আমার প্রিয় পোস্ট
- অন্তরের আলোয় দেখেছি যারে - ১ - অনিক
- ছাদের কার্ণিশে কাক (দুই নম্বরী) - ফরিদ
- পাকি শান্তিরক্ষীদের কীর্তি - হিমু
- আমরা ভালো আছি - রাসেল ( ........)
- হা ঈশ্বর। এও হয়। এও শুনতে হয়। - হযবরল
- ফটোব্লগ: প্রজাপতির খামার নিয়ে স্বপ্ন দেখা মানুষকে উৎসর্গ - সাদিক
- ৭১ এর সকল বীর সেনানীর পক্ষ থেকে: ২০০৭ এর প্রজন্মের Xদফা দাবী - জ্বিনের বাদশা
- স্বপ্নবাজি - কিংকর্তব্যবিমূঢ়
- কনক্রিটের সৌধে পুস্প দেওয়া ইসলাম সম্মত না - বলেছেন রাম সন্না। ধমর্ান্ধরা মুড়ি খাও - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- স্বাধীনতা দিবসের স্যালুটঃ ঘোষক নিয়ে ক্যাচাল - ধুসর গোধূলি
- গল্প: গন্দম (পর্ব ১) - অমিত আহমেদ
- আজ সেই অভিশপ্ত দিন: লেননকে শ্রদ্্বা - আপন তারিক
- রাজাকার, জামাত এবং ইত্যাদি.... - অমি রহমান পিয়াল
- উপন্যাস : পৌরুষ - কিস্তি ১ - মুহম্মদ জুবায়ের
- রক্ষক যখন ভক্ষক ওরফে বেড়ালছানা ওরফে আরো অনেক কিছু - হিমু
- প্রনতি হে বেজন্মার জাত - অরূপ
- [সাইজ=6] ওম শান্তি-আস্ সালাম [/সাইজ] - হাসান মোরশেদ
- আসুন, আমরা একটি প্ল্যানচেটের আয়োজন করি... - কনফুসিয়াস
- ::বউ, বাটা, বল সাবান:: - নজমুল আলবাব
- গল্প : মাটিবর্তী ( পর্ব 1) - আলভী
- মুগ্ধ পাঠক - ৩ : আনোয়ার সাদাত শিমুল (অস্থির জনপদের পথিক) - আলভী
- নেত্রী আপনি শিগগীর চলে যান,আরিফ জেবতিক বাড়ি যাবে এখন..... - আরিফ জেবতিক
- মিছিল এগিয়ে যাক - শেখ জলিল
- একটি গল্প: ছিলা শামীমের বেহেশত - এস এম মাহবুব মুর্শেদ
- ...অত:পর ! - প্রজাপতি
- > সমান্তরাল গল্প:1 \ (প্রকাশিত নতুন ছোটগল্প) - কনফুসিয়াস
- । । গুল্ম ও কুঠার । । - হাসান মোরশেদ
ছাদের কার্ণিশে কাক - ১৭
২৭ শে মে, ২০০৭ সকাল ৯:৫০
মাঝে মাঝে এরকম অযথা টেনশন ভর করে। মনে হচ্ছে - চাকরীর ইন্টারভিউ হবে একটু পর। সরণ বারবার ঘড়ি দেখে। চেয়ার থেকে উঠে বুমার্সের পেছনে কাঁচের জানালায় বাইরে তাকায়। ডাচ বাংলা ব্যাংকের অফিস দেখে মনে হচ্ছে গুছানো কোনো ডুপ্লেক্স বাড়ী। শনিবারে অনেক অফিস বন্ধ থাকে তাই রাস্তায় ভীড় নেই তেমন। গুলশান-মীরপুর রুটের রাইডার ছুটে যাচ্ছে, পেছনে ফুকফুক করে কালো ধোঁয়া বেরুচ্ছে। সরণ ক'দিন আগে বিবিসি-তে দেখছিল, বাংলাদেশে পরিবেশ দূষণ নিয়ে বিশেষ রিপোর্ট। সম্ভবত: নারায়ণগঞ্জ কিংবা গাজীপুরের ইটের ভাটার ভিডিও দেখাচ্ছিল। এসব ভাবতে ভাবতে হঠাৎ মনে হয় পেছনে কে যেন দাড়িয়ে আছে। সরণ পাশ ফিরতেই
- এক্সকিউজ মী! আপনি সরণ?
