করার কোন উপায় নেই।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫০

লেখক বলেছেন: নিজের অভিজ্ঞতা থাকলে শেয়ার করতে পারেন।

৫. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০৮
জিন্নাহ্ বলেছেন: যদি মুসলমান হন তবে বলবো কোরআন শরীফের সূরা জ্বীন নামের সূরাটি পড়তে। জ্বীন আছে কি নাই এ নি্য়ে কোন গবেষণা কেউ করেনা। কেউ বিশ্বাস করে, কেউ করেনা। ব্যাস, এত দূর। যারা বিশ্বাস করে তারা হয়তো গবেষণা কিছু করতে পারে। যারা করেনা তারা বিষয়টাকে পাত্তা দেয়না।

কিছু গাধা, কোরআন এবং ইসলামকে সেকেলে বলে প্রমাণ করতে পারলে খুশি হয়। ওরাই এ ধরণের কিছু বলে প্রগতিবাদী হবার ভাণ করে।

যা হোক, যারা জ্বীনের নামে ভণ্ডামি এবং ব্যবসা করে তাদের উপর বিশ্বাস হারিয়ে জ্বীনের উপর বিশ্বাস হারানো কতটুকু যুক্তি-যুক্ত?

যারা জ্বীনে বিশ্বাস করেননা আমি কি জানতে পারি কেন আপনারা জ্বীনে বিশ্বাস করেননা? কোন যুক্তি? আমার কাছেতো প্রথম প্রমাণ হিসেবে কোরআন আছে, এ ছাড়া নিজে দেখা অনেক ঘটনা।

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫২

লেখক বলেছেন: জ্বী আমি কোরানে বিশ্বাস করি। তাই জ্বীন সম্পর্কে কোন প্রশ্ন তুলতে পারবো না বা জ্বীন নিয়েকোন জিজ্ঞাসা থাকবে না এটা তো নয়।

আপনার নিজের দেখা ঘটনা গুলোই জানতে ইচ্ছে করছে।

৬. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০৯
রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: খুবই যোক্তিক পোষ্ট, চিন্তা ভাবনার সাথে মিল পেলাম। কিন্ত জ্বীন নিয়ে গবেষণার জন্য ফান্ড পাওয়া খুবই মুশকিল।:)

আস্তিক-নাস্তিক ঝগড়াকে এড়িয়ে জ্বীন নিয়ে এ পর্যন্ত যে লেখাগুলো পড়েছি তার মধ্যে এটিই সবচেয়ে ভালো লেগেছে। পোষ্ট প্রিয়তে।



@মোহাম্মদ মজিবর রহমান:
আপনি বলেছেন, জ্বিনকে অস্বিকার করার কোন উপায় নেই। আপনার যুক্তি যদি আমাদের জানাতেন তাহলে আমরা হয়তো বেশ কিছু জানতাম। যদি বলেন কোরানে আছে তাই, তাহলে ভিন্ন কথা।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: জ্বীন নিয়ে আমার অনেক কৌতুহল আছে। ধন্যবাদ স্যার লম্বা লেখটা পড়ার জন্য।

৭. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১২
ভন্ডপি২ বলেছেন: আমি একবার এক পরীর সাথে আলাপ করেছিলাম। পরী আমাকে বলে "তোমার টুপি কই??" পুরাটাই চন্দ্রবিন্দুসহ। এ থেকে বুঝলাম কোকাফ পাহাড়ের ঠান্ডায় জ্বীনপরীদের সবসময় সদিকাশি লেগেই আছে। তাই তো তারা সুযোগ পেলেই আমাদের গরম দেশে চলে আসে।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: ???

৮. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১৭
লুথা বলেছেন: পোষ্ট প্রিয়তে
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: কনফিউজড! :)

৯. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:২৮
হোদল রাজা বলেছেন: আপনি সাহসী মানুষ!!

