আমার প্রিয় পোস্ট

আমি নৈরাশ্যবাদী, হতে চাই আশাবাদী। স্বপ্ন দেখি নতুন বিশ্বের সোনার বাংলাদেশের। কিন্তু প্রতিনিয়ত সেই স্বপ্ন ভেঙ্গে বাস্তবতায় ফিরে আসি, তবুও স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসি

হাইএন্ড কম্পিউটার কতখানি প্রয়োজনীয়?

২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ১২:৩৩

শেয়ার করুন:                   Facebook


আজকেই একজন ব্লগারকে দেখলাম তার নতুন সিস্টেম কিনছেন তার বর্ননা দিচ্ছেন। তার নতুন কম্পিউটার কেনার খুশিতে আমরাও বাক বাকুম করলাম এবং তাকে অভিনন্দন।

ইদানিং এরকম সিস্টেম কনফিগারেশন অনেকেই কিনতে চান


Processor: Intel Core 2 Quad 3.07 GHZ
RAM: Corsair 6GB, DDR3, 800 bus speed.
Motherboard: GigaByte, S- series, 1333,
AGP: MSI, 1GB, DDR2
Hard Disk: 820 GB (500+320)
Monitor: Asus, 22" WideScreen.
Cashing with LCD and 5 cooling fan.
Wireless Keyboard, Mouse And Sound speakers 5.1
Windows Ultimate 64-bit, Registerd from Microsoft Corp.

তবে তাদের প্রতি আমার কিছু কথা। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী জিনিস কিনুন। যদি সদ্ব্যবহারই না করতে পারলেন তাহলে কিনে ভাই লাভটা কি হবে??

এবার কনফিগারেশন সম্পর্কে কিছু বলি।


১) যদি আপনি

ক) একনিষ্ঠ গেমার না হন বা
খ) ডাটাবেস নিয়ে কাজ না করেন দিন রাত অথবা
গ) আগামী পাঁচ বছরের মাঝেই নতুন সিস্টেম কিনবেন

তাহলে কোয়াড কোর২ প্রসেসর কিনে কোন লাভ নেই। এখনও কোন সফটওয়্যার বাজারে নেই যেটা আপনার ডুয়েল কোর প্রসেসরের মেক্সিমাম শক্তি ব্যবহার করতে পারে।

সাজেশন:

এএমডির এথলন ৬৪ অথবা এফএক্স আপনার সিঙ্গেল কোর প্রসেসরে মেক্সিমাম সাপোর্ট দিবে। আপনার যে কোন দৈনন্দিন চাহিদা দৌড়ের উপর পূরণ করবে। এবং ইন্টেলের কোর ডুয়ো মানের প্রসেসরকেও অনেক পিছে ফেলে দিবে।


২) র‍্যামের ব্যাপারে.....

ক) ভিস্তা আলটিমেট চালাবার জন্য ২ গিগা যথেষ্ট
খ) গেমস্ খেলার জন্য বা ডাটাবেসে কাজ করার জন্য ৪ গিগা যথেষ্ট

অতিরিক্ত র‍্যাম আপনার কোন কাজেই আসবে না। অযথা পরে থাকবে এবং বিদ্যুৎ খরচ করবে।

সাজেশন:
একনিষ্ঠ গেমার হলে খুব বেশি হলে ৪ গিগা র‍্যাম কিনুন


৩) মাদারবোর্ড এসএলআই কিনলে সবচেয়ে ভালো হতো

ভবিষ্যতে গ্রাফিক্স কার্ডের দাম কমলে আরেকটি গ্রাফিক্স কার্ড কিনে দুইটি গ্রাফিক্স কার্ড একসাথে ব্যবহার করে গেমের পারফর্মেন্স বাড়ানো যেতো

সাজেশন:
নতুন মাদারবোর্ড কিনার সময় এসএলআই মাদারবোর্ড কিনে ফেলুন। অথবা এটিআই কার্ডের ক্ষেত্রে ক্রসফায়ার মাদার্বোর্ড


৪) গ্রাফিক্স কার্ড

অনেকেই গ্রাফিক্স কার্ডের বর্ননা দিতে এজিপি বলেন। যা সঠিক নয়। পিসিআই-ই র যুগে এজিপি কিনে কোন লাভ নেই।


গত দুই বছরের পারফর্মেন্সের দিক দিয়ে এটিআই এর চেয়ে এনভিডিয়া গ্রাফিক্স কার্ড ভালো পারফর্মেন্সের দিক দিয়ে। তবে এই বছর আবারও বলে কিছু ভালো এটিআই কার্ড আসছে।

তাই আপনি এটিআই নিবেন না এনভিডিয়া কার্ড নিবেন তা আপনার পছন্দের উপর ও রিভিউয়ের উপর নির্ভর করবে। আবার একই কোর প্রসেসরের মাঝেও পারফর্মেন্স প্রভেদ রয়েছে কিছুটা। (যদিও সাধারন গেমাররা এটা বুঝবেন না, একমাত্র হার্ডকোর গেমাররা এই ফ্রেম ডিফারেন্স বুঝতে পারবেন)

সাজেশন:
গ্রাফিক্স কার্ড কিনার সময় কখনও টপ অফ দ্যা লাইন কিনবেন না। এক বা দুই মডেল কম কিনবেন এতে যেমন দামেও সাশ্রয় হবে তেমনই কিছুটা দাম কমার সাথে সাথেই এসএলআই ব্যবহার করে পারফর্মেন্স বৃদ্ধি করতে পারবেন।


৫) হার্ডডিস্ক সাইজ সম্পর্কে অনেকের মত যতবেশি তত লাভ।

হার্ডডিস্ক আপনি গিগাবাইট কেনো টেরাবাইট নিন যদি আপনি.......