- হ্যাঁ, আপনি - - -
- আমি বেলা।
- কেমন আছেন?
- এই তো ভালো। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করছিলেন?
- না, খুব বেশী না। চলুন বসি ওখানে।
সরণ এগিয়ে যায়। ফুড কাউন্টারের দিকে মুখ করে বসে। মুখোমুখি বেলা।
দুজন কিছুক্ষণ চুপচাপ।
সরণ জিজ্ঞেস করে - 'তারপর'?
- 'তারপর মানে কী'? বেলা হেসে উঠে।
- তারপর মানে, তারপরের খবরাখবর কী?
- 'এই তো চলছে'। কপাল পেরিয়ে চোখের উপর পড়ে থাকা চুলগুলো সরিয়ে নেয় বেলা।
- আচ্ছা।
- আপনার কথা বলেন, কেমন যাচ্ছে সব কিছু - - -
- মেইলে যেমন লিখেছি, সেরকম। একটুও এদিক ওদিক নেই।
বেলা মুচকি হাসে।
- আচ্ছা, বেলা আপনি আমাকে চিনলেন কিভাবে?
- উঁহু, ওটা বলা যাবে না। সিক্রেট!
- আগে কোথাও দেখেছেন?
- নো! নেভার!!
- আপনি যেভাবে কনফিডেন্স নিয়ে কথা শুরু করলেন, আমি বেশ অবাক হয়েছিলাম।
- হি হি। আচ্ছা, আপনার চশমা কোথায়?
- চশমা?
- হুম, চশমা কোথায় আজ?
- আমি চশমা পরি আপনাকে কে বললো?
- ওহ! আপনি চশমা পরেন না?
- না। কখনোই পরিনি।
- স্যরি, আমার মনে আপনার যে ইমেজ ছিল, ওখানে ভেবেছিলাম - আপনি চশমা পরেন।
- ইন্টারেস্টিং!
- আমি কেমন? আপনার ভাবনার সাথে মিলে?
- আমি তো ভাবিনি কিছু!
- হোয়াট! অসামাজিক - - -
- পারফেক্ট! হা হা হা। কি খাবেন বলেন।
- না কিছু খেতে ইচ্ছে করছে না।
- একটা কিছু খাই। প্রথম দেখা হলো আজ! আইসক্রিম চলবে?
- ওকে।
- কোন ফ্লেভার লাইক করেন? স্ট্রবেরী নাকি ভ্যানিলা?
- ভ্যানিলা।
- ওকে, আপনি বসেন। আমি নিয়ে আসছি।
সরণ উঠে গিয়ে আইসক্রীম নিয়ে আসে।
তারপর এটা-ওটা কথা হয়। সরণের কেনো জানি তৃষ্ণা পেয়েছিল খুব। বেলার চেয়ে দ্রুতই আইসক্রীম খাওয়া শেষ। বেলা তখনো চামচ দিয়ে আইসক্রীমের কাপে খোঁচাখুচি করছে। সরণ জিজ্ঞেস করে- 'কী ! খেতে ভালো লাগছে না? '
বেলা হাত নাড়ে - 'না - না। আমি এমনিতেই কম খাই'।
সরণ হাসে - 'প্রাচীন শাস্ত্র কিন্তু অন্য কথা বলে'।
- 'কি বলে'? বেলার উৎসুক প্রশ্ন।
- প্রাচীন শাস্ত্র বলে - মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় আহারে চার গুণ, কলহে ছয় গুণ আর কামনায় আট গুণ বেশী?
- 'কী'? বেলা আঁতকে উঠে।
- হুমম।
- ধ্যুত! ওসব ফালতু কথা। তো, আপনি কী ইদানিং শাস্ত্র পড়া শুরু করেছেন?
- না না, ওটা একটা বইয়ে পড়লাম।
- কার? বুদ্ধদেব গুহের?
- হা হা। বুদ্ধদেবের না। আমাদের দেশেরই একজনের।
- ওহ! আমি তো ভাবলাম, বুদ্ধ বাবুব শিষ্য আবার ইদানিং নারী-পুরুষ তত্ত্ব শিখছে কিনা!
