somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... উবুন্টু লিনাক্স ব্যবহার করতে আগ্রহী? ঘুরে আসুন উবুন্টু লিনাক্স ৯.০৪ লাইভ
আপনি যদি দ্বিতীয় দলে হন তাহলে আপনার জন্য উবুন্টু বাংলাদেশআমাদের প্রযুক্তি ফোরাম আয়োজন করেছে "উবুন্টু লিনাক্স ৯.০৪ লাইভ"

অনুষ্ঠানে উবুন্টু লিনাক্সের বিশাল জগৎ সম্পর্কে ধারণা দেয়া হবে। উবুন্টু লিনাক্স কেনো ব্যবহার করবেন, এর ফিচার, কিভাবে ইনস্টল করবেন, কিভাবে দৈনন্দিন কাজের জন্য কনফিগার করবেন এসব সবই আলোচিত হবে।

অনুষ্ঠানটি হবে ২৯শে মে দুপুর ৪টা থেকে সাড়ে ৭টা প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে।

অনুষ্ঠান বিবরণ:

অনুষ্ঠান:

উবুন্টু লিনাক্স ৯.০৪ লাইভ

সময়:
২৯শে মে, শুক্রবার বিকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭.৩০।

স্থান:
প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি
হাউস # ১১এ, রোড# ৯২, গুলশান-২,
ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ
গুগল ম্যাপে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি

অনুষ্ঠানে আপনার উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য অনুগ্রহ করে নিবন্ধন করুন
উবুন্টু বাংলাদেশ ইভেন্ট রেজিস্ট্রেশন পেজ


আয়োজনে:
উবুন্টু বাংলাদেশআমাদের প্রযুক্তি ফোরাম

সহায়তায়:
মুক্ত.অর্গবাংলাদেশ লিনাক্স ইউজার এলায়েন্স

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28953813 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28953813 2009-05-21 19:30:37
প্রকাশ পেলো উবুন্টু ৯.০৪ জন্টি জ্যাকালোপ এখানে
যদি আপনি উবুন্টু লিনাক্সের নতুন ভার্শন পরখ করে দেখতে চান তাহলে ডাউনলোড করতে পারবেন নিচের দুইটি লিঙ্কে:

উবুন্টু লিনাক্স ৯.০৪: http://releases.ubuntu.com/9.04/
কুবুন্টু লিনাক্স ৯.০৪: Click This Link

অনেকেই টরেন্টের সাহায্যে ডাউনলোড করতে আগ্রহী বলে (এবং আমরাও সবাইকে টরেন্টের মাধ্যমে ডাউনলোডের পরামর্শ দিয়ে থাকি) নিচে দুইটি টরেন্ট লিঙ্ক দেয়া হলো:

উবুন্টু লিনাক্স ৯.০৪: http://www.tinyurl.com/Ubuntu-9-04-Torrent
কুবুন্টু লিনাক্স ৯.০৪: http://www.tinyurl.com/Kubuntu-9-04-Torrent

আপনাদের ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আমাদের জানাতে ভুলবেন না <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28941773 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28941773 2009-04-23 20:33:20
এসে গেলো (উমম প্রায়) উবুন্টু লিনাক্স ৯.০৪ জন্টি জ্যাকেলোপ আমার ইমেইল খুলে দেখি নতুন বার্তার মাঝে একটি হচ্ছে মার্ক স্যাটলওয়ার্থের এনাউন্সমেন্ট চিঠি। স্যাটলওয়ার্থ ঘোষণা দিচ্ছেন উবুন্টুর পরবর্তী ভার্শন ৯.০৪ এর নতুন কোডনেম হবে জন্টি জ্যাকালোপ (Jaunty Jackalope)। প্রথমে নামকরণে খটকা লাগলেও পুরো বার্তা পড়ে এমন নামকরণের উদ্দেশ্য যখন জানতে পারলাম তখন বেশ ভালো লাগলো। মাইক্রোসফট ও এ্যাপল যখন তাদের অপারেটিং সিস্টেমের নতুন ভার্শন রিলিজের মাধ্যমে বিশ্বকে নাড়া দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তখন লিনাক্স কমিউনিটির আর সুযোগ নেই চুপ করে বসে থাকার তাদেরও প্রস্তুত হতে হবে আগামী দিনের সংগ্রামের জন্য। একারণেই অবতারণা উবুন্টু জন্টি জ্যাকালোপের যা মিথিক্যাল জ্যাকলোপের মত সাবলীল গতিতে ছুটবে সেই সাথে নতুন ধরণের অভিজ্ঞতা প্রদান করবে ওয়েব্লিকেশনের (ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন) মাধ্যমে। ব্যবহারবান্ধব এই লিনাক্সকে আরও সহজবোধ্য ও শক্তিশালী করে তুলার অঙ্গিকার করেন স্যাটলওয়ার্থ।

এপ্রিল ১৭, ২০০৯
মার্ক স্যাটলওয়ার্থের ঘোষণার পর ৭ মাস সময় পেরিয়ে গেছে এবং আমরা দাঁড়িয়ে আছি উবুন্টু জন্টি জ্যাকালোপ রিলিজের দাঁড় প্রান্তে (আজকে ক্যানোনিক্যাল রিলিজ ক্যান্ডিডেট রিলিজ দিয়েছে)। মার্ক স্যাটলওয়ার্থ যেসব বিষয়ের দিকে দ্রিকপাত (বানান কি?) করতে চেয়েছিলেন সেগুলোর সবগুলোই পূরণ করা হয়েছে। জন্টি জ্যাকালোপ এখন ৩০ সেকেন্ডের কম সময়ে বুট হয়। সফটওয়্যারগুলোও পারফর্ম করছে বেশ ভালোভাবে। উবুন্টু লিনাক্সকে আরও ব্যবহারবান্ধব করে তোলার জন্য উবুন্টু জন্টি জ্যাকালোপে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। সেগুলোর দিকে তাহলে একটু নজর বুলিয়ে দেখি:

লিনাক্স কার্ণেল ২.৬.২৮

উবুন্টু লিনাক্স ৯.০৪ তৈরি করা হয়েছে লিনাক্স কার্ণেল ২.৬.২৮ এর উপর ভিত্তি করে। এই কার্ণেলের বিভিন্ন টেকনিক্যাল সুবিধা থাকলেও সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য যে সুবিধা বেশি লক্ষনীয় তা হচ্ছে আরও বেশ কয়েকটি আর্কিটেকচারের সমর্থন। ট্যাবলেট পিসির সমর্থন জন্টিতে এসেছে সেই সাথে ext4 ফাইল সিস্টেমের সমর্থনও এসেছে এই কার্ণেল ব্যবহার করার জন্য। ext4 ফাইল সিস্টেম পূর্বের ext3 এর চেয়ে কয়েকগুন বেশি দ্রুত কাজ করতে পারে এবং তথ্য আদানপ্রদানের গতিও বেশ দ্রুত। ফলস্রূতিতে ব্যবহারকারীরা বড় আকারের ডকুমেন্টস্ ফাইল নিয়ে খুব অল্প সময়ের মধ্যে কাজ করতে পারবেন।


এক্স-সার্ভার ১.৬

উবুন্টু লিনাক্স জন্টি জ্যাকালোপের গ্রাফিক্যাল ফ্রন্টএন্ড চলবে এক্সসার্ভার ১.৬ এর উপর। এই সার্ভারে ওপেনসোর্স গ্রাফিক্স ড্রাইভার লাইব্রেরী Mesa 3D DRI, ভার্শন ৭.৪ ব্যবহার করায় বিভিন্ন গ্রাফিক্স কার্ডের সাপোর্ট আরও উন্নত করা হয়েছে।
* এটিআই ড্রাইভারে বেশ কিছু বাগ ফিক্স হয়েছে। EXA acceleration method ব্যবহার করে R5xx সিরিজের কার্ড পর্যন্ত ৩ডি সাপোরট আনা হয়েছে এবং R6xx/R7xx কার্ডগুলো পর্যন্ত ২ডি সাপোর্ট পেয়েছে। R6xx/R7xx কার্ডগুলোর ৩ডি সাপোর্টের জন্য fglrx প্রোপ্রাইটরি ড্রাইভার পাওয়া যাবে।
* ইন্টেল কার্ডের জন্য GEM মেমোরি ম্যানেজমেন্ট সাপোর্ট ডিফল্ট হিসেবে পাওয়া যাচ্ছে। ব্যবহারকারীরা চাইলেই UXA acceleration architecture ও DRI2 সাপোর্ট পেতে পারেন।


নোম ২.২৬

উবুন্টু লিনাক্স ৯.০৪ এ ব্যবহৃত হয়েছে নোম ২.২৬ যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী বেশকিছু নতুন ফিচার পাচ্ছেন। একাধিক মনিটর সাপোর্ট, সেই সাথে গ্রাফিক্স ও মনিটর সেটিং সংরক্ষণ, কোনকারণে এক্সসার্ভার ফ্রিজ করলে পূর্বের সংরক্ষিত সেটিং বহাল, আরও উন্নত বাসেরিও সিডি/ডিভিডি বার্ণিং টুল, ইভোলিউশন মেইল ক্লায়েন্টে মাইক্রোসফট আউটলুক ও মাইক্রোসফট এক্সচেঞ্জ প্রোটোকলের সাপোর্ট আনা, টটেম মিডিয়া প্লেয়ারে DLNA/UPnP ক্লায়েন্ট প্রোটোকল সাপোর্টের মাধ্যমে মিডিয়া শেয়ার, আরও উন্নত পাল্স অডিও ইনপুট/আউটপুট, নটিলাসে প্লাগইন সাপোর্টসহ আরও অনেক নতুন ফিচার।


নতুন লুক

কিছু নতুন ডার্ক থিম, একটি সুন্দর ওয়ালপেপার, অসাধারণ নোটিফিকেশন সিস্টেম (প্রিভিউ: Click This Link)।


কেবল উবুন্টু লিনাক্সই নয় কুবুন্টু, জুবুন্টু, মিথুবুন্টু, উবুন্টু স্টুডিও সবগুলোতেই বিভিন্ন আকর্ষনীয় পরিবর্তন এসেছে। বিস্তারিত:

* কুবুন্টু লিনাক্স: Click This Link
* জুবুন্টু লিনাক্স: Click This Link


(লেখার তথ্যসূত্র:

Click This Link
Click This Link
http://lwn.net/Articles/328757/
Click This Link
Click This Link)


(লেখাটি পূর্বে আমাদের প্রযুক্তি ফোরামে প্রকাশিত)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28939827 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28939827 2009-04-18 22:41:54
ফেডোরা ইনফিনিটি ডে- বাংলাদেশ

একারনেই আগামী রবিবার “ফেডোরা ইনফিনিটি ডে” অনুষ্ঠানটি আয়োজন করছে বিএলইউএ এবং ফেডোরা বাংলাদেশ। সহায়তায় (লজিস্টিক্স/সাপোর্ট) রয়েছে “আমাদের প্রযুক্তি ” ফোরাম। অনলাইন মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে "মুক্ত.অর্গ"

অনুষ্ঠানে রয়েছে:

১. ফেডোরা ১০ ফিচার ট্যুর।
২. ফেডোরা ডেমন্সট্রেশন।
৩. লাইভ ইউ.এস.বি. তৈরী করা: এখানে একটা কম্পিউটারে আগ্রহীদের বুট/লাইভ ইউ.এস.বি. তৈরী করে দেয়া হবে। এজন্য আপনার পেন-ড্রাইভটি আনতে হবে (কমপক্ষে ১ গিগাবাইট আকারের)।
৪. ফেডোরা ১০ লাইভ সিডি/ডিভিডি বিতরণ।
৫. প্রশ্নোত্তর পর্ব।

বিস্তারিত অনুষ্ঠানসূচী দেখতে গুগল ডকের এই ডকুমেন্টটি দেখুন।

অনুষ্ঠানের নিবন্ধন

অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এখানে রেজিস্ট্রেশন/নিবন্ধন করুন: http://fedora.linux.org.bd/

(নিবন্ধনকৃত প্রথম ১০০ জন অংশগ্রহণকারীকে বিনামূল্যে ফেডোরা লাইভ সিডি/ডিভিডি দেয়া হবে।)


এই অনুষ্ঠানটি আমাদের সফটওয়্যারের মতই বিনামূল্যে, অর্থাৎ নিবন্ধন/অংশগ্রহন করতে কোন ফী দিতে হবে না। সুতরাং, আপনার বন্ধু, সহকর্মী, আত্মীয় বা প্রতিবেশীকে নিয়ে ফেডোরা লিনাক্স সম্পর্কে জানতে চলে আসুন।

আয়োজক:

ফেডোরা বাংলাদেশ

সময় ও স্থান:

রবিবার, জানুয়ারি ১৮, ২০০৯; ১২:০০টা - বিকাল ৫:০০টা

স্থান:

প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি
১১-এ, রোড-৯২, গুলশান-২, ঢাকা। (বি.এফ.সি./HSBC এর পাশে)
গুগল ম্যাপ

যোগাযোগের তথ্য

ফোন: 01613271737
ইমেইল: ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28897974 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28897974 2009-01-15 21:43:58
ঢাকায় ডায়ালআপ সম্পর্কে জানতে চাই আর উনি এখনই ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করতে চাচ্ছেন না।

তাই জানতে চাচ্ছি ঢাকায় ডায়ালআপ কানেকশন কারা ভালো দিচ্ছে? কম খরচ মাঝারী ভালো গতি দরকার!

কারও জানা থাকলে বলবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28886762 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28886762 2008-12-23 16:37:16
বিএলইউএ লোগো ও মোটো প্রতিযোগীতা
কিছুদিন আগে বিএলইউএ-র সদস্যদের একটি আড্ডায় নতুন করে অনেক কিছু করার পরিকল্পনা হয়। তো তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের গ্রুপের জন্য নতুন স্লোগান ও লোগো খোঁজা হচ্ছে। এর জন্য প্রতিযোগীতারও আয়োজন করা হয়েছে।


প্রতিযোগীতার নাম:
বিএলইউএ লোগো ও মোটো অনুসন্ধান:

মাধ্যম:
উন্মুক্ত (তবে ওপেনসোর্স হলে ভালো)

জমাদানের ঠিকানা:
shahriar[এট]linux[ডট]org[ডট]bd

জমাদানের শেষ তারিখ:
২৬শে ডিসেম্বর, ২০০৮ (পরিবর্তন হতে পারে)

বিজয়ী ঘোষনা:
২৭শে ডিসেম্বর, ২০০৮ (জমাদানের শেষ তারিখের একদিন পরে)

পুরস্কার (কেবল লোগোর ক্ষেত্রে):
১ম পুরস্কার:
ক) উবুন্টু ৮.১০ রিপোজিটরি
(অথবা)
খ) ৫০০ টাকা (দুঃখিত স্পন্সর নেই, কেউ এই উদ্দেশ্যে অনুদান করতে চাইলে জানাবেন)
(অথবা)
গ) উবুন্টু/কুবুন্টু ৯.১০ (জন্টি জ্যাকেলোপ) ডিভিডি (এপ্রিল'০৯ এ রিলিজ পাবে)


২য় পুরস্কার:
ক) উবুন্টু/কুবুন্টু ৮.১০ ডিভিডি
(অথবা)
খ) ২০০ টাকা (আবারও কেউ অনুদান করতে চাইলে জানাবেন)
(অথবা)
গ) উবুন্টু/কুবুন্টু ৯.১০ (জন্টি জ্যাকেলোপ) ডিভিডি (এপ্রিল'০৯ এ রিলিজ পাবে)

৩য় থেকে ৫ম পুরস্কার (যদি জমার সংখ্যা>১০ হয়) উবুন্টু/কুবুন্টু ৯.১০ (জন্টি জ্যাকেলোপ) সিডি (এপ্রিল'০৯ এ রিলিজ পাবে)


মোটো তৈরির ক্ষেত্রে লক্ষনীয়:

১) ৫টি শব্দ বা তার চেয়ে ছোট হতে হবে
২) আকর্ষনীয় হতে হবে
৩) সরাসরি না হলেও বিএলইউএ-র উদ্দেশ্য প্রতিফলিত হবে
৪) কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রতি আক্রমনাত্মক হতে পারবে না
৫) মজার হতে পারে (কিন্তু বাধ্যতামূলক নয়)
৬) লাইসেন্সের ব্যাপারে যত্নশীল হতে হবে
৭) অন্য কোন পণ্য বা গ্রুপের মোটো এর অনুরূপ হতে পারবে না
৮) বাংলা ভাষা ১টি ও ইংরেজী ভাষায় ১টি মোট দুইটি মোটো দিতে হবে।


লোগো তৈরির ক্ষেত্রে লক্ষনীয়:

১) টাক্স (লিনাক্স) এবং ওপেনসোর্সকে উপস্থাপন করতে হবে
২) ওপেনফন্ট ব্যবহার করতে হবে
৩) ওপেন (ক্রিয়েটিভ কমন্স বা জেপিএল বা অনুরূপ লাইসেন্সের অধীনে ছাড়া) ছবি ব্যবহার করা যাবে
৪) লাইসেন্সের ক্ষেত্রে যত্নশীল হতে হবে
৫) অন্য ডিজাইন নকল করা যাবে না
৬) লোগোর সোর্স ফাইল জমা দিতে হবে
৭) এনিমেটেড লোগো তৈরি করা যেতে পারে (ফোরাম সাইটে ব্যবহারের জন্য) তবে বাধ্যতামূলক নয়
৮) বিএলইউএ এর নাম থাকতে হবে (ছোট করে হলেও- শুধু BLUA/বিএলইউএ লেখা হলেও হবে)
৯) ইংরেজী ভাষায় লোগোটি হতে হবে। (বাংলায়ও হতে পারে)



লক্ষ্য করুন:

* বিজয়ী ঘোষনা করবে বিএলইউএ-র এডমিন প্যানেল, বিজয়ী সম্পর্কে সকল সিদ্ধান্তের অধিকার বিএলইউএ সংরক্ষণ করে
* বিএলইউএ এ্যাডমিন প্যানেল কোন পূর্বকারণ দর্শানো ছাড়াই যে কোন জমা বাতিল করতে পারে
* বিএলইউএ এ্যাডমিন প্যানেল কোন পূর্ব কারণ দর্শানো ছাড়াই প্রতিযোগীতা বাতিল করতে পারবে (সেক্ষেত্রে জমাকৃত লোগো/স্লোগানের স্বত্ত্ব ছেড়ে দেয়া হবে।)
* জমাকৃত সকল লোগো স্লোগান ক্রিয়েটিভ কমন্স by-nc-nd তে হবে (অন্য কথায়: জমাকৃত লোগো/মোটোর স্বত্ত্ব বিএলইউএ পাবে এবং উক্ত লোগো/মোটো বা অনুরূপ লোগো/মোটো অন্য কোন ব্যক্তি/গ্রুপের কাজে ব্যবহার করা যাবে না।
* বিএলইউএ সাইটে জমাদানকারীর নাম প্রকাশ করা হবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28886423 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28886423 2008-12-22 23:05:55
স্বেচ্ছাসেবক প্রয়োজন
তবে স্বেচ্ছাসেবকরা বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকার জন্য কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। এই অবস্থায় বিএলইউএ তাদের স্বেচ্ছাসেবকদের কয়েকটি ভাগে ভাগ করে নিয়েছে যাতে যার যে বিষয়ে অভিজ্ঞতা আছে কাজ করতে পারেন।

দলগুলোর মধ্যে রয়েছে:

১) ডকুমেন্টেশন দল
দায়িত্ব: বিভিন্ন ব্লগ/সাইটে অথবা লিফলেটের জন্য বিভিন্ন লিনাক্স ও ওপেনসোর্স বিষয়ক টিউটোরিয়াল, খবর লেখা