+
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: নাহ.........অনেক ভিতু, তা না হলে তো আমি নিজেই কবিরাজগিরি শুরু করতাম

১০. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০৭
জ্বীন বলেছেন: জ্বীন !! আছে !! থাকবে ~~
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: জ্বী ব্লগেও জ্বীন হাজির

১১. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১২
জোকার৬৬৬ বলেছেন: একদিন নুনুটা চেইনে আটকা পড়লো, এক পরীকে বললাম খুলে দেও। সে বললো ব্লগে যাও, একজন খুব ভালো পারে ঐটা হ্যান্ডেল করতে।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: জোকারি করলেন নাকি? তাহলে মাইন্ড করিনি।

১২. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:২৯
amhabib বলেছেন: আগুন আর আলো কি এক বস্তু? জানালে উপকৃত হতাম
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: সরাসরি উত্তর হলো "না"।

আগুন থেকে তাপ, আলো ইত্যাদি পাওয়া যায়। তবে তাপ, আলো এসবই কিন্ত শক্তির ভিন্ন রুপ। পোষ্টে আমি জ্বীন আলো দিয়ে তৈরি বলেছি সিম্পলভাবে উপস্থাপনের জন্য, ব্যাখ্যা সরলীকরণের জন্য।

১৩. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০১
মাসুদ মারুফ বলেছেন: বিজ্ঞানকে দিয়ে আল-কুরআনকে বিচার করা বোকামি, কারন বিজ্ঞান কিছুুুদিন পরপর ব্যাকডেটেড হয়ে যায়, দেখা যায় যে আজকে যে জিনিস আবিস্কার হলো তা হয়তো ১৪০০ বছর আগেই আল-কুরআনেই ছিল। খালি চোখে এ্যামিবা না দেখতে পেলেও তার মানে এই না যে এ্যামিবা নেই, সেটি দেখতে হলে বিশেষ চোখ বা ব্যবস'া থাকতে হয়, যেমন মাইক্রোস্কোপ। চোখে না দেখলে সেটা আমাদের দোষ, তদ্রুপ জিনদের উপসি'তি প্রমান না করতে পারাটা আমাদের ব্যাক্‌ওয়ার্ডনেস, আল-কুরআনের এতে করার কিছু নেই।
আর যদি হাতেনাতে প্রমানের কোনো কথা বলা হয়, তাহলে বিদেশী ডকুমেন্টারী দেখুন, এরকম একটা দেখেছিলাম ডিসকভারিতে, যেখানে তারা ক্যামেরাতে আবছা আলোর দেখা পায়, বস'ত তারা বিষয়টিকে সঠিক ব্যাখা দিতে পারে না বলেই এড়িয়ে যায়, কিন' এরকম অদ্ভুত কোনো ব্যাপার যে নেই তা তারা বলে না। আসলে জিনদের প্রমান করা আমাদের এই বিজ্ঞানে সম্ভব না, হয়তো ভবিষ্যতে একদিন হবে।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০২

লেখক বলেছেন: আসলে জিনদের প্রমান করা আমাদের এই বিজ্ঞানে সম্ভব না, হয়তো ভবিষ্যতে একদিন হবে।

এই বিজ্ঞান মানে কি বর্তমান বিজ্ঞান বুঝালেন? বর্তমানের বিজ্ঞানই কিন্ত ভবিষ্যত বিজ্ঞানকে গড়ে তুলবে।

বিজ্ঞানকে দিয়ে আল-কুরআনকে বিচার করা বোকামি, আপনার এই বক্তব্যের সাথে আমি একমত।

১৪. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৬
বাংলা আমার প্রাণ বলেছেন: আপনি খুব সুন্দর লিখেছেন। কিন্তু আল্লাহ জীন জাতিকে এমন ভাবে রেখেছেন যেন মানুষ তার অস্তিত্ব সহজে প্রমাণ করতে না পারে। যদি জীন জাতির অস্তিত্ব প্রমাণ হয়ে যায় তাহলে পৃথিবীর মানুষ সব মুসলমান হয়ে যাবে। আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমাণ হয়ে যাবে। আল্লাহ মাটি দিয়ে যেমন মানুষ বানাতে পারে তেমনি আগুন দিয়ে জীন বানানো তেমন কঠিন কোন বিষয় নয়। জীন আছে এটা মুসলমানদের বিশ্বাস করতেই হবে।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

