somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... বনসাই




সাধ্য ছিলো আকাশ কে ছোঁয়ার
মাটির গভীরে সুপ্ত শিকড়ের ভালোবাসায় মাটির সাথে ঘর বাধার ।

ইচ্ছে ছিলো স্ব মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে
মহীরুহের ছায়া হয়ে ধরনীর বুকে বেঁচে থাকার

এক বটবৃক্ষের চারার ছিলো শুধু এইটুকু আকুতি
স্ব মহিমায় উদ্ভাসিত হবার এতটুকু আকাংখা।

স্বপ্ন বুনে যায় সে নয়নভিরাম শোকেসের কাঁচে চোখে রেখে
দিনের পর দিন।

নীল আকাশ কে ছোঁয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে ছোট্ট এক বনসাই।

আকাশ তার হয়নি ছোঁয়া আর , মাটির গভীরে ভালোবাসার ঘর বাঁধার

অপরাধ তার এতটুকুই

বটবৃক্ষ না হয়ে ,
হয়ে ছিল সে ছোট্ট এক বনসাই




কবিতা লেখা অনেক কঠিন বিষয়গুলির একটি তবু মাঝে মাঝে কিছু দৃশ্য দেখে ছোট ছোট বোধের জন্ম নেয় মনের কোনে । কিছু একটা লিখতে মন চায় । সেই বোধগুলোকে সুন্দর কিছু শব্দের বেড়াজালে বাধতে মন চায় ।

এই লেখাটা কবিতা হয়েছে আমি তা দাবী করতে চাইনা কারন এখানে যারা কবিতা লেখে থাকে তারা এইটা আমার চেয়ে ভাল বুঝবেন । তবে আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলতে চাই কিছুদিন আগে জানালার ধারে শোকেসের ভেতর এক বনসাই কে দেখে মনে হলে ও যেন কিছু বলতে চাচ্ছে । ওর নিরব ভাষাকে মনে হল কিছুটা বুঝতে পেরেছিলাম সেই বনসাই এর দুঃখ টা শুধু শেয়ার করলাম সবার সাথে ।

সবার শেষে এইটুকুই বলতে চাই প্রকৃতি যেভাবে সৃষ্টি এবং যে নিজস্ব গতিতে এগিয়ে চলে তাকে সেভাবেই চলতে দেয়া উচিত । সৌন্দর্যের দোহাই দিয়ে প্রকৃতির সৌন্দর্যকে ধ্বংস করা উচিত নয়।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28862450 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28862450 2008-10-31 12:02:06
বৃষ্টি কে বলছি

জলের নেই কোন গন্ধ নেই কোন রুপরস ।তবু এই জলকে বুকে ধারন করে যখন নদী ভরা প্লাবনের জোয়ারে যৌবনাবতী চঞ্চল চপলার ন্যায় ছুটে চলে নদী হয়ে উঠে যৌবনের প্রতীক। জলের ধারা যখন সগর্জনে জলপ্রপাতের ন্যায় আছড়ে পড়ে কঠিন পাথড়ের বুকে আমরা শিহরিত হই তার শব্দে ।




এই জল যখন আকাশের গায়ে কালো মেঘে ভর করে নামে অঝোর ধারায় বৃষ্টি হয়ে এই বসুন্ধরার বুকে। আমরা হারিয়ে যাই আমাদের বৃষ্টিস্নাত স্মৃতির পাতা রোমন্হনে । গভীর রাতে দোচালা টিনের ঘরে ঝমঝম কখনো বা রিমঝিম শব্দের বৃষ্টি শুনেনি তার শৈশবে এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যাবে ।

যদিও জলের নেই নিজস্ব গন্ধ বা রুপরস কিন্ত বৃষ্টির আছে গন্ধ, আছে রুপ ,আছে শব্দ । তাই বৃষ্টি মানুষকে ভাবায় কখনোবা কাঁদায় । বৃষ্টির সাথে মাটি থেকে উঠে আসা সোঁদা গন্ধ মানুষকে তার শিকড়ের তার মাটির কথা মনে করিয়ে দেয় ।তাইতো বৃষ্টির সাথে সাথে মনে পড়ে যায় প্রচন্ড বৃষ্টিতে স্কুল পালিয়ে মাঠে খেলে বেড়ানোর সেই দিনগুলি কথা।



বৃষ্টির সাথে সাথে যখন চারপাশের রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে যায় নিমিষে ,হয়তো বা দেখা যায় গলির মাথায় একাকী এক পথিকের ঘরে ফেরা । তখন মনে হয় নিজেকে সেই পথিকের মত যে সারাটি জীবন কাটিয়ে আজ জীবন সায়ান্থের শেষ প্রান্তে সেই পথিকের মত ভীষন একাকী ।



রাস্তার মোড়ে চায়ের দোকানে পাশে ফুটপাথে রাখা খালি টেবিলটা যেন মনে করিয়ে দেয় সেই কফি হাউসের কথা । টেবিল টি শুধু আছে, নেই শুধু এর চারধারে আড্ডায় জমিয়ে রাখা প্রানবন্ত মানুষগুলো ।



মনে পড়ে যায় কৈশোরে প্রথম ভালা লাগা । বৃষ্টির দিনে পাশের বাড়ীর খোলাছাদে উজ্জল হলুদ ফ্রকে ছুটে বেড়ানো সেই মেয়েটির কথা ।



জলের সাথে জল খেলা করে যখন তারই প্রতিধ্বনি শুনি কান পেতে । মেঘের গর্জনের সাথে ফোঁটা ফোঁটা জল নেমে আসছে ধরনীর বুকে আমি শুনছি সিম্ফনীর মূর্ছনা।





বৃষ্টি প্রকৃতিকে করে সিক্ত। ধুয়ে মুছে দেয় ধূলায় ধূসরিত পাতাগুলোকে।যেন মনে হয় অনেকদিনের পাপবোধ রিক্ততা শুন্যতা কে বৃষ্টি জলে বিসর্জন দিয়ে প্রকৃতি আজ মুক্ত।




যেন প্রকৃতি আজ সেই নিষ্পাপ শিশুটির মত পরিশুদ্ধ হয়ে বিধাতার পানে চেয়ে আছে আশীর্বাদে ধন্য হতে ।








বৃষ্টি সারা আকাশ আজ ভেংগে তুমি ঝড়ে পরো । এসো তুমি আমার জীবনে আশীর্বাদ হয়ে ।ধুয়ে মুছে নিয়ে যাও যত হতাশা আর পন্কিলতা । জীবনকে করো পরিশুদ্ধ । আজ অনেকদিন পর খুব ইচ্ছে করছে তোমার জলে সিক্ত হয়ে আমার পাপকে বিসর্জন দিতে , আমার হতাশাকে নতুন স্বপ্নে বদলে দিতে । আমার কৈশোরের প্রেম,হারানো বন্ধু ,
আমার না দেখা স্বপ্ন সব কিছুকে একবার ছুঁয়ে দেখতে ।




বৃষ্টিতে হাঁটতে ভাল লাগে আমার কারন কেউ দেখেনা এই দুচোখের জল ধুয়ে যায় বৃষ্টিধারায়



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28859610 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28859610 2008-10-25 20:24:43
জাতিসংঘে কাজ করার একটি সূবর্ন সুযোগ !!!!!