২) অনুবাদক দল
দায়িত্ব: বিভিন্ন খবর বা বিভিন্ন প্রজেক্টের লেখা/টিউটোরিয়াল অথবা কোন সফটওয়্যার বাংলায় রূপান্তর

৩) গ্রাফিক্স দল
দায়িত্ব: বিভিন্ন পোস্টার, লিফলেট, হ্যান্ডআউট, লেখা, প্রস্পেক্টাসের ডিজাইন তৈরি

৪) সাপোর্ট দল
দায়িত্ব: বিভিন্ন ফোরাম, সাইট, মেইলিং লিস্ট, আইআরসিতে সাপোর্ট প্রদান সেই সাথে অফলাইন সাপোর্ট নিশ্চিত করা

৫) মার্কেটিং ও ফিল্ড টিম
দায়িত্ব: বিভিন্ন স্থানকে কয়েকটি বেসে ভাগ করে লিনাক্স/ওপেনসোর্স বিষয়ক মেটারিয়াল (যেমন সিডি/ডিভিডি, লিফলেট, টিউটোরিয়াল, মার্কেন্ডাইজ) বিতরণ, এছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ রক্ষা, স্পন্সার সংগ্রহ, পোস্টার/লিফলেট ছাপানো ইত্যাদি দেখবে।

৬) ডেভেলপমেন্ট দল
দায়িত্ব: ওয়েব সাইট ম্যানেজমেন্ট ও rbl প্রজেক্ট দেখবে।


যদি কেউ উল্লেখিত কোন দলে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে চান তাহলে অনুগ্রহপূর্বক জানাবেন এতে স্বেচ্ছাসেবকদের এক স্থানে আনা যাবে এবং কাজে সমন্বয়ের মাধ্যমে গতি আনা সম্ভব হবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28885014 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28885014 2008-12-19 23:42:48
ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের ছয় বছর পূর্তী কিছু প্রাক কথা:

ইদানিং প্রায়ই কপিরাইট আইন, পাইরেসী প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা শুনে থাকি। মাঝে মধ্যে নিজেদের প্রয়োজনে চুরি করে হলেও বিভিন্ন সাইট থেকে লেখা/ছবি/গান/ইবুক প্রভৃতি নামিয়ে দেখি। তখন চুরি করা হচ্ছে জেনেও আমরা তা ব্যবহার করি অন্য উপায় নেই এই কথা বলে। আবার অন্য দিকে উক্ত ছবি/গান/ইবুক প্রস্তুতকারকরাও যেনো খলনায়ক হয়ে অবতীর্ন হন এবং পাইরেসী বিরোধী আন্দোলন শুরু করে।


তাহলে কি আমাদের ব্যক্তিগত ব্যবহারের কোন উপায় থাকবে না? কপিরাইটের বাধনে আমরা সাধারণ মানুষ জিম্মি হয়ে থাকবো?
এই পরিস্থিতিতে আজ থেকে ছয় বছর পূর্বে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ল’ অধ্যাপক লরেন্স লেসিং কপিরাইট বিষয়টিকে ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপন করেন। তিনি ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের খসড়া তৈরি করেন যা ব্যবহার করে স্বত্তাধিকারী তাঁর সৃজনশীল ছবি/লেখা/গান/ইবুক প্রভৃতির ব্যবহার নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন সেই সাথে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের উন্মুক্ত ব্যবহারের অধিকার নিশ্চিত করতে পারবেন।


এই ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের মাধ্যমে সম্পূর্ণ নতুন একটি সম্ভাবণাময় দ্বার খুলে গেলো, পূর্বে কপিরাইট আইনে যেসকল বিষয়ে বাধা ছিলো তার অনেকগুলোই বিশেষ ক্ষেত্রে সীথিল হয়ে যায় (উদাহরণসরূপ: অনলাইনে বিনামূল্যে বিতরণ)। যেখানে কপিরাইট আইনে ছিলো “ALL RIGHTS RESERVED.” সেখানে ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সে হলো “SOME RIGHTS RESERVED.”। স্বত্তাধিকারী সহজেই উল্লেখ করতে পারবেন তিনি কি কি বিষয়ে তার সৃষ্টিকর্মের ব্যবহার উন্মুক্ত করে দিবেন।


এই ছয় বছরে ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স কপিরাইট আইনের বিকল্প হিসেবে কপিরাইট আইনের সীমাবদ্ধতাকে দূর করেছে। পৃথিবীর ৫০টিরও বেশি দেশে ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের অধীনে লক্ষাধিক প্রজেক্ট নিবন্ধিত হয়েছে।


আজ ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের ৬ বছর পূর্তী উপলক্ষে সারা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে (মোট ১৪টি শহরে) বিভিন্ন সচেতনামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আসুন আমরাও উদ্যোগ গ্রহণ করি আমাদের দেশের মানুষকে কপিরাইট আইনের প্রতি বিরুপ মনোভাব সৃষ্টির বদলে ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স সম্পর্কে সচেতন করে তুলি যাতে তারা নিজেরাও তাদের প্রভৃতি সৃজনশীল কর্ম ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সে প্রকাশ করেন এবং ক্ষেত্র বিশেষে যাতে উন্মুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারেন।


ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের উপর একটি ভিডিও চিত্র
http://www.youtube.com/watch?v=2BESbnMJg9M

এক নজরে ক্রিয়েটিভ কমন্স এর লাইসেন্সগুলো:


ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সে মূলত তিনটি অংশ রয়েছে, by (attributes) মূল স্বত্তাধিকারীর নাম প্রকাশ, nc (non-commercial) অবাণিজ্যিক ব্যবহার, nd (non-derivatives) অপরিমার্জনীয়। এছাড়াও রয়েছে sa (share alike) একই লাইসেন্সের অধীনে।

এই তিনটি অংশ নিয়েই ছয়টি লাইসেন্স তৈরি হয়েছে


by
মূল স্বত্তাধিকারী/সৃষ্টিকারীর নাম ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে যেকোন প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাবে। বাণিজ্যিক/অবাণিজ্যিক উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহারযোগ্য এবং সুবিধাজনকভাবে পরিবর্তন/পরিমার্জন সম্ভব।


by-nc
মূল স্বত্তাধিকারী/সৃষ্টিকারীর নাম ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে অবাণিজ্যিক যেকোন প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাবে এবং দরকারে সুবিধাজনকভাবে পরিবর্তন/পরিমার্জন সম্ভব।


by-nd
মূল স্বত্তাধিকারী/সৃষ্টিকারীর নাম ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে যেকোন প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাবে। বাণিজ্যিক/অবাণিজ্যিক উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহারযোগ্য তবে কোনরূপ পরিবর্তন/পরিমার্জন করা যাবে না।


by-sa
মূল স্বত্তাধিকারী/সৃষ্টিকারীর নাম ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে যেকোন প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাবে। বাণিজ্যিক/অবাণিজ্যিক উভয় ক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য এবং সুবিধাজনকভাবে পরিবর্তন/পরিমার্জন সম্ভব। তবে এক্ষেত্রে সকল উদ্ভূত (derivatives) সৃষ্টিকর্মই একই লাইসেন্সের (by-sa) নিচে প্রকাশ করতে হবে।

by-nc-nd
মূল স্বত্তাধিকারী/সৃষ্টিকারীর নাম ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে যেকোন অবাণিজ্যিক প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাবে। এক্ষেত্রে কোনরূপ পরিবর্তন পরিমার্জন অনুমেদিত নয়।


by-nc-sa
মূল স্বত্তাধিকারী/সৃষ্টিকারীর নাম ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে যেকোন অবাণিজ্যিক প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাবে। সুবিধাজনকভাবে পরিবর্তন/পরিমার্জন সম্ভব তবে এক্ষেত্রে সকল উদ্ভূত (derivatives) সৃষ্টিকর্মই একই লাইসেন্সের (by-nc-sa) নিচে প্রকাশ করতে হবে।


উল্লেখ্য আমার সকল লেখা cc: by-nc-sa লাইসেন্সের অধীনে প্রকাশিত।
(লেখার আইডিয়া শাবাব ভাইয়ের।)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28883974 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28883974 2008-12-17 21:33:42
ফায়ারফক্সে প্রথম আলো পড়ুন সহজে
এখন কেমন হতো যদি প্রথম আলো সাইট ইউনিকোডে রূপান্তর হতো? নাহ প্রথম আলো সাইট ইউনিকোডে রূপান্তর হয়নি তবে আপনি চাইলেই পরশমনির ছোঁয়ায় প্রথম আলোকে ইউনিকোড সাইটে রূপান্তর করে নিতে পারেন। রিফাত-উন-নবী ভাই ফায়ারফক্সের জন্য এই পরশমনি এ্যাডঅনটি ডেভেলপ করেছেন যাতে যেকোন প্ল্যাটফর্মেই প্রথম আলো ওয়েবসাইট দেখা যায় ফায়ারফক্স ব্যবহার করে।

ফায়ারফক্স এ্যাডঅন বিবরণ:

এ্যাডঅন নাম:
পরশমনি

ভার্সন:
1b3 (ভার্সন ১ বেটা ৩)

সাপোর্ট:
ফায়ারফক্স ৩**

প্ল্যাটফর্ম:
উইন্ডোজ, লিনাক্স

লাইসেন্স:
ফ্রিওয়্যার

ডেভেলপার:
রিফাত-উন-নবী

ডাউনলোড:
ফায়ারফক্স এ্যাডঅন সাইট (ডাউনলোড/ইনস্টলের জন্য লগইন প্রয়োজন)

এ্যাডঅন সাইট:
VistaArc (ডাউনলোডের জন্য লগইনের প্রয়োজন নেই)

বর্ননা:
প্রথম আলো ওয়েবসাইটের লেখাকে ইউনিকোড ৪.২-এ রূপান্তর করে দেখাবে। এতে যেকোন প্ল্যাটফর্মে ফায়ারফক্স ব্যবহার করে প্রথম আলো পড়া সম্ভব হবে

পদ্ধতি:
১) প্রথমে বংশী আল্পনা ফন্ট আপনার সিস্টেমে ইনস্টল করা থাকলে আনইনস্টল করুন।
২) পরশমনি এ্যাডঅনটি ডাউনলোড করে সুবিধাজনক স্থানে সেভ করুন।
৩) এরপর ফায়ারফক্সে File>Open File>Proshmoni.xpi ওপেন করুন। এতে এ্যাডঅনটি ইনস্টল হবে।
৪) ইনস্টল হয়ে গেলে ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করুন।

এরপর থেকে ফায়ারফক্স ব্যবহার করে প্রথম আলো সাইট পড়ুন কোন সমস্যা ছাড়াই।

[এ্যাডঅনটি সম্পর্কে যেকোন ধরনের পরামর্শ সমস্যা রিপোর্ট করুন to.rifat+ ]

(মূল খবরটি আমাদের প্রযুক্তি ফোরামে দিয়েছেন শাবাব ভাই।)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28883540 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28883540 2008-12-17 01:16:33
উবুন্টু আইবেক্স উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আপনাকে স্বাগতম প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ।

আপনি যদি লিনাক্স ব্যবহারে আগ্রহী, কিন্তু সাহস করে উঠতে পারেননি, অথবা কিভাবে শুরু করবেন বুঝতে পারছেন না তবে এই অনুষ্ঠান আপনার জন্য। উক্ত অণুষ্ঠানে উবুন্টু লিনাক্স ইনস্টল, কনফিগারেশন, মাল্টিমিডিয়া সাপোর্ট, নেটওয়ার্কিংসহ বিভিন্ন খুটিনাটি বিষয় তুলে ধরা হবে। সেই সাথে আপনি উবুন্টু আইবেক্স উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকে আপনার কাঙ্খিত উবুন্টু/কুবুন্টু সিডি/ডিভিডি সংগ্রহ করে নিতে পারেন।

অনুষ্ঠান বিবরনী:

অনুষ্ঠানের নাম: উবুন্টু ইন্ট্রাপিড আইবেক্স উদ্বোধনী অনুষ্ঠান
অনুষ্ঠানের ধরণ: পরিচিতিমূলক অনুষ্ঠান
অনুষ্ঠানের স্থান: প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি
হাউস# ১১এ, রোড# ৯২, গুলশান-২, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ (গুগল ম্যাপ)

অনুষ্ঠানের দিনক্ষণ: ২১শে নভেম্বর (শুক্রবার), বিকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন নিবন্ধনের জন্য এখানে যান।
নিবন্ধন আগে আসলে আগে ভিত্তিতে। (প্রথম ১০০ জন নিবন্ধনকারী বিনামূল্যে উবুন্টু ডিভিডি পাবেন)
(আপনি যদি আসলেই আসেন কেবল তখনই নিবন্ধন করুন অযথা অন্যকে সুবিধাবঞ্চিত করবেন না)

অনুষ্ঠানের আলোচ্য বিষয়সমূহ:

১) বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষীতে ওপেনসোর্স ও লিনাক্স
ওপেনসোর্স ও লিনাক্স কি এবং কেনো। বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষীতে ওপেনসোর্স ও লিনাক্সের ভূমিকা

২) উবুন্টু লিনাক্স ইনস্টল ও ডেস্কটপ পরিচিতি
উবুন্টু লিনাক্স ইনস্টলেশন (মূলত পার্টিশনিং অংশ) এবং ডিফল্ট ডেস্কটপ পরিচিতি

৩) প্রোডাক্টিভিটি সফটওয়্যার পরিচিতি
ওপেনঅফিস পরিচিতি, গিম্প

৪) ইন্টারনেট সংযোগ ও নেটওয়ার্কিং
মডেম, মোবাইল, ল্যান অথবা pppoe সংযোগ স্থাপন

৫) হার্ডওয়্যার ডিটেকশন ও ড্রাইভার ইনস্টলেশন
স্ক্যানার, প্রিন্টার, মোবাইল, ক্যামেরা প্রভৃতি হার্ডওয়্যার সংযোজন ও পরিচালনা

৬) মাল্টিমিডিয়া সাপোর্ট
কোডেক ইনস্টল থেকে প্লেয়ার পরিচিতি

৭) ওয়াইন ও ক্রসওভার
ওয়াইনের মাধ্যমে বহুল ব্যবহৃত কিছু এ্যাপ্লিকেশন কনফিগার ও চালানো

৮) ডেস্কটপ কাস্টোমাইজেশন
বাংলা লোকালাইশেসন, থিম, কম্পিজ ফিউশন,

৯) সিস্টেম/এ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সফটওয়্যার
স্যাইন্যাপটিক, টার্মিন্যালসহ কিছু এ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ এ্যাপ্লিকেশন পরিচালনা

১০) ভার্চুয়ালাইজেশন (ভার্চুয়াল বক্স/ভিএমওয়্যার)
ভার্চুয়াল মেশিনে উইন্ডোজ অথবা অন্য কোন ডিস্ট্রো পরিবেশন

১১) গেমস্
লিনাক্স গেমস্, ওয়াইন, ক্রসওভার লিনাক্স গেমস্

১২) স্বেচ্ছাসেবক কর্মকান্ড
কিভাবে লিনাক্স ও ওপেনসোর্সের প্রচার সম্ভব। অনুবাদ, প্রচার, লেখালেখী প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা।


আয়োজনে: বাংলাদেশ লিনাক্স ইউজারস্ এলায়েন্স ও উবুন্টু বাংলাদেশ
পৃষ্ঠ পোষকতায়: আমাদের প্রযুক্তি ফোরাম= প্রযুক্তি বিষয়ক প্রথম সর্বাঙ্গীন বাংলা ফোরাম
সহায়তায়: প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি
অনলাইন মিডিয়া পার্টনার: আমাদের প্রযুক্তি, মুক্ত.অর্গ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28867894 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28867894 2008-11-12 00:08:19
লিনাক্স ব্যবহার শুরুর আগে কিছু প্রস্তুতি
আপনি যদি সেই সাহসী কয়েকজনের মধ্যে একজন হোন যারা ভয়কে তুচ্ছ করে লিনাক্স নিয়ে পরীক্ষা করতে আগ্রহী তাহলে আপনার জন্য এই লেখা যাতে আপনার অভিজ্ঞতাও আরও অসংখ্য দুর্ভাগ্যবান ব্যবহারকারীর মতো না হয় এবং লিনাক্সকে ভীনগ্রহের অপারেটিং সিস্টেম অথবা বাজে অপারেটিং সিস্টেম বলে বাতিল করে দিতে না হয়।

পরামর্শ ১: লিনাক্স ডিস্ট্রো নির্বাচন করুন
আপনার চাহিদা অথবা পছন্দ অনুযায়ী একটি লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন নির্বাচন করুন। তবে মেইনস্ট্রিম কিছু নির্বাচন করুন‍‍ যা অধিকাংশ ব্যবহারকারী ব্যবহার করেন (এতে সাহায্য পেতে সহজ হবে)। উক্ত ডিস্ট্রো নিয়ে কিছু পড়ালেখা করুন। দেখুন কিভাবে ইনস্টল করতে হয়। উক্ত লিনাক্সের স্ট্রাক্চার নিয়ে ধারণা নিন (বিদ্যাসাগর হবার প্রয়োজন নেই তবে জেনে রাখলে সুবিধা হবে।)। উক্ত ডিস্ট্রোতে বিভিন্ন ফিচার-সুবিধা কি আছে, অধিকাংশ মানুষ কি নিয়ে সমস্যায় পড়েছে এগুলো লক্ষ্য করুন। এজন্য বিভিন্ন ফোরাম, বিশেষ করে উক্ত ডিস্ট্রোর অফিসিয়াল সাপোর্ট ফোরামে নিয়মিত‍‍‍‍‍ যান।

পরামর্শ ২: আপনার কম্পিউটার সিস্টেমের প্রোফাইল তৈরি করুন
লিনাক্স ইনস্টলের পরে আপনার কোন ডিভাইস নিয়ে সমস্যায় পরার আগেই ভালো প্রস্তুতি নিয়ে রাখা। প্রথমেই আপনার কম্পিউটারের প্রসেসরগ্রুপ থেকে শুরু করে মাদারবোর্ড, গ্রাফিক্স কার্ড, মডেম/ল্যানকার্ড, সাউন্ডকার্ড, টিভিকার্ড এক কথায় যা যা আছে সব নিয়ে একটি প্রোফাইল তৈরি করুন।

এরপর আপনি সেই প্রোফাইলের একটি একটি কম্পোনেন্টস নিয়ে গুগলে সার্চ করুন (ভালো হয় যদি কোন লিনাক্স ডিস্ট্রোসহ সার্চ করেন)। দেখুন কে কোন ধরনের সমস্যায় পড়েছে আপনার ডিভাইসের অনুরূপ ডিভাইস নিয়ে। সমাধান থাকলে তা নোট করে রাখুন। সমাধান না থাকলে আরও খুঁজে দেখুন অন্যরাও এরকম সমস্যায় পড়েছে নাকি (অর্থাৎ কমন সমস্যা নাকি)। কোথাও না কোথাও সমাধান দেয়া থাকবে।

পরামর্শ ৩: আপনার কার্যপ্রণালী লিপিবদ্ধ করুন
আপনি আপনার কম্পিউটারে কি কি কাজ বেশি করেন তা লিপিবদ্ধ করুন (অফিসে লেখা, ওয়েব ব্রাউজ করা, গান শুনা ইত্যাদি)। এরপর সেই কাজগুলো কোন এ্যাপ্লিকেশন দিয়ে করা হয় তা খুঁজে বের করুন। সেগুলো নিয়ে কিছুটা পড়ালেখা করুন সুবিধা-অসুবিধা, সীমাবদ্ধতা জেনে রাখুন