আপনি জ্বীনে বিশ্বাস করুন তাতে আমার আপত্তি নেই, আমার প্রশ্ন আপনি নিজে জ্বীন দেখেছেন কিনা? দেখে থাকলে অভিজ্ঞতাটা শেয়ার করতে অনুরোধ করছি।

আমিও কিন্ত জ্বীনে বিশ্বাস করি তাই আমার এত আগ্রহ।

১৫. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৩
রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: @জিন্নাহ্:

পোষ্টটি পড়ে কিন্ত আমার মোটেও মনে হয়নি যে লেখক কোরানকে আসম্মান করেছেন। কোরানে তো অনেক কিছুই আছে কিন্ত তাই বলে মানুষের গবেষণা তো আর থেমে থাকতে পারে না, বরং নলেজ অর্জন করতে কোরান-ই তো উৎসাহিত করে। লেখক এখানে তার নিজ্বস চিন্তা-ভাবনা তুলে ধরেছেন।

যাহোক, আপনি বলেছেন:
"যারা জ্বীনে বিশ্বাস করেননা আমি কি জানতে পারি কেন আপনারা জ্বীনে বিশ্বাস করেননা? কোন যুক্তি? আমার কাছেতো প্রথম প্রমাণ হিসেবে কোরআন আছে, এ ছাড়া নিজে দেখা অনেক ঘটনা।"

আমি আপনার কাছে সবিনয়ে জানতে চাই, আপনি নিজে কি এমন ঘটনা দেখেছেন যাতে করে প্রমান হয় জ্বীন আছে? আশা করি জানাবেন।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০০

লেখক বলেছেন: জ্বী আমি কোরানকে অসম্মান করিনি আর তা পারিও না।

১৬. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫২
এনটনি বলেছেন: ৫ নং পয়েন্ট ছাড়া বাকি সব কয়টাই মিলেছে .....
নিজে দেখা থেকে বলতে পারি, জ্বীন আছে.....
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৪

লেখক বলেছেন: সমষ্যাটাই তো ভাই এই জায়গায়, আপনি জ্বীন দেখেছেন কিন্ত আমি দেখিনি।

আমাকে দেখানো যাবে?

১৭. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৮
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: জ্বীন আলোর তৈরি বলে তড়িৎ চৌম্বকীয় তত্ত্ব তালাশ করতে লাগলেন দেখে মুগ্ধ হলাম। আপনার পিতৃ পুরুষের ধর্মে মানুষকে বলা হয়েছে কাদা মাটির তৈরি। বিল গেটস বা মাইকেল জ্যাকসন কাদা মাটির তৈরি বলে দেখুন, বিজ্ঞান মনষ্ক লোক হা রে রে করে উঠবেন। আপনার পিতৃ পুরুষের ধর্ম মতে ঈদের নামায পড়তে যাওয়া লোকদের নাকি রাস্তার দু'ধারে ফেরেস্তারা দাড়িয়ে অভিনন্দন জানাতে থাকে। সেখানেও আমার ফেরেশতা দেখার খায়েশ হয় খুব। যতদূর জানা যায়, জ্বীনেরা আগুনের তৈরি, আর ফেরেশতারা আলোর। এখন তাদের অস্তিত্বের মাঝে কাদা মাটির মত আলো-আগুন খুজতে যাওয়া আরেক প্রকার বুদ্ধিমানের কাজ।

২১ শতকে দাড়িয়ে এ প্রজন্ম বুক ফুলিয়ে সংস্কার মুক্ত হয়ে বলতে পারে জ্বিন বলে কিছু নেই, ছিলনা। এতে করে কোরআন শরীফের "সূরা জ্বীনের" ভিত্তিকে অস্বীকার করা হয় এবং আপনার পিতৃপুরুষের বিশ্বাসের স্রষ্টা আল্লাহকে মিথ্যাবাদী বানোয়াট গল্পকার হিসেবে প্রতিপন্ন করা হয়। আর নবীর সাথে জ্বীনের কাহিনী-সংসর্গ এর সাথে সাথেই ভুয়া প্রমাণিত হয়।