- আপনার মনে আতংক ঢুকে গেছে!
- আপনিই তো কাজটা সেরেছেন। এনিওয়ে, সিটিসেলে থাকবেন? নাকি কোথাও মুভ করবেন?
- দেখি, কী হয়। আপনার তো ফাইনাল সেমিস্টার চলছে?
- হুমম।
- 'আমার কাছে ব্যাপারটা খুব ইন্টারেস্টিং মনে হচ্ছে'। সরণ প্রসংগ পাল্টায়।
- কোন ব্যাপার?
- এই যেমন, নেটে চ্যাট করে, মেইল করে আপনার সাথে দেখা হলো।
- হি হি, এটা কী জটিল কোন কিছু? এখন তো অনেকেই এরকম দেখা করে।
- আপনিও করেন নাকি?
- হোয়াট?
- না, মানে - আমিসহ কতো জনের সাথে এরকম দেখা করলেন?
- সরণ! আমি কিন্তু এক্ষুণি উঠে চলে যাবো। সিরিয়াসলি বলছি।
- আরেরে, আপনি দেখই ক্ষেপে গেছেন।
- গা জ্বালা কথা বললে ক্ষেপবো না?
- ওকে স্যরি! আর কী খাবেন বলেন।
- নাহ, আর কিছু খাবো না।
- 'আপনার বান্ধবীরা কিন্তু না খেয়ে বসে আছে।' সরণের ঠোঁটের কোণায় লুকানো হাসি।
- আমার বান্ধবী? কে? কোথায়?
- ‘কে’ না। বলেন কারা?
- মানে?
- ঐ যে আপনার পেছনে, দেখেন। বিলিয়ার্ড টেবিলের পাশে দুজন।
- হুমম, দেখছি। কিন্তু ওরা আমার বান্ধবী আপনাকে কে বললো?
- হা হা, আমাকে কেউ বলেনি। ব্যাপারটা ডিপেন্ড করবে আপনার উপর। আপনি স্বীকার করলে ওরা আপনার বান্ধবী, নয়তো না।
বেলা খানিকটা থতমত খায়। সরণের মুখে তখনো হাসিটা ঝুলে আছে।
বেলা হাত দিয়ে চোখ ঢাকে - 'আপনি দেখছি সাংঘাতিক স্মার্ট! কীভাবে বুঝলেন, ওরা আমার ফ্রেন্ড'।
- এটাও না হয় একটা সিক্রেট হয়ে থাক।
- অদ্ভুত!!!
- হা হা। আমি ভাবছি অন্য কথা।
- কী?
- আপনার মেইল পড়ে কিংবা চ্যাট করে আপনাকে বেশ সাহসী মেয়ে মনে হয়েছিল। এখন দেখছি - ধারণাটা মিথ্যে। আপনি আমার সাথে একা দেখা করতে সাহস পাননি। সাথে বান্ধবী এনেছেন দু'জন!
- 'প্লিজ! আপনি ব্যাপারটা ওভাবে নিবেন না। আমি ঠিক আপনাকে বুঝাতে পারবো না এ মুহুর্তে।' বেলার মুখ লজ্জায় লাল হয়ে আসে।
- ওকে, ওকে। আপনি নিজেই বেশী সিরিয়াস হয়ে যাচ্ছেন। আই ডোন্ট মাইন্ড।
- আমার নিজেকে ভীষণ ছোট মনে হচ্ছে, সরণ!
- হা হা। টেক ইট ইজি।
- কিন্তু আপনি বুঝলেন কীভাবে, ওরা আমার ফ্রেন্ড?
- আপনি যেভাবে প্রথম দেখাতেই বুঝেছেন - আমি সরণ। সেভাবে---
- ওকে, আমি বলি, বেলা হাসে খানিকটা, আপনি এখনো গলা থেকে সিটিসেলের আইডি ঝুলানোর ফিতাটা খুলেননি। আমি ওটা দেখেই বুঝেছি, আপনি সরণ। তাছাড়া ওসময় আর তেমন কেউ ছিলো না।
সরণ চমকে উঠে।
- আসলেই তো! অফিস থেকে বেরুবার সময় খেয়াল করিনি! তাড়াহুড়ায় ছিলাম।
- হি হি হি। এবার বলেন, ওরা আমার ফ্রেন্ড সেটা আপনি কীভাবে বুঝলেন?