ক) হার্ডডিস্কে আপনার সব ছবি, গান বা গেমসের কালেকশন রাখতে চান
খ) ডাটা লস সহ্য করতে পারেন।
গ) নিয়মিত ডাটা ব্যাকআপের ব্যবস্থা রয়েছে
ঘ)ডিস্ক ফ্র্যাগমেন্টেশনের মতো ডিস্ক ম্যানেজমেন্টে অনেক সময় লাগবে

আপনার কোন ডাটা যদি নিয়মিত ব্যবহারের প্রয়োজন না পরে তবে সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে ডিভিডি রাইটারের ব্যবহার করে নিশ্চিত থাকা। ডাটা ব্যাকআপও সহজ হবে। তবে নিয়মিত যদি ব্যবহারের প্রয়োজন পরে তাহলে এক্সটার্নাল বা পোর্টেবল হার্ডডিস্ক কিনে নেয়াই ভালো হবে।

সাজেশন:
১৬০ গিগার বেশি কেনার প্রয়োজন নেই। দাম যখন এতোই কম হয়ে গেছে এবং ভবিষ্যতে আরও কমবে (রাইটার ও ব্ল্যাঙ্ক ডিভিডির দাম), হার্ডডিস্ক সাইজ না বাড়িয়ে ডিভিডি রাইটার কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।


৬) মনিটর ২২" কেবল যারা একসাথে মাল্টি উইন্ডোতে কাজ করেন তাদের জন্য সুবিধাজনক।

মনিটর ১৭-১৯ ইঞ্চি এলসিডি কিনলে ভালো।

মেক্সিমাম রেজ্যুলেশন ও রিফ্রেস রেটে রান করলে চোখেরও আরাম, কাজের স্থানও বাড়বে।

সাজেশন:
বাজারে অনেক কমদামি এলসিডি মনিটর পাওয়া যায়, সেগুলো না কিনে ভালো ব্র্যান্ডের ভালো ওয়্যারেন্টি সহ এলসিডি মনিটর কিনুন। দাম শুরুতে বেশি পরলেও বিদ্যুৎ সাশ্রয় অনেক হবে।

৭) এলসিডি কেসিং দেখানো ছাড়া কোন কাজের না। এগুলো অযথা ওয়ার্নিং দিয়ে আপনার পিসি বন্ধ করে দিবে। গেমস্-এর মাঝে পিসি বিপ দিয়ে বন্ধ করে দিবে।

টেম্প্রেচার মনিটরের জন্য অনেক ভালো সফটওয়্যার রয়েছে।

গেমস্ খেলার জন্য ও ২৪ ঘন্টা পিসি অন রাখা হলে, কুলিং ফ্যানের চেয়ে ওয়াটার কুলিং কিনা সবচেয়ে ভালো। পিসি গরমই হবে না।

সাজেশন:
গেমার হলে ওয়াটার কুলিং সিস্টেম সহ কেসিং কিনুন। এলসিডি মনিটরের বদলে মাদারবোর্ড মনিটর ৫ -এর মতো থার্ড পার্টি ফ্রিওয়্যার ব্যবহার করুন।


৮) মাল্টিমিডিয়া কীবোর্ড মাউস আপনার গেমিং-এ পারফর্মেন্স বৃদ্ধি করলেও আপনার অন্যান্য প্রডাক্টিভিটি কমিয়ে দিবে।

সাজেশন:
কীবোর্ড বেসিক এ-শেপ, মাউস অপটিক্যাল স্ক্রল। কিনার আগে ব্যবহার করে দেখা উচিত ব্যবহারে আরামদায়ক কিনা এবং সহজে অভ্যস্থ হওয়া যায় কিনা।

৯) আমি আরেকটি অপারেটিং সিস্টেম যুদ্ধ শুরু করতে চাই না। তারপরও না বলে থাকতে পারলাম না....

উইন্ডোজ ভিস্তা ব্যবহার করুন যদি আপনি
ক) অরিজিন্যাল লাইসেন্স কিনে থাকেন
খ) ডাটা লস সহ্য করতে পারেন
গ) অপারেটিং সিস্টেমের প্রসেস দিয়েই আপনার পিসিকে ব্যস্ত রাখতে চান
ঘ) ফাংশনালিটির চেয়ে আইক্যান্ডি বেশি পছন্দ করেন
ঙ) নিত্য নতুন ভাইরাসের নাম জানতে চান
চ) সিস্টেম নিরাপত্তাহীনতা সহ্য করতে পারেন

আমি ভিস্তার চেয়ে উইন্ডোজ ৭ ব্যবহার করার কথা বলবো।
যতদিন উইন্ডোজ ৭ বের না হচ্ছে ততদিন আমি এক্সপি ব্যবহার করার কথা বলবো।

তবে ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করতে বলবো মুক্ত সোর্স অপারেটিং সিস্টেম/লিনাক্স/ইউনিক্স/বিএসডি................

সাজেশন:
গেমস্ খেলতে চাইলে লিনাক্সে সেডেগা ব্যবহার করে গেমস্ খেলুন অনেক সিকিউরড্ হবে, পারফর্মেন্স একই রকম থাকবে প্রায়। কোন লিনাক্স সিস্টেম ব্যবহার করবেন তা আপনার পছন্দের উপর নির্ভর করবে। অসংখ্য ব্যবহারবান্ধব সিস্টেম আছে যেকোন একটি ব্যবহার করে দেখুন।



আমার স্বপ্নের সিস্টেম কনফিগারেশন??