আফটার অল, যারা মনে করেন, কোরআন নিরক্ষর নবীর নিজের হাতে লেখা সাহিত্যকর্ম তাদের জন্য "জ্বিন সংক্রান্ত এ মিথ্যাচার" প্রমাণ করাটা একদম সোজা । চাক্ষুস প্রমাণের যুগে কেই বা বিশ্বাসের পরোয়া করে বলুন?
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ স্যার।

কোরান/পিতৃধর্ম/বিশ্বাস এসবের বাইরে গিয়েই বলি, এই পোষ্টেই দেখুন অনেকে বলছেন "জ্বীন আছে এই প্রমান তারা দেখেছেন" বা "তারা নিজেরাই জ্বীন দেখেছেন"। তারা দেখলো আমি দেখলাম না।

আবার এই দেখা না দেখার তোয়াক্কা না করেই জ্বীন নিয়ে কত ব্যবসাও চলছে, এই পোষ্টকি সগুলো নিয়েই আলোচনা নয়?

জ্বী, আমাদের ধর্ম মতে জ্বীন আগুন দিয়ে তৈরি। একমত।
চাক্ষুস প্রমাণের যুগে কেই বা বিশ্বাসের পরোয়া করে বলুন? কথাটি ভালো লেগেছে।

১৮. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৪
নীল বেদনা বলেছেন:
পছন্দ হইছে।

জ্বীন দেখার প্রয়োজন নাই কারন সেটা তাদের আসল রূপ না। তবে নিশ্চিত ভাবে কখনো কখনো তাদের অস্তিত্ব অনুভব করা যায়। বিশেষ করে আধো-ঘুম জাগরণে।

কিছু সময় শয়তান ডিস্টার্ব করে। ইনফ্যাক্ট শয়তান জ্বীনই।

স্বয়ং নবীরে জ্বীনে আগুন মারতে গেছিল! ৩ বার নবীর ক্ষতি করতে চাইছিল। নবী যখন জ্বীনের সাথে কথা বলতেন তখন সাহাবীদের দূরে রাখতেন।

আয়াতুল কুরসী সবাই শিখ্খা রাইখেন। এডাই সবচেয়ে কার্যকর সুরক্ষা দিতে পারে। এছাড়াও একত্রে সুরা ফাতেহা, নাস ও ফালাক পড়লেও হয়।

সবই দুষ্ট জ্বীনদের জন্য। ভাল জ্বীনদের জন্য প্রয়োজন নাই।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১১

লেখক বলেছেন: আফসোস অনেকেই জ্বীন দেখে, তাদের অস্তিত্বও অনুভব করে, আমি দেখিনা।

আপনি জ্বীনে বিশ্বাস করুন তাতে আমার আপত্তি নেই, আমার প্রশ্ন আপনি নিজে জ্বীন দেখেছেন কিনা? দেখে থাকলে অভিজ্ঞতাটা শেয়ার করতে অনুরোধ করছি।

১৯. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩১
িকম্ভূত িকমাকার বলেছেন: পোস্টটি আগ্রহব্যাঞ্জক।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৬

লেখক বলেছেন: কি বলেন? অনেকেই আবার হতাশও হচ্ছেন।

২০. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৫
হুমায়ুন_কবির_হাকিম বলেছেন: আমি জ্বীন জাতিতে বিশ্বাস করি, আল্লাহ্‌পাক বলেই দিয়েছেন তিনি জ্বীন এবং মানব-জাতিকে সৃষ্টি করেছেন। তবে জ্বীন আছে ইহা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ যাবে বলে আমার মনে হয় না।