সম্প্রতি জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশ সহ বেশকটি দেশের জন্য পি-২ গ্রেডের জন্য রিক্রুটমেন্টের আবেদন অনলাইনে নেয়া হচ্ছে । এবং এর সময়সীমা ৩১শে অক্টোবর পর্যন্ত ।

এখানে উল্লেখ্য যে জাতিসংঘে পি২ ,পি৩ এবং পি৪ এই গ্রেডগুলো বিদ্যমান।তারমধ্য পি২ তে রিক্রুটমেন্টের পর যখন সেই কর্মীর কাজ গ্রহনযোগ্যতা পায় তখন সে ধারাবাহিকভাবে পরীক্ষা দিয়ে পরবর্তী ধাপগুলোতে পদোন্নতি নিয়ে এগিয়ে যায় ।

বাংলাদেশের জন্য নিম্মলিখিত বিষয়গুলোতে লোক নেয়া হবে

১।প্রশাসন
২।অর্থনীতি
৩।ফিন্যান্স
৪। ইনফোরমেশন টেকনোলজী
৫।পাবলিক ইনফোরমেশন
৬।সিকিউরিটি
৭।সোশ্যাল এফেয়ার্স
৮।পরিসংখ্যান

এবং প্রার্থীকে নিম্ম লিখিত যোগ্যতা থাকলেই শুধুমাত্র সে এই পি২ তে আবেদন করতে পারবে।

যোগ্যতা
১। ইংরেজী বা ফেন্চ ভাষায় অনর্গল কথা বলা এবং লেখার পারদর্শীতা
২।এবং প্রার্থীর বয়সসীমা হতে হবে ৩১ শে ডিসেম্বর ২০০৯ এ ৩২ এর বেশী নয়।
৩। যদি কোন বিষয়ে আবেদন সংখ্যা বেশী হয় সেক্ষেত্রে বোর্ড যোগ্যতার উপর বিচার করে মেইলের মাধ্যমে পরীক্ষার জন্য বাছাইকৃত প্রার্থীদের জানিয়ে দিবে।
৪। প্রার্থীর কমপক্ষে একটি ফার্স্ট লেভেল ইউনিভার্সিটি ডিগ্রি (ব্যাচলর) থাকতে হবে



১ বছর ইউএনে কাজ করার নিরিখে বলতে পারি ।যদিও এই কাজে যথেষ্ঠ বিপদের ঝুঁকি কখনো কখনো থাকে ।তবে একই সাথে নিউইয়র্কের হেড অফিসের মত আন্তজার্তিক পরিমন্ডলে কাজ করার সুযোগও মেলে।ইউ এন এ আমি দেখেছি প্রচুর পরিমান ভারতীয় এবং পাকিস্তানীদের আইটি সেক্টরে কাজ করতে ,এবং এক্ষেত্রে বাংলাদেশী রা এখন কোন অংশে কম নয়।সুযোগ পেলে আমাদের দেশের অনেক ছেলেমেয়েরা একাজে তাদের যোগ্যতার প্রমান দিতে সক্ষম।

আর ইউএনের চাকরীর সবচেয়ে লোভনীয় দিকটি হচ্ছে এর বেতন এবং অন্যান্য সুবিধাদি।

যাই হোক খবরটি জেনে আপনাদের জানাতে ওয়েবে দিয়ে দিলাম যারা আগ্রহী তারা খোঁজ নিয়ে অতি শীঘ্রই আবেদন করুন কারন ৩১ শে অক্টোবর হচ্ছে শেষ সময়সীমা। আর অন্যদের জানাতেও ভুলবেননা ।

এই আবেদনে যারা পরীক্ষা দিয়ে চূড়ান্তভাবে পরীক্ষা দিয়ে মনোনীত হবেন তারা নিম্নের ইউ এন অফিসে নিয়োগ পেতে পারেন

আদ্দিস আবাবা,বৈরুত,ব্যান্কক,জেনেভা মেক্সিকো,নাইরোবি,নিউইয়র্ক,সান্তিয়াগো এবং ভিয়েনা





বিস্তারিত জানতে নিচের লিন্কে ক্লিক করুন

Click This Link


http://www.un.org/depts/OHRM/examin/2009e.pdf

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28855552 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28855552 2008-10-16 16:05:31
The Jewel of Medina(Freedom of speach এবং artistic license নামে মিথ্যার বেসাতি)


সম্প্রতি আমার ব্লগে একজন ব্লগার একজন পেশাদার সাংবাদিক ও আমেরিকান লেখিকা শেরী জোনসের লেখা তার জীবনের প্রথম ইতিহাস কেন্দ্রিক একটি উপন্যাস টির অনুবাদের একটি কষ্টকর কাজ হাতে নিয়েছেন । যার কাহিনী মূলত ইসলাম ধর্মের সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও রসুল হজরত মোহাম্মদ (সাঃ) এবং তার পত্নী বিবি আয়েশা (রাঃ) কে নিয়ে রচিত হয়েছে।

লেখিকা শেরী জোনস যিনি বর্তমানে একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে ১৯৭৯ সাল থেকে কাজ করে আসছেন । তিনি বর্তমানে ওয়াশিংটন ডিসি তে একটি আন্তজার্তিক সংবাদ সংস্থার ন্যাশনাল এফেয়ার্স বুরো তে কর্মরত আছেন ।তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন ম্যাগাজিনে প্রবন্ধ লেখালেখিতে নিজেকে ব্যস্ত রেখে , অবশেষে তার জীবনের প্রথম এবং একটি বিতর্কিত উপন্যাস The Jewel Of Medina লেখেন । তার নিজ ভাষ্যমতে দীর্ঘ ৬ বৎসর যাবৎ ব্যাপক গবেষনা এবং পড়াশোনা পর এই উপন্যাসে তিনি বিবি আয়েশা (রঃ) এবং হজরত মোহাম্মদ (সাঃ) মধ্যকার ভালোবাসার কাহিনী কে পশ্চিম বিশ্বে এই উপন্যাসে মাধ্যমে তুলে ধরেছেন । এবং তিনি এই উপন্যাসে হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে একজন সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করেছেন (তার ভাষ্যমতে)। এই উপন্যাস মূলত সাহিত্যকেন্দ্রিক হলেও এটি রচিত হয়েছে ঐতিহাসিক ঘটনাকে আবর্তন করে।