পরামর্শ ৪: আপনার কম্পিউটারকে প্রস্তুত করুন
এমন নয় যে লিনাক্স ইনস্টল বা ব্যবহার করলেই আপনার সিস্টেমে সমস্যা হবে, সত্যি বলতে লিনাক্স সিস্টেমকে একেবারেই ব্যবহার অনুপযোগী করে নষ্ট করা খুবই কঠিন। তবুও সম্ভব হলে অতিরিক্ত নিশ্চিত হবার জন্য আপনার সিস্টেম সম্পূর্ণ ব্যাকআপ করে নিন। পারলে রিস্টোর ইমেজ তৈরি করুন।

ইমেজ গান এবং মুভি ফরম্যাট সুবিধাজনক ফ্রি (উন্মুক্ত) ফরম্যাটে নিয়ে নিতে পারেন। যেহেতু অধিকাংশ লিনাক্স ডিস্ট্রো প্রোপ্রাইটরি নন-ফ্রি ফাইল ফরম্যাট ডিফল্ট ইনস্টলেশনে সাপোর্ট করে না।

পরামর্শ ৫: আপনার পূর্বের অপারেটিং সিস্টেম রেখে দিন
যতোই আপনি মনে করুন না কেনো আপনার পূর্বের অপারেটিং সিস্টেম (তা সেটা উইন্ডোজ হোক কি ম্যাক হোক) রাখলে আপনি লিনাক্স ব্যবহার করবেন না কোন অবস্থাতেই পূর্বের অপারেটিং সিস্টেম বাতিল করবেন না। আপনার পরিচিত অপারেটিং সিস্টেম থেকে ভিন্ন হওয়ায় লিনাক্সে এসে প্রথমে কয়েকদিন কাজ করতে সমস্যা হবে। প্রয়োজনে আপনার পূর্বের অপারেটিং সিস্টেমে ফিরে গিয়ে কাজ করতে পারবেন।

পরামর্শ ৬: গুরুত্বপূর্ণ গাইড, মেটারিয়াল সাইটের লিঙ্ক সংগ্রহ করুন
ইনস্টলের গাইড থেকে শুরু করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ টিউটোরিয়াল, ওয়েবসাইট, ফোরামের লিঙ্ক সংগ্রহ করুন যাতে পরে প্রয়োজনেই হাতের কাছে পান।

পরামর্শ ৭: লিনাক্স ইনস্টলেশন করুন
আপনি যেসকল গাইড, টিউটোরিয়াল দেখেছেন সেগুলোর আলোকে লিনাক্স ডিস্ট্রো ইনস্টল করে ফেলুন। ডিফল্ট ইনস্টলেশন (কোন মডিফিকেশন ছাড়া) ইনস্টল করা ভালো। এতে সমস্যায় পড়লে সাহায্য পাওয়া সহজ হবে।

পরামর্শ ৮: লিনাক্স কনফিগারেশনে সাবধানতা
লিনাক্স ইনস্টলের পর বিভিন্ন কনফিগারেশন সাবধানতার সাথে অনুসরণ করুন। একসাথে অনেক পরিবর্তন না করাই ভালো, এতে সমস্যায় পড়লে সমস্যার ধরন প্রকৃতি ও সমাধান নির্ণয় সহজ হবে।

পরামর্শ ৯: সমস্যার সমাধান হাতের নাগালের মাঝেই
কোন সমস্যায় পড়লে দিশেহারা না হয়ে প্রথমেই গুগলে সার্চ করুন। সিংহভাগ সম্ভাবণা হচ্ছে আপনার যে সমস্যা তাতে আপনার আগে অন্য আরেকজন পড়েছেন তাই সমাধান খুঁজে পেতে কষ্ট হবার কথা নয়। এরপরও যদি না পান তাহলে অফিসিয়াল সাপোর্ট ফোরামে আপনার সিস্টেমের পূর্ণ প্রোফাইলসহ পূর্ণ বর্ণনা সহকারে সাহ‍্য্য চান। আপনাকে সাহায্যের জন্য অনেক মানুষ অপেক্ষা করছেন কিন্তু তাদেরকে আপনার আগে সাহায্য করতে হবে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করে।

পরামর্শ ১০: কিছু কমান্ড লাইন শিখে নিন
বেসিক কিছু কমান্ড লাইন সবসময়ই কাজে দিবে। প্রথমে ঝামেলার মনে হলেও কিছুদিন ব্যবহার করলেই বুঝতে পারবেন কমান্ড লাইনে কাজ করা কতো সহজ এবং দ্রুত।

পরামর্শ ১১: নিজের উপর আস্থা রাখুন
মানুষ বুদ্ধিমান প্রাণী, বিভিন্ন পরিবেশে নিজেকে দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে। নিজের উপর আস্থা রাখুন আর দশজনের মতো আপনিও লিনাক্স ব্যবহারে আনন্দ পাবেন।

আমাদের প্রযুক্তি ফোরামে পূর্বপ্রকাশিত ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28860700 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28860700 2008-10-27 22:16:15
লিনাক্স গ্রুপের নীতিমালা
১) ব্লগাররা যে কোন সময় যে কোন লিনাক্স ডিস্ট্রো নিয়ে আলোচনা করতে পারবেন। তবে মৌলিক লেখা না হলে তথ্যসূত্র উল্লেখ করবেন

২) গ্রুপে যে কোন সময় লিনাক্স বা মুক্তসোর্স আন্দোলন নিয়ে যে কোন প্রশ্ন করতে পারবেন।

৩)মুক্তসোর্স আন্দোলন/ মুক্তসোর্স অপারেটিং সিস্টেম অথবা লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের সাথে সম্পৃক্ত নয় এমন ব্লগ এই গ্রুপে পোস্ট করা যাবে না।

৪) যুক্তি ছাড়া মুক্তসোর্স আন্দোলন অথবা মুক্তসোর্স অপারেটিং সিস্টেমের বিরোধীতা করে কোন পোস্ট করা যাবে না।

৫) লিনাক্স ডিস্ট্রোর মাঝে বিরোধিতামূলক বা আক্রমনাত্মক পোস্ট করা যাবে না। তবে ব্লগারদের বৃহত্তর স্বার্থে তুলনামূলক পোস্ট করা যেতে পারে।

৬) ডেস্কটপ এনভায়ারমেন্ট বা সফটওয়্যার সল্যুশন নিয়ে যুক্তি ছাড়া বিরোধীতামূলক পোস্ট করবেন না।

৭) ব্লগাররা যে কোন ডিস্ট্রোর কপি পাবার জন্য অন্য ব্লগারদের কাছে অনুরোধ করতে পারেন। তবে অনুরোধ গ্রহন ও রক্ষা করার দায়িত্ব ব্লগারদের নিজেদের থাকবে।

৮) কোন ব্লগার সমাধানের জন্য পোস্ট করলে। সঠিক উত্তর জানা না থাকলে ভুল বা ব্যক্তিগত মতামত দেয়া থেকে বিরত থাকুন।

৯) সর্বশেষে সকলে সহামর্মীতার পরিচয় দিবেন বলে আশা রাখছি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28859068 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28859068 2008-10-24 15:02:48
শুভ জন্মদিন তোমাকে " style="border:0;" />

একটু খটকা লাগছে তো লিনাক্সের গ্রুপে বন্ধুর জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি কেনো? আজকে আমার সাথী উবুন্টুর চার বছর পূর্ণ হলো। চার বছর আগে এই দিনে জন্ম নিয়ে উবুন্টু ধীরে ধীরে অনেক পরিপক্ক হয়ে উঠেছে, লিনাক্সের অনেক বড় বড় দাদাদের পিছনে ফেলে এখন ডেস্কটপের সর্বোচ্চ জনপ্রিয় লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন।

আমার সাথেও উবুন্টুর পরিচয় প্রায় এক বছরের মতো। একে আরও সাবালক হয়ে উঠতে দেখছি, ভালোই লাগছে। এই পথ চলা যেনো শেষ না হয়, আরও অনেক এগিয়ে চলো বড় হয়ে দাদা হও লিনাক্সের। তোমার হাত ধরেই ঘরে ঘরে লিনাক্সের প্রচলণ হোক বছরের পর বছর এই কামনায়

শুভ জন্মদিন তোমাকে
উবুন্টু লিনাক্স]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28857136 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28857136 2008-10-20 01:25:45
এক ঝলক দেখুন- ইন্ট্রাপিড আইবেক্স বেটা ১
ইচ্ছা ছিলো সামওয়্যারেও এক সাথে দেয়ার কিন্তু এখানে ছবি দেয়ার জন্য আবারও আপলোড করতে হবে যা বিরক্তিকর তাই আর নতুন করে এখানো দিচ্ছি না।

উবুন্টু বাংলাদেশ সাইটেই মূল লেখাটি দেখতে পারবেন।

আশা করি সবাই এই ভূলটুকু ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28854329 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28854329 2008-10-13 21:25:32
বৃত্তের আবর্তে বৃত্তের বাইরে থেকেও ভিতরে
কথার কথা আমি এখন বড় বড় কথা বলছি, দেশের পরিবর্তন দরকার-কিভাবে পরিবর্তন করা যায়, সরকারের গুষ্টিকিলাই গালাগালি দেই। এভাবে দেখতে দেখতে পাশ করে বের হই সুযোগ খুঁজছি চাকরীর, বললাম ভাই আমাকে চাকরী দেন। অনেক ধরপাকড় চাচা/মামার পর চাকরী দিলো তো পরিবেশ পছন্দ হলো না নিজের মতো কাজ করার সুযোগ কম। একসময় দেশ ছেড়ে বাইরে যাবার প্রচেষ্টা।

কয়েক বছর চেষ্টার পর প্রথম সুযোগ পেতেই বাইরে উড়াল, একটা মোটামোটি চাকরী পেলাম সে দেশে, আয় বাংলাদেশের টাকায় মোটামোটি ভালো হলেও সেদেশের তুলনায় মাঝারি, আয় এবং ব্যায়ের সামঞ্জস্য আনা কঠিন। সেই দেশে থাকার সময় মাঝে মাঝেই মনে হয় দেশে থাকলেই হয়তো ভালো হতো, অন্যের দেশে চাকরের মতো কামলাগিরি তো করতে হতো না। কিন্তু দেশের মানুষকে এই কথা জানালেই বলে বাইরে আছো বাইরেই থাকো।

আরও দুএক বছর পর দেশে আসলাম (অথবা সেই দেশেই) সুন্দরমতো মেয়ে দেখে বিয়ে করলাম। খরচ ও সুন্দর জীবনের কথা চিন্তা করে আবারও সেই বাইরের দেশে চাকরের কাজে চলে গেলাম এখন কেবল দেশের কথা ভাবলে হবে না। এখন পরিবারের কথা ভেবে মুখ গুঁজে সেই দেশে পরে থাকো। বাবা-মা বুড়ো হচ্ছেন তাদের দেখাশোনা করা দরকার, কিন্তু সময় কোথায়? আমরা পশ্চিমা সংস্কৃতির দ্রুত জীবনযাপনে অভ্যস্থ। আমাদের এখন সময় কোথায় দেশে গিয়ে দুদন্ড বাবা-মাকে সঙ্গ দেয়ার? মাঝে মাঝে এখানকার বাংলাদেশী বন্ধুদের সাথে ছুটির দিনের আড্ডার সময় উত্তপ্ত বিষয় হিসেবে বাংলাদেশের প্রসঙ্গ উঠে আসে। দেশের নেতাদের গাল দেই। দোষারোপ করি আমাদের নতুন প্রজন্মকে, দেশ উচ্ছন্নে যাচ্ছে আর অকর্মন পলায়নপর নতুন তরুণ প্রজন্ম দেশ ছেড়ে ভাগছে বলে তপ্ত আলোচনা করি। দিন শেষে ঘরে ফেরার সময় মনের কোণে একটি অপরাধবোধ জাগে আমিও তো দেশ ছেড়ে পালিয়ে এসেছি, এই নতুন প্রজন্মের দোষ কিভাবে দেই? তারা তো তাদের পূর্বসূরীদের প্রদর্শিত পথই অনুসরণ করছে।

সন্তান হলো, এখন তাদের লালন পালনের জন্য আরও বেশি খাটতে হবে, তাদেরকে এই দেশের আধুনিক পরিবেশে বেড়ে তুলতে হবে। তারা বড় হচ্ছে পশ্চিমা সংস্কৃতিতে, আমরাও চাই না তারা দেশের নোংরা পরিবেশ নিয়ে কিছু জানুক। আমাদের দেশ অতীত, অতীত নিয়ে চিন্তা করে আর লাভ কী? আমরা চাই না আমাদের সন্তান দুর্নীতি-অন্যায়ের নগ্ন চেহারা দেখুক। বাংলাদেশ সম্পর্কে আলোচনা পারতপক্ষে তাদের সামনে করি না। মাঝে মধ্যে বিভিন্ন পালাপর্বণে লোকদেখানো অনুষ্ঠান করি। পয়লা বৈশাখ একুশে ফেব্রুয়ারী ইত্যাদি ঘটা করে উদযাপন করি। এরকম অনুষ্ঠান-পার্বনে ছেলেমেয়েদের উৎসাহ উদ্দীপণা দেখে ভালো লাগে, সেই সাথে মনটা উদাস হয়ে পরে, মনে পরে ছেলেবেলার কথা। ইশ কতো সুন্দরই না ছিলো আমাদের ছেলেবেলা আমাদের ছেলেমেয়েরা এই কৃত্রিম জীবণের মাঝে মুক্ত জীবণের স্বাদ আর পাচ্ছে না, আমরা কি ভুল করলাম?

এরপর ছেলেমেয়েরা বড় হয়ে উঠছে উঠে নিজেদের মতো চলার পথ ধরতে চায়। অন্তর্দ্বন্দ কলহ প্রায় প্রতিদিনের ঘটনা, ছেলেটা তার বন্ধুদের সাথে মদ-নেশা ধরছে, ঘন ঘন ক্লাবে যাচ্ছে না বলে কয়েকদিন উধাও হয়ে যাচ্ছে। মেয়েটির বন্ধুবান্ধবের বহর দেখে মনে ভয় লাগে, অজানা আশঙ্কায় বুকটা কেঁপে উঠে। আমাদের বাংলাদেশী মন মেনে নিতে চায় না পাশ্চাত্য সংস্কৃতির ঔদ্ধ্যতা। তবে কী দেশে গেলেই ভালো হতো? প্রায়ই মনের কোনায় এই প্রশ্ন জেগে উঠে।

জীবনের শেষ সায়াহ্ন, বয়স হয়ে গেছে এখন মৃত্যুর জন্য দিন গোনা। দেশে গিয়ে আর কি হবে? এই দেশে যে সুযোগ সুবিধা উন্নত চিকিৎসা তা কি দেশে পাবো? থেকেই যাই এই দেশে।

মৃত্যুর কিছুদিন আগে। জীবনে কি পেলাম? দেশ ছেড়ে ভিনদেশে এলাম, সেই চাকরের হাড়ভাঙ্গা চাকরী করলাম। কোনকিছু কি পরিবর্তন করতে পারলাম? আমার এই জীবনের অর্থ কি হলো? আমি যে এই বিশাল পৃথিবীতে এসেছিলাম তা কয়জন জানলো? আমি যে মারা যাবো তাই বা কয়জন জানবে? এই জীবনের কোন মূল্য কী থাকবে শেষ পর্যন্ত? দেশ থেকে বহু দিগন্ত দূরে শেষ শয্যায় জীবনটা নতুন করে শুরু করার আগ্রহ হয়, জীবনের যতো ভুল তা শোধরানোর ইচ্ছা। আচ্ছা সেই ভুলের মধ্যে কি দেশ ছেড়ে এই বিদেশবিভূইয়ে আসা পরে? কে দেবে এর জবাব?

কাহিনী ২
বৃত্তের মাঝে
আমি এখন বড় বড় কথা বলছি, দেশের পরিবর্তন দরকার-কিভাবে পরিবর্তন করা যায়, সরকারের গুষ্টিকিলাই গালাগালি দেই। এভাবে দেখতে দেখতে পাশ করে বের হই সুযোগ খুঁজছি চাকরীর, বললাম ভাই আমাকে চাকরী দেন। অনেক ধরপাকড় চাচা/মামার পর চাকরী দিলো তো পরিবেশ পছন্দ হলো না নিজের মতো কাজ করার সুযোগ কম। কিন্তু উপায় কি নিজের কথা তো ভাবতে হবে? পরিবারের কথা ভাবতে হবে। যেভাবেই হোক মানিয়ে চলো। আর বসকে একটু তেল মারলেই হলো, মাঝে মধ্যে না-বলা কিছু কাজ করে দেয়া, বসকে খুশি রাখা তাহলে আর কে উন্নতি হওয়া ঠেকাবে? আর একবার ম্যানেজার হতে পারলেই তো হলো তখন আর আমায় কে পায়? প্রায়ই কলিগদের সাথে-বন্ধুদের সাথে ছুটির দিনে আড্ডায় বসের গুষ্টিউদ্ধার করি, গালাগাল দেই দেশের নেতাদের, দোষারোপ করি শিক্ষাব্যবস্থাকে, ছুটির দিন ফুরিয়ে গেলে আবারও নাকমুখ গুজে কর্মক্ষেত্রে ফিরে যাই। প্রজেক্টগুলো ঠিকভাবে করতে পারলে আর কিছুদিন অপেক্ষা এরপরেই তো পদোন্নতি, তখন আর আমায় পায় কে?

