somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আবার উড়াল দেওয়া........<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /> " style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

অনেকটাই মায়া পড়ে গেছিল অনেক কিছুর উপর...Home sweet home .... এর উপর মনে হয় আর কিছুই নাই.........

লেখাটা লিখছি বাংলাদেশ এয়ারপোর্ট থেকে.....প্রথমে ভাবছিলাম না জানি কেমনে ফাপড় দেয়........পড়ে যখন ইমিগ্রেশান অতিক্রম করলাম না বাচলাম কোনো রকম কোনো ফাপড়ের মাঝে পড়ি নাই......<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

কিন্তু মনে হইছে ওরা পারলে আরও সুশৃঙ্খল ভাবে করতে পারে.....কিছুটা ইচ্ছার অভাব কিছুটা মনে হয় প্রশিক্ষনের অভাব......

যাই হোক ধীরে ধীরে সবই ঠিক হয়ে যাবে আশাকরি.....]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28998783 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28998783 2009-08-24 04:04:07
নাম নিয়ে কিছু কথা.......<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />
গতকাল রাতে ছোটবেলার এক দোস্তের সাথে কথা কইতে ছিলাম....কইতে কইতে কয় আচ্ছা সামহোয়ার রে যদি আমি তোমার ব্লগ খুঁজে বের করতে চাই কি করতে হবে? যাইহোক যেমনে কইলাম তেমনে নাম বের কইরা কয় ঐ যে "অরুনাভ খবিশ " না কি জানি আছে ঐটা তোমার ব্লগ নাকি? <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />..... কইলাম দুরু মিয়া রাতবিরাতে কি কও? পরে দেখি অরুনাভ দিয়া সার্চ দিলে অরুনাভের সাথে আসে অরুনাভ খাসনবিশ..... বান্দরটা খাসনবিশরে খবিশ বানায়ে আমার সাথে জুইড়া দিছে.....

বাইরে থাকার সময়ও দেখি পাবলিকে আমার নাম উচ্চারন করতে পারে না.....একজনরে কইলাম অরুনাভ...কয় অর্নভ.....যতই কই অর্নভ না...অরুনাভ ....কে শোনে কার কথা.....<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />
ইংরেজীতে আমার নামের বানান লেখি ARUNAVA .....।সে হিসেবে মালয়েশিয়ার বেশীরভাগ বন্ধুবান্ধব ই ডাকে "আরুনাভা"...ওদের কেমনে বুঝাই এটা আরুনাভা না অরুনাভ.......পরে ঠিক করলাম একটু ছোটো কইরা কই "অরু"....ওমা দেখি সবাই "অরু" রে "আরু" বানায় দিছে....<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

রেসিডেন্সিয়ালে পড়ার সময় আর এক দোস্ত দেখি আমার নামের পুরাই কবিতা বানায় ফেলাইছে......"অরু-গরু-তরু-ভরু" <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

কিছুদিন আগে ঢাকা থেকে বগুড়ায় আসছিলাম....টিকেট কাটার সময় নাম জিগাইলে কইলাম অরু...আমার দিকে কড়া চোখে তাকায় কয় "উরু" আবার কেমন নাম?<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />......

মাঝে মাঝেই মজা হয় আমার ডাক নাম নিয়া..... আমি হওনের সময় বাপে মনে হয় ভাবছিল মেয়ে হবো....তাই নাম ও সেভাবে ঠিক করেছিল....পরে যখন দেখলো ছেলে .... দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাবার মতো সে নামটাই সিল মাইরা দিল পিঠে ডাকনাম হিসেবে...."মুনমুন".... এলাকায় বা বন্ধু বান্ধবের কাছেই বেশী পরিচিত আমি অরুনাভের চাইতে মুনমুন বলে.....<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

গতরাতে যখন দোস্তের সাথে কথা কইতে ছিলাম তখন দূর্ভাগ্য বশত দোস্তের বৌও দোস্তরে ট্রাই করতাছিল....একটু পর দোস্ত কয় আমি কল দিতাছি.....দোস্ত অন্য একটা মোবাইল থাইকা কল দিছে....মজা কইরা কথা কইতাছি ..... এমন সময় দোস্তের বৌ আবার কল দিছে.....দিয়াই দোস্তরে ঝারি এত রাতে কার সাথে কথা কও? দোস্ত সরল মনে কইলো "মুনমুনের" সাথে......<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />.......আর কই যায় মুনমুন মানে? কোন মাইয়া? কেমনে কি?

আমি তো হাসতেছি বন্ধুর তো তো শুইনা.....কয় না না মেয়ে না অরুনাভ দা.....কিসের কি.....কার কথা কে শোনে....

পরে কন্ফারেন্স কল কইরা দোস্ত তার সতিত্ব রক্ষা করলো......<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28991429 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28991429 2009-08-10 01:45:54
বেকুবের রেডিও শোনা আর কিছুটা ফটোশুট......<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />
সমস্যা হইলো এবার একখান রেডিও জোগার করতে হবে। বাসায় খুঁজে কোনো রেডিও পাই না। যে মোবাইল ব্যাবহার করতাম তাতে কেবল মাত্র কি প্যাডের কি গুলি আছে....আর কিছুই নাই। ঠিক করলাম না টেনশান করে লাভ নাই এক খান রেডিও কিনা ফেলাবো।

যারেই কই রেডিও কিনবো সেই কেমন করে তাকায়। প্রথমে বেশ কনফিউজড ছিলাম সবাই এমন করে তাকায় কেন? সমস্যা কোথায়? পরে ঠিক করলাম না আগে কিনা ফেলাই পরে দেখা যাবে সমস্যা কোন জায়গায়।

মামাত ভাইরে বলতেই এমন ভাব করলো যেন ওরে কইছি গাড়ি কিনা গিফ্ট কর...পরে চোখ কান বুইজা এক বন্ধুরে সাথে করে একখানা রেডিও কিনলাম...ছোট খাটো আট ব্যান্ডের...<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

রেডিও কিনা তো আমার খুশী দেখে কে... মনে হয় পুরা রাজ্য জয় করে ফেলাইছি।

রাতে রেডিও চালাইছি....এফ এম এ নব ঘুরাইছি দেখি .... ওমা শুধু ফ্যা ফ্যা শব্দ হয়। এদিকে মোচরাই ও দিকে মোচরাই চার দিকেই কেবল ফ্যা ফ্যা শব্দ...<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

যাই হোক ঘুরাইতে ঘুরাইতে একবার চাঙ্কুর চান্তেকের গলার স্বর শুনে থামলাম....কান খাড়া করি....কান সোজা করি চান্তেকের চ্যা চ্যা শব্দ ছাড়া আর কিছুই বুঝি না...<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

একটু পরে অন্য চ্যানেলে মিউজিক বাজতেই আমি তো খুশিতে আত্মহারা.... ওমা মিউজিক বাজতেছে তো বাজতেছেই......পাচ মিনিট যায়...দশ মিনিট যায়....মিউজিক আর শেষ হ্য় না... বিশ মিনিট পর বুঝলাম চ্যানেল বন্ধ হয়ে গেছে আর মিউজিক ছেড়ে রেখে বেকুব আমারে আরও বেকুব বানাইছে......<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

পরে রাতে আবার মামাত ভাইরে কল দিছি...ঐ এফ এম শোনা যায় না কেন?
আমারে কয় এখানে কি এফ এমের টাওয়ার আছে যে তুমি শুনবা...ফ্যা ফ্যা শব্দ শুনতে পাইতেছ তাই অনেক বেশী........<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

পুরা বেকুব হয়ে কিছুক্ষন বসে থেকে রেডিওটা প্যাকেট করে রেখে দিলাম.....<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

আমার সাধের রেডিওটার কিছু ফটোশুটিং দিলাম......
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28982806 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28982806 2009-07-24 01:10:30
মামনির বাগানের ফুল আর একটা নতুন পরিবারের ছবি.....<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />


মধুমঞ্জরী


জুঁই



জবা


নাইট কুইনের কলি


গোলাপ


রংগন


শংখ চক্র গদা পদ্ম ( ঝুমকালতা )


এবার একটা পরিবারের ছবি......


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28980228 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28980228 2009-07-19 00:48:23
স্বপ্ন.......
পড়তে পড়তে মনে হলো একটা বাড়ি মানে তো কেবল ইট-সুড়কি-লোহার গাঁথুনি নয়---নয় সিমেন্ট টাইলস এর খেলা-- না আধুনিক ফিটিংসও নয়--আমার কাছে মনে হয় একটা "স্বপ্ন" । এক একটা বাড়ির সাথে মিশে থাকে কত স্বপ্ন....হয়তো ভালোবাসা ঘৃণাও থাকে...থাকে আনন্দ দুঃখ বেদনা সবকিছুই। কিন্তু কেন জানি আমার কাছে মনে হয় স্বপ্নটাই যেন অনেক বেশী।হয়তো সবাই মিলেমিশে থাকার স্বপ্ন...মাথা গোঁজার নিজস্ব ঠাঁই এর স্বপ্ন...দম্ভ করার স্বপ্ন...ভালোবাসা বা ঘৃনা করার স্বপ্ন...ইর্ষারও স্বপ্ন হতে পারে...হতে পারে হাসি কান্নার স্বপ্ন....কত স্বপ্নই হতে পারে।

যখন দেখি জমিতে মাটি কাটা হচ্ছে তখন মনে হয় স্বপ্নের বুনন হচ্ছে। এটা যেন ঘরের ভিত্তিপ্রস্তর নয় স্বপ্নের ভিত্তি।পিলার গুলোর দিকে চেয়ে চেয়ে দেখি স্বপ্নের পিলার গুলো কতটা মজবুত?একলাইনের উপর যখন আরেক লাইন ইট গাঁথা হয় মনে হয় স্বপ্ন গুলো যেন সারি সারি দাড়ায় আছে। সিমেন্টের আস্তর পড়ে মজবুত হচ্ছে। ছাদ ঢালাই হয়ে গেলে মনে হয় স্বপ্ন গুলো যেন একটা ছাদ পেল...থাকার জায়গা পেল...এবার ঘুরে বেরাবে এঘর সেঘর। ঘর রং করা রা সাজানোর সময় মনে হয় স্বপ্ংুলো যেন রং পাচ্ছে জীবনের স্বাদ পাচ্ছে নতুনের।হয়তো কারো জন্য কিছু কম পড়ে কারো জন্য কিছু বেশীপড়ে টার পরও তো স্বপ্ন গুলো ডানা মেলার সুযোগ পাচ্ছে -- তাই বা কম কি?