এবার আসা যাক বইটি বিতর্কিত হওয়ার পেছনের কারনগুলো । প্রথম প্রকাশের পূর্বে এই বইয়ের একটি কপি যখন প্রখ্যাত ইসলামিক স্টাডিজের প্রফেসর অধ্যাপক ডিনাইস স্পেলবার্গের কাছে এই লেখিকার অনুরোধে পাঠানো হয়। তিনি বইটি পড়ে সাথে সাথে তার নিজ প্রকাশক কে ডেকে এই বইটি প্রকাশনা করা থেকে বিরত থাকতে বলেন।এবং একই সাথে তিনি বিখ্যাত প্রকাশনী র‌্যানডম হাউসকেও এই বিষয়ে সাবধান করে দেন । এবং তারই মতামতের উপর ভিত্তি করে র‌্যানডম হাউস এই বইয়ের প্রকাশনা থেকে পিছিয়ে আসে ।

এবার আসা যাক এই বইটি সম্পর্কে ইসলামিক স্টাডিজের প্রফেসর অধ্যাপক ডিনাইস স্পেলবার্গের মন্তব্য :

In an interview, Ms. Spellberg told me the novel is a “very ugly, stupid piece of work.” The novel, for example, includes a scene on the night when Muhammad consummated his marriage with Aisha: “the pain of consummation soon melted away. Muhammad was so gentle. I hardly felt the scorpion’s sting. To be in his arms, skin to skin, was the bliss I had longed for all my life.” Says Ms. Spellberg: “I walked through a metal detector to see ‘Last Temptation of Christ,’” the controversial 1980s film adaptation of a novel that depicted a relationship between Jesus and Mary Magdalene. “I don’t have a problem with historical fiction. I do have a problem with the deliberate misinterpretation of history. You can’t play with a sacred history and turn it into soft core pornography.”

অতপর সার্বিয়ার এক প্রকাশনী দায়িত্ব নিয়ে শুরু করে এর প্রকাশনীর কাজ। এবার আসা যাক উপন্যাস সম্পর্কে altmuslim.com কে দেয়া লেখিকার একটি
সাক্ষাৎকারের কিছু চুম্বক অংশ ।

Did you prepare yourself for such a reaction?

Well, I did anticipate controversy. I consciously envisioned myself, for example, reading my book in a bookstore on a book tour and having people challenge the things I had written, or challenge my perceptions of Islam. I didn’t think much about people who didn’t like Muslims. Mostly I was aware of the sensitivities of Muslims. Because I have altered the historical record, the historical narrative.

I have done things like put a sword in Aisha’s hand. I have depicted this ancient culture, about which so little has actually been written… a lot of it was derived from my imagination. The characters themselves, many of the wives, there is so little known about them and their personalities. So I gave personalities to these women, whether they were actually like that or not. Who knows?

But I did all this in the service of what I see as a truth. My truth - this is my vision of what things would have been like based on my own experiences and my own research and my own intuition and observations of human nature. I’m very sure of the work I’ve done and the choices I’ve made. I know why I did everything I did in that book. Maybe at the time I was doing it I wasn’t always sure, but I revised this book seven times.

লেখাটি কে লেখিকা একটি Historical fiction হিসেবে দেখাতে চেয়েছেন ।

এই ফাঁকে আসুন একটু চোখ বুলিয়ে নেই Historical fiction আসলে বিষয়টি কি?

Historical fiction- Definition

Historical fiction presents readers with a story that takes place during a notable period in history, and usually during a significant event in that period.
Historical fiction often presents actual events from the point of view of people living in that time period.
In some historical fiction, famous events appear from points of view not recorded in history, showing historical figures dealing with actual events while depicting them in a way that is not recorded in history. Other times, the historical event complements a story’s narrative, occurring in the background while characters deal with events (personal or otherwise) wholly unrelated to recorded history. Sometimes, historical fiction can be for the most part true, but the names of people and places have been in some way altered.

As this is fiction, artistic license is permitted in regard to presentation and subject matter, so long as it does not deviate in significant ways from established history. If events should deviate significantly, the story may then fall into the genre of alternate history

এবং এই Historical fiction এর আড়ালে খুব সুক্ষভাবে তিনি চেষ্টা করেছেন একটি বিশেষ ধর্মের বিশেষ কিছু চরিত্রকে একজন লেখকের artistic license এর ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ইচ্ছেমত বিকৃত করতে ।

এবং এর প্রমান তিনি নিজেই সাক্ষাৎকারের প্রথম চিন্হিত অংশে উল্লেখ্য করেছেন।

২য় চিন্হিত অংশে তিনি নিজেই স্বীকার করলেন এই উপন্যাসের বেশীরভাগ অংশে তিনি নিজের কল্পনাকে ব্যবহার করেছেন কারন হিসেবে তিনি ইতিহাসের বর্ননার সীমাবদ্ধতাকে উল্লেখ করেন ।

কিন্ত কল্পনার রং চড়িয়ে তিনি ইতিহাসকে তার বইয়ের অনেক অংশে বিকৃত করে ছেড়েছেন।,

এবার আসুন লেখিকার কাহিনী সম্পর্কে আমরা ইতিমধ্যে আমাদের এক ব্লগারের অনুবাদের কিছু অংশ থেকে জানতে পেরেছি সাফওয়ানের সাথে যখন বিবি আয়েশা (রঃ) যখন মদীনায় প্রবেশ করছিলেন তখন নাকি চারিদিকে কেলেন্কারীর খবর শুনে
“ক্লান্তিতে আমার চোখ বন্ধ হয়ে আসল, নিজের অজান্তে আমার মাথা হেলে গেলো সাফওয়ানের চওড়া কাদে। “

উপন্যাসে এসেছে এইভাবে
I let my eyelids fall shut, avoiding my reflection in the stares of my umma, my community. I licked my cracked lips, tasting salt and the tang of my wretchedness. Pain wrung my stomach like strong hands squeezing water from laundry, only I was already dry. My tongue lolled like a sun-baked lizard. I rested my cheek against Safwan’s shoulder, but the horse’s trot struck bone against bone.