বিজ্ঞান এবং আধ্যাত্বিক, দুইটা আলাদা ব্যাপার। আগে কেউ অনু-পরমানুতে বিশ্বাস করত না, এখন করে। কারণ এখন কোয়ান্টাম মেকানিক্স অনেক কিছুকেই দেখার উপযোগী করে তুলেছে। চোখ দিয়ে বটগাছ দেখা, কোয়ান্টাম মেকানিক্স দিয়ে ফোটন দেখা দুইটা ভিন্ন জিনিষ। তাই বলে কোয়ান্টাম মেকানিক্স দিয়ে জ্বীন দেখা যাবে ইহা আশা করা বোকামী এবং নিজেকে "অতি-বিজ্ঞানমনস্ক" প্রমাণ করার প্রয়াশ মাত্র। বরং নিজেকে "ভেড়ার দলে বাছুর প্রধান" হিসেবে উপস্থাপন করার মত ভন্ডামী বলেও আখ্যা দেয়া যায়। বোকা/অশিক্ষিত/অর্ধ-শিক্ষিত আস্তিকদের সাথে কুশিক্ষিত/ভন্ড "বাছুর" নাস্তিকরা যা মাঝে-মাঝেই করে থাকে।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনি বলেছেন: তবে জ্বীন আছে ইহা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ যাবে বলে আমার মনে হয় না।

কিন্ত অনেকে তো জ্বীন দেখেছে তার প্রমান এই পোষ্টের কিছু মন্তব্য দেখলেই পাবেন। তাহলে তারা কি মিথ্যাবাদী?

আমি প্রমান করতে চাইনি জ্বীন আছে কিনা, আমি শুধু সম্ভাবনার কথা বলেছি ২/১ টি পুট-পাট কথা লিখে।

২১. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪০
হুমায়ুন_কবির_হাকিম বলেছেন: ওহ!! আপনার পোষ্ট যে ভাল হয়েছে এটা বলতে ভুলে গিয়েছি। অবশ্যই অনেক চিন্তার খোরাক যোগানোর মত এবং চিন্তাযুক্ত পোষ্ট।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: হুমম...........আমি কিন্ত জ্বীনে বিশ্বাস করি যেহেতু আমি মুসলিম।

২২. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৩
সন্ধা তাঁরা বলেছেন: চরম আলোচনা দেখি...........ভাই আপনারা যারা বললেন যে জ্বীন দেখেছেন তারা কিভাবে দেখেছেন কেউ তো বললেন না।

লেখকের মত আমিও আপনাদেরকে অনুরোধ করছি, আপনারা জ্বীন দেখে থাকলে কিভাবে দেখেছেন বা প্রমান পেয়েছেন একটু শেয়ার করুন প্লিজ। নাকি আপনারা শ্রেফ মিথ্যাবাদী।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৭

লেখক বলেছেন: আপনিই বুঝলেন!

২৩. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৮
ওয়।িসফ বলেছেন: মাথা খারাপ। । ।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫৮

লেখক বলেছেন: না ভাই মাথা খারাপ কইরেন না। ভালো করে রাখেন নতুবা সাবই বলবে আপনাকে জ্বীনে পেয়েছে।

২৪. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:২০
জিন্নাহ্ বলেছেন: য হোক ভাল লাগলো যে জ্বীন আছে এ নিয়ে অনেকের সংশয় নাই। আমরা এ ও একমত যে জ্বীন দেখা যায়না; অন্তত আসল রূপে। তাই বারবার জ্বীন দেখার কথা আসছে কেন? কোন কিছুর অস্তীত্ব প্রমাণ করতে হলে তার দৃশ্যমান হওয়াটা জরূরী নয়।

যা হোক যারা ছোট বেলাটা গ্রামে কাটিয়েছেন তারা হয়তো কখনো পরালৌকিক- কোন ঘটনা দেখে থাকবেন। যার অনেক কিছুই জ্বীন দ্বারা সংঘটিত। জদি প্রশ্ন তোলেন আমি কিভাবে জানি যে ওই গটনাগুলু জ্বীন দ্বারা সংঘটিত? তাহলে অন্য প্রসঙ্গ.।

সত্যিকার জ্বীনে আছড় করেছে এমন কাউকে কখনো দেখেছেন? দেখা গেছে অনেক জ্বীনে ধরা ব্যক্তি পাগলামি করে, যাকে আমরা মানষিক অসুস্হতা বালার সুযুগ আছে। কিনতু এমন কখনো দেখেছেন যে জ্বীনে ধরা ব্যক্তি এমন সব কথাবার্তা বলেছে যা ঐ ব্যক্তির knowledge এর বাহিরে। ঘটনা যদি বলতে বলেন আমি আমার দেখা বেশ কতগুলু ঘটনা শেয়ার করতে পারি। হয়তো কাল। বাংলা টিইপ করতে আমি ভাল পারিনা, ভাই!
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০১