কয়েক বছর কেটে গেলো, ছোটখাটো কয়েকটি পদোন্নতি হয়েছে। বেশ বড় পোস্টে না উঠতে পারলেও এখন আমার কাজের কিছুটা স্বাধীনতা এসেছে। আমার নিচে এখন বেশ কয়েকজন কাজ করছে। এরা সবসময়ই চাচ্ছে আমাকে টুপি পড়িয়ে পদোন্নতি করতে। কিন্তু বেটারা জানে না তাদের পথ আমিও পাড়ি দিয়ে এসেছি, দাড়াও আবার আসুক দেখাচ্ছি মজা। ছুটির দিনে সময় হয়না পরিবারকে দেবার জন্য। ছুটির দিনে জমানো কাজ করি। তাও মাঝে মধ্যে হঠাৎ পুরানো কোন মুখের সাথে দেখা হয়ে গেলে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়, সেই আলোচনার একটা অংশে উঠে আসে আজকের প্রজন্ম। পুরা উচ্ছন্নে যাওয়া ফাঁকিবাজ প্রজন্ম। কাজ না করেই মাস শেষে টাকাটা তুলে নিতে চায়। আর প্রায়ই তেল দিয়ে কাজ আদায়। এই আলোচনা উত্তপ্ত হয়ে উঠে শেষ হয় প্রজন্ম ও পশ্চিমা সংস্কৃতি এবং নৈতিক অবক্ষয়ের উপর দিয়ে।

আরও কয়েকবছর কেটে গেলো। এখন আমার অবস্থা বেশ ভালো। এই সুযোগে হুট করে একদিন বাবা মা বয়সের দোহাই দিয়ে বিয়ের জন্য ধরলেন। একদিন মেয়ে দেখেটেখে বিয়েও দিয়ে দিলেন। বউ আমার বেশ সুন্দরী লক্ষীময়ী। আরও দ্রুত উন্নতি হতে থাকলো আমার।

বছর ঘুরতে না ঘুরতেই সন্তান হলো। বাবা মা তো মহা খুশি সারাদিন এই নতুন শিশুটি নিয়ে থাকেন। আমার আর সময় নেই দম ফেলার সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে হবে না? ছেলেমেয়েকে তো যেখানে সেখানে দেয়া যায় না। তাদের জীবনে কোন নোংরা যাতে না লাগে তা দেখতে হবে। দেশের ঘটনাপ্রবাহ থেকে তাদেরকে আড়াল করে রাখতে চাই যে।

ছেলেমেয়েরা বড় হচ্ছে। বহু কষ্ট করে ভালো একটা স্কুলে দুজনকেই ঢুকিয়ে দিতে পারলাম। কিন্তু তারপরও মনের মাঝে কোথায় যেনো খোঁচাতে থাকে। এরা ভালো থাকবে তো? এরা কাদের সাথে মিশছে, কি করছে? কিভাবে এদেরকে সঠিক পথ দেখাবো? প্রায়ই বাসায় অশান্তি হচ্ছে, ছেলেটা বন্ধুদের সাথে চিটাগং যেতে চায় মেয়েটা যেতে চায় কনসার্টে। নাহ এখন কি তাদের ছাড়া যায়? পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রভাবে নতুন প্রজন্মটা উচ্ছন্নে যাচ্ছে। সন্তানদেরকে আর ছাড়া সম্ভব নয়, কঠোর অনুশাসনে রাখতে হবে যে।

ছেলেমেয়েরা বড় হয়েছে। নিজেদের মতো চলতে শিখেছে, নিজেদের চলার মতো বোধবুদ্ধি হয়েছে। ছেলেটা একটা ভালো কোম্পানিতে ম্যানেজারের চাকরী পেয়েছে কয়েক বছরে ভালো পদন্নতি আছে এরপরই বিয়ে দিয়ে সুন্দর একটা বউ আনতে হবে। মেয়েটাও বেশ চটপটে হয়েছে। বন্ধুদের সাথে মিলে নিজের প্রতিষ্ঠান খুলে বসেছে। কি করছে তা ঠিক বুঝতে না পারলেও খারাপ যে করছে না তা বুঝতে পারছি। মেয়েটারও বিয়ের ব্যবস্থা এবার করতে হবে যে। যেমন তেমন হলে তো চলবে না। এই একটা ক্ষেত্রে যে আর দশটা সাধারন পরিবারের মতো হলে চলবে না।

বয়স হচ্ছে ছেলেমেয়েরা যার যার পরিবার নিয়ে ব্যস্ত। মাঝে মধ্যেই অতীত নিয়ে রোমন্থন করি। কি হলো কিভাবে হলো? জীবনে কি পেলাম? যৌবণে কতোকিছু ভাবলেও সেই চাকরের হাড়ভাঙ্গা চাকরী করলাম সারাজীবন। কোনকিছু কি পরিবর্তন করতে পারলাম? আমার এই জীবনের অর্থ কি হলো? সাধারন একটি জীবনযাপন করে চলে গেলাম। আমি যে এই বিশাল পৃথিবীতে এসেছিলাম তা কয়জন জানলো? আমি যে মারা যাবো তাই বা কয়জন জানবে? এই জীবনের কোন মূল্য কী থাকবে শেষ পর্যন্ত? শেষ শয্যায় জীবনটা নতুন করে শুরু করার আগ্রহ হয়, জীবনের যতো ভুল তা শোধরানোর ইচ্ছা। আচ্ছা সেই ভুলের মধ্যে কি কোনকিছু পরিবর্তনের চেষ্টা না করাটা পরে? কে দেবে এর জবাব?

কাহিনী ৩
বৃত্তের বাইরে- যদি এমন হতো?

(অসমাপ্ত......... মনটা খারাপ পরে শেষ করবো।)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28852536 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28852536 2008-10-09 02:57:12
উবুন্টুতে ডেব প্যাকেজ আলাদা করে ডাউনলোড করার উপায়
এজন্য একটা বিকল্প উপায় হতে পারে এই লিঙ্ক

এই লিঙ্কে উবুন্টুর বিভিন্ন রিলিজের রিপোসিটরিতে যতো প্যাকেজ ছিলো সেগুলোর বর্ণনাসহ ডাউনলোড লিঙ্ক দেয়া আছে। এতে সুবিধা হবে যেকেউ আলাদা করে নির্দিষ্ট প্যাকেজ ডাউনলোড করে ইনস্টল করতে পারবেন।

আশা করি সবার কাজে লাগবে <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28849889 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28849889 2008-09-30 23:56:57
প্রযুক্তি কথন : প্রযুক্তি বিষয়ক ই-সাময়িকী।
ই-সাময়িকীটি ডাউনলোড করতে পারবেন এখান থেকে

উল্লেখ্য আমাদের প্রযুক্তি বাংলা ভাষায় প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান বিষয়ক প্রথম ফোরাম যার যাত্রা গতবছরের সেপ্টেম্বরে শুরু হয়েছিলো। এই এক বছরে সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণে আমাদের প্রযুক্তি ফোরাম হয়ে উঠেছে প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান বিষয়ক বিভিন্ন লেখার সমাহার। যারা কখনও যাননি তারা ঘুরে দেখতে পারেন আমাদের প্রযুক্তি ফোরাম]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28846143 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28846143 2008-09-21 21:54:41
প্রশ্নউত্তর পর্ব ২: এবার মুক্তসোর্স নিয়ে কথা
প্রশ্ন:
যদি একটি কোম্পানি কষ্ট করে একটি সফটওয়্যার তৈরি করলো তারা কিসের জন্য এটাকে উন্মুক্ত করে দিবে? এতে তো তাদের প্রতিদন্ধীরা প্রায় বিনাশ্রম ও স্বল্প খরচে ব্যবহার করার সুবিধা পাবে আমরা কেনো তাদের এই সুবিধাগুলো দিবো?

উত্তর:
অনেকেই এই ভুল করেন যে আমাদের প্রতিদন্ধীরা আমাদের পণ্য কেনো ব্যবহার করবেন, তাদেকে যেভাবেই হোক পিছিয়ে রাখা বাধার সম্মুক্ষিন রাখা আমাদের জন্য মঙ্গলকর। এটা আসলে ভুল ব্যাখ্যা। দেখুন এখন তীব্র প্রতিদন্ধীতা যেমন আছে তেমনই আছে সহযোগীতা, বানিজ্যিক সমঝোতা। এখনকার যুগে পণ্যের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে পণ্যের উপস্থাপনা, ও পণ্যের সেবা। এবং তারচেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে সম্পর্ক। আমাদের প্রতিষ্ঠানের সাথে ক্লায়েন্টের ও সরবরাহকারীর সম্পর্ক যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনই গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে কৌশলগত সম্পর্ক।

আপনার পণ্য আপনি যতো ভালোভাবে চিনেন তা অন্যরা চিনবে না। এটা আপনার কম্পিটিটিভ এজ থাকবে। আপনার পণ্যের মডিফিকেশন আপনার পক্ষে খুবই সহজ হবে।

এছাড়া আরও একটি বিষয় হচ্ছে আমার সোর্স কোড নিয়ে কোন সফটওয়্যার ডেভেলপ করলে আমি তাকে বাধ্য করতে পারবো আমাকে সেই সফটওয়্যার মডিফিকেশনের তথ্য দেয়ার জন্য। অর্থাৎ ফ্রিতে মডিফিকেশন পাওয়া যাচ্ছে।

এছাড়া সুনামের বিষয় আছে, আছে পজিটিভ পাবলিসিটি-গুডউইল। স্ট্রাটেজিক এলায়েন্সও তৈরি করা কঠিন হবে না।

আর পণ্যের চেয়ে বড় এখন পণ্যের সেবা। ধরুন আপনার মোবাইল সার্ভিসের কথা। আমাদের দেশে ৬টির মতো মোবাইল সার্ভিস প্রোভাইডার আছে, তারা কিন্তু একই সার্ভিস দিচ্ছে প্রায় একই রকম টেকনোলজির উপর ভিত্তি করে, কিন্তু সেবার মান খুবই ভিন্ন।

প্রশ্ন:
আমি যে আমার সফটওয়্যারগুলো ডেভেলপ করার পর সোর্সকোড উন্মুক্ত করে দিব আমার আর্থিক সুবিধাটাও চিন্তা করা লাগবে। উন্মুক্তসোর্সে কতখানি সুবিধাজনক? আমার সফটওয়্যারের সোর্সকোড উন্মুক্ত করে দিলে আর কেউ তো আমার কাছে আসবে না অন্যরাই মডিফিকেশন তৈরি করে অর্থ উপার্জন করতে থাকবে।

উত্তর:
মুক্তসোর্স মানেই যে বিনামূল্যের পণ্য তা নয়। সোর্সকোড মুক্ত রেখেও পণ্য ও সেবা বিক্রি করা সম্ভব। সোর্সকোড উন্মুক্ত হলেও সবার কিন্তু সময় বা অভিজ্ঞতা নেই নতুন সফটওয়্যার মডিফিকেশন তৈরি করার। ধরুন চুল কাটার কথা, একজন নাপিত যতো নান্দনিক ও অভিজ্ঞতার সাথে আপনার চুল কাটবে আপনি কী নিজে সেভাবে চুল কাটতে পারবেন, যদিও আপনার কাছে চিরুনী, কাঁচি সবই আছে।

যদি আমি শুরু থেকে একটা সফটওয়্যার তৈরি করার পর উন্মুক্ত করে দিলাম এখন অন্যরা মডিফিকেশন করছেন ঠিক তারপরও কিন্তু সামান্য নিয়ন্ত্রন, সুবিধা আমার হাতে রয়ে যাবে। আমি সবাইকে অনুরোধ করতে পারি মডিফিকেশনগুলো আমাকে প্রদান করার জন্য লাইসেন্সের মাধ্যমে বাধ্য করতে পারাও কঠিন কিছু না।

আর আমি যে একটা সফটওয়্যার তৈরি করেই ক্ষান্ত দিবো তা তো না। আমার মেধার তো শেষ হয়ে যাবে না একটা সফটওয়্যারের সাথে, মডিফিকেশন করার জন্য অন্য আইডিয়া আসবে, আমার নিজের আরও মডিফিকেশন থাকবে। তাছাড়া আমার সফটওয়্যার আমার পরিচয়ে বেশি পরিচিত হবে, তাই মানুষ আমার নাম জেনে আমার কাছেই আসবে প্রথমে মডিফিকেশনের জন্য।

প্রশ্ন:
ছাত্র হিসেবে আমার কি সুবিধা হবে উন্মুক্তসোর্স সফটওয়ারের ক্ষেত্রে?

উত্তর:
ছাত্র হিসেবে মুক্তসোর্স আন্দোলনে জড়িত থাকার সুবিধা কিন্তু আরও বেশি। একটা কারন হতে পারে মেধার বিকাশ। প্রোপ্রাইটরি ক্লোস্ড সোর্স সফটওয়্যার থেকে শিখার সুযোগসুবিধা খুবই সীমিত। উন্মুক্ত সফটওয়্যারের সোর্সকোড উন্মুক্ত হবার কারনে সবকিছু নিজে দেখে শিখতে পারা যাবে। যেমন আমি যদি শিখার পাশাপাশি সফটওয়্যার ডেভেলপ করি আমার সেই সময় কিন্তু স্বাভাবিকভাবে বেশি ক্রুটি থাকবে। এই ক্রুটিগুলোর সব আমার পক্ষে সহজে বের করা সম্ভব না। তখন মুক্তসোর্স হলে অন্যান্য ডেভেলপাররা সোর্সকোড দেখে সমস্যাগুলো বলতে পারবেন।

এরপর আছে পরিচিতির বিষয়। আমার ছাত্রাবস্থাতেই আমার পরিচিতি লাভ হলে আমার ভবিষ্যত কাজের ক্ষেত্র আরও প্রসস্ত হবে। তাছাড়া সফটওয়্যার বা সার্ভিস বিক্রি করার সুবিধা তো আছেই যার মাধ্যমে পড়ালেখার খরচ বহন করাও সম্ভব হতে পারে।

প্রশ্ন:
বাংলাদেশের মতো গরীব দেশে উন্মুক্তসোর্স সফটওয়্যারের প্রয়োজন আছে কি? যেখানে আমাদের অর্থ উপার্জনের সুযোগ সীমিত সেখানে উন্মুক্ত করে দিলে আর কি থাকবে?

উত্তর:
বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে মুক্তসোর্স সংস্কৃতি আরও বেশি করে গ্রহণ করা উচিত। বিভিন্ন প্রোপ্রাইটরি, ক্লোস্ড সোর্স সফটওয়্যার ব্যবহার করে মেধা বিকশিত হবার সুযোগ সীমিত। তাছাড়া এসকল পণ্যের উচ্চমূল্যও প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। প্রোপ্রাইটরি সফটওয়্যারগুলোর আপগ্রেড/আপডেট নিয়মিত কেনার ক্ষমতা আমাদের দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর নেই।

এজন্য সুবিধাজনক হচ্ছে উন্মুক্তসোর্সের আশীর্বাদ গ্রহণ। বিভিন্ন উন্মুক্তসোর্স ও বিনামূল্যের অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ব্যবহার করে অর্থের সাশ্রয় সম্ভব।

তাছাড়া প্রোপ্রাইটরি-ক্লোস্ডসোর্স সফটওয়্যার অপারেটিং সিস্টেমের চেয়ে উন্মুক্তসোর্স সফটওয়্যার অপারেটিং সিস্টেম নিজেদের অভিজ্ঞ জনবল কাজে লাগিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী মডিফিকেশন সহজেই করা সম্ভব, এতেও অর্থের সাশ্রয় হয়।

এছাড়া দেশের ছেলেরা উন্মুক্তসোর্স সফটওয়্যার তৈরি করে দেশের বাইরে যেমন সুনাম আনবে তেমনই সার্ভিস অথবা সফটওয়্যার ব্যবহার করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করবে।

প্রশ্ন:
মাইক্রোসফট যদি স্বল্পমূল্যে (ধরুন ৫০০ টাকায় যদিও সম্ভব না) উইন্ডোজ ও অফিস বান্ডেল হিসেবে দেয় তাহলে কি লিনাক্স বা মুক্তসোর্স বিকল্প ব্যবহারের কোন কারণ থাকবে?

উত্তর:
আসলে আমাদের এই মুক্ত আন্দোলন স্বল্পমূল্য বা বিনামূল্যে সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম পাওয়া নিয়ে না। বরং ধারনা জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার মুক্ত প্রবাহ নিয়ে আমাদের আন্দোলন। তাছাড়া পণ্যের গুনগত মান নিশ্চিত করার জন্যও কিন্তু সোর্স কোড মুক্ত হওয়া একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে। উন্মুক্তসোর্স সফটওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেমের একটা বড়ো সুবিধা বা গুন ছিলো আছে এবং থাকবে সেটি হচ্ছে সুবিশাল স্বেচ্ছাসেবকগোষ্ঠী। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ডেভেলপাররা কাজ করে একটি সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেমগুলোকে আরও উন্নত ও স্ট্যাবল করছেন। যা প্রোপ্রাইটরি সফটওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে অর্জন কখনই সম্ভব না।

মাইক্রোসফট যদি আপনাকে বিনামূল্যেও উইন্ডোজ বা অন্য পণ্যগুলো আপনাকে দিতে চায় (বর্তমান অবস্থায়) তখনও আমরা মাইক্রোসফটের পণ্য ব্যবহার করতে বলবো না। কেনো? কারন হচ্ছে সোজা কথায় পণ্যের মান। মাইক্রোসফট সম্পূর্ণ নিজের এমন কোন পণ্য এক কথায় অসাধারন এবং স্ট্যাবল বলা যায় না।

উইন্ডোজ বা অফিস কোর কোডের কোন পরিবর্তন ছাড়াই সামান্য ফেস লিফটিং করে পণ্যগুলো ছাড়ছে। ৯০ এর দশকের পর উইন্ডোজের কোর কোডের কোন পরিবর্তন হয়নি। অনেক অভিজ্ঞরা মাইক্রোসফটকে উইন্ডোজের কোড আবার শুরু থেকে লেখার অনুরোধ জানালেও তারা তা শুনেননি। ভিস্তার সময় আগ্রহ তৈরি হয়েছিলো ভালো পণ্য দেবার ব্যাপারে, কিন্তু ভিস্তা আইক্যান্ডি ছাড়া কিছুই না। ভিস্তায় যা আছে তা এক্সপিতেও পাওয়া যায়। মাইক্রোসফট অফিসের ক্ষেত্রেও কোন ভিন্ন বিষয় না। এটাও একই ভিত্তির উপর তৈরি হয়ে আসছে, প্রয়োজনে কেবল কিছু আদলের পরিবর্তন করা হয়েছে।

প্রশ্ন:
একজন সাধারন ব্যবহারকারী বা মানুষ হিসেবেই আমি উন্মুক্তসোর্স আন্দোলনকে সমর্থন দিবো কেনো?

উত্তর:
সহজ উত্তর মানুষের জন্য ভালোবাসা। আমি একটা জিনিস তৈরি করলাম সেটা আরেকজন ব্যবহার করে উপকৃত হোক। আমি একটা ভালো জিনিস ব্যবহার করেছি আমার বন্ধু পরিচিতরাও সেই জিনিস ব্যবহার করুক। উন্মুক্ত হোক জীবন বাধাহীন সীমানাবিহীন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28845559 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28845559 2008-09-20 05:43:05
মজিলা ক্যানোনিক্যালকে বাধ্য করছে ELUA লাইসেন্স এগ্রিমেন্ট ব্যবহারে
উবুন্টুর অনেকগুলো আদর্শের মধ্যে একটি হচ্ছে ব্যবহারকারীর যেকোন ধরনের ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা না থাকা। অর্থাৎ ডিফল্ট হিসেবে উবুন্টুতে যেসকল সফটওয়্যার আসে সেগুলো ব্যবহারের জন্য ব্যবহারকারীদের কোন লিগ্যাল এগ্রিমেন্টে আসতে হবে না, কেবল উবুন্টুর মূল এগ্রিমেন্টই যথেষ্ঠ।

ফায়ারফক্সে EULA অন্তর্ভুক্ত করার ফলে এই মুক্ত সফটওয়্যারের ধারা কিছুটা ব্যাহত হয়েছে।
* EULA এ্যাগ্রিমেন্টে রাজি না হলে পরও ব্যবহারকারী ফায়ারফক্স ব্যবহার করে যেতে পারবেন। তারমানে এটা ব্যবহারের অভিজ্ঞতার মাঝে একটি অপ্রয়োজনীয় খুত।
* EULA এ্যাগ্রিমেন্টে রাজি না হওয়া মানে আইনত উবুন্টুর ডিফল্ট ভার্সনে ব্যবহারকারী কোন ব্রাউজার পাচ্ছে না।
* EULA এ্যাগ্রিমেন্টের কারনে লাইভ সিডি ব্যবহার করার সময় সমস্যা হতে পারে।
* এই EULA এ্যাগ্রিমেন্টের কারনে ফায়ারফক্স নীতিগতভাবে মুক্তসফটওয়্যারের বাহিরে চলে যায়, অর্থাৎ তখন আর ডিফল্ট ইনস্টলে দেয়ার বদলে multiverse রিপোসিটরিতে দিতে হবে।

মজিলার এই সিদ্ধান্তের কারনে অনেকেই দুঃখ প্রকাশ করেছেন। সেই সাথে উবুন্টুর জন্য abrowser, IceWeasel, Ephiphany-র মতো ফায়ারফক্সের বিকল্প ব্রাউজার ব্যবহারের কথা বলছেন অনেকেই। ‌

ইতিমধ্যেই অনেকে লঞ্চপ্যাডে একে একটি বাগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বিস্তারিত দেখুন এখানে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28843778 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28843778 2008-09-16 02:44:26
ক্ল্যামএভি লাইভ সিডি (ClamAV Live CD)
এরজন্য প্রথমেই প্রয়োজন পরবে
ভাইরাস আক্রান্ত একটি কম্পিউটার
বায়োস এক্সেস
ইন্টারনেট সংযোগ
সিডি রাইটার
ব্ল্যাঙ্ক সিডি
কিছু কমান্ড ব্যবহার করার জন্য প্রস্তুতি
আর পর্যাপ্ত সময়