নেকলেস হারানোর ঘটনাটি বুখারী হাদিস থেকে বিবি আয়েশার নিজে বর্নিত ঘটনাটি পড়লে এই বিষয়ে পরি্ষ্কার ধারনা করা যায় ।
Volume 5, Book 59, Number 462:

কারন
ঘটনাটি লেখিকা এমন ভাবে বর্ননা করেছেন যেন মনে হচ্ছে বিবি আয়েশা (রঃ)যেন সাহাবী সাফওয়ানের (রঃ) সাথে মদিনা শহরে প্রবেশ করছেন । কিন্ত বিবি আয়েশা (রঃ) নিজে বুখারী হাদিসে বর্ননা করেছেন তিনি যখন সাহাবী সাফওয়ানের সাথে ফিরে আসছিলেন তখন মদীনার অদুরে প্রখর রোদ্রে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বিশ্রামরত সেনাবাহিনীর সাথে তিনি মিলিত হন ।

এবং বিবি আয়েশা (রঃ) যখন সাহাবী সাফওয়ানের (রঃ) সাথে ফিরে আসছিলেন মদীনার পথে তখন তিনি ছিলেন উটের পিঠে আর উটের রশি ধরে হেঁটে আসছিলেন সাহাবী সাফওয়ানের (রঃ) । এবং পর্দা প্রথা বা নবী পত্নীদের মুখ ঢাকার আয়াত নাজিলের পূর্বে এই ঘটনা ঘটে বলে সেদিন সাহাবী সাফওয়ানের (রঃ) সৌভাগ্য হয়েছিল বিবি আয়েশাকে একবার দেখার এবং চিনতে পারার এবং বিবি আয়েশা (রঃ) সাহাবী সাফওয়ানের কন্ঠস্বর শুনে তারপর পরই মুখে পর্দা দিয়ে ঢেকে নেন ।

এবং যেখানে সাহাবী সাফওয়ানের (রঃ) সাথে একাকীভাবে মদীনায় প্রবেশ তিনি করেন নি সেখানে

“ক্লান্তিতে আমার চোখ বন্ধ হয়ে আসল, নিজের অজান্তে আমার মাথা হেলে গেলো সাফওয়ানের চওড়া কাদে। “

এই লাইনটির প্রশ্নই আসেনা এবং এই লাইনটি শুধু লেখিকার দ্বারা স্বয়ং নির্লজ্জ মিথ্যার প্রান্জলতা তো নয় বরং এটা অপরদিকে নবীজী পত্নীর জন্য এক অশোভন উক্তি।

As this is fiction, artistic license is permitted in regard to presentation and subject matter, so long as it does not deviate in significant ways from established history. If events should deviate significantly, the story may then fall into the genre of alternate history

বিষয়টি কি ভেবে দেখবার নয় ? এই artistic license নামে লেখিকার কি কোন অধিকার আছে এই ধরনের ঘটনার অবতারনা করা যা ইতিহাসে উল্লেখ্য নেই এবং যেখানে একাকী মরুভূমির মত স্হানেও কোনপ্রকার গর্হিত অপরাধ থেকে তারা দুজনে ছিল মুক্ত এবং যেখানে বিবি আয়েশা (রঃ) নিজ বর্ননায় পাওয়া যায় যে তিনি উঠের পিঠে এবং লাগাম ধরে সাহাবী সাফওয়ান (রঃ) বিশ্রামরত সেনাদলের সাথে মিলিত হন । সেখানে তিনি কিভাবে artistic license এর বদৌলতে সম্পূর্ন ঘটনাটি বদলে দেন এইভাবে । এবং এখানেই তিনি ক্ষান্ত হননি বিবি আয়েশা (রঃ) এমন এক ব্যক্তির কাঁধে মাথা রাখালেন তার বর্ননায় ,যার ফলে বিবি আয়েশার চরিত্র উনি কতটুকু উজ্জল করলেন তা একজন সাধারন মুসলিম মাত্র ই বুঝতে পারবে।

আর কলংকের রটনা বিবি আয়েশা (রঃ) মদীনা প্রবেশের আরো পরে জানতে পারেন অথচ এখানেও ইতিহাস বিক্বতি ।

Yeah, that’s the term I heard…

It’s so funny! You know, really when I wrote this book, I was asked by various publishers, when people were considering making an offer on my book last year, “Who is your audience?” I always said my main audience is going to be Western women because I felt like Muslims already know these stories. In the West, people don’t know who Aisha is. People don’t know these stories and they’re wonderful stories. I think they’re stories from which we can all gain inspiration in terms of how to live better lives.

লেখিকা অপর এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন তার এই উপন্যাসের কাহিনী যেহেতু অধিকাংশ মুসলিম নরনারীর জানা আছে তাই তিনি মনে করেন এর মূল পাঠক হবে পশ্চিমা নারীরা।

তাহলে প্রশ্ন আসে স্বাভাবিক ভাবে একজন পশ্চিমা নারী পাঠক যখন তার উপন্যাসটি পড়বে তখন তার পক্ষে কি বোঝা সম্ভব কোনটি ইতিহাস থেকে নেয়া এবং কোনটি লেখিকার নিজস্ব কল্পনায় লেখা ।

তার পক্ষে কি কখনও কি জানা সম্ভব হবে যে নবীজি পত্নী সাহাবী সাফওয়ানের সাথে ঘোড়ার পিঠে মদীনা শহরে এভাবে প্রবেশ করেননি । আর সাফওয়ানের ঘাড়ে মাথা এলিয়ে দেয়া এটা যেমন একজন পশ্চিমা লেখিকার জন্য কল্পনা করা খুবই স্বাভাবিক বলে মনে হয় । একইভাবে পশ্চিমা পাঠকদের জন্য এটা কোন অপমানকর নাহলেও ।একজন মুসলমান মাত্রই জানে এই আচরন(একজন পরপুরুষের ঘাড়ে একজন বিবাহিত নারীর মাথা এলিয়ে দেয়া) একজন মুসলিম নারীর জন্য কতটুকু অশোভন এবং আপত্তিকর । এবং এই ধরনের কল্পিত ঘটনার নায়িকা যদি স্বয়ং নবী পত্নীকে বানানো হয় সেটা লেখিকার artistic license এর অধিকার কে লংঘিত করেকিনা আমার প্রশ্ন ?


আরেকটি প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন

Would it be safe to say that whatever literary license you took – I’ll give an example, the choosing of Safwan as a suitor for Aisha – is that in the service of telling a larger or broader truth or story?