যেদিন সিংহ দুয়ার শেষ হয় মনে হয় সবাই যেন স্বপ্ন গুলোর মাঝে ঢোকার রাস্তা পেল। গৃহ কর্তা বা গৃহ কর্তীর মুখে থাকে হয়তো লজ্বা বা গর্ব মেশানো হাসি--হয়তো কান্নাও কিছুটা লুকিয়ে থাকে -- লুকিয়ে থাকে হয়তো আরও কিছুটা স্বপ্ন।

অনেক সময় রং চটা দেয়াল দেখলে মনে হয় স্বপ্ন গুলো তো রং হারাচ্ছে না? ভেংগে পড়ছে না তো স্বপ্নের ডালপালা গুলো?
ভাংগা বাড়ির দেয়ালের দিকে তাকিয়ে ডেখি স্বপ্নের কান্না গুলো...কেউ হয়তোবা ডুকরে ডুকরে কেউ হয়তোবা নিঃশব্দে কান্না করে যাচ্ছে......

বাড়িটা হয়তো বা এক সময় ভেংগে পড়ে -- ভেংগে যায় ইট গুলি -- ভেংগে পড়ে স্বপ্নটা। পরিত্যাক্ত বাড়িটার মতো স্বপ্নটাও পরিত্যাক্ত হয়ে যায়। ভেংগে যায় মিশে যায় অভিশপ্ত হয়ে যায় স্বপ্নটা। শেষ হয়ে যায় কোন একটা অদ্ধ্যায়ের.....শেষ হয় একটা স্বপ্নের......<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />


ছবি গুলি গুগল থেকে ধার করা......]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28970128 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28970128 2009-06-27 02:12:14
টেকি ব্লগার গন...একটু নজর দিয়া উপকার করেন প্লিজ......
একখান ল্যাপির কাছে আসছিলাম....জিনিসটাতে আগে ভিসতা ছিল....পরে সেটাতে XP সেট করা হয়.....কিন্তু মনে হয় কিছু ড্রাইভার ইন্সটল হয় নাই.......আমি স্ক্রীনশট দিলাম যে সমস্ত ড্রাইভার ইন্সটল হয় নাই....যদি টেকি ভাইরা একটু সাহায্য করতে পারেন.....মডেল নং হচ্ছে....
Toshiba satellite L 300 14X system unit

আমি নেট থেকে ডাউনলোড করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছি....<img src=" style="border:0;" />
যদি কেউ উপকার করতে পারতেন খুব ভালো হতো .......

সবাইকে আগাম ধন্যবাদ জানায় রাখলাম....]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28967482 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28967482 2009-06-21 15:03:12
ট্রেইলর পোস্ট........<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /> ক্যাম্পিং........ ডিউটির মাঝে আপাতত কিছু ছবি আপলোড করলাম আমার ১ম ক্যাম্পিং এর......... পরে সময় করে বিস্তারিত পোস্ট দিমুনে.......সব গুলো ছবিই আমার ধার করা ক্যামেরা দিয়ে তোলা.......]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28908860 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28908860 2009-02-09 20:23:23 সাইক্লিং...........
গত পরশু বলল ১লা ফেব যাবো.....সকাল সাড়ে ৯ টায় জেটিতে চলে এস.....গতকাল আদিক বলল সবকিছু তৈরী হয়ে আছে......প্রায় ৩০ কিলো ....... লংকাউঈ এর ছোট্ট একটা অংশ চক্কর দিবো...... ৩০ কিলো শুনে একটু থতমত খেয়ে গেছি......আমি ভাবছিলাম ১০/১২ কিলো হবে....তুড়ী দেবার মতো করেই চালানো যাবে......সব চেয়ে দুঃখের কথা এখানে তাপমাত্রা এখন ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস (+/_ ২ )

যাই হোক সকাল বেলায় জেটিতে যেয়ে হাজির হইলাম.........সামির-রিনঝিন-রাজেন-জুরেশ-আদিক-ওমর-জোগেন্দ্র-আরতি-আনু-ইয়ুগ-ফিজি - নারা আর আমি......

যাই হোক পোর্ট লংকাসুকা তে এসে সাইকেল গুলা বেশ বড় সর একটা ঢোক গিললাম........মাত্র তিনটা রেসিং সাইকেল বাকি গুলা সাধারন.....রাস্তার মাঝেই তো মনে হয় খইসা খইসা পড়বো সাইকেল গুলা......

যাই হোক ১০টা ২০ এ শুরু করলাম আমাদের যাত্রা.......আদিক টিম লিডার ...... আমরা নিরীহ অনুসারী.......

১০ মিনিট চালানোর পরই বুঝতে পারলাম আজকে পুরাই খবর আছে.....প্রচন্ড রোদ....ঝরঝরা সাইকেল.....অনভ্যাস......সিগারেট খাওয়া কইলজায় দমের অভাব.......কোনো কিছুরই ঘাটতি নাই......চিন্তা করলাম পেছনে গাড়ি আছে.....সমস্যা হইলে সাইকেল গাড়ীতে তুইলা দিয়া গাড়ীর ছাদে বইসা থাকুম.......আধা ঘন্টা পর ১ম ব্রেক......আমি ভাবছিলাম আমার অবস্থাই মনে হয় খারাপ শুধু......পরে আশে পাশে তাকায় বুঝলাম আমার চেয়েও অনেক করুন অবস্থা পাবলিকের.......

যাই হোক আরও ঘন্টা খানেক পর লান্চ এর জন্য থামলাম.......এর মাঝে রিনঝিন নক আউট......আরতি তখন রিনঝিন এর সাইকেল চালাইতেছে......

আমি লংকাউঈ এর ভিতরে খুব বেশী কিছু দেখি নাই আগে.......কিন্তু এবার দেখে কিছুটা ভুল ভাংলো......ছড়ায় ছিটায় আছে অনেক অনেক সুন্দর সুন্দর বাংলো........আবার কয়েক জায়গায় কয়েকটি বাংলো মিলে রেস্ট হাউজ বানানো হইছে.....রেস্ট হাউজের সাথে আবার রেস্টুরেন্ট ও আছে......গ্রামের মানুষ গুলি আমাদের দেখে কেউ মুচকি হাসি কেউ হাই কেউ হাত নাড়ছিল.......দেখতে খুব একটা খারাপ লাগছিল না......মজাই লাগছিল.....শুধু প্রচন্ড রোদটাই যা বিরক্ত করছিল.......

লান্চের পর সামির বলল এর পরের ব্রেক হবে ডিংকস ব্রেক ( সফ্ট ড্রিংকস এবং বিয়ার যে যেটা খায়......) পরে নক আউট হলো জুরেশ.... জুরেশের করুন অবস্থা দেখে ফিজি বলল ঠিক আছে আমি টেক ওভার করছি তুমি গাড়িতে বস.......জুরেশের হাসি আর দেখে কে.......

এরপর আমরা চেনাং বিচ এরিয়া ছেড়ে আসলাম চেনাং পোর্ট এ......এই পোর্ট টা নতুন হচ্ছে.....এখানে আছে চার্লিস রেস্টুরেন্ট......বেশ বড় আর অনেক খোলামেলা........বিচের সাথে গা ঘেষা.......সবাই মিলে বসলাম বার টপে.......সামির বলল ৩০ মিনিটে যার যা ইচ্ছা ড্রিংকস নাও......বইলা আমার হাতে একটা বিয়ারের ক্যান ধরায় দিল......ধীরে সুস্থে ২ টা বিয়ার খাইয়া আবার সাইকেলে......

এবার মোটামুটি আগে আগে চালাচ্ছিলাম.......হটাৎ কইরা প্যাডেল খুইলা পড়লো........সাইকেল থামায় দেখলাম প্যাডেল পুরাই খুলে এসেছে.....করুন চোখে দেখলাম সবাই কি হইছে বইলা আগায় যাইতেছে.....পরে আমাদের গাড়ী যখন আসল মালিক ( মেকানিক ) কি কি যেন খুটা খুটি কইরা ঠিক কইরা দিল........

আবার আমার সাইকেল দৌড়.........আরতি ক্লান্ত হয়ে পড়ায় আবার সাইকেল চালাইতেছে রিনঝিন..........এবার প্রায় লাস্ট ল্যাপের কাছাকাছি...... রিনঝিনের সাইকেল পাংচার........ নারারে দেখি সাইকেল ছাইড়া হাইটা যাইতেছে........কি হইছে জিগাইতেই কইলো ভাই ক্লান্ত তাই সাইকেল রে রেস্ট দিতাছি........... প্রায় যখন আমাদের পোর্টে এসে গেছি জোগেন আমারে ক্রস করতে যেয়ে সাইকেল নিয়ে এবড়ো থেবড়ো রাস্তায়....তাকায় দেখলাম ওর সিট খুইলা পড়তাছে..........যাই হোক এন্ড পয়েন্ট এসে আরেকটা বিয়ার গলায় ঢালতেই একে একে সবাই এসে পরে ওমর ছাড়া.....পরে দেখি কিছু সময় পর হাটতে হাটতে আসতেছে.......ওর সাইকেল জ্যাম হয়ে গেছিল........

পরে ২.৫০ এ রূমে এসে কোনো রকমে লান্চ করেই আগে দুইটা প্যানাডল ( প্যারাসিটামল ) খাইয়া নিছি.....

( গতকাল ছবি গুলি পাইনাই দেখে নেট থেকে ছবি নিয়ে পোষ্ট দিছিলাম....আজকে বিকেলে সাইক্লিং এর ছবি গুলি পাবার পর নতুন করে ছবি আপলোড করলাম )
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28905881 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28905881 2009-02-02 22:40:51
বাচ্চা ভয়ংকর.......কাচ্চা ভয়ংকর.........<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" />
কয়েকটা রিসেন্টলি ঘটা ঘটনা কই........

নাম না জানা চাইনিজ পিচ্চি( আড়াই তিন হবে মনে হয় ).......

ব্লকে যাবার সময় ভলিবল মাঠের পাশে দেখি মা তার মেয়ে কে মাথায় দুই বেনী করে দিচ্ছে.....দেখে মজা লাগায় দাড়ালাম.....পুরা আমি দম দেওয়া পুতুলের মতো মা টাকে হাই বইলা পিচ্চি টারে ভেংচি কাইটা দিলাম.....দেখি পিচ্চিটা মুচকি মুচকি হাসছে.....আমি একটু টাশকি খেয়ে বাই বইলা চলে যাচ্ছি দেখি পিচ্চিটা এক দৌড়ে এসে আমার প্যান্টে নাক ঝেড়ে বেনী দুলাতে দুলাতে দৌড়..........