প্রসেসর: এএমডি এথলন ৬৪ /এফএক্স ৪০০০ (সকেট ৯৩৯)
মাদারবোর্ড: এসএলআই সাপোর্টেড সকেট ৯৩৯ মাদারবোর্ড
র‍্যাম: ২ গিগা ডিডিআর২
অপটিক্যাল ড্রাইভ: ডিভিডি রাইটার
হার্ডডিস্ক: ১২০ গিগা স্যাটা ৭২০০ আরপিএম
গ্রাফিক্স কার্ড: এনভিডিয়া ৮৮০০ জিটিএ সাইলেন্ট
মনিটর: ১৭ ইঞ্চি এলসিডি
কেসিং: থার্মাল কেসিং
মাউস ও কীবোর্ড: বেসিক
অপারেটিং সিস্টেম: ইন্ট্রাপিড আইবেক্স ৮.১০
অথবা রয়েল বেঙ্গল লিনাক্স ২০০৮

এবং অবশ্যই ইউপিএস।


অন্যান্যদের মতামত জানতে আগ্রহী আছি আমি :)

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কম্পিউটার ;
প্রকাশ করা হয়েছে: কম্পিউটার  বিভাগে ।

 

  • ৫০ টি মন্তব্য
  • ৬৯২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ১২:৪৮
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: ডিভিডি বিষয়ে যেইটা বললেন সেইটা ঠিক্না । ব্যাকআপের জন্য ডিভিডি কোন নির্ভরযোগ্য বস্তু না ।
২. ২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ১:১৬
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: দারুণ ১টা লেখা,বুকমার্কড।
৩. ২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ১:২৪
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: ১০০বছরের কথাটা একটা মার্কটিং স্টেটমেন্ট । এর বেশী কিছু না । দুনিয়ার কোথাও কেউ (যারা ব্যাকআপের জন্য সিরিয়াস ) ডিভিডি ব্যবহার করে না । এক বছরেই বা ৬ মাসেই এই জিনিস নষ্ট হয়ে যাবার ভুরি ভুরি উদাহরণ আছে ।
২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: হুমমম মার্কেটিং এর ব্যাপারে কি বলবো। আমি নিজেই মার্কেটার :P

অবশ্যই যারা সিরিয়াস তারা এক্সটার্নাল বা পোর্টেবল বা সেকেন্ডারি হার্ডডিস্ক ড্রাইভ ব্যবহার করে ব্যাকআপ নেন। আবার কেউ কেউ তো আবার ডাটা সেফটির জন্য রেইড সিস্টেম ব্যবহার করেন।


তবে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে এবং আমার নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে ডিভিডিটাই আমার কাছে মনে হয়েছিলো ভালো পদ্ধতি।


আপনার কি মনে হয় আমার মূল লেখা থেকে ডিভিডিতে ব্যাকআপ করার কথা সরিয়ে দিবো??

৪. ২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ১:২৯
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: কনফিগারেশন কি হতে পারে সেটা তো এই লেখা থেকেই আইডিয়া নিলাম:) আমি তেমন বুঝি না,জ্ঞানীরা বলুক।
দেখেন ঐ প্লাস মাইনাসের পাশে ১টা হলুদ রঙের স্টার আছে,প্রিয়তে যোগ করতে চাইলে ওটায় ক্লিক করুন।
২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ১:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার সাহায্যের জন্য। এখন কাজে লাগবে অনেক।

অভিজ্ঞ কেউই নন। আপনার চাহিদা কি হবে তার উপর নির্ভর করবে আপনি কি কিনবেন

যেমন আপনি

ক) কেবল ইন্টারনেট ব্রাউস করতে চান, গান শুনতে চান?

তাহলে বুইল্টইন গ্রাফিক্স ও সেম্পরন বা সমমানের প্রসেসর

খ) কেবল ছোটখাটো খেলা খেলতে চান তাহলে আলাদা গ্রাফিক্সকার্ড, প্রসেসর পেন্টিয়াম ৪ (যেকোন পিসিআইই গ্রাফিক্স কার্ডই চলবে।)

গ) যদি ছোটখাটো প্রেসেন্টেশন করতে চান তাহলে পেন্টিয়াম ৪

ঘ) ডাটাবেস নিয়ে কাজ করতে চান, তাহলে এএমডি-র এথলন বা এফএক্স সিরিজ কিনুন


মোটামোটি আপনার চাহিদা পূরণ হবে এমন জিনিসই কিনুন। অনেকে এএমডি বা ইন্টেলের পক্ষে সাফাই গাবেন, অনেকে এটিআই বা এনভিডিয়ার পক্ষে বলবেন। এর মধ্যে কোনটা আপনার ভালো লাগবে সেটাই আপনি কিনুন।

৫. ২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ১:২৯
comment by: নেমেসিস বলেছেন: ওয়াটার কুলিং টা আরেকটু বিশদ বলেন । পাওয়ার সাপ্লাই নিয়া দেখি আপনি নিরব!!!
২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:০১

লেখক বলেছেন: বিস্তারিত ভাই সবকিছু বলা হয়নি সত্যি। আমি আবার সবকিছুও জানিনা।

সংক্ষেপে ওয়াটার কুলিং হচ্ছে

বাতাসের চেয়ে পানির মাধ্যমে তাপমাত্রা দ্রুত কমিয়ে আনা যায়। এজন্য গরম বাতাস এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে টেনে বের করে তাপমাত্রা কমানোর চেয়ে দ্রুত কাজ করা হবে যদি ঠান্ডা পানি আপনার সিপিইউ মাদারবোর্ডসহ অন্যান্য কম্পোনেন্টসের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

এজন্য আপনার কেসিং-এর ভিতরে

একটা পানির রিসার্ভার থাকবে।

একটা মোটর থাকবে পানিকে পাম্প করার জন্য,

একটা মোটর থাকবে গরম পানিকে পুনরায় ঠান্ডা করার জন্য

ওয়াটার ব্লকার থাকবে যাতে লিক না করে, বা প্রয়োজনের বেশি পানি পাম্প না হয়।

এরপর টিউব থাকবে যেটি আপনার মাদারবোর্ড, সিপিউ এর উপর দিয়ে যাবে।


সহজ করে বললে। রিজার্ভার থেকে পাম্প করে পানি টিউব দিয়ে ঠান্ডা পানি প্রবাহিত হবে। এই ঠান্ডা পানি প্রবাহিত হবার সময় আপনার সিপিউ মাদারবোর্ডের বিভিন্ন পার্টস থেকে নির্গত তাপমাত্রা শুষে নিবে।

পরে আবার গাড়ির রেডিএটরের মতো অংশ দিয়ে যাবার সময় মোটর পানিকে ঠান্ডা করে দেয়।

এই কুলিং সিস্টেম নির্দিষ্ট সময় পর খুলে পরিস্কার ও যত্ন নিতে হয়। এবং পরীক্ষা করে দেখতে হবে সম্পূর্ন।