Exactly. I hate to tell people what they should think of my book. Reader response is a dialogue between the writer and reader. I write it and you read it and everyone takes something different. In a way, I hate to talk about my book with these abstract terms because it’s like I’m telling you what you should read into the text.

But since this prologue has been so controversial, because of the insinuation that Aisha was maybe tempted and because we all know that Aisha wasn’t really engaged to Safwan – as a young girl she was actually engaged to someone else – this is a good example of how I made changes to service the story.

Aisha – the story is about her empowerment as a woman. Going from being a young girl who was married off by her parents. Her father – she was his property, essentially, even though he and Aisha had a very close and loving relationship. Still, she was his property to marry off to enhance his own status as Muhammad’s chief advisor and closest companion. She transcended that cultural limitation of being considered the property of men to become this powerful, empowered woman.

And so, I wanted to have her as a young girl, because of the culture she was in, wanting to be saved, wanting to be rescued from this situation of not having the power to make her own choices and not having the power to control her destiny. So, for her and Safwan, I made them childhood playmates. He is the one she focuses on as someone who can rescue her.

আসুন এবার লেখিকার এই উত্তরে । প্রথম চিন্হিত অংশে তিনি নিজেই স্বীকার করলেন যে we all know that Aisha wasn’t really engaged to Safwan – as a young girl she was actually engaged to someone else – this is a good example of how I made changes to service the story.
তাহলে প্রশ্ন আসে সেক্ষেত্রে কি তিনি কল্পিত ঘটনার অবতারণা করে বিবি আয়েশা (রঃ) চরিত্রকে কলংকিত করার চেষ্টা করলেন না ? আরেকটি দিক হচ্ছে যেই বিষয়টি ইতিহাস স্বীক্বত নয় তাহলে উনি কিভাবে সেটা তার উপন্যাসে স্হান দেন।
আর সবচাইতে দুঃখজনক এবং চিন্তার বিষয় হচ্ছে তিনি পশ্চিমা নারী পাঠকদের মাঝে বিবি আয়েশা (রঃ) সম্পর্কে কি ভূল তথ্য সরবারহ করছেন না ?

এবার আসা যাক লেখিকার ৬ বৎসরের সাধনায় তিনি কিভাবে চিত্রায়িত করেছেন আরবের কালচার বা সংস্কৃতিকে ।
প্রথমে আসা যাক খুব সাধারন একটি বিষয় । কারন মানুষের মনের ভাব বা আসল উদ্দেশ্য যখন সে আড়াল করতে চায় তখন কিন্ত তার ছোট ছোট ভুল বা আচরন অনেক কিছু প্রকাশ করে দেয় ।

“Thank al-Lah you have made it home safely, my A’isha,” he murmured.

“Where, by al-Lah, have you been? Why were you alone with a man
who is not your husband?”

“See how she shames al-Lah’s holy Prophet!” he cried. “Galloping through the center of town with her hands on another man and her hair waving like a harlot’s dress.”

উপরের সবকটি লাইন সরাসরি উপন্যাসের পাতা থেকে দেয়া হল । লক্ষ্য করুন ইংরেজীতে আমরা যখন আল্লাহ লেখি তখন লেখি ALLAH not AL-LAH

বর্তমানে আল্লাহ এমন একটি শব্দ যেটা শুধু মুসলিম নয় অমুসলিম সবাই জানে কিভাবে এটা ইংরেজীতে লেখতে হয় । আর যে অমুসলিম দীর্ঘ ৬ বৎসর যাবৎ ইসলামী ইতিহাস নিয়ে পড়াশুনা করেছে তার পক্ষে কি এটা ভুল না ইচ্ছাকৃত ভূল নাকি ৭ বার রিভাইসের(লেখিকার ভাষ্যমতে) পর প্রতি পাতায় টাইপিং মিসটেক । বিচারের ভার পাঠকের হাতে ছেড়ে দিলাম।

আপনার নাম যদি কেউ জানার পর ইচ্ছাকৃত ভাবে বিকৃত করে উচ্চারন করে তাহলে তার মনোভাব কতটুকু ইতিবাচক সে সম্পর্কে আপনার মনে প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক যেমন এই বিষয়টি।

এবার আসা যাক আরো কিছু প্রথাগত বিষয় । লেখিকার ৬ বৎসরের সাধনায় তিনি তার উপন্যাসে লেখেন….।

উপন্যাসে এসেছে এইভাবে

“A’ishah, “Both of them bowed to Muhammad…”

“A man with a black face as shiny as his bald head bowed before us: Bilal.” And when he walks in on his wife Sawdah preparing the food, “Muhammad greeted her with a deep bow.” `A’ishah gives the Prophet “a respectful bow.”

সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে ইসলাম ধর্মে এই bow বা মাথা নুইয়ে সম্মান জানানো বা কূর্নিশ প্রথা রাসুল্লাহর আমল থেকে আরবে এটা নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়েছিল ।মুসলমান একমাত্র নামাজে আল্লাহর সামনে মাথা নত করে। আর কেউ যখন রাসুলুল্লাহের কাছে কোন সমস্যা নিয়ে আসতো তখন রসুলুল্লাহ তার সমস্যা আগ্রহ নিয়ে শোনার জন্য তার কাছে ঝুকে তার সামনাসামনি বসতেন।

এই ধরনের ভুলগুলো আসলে প্রশ্ন তোলে লেখিকার পরিশ্রম সম্পর্কে । একইসাথে artistic license এর অপব্যবহারের মাধ্যমে এই উপন্যাস কে Historical fiction ক্যাটাগরিতে না ফেলে বরং স্বস্তা ভায়োলেন্স এবং সেক্স উপজীব্য একটি কাল্পনিক কাহিনী বলা ভুল হবেনা । যা ইতিমধ্য প্রফেসর স্পেলবার্গ তার মন্তব্যে বলেছেন ।

এবং এই বইটির বিষয়ে বারবার লেখিকা একটি কথাই বলেছেন তিনি নাকি এই উপন্যাসের মাধ্যমে বিবি আয়েশা এবং রাসুলুল্লাহর পজিটিভ দিকগুলি তুলে ধরতে চেয়েছেন । কিন্ত তার ইতিহাস বিকৃতি, মিথ্যা কাল্পনিক কাহিনীর সন্নিবেশ এবং ৬ বৎসরের পড়াশোনা দ্বারা অর্জিত ইসলামী এবং আরবের তৎকালীন সংস্কৃতি সম্পর্কে তার জ্ঞানের দৌড় দেখে তার মনোভাব সম্পর্কে সন্দিহান না হয়ে পারা যায়না ।