পিচ্চির নাম ইয়ুগ ( বাংলা করলে যুগ হবে মনে হয় ).....

পিচ্চির বাপ হইতাছে আমাদের লারনিং এন্ড ডেভলপমেন্ট ম্যানেজার.....পিচ্চি তার মায়ের সাথে লাফাতে লাফাতে অফিসে এসেছে.....আরতি ( পিচ্চির মা ) কি যেন কাজে ব্যস্ত......ভাবলাম এইতো সুযোগ পিচ্চিরে কোলে নিয়া চেয়ারে বসাইলাম.....তার পরে একটা চড় দেখায় কইলাম এবার তোরে একটা কইষা চড় দিমু.......পিচ্চি দেখি একটা মধুর হাসি দিল.......তার পর বিদ্যুৎ বেগে আমার হাতটা ধইরা এক কামড়.....কামড় দিয়াই ঝাইড়া দৌড়......

পিচ্চির নাম জানি না.......

পিচ্চিটা দেখি একটা ব্লকের সিড়িতে চুপচাপ বসে আছে.....আমি পিচ্চিটারে কইলাম একা একা কি করতাছ? কয় কমু না.....কইলাম নাম কি? কয় কমু না......তার পরই একটা হাসি......এবার আমি থতমত....কারন ছাড়া হাসি তো ভালো কোনো লক্ষন না.......পরে বুঝলাম ঘটনা কি...... পিচ্চিটা সুবোধ বালকের মতো আমার প্যান্টে হিসু কইরা দিছে........

( ছবিগুলি নেট থেকে নেওয়া.......) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28904466 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28904466 2009-01-30 19:37:02
বকুল ফুল..........
অফিসে ঢুকে দেখি পুরাই সুনসান...... কারো কোনো সাড়াশব্দ নাই...... যাই হোক ৫ মিনিট ধরে খুজে পেতে বের করলাম কে কোথায় আছে......

সকালের এ্যারাইভ্যাল রেডি হয়ে গেছে......... সমস্যার মধ্যে ৪ টা ব্যাক টু ব্যাক রূম....... সামসুল কে বললাম তুমি ডিলাক্স সাইড দেখ আমি সুপিরিওর সাইড দেখছি.........

সাড়ে ১২টার মাঝে রূম রেডি করে দিয়ে অফিসে এসে বস কে বললাম তোমার রূম রেডি ...... আমি চলে যাচ্ছি.......

রূমে এসে হালকা একটা ঘুম দিয়ে মনে হল অনেক দিন জগিং করি না.... যাই একটু দৌড়া দৌড়ি করে আসি........

এক মনে একা একা দৌড়াচ্ছি........ হটাৎ করে নাকে বাড়ি দেয় অনেক পরিচিত একটা গন্ধ......প্রথমে মনে পড়ে নি গন্ধটা কিসের...... একটু স্মৃতি হাতড়াতেই মনে পড়লো বকুল ফুল........

এক ঝটকায় যেন এক যুগের বেশী পেছনে চলে গেলাম..........মডেল কলেজের বকুল তলা.......চোখের সামনে ধীরে ধীরে ভেসে উঠছে সাংস্কৃতিক সপ্তাহের দিন গুলি......... বন্ধুদের সাথে হাসি ঠাট্টা....... হাউস গুলির মধ্যেকার প্রতিযোগীতা......... আরও একটু পেছনে যেয়ে আমি আর আমার আমার পৃথিবীর সেই সারি সারি বকুল গাছের পাশ দিয়ে হেটে যাওয়া ( এটা মডেল কলেজে না....... যে জায়গায় বড় হয়েছি ).......

ঝলক কাটতেই আবার সেই বাস্তবতায়....... অনেক খানি দৌড়েছি আজকে...... ঘাম ঝড়ছে অঝরে........

চোখ দিয়ে নিতান্ত অবহেলায় বকুল গাছ গুলিকে পাশে ঠেলে দিয়ে আবার বর্তমানের পথে চলে আসলাম........ চলে আসলাম বলাটা মনে হয় খুব একটা ঠিক হবে না....... বলা যায় চোখ কান বুঝে পালায় আসলাম......

( ছবি গুলি নেট থেকে নেওয়া ) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28898735 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28898735 2009-01-17 20:32:41
আজ আপুটার জন্মদিন........
সাধারণত: এই মুচকি হাসির শব্দ শুনলেই আমার ভিতরটা ধক্ করে উঠে।

উপরওয়ালার এই মুচকিহাসি গুলিই আমার জীবনের সমস্ত অভিজ্ঞতা..... এই বার এই মুচকি হাসিটা আমার জন্য অসম্ভব চমৎকার একটা পাওয়া....আমি পেয়েছি ছোট্ট - চমৎকার- লাভলী- মায়াময়ী -আবেগী-অভিমানী-আদরী একটা "আপু"......

অনেকেই হয়তো চেনেন আমার এই আপুটাকে.........এই আপুটা হচ্ছে "ঊশৃংখল ঝড়কন্যা"...... ( কেন জানি লিংক দিতে পারতেছি না.... <img src=" style="border:0;" /> )

আজকে ( ৯-১-০৯) আপুটার জন্মদিন.........

আপু তোকে অনেক অনেক হ্যাপীওয়ালা জন্মদিন.......সব কেক তোর জন্য........

( আমার এখানে প্রায় ১২টা বাজে........ হয়তো ১২টা পর্যন্ত জেগে থাকবো না তাই একটু আগেই পোষ্ট দিচ্ছি...........)

আমার এই ঝিলমিল আপুটার সমস্ত সময়টা কাটুক ঝিলমিল ভাবে.....]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28894791 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28894791 2009-01-08 21:10:36
ঝিলমিল একটা দিনের জন্য.......... কইলাম তোমার যা ইচ্ছা কর......আপাতত ঘুমাইতেছি বিরক্ত করো না....

সকালে ডিউটিতে যেয়ে এস্যাইনমেন্ট প্রিন্ট আউট দিছি...... দেখি শুধু সাদা কাগজ বের হইতেছে...... ভালো করে চেক করতে যেয়ে দেখি কালি শেষ....... যাই হোক কষ্ট করে হাতে লিখা দিলাম........

একদম সকালেই তিনটা এ্যারাইভেল...... তার উপরে অফিসে কেউ নাই....ঝামেলার উপর ঝামেলা.........রূমএ্যাটেন্ডেট দের কে ব্লকে পাঠায় দিয়া বললাম রূম রেডি করতে থাকো আমি আসছি .....

ফ্রন্ট অফিসে বললাম অফিসে কেউ নাই ...... যে কোনো রিকোয়েস্ট ওয়াকিটকি তে পাঠায়াও......চেক করতে যেয়ে দেখি একটা রূম রেডি আর একটা মাঝামাঝি আর ৩য় টায় রূমএ্যাটেন্ডেট হাত পা ছড়ায় কানতাছে.... যেয়ে বললাম কি হইছে? বলে এর পরের রূমগুলি ডিপক্লীন করতে হবে...... মেজাজ খারাপ হবার বদলে দেখলাম হাসির জোয়ার বের হইতেছে.......বললাম পরেরটা পরে চিন্তা কর..... এখনকারটা এখন কর....ওরে বুঝাইতে না বুঝাইতে দেখি বস আবার কল দিছে.....

যাই হোক সকালের ঝামেলা মিটাতে না মিটাতে বস আবার রিং দিয়া বলে সে দেড়টার বোটে চলে যাবে আমি যেন এদিকে সামলাই....... আর তিনটার সময় যেন ব্রান্ড ষ্ট্যার্ন্ডাড এর মিটিং এ যাই.........

তিনটার সময় মিটিং রূমে যেয়ে দেখি সবাই জিএম এর জন্য অপেক্ষা করছে.....আমি চুপ চাপ এক কোনায় যেয়ে বসেছি দেখি জিএম এসে আমার পাসে বসে.......বইসাই বলে ঘুমাইবা না.......আমি উত্তর দেবার আগেই বলে এবার পোগ্রাম শুরু কর...... রিসার্চ এন্ড ডেভলপমেন্ট ম্যানেজার যা বলতেছে তা মাথার উপর দিয়া ডান পাশ দিয়া বাম পাশ দিয়া যাইতেছে..........আর পাশে জিএম বইসা আছে দেখে স্বস্তিও পাইতেছি না........যাই হোক ৪৫মিনিট পর চা বিরতিতে বলে কি বুঝতাছো........বললাম ধারের কাছ দিয়াও যাইতেছে না....... বলল ব্যাপার না দুইদিন পর ঠিক হয়ে যাবে........

মিটিং শেষে বললাম চল আরেক দিন ডিনারে যাই...... বলল ঠিক আছে.... তবে জানুয়ারীতে.......বললাম ঠিক আছে......তুমি রিনঝিন ( জি এম এর বউ ) রে নিয়া এসো আমি হুই ইং রে নিয়া আসবোনে........মুচকি এসে গেল গিয়া........

ডিনার করে রূমে আসতেই কেন যেন একরাশ মন খারাপ আষ্টে পৃষ্টে ঝেঁকে ধরেছে........কোনো ভাবেই ঝাঁকি দিয়ে ফেলতে পারছি না......আর বাইরের ঝড়ো হাওয়া আরও এলোমেলো করে দিচ্ছে........হিসাব করছি দিনটা কেমন গেলো...........<img src=" style="border:0;" />

একটা ঝলমলে দিন বা একটা ঝলমল বিকেল খুব মিস করছি.......<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28886353 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28886353 2008-12-22 20:25:21
এক খান জাতে উঠার লান্চের গল্প..............
আহা কি গোল গোল পাউরুটি ( আদর কইরা ব্রেড বলি) ...........মুরগী হাফ ভাজা......হাফ সিদ্ধ...হাফ ঝলসানো ( শেফ যে কি বানাইতে গেছিল ...... বানাইতে যাইয়া মাঝ পথে ভুইলা গেছে.......পরে যা হইছে তা ই দিয়া গেছে.....), সাথে দেখি ফ্রেন্চ ফ্রাই.......আরেকটু নজর বুলাতে যেয়ে দেখি ভাতের মাড় ও আছে......খচখচ করে উঠলো ভাতের মাড় জিনিসটা এরা চিনলো কেমনে এইটা তো সোললি বাংলাদেশীদের জন্য.......পরে ভালো কইরা তাকায় দেখি মাশরুম সুপ ......