এই কুলিং সিস্টেম সম্পর্কে অনেক পক্ষে বিপক্ষে মতামত আছে। যেমন অনেকেই তাদের দামি সিস্টেমের ভিতরে পানি ভরে রেখে নিশ্চিত থাকতে পারেন না। :)

বিস্তারিত জানেন না এমন মানুষকে ওয়াটার কুলিং সিস্টেম ইনস্টল করতে দিবেন না, এবং মেইনটেনেন্সও অভিজ্ঞ লোককে দিয়ে করান।


আরও বিস্তারিত বুঝবেন ইউটিউবের এই টিউটোরিয়ালটি দেখলে
http://www.youtube.com/watch?v=We9xGpP1RWw
এখানে দেখানো হয়েছে ওয়াটার কুলিং সিস্টেম কিভাবে ইনস্টল করবেন।



পাওয়ার সাপ্লাই ভাই খুবই ক্রিটিক্যাল একটা জিনিস। আমরা অনেকেই উহ্য করি। কিন্তু এটা উচিত না।

অনেকেই কেসিং-এর সাথে প্রাপ্ত কম দামি বা নন-ব্র্যান্ড পাওয়ার সাপ্লাই ব্যবহার করেন। এটা একদমই ঠিক নয়।

পাওয়ার সাপ্লাই বিভিন্ন ক্যাটাগরি ও পাওয়ার ক্যাপাসিটির রয়েছে। আপনার চাহিদা অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে।

পাওয়ার সাপ্লাই-এর ক্ষমতা সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। আপনি অতি কম পাওয়ারের (২০০) তাইলে আপনার সিস্টেম যেমন পারফর্ম করতে পারবে না। তেমনই আবার নিরাপদ থাকার জন্য বেশি পাওয়ারের (৮০০) পাওয়ার সাপ্লায়ার কিনবেন তাহলে আপনার সিস্টেম খুব সহজেই বারবিকিউ এর গ্রিল হয়ে যাবে। খুব সহজে সিস্টেম নষ্ট হয়ে যাবে।

আপনার সিস্টেমের কম্পোনেন্টসের পাওয়ার রিকোয়ার্মেন্ট মেপে পরে আপনি পাওয়ার সাপ্লাইয়ার কিনুন। কিনার সময় দুই তিনটি দোকানদারের পরামর্শ নিন (যদিও বাংলাদেশে এটা কঠিন, তারা স্টক ফ্যানই দেখাবে)

৬. ২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ১:৩৩
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: আরেকটা কথা, নতুন গ্রাফিক্স কার্ড গুলো পিসিআইই, পিসিআই না ।
২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ১:৩৬

লেখক বলেছেন: জ্বি ভাই ওটা লেখার সময় ওভাবে লিখে ফেলেছি।

যেমন লক্ষ্য করুন লিখেছি এমডি আসলে কিন্তু এএমডি হবে সবখানে। তখন লক্ষ্য করিনি এখনও পরিবর্তন করতে ইচ্ছে করছিলো না। আচ্ছা মানুষকে ভুল বলার চেয়ে ঠিক করে দেয়াই ভালো হবে।

৭. ২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ১:৪২
comment by: রাগিব বলেছেন: কনফিগারেশনের ব্যাপারে পুরাপুরি একমত। বাংলাদেশের অধিকাংশ ইউজার কম্পিউটার কেনেন দুইটা কারণে - গান শোনা/মুভি দেখা/খেলা , আর ওয়ার্ড প্রসেসিং। অল্প কিছু ইউজার ইন্টারনেটও ব্যবহার করেন। এই কয়েকটা দরকারের জন্য বিশাল টাকা খরচ করে কম্পিউটার কেনাটা অপচয় মাত্র।
২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:০৮

লেখক বলেছেন: সত্য কথা ভাই।

আমি নিজেও এরকম ছিলাম একসময়। এখন চাহিদা কিছুটা কমিয়েছি।

তবে আমি এএমডি ৪০০০+ নিতে বাধ্য কারন আমার বাবার অফিসের ডাটাবেসে মাঝে মাঝে কাজ করতে হয়। তখন প্রেসার পরে।

বাসার পিসিতে তো (পেন্টিয়াম ৪-২.৪ যদিও খারাপ না) আমি ঘুম দেই প্রায় কাজে।

৮. ২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ১:৪৭
comment by: দিশাহারা ওমর সোলাইমান বলেছেন:
ডিভিডি একবার বাইর করা আর একবার ঢুকানো অসহ্য এক ব্যাপার।
আট দশ বার বাইর করলেই অনেক স্ক্র্যাচ পইরা যায়।

হার্ড ডিস্কের জরুরী ফাইলগুলা ডিভিডিতে ব্যাকআপ রাখা যায়। কিন্তু প্রায়ই লাগে এমন ডাটা সিডি-ডিভিডিতে রাখা যন্ত্রনা। আমি নিজে অডিও সিডি কিইনা এমপিথ্রী বানায়া হার্ডডিস্কে রাখি।

আর একশ বছর সেই ডিভিডিই থাকব যেইটা একবারও খুইলা দেখা হয় নাই।
২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:০৯

লেখক বলেছেন: ঘন ঘন ব্যবহার করতে হলে ডিভিডি বাদ। তখন হার্ডডিস্কে রাখাই ভালো।

তবে আমি গান তেমন শুনি না। ছবিও তেমন দেখা হয় না। তাই ডিভিডিতেই রাইট করে রাখি।

৯. ২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:০৩
comment by: লাইঠেল বলেছেন: PCI- E কার্ডের ক্ষেত্রে ATI থেকে NVDIA ভালো, এই কথাটা মানতে পারলাম না। আমি দুটোই ব্যবহার করেছি।
২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:১২

লেখক বলেছেন: আমি আপনার কথাটি মেনে নিতাম দুই বছর আগে। তখন এনভিডিয়া আর এটিআই এর মাঝে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ছিলো।