১)
প্রথমে ক্ল্যামএভি লাইভ সিডি আইএসও ইমেজ এখান থেকে ডাউনলোড করুন।

২)
সিডি ইমেজটি বার্ন করার জন্য অনেকেই নিরো অথবা রোক্সিও ব্যবহার করেন। তবে এই দুইটি না থাকলে চিন্তার কিছু নেই আপনি বিকল্প ফ্রিওয়্যার টুল হিসেবে আইএসও রেকর্ডার ব্যবহার করতে পারেন।

৩)
বার্ন করা হয়ে গেলে পর আপনি আপনার ভাইরাসে আক্রান্ত হার্ডডিস্কের পরিবর্তে এই লাইভ সিডি থেকেই বুট করতে পারবেন। তবে এরজন্য আপনার কম্পিউটারের বায়োস থেকে সিডি ড্রাইভকে প্রাইমারী বুট অপশন করতে হবে। এজন্য আপনার মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল দেখতে পারেন প্রয়োজনে।

৪)
সিডি থেকে বুট করার প্রথমেই আপনাকে জিজ্ঞাসা করা হবে আপনি কি লাইভ সিডিতে বুট করতে চান কিনা। “এন্টার” চাপুন। এবার আপনি একটি সহজবোধ্য গ্রাফিক্যাল স্ক্রিন দেখতে পারবেন। ক্ল্যামএভি লাইভ সিডিতে বুট করার জন্য প্রথম অপশনটি নির্বাচন করুন। লাইভ সিডিতে সম্পূর্ণ বুট করা হলে পর ব্যাশ প্রম্পট পাবেন।

৫)
লাইভ সিডিতে বুট করার পর প্রথম কাজটিই হবে আপনার ভাইরাস ডেফিনিশন ফাইল আপডেট করা। সেজন্য নিচের কমান্ডটি লিখে এন্টার চাপুন।

sudo freshclam

আপনার লাইভ সিডি ভাইরাস ডেফিনেশন ইন্টারনেট থেকে আপডেট করা হয়ে গেলো।

৬)
এবার আপনি যে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (অথবা পার্টিশন) স্ক্যান করতে চান সেটি (অথবা সেগুলো) মাউন্ট করার প্রয়োজন পরবে। মাউন্ট করার জন্য নিচের কমান্ডটি লিখে এন্টার চাপুন

sudo fdisk -l

এই কমান্ডটি আপনার সকল হার্ডডিস্ক ড্রাইভ ও তার পার্টিশন লিস্ট দেখাবে। আপনি যদি FAT32 ফাইল সিস্টেম স্ক্যান করতে চান তাহলে W95 ফাইলসিস্টেম হিসেবে এবং যদি NTFS স্ক্যান করতে চান তাহলে HPFS/NTFS হিসেবে আসবে। এই লিস্টটি নিম্নের লিস্টের মতো হবে অনেকটা

bperry@w00den-gamer:~/Desktop$ sudo fdisk -l
[sudo] password for bperry:

Disk /dev/sda: 500.1 GB, 500107862016 bytes
255 heads, 63 sectors/track, 60801 cylinders
Units = cylinders of 16065 * 512 = 8225280 bytes
Disk identifier: 0x75c23744
Device Boot Start End Blocks Id System

/dev/sda1 * 1 23719 190514835 7 HPFS/NTFS
/dev/sda2 23719 60801 297868173+ f W95 Ext'd (LBA)
/dev/sda5 23719 23981 2103491 82 Linux swap / Solaris
/dev/sda6 * 23981 26591 20972826 83 Linux
/dev/sda7 26592 60801 274791793+ 83 Linux

bperry@w00den-gamer:~/Desktop$ [/quote]

৭)
সাধারনত প্রথম পার্টিশনই স্ক্যান করার প্রয়োজন পরে। তো প্রথমে আমরা আমাদের হোম ডাইরেক্টরিতে একটি নতুন ডাইরেক্টরি তৈরি করবো হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (পার্টিশন) মাউন্ট করার জন্য।

cd ~ mkdir mnt sudo mount -t ntfs-3g /dev/sda1 ./mnt

NTFS এর পরিবর্তে যদি ফাইল সিস্টেমটি FAT32 হয়ে থাকে তাহলে ntfs-3g এর পরিবর্তে লিখুন vfat। যেমন:

sudo mount -t vfat /dev/sda1 ./mnt

৮)
তাহলে স্ক্যানিং এর জন্য প্রস্তুত। কম্পিউটারের কনফিগারেশন হার্ডডিস্ক প্রভৃতির উপর ভিত্তি করে ৩০ মিনিট থেকে শুরু করে ১ ঘন্টার মতো সময় লাগতে পারে।

clamscan -i -r --remove ./mnt

ব্যাস হয়ে গেলো।

(লেখাটি Brandon Perry-এর অনুরোধে লেখা হয়েছে এবং ক্রিয়েটিভ কমনস্ লাইসেন্স CC: by-nc-sa লাইসেন্সে প্রকাশিত)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28840426 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28840426 2008-09-08 19:20:28
তালিকা থেকে কক্সবাজার ও সুন্দরবন আবারও বাদ!! এর দায় কার?
গত এপ্রিল মাসে কক্সবাজার ও সুন্দরবন তালিকা থেকে বাদ গিয়েছিলো তখন আনুষ্ঠানিক সমর্থন কমিটি ছিলো না বলে। এবার বাদ গেছে ভোট কারচুপি ও নিয়ম বহির্ভুতভাবে ভোট দানের আহ্বান জানানো।

নিউ সেভেন ওয়ান্ডার্স ফাউন্ডেশন বলেছে বিভিন্ন ভুয়া সাইট থেকে ভুয়া তথ্যের মাধ্যমে সুন্দরবন ও কক্সবাজারের জন্য ভোট দানের ঘটনা দেখে গেছে। এছাড়া ভোট কারচুপির আহ্বান ফেসবুকের মতো সোস্যাল সাইটগুলোতে জানানো হয়েছে।

এর দায় আসলে কার?? আমরা সবাই এই বিষয় নিয়ে লাফালাফি করেছি, অনেকেই ভুয়া ইমেইল আইডি থেকে একাধিক ভোট দিয়েছি, বিভিন্ন সাইটে সবাইকে অনুরোধ করেছি ভোট কারচুপিতে। অনেকেই ভুয়া সাইট তৈরি করেছেন, অনেকে অনুরোধ করেছেন ভুয়া সাইট তৈরি করার জন্য।

বাংলাদেশের পরিচয়ে আরও একটি কলঙ্কিত অধ্যায় হয়ে থাকবে এই প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্যে ভোট কারচুপির ঘটনা। এবার কেবল নেতানেতৃরা নন এবার দায়ী সকল বাংলাদেশীরা।

(তথ্যসূত্র প্রথম আলো)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28838822 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28838822 2008-09-04 21:58:15
গুগলের নতুন উন্মুক্তসোর্স ব্রাউজার- ক্রোম
দেখে যা মনে হচ্ছে ওপেনসোর্স এই ব্রাউসারের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আরও উন্নত হবে এবং এর ফিচারগুলোর কারনে ব্রাউসার জগতে প্রথমবারের মতো বিশেষ পরিবর্তন আনবে।

ফায়ারফক্স, ভি৮ এবং এ্যাপলের ওয়েবকিট এই ব্রাউসারে ব্যবহার করা হচ্ছে।

ফিচারগুলো দেখা যাক এক নজরে
১) গুগলের ব্ল্যাকলিস্টকে ডিফল্টভাবে এই ব্রাউসারে দেয়া থাকবে। এতে করে যখন কোন ব্যবহারকারী কোন অসুরক্ষিত, ফিসিং সাইট দেখতে চাবেন তখন তাকে সাবধান করা হবে। (এই ফিচারটি ফায়ারফক্স ও ওপেরাতেও রয়েছে)

২) ক্রোম ব্রাউসারে পুরা ব্রাউসারের চেয়ে বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে ট্যাব ব্রাউসিংকে। ফায়ারফক্স, অপেরা, আইই৭-এ পুরা ব্রাউসারকে একটি প্রসেস হিসেবে দেখানো হতো। ব্রাউসারে অনেকগুলো ট্যাব খুলা রাখলে রিসোর্স বেশি লাগে এবং কম্পিউটার ধীর হয়ে যায়। তখন স্বাভাবিকভাবেই ব্যবহারকারী অপ্রয়োজনীয় ট্যাব বন্ধ করে দেন। কিন্তু অনেক সময় রিসোর্স ফ্র্যাগমেন্টেশনের কারনে ট্যাব বন্ধ করা হলেও পুরা রিসোর্স খালি হয় না। তখন ব্রাউসারকে বাধ্য হয়ে নতুন রিসোর্স গ্রহণ করতে হয়। ক্রোমে প্রতিটি ট্যাবকে আলাদা আলাদা প্রসেস দেখানোর ফলে এই সমস্যা নেই (tab process- multiprocessing)। ট্যাব বন্ধ করার সাথে সাথে পুরো প্রসেসটিই বন্ধ হয়ে যাবে। তাছাড়া ক্রোম ব্রাউসারের মধ্যকার টাস্ক ম্যানেজারের (process management utility= task manager) মধ্যেই ক্রোম ব্রাউসারের সকল প্রসেস দেখা যাবে এর ফলে কোন ট্যাব বেশি রিসোর্স নিচ্ছে, কোন ট্যাবে কতখানি ডাটা আদানপ্রদান হচ্ছে তা সহজেই দেখা যাবে এবং ব্যবহারকারী চাইলেই সেই ট্যাবের প্রসেস বন্ধ করে দিতে পারবে।

৩) ট্যাবকে আলাদা প্রসেস হিসেবে গন্য করার পাশাপাশি জাভাস্ক্রিপ্ট ও প্লাগইনগুলোকেও আলাদা প্রসেস হিসেবে গন্য করা হবে। এর ফলে পুরা ব্রাউসার আরও দ্রুত রিকোয়েস্ট হ্যান্ডেল করবে।

৪) আরেকটি নতুন ফিচার হচ্ছে স্যান্ডবক্সিং (sandboxing)। স্যান্ডবক্সিং উইন্ডোজ ভিস্তাতে আইই যে প্রোটেক্টেড মোডে চালানো হচ্ছে অনেকটা সেরকম তবে আরও উন্নত। স্যান্ডবক্সিং-এর মাধ্যমে ব্রাউসারের মধ্যেকার সবকিছু ব্রাউসারের মধ্যেই থাকবে। কোন অপ্রয়োজনীয় টেম্পোরারী ফোল্ডার নেই, নেই কোন ইমেজ ফোল্ডার, কুকির সমস্যা নেই। কোনকিছুই কম্পিউটারে সরাসরি সংরক্ষিত হবে না। এর ফলে মলওয়্যার, কী-লগার, রুটকীটগুলো অচল হয়ে পরবে। অচল হয়ে পড়বে অনিরাপদ স্ক্রিপ্টগুলো। তারচেয়েও বড় কথা প্রতিটি ট্যাব আলাদা প্রসেস হিসেবে গন্য হবার কারনে এক প্রসেস আরেক প্রসেসের সাথে কনফ্লিক্ট করতে পারবে না। এতে এক ট্যাবে কি হচ্ছে তা আরেক ট্যাব থেকে রুটকীট বা মলওয়্যারের মাধ্যমে দেখা যাবে না।

৫) অনেক সময় ব্যবহারকারী কি ব্রাউস করছেন কি দেখছেন তার কোন রেকর্ডই রাখতে চান না। তখন ক্রোম ব্রাউসারের ইনকোগনিটো (Incognito) কাজে আসবে। এই মোডটি অনেকটা সাফারির প্রাইভেট ব্রাউসিং ও আইই৭ এর ইনপ্রাইভেট-এর মতো। এতে ট্যাব বন্ধ করার সাথে সাথে সকল তথ্য মুছে যাবে।

৬) ব্রাউসিং এর সময়ে পপআপ অনেকেরই বিরক্তির কারন। তবে ক্রোম ব্যবহার করলে আর কোন সমস্যাই নেই। ক্রোমে পপ আপ কখনই ট্যাব ছেড়ে বের হবে না। অর্থাৎ যে ট্যাবের পপআপ সেই ট্যাবের মধ্যেই থেকে যাবে তবে ব্যবহারকারী চাইলেই এক ক্লিকে পপআপটিকে আলাদা ট্যাব অথবা উইন্ডোতে খুলতে পারবেন।

৭) ভি৮ (V8) এর মাধ্যমে জাভাস্ক্রিপ্টকে আরও দ্রুত ও এফিসিয়েন্টলি ওপেন করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

৮) ক্রোম ব্রাউসারে এন্ড্রোয়েডের ওয়েবকীট ব্যবহার করে ওয়েবসাইট রেন্ডার করা হবে যা ওয়পবপেজগুলোকে আরও দক্ষভাবে দ্রুততার সাথে লোড করবে।

৯) ক্রোম ব্রাউসারে হোম পেজের বদলে ব্যবহার করা হচ্ছে ওপেরার স্পিড ডায়েল-এর (speed dial) এর মতো নিউ ট্যাব পেজ (NewTabPage) ফিচার। এতে ক্রোম ব্রাউসার খুলার সাথে সাথে যে সাইটগুলোতে ব্যবহারকারী নিয়মিত ব্রাউস করেন সেগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র থাম্বারনেইলের মাধ্যমে দেখা যাবে। সেই একই পেজেই আবার সর্বাধিক সার্চকৃত শব্দের তালিকা থাকবে দ্রুত ব্রাউসের জন্য।

১০) ওপেরা এবং ফায়ারফক্স ৩ এর আরও একটি ফিচারকে আও উন্নত করে তৈরি করা হয়েছে ক্রোমের এড্রেসবার, ওম্নিবক্সকে (omnibox)। এখানে কিছু টাইপ করার সাথে সাথে সম্ভাব্য ওয়েবসাইট তালিকা ও সার্চ রেজাল্ট দেখাবে তবে এটার সুবিধা হচ্ছে কেবল সত্যিকারের ওয়েবসাইট তালিকাই দেখাবে এবং এই তালিকা চোখের সামনে ফ্লিক করবেনা অর্থাৎ কখনই বিরক্তিকর লাগবে না।

এরকম আরও কিছু ফিচার নিয়ে ক্রোম ব্রাউসার আসছে। ক্রোম ব্রাউসার সম্পর্কে আরও বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে এই কমিক স্কেচের মাধ্যমে।

ডাউনলোড করার জন্য যেতে হবে এখানে

তবে ক্রোম প্রাথমিকভাবে কেবল উইন্ডোজের জন্য পাওয়া যাবে, লিনাক্স ও ম্যাক ভার্সন পরে ছাড়া হবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28838070 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28838070 2008-09-03 02:01:01
ক্রিয়েটিভ কমনস্ বিষয়ে কিছু তথ্য.. http://creativecommons.org/

ক্রিয়েটিভ কমনস্-এর মোট কয়টি ও কি কি লাইসেন্স আছে??
মূলত তিনটি এখান থেকে আরও তিনটি লাইসেন্স করা হয়েছে (মোট ছয়টি লাইসেন্স)
Attribution by-nc-nd
Attribution by-nc-sa
Attribution by-nc
Attribution by-nd
Attribution by-sa
Attribution by

Attribution (by) লাইসেন্স
http://creativecommons.org/licenses/by/3.0
এই লাইসেন্সটি সবচেয়ে ফ্লেক্সিবল লাইসেন্স, এখানে আপনি আপনার তৈরিকৃত চিত্র, গান, গল্প, মুভি, আলোকচিত্র সবকিছু আপনারা ওপেনলি শেয়ার করছেন তা যে গ্রহন করছে সে আপনার কাজটি পুনরায় এডিট করছে কি করছে না, কমার্শিয়লি ব্যবহার করছে কি নন-কমার্শিয়ালি ব্যবহার করছে তা বিষয়বস্তু নয়, মূল বিষয় হচ্ছে আপনি যে মূল কর্মটির স্রষ্টা তা সবাইকে জানানো এবং কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা....

ধরুন আমি একটি আমি একটি গল্প লিখলাম "অজানা পথিক" আমি চাই এই লেখাটি সবাই পড়ুক তাহলে আমি যদি Attribution (by) লাইসেন্সে লেখাটি প্রকাশ করি তো আপনি এই গল্পটি ডাউনলোড করতে পারবেন, প্রয়োজনে গল্পের কোন লাইন পরিবর্তন করতে পারবেন, গল্পটি ছাপিয়ে পয়সা কামাতে পারেন আবার গল্পটি আপনার স্কুলের পেপারে ছাপাতে পারেন.... কিন্তু সবক্ষেত্রেই কিন্তু মূল লেখক হিসেবে আমার নাম দিতে হবে অর্থাৎ লেখাটি ছাপা হবে "অজানা পথিক" লেখক: আশাবাদী সম্পাদক: আহমদ মুজতবা।

Attribution Non commercial (by-nc) লাইসেন্স
http://creativecommons.org/licenses/by-nc/3.0/
এই লাইসেন্সের মাধ্যমে আপনার সৃষ্ট কর্মটি যে কেউ ব্যবহার করতে পারবে এমনকি পরিমার্জনও করতে পারবে কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত সে এটা নন-কমার্শিয়লি ব্যবহার করবে এবং স্রষ্টা হিসেবে আপনার নাম দিবে। কমার্শিয়লি ব্যবহার করতে গেলে তাকে অবশ্যই আপনার কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে সেক্ষেত্রে আপনি চাইলে কিছু টাকা রয়ালটি হিসেবে নিতে পারেন।

আমি চাই "অজানা পথিক" লেখাটি সবাই পড়ুক তাহলে আমি যদি Attribution Non-commercial (by-nc) লাইসেন্সে লেখাটি প্রকাশ করি তো আপনি এই গল্পটি ডাউনলোড করতে পারবেন, প্রয়োজনে গল্পের কোন লাইন পরিবর্তন করতে পারবেন, গল্পটি আপনার স্কুলের পেপারে ছাপাতে পারেন....সবক্ষেত্রেই কিন্তু মূল লেখক হিসেবে আমার নাম দিতে হবে অর্থাৎ লেখাটি ছাপা হবে "অজানা পথিক" লেখক: আশাবাদী সম্পাদক: আহমদ মুজতবা। কিন্তু যখনই কোন প্রকাশক আমার লেখা বই আকারে প্রকাশ করে টাকা উপার্জন করতে চাবেন তখন তাকে আমার সাথে যোগাযোগ করে অনুমতি নিতে হবে।

Attribution No-Derivatives (by-nd) লাইসেন্স
http://creativecommons.org/licenses/by-nd/3.0/
এক্ষেত্রে আপনার সৃষ্ট কাজ আমি ডাউনলোড করতে পারব, ওপেনলি শেয়ার করতে পারব, কমার্শিয়লি অথবা নন-কমার্শিয়ালি ব্যবহার করতে পারব যতক্ষন পর্যন্ত আমি মূল স্রষ্টা হিসেবে আপনার নাম দিচ্ছি। কিন্তু এই লাইসেন্সের নীচে আপনার কাজ আপনার অনুমতি ছাড়া কেউ মডিফাই বা পরিমার্জন করতে পারবেনা।

আমি চাই "অজানা পথিক" লেখাটি সবাই পড়ুক তাহলে আমি যদি Attribution No-Derivatives (by-nd) লাইসেন্সে প্রকাশ করি তো আমার লেখা আপনি ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন, বই আকারে ছেপে টাকা উপার্জন করতে পারবেন, অথবা আপনার স্কুলের পেপারে ছাপাতে পারবেন যতক্ষণ পর্যন্ত আমার নাম দেওয়া আছে। কিন্তু এক্ষেত্রে আমার অনুমতি ছাড়া গল্পের কোন লাইন কেউ পরিবর্তন করতে পারবেনা।