এইচ আর এক্সিকিউটিভ রে দেইখা কইলাম সকালে তো একবার নাস্তা দিছ....আবার নাস্তা দিলা কেমনে......দুইবার নাস্তা পরে লান্চ....পরে ডিনার..... তোমরা এত ভালো হইলা কবে........

আমার দিকে আগুন নজর দিয়া কয় এইটা লান্চ........আমি কইলাম ওহ.....

পরে খাবার নিতে যাইয়া দেখি আরেক ঝামেলা.......কোনটা মেইন ডিশ কোনটা সাইড ডিশ ....... তা উবু দশ বিশ করতে করতে পেছনে লম্বা লাইন.......প্লেটের চেহারাও মজার........বড় একটা ট্রে.......চার পাশে হরেক রকমের গর্ত......মাঝখানের টায় মেইন ডিশ......আসে পাশের গুলায় সাইড ডিশ নাকি নিতে হয়........

আমি পুরাই কনফিউজড কোনটা মেইন ডিশ কোনটা সাইড ডিশ.......যাই হোক আশে পাশে তাকায় দেখে যা বুঝলাম মাংশটা মেইন ডিশ......
খুবই আনন্দের সাথে একটুকরা তুলে নিলাম........ব্রেডও নিলাম সাইডে.....ফ্রাইস সস......ভাতের মাড় থুক্কু মাশরুম সুপ সবই নিলাম......

করুন মুখে খাওয়া দেখে জিএম বলতাছে তুমি কি ভাত মিস করতেছ? উত্তর না দিয়া বললাম এখন থেকে কি সব দিন এমন ব্রেকফাস্ট দিবা? কইলো কি হইছে ? বললাম না তেমন কিছু হয় নাই তবে বুঝতে পারতেছিনা কোনটা মেইন ডিশ কোনটা সাইড ডিশ.......একটু যদি বইলা দিতা তবে পেট ভইরা খাইতে পারতাম.........ভদ্রলোকও দেখি হাসি দিয়া গেল গিয়া.........

ফ্রন্ট অফিস ম্যানেজার কইতেছে অরু কেমন খাইলা ......... বললাম বান্ধবীরে চুমা দেওনের মতো মজা পাইতেছি.......কিছু না কইয়াই গেল গিয়া উইঠা.........

আমিও হাড্ডি চিবাইতে চিবাইতে নিজেরে কইতেছি আজ থাইকা মনে হয় জাতে উঠলাম.......ওয়েষ্ট্রান লান্চ করতেছি.......ভালো ভালো.......<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28884447 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28884447 2008-12-18 18:32:05
বেরসিক অতিথির সাথে বেরসিক আমি...........
দুইদিন আগে সিকিউরিটি পোষ্টে পান্চইন করতে যেয়ে জেটির দিকে তাকাতেই পুরা চোখ আটকে গেল অতিথির দিকে......ভদ্রলোক এক দৃষ্টিতে তাকায় আছে জেটির সিড়ির দিকে.......নড়েও না চড়েও না.........

আরও মজা সে সময়েই কয়েকটা এ্যারাইভেল ছিল.....গেষ্ট সিড়ি দিয়ে উঠতে যেয়েই থমকায় যাচ্ছে ........ ১ম দফায় কয়েকজন অতি সাহসী গেষ্ট চোখ কান বুঁজে পার হয়ে গেছে ...... তারপর ভদ্রলোক যখন আড়মোড়া ছেড়ে একদম সিড়ির কাছে আছে তখন পুরাই রাস্তা বন্ধ........

ফ্রন্ট অপিসের ডিউটি ম্যানেজারের ক্যামেরায় তোলা "ভদ্রলোকের" কয়েকটি ছবি দিলাম........
উনাকে "ভদ্রলোক" বললাম এইজন্য জেটিতে মেয়েদের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকায় ছিল......<img src=" style="border:0;" />
পরে অনেক কষ্টকরে সিকিউরিটিরা উনাকে জংগোলে দিয়ে আসে......

গতকাল বিকেলে ডিউটিতে এসে ব্লকে গেছি চেক করতে......ব্লক চেক করে আসার পথে হটাৎ ডানে বামে তাকায় দেখি রাস্তার দুই পাশ গোটা বিশেক বান্দর বসে আছে.......ছোট মাঝারি বড়ো যুবক যুবতী সব রকমই আছে....আমি তো পুরাই থতমত........:-*.......
এর মাঝে দেখি এক কাপল ( বান্দর দম্পত্তি ) ভালোবাসায় মত্ত.......আমি আরও থতমত.......
যাই হোক আমারে দেইখা কাপলটা দুঃখ ভরা চোখা তাকায় ঝাইড়া দৌড়......সাথে সাথে দেখি দলের সবাই আমারে ভেংচি দিয়া হাউকাউ করতে করতে দৌড়..........

কি আর করা বান্দরের অভিশাপ( ??!!!!!!) নিয়া পরে অফিসে চলে আসলাম.....<img src=" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28874554 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28874554 2008-11-26 19:02:47
এ্যারইভ্যাল............
আর আমি ছোট্ট একটা ব্যাগ কাধে নিয়ে বিরস মুখে ডমেস্টিক ফ্লাইটের এপাশ ওপাশ ঘুরে বেড়াইতেছি..........আর করুন চোখে দেখতাছি ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইট গুলির উড়ে যাওয়া..........

যাই হোক প্লেনে উঠেই এয়ার হোস্টেসের চেহারে দেখেই সিট বেল্ট বেঁধে চোখ বুঝলাম.........বেশিক্ষন না.......মাত্র ১ ঘন্টার জার্নি.....একটু পরেই শুনি বলতাছে সিটবেল্ট বাঁধ প্লেন নামতেছে......কিন্তু মনে হইলো প্লেন নীচের দিকে না যেয়ে উপরের দিকে যাইতেছে.........হালকা কয়েকবার বাম্পও করলো........পরে বাইরের দিকে তাকায় বুঝতে পারলাম বাইরে প্রচন্ড মেঘ তাই পাইলট ভাইজান ঠিক বুঝতে পারতেছে না কি করবো.....প্লেনে বইসাই বাইক চালানোর অভিজ্ঞতা.........একবার ডানে কাইত হয় আর একবার বামে কাইতে হয়..........

যাই হোক একটু পর পাশে বাইরে তাকায় দেখি রাস্তা দেখা যায়....আবার পাম গাছের সারি.......ভালো করে রাস্তার লোকেশান দেখার চেষ্টা করতেছি যেন পামগাছের উপর পড়লে দৌড়ায় রাস্তায় উঠতে পারি........

যাই হোক আমারে দৌড় দিতে হয় না.........

ব্যাগ টা নিয়ে এ্যারাইভেল গেট পার হতে যেয়ে মনে হলো একটা ফোন করে দেখি তো যদি ভুল কইরা আমারে নিতে আসে....
ফোন করতেই পরিচিত কন্ঠ বলে উঠলো বাসায় চলে আস ..... আমি বাসাতেই আছি........

আবার সুখনা মুখে বাসে উঠে বসলাম........

ছবি গুলি গুগল থেকে নেওয়া......]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28870368 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28870368 2008-11-17 20:56:19
ঘুম..............
তাই বেশ আয়োজন করেই বিছানায় গেলাম.......স্বপ্ন দেখতে দেখতে ঘুমায়ও পড়ছিলাম বা ঘুমায় স্বপ্ন দেখতাছিলাম.......

এই পর্যন্ত ঠিক ছিল.....

কেন জানি হঠাত কইরাই ঘুম ভাংইগা গেল........শুধু ঘুম ভাংলে ভালোই ছিল ....... আমারে পুরাই ভাংগা দিছে.......

সকালে ডিউটি........
ঘুমরে কত আদর কইরা ডাকলাম......কোনো কাজই হইতাছে না.......

সকালে হাই পারা দেখলেই বস দিবো খোচা.........আর যদি কপাল গুনে জিএম এর চোখে পড়ে আমার এক সপ্তাহের ঘুম হারাম কইরা দিবো......

এই দুঃখে আরও ঘুম আইতাছে না..........

ছোট বেলায় শোনা দুইলাইন মনে আছে বাকি মনে নাই.......
"ঘুম পাড়ানি মাসী পিসী মোদের বাড়ি এসো......."

হায়রে ছোট বেলা হায়রে ঘুম.........

ছবি গুলি নেট থাইকা নেওয়া..............
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28863657 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28863657 2008-11-02 21:41:33
দ্বীপের টুকরা কথা.....১ ( মনিটর লিজার্ডের হাই বলা আর ঝড়ের তান্ডব )
দ্বীপের মাঝে আসার পর থেকে সময়ের সাথে সাথে সুযোগের মিল না হওয়াতে পুরাই চিপার মাঝে......আবার দুই একবার সুযোগ হলেও কেন জানি ইচ্ছের কমতিও কম না......তাই সবার কাছে প্রথমেই sorry বলে নিচ্ছি পোষ্টের উত্তর ঠিক মত দিতে পারি নাই.........

কয়েক দিন আগে প্রচন্ড ব্যস্ততার মাঝে অপিসে ঢুকতে যাচ্ছি বস বলল ভিতরের ষ্টোরে একটা মনিটর লিজার্ড বেড়াতে এসেছে......শুইনাই আমি লাফাতে লাফাতে ভিতরে গেলাম অতিথিরে দেখার জন্য......ইতি উতি করে খুজতাছি কোথায় আছে.......

হটাৎ করে দেখি অতিথির লেজ দেখা যায়......লেজ নড়ানি দেইখাই আমি দুই পা পেছনে........হটাৎ দেখি অতিথি মাথা ঘুরায় আমারে হাই বলতেছে......আমি পুরা অভদ্রর মত হ্যালো বলা বাদ দিয়া এক দৌড়ে অফিসের বাইরে.......আমার দৌড়ানি দেইখা বস হাসতে হাসতে কয় যাও আরও কুশল জিজ্ঞেসা করে আস.........আমি সোজা ওয়াকিটকি তে সিকিউরিটিরে কল কইরা আর এরিয়াতেই নাই.........