আমাকেও কেউ জিজ্ঞাসা করলে যেকোন একটা ব্যবহার করতে বলতাম।

তবে কি জানি এএমডি এটিআই কিনে নেবার পর তেমন কোন গ্রাফিক্স কার্ড ওদের বানাতে দেখিনি যেটা এনভিডিয়াকে টেক্কা দিতে পারে। তবে ইদানিং অনেক সাইট রিভিউ-এ দেখছি এই বছরে বলে কিছু এটিআই কার্ড আবার মার্কেট পাচ্ছে।

এটা ভালো খবর। কারন কম্পিটিশন আছে বলেই না এনভিডিয়া আর এটিআই এরা তাদের নিত্য নতুন গ্রাফিক্স কার্ড বানাচ্ছে আরও ভালো ফ্রেম রেট/ফ্রিকোয়েন্সি পারফর্মেন্সসহ।

১০. ২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:০৪
comment by: দরদী নজরুল বলেছেন: খুবই কাজের একটা পোষ্ট।
২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

দ্রুত লিখতে গিয়ে (কারন আমার ব্লগের অন্য পোস্টগুলো দেখলে বুঝবেন) অনেক ভুল ভ্রান্তি রয়ে গেছে। ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

১১. ২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:১৩
comment by: আরিফ থেকে আনা বলেছেন: আমার পিসিটা বাংলাদেশের সবচেয়ে খারাপ কনফিগারেশনের পিসি। তবে ব্যবহার করে মজা পাই ;)
১২. ২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:১৪
comment by: নেমেসিস বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ।
২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:২৩

লেখক বলেছেন: বিস্তারিত সাহায্য করতে পারলাম না সময়ের অভাবে।

তবে আরও তথ্যের প্রয়োজন হলে ইন্টারনেটে অনেক সাইটেই ওয়াটার কুলিং / পাওয়ার সাপ্লায়ার বা কম্পিউটারের অন্যান্য বিষয় নিয়ে খুটিনাটি আলোচনা করে থাকে। সেখানে আরও বিস্তারিত জানতে পারবেন।

১৩. ২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:২৬
comment by: েছাটন বলেছেন: ওঁ ওঁ মধু মধু......এমন একটা পোস্টের জন্য কতদিন কাউয়ার মতো বইস্যা আছি। গুরু এলা কিছু পরামশ্য দ্যান অন কন্ডিশন দ্যাট নো কাউন্সেলিং ফি উইল বি প্রোভাইডেড।

বাংলাদেশে এএমডি প্রসেসর পাওয়া যায়? আমি জানতাম না। দাম কেমন বলবেন? এজন্য কি গতানুগতিক মাদারবোর্ড চলবে?

আপনার স্বপ্নের অপারেটিং সিস্টেম কোন জাতের? লিনাক্স নাকি?

আমি কয়দিন আগে সা.ইনে একটা পোস্ট দিছিলাম....বলেন তো কেমন কনফিগারেশন।
প্রসেসর: পেন্টিয়াম ডুয়াল কোর ২.০০
মাদারবোর্ড: গিগাবাইট ৯৪৫ সিরিজ
রেম:১ গিগা ৬৬৭ বাস
ডিভিডি রাইটার: আসুস
হার্ডডিস্ক:সামসাং ১৬০ জিবি
নম্যাল কেসিং, কি বোর্ড, মাউস
মনিটার স্যামস্যাং ১৫"

সবমিলিয়ে ২৫০০০ পড়ে। বলেন তো কেমন কনফিগারেশন? খুব বেশি বইলা ফেলছি?

তয় আমি বুইঝতে পাইরছি, আপনার লগে আমার জমব। চাও....
২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:৫১

লেখক বলেছেন: গুরুজ্বি এএমডি বাংলাদেশে পাওয়া যায়। তবে কনফিগারেশন পোস্টের জন্য যেমন কাউয়ার মতো বসে ছিলেন সেরকম বসে থাকা লাগে এএমডি প্রোডাক্টের জন্য :(


তবে অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে। এএমডি প্রসেসরও ও মাদার্বোর্ড এখন আইডিবি ভবনে পাওয়া যায় (যদিও দাম ২ থেকে ৫ হাজার টাকা বেশি বলে।) সবচেয়ে ভালো হয় যদি পরিচিত দোকান থেকে নেন।

না এএমডির প্রসেসর কেবলই এএমডির মাদারবোর্ডে চলবে। এজন্য কিনার আগে রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি কেমন জেনে নিন।

আপনার কনফিগারেশন মোটামোটি ভালোই আছে। চলনসই। কিন্তু কি করবেন তা কিন্তু বলেন নাইঁ। ওটা ছাড়া তো কিছু বলা যাবে না। ছোটখাটো গেমস্, ইন্টারনেট ব্রাউসিং, প্রেসেন্টেশন ইত্যাদি তৈরির জন্য যথেষ্ট।

তবে আরেকটু ভালো জিনিস পাইতে পারেন যদি অংকটা একটু ৩০-৩৫ এর কাছে নেন। আগামী ৪ বছরের চাহিদা মেটালেও গেমস্-এর ক্ষেত্রে একটু কম মনে হচ্ছে ভাই।


আর কিছু পরামর্শ আমি অবশ্যই মেনে চলার জন্য অনুরোধ করবো আপনাদের

১) অনবোর্ড গ্রাফিক্স কার্ড কোন মতেই নিবেন না।

( এখনও তেমন পারফর্মেন্স গেইন করতে পারেনি। তবে ইন্টেল এএমডি ২০০৯ সালের শেষে বিশেষ ধরনের বুইল্টইন গ্রাফিক্স কার্ড ছাড়বে যেগুলো এক্সটার্ন্যাল গ্রাফিক্সকে হার মানায় দিবে।)

২) মনিটর অবশ্যই বেশি দাম দিয়ে হলেও এলসিডি কিনুন।

(চোখেরও আরাম দীর্ঘ মেয়াদে পকেটের জন্যও আরাম।)