লেখক বলেছেন: সেই ভাই ঘটনা ঘুরে ফিরে ঐ আজিবর কবিরাজের মত। আমি যে ঘটনাগুলো উল্লেখ করেছি সেগুলোই তো জ্বীনের কান্ড কারখানায় ছিল, কিন্ত জানা গেল এসবের পিছনে কোন না কোন কারণ বিদ্যমান। সো, জ্বীন থাকলেও তা মানুষ দেখেছে এই ধরণের কথা আমার কাছে ভন্ডামী-ই মনে হয়। নবী-রাসুল (স) এর সময়কার কথাটা বাদ দিলাম কারণ তাদের কাছে মাজেজা ছিল।

২৫. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৮
হুমায়ুন_কবির_হাকিম বলেছেন:
লেখক বলেছেন: কিন্ত অনেকে তো জ্বীন দেখেছে তার প্রমান এই পোষ্টের কিছু মন্তব্য দেখলেই পাবেন। তাহলে তারা কি মিথ্যাবাদী?

অলৌকিক ক্ষমতাবাদে যারা দেখেছেন তারা হয় ধাঁধাঁ (যার ব্যাখ্যা তারা জানে না যেমন বাতাসের সংস্পর্শে মিথেন গ্যাসের প্রজ্বলনকে ভুতের আলো বলে চালিয়ে দেয়া) দেখেছেন, না হয় মিথ্যা বলেছেন। আবার আল্লাহ্‌র কালাম ব্যবহার করে জ্বীনকে বস করা যায় বা তাদের সাথে কথা যায় বলে আমি শুনেছি, বাস্তবতা সম্পর্কে আমি নিশ্চিত নই।

আপনাকে ধন্যবাদ।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩৭

লেখক বলেছেন: সহমত।

২৬. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩২
নীল বেদনা বলেছেন: আসিফ বাই,

আপনে কি জ্বীন সম্পর্কে আরো জানতে চান না কি ঘটনা শুনতেন চান?

আমি না শুধু এই পযর্ন্ত বহুত মানুষেই দেখছে। তয় আমি আর দেখতে চাই না।

জ্বীন, শয়তান, পেরেত ইত্যাদি লইয়া কিচু লেকালেকি আছে।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩৬

লেখক বলেছেন: মাইনাস দিয়ে খুশি হয়েছেন তো?

আমি জ্বীন দেখতে চাই, সে ব্যবস্থা করতে পারবেন?

২৭. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০৫
জিন্নাহ্ বলেছেন: "জ্বীন জাতীর বিষ্ময়কর ইতিহাস" বইটা বাইতুল মোকারম থেকে কিনে পড়ুন।তথ্যবহুল বই। ভাল লাগবে।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:১২

লেখক বলেছেন: আশা করি কিনবো এবং পড়বো।

তবে জ্বীনের উপর যে সব বই পড়েছি (কোরানের বর্ননা ছাড়া) তার বেশিরভাগই আমার কাছে রাক্ষসের গল্প ছাড়া আর কিছুই মনে হয়নি।

২৮. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৪৫
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: তবে জ্বীনের উপর যে সব বই পড়েছি (কোরানের বর্ননা ছাড়া) তার বেশিরভাগই আমার কাছে রাক্ষসের গল্প ছাড়া আর কিছুই মনে হয়নি|

ফেরেশতাকূল বিষয়ে আপনার কি মন্তব্য, আসিফ? ফেরেশতা মানেই যে ফুলের মত পবিত্র দর্শন কিছু তা কিন্তু নয়। নবীর কাছে ওহী নিয়ে আসত যে ফেরেশতা, তারা নাকি মানুষের রূপ ধারণ করতে পারত, আসল চেহারা তাদের বিকট দর্শন। অন্তত স্রষ্টার কনডেম সেলের হেড ড. আজরাঈলের বিকট মূর্তির কথা শোনা যায়। বদরের যুদ্ধে ৩১৩ জন মুসলিম নাকি ১০০০+ কাফের বাহিনীকে হারিয়েছিল, তাতে নাকি বেশ কয়েক ফেরেশতার অংশ গ্রহণ ছিল। আপনার চর্ম চক্ষের বিশ্বাস মতে এবসই কিন্তু বুজরুকি গাল গল্প।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫৬

লেখক বলেছেন: ভালো পয়েন্ট তুলে নিয়ে এসেছেন স্যার।

লক্ষ্য করুন, ২৪ নং কমেন্টের জবাবে লিখেছি
"সেই ভাই ঘটনা ঘুরে ফিরে ঐ আজিবর কবিরাজের মত। আমি যে ঘটনাগুলো উল্লেখ করেছি সেগুলোই তো জ্বীনের কান্ড কারখানায় ছিল, কিন্ত জানা গেল এসবের পিছনে কোন না কোন কারণ বিদ্যমান। সো, জ্বীন থাকলেও তা মানুষ দেখেছে এই ধরণের কথা আমার কাছে ভন্ডামী-ই মনে হয়। নবী-রাসুল (স) এর সময়কার কথাটা বাদ দিলাম কারণ তাদের কাছে মাজেজা ছিল।"

আবার ২৭ নং কমেন্টের জবাবে লিখেছি
"জ্বীনের উপর যে সব বই পড়েছি (কোরানের বর্ননা ছাড়া)"

তার মানে এই দাঁড়ায় কোরানকে আমি অবিশ্বাস করি না, বরং কোরানে জ্বীনের অস্তিত আছে বলেই জ্বীন নিয়ে আমার কৌতুহল বেশি। প্রশ্ন কেন ফেরেশ্তাকে নিয়ে নয়?, কারণ, আমাদের সমাজের আশে পাশের লোকজন, বা ./১ পুরুষ আগে কেউ ফেরেশ্তা দেখেছে বলে দাবি করে না।। আবার জ্বীনকে মানুষ দেখতে পারবে না, এমন কথা কোরানে কোথাও বলা আছে কিনা এ মূহুর্তে মনে পড়ছে না।

সুতরাং ফেরেশ্তাকে আমি ভাবিনি, আবার আমি ভাবিনি বলে যে আপনি বা অন্য কেই ভাববে না তেমনও না।

এই পোষ্টের প্রথম পর্ব পড়লেই সব জ্বীন নিয়ে কেন কৌতুহল সেটা স্পষ্ট হয়, অসংখ্য মানুষ সেই আদিকাল থেকে জ্বীন দেখে আসছে, এবং এখহনও দেখছে এমনকি সহ ব্লগারদেরও অনেকজন দেখছেন এইখানেই আমার আপত্তি। আমার কাছে মনে হয় তারা কোন এক ভয়/কল্পনা/হটাৎ কোন ভ্রম/কোন কো-ইনসিডেন্স এসব কে জ্বীন বলে চালিয়ে দিতে চায়।


আশা করি আমার পর্যবেক্ষণ কি এবং কাকে ঘিরে তা বুঝতে পারবেন।

২৯. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:২৯
এস বাসার বলেছেন: আপনার লেখাটা বেশ ভালো লাগলো। জ্বীন নিয়ে আমার ভাবনায় কিছুটা নতুনত্ব যোগ হলো।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বাসার ভাই।

৩০. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫৪
িসপাহী বলেছেন: প্রিয়তে নিলাম। ধন্যবাদ।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৭

লেখক বলেছেন: :)

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২৬

লেখক বলেছেন: :) যে বলবে জ্বীন দেখেছে সে, ভাববেন তার মত মিথ্যাবাদী আর কেই নাই...................

৩২. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৪৫
মাহমুদহাসান বলেছেন: ভাইরে এইটা আর বলতে.....কত চেষ্টা করলাম একখান জ্বীন এট্টু দেহি একদিন....তিনারা আমারে ভালা পায় না......দেখতার্লাম না একদিনও.... /:) /:) /:) /:) /:)
৩৩. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:৩২
নতুন বলেছেন: ভাই আপনার জিঙ্গাসা চমৎকার......