কয়েক দিন আগে এখানে প্রচন্ড আবহাওয়া খারাপ ছিল......( পরে জানতে পেরেছিলাম সুনামি এ্যালার্ট ছিল ).......যাই হোক সেই সময়ের কিছু আগে দুই জনরে পাঠায় ছিলাম টার্নডাউন সার্ভিসের জন্য.....ঝড় উঠার পর মনে হলো তাদের অবস্থাটা একটু চেক করে আসি ..... ঠিক ঠাক মত আছে কি না.......ছাতা নিয়া গেছি.....একটু পর ছাতা ভাইংগা ডান্ডা আমার হাতে.....যাই হোক ব্লকের কাছা কাছি যেতেই হটাৎ করে নজর পড়লো ব্লকের ছাদের দিকে.........দেখি ছাদ থেকে একটা বড় টিনের টুকরা ছুটে আসার জন্য ছট ফট করছে......ছট ফট করতে করতেই ছুটে গেল......উপরে দুই তিনটা পাক দিয়া আমার এক হাত দূরে যেয়ে পড়লো.....উপরে পাক দিয়া দেখেই আমি পুরাই জমে গেছি......চোখের পলকও পড়ে না এমন অবস্থা..........সামনে পড়ার পর আরও থতমত খেয়ে গেছি.......কোনো রকমে নিজেরে সামলায় টিনটা সাইডে রেখে দিয়ে অফিসে এসে ভচকায় বসে ছিলাম অনেকক্ষন.........
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28861964 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28861964 2008-10-30 12:53:49
সাগরের হাতছানি...........
কাল বাদে পরশু আবার চলে যাচ্ছি সাগর পাড়ে মোটা মুটি ছয় মাসের জন্য। ( যদি কোনো অঘটন না ঘটে )

কতোটুকু সময় সুযোগ হবে ব্লগে লেখার কিছু বুঝতে পারছি না.......যাবার পর হয়তো বোঝা যাবে।


গুগল থেকে নেওয়া সাগরের কিছু ছবি দিলাম..........]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28842844 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28842844 2008-09-14 03:03:09
মাঝ রাতের রান্না এবং পর দিনের বিরিয়ানী........
সোজা রান্না ঘরে। গাজরের হালুয়া রান্না করবো দেখে বেশ কিছুদিন আগে গাজর কিনে রেখেছিলাম। চিন্তা করলাম সেটাই করি। গাজর কাটার সময়েই মনে হচ্ছিল একটু একটু ক্ষুধা লাগছে --ভাত টাও বসায় দেই। চাল ধুয়ে পানি দিয়া রাইস কুকারে বসায় দিলাম। কি তরকারী রান্না করবো চিন্তা করতে করতে মুরগী বের করলাম ফ্রীজ থেকে। যাই হোক পিয়াজ মরিচ কাটা শেষ হলে মসলা মাখাতে যেয়ে মনে হলো তেল নাই<img src=" style="border:0;" />....রাত আড়াইটা বাজে । মাথায় ঝিলিক দিয়া উঠলো ফ্রীজে বাটার আছে। তাই সই। সব্যসাচীর মতো দুই হাতে দুই জিনিস রানতাছি ( এক চুলায় গাজের আরেক চুলায় মুরগী) অনেক এক্রোব্যাট শেষ করে সাড়ে তিনটার দিকে রান্না শেষ করলাম। <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

ভাত নিতে যাবো..রাইস কুকার খুলে আমি বেকুব। দেখি যে চাল ছিল তাই আছে। নজর দিয়া দেখি সুইচ অন করতে ভুইলা গেছিলাম<img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />

যাই হোক খাইতে খাইতে সাড়ে চার টা......

আজকে বিকেলে রূম মেট তার স্টাইলে বিরিয়ানী রান্না করেছিল....এক শব্দে বলতে গেলে বলতে হয় WOW.........<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

এত সহজে বিরিয়ানী রান্না করা খুব কম দেকছি।

ধরে নেই তিন পট চাউলের বিরিয়ানী রান্না করা হবে।
একটা বড় পিয়াজ কুচিকরে কাটা....কয়েকটা মরিচ চিরে কিছুটা আদা কুচি এবং রসুন কুচি করে কেটে গরম মসলা সহ মোটামুটি ৫০০/৬০০ গ্রাম ছোট করে কাটা মুরগী চার পট পানি এক চামুচ লবন দিয়া সিদ্ধ করতে দিয়া দেন। মোটামুটি ৩০ মিনিট ধরে সিদ্ধ করে পানি আর মাংস আলাদা আলাদা করে রাখুন।

চাউল গুলি ভালোকরে ধুয়ে একটা পাত্রে ছড়ায় দেন।

এবার আরেকটা পিয়াজ কুচি করে কেটে পাচ টেবিল চামুচ তেলে ভালো করে ভাজতে থাকুন। পিয়াজ যখন গোল্ডেন ব্রাউন হয়ে যাবে তখন চাল গুলো দিয়া দিন। চাল কিছু সময় ( ৩।৪মিনিট ) ভাজার পর আলাদা করা রাখা সিদ্ধ মাংস গুলি দিয়া আরেকটু নাড়া চাড়া করেন। এবার সিদ্ধ করা মাংসের পানি যে পটে চাউল মাপছেন সেই পটের সাড়ে চার কাপ পানি চাউলের মাঝে দিয়া দেন। ( পানি কম পড়লে গরম পানি দিয়া গ্যাপ পুরন করতে পারেন )

এবার সব কিছু সহ রাইস কুকারে দিয়া দেন..... রাইস কুকারের সুইচ অন করতে ভুইলেন না......

হ্যাপী বিরিয়ানী খাওয়া.....<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28840467 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28840467 2008-09-08 21:40:36
অভিশপ্ত একটা দিন.......<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" />
কিন্তু ভুলে গিয়ে ছিলাম নিয়তির কথাটা.....যখন দরজায় ঠক ঠক করে টোকা দিল দাড়ায় দাড়ায় নিজের পরিনতি টা দেখা ছাড়া আর কিছুই ছিল না....

ইচ্ছা ছিল গুটানো জীবন থকে আবার ফিরে আসবো ..... ঝলমল করে প্রান খোলা হাসি দিব সব সময়.....ঝলমল করে উঠবে চারি দিক..... তা না হয়ে আবার সেই বিষাদের কালো জীবন.......

আবার গুটায় নিতে হবে নিজেকে......নিজের মাঝে নিজেকে লুকায় রাখতে হবে......অনিশ্চয়তা গুলি কুড়ে কুড়ে খাবে আর একটু একটু করে তলায় যাওয়া তড়ায় তড়ায় দেখতে হবে.....

ভুলেই গিয়ে ছিলাম অভিশপ্ত মানুষের অভিশাপ সহজে কাটে না......<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28835654 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28835654 2008-08-27 17:19:36
ব্লগার চাঙ্কুর ভুল কইরা গ্রামে ভ্রমন এবং আমরা.....<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" />
যাই হোক ৭ টার দিকে এক ছোট ভাইকে সাথে করে নতুনের সেকেন্ড হোম সানওয়ে পিরামিডে যেয়ে দেখি বেচারা নতুন গত জার্নি এবং আগত জার্নির চিপায় চুপ কইরা বইসা আছে। ছোট ভাইয়ের কিছু কেনা কাটা ছিল...ও টুক টাক করে কিনছে আর আমি - নতুন কথা কইতেছি। হটাৎ করে নতুন ৩২ দাত বের করে বলল জেডা হারায় গেছে। প্রথমে বুজতে পারি নাই । পরে বুঝতে পেরে আমারও মনে হলো সব দাত বের হয়ে গেল।

সাথে সাথে কল দিলাম। মিহি গলায় বলল আমি বাসে একটু পরেই পৌছায় যাবো। ঠিক আছে শুইনা শান্তি। কিন্তু যখনই বলি আপা তোমার ছবি নিয়া আসছো তো ছবি দেখতে চাই তখনই শুধু হ্যালো হ্যালো করে।

যাই হোক একটু পরে মিহি গলায় এস এম এস ... এই শুনছো তোমরা কোথায়? আমি চলে এসেছি। উত্তর দিলাম আসছি। যাইয়া দেখি লাল টিশার্ট স্কাই ব্লু জিন্স পইরা খাড়ায় আছে। কতো সৌন্দর্য্য.....

আমগোরে দেইখাই কয় গ্রামে গেছিলাম গিয়া। চার পাশে জংগোল ছাড়া আর কিছুই নাই। পরে অনেক কষ্টে বাস পাইয়া ফিরা আসছে। কি সুন্দর কইরা গ্রামে যাবার কথা কইতাছে একবারও কয় না ভুল কইরা ভুল বাসে উইঠা পড়ছিল বা স্টপেজ খেয়াল করে নাই। শেষ পর্যন্ত আমরা এই উপসংহারে আসলাম যে আশে পাশে কাউরে পায়া উনার হয়তোবা একটু খানি নৈতিকতা স্খ্বলন হইছিল তাই উনার ছোট্ট একটু ভুগান্তি.....

তবে উনার পোষাকটা উনার ফ্রকটার মতোই চমৎকার ছিল..... <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

জাতি সকল আসেন আমরা দাবী করি " চাঙ্কু আপার ছবি দেখতাম চাই"....<img src=" style="border:0;" />

( আর গ্রাম ভ্রমনের পুরা কাহিনী চাঙ্কু নিজেই কইবো )

( এই পোষ্ট পুরাটাই মজা কইরা দেওয়া হইছে..... যদি চাঙ্কু আপত্তি করে সাথে সাথে মুছে ফেলা হবে )]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28832310 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28832310 2008-08-19 14:02:09
একটি হালুয়া দিনের কাহিনী..........<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />
সকালে ঘুম থাইকা উইঠা মনে হলো মুডে আছি। অনেকদিন রান্না করা হয় নাই। আজকে মন ভইরা রান্না করি। কিছুক্ষন গাই গুই করার পর ফ্রীজ থেকে মাংস বের করে ভিজায় রাখলাম। সবকিছু কাটা কুটা শেষ কিন্তু মাংস দেখি আর আলাদা হয় না।কি মুশকিল কি মুশকিল। গরম পানি ঢালি ঠান্ডা পানি ঢালি কিছুক্ষন যুদ্ধ করি কিন্তু মাংস ছিড়া আসে কিন্তু আলাদা হয় না। মহা যন্ত্রনা । যাইহোক অনেক কষ্টে আলাদা কইরা রানলাম। রাধতে রাধতে মনে হইলো আজকে দিনটারে হালুয়া দিন বানাই। ফ্রীজে ডিমও আছে গাজরও আছে । আজকে দুইটারেই হালুয়া বানামু।

ডিমের হালুয়া:
৮ টা ডিম, দেড় কাপ দুধ, ঘি চার টেবিল চামুচ, চিনি পরিমান মতো, কিসমিস কাজু বাদাম এলাচ দারুচিনি সব আপনার ইচ্ছামতো

