ঢং ঢং ঢং ওখানেই দেখা ও খানেই পরিচয়।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২০
দেয়ালের ঘড়িটা কিছুক্ষন আগে ঢং ঢং ঢং শব্দ করেছে বারো বার। রাতের রেলগাড়ির শব্দ ভেসে আসছে দূর থেকে । এখন রাতজাগা পেঁচা আর বাঁদুরের দিকবেদিক ছুটেচলা এই মফস্বল শহর মানুষ্য কোলাহল মুক্ত। রাবারের সুকতলি চেপে কালো পিচের রাস্তায় যত্রত্ত্র ঘুমিয়ে পড়েছে দানব গাড়ি গুলো। দোকানগুলোর ঝাপবন্ধ হয়েছে অনেক আগেই। প্রহরিরা ক্লান্ত শরীর ঢেলেদিয়েছে ঝাপবন্ধ দোকানগুলোর সামনে পাতা চরাটে এমাথায় ওমাথায়। কাচাঁ বাজারের কুকুর গুলো প্রহরির দায়িত্ব নিয়েছে নিজস্ব সহানুভুতিতেই । ভেউ ভেউ হুসিয়ারি সংকেত দিচ্ছে মাঝে মাঝেই। বড় বাড়ির গেটের ভেতরে বাধা বেল্ট ধারি হিটলার স্বজাতীর হুসিয়ারি সংকেত কে অভিনন্দন জানাচ্ছে বেশ রাজক্বীয় ভাষায় ।
বাজারের বড় রেস্তরার পেছন কোনের ফাঁক দিয়ে বের হয়ে হুলোবিড়ালটা
রাস্তার বামপাস দিয়ে হাটছে বড়বাড়ির দিকে। হিটলারের কান চোঁখ ফাঁকি দিয়ে পা টিপে টিপে পেছন দিকের প্রাচির টপকে ভেতরের দেয়াল ঘেষে পৌছে গেল সোজা রান্না ঘরের পেছনে পরিচিত হাড়ির দুধ খেতে।
এবাড়ির শোড়শী কাজের মেয়েটা রোজই যায় বড় রেস্তরায় মেহমানের নাস্তা কিনতে । ওখানেই দেখা ও খানেই পরিচয়।
হুমমম... বলেছেন:
শোড়শী ? বানান হয় নাই। যাউগ্গা, তারপর কি হৈল?
রোদ্দূর মিছিল বলেছেন:
চমত্কার বর্ণনাশৈলী। প্লাস দিলাম। চালিয়ে যান।
রোদ্দূর মিছিল বলেছেন:
কোন্ বিজ্ঞজনের ভাল লাগেনি ঠিক বুঝতে পারলাম না।


