৩) র‍্যাম অবশ্যই ২ গিগা নিন। যদি এখনও উইন্ডোজ ব্যবহার করার পরিকল্পনা থাকে।

(আপনি পছন্দ করুন আর নাই করুন, এক্সপির দিন শেষ। ভিস্তা তো মারাত্মক র‍্যাম নষ্ট করে আর উইন্ডোজ ৭ যে কি জিনিস হবে বলতে পারি না। তাই আগে থেকেই সাবধান। র‍্যাম আপগ্রেড দাম খুব বেশি হবার কথা নয়।)

৪) হার্ডডিস্ক স্যামসাং খারাপ বলবো না সরাসরি। তবে রিকমেন্ডও করি না কাউকে।

(ম্যাক্সটর নিন। এটা এখন মার্কেটে সবচেয়ে বেশি রিলায়েবল।)



সবশেষে জ্বি আমার স্বপ্নের অপারেটিং সিস্টেম দুইটি লিনাক্স

ইন্ট্রাপিড আইবেক্স এই বছরের ৩০শে অক্টোবর রিলিজ পাচ্ছে।

আর রয়েল বেঙ্গল লিনাক্স আমরা এই বছরের মাঝেই রিলিজ করতে আগ্রহী আছি। তবে কাজ এখনও অনেক বাকি।

১৪. ২৯ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৩২
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন:

ম্যাক্সটর নিয়েন না কেউ । ম্যাক্সটরের প্রডাক্ট লাইন সম্ভবত ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা না গেলেও কিছুদিনের মধ্যে যাবে ।

হিটাচি, সিগেট, স্যামসুঙ ভালো ব্রান্ড । অন্তত তাদের রেটিঙ রিভিউগুলো তাইই বলে ।
২৯ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১:৩৯

লেখক বলেছেন: ম্যাক্সটর বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বা স্যামসং কিনে নিয়েছে। এই তথ্যটা জানা ছিলোনা। দুঃখিত। এবং সেই সাথে ধন্যবাদ জানাবার জন্য।

হিটাচি এবং সিগেটও ভালো তখন নামগুলো মনে আসছিলো না। (আমার স্মৃতিশক্তি খারাপ।)

স্যামসাং বাইরের দেশে ভালো কিন্তু বাংলাদেশে যেগুলো আসছে সেগুলো সবই নিম্নমানের। এটা বলছি কারন আমার পরিচিত একজনই স্যামসাং--এর হার্ডডিস্ক ইম্পোর্ট করেছেন, এবং তিনি আমাকে দেখিয়েছেন কম দামে আনার জন্য বাংলাদেশের লোকেরা কিভাবে ঠকাচ্ছে আমাদের।

১৫. ২৯ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৫:৩২
comment by: নূহান বলেছেন: সিগেট ২০০৬ সালে ম্যাক্সটর কিইনা নিছে ।তয় ম্যাক্সটরই সবচেয়ে
ভাল ছিল (আমার মতে)।আর তাই এখন সিগেটই ভাল।
আর সাধরন ইউজারের এএমডি না কিনাই ভাল।কারন ওয়ারন্টির পর মাদারবোড নষ্ট হইলে মাদারবোড বাজারে নাও পাইতে পারেন,কারন এরা দ্রুত পরিবতনে বিশ্বাসী।
ইন্টেলের ক্ষেত্রে এ ধরনের সমস্যা কম হয়।কাজেই টাকা বাচাইতে গিয়া পরে চিপায় না পড়েন ঐ চিন্তাও আগেভাগে করা উচিৎ।
২৯ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১:৫৬

লেখক বলেছেন: সিগেট যে ম্যাক্সটর কিনে নিয়েছে এটা জানা ছিলনা। ধন্যবাদ তথ্যের জন্য।

এখনও আমাদের বাজারে ধুমসে ম্যাক্সটর পাওয়া যায়, তাহলে এগুলো মনে হয় স্টক আউট প্রডাক্ট। শেষ করার জন্য আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশে পাঠাচ্ছে।

হুমমম ব্যক্তিগত অভিমত মাদারবোর্ডের ক্ষেত্রে এটা ইন্টেলের ক্ষেত্রেও সত্যি। কারন ইন্টেলও তাদের সকেট পরিবর্তন করেছে কয়েকবার গত দুই বছরে।

এএমডি সকেট ৯৩৯ কেনাটা একটু কম ঝুকির কারন এএমডি এটা ২০১০ এর আগে বন্ধ করবে না। তাই আমরা মাদারবোর্ড পাবো। আর ভালো মাদারবোর্ড কিনলে তো মনে হয় না নষ্ট হবে ৫ বছরের আগে।

হুমমম এএমডি কিনতে বলিনি টাকা বাঁচাবার জন্য বরং বাংলাদেশে ইন্টেল সিস্টেম দামে শস্তা পরে।

সিঙ্গেল কোরে এএমডি ইন্টেলের চেয়ে বেশি পারফর্মেন্স দেয়। তুলনামূলকভাবে ঠান্ডা থাকে।

১৬. ২৯ শে জুন, ২০০৮ সকাল ৮:৩৮
comment by: দ্রগবা বলেছেন: খুবই ইনফরমেটিভ পোস্ট। আমি এএমডি-র ফ্যান। আমার প্রথম কম্পিউটার ছিলো AMD K6-2 450MHz। ২০০০সালের কথা। তয় গ্রাফিক্স ছিলো Intel470। ধুমাইয়া ইউস করছি ৪বছর। এখন ব্যবহার করি Athlon64X2 1.9GHz (TK-57). ভালো পারফরমেন্স। সাধারন ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট মনে করি। গতকালকে First Light-এ ড: কায়কোবাদের একটা কলাম পড়লাম। যদিও নীতিনির্ধারণ বিষয়ক কথাবার্তা তবুও আমাদের দেশের কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের প্রকৃত অবস্হাটা বর্ণনা করেছেন। দেখুন এখানে:
Click This Link
সেই দিন কবে আসবে যে আমরা আমাদের প্রয়োজন অনুযায়ী কনফিগারেশনমত কম্পিউটার কিনবো!!
২৯ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১:৫৯

লেখক বলেছেন: হুমমম শুনে ভালো লাগলো দাদা ভাই

আপনার সিস্টেম কতো পরেছিলো এখন দাম কিরকম হবে বলতে পারেন??