ডিম খুব ভালো করে ফেটে নিয়ে দুধ মিশান। তারপর আবার ফেটান এবার চিনি মিশান এবং আবার ফেটান। বিটার মেশিন থাকলে ভালো না ফেটাতে ফেটাতে হাতের বারোটা। এবার কড়াই গরম করে ঘি দিয়া দেন। ঘি একটু হালকা গরম হতেই ফেটানো ডিম ছাইড়া দেন এবং যুদ্ধ শুরু। এবার নাড়াতে থাকেন ভালো কইরা । খেয়াল রাখতে হবে ডিম যেন অমলেট বা স্ক্রাম্বল না হয়ে যায়। এবং কড়াই এর তলা যেন না ধরে যায়। যতই হাত ব্যাথা করুক স্টেয়ার করা ছাড়তে পারবেন না যতক্ষন না ডিম দানা দানা হয়ে যায়। এর মাঝে কিসমিস কাজু এলাচ দারুচিনি সব ছাইড়া দেন। ডিম যখন দানা দানা হয়ে যাবে তখন হলুদ থেকে হালকা ব্রাউন রং হয়ে যাবে ণামায় ফ্রীজে রেখে দিয়ে ঠান্ডা করে খাইয়া ফেলান। সমস্ত সময় চুলাতে মাঝারী তাপে ডিম জ্বাল দিবেন। মোটামুটি ৩৫মিনিটের মতো লাগবে।

গাজরের হালুয়া:
চারটা মাঝারী সাইজের গাজর চাকা চাকা বা কুচি করে কাটুন। দেড় কাপ দুধের সাথে পানি মিশায় কড়াইতে গাজর সিদ্ধকরতে দিয়া দেন। শুধু খেয়াল রাখবেন পানি শুকায় গেলে দুধের কারনে কড়াই পুড়ে যাবার সমূহ সম্ভাবনা আছে। যাইহোক সিদ্ধ কইরা এবার ভালো করে বেটে নেন গাজর টাকে। এবার কড়াইতে তিন/সাড়েতিন টেবিল চামুচ ঘি দিয়া হালকা গরম করে গাজর ছাইড়া দেন। সাথে আবার দেড় কাপ দুধ দেন। এবং ভালো ভাবে নাড়তে থাকুন। এবার চিনি দেন পরিমান মত। সাথে কিসমিস কাজু এলাচ দিয়া দেন। এবার মনের আনন্দে প্রায় ২৫ মিনিট ভাজেন। খেয়াল রাখবেন কড়াইয়ের তলা যেন না ধরে এবং অবশ্যই মাঝারি তাপে। জাগরের রংটা হালকা লালচে কালো হলেই নামায় ফ্রীজে রেখে দিন। ঠান্ডা হলে পরিবেশন করুন।


একই দিনে দুইটা হলুয়া না বানানোই ভালো। খন্তি ঘষতে ঘষতে হাতের ১২ টা। আর ভাগ্যক্রমে কড়াই যদি পুড়ায় ফেলেন তবে কড়াই ঘষাও ফাউ।

( ছবি গুলি গুগল থেকে নেওয়া )
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28830884 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28830884 2008-08-14 17:38:05
শাপ মোচনের অপেক্ষায় বসে আছি.......<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" />
কাউকে বললেও বিশ্বাস করে না যে দোষ আমার নাই । আমি তো প্রান পনে চেষ্টা করেছিলাম বা করছি। কিন্তু সমস্যার সমাধান না হলে কি করবো? যেহেতু সমস্যার সমাধান হয় নাই তাই দোষ আমার। আমার মুখ বন্ধ আর ভিতরে হয়তো কিছুটা দুঃখ কিছুটা হতাশাও ঝাপটা মারে। একটু ভচকায় থেকে মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হবার মতো সব কিছু সরায় দেই আবার তৈরী হই পরের বারের জন্য। মেজাজ টা আরও খারাপ হয় যখন মনে হয় নৌকা বোধহয় এবার তীরে ভিড়লো নামতে যেয়ে দেখি অথৈ পান। পুরাই ডুবে যাওয়া অবস্থা।

মেজাজ খুব বেশী খারাপ হলে চিল্লাপাল্লা করি উপরওয়ালার সাথে। যখন কিছুই হবে না তবে লোভ দেখাইছিলা কেনো?ভদ্রলোক কিছুই বলে না কিন্তু ঠিক সময়ে মুচকি হাসি দিতে তার ভুল হয় না। উনি মুচকি হাসি দিয়া বলেন ধৈর্য্য ধর আর ধৈর্য্য ধরতে ধরতে আমার জান শেষ।

শাপ মোচনের অপেক্ষায় বসে আছি.......<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28830038 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28830038 2008-08-12 12:13:51
মন খারাপের মেলা.....<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /> " style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

সকালটা শুরু হয়েছিল ভালোই। ইন্টারভিউ ছিল একটা। আমার জন্য বেশই গুরুত্বপূর্ন ছিল। মানসিক প্রস্তুতিও খারাপ ছিল না। যে সময়ে যাবার কথা তার একটু আগেই পৌছেছিলাম। হালকা টেনশানটাও উড়ায় দিতে চাচ্ছিলাম। প্রথমে প্রেজেন্টেশান হলো । মনোযোগ দিয়ে দেখলাম। ইন্টারভিউ হবে এর পরে। দেখলাম সিরিয়াল ছয় নম্বরে। একেকজন পাবলিক ঢুকছে তো আর বের হবার নামই নেই। অনেক পরে পরে যখন এক এক করে বের হচ্ছে সবাই হাসি খুশী।

কিছু সময় পরে ডাক পড়লো। ঢিপ ঢিপ শব্দ বুকে নিয়ে ঢুকলাম। ভদ্রলোক এক এক করে জিজ্ঞেস করছে আমিও স্মৃতি হাতরে উত্তর দিচ্ছি। বেশ কিছু সময় ধরে প্রশ্ন উত্তর চলল। উল্টা আমিও কিছু জিজ্ঞেস করলাম। বের হয়ে আসার সময় খট করেই মন খারাপটা জাপটে ধরলো। ইন্টারভিউ টা দিয়ে যত খানি স্যাটিসফাই হবার কথা ছিল তার ধারে কাছেও হই নাই।<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

বাসায় এসে ছোট্ট একটা ঘুম দেবার সময় ভাবছিলাম হয়তো ঘুম থেকে উঠলে ঠিক হয়ে যাবে। কিসের কি? বাইরে যেয়েও ভালো হলো না বরং আরও বেড়ে গেছে।

বাইরে থেকে আসার সময় হালকা পাতলা একটা সিদ্ধান্ত নিলাম এক সপ্তাহের মধ্যে ফলাফলটা হাতে নিয়ে আবার লংকাউঈ ( জায়গাটা একদমই পছন্দ করি না আর <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> )যেয়ে ডুব দিয়ে পরে থাকবো লম্বা সময়। সিদ্ধান্তটা বেশ বাজে একটা সিদ্ধান্ত কিন্তু অপশন খুবই কম...<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

মন খারাপটা বাড়ছে সেই জন্যই.....<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28829152 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28829152 2008-08-09 21:42:36
ইয়ামুনা.......
একবার চিন্তা করছিলাম যাবো না । কারন সবগুলি তামিল। ( যদিও আমজাদ এবং আসাদ শ্রীলংকান কিন্তু তামিল মাতৃভাষা ) এরা এক হলে তামিল ছাড়া কিছুই বলে না। চিল্লালেও হয়তো বড়জোড় ১ মিনিট শোনে তার পর আবার শুরু। কিন্ত আমজাদ আর আসাদের জোড়াজুড়িতে যাইতেই হইছে। ট্যাক্সিতে উঠার আগপর্যন্ত ভালোই ইংরেজীতে কথা বলছিল ট্যাক্সিতে উইঠাই সাথে সাথে ভোল পাল্টায় গেল সবার। হায়রে তামিল ছাড়া কিছুই বলে না। চিল্লায়লে এমন ভাব দেখায় যে তামিল ছাড়া আর কিছুই জানে না। আবার আমার সাথে ওদের কোনো দরকার হলেই কি সুন্দর ইংরেজীতে কথা বলছে। আমি যে তামিল জানি তা দিয়া দুই চার লাইন হয়তো বুঝতে পারি কিন্তু কথা চালায় যাবার মতো পারি না। বিরক্ত হয়ে আমি শুরু করলাম বাংলা। যা বলে তাই বাংলায় উত্তর দেই। কি মজা। বান্দর গুলি এবার ইংরেজী বলে আর আমি বাংলায় বলি। সারা রাস্তা আমার মুখে বাংলা ছাড়া আর কোনো কথা নাই।

যাই হোক পরের দিন দুপুরে দাওয়াত ছিল ক্যাভিনের বাসায়। যেতে যেতে দুপুর গড়ায় প্রায় বিকেল। গাড়ি থেকে নামতেই অবাক । দেখি এক চাইনিজ পিচ্চি গেট ধরে দাড়ায় আছে। বড়জোড় ২/২.৫ বছর হবে। সাথে ওর চেয়ে বড় এক কুত্তা। কুত্তাটারে দেখেই জানে পানি নাই। যাই হোক আমার মাথায় কিছুতেই আসছে না কিভাবে ইন্ডিয়ান পরিবারে এই চাইনিজ পিচ্চিটার রাজত্ব?

