কিভাবে ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ পড়বেন।
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৩
ঈদ মুবারক!
ঈদের নামাজ পড়িতে যাইয়া প্রায়ই বিব্রত হইতে হয় এর অতিরিক্ত ৬টি তাকবীর নিয়া। নীচে ঈদের নামাজের সংক্ষিপ্ত নিয়ম দেওয়া হইলো।
প্রথমে ঈদ-উল-ফিতরের নামাজের নিয়ত* করিয়া তাকবীর (আল্লাহু আকবর) বলিয়া তাহরিমা বাঁধিতে (বুকের নীচে) হইবে ইমামের সাথে সাথে। এরপর নীরবে সুবহানাকা ও তাসমিয়া পাঠ করিতে হইবে।
এরপর ইমাম তিনবার উচ্চঃস্বরে তাকবীর বলিবে। প্রত্যেকবার তাকবীর বলিবার সাথে সাথে কানের লতি পর্যন্ত হাত তুলিতে হইবে। প্রথম দুইবার হাত নীচে ছাড়িয়া দিতে হইবে আর তৃতীয়বার হাত বুকের নীচে বাঁধিতে হইবে। অতঃপর ইমাম উচ্চঃস্বরে সুরা ফাতিহা ও অন্য কোন সুরা বা আয়াত পাঠ করিবে। মুক্তাদিগন উহা শ্রবন করিবে। ইমামের পিছনে রুকু-সেজদা করিয়া দ্বিতীয় রাকাতে একই ভাবে সুরা ফাতিহা ও অন্য কোন সুরা বা আয়াত পাঠ করিতে হইবে। দ্বিতীয় রাকাতের শেষে রুকুতে যাওয়ার আগে ইমাম তিনবার তাকবীর পাঠ করিবে। তিনবারই হাত ছাড়িয়া দিতে হইবে, বুকে বাঁধা যাইবে না। চতুর্থ তাকবীরে রুকুতে যাইতে হইবে। এর পার সাধারন নামাজের মতোই ইমামের ইমামতিতে নামাজ শেষ করিতে হইবে।
নামাজ শেষে ইমাম খুতবা পাঠ করিবে ও সবশেষে মুনাজাত করিবে। জুম্মার নামাজের আগে খুতবা পাঠ করা হয়। কিন্তু ঈদের নামাজের শেষে খুতবা পাঠ করা হয়।
মুক্তাদীর জন্যে ঈদ-উল-ফিতরের নামাজের নিয়তঃ (বাংলায়)
ছয় তাকবীরের সহিত ঈদ-উল-ফিতরের নামাজের ওয়াজিব নামাজ কিবলামূখী হইয়া আদায় করার জন্যে ইমামের পিছনে দাড়াইয়া নিয়ত করিতেছি।
প্রকাশ করা হয়েছে: ইসলাম বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
চাণক্য বলেছেন:
বৎস, ব্লগজাতি তোমারই অপেক্ষায় ছিল।
_উল্লাস_ বলেছেন:
ভাই ভালো জিনিসই দিয়েছেন । কিন্তু সাধু ভাষায় কেন?
শুভ্র আকাশ বলেছেন:
ভাল পোষ্ট। ঈদ মুবারক!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ঈদ মুবারক।
অলস ছেলে বলেছেন:
সাধু ভাষা অতীব উত্তম ভাষা, পড়িতে চোখ ভাঙ্গিয়া যায়, লেখিতে কিবোর্ড। আমি কয়েকখানা ভাঙ্গিয়াছি। অদ্য প্রভাতে আদায় করিলাম, তবে শাফেয়ী মাজহাব অধুষ্যিত লোকালয়ে অন্য উপায়ে হইলো। আপনার রচনা পাঠ করিয়া ছোটবেলার প্রাচীন স্মৃতি মনে পড়িলো, সব এলোমেলো করিয়া ফেলিতাম
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
উপকারী জিনিস দিছেন। ধন্যবাদ
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন:
ঈদের নামাজ খালি ভুইলা যাই । ভালা পুষ্ট ++
কখন তাকবীরে হাত উঠাইমু আর কখন উঠাইমু না অহনো গন্ডগোল পাকাইয়া যায়। ভালৈছে ধণ্যবাদ।
উমর বলেছেন:
তাকবীর পড়ুন "আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকরব, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু,আল্লাহু আকবর,আল্লাহু আকবর, ওয়া লিল্লাহিল হামদ"(আল্লাহ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, আল্লাহ সবচেয়ে বড়,আল্লাহ সবচেয়ে বড়, এবং সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য)
এখন থেকে বলা শুরু করে দিন, ঈদের নামাজে যখন ইমাম আসবে তখন বলা থামিয়ে দিন।
ঈদের দিন সকালে বিজোড় সংখ্যক খেজুর খেয়ে নামায পড়তে যান। এক রাস্তা দিয়ে তাকবীর পড়তে পড়তে যান এবং অন্য রাস্তা দিয়ে বাড়িতে ফিরে আসুন। ঈদের নামযে হেটে যাওয়া সুন্নাত।
উমর বলেছেন:
তাকবীর পড়ুন "আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকরব, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু,আল্লাহু আকবর,আল্লাহু আকবর, ওয়া লিল্লাহিল হামদ"(আল্লাহ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, আল্লাহ সবচেয়ে বড়,আল্লাহ সবচেয়ে বড়, এবং সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য)
এখন থেকে বলা শুরু করে দিন, ঈদের নামাজে যখন ইমাম আসবে তখন বলা থামিয়ে দিন।
ঈদের দিন সকালে বিজোড় সংখ্যক খেজুর খেয়ে নামায পড়তে যান। এক রাস্তা দিয়ে তাকবীর পড়তে পড়তে যান এবং অন্য রাস্তা দিয়ে বাড়িতে ফিরে আসুন। ঈদের নামযে হেটে যাওয়া এবং ফিরে আসা সুন্নাত।
লেখক বলেছেন: তথ্যের জন্যে ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