- হা হা। শুনেন, আপনি এসে দেখেছেন আমি ঐ কাঁচের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। আমি দেখেছি - আপনারা তিনজন একসাথে গাড়ী থেকে নামলেন। পরে দেখলাম আপনি বেলা, আর বাকী দু'জন দূরে টেবিলে বসলো। ওরা আমাদের ফলো করছিল।
- আপনার মাথা তো সাংঘাতিক শার্প!
- হা হা হা। এরমাঝে আপনাকে ওরা এসএমএস ও দিয়েছে বেশ কয়েকটা, রাইট?
- আপনি আমাকে একদম বোকা বানিয়ে ছাড়লেন! আমার ভীষণ লজ্জা করছে এখন!!
- অস্থির হওয়ার কিছু নেই, প্লিজ বেলা! আই ডোন্ট মাইন্ড!!!
তারপর দু'জন নীরব থাকে কিছুক্ষণ।
বাসায় ফিরে রাতে মেইল পায় সরণ -
হ্যালো:
আপনার সাথে দেখা হয়ে ভীষণ ভালো লাগলো! আই অ্যাম ইমপ্রেসড! সময়টা খুব ভালো কেটেছে। আপনারও নিশ্চয় ভালো লেগেছে। মেইলে জানাবেন, প্লিজ!
আরেকটা কথা - সব ঋতু রায় একা একা রাজর্ষি বসুর কাছে যায় না। হোক তা বনে জঙ্গলে অথবা ইট-পাথরের শহরে! টেক কেয়ার!!!!
< বেলা >
(চলবে...)
প্রকাশ করা হয়েছে: লেমন জুস বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে নভেম্বর, -০০০১ রাত ১২:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
এই আমি মীরা বলেছেন:
দ্রোহী বলেছেন:
হুম, পড়লাম, পরের পর্ব কবে আবার?
কনফুসিয়াস বলেছেন:
বাহ! গুড।
কালপুরুষ বলেছেন:
শিমুল, কেন জানি আপনাকেই সরণ ভাবতে বেশী ভাল লাগছে। আর বেলীকে আমার চেনা জানা কোন এক অর্পা (নেটের এক বান্ধবী)। সব কিছু মিলিয়ে কেমন যেন একটা ভাললাগার অনুভূতি। চলুক। বাস্তবতার গন্ধ পাচ্ছি প্রতিটা বর্ণনায়। ভাবছি কথা গুলো কোন ডায়রী থেকে উঠিয়ে দিচ্ছেন কী না?
প্রজাপতি বলেছেন:
একটা ব্যাপার বুঝলাম না। মুহম্মদ জুবায়েরের উপন্যাসেও দেখলাম আর এখানে শিমুলের গল্পে-- নায়িকা চরিত্রটির চাইতে পুরুষ চরিত্রটিকে বেশি, অনেক বেশি ইম্প্রেসিভ করে তৈরি করা হচ্ছে। কেন? লেখক নিজে পুরুষ বলে কি ইচ্ছে করে এই পক্ষপাতিত্ব করা হচ্ছে?
কালপুরুষ বলেছেন:
প্রজাপতি,একটা কাউন্টার এ্যাটাক করো তো। এই গল্পের ঠিক উল্টোটা করে। যেখানে নায়িকা হবে বেশী স্মার্ট। তোমার লেখার হাত ভাল। শুরু করে দাও এটা শেষ হবার আগেই। কনফুকেও বলে রাখলাম। তবে কনফু নায়কের গোত্রভুক্ত, তাই ভরষা কম। মাশীদ আর তুমি দুজনে চেষ্টা করলে হবে। আমি শিওর।
আনোয়ার সাদাত শিমুল বলেছেন:
দ্রোহী:আপনাকে পেয়ে খুব ভালো লাগছে। আগের প্রশ্নের উত্তর আগের পর্বে দিবো।
জ্বিনের বাদশা:
'এই আমি মীরা'র কমেন্ট বোধ হয় ঐটাই প্রমাণ করে!
কনফু:
খুব ভয় লাগে! পড়ে সময় নষ্ট হচ্ছে না তো?