জীন নিয়া যা চলে তার ৯৯.৯৯% ধান্দাবাজী... আর ০.০০১% রহস্য...

কিছু জিনিস চিন্তা করেন???

** আগে গ্রামে গঙ্জে সব জায়গায়তে জীন/পরী/ভুত/প্রেতের দেখা পাওয়া যাইতো এখন এরা কই গেছে???

** যদি জীনদের সাহাজ্যে কস্টকর কাজকরা যায়??? তবে তাদেরকে দিয়া আমরা পদ্মাসেতু বানাতে পারি.... জীন এক্সপাট`া সবাই মিলা জীনের সাথে আলোচনায় বসতে পারি.... তাদের সাথে একটা সমঝোতায় আসতে পারে মানব জাতী...

** যারা জীনদের সাথে যোগাযোগ করতে পারে তারাতো অসীম ক্ষমতার অধীকারী হইতে পারে.... একটা যুক্তি দেয় সবাই যে এরা ভালো মানুষ.... কিন্তু আমার প্রশ্ন হইলো... এযাবদ কোন খারাপ মানুষ জীনদের বসকরতে পারেনাই???

** জীন শুধু মাত্র আমাদের দেশেই আছে??? অন্য দেশে নাই কেন?? আপনি চায়নায়/জাপানে/আমেরিকায় জীন পাবেন না... কিন্তু অন্য জিনিসের গল্প শুনতে পাবেন... কেন??? কারন মানুষ এইসব বিশ্বাস করে... তাই ঐদেশের মানুষেরা ওদের মতন করে গল্প বানিয়েছে...

** জীনের সাহাজ্য নিয়া মানুষের চিকিৎসা করে অনেকে??? যদি এই বিদ্যা সত্যই কাজের জিনিস হইতো... তাহলে বিশ্বে দেশে দেশে জীনের চিকিৎসার হাসপাতাল খুলতো সব সরকার.... এতো কস্টকইরা ডাক্তারী পড়াশুনা করতে হইতো না....

সোজা হিসাব.... প‌্যরাসিটামল খাইলে ব্যথা কমে.... তাই সারা বিশ্বে ব্যথার অসুধ হিসেবে মানুষ প‌্যারাসিটামল ব্যবহার করে....


জীনের বিশ্বাস আমাদের এখনো আছে কারন ঔটা কোরআনে উল্লেখ আছে....

যারা কোরআনে বিশ্বাস করে তারা জীনকে অবিশ্বাস করবেনা....

এই থিউরিই আমাদের দেশের ভন্ড ফকির/পীর/ওঝারা ব্যবহার করে...

আপনি নেজেই পরিক্ষা করতে পারেন.... এক গ্লাস পানি নেন.... এতে লবন গুলান... লোকজনকে খেতে দেন .... বলুন এইটা ওমুক হুজুর পইড়া দিসে....

সে বলছে যে সতী নারীর সন্তানেরা এই পানিতে মিস্টি স্বাদ পাবে....

আপনার কয়েক বন্ধুকে বলুন যে তারা টেস্টে কইরা বলবে যে হ্যা পানি মিস্টি লাগতেছে.... পরে উপস্থিত সবাইকে খেতে দেন দেখন কত জন বলে যে তাদের কাছেও পানি মিস্টি লাগতেছে.... :) আমার তো মনে হয় আপনি কয়েক জনকে পাবেন যাদের কাছে পানি মিস্টি লাগবে... ;)

সকল কুসংস্কার দূর হউক.... আলো আসবেই.... ধন্যবাদ
৩৪. ১১ ই মার্চ, ২০১১ দুপুর ১:৩৪
বাংলার নদী বলেছেন: পাকিস্থানের নিউক্লিয়ার সায়েন্টিষ্ট সুলতান বশিরউদ্দীন মাহমুদের মত লোকেরা কেন যে অবৈজ্ঞানিক কথা বলে। এই রকম অন্ধ বিজ্ঞানীদের নিয়ে সাধারন মানুষ বিভ্রান্ত হয়।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৮৭৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কিছু কমু না
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই