হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জন এফ কেনেডি স্কুল অব গবর্নমেন্টে ৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় 'বিশ্বশান্তি রচনায় শেখ হাসিনার ভূমিকা' শীর্ষক সেমিনার। এর প্রধান আলোচক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির প্রধান ড. আবুল বারকাত। সেমিনার শেষে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার শানত্মির দর্শন তাঁর রাজনীতির ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। জনগণের ৰমতায়নই শেখ হাসিনার রাজনীতির মূলমন্ত্র। তার শান্তির দর্শন বা মডেল বাংলাদেশকে ভিন্নভাবে উপস্থাপিত করছে আনত্মর্জাতিক পরিম-লে। বিশ্বশানত্মির জন্য এখন শেখ হাসিনার শানত্মির মডেলই শ্রেষ্ঠ মডেল। সন্ত্রাসবাদ কোন বিচ্ছিন্ন বিষয় নয়, তাই এর মোকাবেলায় সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক ৰেত্রে জনগণের ৰমতায়ন ঘটাতে হবে। আমরা বিশ্বের বিভিন্ন প্রানত্মরে ঘুরছি শেখ হাসিনার শানত্মির মডেলের প্রচারের জন্য-এটি ঠিক নয়। আমরা যা বলার চেষ্টা করছি তাহলো বাংলাদেশে খুব বেশি নেতা পাওয়া যায় না দূরদৃষ্টিসম্পন্ন যারা দেশ এবং দেশের বাইরের পরিম-ল নিয়ে ভাবেন। এ প্রক্রিয়ায় আমরা দেখছি যে শেখ হাসিনার একটি উন্নয়ন চিনত্মা রয়েছে। সে চিনত্মাটাই হচ্ছে শানত্মিকেন্দ্রিক। জনগণকে ৰমতায়িত করে উন্নয়ন করা। জনগণের ৰমতায়ন হলো শানত্মিকেন্দ্রিক উন্নয়ন। মনে রাখতে হবে, এ মডেল একেবারেই নতুন। পৃথিবীতে বহু শানত্মির মডেল রয়েছে। নেহরম্নর মডেলও রয়েছে। তবে নেহরম্নর মডেলে জনগণকে ৰমতায়িত করার বিষয়টি অনুপস্থিত। অপরদিকে শেখ হাসিনার চিনত্মা থেকে উৎসারিত যে মডেল নিয়ে আমরা কথা বলছি_ যা একটি সার্কেলের মতো এবং এর ভেতরটাই হচ্ছে শানত্মি এবং চারপাশে ৬টি বিষয় রয়েছে। প্রথমেই রয়েছে পৃথিবী থেকে ৰুধা ও দারিদ্র্য নির্মূল করা। দ্বিতীয়ত বৈষম্য হ্রাস করা। তৃতীয়ত যত ধরনের বঞ্চনা রয়েছে তা স্থায়ীভাবে দূর করা। চতুর্থত কুলি, মেথর, মুচি, রিঙ্াওয়ালা, ঠেলাগাড়িওয়ালাসহ পেশাগতভাবে বংশপরম্পরায় বহিস্থ, আদিবাসী, বসত্মিবাসী, চর-হাওড় বাঁওড়ের মানুষ বহিস্থ, ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বহিস্থ মানুষগুলোকে উন্নয়নে অনত্মভর্ুক্ত করা। পঞ্চমত মানবিক উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করা এবং ষষ্ঠ ক্রমিকে রয়েছে যত রকমের সন্ত্রাসবাদ রয়েছে তা দূর করা। ড. বারকাত বলেন, দীর্ঘ পর্যবেৰণে আমরা মনে করছি প্রথম ৫টি বিষয় কার্যকর করা সম্ভব হলে শেষের সন্ত্রাসবাদ আপনাআপনি দূর হয়ে যাবে।
এর আগে একই বিষয়ে প্রথম সেমিনারটি হয় ২৭ জানুয়ারি ব্রিটেনের অঙ্ফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে এবং দ্বিতীয়টি হয় ৩১ জানুয়ারি সুইডেনের স্টকহোম ইউনিভার্সিটিতে। সর্বশেষ সেমিনার হবে ১৩ ফেব্রম্নয়ারি জাপানের টোকিওতে। বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ব্যবস্থাপনায় এসব সেমিনারের মাধ্যমে তাদের নেত্রী শেখ হাসিনার চিনত্মাচেতনাসমৃদ্ধ কর্মসূচীর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির পাশাপাশি রাজনৈতিক সংগঠনকে শিৰা ও গবেষণামূলক কাজে জড়িয়ে পড়ার পথ সুগম করবে বলে অনেকে মনে করছেন। বাংলাদেশের যুব সমাজকে শানত্মির পথে নিবিষ্ট করতে যুবলীগের গবেষণাধর্মী এ পরিকল্পনা বিসত্মৃত হবে অপর যুব-ছাত্র সংগঠনগুলোতে_ এ প্রত্যাশাও অনেকের।
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