Attribution Non commercial No Derivatives (by-nc-nd) লাইসেন্স
Click This Link
আপনার সৃষ্ট কর্ম যেকেউ আপনার নাম প্রকাশ করে ব্যবহার ও শেয়ার করতে পারবে, কিন্তু কোন পরিমার্জন বা মুনাফা লাভ করা যাবেনা

Attribution Non commercial Share Alike (by-nc-sa) লাইসেন্স
Click This Link
এক্ষেত্রে আপনার সৃষ্ট কর্ম আপনার নাম প্রকাশ করে যেকেউ পরিমার্জন বা ব্যবহার বা শেয়ার করতে পারবে কিন্তু তা মুনাফা লাভ করা যাবেনা এবং সেই সাথে পরিমার্জিত সংস্করনও একই লাইসেন্সের নীচে প্রকাশ করতে হবে অর্থাৎ এজন্য Attribution Non commercial Share Alike (by-nc-sa) লাইসেন্স ব্যবহার করতে হবে

Attribution Share Alike (by-sa) লাইসেন্স
http://creativecommons.org/licenses/by-sa/3.0/
এক্ষেত্রে মূল স্রষ্টা যেভাবে যে লাইসেন্সের নীচে মূল কর্ম প্রকাশ করেছে তা ব্যবহার করে সবখানে এই কর্ম ও তার পরিমার্জিত সংস্করন প্রকাশ করতে হবে। এই লাইসেন্সের নীচে প্রকাশিত কর্ম প্রয়োজনে ব্যবহারকারী কমার্শিয়ালি ব্যবহার করতে পারবে। অধিকাংশ ওপেনসোর্স সফটওয়্যার এই লাইসেন্সের নীচে প্রকাশ করা হয়।


যারা এর আইনী প্রয়োগ নিয়ে সন্দিহান তাদের জন্য লিগ্যাল বাইন্ডিংস্ ডকুমেন্ট
Attribution (by)
http://creativecommons.org/licenses/by/3.0/legalcode
Attribution Share Alike (by-sa)
http://creativecommons.org/licenses/by-sa/3.0/legalcode
Attribution No Derivatives (by-nd)
http://creativecommons.org/licenses/by-nd/3.0/legalcode
Attribution Non-commercial (by-nc)
http://creativecommons.org/licenses/by-nc/3.0/legalcode
Attribution Non-commercial Share Alike (by-nc-sa)
Click This Link
Attribution Non-commercial No Derivatives (by-nc-nd)
Click This Link

সবলিংক ক্রিয়েটিভ কমনস্ -এর সৌজন্যে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28836075 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28836075 2008-08-28 21:17:30
ব্যবসায়ীদের জন্য উন্মুক্ত সংস্কৃত
অধিকাংশ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান প্রশ্ন করবেন "আমি আমার প্রস্তুতপ্রণালী, কর্মপদ্ধতি উন্মুক্ত করে দিলে কালকে আরেকজন সেই প্রস্তুতপ্রণালী বা কর্মপদ্ধতি দেখে একই জিনিস তৈরি করবেন। এতে আমি আমার ক্রেতা হারাবো।" আপাত দৃষ্টিতে নতুন প্রতিযোগীর এই হুমকি খুব বড় করে দেখা দিলেও কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে খুব বড় সমস্যা করে না।

এর একটি কারন আধিপত্বমূলক বাজার সম্পর্ক(মনোপলিস্টিক মার্কেট রিলেশন) বা একজন বিক্রেতা সকল ক্রেতার চাহিদা পূরণ করার সময় নিজের মর্জিমত ক্রেতাদের জিম্মি রাখার বিষয়টি এখনকার বিশ্বায়নের যুগে বলতে গেলে নেই। এখন উন্মুক্ত প্রতিযোগীতার বাজার। এখন যেকোন ব্যবসার ক্ষেত্রেই টিকতে হলে আপনাকে দিতে হবে সর্বোত্তম পণ্য ও সেবা। এই সর্বোত্তম পণ্য/সেবা দেবার একটি উপায় হচ্ছে উন্মুক্ত সংস্কৃতির সহায়তা নেয়া।

উন্মুক্ত সংস্কৃতির ক্ষেত্রে কী কী সুবিধা হচ্ছে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য তা একনজরে দেখা যাক..
= সহজে ব্যবহারযোগ্য তথ্য ভান্ডার
= তথ্যানুসন্ধানের জন্য সুবিশাল স্যাম্পল পপুলেশন
= সুদক্ষ অভিজ্ঞ লোকের মতামত সহজে সংগ্রহ
= সম্পদের সদ্ব্যাবহার
= নতুন চিন্তাভাবনা, ধারণা, নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবণ
= দীর্ঘমেয়াদী লাভজনক সম্পর্ক
= অন্য প্রতিযোগীদের সাথে পার্থক্য
= অন্য প্রতিষ্ঠানের সাথে কৌশলগত জোট গঠনে সুবিধা

প্রশ্ন জাগতে পারে কীভাবে এগুলো সম্ভব উন্মুক্ত সংস্কৃতিতে। উন্মুক্ত সংস্কৃতির অগ্রগতির পিছনে মূল জ্বালানী হিসেবে রাখা যায় ইন্টারনেট ও তথ্য প্রযুক্তির অগ্রগতিকে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষকে এক স্থানে আনা সম্ভব হচ্ছে। একারনে যদি কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তাদের ক্রেতা বা পন্য সংক্রান্ত কোন তথ্যের প্রয়োজন হয় তাহলে সহজেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের লোকদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ সম্ভব। আবার একই ভাবে অভিজ্ঞ পরামর্শকদের মতামত/পরামর্শ ইন্টারনেটের সাহায্যে ক্ষেত্রবিশেষে বিনামূল্যে পাওয়া যায়। এই সাধারন ব্যবহারকারী ও অভিজ্ঞদের পরামর্শ মতামতের সহায়তায় অনেক সময় আরও উন্নত পণ্য বা সেবা প্রস্তুত সম্ভব যা দীর্ঘমেয়াদে ব্যবসা ও ব্যবহারকারী সবার জন্য মঙ্গল হবে।

এটা ঠিক যে এই কাজগুলো উন্মুক্ত সংস্কৃতি অনুসরণ করেননা এমন প্রতিষ্ঠানও প্রয়োগ করতে পারেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে বিষয়টিতে সেরকম স্বতস্ফূর্ত সাড়া পাওয়া যাবে না যেরকমটা পাওয়া যায় উন্মুক্ত সংস্কৃতি অনুসরণকারী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে। মানুষ স্বাভাবিকভাবেই এমন প্রজেক্টে অংশগ্রহণ করতে চায় যেখানে তার সময় দেবার বিনিময়ে সে কিছু পাবে। সেটা হতে পারে আর্থিক পুরস্কার অথবা মানসিক প্রশান্তি। মজার বিষয় হলো বড় বড় প্রতিষ্ঠান অর্থ খরচ করে যতো না সাড়া জাগাতে পারে তারচেয়ে বহুগুন বেশি সাড়া জাগানো সম্ভব মানুষের ইতিবাচক মনোভাবের কারনে। ফোরাম, ব্লগ বা সাইটের মাধ্যমে দ্রুত একটি বিষয়ে তথ্য ও খবর ছড়িয়ে পরে, অর্থ খরচ করেও যা অনেক সময় পাওয়া সম্ভব হয় না।

আধুনিক ব্যবসায়ের পথপ্রদর্শকরা বলে থাকেন সকল ব্যবসাই সম্পর্কের আন্তঃজালে গাঁথা। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে ক্রেতা বা সেবাগ্রহণকারীর দীর্ঘমেয়াদী ইতিবাচক সম্পর্কই ব্যবসা প্রসারের অন্যতম শর্ত। এখন উন্মুক্ত সংস্কৃতির মাধ্যমে যখন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ক্রেতা বা সেবাগ্রহণকারীর উপর আস্থা প্রদর্শন করবেন তখন সেই ক্রেতা বা সেবাগ্রহণকারীরাও নিজে থেকেই উক্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের একনিষ্ঠ ব্র্যান্ড লয়াল কাস্টমারে পরিনত হবেন। সেই সাথে তারা ইতিবাচক প্রভাবও ফেলতে চাবেন, সেটা কেবল বার বার পণ্য বা সেবা ক্রয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় কিভাবে পণ্য বা সেবা উন্নত করা যায় সে সম্পর্কেও পরামর্শ মতামত দিবেন।

উন্মুক্ত সংস্কৃতির আরেকটি বৈশিষ্ট্য, উন্মুক্ত মানেই কিন্তু সত্বাধিকার একেবারেই নেই তা নাও হতে পারে। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান প্রস্তুতপ্রণালী থেকে কর্মপরিচালনার সকল খুটিনাটি সবার জন্য উন্মুক্ত করে রাখতে পারেন যাতে অন্যরা প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারে। তবে ব্যবহারের সময়ও অন্যদের উল্লেখ করতে হতে পারে যে তারা অমুক প্রতিষ্ঠানের আদর্শ অনুসরণ করছেন। এর ফলে বাজারে প্রথম প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও প্রতিষ্ঠানের উপর আস্থা বহুগুন বেড়ে যাবে।

বাজারে সুনাম ভালো থাকলে স্বাভাবিকভাবেই অন্যান্য প্রতিষ্ঠান উন্মুক্ত সংস্কৃতির সুবিধা পেতে কৌশলগত বোঝাপড়ায় আসবে। এতে কিন্তু আরও সহজে উন্নত পণ্য ও সেবা প্রস্তুত সম্ভব এবং প্রতিযোগী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের চেয়ে সুবিধাজনক ব্যবসায়িক কর্মকান্ড পরিচালনা সম্ভব।

সার্বিক দিক চিন্তা করলে তাই বলা যায় উন্মুক্ত সংস্কৃতি ব্যবসায়ীদের জন্য ক্ষতির চেয়ে বরং দীর্ঘমেয়াদী লাভ এনে দেয়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28835596 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28835596 2008-08-27 14:41:28
উন্মুক্ত সংস্কৃতি
অনেকক্ষেত্রেই দেখা যায় মুক্তসোর্স বললে মানুষ মুক্তসোর্স সফটওয়্যারের কথা বুঝে থাকেন। তবে মুক্তসোর্স কেবল সফটওয়্যারের ক্ষেত্রেই নয় বরং বিশ্বের প্রতিটি পন্যের সাথে প্রতিটি বিষয়ের সাথে এর সম্পর্ক রয়েছে। উন্মুক্তসোর্স, আরেকটু ভালো করে বললে উন্মুক্ত সংস্কৃতি (free or open culture) আসলে একটি দর্শন, একটি আদর্শ। উন্মুক্তসংস্কৃতি একটি উন্মুক্ত বিশ্বের স্বপ্ন দেখায়।

আমরা ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান আহরন করি। আহরন করতে পারি কারন সেগুলো আহরনের জন্য উন্মুক্ত। কেউ বাধা দিচ্ছে না আমাদের এই জ্ঞান কাজে লাগিয়ে আরও বিকশিত হতে। আমরা শিখি আগুন কিভাবে জ্বলে, আমরা জানি কিভাবে ব্যাটারির মাধ্যমে বিদ্যুৎ ধরে রাখা হয়। এই সবই হয়েছে উন্মুক্ত জ্ঞানের ভান্ডারের জন্য। এই উন্মুক্ত ভান্ডার কাজে লাগিয়ে মানুষ নিজেকে আরও বিকশিত করে নতুন ধ্যান ধারনা জ্ঞানের দ্বার খুলে দেয় এবং তার দ্বারা আবিষ্কার করে নতুন অভিনব প্রযুক্তি।

কিন্তু একটা সময়ে এসে দেখা যায় ব্যবসার খাতিরে কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানে কিছু তথ্য গোপন রাখা হয়। কিসের জন্য 'ক' ব্যাটারি 'খ' ব্যাটারির চেয়ে বেশিদিন টিকে। কি উপাদানের কারনে এই সুবিধা অর্জন সম্ভব হয়েছে। কিসের জন্য ফেরারী গাড়ি টয়োটার চেয়ে দ্রুত ও ভালোভাবে চলছে। এগুলো ট্রেড সিক্রেট বা 'বানিজ্যিক গোপনীয়তা'-র আড়ালে রেখে দেয়া হয়েছে। আবার প্যাটেন্ট বা নিবন্ধনের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হচ্ছে যাতে এই বিশেষ জ্ঞানগুলো যাতে অন্য কেউ ব্যবহার করতে না পারে। এই বিষয়গুলো কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আমাদের মানব জাতির অগ্রগতিকে পিছিয়ে রাখছে।

আমরা যদি আদর্শ পৃথিবীর কথা চিন্তা করি তাহলে কি এতোগুলো কোম্পানি বা ব্র্যান্ডের প্রয়োজন আদৌ আছে কি? একটি কোম্পানি বা ব্র্যান্ড থেকেও কিন্তু সর্বোৎকৃষ্ট সেবা প্রদান সম্ভব। কিভাবে? এখনেই উন্মুক্ত সংস্কৃতি- আদর্শের কথা আসছে।

উন্মুক্ত সংস্কৃতি -উন্মুক্ত জ্ঞান, কিভাবে একটি জিনিস প্রস্তুত হচ্ছে, কিভাবে 'ক' ব্যাটারী 'খ' ব্যাটারীর চেয়ে বেশিদিন টিকছে এগুলোরই উন্মুক্ত জ্ঞান। এই উন্মুক্ত জ্ঞানের মাধ্যমে সর্বোৎকৃষ্ট পন্য উৎপাদন করা সম্ভব। কেবল সেটাই নয়, যা এখনও আবিস্কার হয়নি, যে জ্ঞানের পথ কেউ দেখেনি সেই জ্ঞানের পথও এই উন্মুক্ত সংস্কৃতি দেখাতে পারে। কিভাবে? যতখানি জ্ঞান আছে আবিস্কার আছে কিভাবে প্রস্তুত করা হচ্ছে এটা যদি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে তাহলে বিভিন্ন মানুষ সেই জ্ঞানের চর্চা করতে পারে। উক্ত জ্ঞানের সুবিধা-অসুবিধা দেখতে পারে। পূর্বের উন্মুক্ত জ্ঞানের সাহায্যে পরীক্ষানিরীক্ষা সহজ হবে। অনেকে হয়তো ক্রুটি বের করবে অনেকে সমস্যার সমাধান বের করবে। আবার পুরানো জ্ঞানের উপর ভিত্তি করে নতুন জ্ঞান নতুন প্রযুক্তির আবিস্কার সহজতর হবে।

এখন অনেকেই বলবে জ্ঞান উন্মুক্ত হলেই বা কি সবাই তো আর গবেষক-আবিস্কারক নয় যে নতুন তত্ত্ব নতুন প্রযুক্তি আবিস্কার করে ফেলবে। কথাটা ঠিক যে সবাই গবেষক নন, সবার মাধ্যমে কালজয়ী আবিস্কার হয় না। তবে সব আবিস্কারই কিন্তু গবেষণাগারে গবেষণার মাধ্যমে বের হয়নি। অনেক গুরুত্বপূর্ন জ্ঞান, আবিস্কারের পিছনে ছিলো সাধারন মানুষের সাধারন কার্যকলাপ, সেই জ্ঞান, সেই কালজয়ী আবিস্কারই আমাদের মানব সভ্যতাকে এতো এগিয়ে নিয়ে গেছে। মুক্ত সংস্কৃতির মাধ্যমে নতুন আবিস্কার উন্মুক্ত বলে মূল ব্যবসায়ী জানছে এই নতুন আরও উন্নত প্রযুক্তি বা পদ্ধতির কথা। তখন তারা আরও পারদর্শীতার সাথে পন্য উৎপাদন করতে সক্ষম হবে।

ধরুন আপনার প্রিয় কোমল পানীয়র কথা। কোকাকোলা অথবা পেপসি, অথবা স্প্রাইট অথবা সেভেন-আপ। এই কোমল পানীয়গুলো তৈরির প্রক্রিয়া কিছুটা উন্মুক্ত করে গোপন ফর্মূলা পেটেন্ট করে রেখে দিয়েছে এদের প্রস্তুতকারকেরা। এর সম্পূর্ন বিপরীতে ছিলো উন্মুক্তসোর্স, উন্মুক্ত সংস্কৃতি জগতের অন্যতম উৎকৃষ্ট উদাহরন 'ওপেনকোলা'। 'ওপেনকোলা' প্রস্তুতপ্রণালী উন্মুক্তসোর্স মানে সবার দেখার পড়ার ও জানার অধিকার সমান ছিলো। এই 'ওপেনকোলা' প্রচারণামূলক কর্মকান্ডের অংশ হিসেবে থাকলেও যুক্তরাস্ট্রে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিলো এবং বানিজ্যিকভাবে বেশ সফল হয়েছিলো। তাহলে কে বলে উন্মুক্তসোর্স উন্মুক্তসংস্কৃতি বাণিজ্যিকভাবে অলাভজনক?

তাহলে কি পৃথিবীর বানিজ্য-অর্থ-মুনাফা কতিপয় ক্ষমতাবান ব্যবসায়ীর মুঠোয় থাকবে? সেটাও নয়, জাতীয়ভাবে এই উদ্যোগগুলো নেয়া হতে পারে সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোই নিয়োজিত হবে শ্রেষ্ঠ সেবা প্রদানের কাজে। ব্যবসা বানিজ্য বন্ধ হয়ে যাবার আশংকা প্রতিযোগীতার অনুপস্থিতিতে? তাও ঠিক নয় হয়তো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমে আসবে কিন্তু তারপরও ব্যবসা বানিজ্য টিকে থাকবে, টিকে থাকবে তারাই যারা সর্বশ্রেষ্ঠ প্রযুক্তির পন্য দিচ্ছে। এক্ষেত্রে দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেতে পারে বিভিন্ন জনপ্রিয় লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশনের। লিনাক্সের বিভিন্ন ডিস্ট্রিবিউশন উন্মুক্তসোর্সের হলেও তার পিছনে বিভিন্ন বড় প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা বিশেষায়িত সেবা প্রদান করে থাকে ব্যবহারকারীদের। এজন্য সম্পূর্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মতোই তারা কাজ করেন।

অনেকে আবার ভেবে থাকেন উন্মুক্তসোর্স বা উন্মুক্ত সংস্কৃতির উদ্দেশ্য সবকিছু বিনামূল্যে প্রদান। এই ধারনা কিন্তু ভুল। উন্মুক্ত জ্ঞান অর্থের বিনিময়ে হতে পারে তবে সেটি যতটা না জ্ঞানের জন্য তারচেয়ে বেশি সেবার (service) জন্য। ধরুন আমরা স্কুলে কলেজে জ্ঞান আহরনের জন্য যাচ্ছি। সেখানে জ্ঞান বইপুস্তকের মাধ্যমে উন্মুক্ত হলেও আরও বিস্তারিত বুঝানোর জন্য, শিক্ষকদের সেবার বিনিময়ে আমরা অর্থ প্রদান করছি। তেমনই কোন প্রযুক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার প্রয়োজন হলে আমরা উন্মুক জ্ঞানটি অভিজ্ঞ ব্যক্তির কাছ থেকে মূল্যের বিনিময়ে জানতে পারি।

আচ্ছা এবার নাহয় একটু বানিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে সরে আসি। আমাদের দৈনন্দিন কাজে, সমাজ ও সংস্কৃতির দিক চিন্তা করলে কী পাই। পরিবার, সমাজ, জনপদ গড়ে উঠে কীভাবে ,কতিপয় মানুষের মাঝের উন্মুক্ত ও নিঃশর্ত সম্পর্কের কারনেই তো। এই নিঃশর্ত সম্পর্ক কি উন্মুক্ত সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে না? আপনি আপনার ভাইবোনকে নতুন জিনিস শিখাবেন সেই সাথে শিখাবেন আপনার বন্ধুকে। আপনার বন্ধু শিখাবেন তার ভাইবোন ও অন্য বন্ধুদের এভাবেই নতুন জিনিস অনেক দ্রুত আমাদের সবার মাঝে ছড়িয়ে পরে। আমাদের সংস্কৃতি ঐতিহ্য এভাবেই কিন্তু প্রসার ঘটেছে এবং এভাবেই আমাদের মাঝে থেকে যাবে। নৈতিকতা, শিক্ষা, জ্ঞান, গল্প, গান, ছবি এগুলো সবই প্রসার ঘটে উন্মুক্ত হলে। আমার ভালো লেগেছে একারনে আমি সেটা আরেকজনের সাথে ভাগ করে নিচ্ছি। উন্মুক্ত সংস্কৃতিও একই কথা বলে। একটি ভালো জিনিস তৈরি হয়েছে সেটা কিভাবে তৈরি হয়েছে তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়া।

উন্মুক্ত সংস্কৃতির বৈশিষ্ট্য তাহলে কি?
-যেকোন বিষয়ের জ্ঞান উন্মুক্ত হবে
‌-সেই জ্ঞান প্রয়োজনে যে কেউ আহরন করতে পারবেন
-জ্ঞানটি যে কেউ প্রয়োগ করতে পারবেন
-আরও উন্নত কোন জ্ঞান ধারনা পাওয়া গেলে তা জানানো হবে
-উন্নত জ্ঞান পুনরায় সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28834351 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28834351 2008-08-24 15:47:17
লিনাক্সের পর উইন্ডোজ ইনস্টল
অনেক মানুষই মনে করেন লিনাক্সের পর উইন্ডোজ ইনস্টল দেয়া উচিত না। এতে ডাটা মুছে যায়, হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে যায়, পার্টিশন ভেঙ্গে যায় ইত্যাদি। ব্যাপারটি আসলে সেরকম কিছু না। আপনার লিনাক্সের ডাটা সুরক্ষিত থাকবে (যদি আপনি অন্য পার্টিশন ড্রাইভে ইনস্টল করেন)

আধুনিক অধিকাংশ লিনাক্সই গ্রাব মেন্যু বুটলোডার হিসেবে ব্যবহার করে। গ্রাব মেন্যু এমন স্থান যা master boot record (mbr)-এ লিনাক্স পার্টিশন ও উইন্ডোজ পার্টিশন চিহ্নিত করে। এবং বুট হবার সময় আপনি লিনাক্সে বুট করবেন নাকি উইন্ডোজে বুট করবেন সেই অপশন দেয়।

এখন লিনাক্সের পর উইন্ডোজ ইনস্টল করলে সমস্যা হয় mbr থেকে গ্রাব মেন্যু ডাটা কিছু মুছে যায় সেই সাথে উইন্ডোজ লিনাক্স পার্টিশনকে চিনতে পারে না বলে অন্য কোন অপারেটিং সিস্টেম যে আছে তা উইন্ডোজ জানে না। তাই লিনাক্সে বুট করার কোন উপায় থাকে না। এই সময় ঘাবড়াবার কিছু নেই আপনার লিনাক্স পার্টিশন আগের অবস্থানেই আছে। কেবল গ্রাব মেন্যু নতুন করে আপডেট করলেই হবে।

গ্রাব মেন্যু আপডেট করার জন্য আপনার লিনাক্সের ইনস্টলেশন (লাইভ সিডি) দিয়ে বুট করুন। এবার টার্মিনাল খুলুন নীচের কমান্ডটি দিয়ে এন্টার চাপুন।
sudo update-grub

সিস্টেম রিস্টার্ট দিন আপনার গ্রাব ঠিক থাকলে লিনাক্স পার্টিশন পেয়ে যাবে নিজে নিজে আর না পেলেও ঘাবড়াবার কিছু নেই, ম্যানুয়ালী সেট করা সম্ভব।

ম্যানুয়ালী সেট করার জন্য আবারও লাইভ সিডি থেকে বুট করুন। টার্মিনালে গিয়ে লিখুন
sudo grub

find /boot/grub/stage1

এতে আপনার লিনাক্স রুট পার্টিশন ডাটা প্রদর্শন করবে। জিনিসটা থাকবে
(hd0,*)

এখানে hd0 আপনার হার্ডডিস্ক নং এবং * আপনার রুট পার্টিশন নং অর্থাৎ কোন হার্ডডিস্কের কোন পার্টিশনে লিনাক্স রুট ইনস্টল করা আছে।
(*) ১,২,৩,৪,৫ যে কোন সংখ্যা হতে পারে।

এবার রুট ইনফর্মেশন পাবার পর নীচের কমান্ডগুলো একে একে দিন।

grub> root (hd0,*)


grub> setup (hd0)


grub> quit

সিস্টেম রিস্টার্ট করুন গ্রাব চলে এসেছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28829852 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28829852 2008-08-11 22:04:04
লিনাক্স প্রসারের জন্য ওয়ার্কপ্ল্যান কিরকম হতে পারে। লেখাটি স্বাভাবিকভাবে অনেক বড় হবে। তাই ধারাবাহিকভাবে আপডেট হবে।)


আগে যেরকম বলেছি দোকানের মাধ্যমে লিনাক্স নিয়ে ব্যবসা করা গেলেও প্রচার ও প্রসার সম্ভব না।

অনেকে মাইক্রোসফটের প্রচারের সাথে গুলায় মনে করেন যে লিনাক্সও যদি দোকানে দোকানে পাওয়া যেতো বা কম্পিউটারের সাথে ডিফল্ট আসতো মানুষ লিনাক্স ব্যবহার করতো।

এখানে কিছু বিষয় হলো,
১) মাইক্রোসফট চালু হয়েছে ৭৫ এ উইন্ডোজ এসেছে ৮৫ এ। উইন্ডোজ যাত্রা শুরু করেছিলো প্রায় খোলা মাঠে। তখন তাকে মার্কেট পেতে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি।

২) ইউনিক্স জিএনইউ প্রজেক্ট ৮৩/৮৪ সালে শুরু হলেও লিনাক্স কার্নেল প্রথম আসে ৯১ সালে। এরই মধ্যে মাইক্রোসফট পার্সোনাল কম্পিউটারের মার্কেটের অনেক অংশই নিয়ে নিয়েছিলো।

৩) উইন্ডোজ গ্রাফিক্যালি চলা শুরু করলেও লিনাক্স গ্রাফিক্যালি চলতে আরও কিছুদিন সময় নেয়। এরই মাঝে উইন্ডোজ পুরো মার্কেট নিয়ে নিয়েছে।

৪) উইন্ডোজ বরাবরই একটা প্রডাক্ট ছিলো। যখনই ডেভেলপমেন্ট ও মার্কেটিং স্ট্রাটেজি তৈরি করতে হয়েছে তখনই একটা প্রোডাক্ট নিয়ে চিন্তা করতে হয়েছে। যেখানে লিনাক্সের মধ্যে অসংখ্য ডিস্ট্রো রয়েছে। এক্ষেত্রে চাহিদা ও পছন্দও (needs & preferences) অসংখ্য। এজন্য কোন সুনির্দিষ্ট স্ট্রাটেজি কাজে আসবে না।

৫) সাধারন মানুষ ক্লোস‍্ড সোর্স, মুক্ত সোর্স আন্দোলনের কচকচানী বুঝবে না বেশি। তার কাছে যে জিনিস ব্যবহার করে সুবিধা সেটা বেশি ব্যবহার করবে।

এবার তাহলে বুঝা যাচ্ছে যে উইন্ডোজের সাথে লড়াই করার কথা বাদ দিতে হবে। উইন্ডোজের সাথে আমাদের কোন সমস্যা নেই। সমস্যা পাইরেসীর সাথে।


তাহলে এবার আমাদের কি কি করনীয় হতে পারে সেটা একটু আলোচনা করি।
১) দোকানে সাপ্লাই দেয়ার পরিবর্তে আমরা নিজেদের মধ্যে নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারি। নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা মানে ধরুন আপনার শহরের বিভিন্ন স্থানে অনেকেই লিনাক্স ব্যবহার করছেন। তারা যদি একটু সময় ও শ্রম দিতেন তাহলে এই প্রজেক্ট সফল হবে।
ক) সবার আগে দরকার হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট জায়গা। যেখানে সপ্তাহে একবার হলেও লিনাক্স অনুরাগীরা একত্রিত হবে তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও বিভিন্ন চিন্তাভাবনা নিয়ে কথা বলবে।

খ) এই জায়গায় অবশ্যই কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সংযোগ থাকবে। এতে করে অন্যরা আসলে তাদেরকে হাতে কলমে ব্যবহার করে দেখানো যাবে।

গ) যেহেতু মানুষের চাহিদা ভিন্ন সে ব্যাপারে কোন ডিস্ট্রো ব্যবহার সুবিধাজনক হবে সেক্ষেত্রে দোকানদার যেভাবে পরামর্শ দিতে পারবে তারচেয়ে ভালো পরামর্শ দিতে পারবে লিনাক্স ব্যবহারকারীরা নিজেই। তাই যখন লিনাক্স ব্যবহারে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা যাবে লিনাক্সের ডিস্ট্রো সংগ্রহ করতে তখন উক্ত স্থানে অবস্থিত লিনাক্স অনুরাগীরা তাদের অভিজ্ঞতার আলোকে পরামর্শ দিতে পারবেন। সেই সাথে ডেমন্সট্রেশনও দেখাতে পারবেন।

ঘ) জায়গা যদি বিনামূল্যে পাওয়া যায় তাহলে খরচ কম পরবে।

ঙ) প্রতিটা সেন্টারের জন্য অভিজ্ঞ ভলান্টিয়ার লাগবে যারা নিঃস্বার্থে কাজ করতে আগ্রহী হবেন।

ছ) এটা আমাদেরও মাথায় এসেছে যে পাশাপাশি এলাকায় দিলে সুবিধা হবে না বেশি। এজন্য জোনে বিভক্ত করেই আমরা কাজ করবো।

২) অনলাইন এবং অফলাইন প্রচার কাজে দিবে। পজিটিভ ওয়ার্ড অব মাউথের মাধ্যমে।

৩) আমরা একটা সাইট খুলতে পারি। যেখানে তথ্য থাকবে কবে কোন সেন্টার খুলা থাকবে। কোন ডিস্ট্রো এভেইলেবল আছে।

৪) যারা লিনাক্স ব্যবহার করতে চান তারা কোন সেন্টারে কোন ডিস্ট্রো কালেক্ট করবেন এটা নির্বাচন করে রিকোয়েস্ট করতে পারবেন।

৫) সহজলভ্য নয় এমন ডিস্ট্রো পূর্বে রিকোয়েস্ট করে নির্দিষ্ট সময় পর যোগাযোগ করে নিয়ে যেতে পারবেন।

৬) কেবল ডিস্ট্রোই নয়, সেন্টারগুলোতে অন্যান্য মার্কেন্ডাইজও পাওয়া যাবে। যেমন কোন আর্টিকেল কোন লেখক প্রিন্ট আকারে বিক্রি করতে চাইলে তা সেন্টারে পাওয়া যাবে। সেই সাথে টিশার্ট বা ক্যাপ পাওয়া যেতে পারে। (ভালো মানের)

৭) লিনাক্সের ডিস্ট্রোর দাম খুব বেশি হলে সিডি ২০ টাকা ও ডিভিডি ৪০ টাকা রাখা যেতে পারে। কারন এখানে লেভেলিং ও দোকানের খরচ নেই। নেই ট্রান্সপোর্টেশন কস্ট। (তবে খরচ যে একেবারেই নেই তা কিন্তু না)

৮) সেন্টারগুলো যে বাসাতেই হবে তা নয়। আমরা ইতিমধ্যে ঢাকার ৫টি স্থানে কথা বলেছি তারা তাদের অফিসেই স্থান দিবে আমাদের। আমাদের সেন্টার করার জন্য একটি রুম তিনটি টেবিল একটি কম্পিউটারের বেশি কিছুই লাগবে না।

৯) সেন্টার কোন বিনোদন স্থান হবে না বা চটক দেখিয়ে লোক টানার বিষয় হবে না। আপনি হয়তো কুল ডেকোরেশন পশ সিটিং এরেঞ্জমেন্ট চান কিন্তু সত্যিকারের লিনাক্স অনুরাগীরা সেগুলো দেখেননা। আর আমাদের বাংলাদেশীদের মাঝে এতো খুতখুতানি নেই যে এসি রুম বা ডেকোরেশন না হলে খুবই খারাপ অবস্থা হবে। আর তাছাড়া আপনি যখন জানতেই চাচ্ছেন তখন বলি ডেকরেশনের ব্যবস্থার অর্ধেক যারা আমাদের স্থান দিচ্ছেন তারাই দিবেন। এব্যাপারে নিশ্চিত থাকবেন।

১০) যে সত্যিকারের অনুরাগী হবেন তিনি যে কোন অবস্থায় লিনাক্সের ডিস্ট্রো নিবেন তা সেটা প্লাস্টিকে মুড়ানো হোক কি ল্যাভেলিং করেই হোক। তিনি যা মূল্য দিবেন তার উপর নির্ভর করে সবকিছু নির্ভর করবে। আমরা নিশ্চয়ই আমাদের সাধ্যের বাইরে গিয়ে কাজ করবো না। আর এই বিষয়টা যারা নিতে আসবেন তারাও বুঝবেন।

১১) মার্কেন্ডাইজ আমরা নিজেরাই দিচ্ছি। রাসেল ভাই, এঞ্জেল, ফয়সাল ভাই এনারাসহ আরও অনেকেই ডোনেশন করবেন। আশা করি আমরা যদি আমাদের প্রযুক্তি ফোরামের সদস্যদের কাছ থেকে ডোনেশন চাই ইনভেস্টমেন্ট মানি যা আমরা ফিরিয়ে দিবো তাহলে অনেকেই লিনাক্সের প্রসারের জন্য ডোনেট করবেন। আপনিও তো নিশ্চয়ই করবেন করবেন না <img src=" style="border:0;" />

১২) হুমম প্রচার ও প্রসারের পর যদি সেরকম চাপও পরে তাহলে আমরা সেন্টার বাড়াতে পারি। তাছাড়া লিনাক্স ব্যবহারকারী বাড়লে স্বেচ্ছাসেবক বাড়বে না এমন ধারনা অমূলক পুরা। আমরা আশাবাদী লিনাক্সের প্রচারের সাথে সাথে স্বেচ্ছাসেবকও বাড়বে।

সেন্টারগুলো কেবল লিনাক্স ডিস্ট্রো সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হবে নাকি সার্ভিস সেন্টার (লিনাক্স হেল্পলাইন) হবে নাকি মার্কেন্ডাইজ শপ হবে না কি হবে তা এখনও সম্পূর্ন চক্ড আউট না। কারন বাস্তবতা সবসময় প্রেডিক্ট করা সম্ভব না। আপাতত আমরা এটাকে সরবরাহের উপায় হিসেবেই দেখছি। যদি ভবিষ্যতে সম্ভব হয় তাহলে আমরা আরও বিস্তার করবো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28821043 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28821043 2008-07-16 20:42:55
লিনাক্স: প্রশ্ন উত্তর
প্রশ্ন:
শুনেছি লিনাক্স নাকি টেক্সট কমান্ড বেসড্??

উত্তর:
সব ওপারেটিং সিস্টেমই কমান্ডের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। তবে ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্যই গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস আনা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে লিনাক্স ডিস্ট্রো টেক্সট কমান্ড বেস্ড ছিলো। তবে তাও সেই ৯০ এর দশকে।

এখন অধিকাংশ লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমই গ্রাফিক্যাল বেসড হয়ে গেছে। এখন x-server-কে মাধ্যম (medium) করে লিনাক্স ডিস্ট্রো গ্রাফিক্যাল ইউসার ইন্টারফেস দিচ্ছে।

বর্তমানে মূলত তিন ধরনের ডেস্কটপ এনভারমেন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে লিনাক্স ডিস্ট্রোগুলোতে। নোম (যদিও লেখা হয় gnome) , কেডিই এবং এক্সএফসিই। তবে এগুলো ছাড়াও এনলাইটমেন্ট, ওয়ার্কবেঞ্চ, এক্সফাস্ট কয়েকটি লিনাক্স ডিস্ট্রোতে ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্ন:
লিনাক্স ডিস্ট্রো কমান্ড লিখে কাজ করতে হয়।

উত্তর:
প্রায় সব কাজই গ্রাফিক্যালই করা সম্ভব। তবে অধিকাংশ লিনাক্স ব্যবহারকারীরা কমান্ডের মাধ্যমে কাজ করা পছন্দ করেন কারন একটি লাইনের মাধ্যমে দশ বারোটি ক্লিকের কাজ করা যায়। এতে সময় ও শ্রম বাঁচে

যেমন উবুন্টু সিস্টেম গ্রাফিক্যালি ম্যানুয়ালি আপডেট/আপগ্রেড করতে চাইলে আপনাকে ৫ টি ক্লিক করতে হচ্ছে যেখানে একটি কমান্ড লাইনে হয়ে যাচ্ছে

sudo apt-get update && sudo apt-get upgrade

প্রশ্ন:
লিনাক্স ডিস্ট্রো খুবই কঠিন

উত্তর:
মোটেও না। লিনাক্স ডিস্ট্রো আর যে কোন অপারেটিং সিস্টেমের মতো ব্যবহারকারীদের পছন্দ, অভ্যাস ও জ্ঞানের উপর নির্ভর করবে। যারা উইন্ডোজ বা ম্যাকে দীর্ঘদিন অভ্যস্থ তাদের জন্য প্রথম প্রথম সমস্যা হলেও পরবর্তীতে ঠিক হয়ে যাবে।

প্রশ্ন:
লিনাক্স ডিস্ট্রোর জন্য হাইএন্ড কম্পিউটার সিস্টেম লাগে।

উত্তর:
বরং উল্টো। লিনাক্স ডিস্ট্রো রিসোর্স খায় কম। তাই পুরানো সিস্টেমেও আরামে চালানো সম্ভব। এমনকি সেলেরন প্রসেসরের ১২৮ মেগা র‍্যাম নিয়েও দৌড়াবে লিনাক্স সিস্টেম

প্রশ্ন:
লিনাক্স ডিস্ট্রো ব্যবহার বান্ধব নয়।

উত্তর:
অনেক লিনাক্স ডিস্ট্রোই ব্যবহার বান্ধব। যেমন উবুন্টু ইতিমধ্যে বেশ শুনাম করেছে ব্যবহারবান্ধব লিনাক্স ডিস্ট্রো হিসেবে। বর্তমানে প্রায় অধিকাংশ নতুন ব্যবহারকারীরাই উবুন্টু ব্যবহার করেন কারন ব্যবহারবান্ধব ও সহজ বলে।

প্রশ্ন:
লিনাক্স সিস্টেম এডভান্সড ব্যবহারকারীদের জন্য

উত্তর:
লিনাক্স ডিস্ট্রো সকল ধরনের ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়। সাধারন ব্যবহারকারীরাও অনায়াসে লিনাক্স ইনস্টল করে ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য এডভান্সড কোন জ্ঞানের প্রয়োজন হয়না। প্রয়োজন কেবল এনভায়ার্মেন্ট সম্পর্কে ধারনা এবং ভিন্ন এনভায়ার্মেন্টে অভ্যস্থ হতে পারা। ব্যবহারকারীদের সকল চাহিদা মেটানোর জন্য লক্ষাধিক লিনাক্স ডিস্ট্রো আছে।