আমি বাজারে অনেক দিন যাইনি। তাই সবই ভুলে গেছি।

আর প্রথম আলোর লিংক দেখতে পারলাম না :(

আমি ফায়ারফক্স ও এপিফানি ব্যবহারকারী

১৭. ২৯ শে জুন, ২০০৮ সকাল ৯:২৮
comment by: একজন ব্লগার বলেছেন: এখন আর এইসব বইলা লাভ কি? যা হবার তো হইয়াই গেছে। একসপ্তাহ আগে এইটা পোস্টাইতেন, হয়তকামে লাগত!:(

আর আমি হাই কনফিগের পিসিটা কেন বানালাম, সেটা এখানে বলেছি।
Click This Link

আমার পোস্টের উপর কাইন্টার এ্রাটাক করে এত দারুন একটা পোস্ট দেয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাই। :)
তবে আমার পোস্টের লিংক আপনার পোস্টে না দেয়াতে আপনাকে মাইনাস!X(

হা হা হা! ফান কর্লাম!:)
২৯ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:০৮

লেখক বলেছেন: ভাই এক সপ্তাহ আগে তো আমি ছিলাম না।

আজকেই আপনার লেখাটা দেখলাম। কাউন্টার পোস্টের কথা ভেবে লেখাটি লিখিনি।

একসময় আমিও হাইএন্ড কোয়াড কোর প্রসেসর আনলিমিটেড র‍্যাম ট্যারাবাইট হার্ডডিস্কের কথা ভাবতাম। পরে উপলব্ধি করেছি এতো কিছু কিনে আমার লাভ নেই যদি না আমি এর সদ্ব্যাবহার করতে পারি।

তো আমি এটা কোন গাইড লাইন হিসেবে লিখিনি। কোন জিনিস কিনবেন এটা আপনাদের উপরই নির্ভর করবে। তবে কোনটা প্রয়োজনীয় আর কোনটা নয় তা বুঝে নিতে হবে আগে।

আর আমি আপনার পোস্টের লিংক দিবো বলে একবার ভেবেছিলাম। তারপর আপনার খারাপ লাগতে পারে বলে আর দিইনি।

১৮. ২৯ শে জুন, ২০০৮ সকাল ৯:২৯
comment by: একজন ব্লগার বলেছেন: একমত, তবে আমি দেশে থাকি না। আর আমি শুধু গান বা মুভি দেখার জন্য পিসি কিনিনি@রাগিব ভাই!
১৯. ২৯ শে জুন, ২০০৮ সকাল ১০:২৪
comment by: .. বলেছেন: পেলাচ।
২০. ২৯ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১:০৩
comment by: সক্রেটিস বলেছেন: আর যাদের কাজের কোন ঠিক নাই (ডিজাইন করে, গান শুনে, ইন্টারনেট চালায়, গেম খেলে) হ্যরা কোন কনফিগারেশনের কম্পু কিনবো?
২৯ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৩৭

লেখক বলেছেন: ডিজাইন বলতে কি বুঝিয়েছেন জানি না।

তবে যদি প্রফেশনাল মানের ডিজাইনিং করতে চান ফটোশপ বা ইলাশ্ট্রেটর, মায়া ইত্যাদি ব্যবহার করে তাহলে আপনার প্রসেসর ও র‍্যাম বেশি লাগবে। এই দুইটির উপর ইনভেস্ট করুন। সেই সাথে হার্ডডিস্কও বাড়ান। গ্রাফিক্স কার্ডও এক্সটার্ন্যাল নিতে পারেন তবে কেবল খেলার জন্য।

আর কেবল যদি ওয়ার্ড/রাইটারে চিঠি বা লেখা লিখতে চান, গান মুভি দেখতে চান, ইন্টারনেট চালাতে চান তাহলে পেন্টিয়াম ৪ বা এএমডি এথলন ৬৪ এর যেকোন মডেলই খুব ভালো সাপোর্ট দিবে।

২১. ২৯ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৪০
comment by: র‌্যাভেন বলেছেন:
ইনতারনেটে বড়দের আজে বাজে সাইত ভালোভাবে দেকতে কিরম কনফিগারেসন লাকপে?
২৯ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৫৪

লেখক বলেছেন: হা হা হা

হুমমমম চিন্তার বিষয়। আপনারে একটা প্লাস দিতাম এমন একটা প্রশ্ন করার জন্য। যেহেতু কেউ কখনও এমন প্রশ্ন করেনি আমাকে।

সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে খোঁজ নিন্ কারন সেখানেই বেশিরভাগ ছেলেপেলেররা (ইদানিং মেয়েরাও দেখে :P ) আজে বাজে সাইট দেখে থাকে।

তবে আমার মতে এডাল্ট কন্টেন্টস দেখার চেয়ে ইন্টারনেটে আরও অনেক ভালো জিনিস করার আছে। আমার বলতে লজ্জা নেই আমি পর্নো এডিক্ট ছিলাম। বাসায় ব্রডব্যান্ড আসার প্রথম কয়েকমাস তো এডাল্ট সাইটেই কাটিয়েছিলাম। কিন্তু এখন আমি গর্বিত যে আমার না দেখলেও চলে।

আপনার প্রতিটি কর্মকান্ডই আপনার জীবনে প্রভাব ফেলবে। চাইলে আপনি ধূমপান করতে পারেন, পারেন নেশা করতে। কিন্তু প্রভাব তো আপনার উপরেই পরবে, সেই সাথে আপনার আপন জনের উপরও পরবে।

আপনার পছন্দের জিনিসটাই খুজে দেখুন না কেনো। বই পড়তে ভালোবাসেন অনেক সাইটেই গল্পের বই পাওয়া যায়, এই সাঃ ইনেও তো অনেকে খুবই সুন্দর গল্প উপন্যাস লিখেন। আমার খুবই ভালো লেগেছে। আমি তো থেকেই গেছি তাদের জন্য।