উপসংহারে বলা যায় এই বইটি সম্পর্কে একটা আগ্রহ প্রথমে তৈরী হয়েছিলো। কিন্ত লেখিকার লেখনীতে পরিষ্কার বোঝা যায় বিখ্যাত বা রাতরাতি ধনী লেখকদের খাতায় নিজের নাম লেখার জন্য এই উপন্যাসের অবতারণা করেছেন তিনি । আর এই স্পর্শকাতর বিষয়টি নিয়ে যতই মুসলমানদের খোঁচানো যাবে ততই বেস্ট সেলারের তালিকায় এই বইটির স্হান উপরে উঠতে থাকবে ।
তাই এ ধরনের লেখিকাদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্হান নেয়ার জন্য মুসলমানরা যদি গতানুগতিক ভায়োলেন্স এর সাহায্য নেয় ,তাহলে সেটা লেখিকার উদ্দশ্যকে আরো সফল করে তুলবে ।

এক্ষেত্রে আমি মনে করি এধরনের লেখকদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরুপ তাদের দূর্বল স্হানে অর্থাৎ তার উপন্যাসকেই আঘাত করা উচিত । এই ইন্টারনেটের যুগে সেটা খুব সহজেই করা সম্ভব । তার এই উপন্যাসকে পিডিএফ ফরম্যাটে ই-মেইলের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবে এবং ই-বুক ওয়েবে ডাওনলোড করে দিলে খুব সহজেই এই বইয়ের কাটতি কমে আসবে । এছাড়া সুস্হ বিতর্কের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনাগুলো তুলে ধরা যেতে পারে। আশা করি অচিরেই এই বইটি পিডিএফ আকারে পাওয়া যাবে ।

আমি পেলে আপনাদের দিতে ভুলবোনা
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28854196 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28854196 2008-10-13 15:05:39
বুশের বেহেশত যাত্রা ...।
জাজমেন্ট ডে মানে (বাংলায় শেষ বিচার) শেষে সবাই মুভ করছে কেউ স্বর্গে আর কেউ নরকে । তো বুশের বাপ সিনিয়র বুশরে গড দোজখে ফিট করার পর আর জায়গা না পায়া স্লিপ অব ট্যাং এন্ড মাইন্ডের ফলে ভুল কইরা ছোট বুশরে বেহেশতে চালান কইরা দিসে ।

এই খবর শুইনা বেহেশতে তো এন্জেলদের মইধ্যে কান্নাকাটি পইড়া গেসে । যাই হোক কি আর করা গড পারমিশন দিলে তো তাগো কওনের কিছু থাকেনা । তাই বেহেশতের গেইটে যে এন্জেল দারোয়ানের ডিউটি করে সে বহুত মন খারাপ কইরা যেই ঢুকে তারে হেভী চেক করা শুরু কইরা দিসে ।

বেহেশেত প্রথমে যেই ঢুকতে গেসে লিওনার্দো দ্যা ভিন্চি তারে ঐ দারোয়ান এন্জেল থামায় দিয়া জিগায়: আপনে কে ?
লিওনার্দো দ্যা ভিন্চি : আমি লিওনার্দো দ্যা ভিন্চি আমারে চিনোনা !
ভিন্চিতো ভারী মাইন্ড খাইসে যে তার মত শিল্পী রে বেহেশতের এন্জেল চিনে না তাজ্জিব কা বাত!
কিন্ত এন্জেলের মন খারাপ বুশ আইতাসে হেইর লাইগ্যা ।তাই এন্জেল উল্টা জিগায় :আপনে যে ভিন্চি তার কোন প্রমান আছে ?

ভিন্চি এন্জেলের মুড দেইখ্যা কথা না বাড়ায় তারাতারি ব্যাগ থেইক্যা রং তুলি আর ক্যানভাস বাইরা কইরা কয়েকটানে মোনালিসার ছবি আইক্যা একটা ক্লোজআপ মার্কা হাসি দিয়া কইল :এইবার কি বস বিশ্বাস করছেন যে আমিই লিওনার্দো দ্যা ভিন্চি।

এন্জেল কোন কথা না কইয়া ভিন্চির হাতে গেটপাস দিয়া ঢুকায় দিলো বেহেশতে ।এই ক্যাচালের মধ্যে পিছনে একটা বড় লাইন দাড়ায় গেসে । এরপর টার্ন ছিলো পাবলো পিকাসো তো সে ছিলো হেভী চালাক এরই মাঝে সে কয়েকটা ছবি আইক্যা মোটামুটি একটা এগজিবিশন নিয়া দাড়ায় গেসে ।তো এন্জেল ছবি দেইখ্যা শিওর হইয়া হেরেও গেটপাস দিয়া ঢুকায় দিলো।

এরপরে ছিলো মাইকেল জ্যাকসন সে তাড়াতাড়ি গান ধরলো তার থ্রিলার এলবামের হেরেও এন্জেল গেইটপাস দিয়া দিলো । লম্বা সেই লাইনের সবাইরে এরকম কিছুনা কিছু প্রমান দিয়া ঢুকতে হইলো বেহেশতে ।

লাইনের সবশেষে ছিলো বুশ সে আইলো তাও ঝিমাইতে ঝিমাইতে ।
আওনের পর এন্জেল হেরে জিগাইলো আপনে কেডা ?
বুশ : আমি জর্জ বুশ ।
এন্জেল আবার জিগায় : কোন প্রমান আছে যে আপনেই জর্জ বুশ।
বুশ মাথা চুলকায়া কয় এইটার আবার পর্মান কি ?কইলাম না আমি জর্জ বুশ ঢুকতে দেন ।
এন্জেল কয় : আপনে কি কানা দেখেন নাই । আপনার আগে যারা আইসে সব প্রমান দিয়া তারপর ঢুকসে । আপনার ল্যাইগাও সেম নিয়ম ।
বুশ কয়: কই কে কে ঢুকসে ?

এন্জেল কয় : কে লিওনার্দো দ্যা ভিন্চি মোনালিসা আইক্যা ।

বুশ: হেইটা আবার কোন ব্যাটা, মোনালিসা খায় না পড়ে ।

এন্জেল কয় : পাবলো পিকাসো ?

বুশ : এইটা কি ?

এন্জেল: মাইকেল জ্যাকসন ?