পরে ক্যাভিনের মাকে বলতেই আন্টি বললেন তাদের দুই বাসা পরের পিচ্চি। বাবা মা দুই জনেই চাকুরী করে তাই পিচ্চিটা সবসময় তাদের বাসাতেই থাকে। মাঝে মাঝে পিচ্চিটা এক সপ্তাহেও তার বাবা মার কাছে যায় না। এই ইন্ডিয়ান ফ্যামেলিতে পুরা পুরি প্রিন্সেস এর মতোই বড় হচ্ছে পিচ্চিটা। নাম কি বলতেই বলল ইয়ামুনা। চাইনিজ একটা নাম আছে অবশ্য কিন্তু তারা এ নামেই ডাকে। খুব সম্ভবত নামটার বাংলা করলে হবে যমুনা।

একটু পর পর দেখি পিচ্চিটা আমাদের পাশে এসে ঘুরানি দিয়ে যাচ্ছে। পারত পক্ষে আমি পিচ্চি পাচ্চা এড়ায় চলি। ওরা ডানে থাকলে আমি বামে। কি মনে হতে পিচ্চিরে ডাকলাম....ভেংচি দিয়া গেল গিয়া। দেখি পর্দার আড়ালে থেকে উকি দিচ্ছে। এবার কাছে হাত বাড়ায়ে বলি baby come to me.....আমারে অবাক করে দিয়ে আধো আধো ইংরেজীতে বলছে call me sweet heart .... আমিতো পাইছি মজা। sweet heart বইলা হাত বাড়ায় দিতেই কোলের মধ্যে। গলা জড়ায় ধরে কাধে মাথা রেখে গুন গুন করে রাইম বলছে গান গাচ্ছে। যতটা সময় ক্যাভিনদের বাসায় ছিলাম পিচ্চি আর আমার কোল থেকে নামে নাই। সবাই তো অবাক। কারন তাদের কথা মতো পিচ্চিটা বেশ ফ্যাসী। কারো কাছে যাবে না ( ক্যাভিনের মা বাদে ) কারো কোলেও উঠবে না ... আর অপরিচিত হলেতো কথাই নাই।

আর পিচ্চি টাকে কোলে নেবার পর আমার অনুভুতিটা বলে বোঝাতে পারবো না। পুরা গায়ের মধ্যে মিশে আছে। ভালো লাগা যে এত ভালো কখনো হতে পারে। আসার সময় যখন পিচ্চটাকে ক্যাভিনের মায়ের কাছে দিলাম দেখি ওর চোখ পুরা ছলছল করছে।

আমিও চুপচাপ গাড়িতে উঠে বসলাম......

ইয়ামুনার সাথে হয়তো আর কখনোই দেখা হবে না...কিন্তু পিচ্চিটার কাছ থেকে যে ভালোবাসাটা আমি পেয়েছি তা মনে থাকবে সারা জীবন।

তুমি সবসময় ভালো থেকো ইয়ামুনা। তোমার জন্য অনেক অনেক আদর।

( এখনো মাঝে মাঝে যখন ক্যাভিনের সাথে দেখা হয় বলি কেমন আছে পিচ্চিটা .... বলে এখন অনেক কথা বলে সব সময় পটপট করে। এই ছবিটা ইয়ামুনার না...নেট থেকে নেওয়া...ইয়ামুনার ছবি ফ্রেন্ডের ক্যামেরায় ছিল ... হারায় গেছে... <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> তবে এই পিচ্চিটাও দেখতে ইয়ামুনার মত )]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28828271 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28828271 2008-08-07 07:53:59
জন্মদিনের কাটানো সময়.......
এখনও এতবড় হবার পরও এই দিনটির জন্য বসে থাকি বন্ধু বান্ধবের উইশ পাবার লোভে।

এবারের জন্মদিনে সবচেয়ে মজার ব্যাপার হয়েছে জীবনে সবচেয়ে বেশী উইশ পেয়েছি এবং উইশ পেয়েছি তাদের কাছ থেকেই যাদেরকে কখনোই চোখে দেখি নাই এবং তাদের সাথে কখনো দেখা হবে কিনা তাও জানি না।

পুরানো বন্ধু দের মাঝে মাত্র তিন জন মনে রেখেছিল এই অধম কে। সেই তিন জনের ১ম জন ১ম প্রহরেই আমাকে সারপ্রাইজ দিয়েছে। আরেকটা অবাক হইছি ঝড়কন্যার এই পোষ্ট টাতে....
আমার "মিলিয়ন ডলার হাসি" ভাইয়ার জন্মদিন!!!

যেখানে ব্লগাররা আমাকে উইশ করেছেন। সবাইকে আবারও অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই।

হটাৎ করে মনে পড়ল পুরানো এক স্মৃতি। দেশে থাকলে যেখানেই থাকি না কেন আমার জন্মদিনে বিকালে অবশ্যই বাসায় থাকতে হবে। সৌভাগ্য বা দূর্ভাগ্য জনক ভাবে সেইদিন বিকেলে এক বান্ধবীর বাসায় যাবার কথা ছিল।যে কোনো কারনে ( কারন টা আর মনে নাই এতদিন পরে) তার বাসায় না যেয়ে আমার বাসায় চলে আসি। দুই দিন পরে দেখি বাপজান গোমড়া মুখে একটা প্যাকেট এনে দিয়ে বলছে এটা তোমার জন্য এসেছে।

প্যাকেট টা অর্ধেক ছেড়া দেখে একটু খটকা লাগায় বাপের চেহারার দিকে তাকাই।বলল আমাকে প্যাকেট টা ছেড়া থাকায় আমি খুলে দেখেছি। আমি কিছু না বলে প্যাকেট টা আমার ঘরে যেয়ে খুলে দেখি সুনীলের একটাবই এবং ভিতরে একটা কার্ড। কার্ড খুলতেই আমার বুক ধক করে উঠলো.... লেখা আছে " সন্ধ্যে পর্যন্ত তোমার জন্য অপেক্ষা করে ছিলাম ।তুমি এলে না । তাই আমার হৃদয় খানা লাল কাগজে মুড়ায়ে তোমাকে পাঠালাম যত্ন করে রেখ।"

লেখাটা পড়া শেষ না হতেই দরজায় দেখি বাপজান দাড়ায় আছে। ( পরের কাহিনী আর কমু না এখন.... <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> )

আরেকজন ছিল যত যাই হোক না কেন এইদিন আমার বাসায় আসবেই। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাসায় থাকবে। আমি না থাকলেও মামনির সাথে বসে গল্প করবে। সেও কেমন করে জানি হারায় গেল। মনের কোনে ছোট্ট একটা আশা ছিল হয়তো ছোট্ট একটা এস এম এস পাবো!!!! কিন্তু <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

যদিও আজকে বেশীরভাগ সময় ঘুমায় কাটাইছি তবুও যতটুকু সময় জেগে ছিলাম ভালো কাটাইছি।

সবাইকে আবারও অনেক অনেক ধইন্যাপাতা আমাকে উইশ করার জন্য। ভালো থেকেন সবাই.....খুব ভালো থেকেন....]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28827440 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28827440 2008-08-04 23:41:28
দিনকাল......<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_18.gif" width="23" height="22" alt=":|" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_17.gif" width="23" height="22" alt="X(" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" />
একেক বার যখন হাইচ্ছো দিতাছি মনে হইতাছে বাপ দাদার সম্পত্তি এই আত্মা খান কাইপা কাইপা উঠতাছে। sorry আর god bless arunav পুরা কবিতার ছন্দে বের হইতাছে।

আমার এই হাইচ্ছোরা মনে হয় আড্ডাবাজ টাইপের হাইচ্ছো। একা আসতেই পারে না। ১০/১২ টা বন্ধু বান্ধব না থাকলে এর মন ভরে না। তাই আশে পাশে যখন পাবলিক থাকে ভদ্রতা কইরা sorry এর কবিতা কই ( এক্সকিউজ মি কইতে পারি না শুধু মুখ দিয়া বাইর হয় কুইজ মি...যদি কোনো শুভাকাংখী কুইজ মি শুইনা আমারে কুইজ করা শুরু করে সেই ভয়ে শুধু স্যরি ই কই)। আর আশে পাশে যদি কেউ না থাকে তখন নিজেরে শুনায়ে কই god bless arunav। কেউ তো আর আমারে ব্লেস করবো না তাই নিজেই নিজেরে করি।<img src=" style="border:0;" />

নাক দিয়া পানি পরার সাথে সাথে জ্বর ভাইজান কইতাছে তোমার নাকি নাক দিয়া পানি পড়তাছে তাই দেখতে আসলাম। কত বার কইলাম আইস না আইস না এখন আপ্যায়ন করতে পারুম না কে শোনে কার কথা। আইসা কয় যে দুই চার দিন থাইকা যাইতেছি কিন্তূ। আমিও মুখ গোমড়া কইরা কইলাম শখ করছ ... শখের দাম লাখ টাকা...যাও থাইকাই যাও।

সাথে আবার কাজিন রেও ( মাথা ব্যাথা ) নিয়া আসছে।<img src=(" style="border:0;" /> সেইকাজিনের আবার পায়ের তলায় শরিষা। সারা মাথা জুইড়া লাফায় বেড়াইতেছে আর নাচতাছে।

তামাকের বারবিকিউ সব সময়েই আমার পছন্দ। শুধু পছন্দ বললে কম হবে অন্যতম পছন্দ। কিন্তু এই অসাধারন খাবারের স্বাদ যে এত বিশ্রী হতে পারে তা এখন হাড়ে হাড়ে টের পাইতেছি।<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28826220 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28826220 2008-08-01 10:55:34
দার্জিলিং ভ্রমনের একথা সেকথা.......কাঞ্চনজংঘা...... ২ য় পর্ব ১ম পর্ব

যাই হোক ১ম রাতে মনে একটু খচখচ নিয়েই শুতে গেলাম। এপাশ ওপাশ করছি কিন্তু আর ঘুমের দেশে যাইতে পারতেছি না। অনেক কষ্টে মনে হয় একটু ঘুমাইছি হটাৎ মনে হলো কে যেন ডাকতেছে অরুনাভ তুমি না কাঞ্চনজংঘা দেখতে এসেছ তবে ঘুমাইতেছ কেন?

চোখ খুলে দেখি প্রায় ভোর হয় হয়। অন্ধকার এখনো কাটে নাই। জ্যাকেট টা গায়ে চাপায় রূম থেকে বের হয়ে দেখি লবি লক করা। মেজাজ এক লাফে মাথায়। অনেক কষ্টে রাগ সামলায়ে আবার রূমে আসা। বসে ভাবছি কি করা যায় কি করা যায়।

ঘরের পর্দা ভালো মতো সরায়ে জানালা খুলে দিলাম। ঠান্ডা বাতাসে এক ঝটকায় রূম ভর্তি। জানালা দিয়ে দার্জিলিং দেখছি।আকাশ ধীরে ধীরে ফর্সা হতে শুরু করেছে। হটাৎ সামনে তাকিয়ে আমি অবাক। মনে হচ্ছে দূরে এক টুকরা স্বর্ন জ্বল জ্বল করছে। আমি অবাক হয়ে তাকায় আছি। এবার দেখি স্বর্নের টুকরা টা একটু একটু করে বড় হচ্ছে।মনে হচ্ছে পুরা একটা লাইন জ্বল জ্বল করছে।

মাথার মধ্যে শুধু একটা জিনিসই ঘুরপাক খাচ্ছে সুন্দর যে এত সুন্দর হতে পারে না দেখলে বুঝতে পারতাম না। কাঞ্চনজংঘা...কাঞ্চনজংঘা...