কালপুরুষ:
আমার মধ্যে সরণের ছায়া! থাকতেও পারে। অস্বীকার করবো না। চলে আসে যৎসামান্য। তবে - অ্যাভারেজ না। আমি ওখান থেকে অনেক দূরে!
অর্পা!
অর্পা!!
অর্পা!!!
কেমন আছে সে!!!!
---
ভালো লাগছে, এখনো কোন পর্বকে কেউ গাঁজাখুরি/চাপাবাজি বলেননি।
প্রজাপতি:
জুবায়ের ভাই অমনটা বোধ হয় কাহিনীর প্রয়োজনে করেছেন। আর আমার এখানে সচেতনভাবে কিছু করা হচ্ছে না। আনাড়ী লেখনীতে জলছাপের মতো কিছু একটা উঠে আসছে হয়তো! এরপরও যদি 'পুরুষমননের' অভিযোগ আসে, মেনে নিবো। অ্যামেচার ব্লগার কী আর শরৎচন্দ্র কিংবা শেলডনের মতো নারী মনে ডুব দিতে পারে!
ভালো লাগছে, আপনি এখনো পর্বগুলো পড়ে যাচ্ছেন। আর বেশী নেই - ২/৩ পর্বে শেষ হয়ে যাবে।
প্রজাপতি বলেছেন:
আপনাকে এখন আর খালি এমেচার ব্লগার বলতে রাজি নই আমি। গল্প লেখায় আপনার পারদর্শীতা আপনার অজান্তেই প্রতিষ্ঠিত এখন। কাজেই ওই যুক্তি মানব না। গতকালই "বীক্ষণ"-এ আপনার গল্প পড়লাম, অনেক ভালো লিখেছেন সেটিও। সুতরাং ভক্ত-পাঠক হিসেবে আমার যা মনে হলো বলে গেলাম। এটা কোন প্রভাব ফেলবে কিনা পরবর্তীতে সেটা সম্পূর্ণই আপনার স্বাধীণতা।কালপুরুষ,
কাউন্টার এটাকের কিছু নেই। যে যার মত লিখবে, যখন যা মনে আসবে। নির্দিষ্ট কোন কিছু লিখতে বললে আমি সবচেয়ে অস্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।
কালপুরুষ বলেছেন:
শিমুল,অর্পা এখন পর্যন্ত ভার্চুয়াল ক্যারেকটার হয়েই রয়ে গেছে। বাস্তবে দেখা হয়নি। মেইল পাই। মেসেঞ্জারে কথা হয়। দেখা হয় নাই। হবে কীনা সেটাও নিশ্চিত নই।
আনোয়ার সাদাত শিমুল বলেছেন:
প্রজাপতি, আপনার কমপ্লিমেন্টে আপ্লুত। যদিও আমি এখনো নিশ্চিত না ওগুলো আসলেই গল্প হয় নাকি কেবল নিছক বর্ণনা হয়ে উঠে!আপনার এ কমেন্ট আগামীতে অবশ্যই প্রভাব ফেলবে। অবশ্যই। থ্যাংকস অ্যা লট!
কালপুরুষ!
অর্পা!
অর্পা!!
অর্পা!!!
'...ঐ যে সুদূর নীহারিকা যারা জ্বলে আছে দূরে, তুমি কী তাদের মতো সত্য নও?'
রশ্মি বলেছেন:
ভালোই লাগছে পড়তে। নেক্সট এপিসডের অপেক্ষায় আছি..........
মুহম্মদ জুবায়ের বলেছেন:
অনুমান মিথ্যে হলো। ক্ষতি নেই। গল্প গতি পেয়েছে।কালপুরুষ ঠিক পরামর্শ দিয়েছেন প্রজাপতিকে। হয়তো মেয়েদের হাতেই মেয়ে চরিত্রগুলো ভালো ফুটবে। আমরা পুরুষরা ভাবি আমরা মেয়েদের বুঝে বসে আছি। আসলে কি বুঝি? বুঝলে কতোটুকু?
ফেরারী পাখি বলেছেন:
এ পর্যন্ত তো কাহিনী জমে, মিষ্টি ক্ষীর।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