বুশ : বুঝলাম না ।


এন্জেল : যাক বাবাহ ! এইবার শিওর হইলাম আপনেই বুশ ।




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28849702 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28849702 2008-09-30 14:00:17
পৃথিবী কি আরেকটি স্নায়ুযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে !!! (২য় পর্ব) ১ম পর্বের পর


এবার আসা যাক রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতা বিষয়টি । সবে শেষ হওয়া জর্জিয়ার যুদ্ধের ফলাফল বিচার করলে হয়ত অনেকে ধারনা করতে পারেন যে রাশিয়া সামরিক দিক থেকে আবার আগের অবস্হানে ফিরে আসতে শুরু করেছে। এবং আপাতদৃষ্টিতে এরকম ভাবাটা স্বাভাবিক হলেও প্রকৃত পক্ষে বিষয়টি ভিন্ন । জর্জিয়ার যুদ্ধে রাশিয়ার অনেক সীমাবদ্ধতা লক্ষ্য করা গেছে




দক্ষিন ওসেটিয়ার যুদ্ধে রাশিয়ার সৈন্যবাহিনীর শীর্ষ কমান্ডার লেফটেনেন্ট জেনারেল এনাতলী কুর্লভ যুদ্ধে আহত হয় এবং তাকে অনেক কষ্টে যুদ্ধেক্ষেত্র থেকে উদ্ধার করা হয়।এই ঘটনাটি থেকে একটি বিষয় বেশ পরিষ্কার বোঝা যায় যে তাদের বাহিনীর ভেতর বেশ দূর্বলতা আছে যেখানে তারা তাদের বাহিনীর শীর্ষস্হানীয় কমান্ডারের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এছাড়া যুদ্ধের শুরুতে রাশিয়া বেশ কটি যুদ্ধ বিমান জর্জিয়ার এন্টি এয়ারক্র্যাফট গানের (বিমান প্রতিরক্ষা কামান) গোলায় ধরাশায়ী হয় । কারন বিমান গুলো ছিলো বেশ পুরোনো ।তাছাড়া বিমান থেকে যে বোমা নিক্ষেপ করা হয় সেগুলোর অনেকগুলো মেয়াদকাল ছিলো সময় উত্তীর্ন ।



চিত্রে : জর্জিয়ার যুদ্ধে ব্যবহৃত একটি রাশিয়ান যুদ্ধ বিমান Tupolev Tu-22M ।এই রকম একটি বোমারু বিমানকে জর্জিয়া ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছিলো ।

চিত্রে : জর্জিয়ার যুদ্ধে ব্যবহৃত একটি রাশিয়ান যুদ্ধ বিমান Russian Sukhoi Su-25।এই রকম আরো একটি বোমারু বিমানকে জর্জিয়া ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছিলো ।

তাদের ব্যবহৃত বেতার ব্যবস্হা ছিলো বেশ সেকেলে ।এবং কোন কোন ক্ষেত্রে তাদের মোবাইল ফোনের উপর ভরসা করতে হয় ।যা কিনা প্রচলিত যুদ্ধের পরিপন্হী এবং নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকী স্বরুপ ।যুদ্ধে তাদের ব্যবহৃত নাইট ভিশন গগলস এবং অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্র গুলো ছিলো বেশ সেকেলে ।



চিত্রে : জর্জিয়ার অভিমুখে রাশিয়ান বাহিনীর অগ্রাভিযান



তারপরও রাশিয়ার অতি অল্প সময়ে জর্জিয়ার যুদ্ধের সাফল্য পেছনে কাজ করছে রাশিয়ার ৫৮ আর্মির প্রশিক্ষিত সৈন্যদল এবং দীর্ঘদিন চেচনিয়ায় লড়াইরত প্রশিক্ষিত যুদ্ধবাজ সৈন্যদলের ব্যাপক অংশগ্রহন। এবং অধিক সংখ্যক আর্টিলারী গান এবং প্রচলিত মিসাইলের ব্যবহার ।






যদিও দক্ষিন ওসেটিয়ার মিলিশিয়ারা ব্যাপক হত্যা লুটতরাজ চালিয়েছিলো । কিন্ত যুদ্ধের সাফ্যলে তাদের তেমন কোন অবদান ছিলোনা । সেকেলে অস্ত্রর ব্যবহার করেও কেবল মাত্র সংখ্যাধিক্যতা এবং প্রশিক্ষিত সৈন্যদল এবং সঠিক যুদ্ধপরিকল্পনার কারনে অতি অল্প সময়ে রাশিয়ান বাহিনী জর্জিয়ার রাজধানী তিবলিসের ৪০ কিঃমিঃ দূরত্বে অবস্হান নিতে সক্ষম হয়।








এখানে একটি চার্টের মাধ্যমে জর্জিয়া যুদ্ধে অংশগ্রহনকারী দু পক্ষের সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হল ।এই চার্ট দেখে সহজে অনুমেয় যে শত সীমাবদ্ধতা থাকা স্বত্তেও শুধুমাত্র সংখ্যাধিক্যতার জন্য এই যুদ্ধে রাশিয়া অতি দ্রুত জয়লাভ করে ।



রাশিয়ার বর্তমানে একটি মাত্র বিমানবাহী রণতরী "এডমিরাল কুজনেস্তভ "আছে এবং সেটা বেশ দীর্ঘদিন যাবৎ বড় ধরনের কোন মহড়া অংশগ্রহন থেকে বিরত আছে । এবং আরেকটি চমকপ্রদ বিষয় হচ্ছে পূর্বের সোভিয়েত ইউনিয়নের সব বিমান বাহী রণতরী তৈরী হত বর্তমানের ইউক্রেনে ,যা কিনা এখন একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র।এবং রাশিয়ার বর্তমানে সবেধন নীলমনি এই এডমিরাল কুজনেস্তভ এর মেয়াদকাল ধরা হয়েছে আগামী ২০৩০ বছর ।



রাশিয়ার বর্তমানে একটি মাত্র বিমানবাহী রণতরী "এডমিরাল কুজনেস্তভ"


তাই রাশিয়া এখন বর্তমান বাজেটের উপর ভিত্তি করে পরিকল্পনা করছে আরো নতুন ৬ টি বিমান বাহী রণতরী । যা কিনা আগামী ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে রাশিয়ার নৌবহরে যুক্ত হবে বলে আশা করছেন বর্তমান রাশিয়ার নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল ভ্লাদিমির মাসোরিন । তিনি আরো বলেন বর্তমানে একটি বিমানবাহী রণতরী টির সাথে আরেকটি নতুন রনতরী যুক্ত হবে আগামী ২০১৫ সালের মধ্যে । আর এদিকে আমেরিকা এই বছরে তাদের ১৩ তম বিমানবাহী রণতরী কে কমিশন দেয়ার পরিকল্পনা করছে ।