চোখ ভরা বিস্ময় নিয়ে দেখছি। সূর্য্যের ১ম আলো কাঞ্চনজংঘার মাথার বরফের মুকুটে পরে ঠিকরে পরছে আলো চারদিকে।সূর্য দেবের ঘুম যখন পুরা পুরি ভাংলো পুরা কাঞ্চনজংঘা সোনালী রং ঝলসায় উঠে আবার দুধ সাদা বরফের চূড়ায় ফিরে গেল।

এই রং বদলের খেলাটা মনে হয় খুব বেশী হলে ৫/৭ মিনিট। খুব বেশী হলে ১০ মিনিট। কিন্তু এর যা সৌন্দর্য্য তা প্রকাশ করা আমার পক্ষে সম্ভব না। এই সমস্ত জিনিসরেই মনে হয় অপার্থিব সৌন্দর্য্য। শুধু এটুকু বলতে পারি যেই এ দৃশ্য দেখেছে তার মন টাই খুশীতে ভরে উঠেছে।

( সমস্ত ছবিগুলি গুগল থেকে ধার করা )

কাঞ্চনজংঘা গানটা মৈথু মামা কেবলি আমাকে দিল......এড করে দিলাম।মামা তোমাকে অনেক ধইন্যাপাতা।
কাঞ্চনজংঘা

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28824456 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28824456 2008-07-26 22:22:58
দার্জিলিং ভ্রমনের একথা সেকথা.......দার্জিলিং শহর.... দার্জিলিং ভ্রমনের একথা সেকথা.......টয় ট্রেন....

তা দার্জিলিং এ তো নামলাম-এবার খুঁজতে হবে মাথা গোজার ঠাই মানে হোটেল। এই শহর সম্পর্কে তেমন কোনো ধারনাও ছিল না তাই কেমন যেন সব কিছু গুলায় ফেলছিলাম।হালকা ঠান্ডা বাতাস অবশ্য তেমন কিছু ভাববার সময় দেয় নাই।

দার্জিলিং এ হোটেল বুকিং না দেওয়া থাকলে দালালের সাহায্য ছাড়া কোনো হোটেল পাওয়া যায় না।দালালের সাহায্য না নিলেও দালাল আপনার পিছু ছাড়বে না।আপনার পিছু পিছু হোটেলে যাবে আর সেখানে যাওয়া মাত্রই রূমের ভাড়া দিন হিসেবে ২০০ রূপি বেড়ে যাবে কমপক্ষে।যার কারনে বুকিং না দিয়া গেলে দালালের সাহায্যে রূম নিবেন এক রাতের জন্য।পরে নিজে খুজে ভালো অন্য কোন হোটেলে উঠবেন পরের দিন। ( আমি পুরা ধরা খাইছিলাম /<img src=" style="border:0;" />/<img src=" style="border:0;" />)

যাই হোক আমার মাথায় শুধু ঘুরঘুর করছিল কাঞ্চনজঙ্ঘা কাঞ্চনজঙ্ঘা... রিসেপশনে বললাম তোমাদের কোন রূম থেকে কি কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়? বলল ঠিক আছে তোমাকে সেই রকম রূম দিচ্ছি।রূমে ঢুকে আমি খুজি কাঞ্চনজঙ্ঘা জানালা দিয়া কুয়াশা ঘেরা মেঘ ছাড়া কিছুই দেখি না/<img src=" style="border:0;" />/#.

যাই হোক রূম থেকে ফ্রেশ হয়ে শহর দেখি মনে করে বাইরে এসেই খেলাম ঠান্ডা বাতাসের ঝাপটা। ঝাপটা খেয়েই একটু ভচকায় গেলাম। ভচকানির সাথে সাথে মনে হলো এখানকার চা তো বিশ্ব বিখ্যাত আগে চা খেতে হবে।অনেক খুজে পেতে চায়ের দোকান বের করলাম।এটাকে দোকান না বলে বলা যায় টং। খুব ভালো না হলেও খারাপ ছিল না চা টা। চা শেষ করে দোকানীকে বললাম আচ্ছা "মল" ( সত্যজিতের কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখে একটা শব্দই মনে ছিল )। দোকানী পাহাড়ি আর বাংলা মিলিয়ে কি যেন বলল কিছুই বুঝি নাই...শুধু বুঝলাম জায়গাটা কাছেই কোথাও হবে।

উদ্দেশ্য বিহীন ভাবে হাটতে হাটতে এক সময় পৌছে গেলাম মল এ।বিশাল চত্তর। অনেকটা গোল চত্তরের সমান। এক দিকে সারি সারি দোকান আর অন্য দিকে খাদ রেলিং দিয়ে আটকানো।সারি সারি বেন্চ গুলিতে বসে আছে সব বুড়াবুড়িরা।দেখে মনে হলো এই শহরটা বোধ হয় বুড়াবুড়ির জন্যই। এই মল ই হচ্ছে এখানকার প্রানকেন্দ্র। আমার জান ছুটছে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার জন্য। যাকেই বলি কোথায় কাঞ্চনজঙ্ঘা সেই বলে ঐ দিকে ... আর আমি তাকায় দেখি শুধু কুয়াশা ঘেরা মেঘ /<img src=" style="border:0;" />/<img src=" style="border:0;" />/<img src=" style="border:0;" />

আমি কোডাইকানাল যেয়ে যত মজা পেয়েছিলাম দার্জিলিং এ এসে কেমন জানি বোরিং লাগছিল। যাই হোক কিছু সময় মল এ কাটিয়ে রাতের খাবার খেয়ে ফিরে আসলাম রূমে।

সারা দিনের মজাই ছিল টয় ট্রেনের ভ্রমন।

( কাঞ্চনজঙ্ঘা আর মলের কিছু ছবি। ছবিগুলি গুগল থেকে ধার করা )]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28823196 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28823196 2008-07-23 02:11:35
ছোট্ট এক পাহাড়ী শহর --কোডাইকানাল শেষ পর্ব ছোট্ট এক পাহাড়ী শহর --কোডাইকানাল ১ম পর্ব

ছোট্ট এক পাহাড়ী শহর --কোডাইকানাল ২য় পর্ব

কোডাইকানালে পা দিয়েই মন ভালো হয়ে গিয়েছিল.......পরিবেশ প্রকৃতি ছাড়াও যে জিনিস টা ছিল তা হচ্ছে পাবলিকের হাসি এবং উচ্ছলতা....যেখানেই যাই যেদিকেই যাই সবাই হাসি খুশী.....আর পরিবেশটাও মজার......মাঝে মাঝে হালকা বৃষ্টি.....সাথে হালকা রোদ.....একষ্ট্রা পাইসিস হচ্ছে মেঘের চাদর........সাথে ঠান্ডা......

মজার ব্যাপার সেখানে ৯টা বাজতেই দোকানপাট প্রায় সব বন্ধ......রেষ্টুরেন্ট খুব বেশী হলে ১০ টা পর্যন্ত খোলা......হোটেলের রেষ্টুরেন্ট বার গুলি অবশ্য ১২ টা সারে ১২ টা পর্যন্ত খোলা থাকে......যে কয় দিন ছিলাম বিকেলে লেকে বোটিং করেছি নিয়মিত.....প্যাডেল ওয়ালা নৌকা....২ সিটার এবং ৪ সিটার......যার যে রকম দরকার সে সেই রকম নৌকা নিচ্ছে.......

এর মাঝে একদিন লোকাল টুর নিয়ে চক্কর দিলাম সারা কোডাইকানাল......সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত.......প্রায় ১৬/১৭ টা প্লেস ওরা ঘুরে দেখায়.......সাথে যদি নিজস্ব গাইড না থাকে তবে লোকাল টুর নেওয়াই ভালো......তবে একটু সমস্যা হচ্ছে অনেক সময়েই কোনো কোন স্পটে ওরা তাড়াহুরা করে.......বলে যে তাড়াতাড়ি দেখে আসুন......সময় নাই পরের স্পটে যেতে হবে......আরেকটা মজার জিনিস হচ্ছে জংগোল ট্রেকিং.....একটু সাহস নিয়া হাতে কম্পাস নিয়া রাস্তার বামে ডানে আইসা পাহাড় দেইখা উইঠা পরবেন ( উপরওয়ালা ভরসা )......উঠতে একটু কষ্ট হলেও একথা বলতে পারি একদমই বোর হবেন না......বরং পাহাড়ে উঠার পর মনে হবে দ্বিগবিজয় করলেন......সাথে বোনাস হিসেবে পাবেন নাম না জানা হরেক রকম পাহাড়ি ফুল.....আমাদের পূর্বপুরুষের ( বান্দর )যথেষ্ট আনাগোনা আছে.......মজা হলো ওরা আপনাকে কম্পানী দিবে তেমন বিরক্ত করে না.....তবে যদি কোনো খাবার ওদের সামনে খান অবশ্যই শেয়ার দিতে ভুলবেন না......শেয়ার না দিয়া থাবড়া খাইলে আমার দোষ নাই.......পানির বোতোল সাথে নিতে ভুলবেন না..... আর সবচেয়ে বড় কথা সন্ধ্যার পরে জংগোলের আসে পাশে না......অন্য কিছুতে ভয় না পান ঝিঝি পোকার বিকট শব্দে যে ভয় পাবেন তাতে কোনো সন্দেহ নাই.......মনে হয় যেন পুরা ড্রীল মেশিন.......

হোটেল চুজ করার সময় একটা জিনিস একটু খেয়াল রাখবেন যেন বাথরুমে গরম পানির ব্যবস্থা থাকে......তাছাড়া গোসল করা শিকায় উঠবে.....

চলে আসার সময় বেশ খারাপ লাগছিল.....সন্ধ্যার সময় হোটেল থেকে গাড়ি আমাদের কে বাস স্টপে দিয়া আসল......বাস দেইখা টাসকি......দোতালা বাস.....মাত্র ৩০ টা সিট নীচে উপরে মিলায়.....নীচে মনে হয় ৮ টা বাকি গুলি উপরে......সব গুলিই স্লিপিং সিট.....বাসে উঠার একটু পরেই দেখি ঘুমে চোখ ঢুলু ঢুলু......এক ঘুমে রাত কাবার.....ভোরে যখন ঘুম ভাংলো প্রায় আমার শহরের কাছাকাছি চলে এসেছি.......

( ছবি গুলি সব গুগল থেকে ধার করা )]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28822573 http://www.somewhereinblog.net/blog/arublog/28822573 2008-07-21 13:31:48