২২. ৩০ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৬:১৫
comment by: একজন ব্লগার বলেছেন: ঠিক বলেছেন। তবে আমি আমার পিসির ম্যাক্সিমাম উইজাবিলিটি নিশ্চিত করার চেষ্টা করব। আমার ছোটভাই নিলয় ফটোশপ, এডোবি ইলাসট্রেটর, থ্রি ডি স্টুডিও ম্যাক্স আর মায়ার টুকটাক কাজ জানে। আমারও মাঝে মাঝে অডিও-ভিডিও এডিটিং করতে হয়। ভারী গেইম খেলা ছাড়াও সেসব করতে গেলে এমন পিসির দর্কার আছে। কারন অনেক ডুয়েল কোর পিসিকেও দেখেছি একটা বিগ সাইজ গেইম; দুইটা ফটো আর ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার একসাথে রান করলে সিস্টেম হ্যাং হয়ে যায়।:)
২৩. ৩০ শে জুন, ২০০৮ সকাল ৮:০৮
comment by: দ্রগবা বলেছেন: লিংকটা তো কাজ করার কথা। এই মাত্রই আবার খুললাম। আবার ট্রাই করেনতো। আমি অবশ্য Sleipnir ব্যবহার করি। মেশিনের দামটা কমই ছিলো। হার্ডডিস্ক বাড়ানোতে দাম বাইরা গেলো। প্রায় ৪০হাজারের মত পরছে।
০১ লা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪৬

লেখক বলেছেন: লিঙ্কটা ঠিকই কাজ করে।

কিন্তু প্রথম আলোর চিরাচরিত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ফায়ারফক্সে ও এপিফানিতে লেখা আগেপিছে হয়। তাই পড়তে পারলাম না

তবে আগ্রহ দেখাবার জন্য ধন্যবাদ :)

২৪. ৩০ শে জুন, ২০০৮ সকাল ৮:১৫
comment by: আসিফ আহমেদ বলেছেন: বেশ জরুরী পোস্ট, প্রিয়তে রাখলাম।

ধন্যবাদ আপনাকে।
০১ লা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪১

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ :)

২৫. ৩০ শে জুন, ২০০৮ সকাল ৮:২৬
comment by: েছাটন বলেছেন: @র্যাভেন ভাইজান অভ্যাস বদলাস...আর কতকাল

আর গুরুজি, জব্বর জওয়াব দিচেন এবং আমি শুইনা বহুত দিল খুশ যে আপনি এক্স এডিকশন থেকে মুক্তি পাইছেন।

কিন্তু এএমডি প্রসেসর ও মাদারবোর্ডের দাম তো কইলেন না?
০১ লা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪১

লেখক বলেছেন: হুমমম তাইলে ভায়া Y এডিশনটা এবার জোগার দেন।

আমাদের দেশে এএমডির একটু বেশি দাম রাখে।

দেখে শুনে কিনা লাগবে।

প্রসেসর এএমডি এথলন ৩০০০+ (সকেট ৯৩৯) ১২,০০০
প্রসেসর এএমডি এথলন ৩২০০+ (সকেট ৯৩৯) ১৫,০০০-১৬,০০০

আর মাদারবোর্ড মানের উপর নির্ভর করবে।

৭০০০ টাকায় বেসিক পাবেন আবার ১৫০০০ টাকায়ও এসএলআই সাপোর্টসহ পাবেন।


আপনার বাজেট ও চাহিদা অনুযায়ী কিনুন।

(প্রসেসরের দাম অনেক আগের শোনা, এখন দাম কমবে নতুন বাজেটে।)

২৬. ০৯ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৫৬
comment by: মামুনুর রশিদ বলেছেন: ++++++++++

আমার বয়স এই ব্লগে এক সপ্তাহ। আপনার লেখাটা পড়ে আমি পুরোপুরি মুগ্ধ। অনেক সময় নিয়ে লেখেছেন। অনেক তথ্যনির্ভর লেখা। প্রিয়তে রেখে দিলাম। অনেক ধন্যবাদ।
১০ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ আগ্রহ নিয়ে পড়ার জন্য। আমারও এই ব্লগে বেশিদিন হয়নি। প্রায়ই অনেক কিছু লিখি লিখি করে আর শেষ পর্যন্ত লেখা হয়না। উৎসাহ আসে না কেনো জানি। 'একজন ব্লগার' ভাইয়ের লেখা পড়ে মনে প্রেরনা উঠলো লিখে মানুষকে কিছু জানাই তাই এটা লিখেছিলাম। এজন্য তিনি ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। তাকেও ধন্যবাদ দিন।


সময় কিছুটা তো লেগেছিলো তবে টাইপিং-এর চেয়ে অন্যান্য কাজ করার জন্য।


বাংলা টাইপিং আমার মোটামোটি ভালোই হয়ে গেছে (আমি প্রভাত ব্যবহার করি।)

২৭. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:৪১
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: কাজের পোস্ট... একমত আপনার সাথে... তবে ব্যাকআপ হিসেবে ডিভিডি শুধু ভূয়াই না, চরম ফালতু! ডিভিডিতে ব্যাকআপ রাখা মানে নিজের গুরুত্বপূর্ন ডাটার বারোটা বাজানো...


পোস্টটা কম্পিউটার গ্রুপে মুভ করলে খুশি হবো।

১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২৩

লেখক বলেছেন: গ্রুপ ফিচারে এখন সমস্যা আছে দেখছি। ঠিক হলে সরিয়ে নিয়ে যাবো।

তখন আমি কোন গ্রুপের সদস্য ছিলাম না, তাই দেয়া হয়নি।

২৮. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫২
comment by: রক্তাক্ত যোদ্ধা বলেছেন: পোষ্টটা ভালো হয়েছে................শুভেচ্ছা........... :)
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :) কাজে লাগলে তো ভালোই :)

 



 

comment by:
কি আর লিখব। ব্লগের লেখার মাধ্যমেই জানতে পারবেন ধীরে ধীরে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৯০৯৮