প্রশ্ন:
লিনাক্সের গুনগত মান খারাপ।

উত্তর:
লিনাক্সের গুনগত মান মোটেও খারাপ নয়। বরং এটি অনেক উন্নত সিস্টেম। ক্লোজড সোর্স অপারেটিং সিস্টেম হাতে গোনা কয়েকজন ডেভেলপার দেখতে পারেন এবং ঠিক করতে পারেন। এজন্য কোন বাগ থাকলে তা সবাই যেমন দেখতে পারবেন না তেমনই ঠিকও করতে পারবেন না। আবার সব ডেভেলপার সবকিছুর সমাধান দিতে পারেন না। এজন্য ক্লোজড সোর্সে সিস্টেমে সমস্যা থেকে যেতেই পারে।

অন্যদিকে লিনাক্স সিস্টেম মুক্তসোর্স হবার কারনে পৃথিবীর যেকোন প্রান্ত থেকে যে কেউ সোর্সকোড পড়তে পারে। এবং কোথাও কোন বাগ থাকলে তা রিপোর্ট করতে পারে অথবা ঠিক করে ইন্টারনেটে ছাড়তে পারে সমাধান। এছাড়া হাজার হাজার ডেভেলপার কাজ করেন বলে একজনের কাজের ভুল শুদ্ধ করে দিতে পারেন। এবং দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে পারেন। যেমন এখন অনেক লিনাক্স ডিস্ট্রোই ছয় মাস থেকে এক বছরের মাথায় নতুন ভার্সন রিলিজ করে। উন্নতি বেশ দ্রুত ঘটে।

আর লিনাক্সের সোর্স কোড মুক্ত বলেই ব্যবহারকারী প্রয়োজনে তার কাজের সুবিধার্থে যেকোন ভাবে সিস্টেমকে তৈরি করে নিতে পারেন। তাই গুনগত মান বেশ ভালোই বলে সবাই মেনে নেয়।

প্রশ্ন:
লিনাক্সে বলে হার্ডওয়্যার সাপোর্ট পাওয়া যায় না

উত্তর:
লিনাক্স ডিস্ট্রোতে অনেক ডেভেলপার কাজ করছেন এবং সেই সাথে প্রতি ছয় থেকে এক বছর অন্তর অন্তর নতুন ভার্সন বের হচ্ছে বলে লিনাক্সে হার্ডওয়্যার সাপোর্ট অনেক ভালো। তবে কিছু কিছু প্রোডাক্টের ড্রাইভার সোর্সকোড মুক্ত না হওয়ায় অন্য ডেভেলপারদেরকে ড্রাইভার বানাতে হয়। এক্ষেত্রে কিছুটা সময় লেগে যায়। তবে বর্তমানে সাপোর্ট করা হার্ডওয়্যারের সংখ্যা প্রচুর। বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত এমন সিস্টেমের হার্ডওয়্যার সাপোর্ট সহজে পাওয়া যায়।

প্রশ্ন:
লিনাক্সে কোন সমস্যা হলে সমাধান করা নাকি খুবই কঠিন

উত্তর
লিনাক্স ডিস্ট্রো সবাই ব্যবহার করেন না। আবার একই লিনাক্স ডিস্ট্রো সবাই ব্যবহার করেন এমনও না। তাই উইন্ডোজে যেরকম সমস্যা হলে যে কারও কাছে জিজ্ঞাসা করলে যেক্ষেত্রে সমাধান পাওয়া যায় লিনাক্সের ক্ষেত্রে সেরকম নয়। লিনাক্সে সমস্যা হলে নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে প্রশ্ন করা লাগে। এজন্য অনেকেই বলে থাকেন লিনাক্সে সমস্যা হলে সমাধান করা খুবই কঠিন। অনেক ক্ষেত্রে সমাধান পাওয়া কঠিন হলেও সমাধান করা মোটেও কঠিন নয়।

প্রশ্ন:
লিনাক্সে কি উইন্ডোজ পার্টিশন দেখা যায়

উত্তর:
এখন প্রায় সব লিনাক্স ডিস্টোতেই ডিফল্ট হিসেবে উইন্ডোজ পার্টিশনগুলো দেখা যায় এবং ডাটা আদানপ্রদানও করা যায় নিরাপদে।

প্রশ্ন:
উইন্ডোজে কি লিনাক্স পার্টিশন দেখা যায়

উত্তর:
ডিফল্ট হিসেবে উইন্ডোজে লিনাক্স পার্টিশন দেখা যায় না। তবে উইন্ডোজে অতিরিক্ত ড্রাইভার অথবা এপ্লিকেশন ইনস্টল করে দেখা যায়।

প্রশ্ন:
উইন্ডোজ ও লিনাক্স কি ডুয়েল বুট করা যায়

উত্তর:
একসাথে একাধিক অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা সম্ভব। উইন্ডোজ ও লিনাক্স অবশ্যই পাশাপাশি ডুয়েল বুট করা সম্ভব।

প্রশ্ন:
লিনাক্সের জন্য ভালো মানের এপ্লিকেশন নেই

উত্তর:
এটাও বরং উল্টা হবে। কারন হাজার হাজার ডেভেলপার মুক্তসোর্স এপ্লিকেশন তৈরি করছেন। এগুলোর গুনগত মান যেমন উন্নত তেমনই ব্যবহারবান্ধব। ফায়ারফক্স, গিম্প, অপেনঅফিস.অর্গ, জিএনইউ ক্যাশ ইত্যাদির কথাই ধরুন না কেন এগুলোর গুনগত মান অত্যন্ত উন্নত।

প্রশ্ন:
উইন্ডোজের এপ্লিকেশন কি চালানো সম্ভব লিনাক্সে

উত্তর:
ডিফল্ট হিসেবে লিনাক্সে সরাসরি উইন্ডোজের এপ্লিকেশন চালানো সম্ভব না। তবে wine -এর মাধ্যমে বেশ কয়েকটি উইন্ডোজের এপ্লিকেশন লিনাক্সে চালানো সম্ভব। এছাড়াও ভার্চুয়্যাল বক্স তো রয়েছেই। তাছাড়া উইন্ডোজের এপ্লিকেশনের বিপরীতে বিকল্প এপ্লিকেশন লিনাক্সে রয়েছে বেশ কয়েকটি।

প্রশ্ন:
লিনাক্সের কোন ডিস্ট্রো ভালো

উত্তর:
এই প্রশ্নের উত্তর আসলে ব্যবহারকারীর চাহিদার উপর নির্ভর করে। সাধারন দৈনন্দিন কাজের জন্য যে কোন ডিস্ট্রোই সমান কাজ দিবে। তবে বিশেষ কাজের জন্য বিশেষ ডিস্ট্রো লাগবে।
উবুন্টু, ওপেনসুস্যে, ফেডোরা, ম্যানড্রিভা র‍্যাডহ্যাট এগুলোই মানুষকে বেশি ব্যবহার করতে দেখা যায়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28819244 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28819244 2008-07-11 21:01:56
লিনাক্স বিষয়ক সাধারন প্রশ্নগুলো এখানে করুন
আমি এবং অন্যান্য অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা সেসকল প্রশ্নের সঠিক জবাব দেবার চেষ্টা করবেন।

(কোন বিশেষ বা স্পেসিফিক প্রশ্ন থাকলে ডিস্ট্রো এবং ডিস্ট্রোর ভার্সন জানান। তাহলে উত্তরদাতার সুবিধা হবে।)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28819175 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28819175 2008-07-11 16:16:08
উবুন্টু বনাম উইন্ডোজ - কেন লিনাক্স ব্যবহার করবেন?
১। নিরাপত্তা: লিনাক্সের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উইন্ডোজের চেয়ে অনেক উন্নত এবং নিশ্ছিদ্র। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে এন্টিভাইরাস এবং ফায়ারওয়াল ইন্সটল করা না থাকলে ভাইরাস/হ্যাকারের আক্রমণ প্রায় নিশ্চিত। কিন্তু লিনাক্সের সিস্টেম কার্নেল ভাইরাস এবং হ্যাকারদের আক্রমণ থেকে পুরোপুরি মুক্ত। কাজেই কোন ধরণের সিকিউরিটি সফ্টওয়্যার(এন্টিভাইরাস/ফায়ারওয়াল ইত্যাদি) ছাড়াই নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন উবুন্টু লিনাক্স।

২। স্বয়ংসম্পূর্ণ: অনেকেই মনে করেন উইন্ডোজ লিনাক্সের চেয়ে অধিক স্বয়ংসম্পূর্ণ, কিন্তু এ ধারণা পুরোপুরি ভুল। উইন্ডোজের কোন সিস্টেম ফাইল মুছে গেলে বা ভাইরাসের আক্রমণে সিস্টেম কার্ণেলের কোন অংশের ক্ষতি হলে উইন্ডোজ নিজে থেকে ঠিক করতে পারে না, ব্যবহারকারীকে ট্রাবলশুট করে ঠিক করতে হয়। আর পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা ছাড়া উইন্ডোজের অনেক ত্রুটি ঠিক করা সম্ভব নয়। ফলে একমাত্র সমাধান- উইন্ডোজ রি-ইন্সটল। এছাড়াও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর এনটিএফএস ফাইল সিস্টেমের ক্ষতি হলেও উইন্ডোজ অনেক সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে autochk কমান্ড ব্যবহার করে না। এর ফলে প্রয়োজনীয় ফাইল ও ডকুমেন্ট সবসময় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থেকে যায়।
অপরদিকে উবুন্টু লিনাক্সে কোন সমস্যা সৃষ্টি হওয়া প্রায় অসম্ভব। কোন কারণে সমস্যা হলেও উবুন্টুর বুট মেনু থেকে রিকভারি মোড চালু করলে উবুন্টু নিজে থেকে সম্ভাব্য সবধরণের সমস্যা খতিয়ে দেখে এবং নিজে থেকেই সবকিছু ঠিক করে নেয়, ব্যবহারকারীকে কিছুই করতে হয় না। ফাইল সিস্টেমের সমস্যা হলে উবুন্টু সেটিও ঠিক করে নেয়।
এছাড়াও উইন্ডোজে সব ধরণের হার্ডওয়্যারের ড্রাইভার ডিফল্ট দেয়া থাকে না... খুঁজে নিয়ে ইন্সটল করতে হয়। আর লিনাক্সে বহু ড্রাইভার ডিফল্টভাবেই দেয়া থাকে।

৩। ব্যবহারবান্ধব: উবুন্টু লিনাক্স উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের চাইতে অনেক সহজ এবং ব্যবহারবান্ধব। উবুন্টুতে সব কাজের জন্য আলাদা-আলাদা বিভাগে বিভক্ত করা সফ্টওয়্যার ইন্টারনেটে রিপোজিটরিতে জমা থাকে এবং উবুন্টুর এ্যাপ্লিকেশন ম্যানেজার ব্যবহার করে ব্যবহারকারী পছন্দমত সফ্টওয়্যার ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিতে পারেন। স্ক্রিণশট দেখুন...
ছবি
চিত্র: উবুন্টু এ্যপ্লিকেশন ম্যানেজার

উবুন্টুর সফ্টওয়্যারগুলো ইন্সটল করতে কোন ধরণের প্রোগ্রামিং দক্ষতার প্রয়োজন নেই।

উবুন্টুর ডেস্কটপ উইন্ডোজের চাইতেও অনেক কার্যকরী, সহজে পরিবর্তনযোগ্য(Customizable) এবং ব্যবহারবান্ধব। উইন্ডোজের টাস্কবারের বিকল্প হিসাবে উবুন্টুতে আছে প্যানেল নামে উইন্ডোজ টাস্কবারের চাইতেও অধিক ক্ষমতাসমন্ন ডেস্কটপ বার। এগুলোতে আপনি ইচ্ছামত সফ্টওয়্যারের শর্টকাট তৈরি করে নিতে পারেন, বিভিন্ন এ্যাপলেটের সাহায্যে ডেস্টপকে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন, আর সেই সাথে উইন্ডোজ টাস্কবারের মত উইন্ডো লিস্ট এবং নোটিফিকেশন এড়িয়া তো থাকছেই!


ডেস্কটপ যে এমনই হতে হবে এরকম কোন বাধ্যবাধকতা নেই। এটা আমার নিজের ডেস্কটপ... উবুন্টুতে ডিফল্টভাবেও এরকম দেয়া থাকে না। আপনি পছন্দমত ডেস্কটপে বিভিন্ন আইকন, এ্যাপলেট, নোটিফিকেশন এড়িয়া সংযোগ/অপসারণ করতে পারবেন। নিচের ছবিটি দেখলে এ সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাবেন...

এছাড়াও উবুন্টুতে একই সাথে দুটি ডেস্কটপ/ওয়ার্কস্পেস ব্যবহার করতে পারবেন।

৪। দ্রুততা: কিছু ত্রুটির কারণে উইন্ডোজ ধীরে ধীরে মন্থর হয়ে পরে। এ ত্রুটিগুলোর মধ্যে হার্ড ডিস্কের এলোমেলো ফাইলসজ্জা(ফ্র্যাগমেন্টেশন), রেজিস্ট্রির অব্যবহৃত অংশ(Obsolete Registry Entries) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও বিভিন্ন ভাইরাস ও স্পাইওয়্যারের আক্রমণের কারণেও উইন্ডোজের গতি হ্রাস পায়।
অপরদিকে লিনাক্সের ext3 ফাইল সিস্টেমে বিশেষ পদ্ধতেতে ফাইলগুলো সজ্জিত করে... ফলে ফ্র্যাগমেন্টেশনের কোন সম্ভাবনা নেই। আর উবুন্টু উইন্ডোজের মত অব্যবহৃত রেজিস্ট্রি এন্ট্রি জমা করে রাখে না। উবুন্টুতে ভাইরাস/স্পাইওয়্যার কোনটিই আক্রমণ করতে পারে না। ফলে বহুদিন ব্যবহারের পরও উবুন্টুর স্বাভাবিক গতি ও কর্মক্ষমতা বজায় থাকে। যেখানে উইন্ডোজ ধীরে ধীরে মন্থর হয়ে পরে।

৫। গ্রাফিক্যাল ইফেক্ট: উবুন্টু লিনাক্সে রয়েছে অসাধারণ কম্পিজ ফিউশন ইফেক্ট। যার দ্বারা দৃষ্টিনন্দন উইন্ডো এনিমেশনের পাশাপাশি অত্যন্ত কার্যকরী কিছু ইফেক্ট পাওয়া যায়। এর মধ্যে ট্যাব গ্রুপিং, উইন্ডো ট্রান্সপারেন্সি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। ট্যাব গ্রুপিং এর সাহায্যে আপনি কয়েকটি উইন্ডোকে ট্যাব আকারে একত্র করে রাখতে পারবেন এবং উইন্ডো ট্রান্সপারেন্সি ইফেক্টের সাহায্যে যেকোন উইন্ডোকে স্বচ্ছ(ট্রান্সপারেন্ট) করে ফেলতে পারবেন। এগুলো ছাড়াও আরও বহু ইফেক্ট ডিফল্টভাবে দেয়া আছে এবং প্রতিদিন নিত্যনতুন ইফেক্ট ইন্টারনেটে বিনামূল্যে ডাউনলোডের জন্য দেয়া হচ্ছে।
অপরদিকে উইন্ডোজের নতুন সংস্করণ উইন্ডোজ ভিস্তাতে কিছু গ্রাফিক্যাল ইফেক্ট আনা হলেও সেগুলোর বেশিরভাগই কোন কাজের নয়। এছাড়াও ভিস্তার ইফেক্টগুলো সক্রিয় রাখলে প্রচুর সিস্টেম রিসোর্স(Ram, প্রসেসর) ব্যবহার করে যেখানে উবুন্টুর ইফেক্টগুলো সক্রিয় রাখলেও উইন্ডোজ এক্সপির চাইতেও অনেক কম সিস্টেম রিসোর্স ব্যবহার করে।

৬। সকল কাজের জন্য পর্যাপ্ত সফ্টওয়্যার: উবুন্টুতে সকল কাজের জন্যই পর্যাপ্ত সফ্টওয়্যার আছে। উইন্ডোজের মত লক্ষ-কোটি নামী বেনামী সফ্টওয়্যার না থাকলেও এ সফ্টওয়্যারগুলো অত্যন্ত সহজ, সাবলীল এবং উইন্ডোজের সফ্টওয়্যারগুলোর মতই বিভিন্ন ধরণের কাজের উপযোগী।
যেমন: মাইক্রোসফ্ট অফিসের বিকল্প হিসাবে আছে ওপেন অফিস অর্গ, ফটোশপের বিকল্প হিসাবে আছে অসাধারণ একটি গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং ফটো এডিটিং সফ্টওয়্যার গিম্প, ডিভিডি/ভিসিডি মুভি দেখার জন্য টটেম, ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ার, গান শোনার জন্য রিদমবক্স, বংশি, লিসেন(Listen Music Player... বংশী এবং রিদমবক্সের মত তেমন জনপ্রিয় না হলেও এটা আমার সবচেয়ে প্রিয়), এডোবি রিডারের বিকল্প হিসাবে আছে কেপিডিএফ, এক্সপিডিএফ, ডকুমেন্ট ভিউয়ার ইত্যাদি। এরকম সব ধরণের সফ্টওয়্যারের-ই অসংখ্য বিকল্প আছে উবুন্টুতে... এবং সবগুলোই পুরোপুরি বিনামূল্যে!

৭। বাংলা ভাষার ব্যবহার: উবুন্টু লিনাক্সের জন্য রয়েছে বাংলা ল্যাঙ্গুয়েজ প্যাক, যেটি শুধুমাত্র অপারেটিং সিস্টেমকেই বাংলা করে না বরং বিভিন্ন সফ্টওয়্যারকেও অনেকাংশে বাংলায় অনুবাদ করে। বাংলা লেখার জন্য উবুন্টুতে আছে অত্যন্ত চমৎকার প্রভাত ফোনেটিক লে-আউট। অভ্রে অভ্যস্থতার কারণে প্রথমদিকে প্রভাতে লিখতে সমস্যা হলেও এখন সে সমস্যা কাটিয়ে উঠেছি এমনকি এই আর্টিকেল পুরোটাই প্রভাত দিয়ে লিখছি।

এগুলো ছাড়াও উবুন্টু লিনাক্সে আরও অনেক সুবিধা রয়েছে যেগুলো সম্পর্কে ফোরামের অভিজ্ঞ লিনাক্স ব্যবহারকারীরা(স্বপ্নচারী, শিপলু) আরও ভাল বলতে পারবেন। আর সবচেয়ে বড় কথা হল লিনাক্স পুরোপুরি ফ্রি এবং ওপেন সোর্স এবং এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোও বিনামূল্যে পাওয়া যায়। আর উইন্ডোজ টাকা দিয়ে কিনতে হয় এবং এর সব সফটওয়্যারও ফ্রি নয়।
এবার আপনিই সিদ্ধান্ত নিন... টাকা দিয়ে কিনে বা চুরি করে ত্রুটিসম্পন্ন উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করবেন নাকি বিনামূল্যে বিশ্বের সবচাইতে নিরাপদ অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্স এর ব্যবহারবান্ধব সংস্করণ উবুন্টু লিনাক্স ব্যবহার করবেন?

লেখাটি প্রযুক্তি বিষয়ক বাংলা ফোরাম আমাদের প্রযুক্তি -তে পূর্ব প্রকাশ করেছেন আলোকিত।

এই লেখাটি ক্রিয়েটিভ কমনস্ লাইসেন্স -এর by-nc-sa নীচে প্রকাশিত। অর্থাৎ লেখাটি অবানিজ্যিক কাজে মূল লেখকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের মাধ্যমে যেকোন স্থানে মূল লেখকের শর্ত মেনে প্রকাশযোগ্য।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28819062 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashabadi/28819062 2008-07-11 03:51:23