চলবে...।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28848374 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28848374 2008-09-27 02:20:33
পৃথিবী কি আরেকটি স্নায়ুযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে !!! (১ম পর্ব)
এই পরিবর্তনের ঢেউ যে আছড়ে পড়বে বিশ্ব রাজনীতিতে অচিরেই সেটা অনুধাবন করা গিয়েছিল যখন ইউরোপে রাশিয়ার কর্তৃত্ব খর্ব করার জন্য আমেরিকা কসোভোকে নিজে স্বীকৃতি দেয় এবং বেশ কিছু দেশকে তার রাস্তা অনুসরন করতে প্রভাবিত করে ।

একইভাবে নিজ কর্তৃত্বকে সুসংহত করতে পুরো ইউরোপ জুড়ে সন্ত্রাসবাদের দোহাই দিয়ে নিজ রাষ্টের নিরাপত্তা বজায় রাখতে এবং একইভাবে রাশিয়া ও শত্রু রাষ্ট্র গুলোকে কব্জায় রাখতে আমেরিকা ইউরোপের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন স্হানগুলোতে ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরক্ষা বুহ্য তৈরী করার পরিকল্পনা করে । এবং এ লক্ষ্যে তারা পোলান্ড সহ বেশ কটি দেশের সাথে চুক্তি করেছে বা করতে যাচ্ছে । যদিও এ বিষয়ে প্রথম থেকে রাশিয়া তীব্র বিরোধিতা করে গেলেও তাতে বিন্দুমাত্র কর্নপাত না করে স্রেফ গায়ের জোড়ে আমেরিকা এই কার্যক্রম কে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ।






এরই জের ধরে একসময় আমেরিকার প্রচ্ছন্ন ইশারায় জর্জিয়ার মত দেশ দক্ষিন ওসেটিয়ায় সামরিক অভিযান চালায় সেখানকার বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে ।কিন্ত রাশিয়ার তড়িৎ সমরিক হস্তক্ষেপ আমেরিকার সমস্ত পরিকল্পনাকে বানচাল করে দেয় । যার ফলে জর্জিয়াকে নিজ নির্বুদ্ধিতার কারনে প্রয়োজন মুহূর্তে একা একা মার খাওয়া ছাড়া আর কিছুই করার ছিলোনা । আমেরিকা তার বন্ধু রাষ্টগুলোর কাছে নিজের গ্রহনযোগ্যতা যাতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয় । সে কারনে জর্জিয়াকে সাহায্য না করলেও শেষ মুহূর্তে সে নিরাপত্তা পরিষদে জর্জিয়ার সার্বভৌমত্ব যাতে ক্ষুন্ন না হয় সেদিকে এখন নজর দিয়েছে।এবং রাশিয়ার হাত থেকে জর্জিয়াকে রক্ষা এবং রাশিয়ার সন্নিকটে ন্যাটোর সামরিক ঘাঁটি স্হাপন করার জন্য জর্জিয়াকে ন্যাটোর অর্ন্তভূক্তি করার সবার্ন্তকরনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ।কিন্ত পরিস্থিতি এখন জর্জিয়ার প্রতিকূলে বলেই আপাতত প্রতীয়মান হচ্ছে । একদিকে যেমন আমেরিকা তথা ইউরোপ চাচ্ছে জর্জিয়াকে ন্যাটো বলয়ে অর্ন্তভূক্তি করে রাশিয়ার উপর চাপ সৃষ্টি করার অন্যদিকে রাশিয়া এই বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ঘোর আপত্তি জানিয়ে আসছে।




অন্যদিকে রাশিয়া যে স্রেফ ধোঁয়া তুলসী পাতা সেটা বললে সত্যকে অস্বীকার করা হবে । কারন জর্জিয়ার উপর শেন্য দৃষ্টি রাশিয়ার অনেকদিন আগে থেকেই ছিল । এবং দক্ষিন ওসেটিয়ার উপর জর্জিয়ার অগ্রাসনের আগে থেকেই এই ওসেটিয়ায় বিচ্ছিন্নতা বাদীদের পেছনে ইন্ধন যুগিয়ে যাচ্ছিল মস্কো । ৭০,০০০ জনসংখ্যা অধ্যুষিত এই দক্ষিন ওসেটিয়াকে জর্জিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন করার মাধ্যমে ধীরে ধীরে আবার সোভিয়েত ইউনিয়নের পূর্বের অবস্থাকে ফিরিয়ে আনার একটা চেষ্টা এই বর্তমান পুতিন সরকার জোড় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কারন এক ভাষনে এই পুতিন বলেছিলেন যে সোভিয়েত ভেংগে যাওয়া ছিল বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় একটি দূর্যোগ । এর সূত্র ধরে পরবর্তীতে রাশিয়ান নেতৃত্ব মতপ্রকাশ করেন যে ইউক্রেনের একটি অংশ ক্রিমিয়া আসলে রাশিয়ার সাথে সংযুক্ত হওয়া উচিত । এই ধরনের মন্তব্য এবং আচরন অনেক আগে থেকেই ক্রমে ক্রমে হুমকী হিসেবে রুপ নিচ্ছিল রাশিয়ার ক্ষূদ্র প্রতিবেশী দেশ ইউক্রেন এবং জর্জিয়ার জন্য।



একইভাবে মলডোভার বিচ্ছন্ন হওয়ার পেছনে মস্কোর হাত ছিলো ।এবং মস্কো সরকার ধীরে ধীরে মধ্য এশিয়ার বিচ্ছিন্ন হওয়া পূর্বের সোভিয়েত রাষ্ট্রর অংশ যেমন কাজাকিস্তান ,উজবেকিস্তান এসব দেশগুলোকে অর্থনৈতিক ভাবে বিচ্ছিন্ন করে তাদেরকে ধীরে ধীরে রাশিয়ার পদাংক অনুসরন করানোর একটা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল । এমন কি বাল্টিক রাষ্ট্র সমূহ যেমন লাটভিয়া, লিথুনিয়া এবং এস্তোনিয়া এই দেশগুলো কে ক্রমান্বয়ে রাশিয়া বিভিন্ন ভাবে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে বহিঃবিশ্ব থেকে আলাদা করার চেষ্টা করছে। এবং এই সবকিছুর পেছনে কাজ করছে সোভিয়েত রাশিয়ার তথা পুতিন সরকারে পূনেত্রীকরনের নকশা ।


চলবে.. ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28848086 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28848086 2008-09-26 12:24:53
ব্রেকিং নিউজ


ব্রেকিং নিউজ





৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ০৭:০০
রোজা কবে হবে তা নিয়ে সবাই চিন্তিত , জানতে চাইলেন অনেকেই ........ তাই প্রচার করা হল ব্রেকিং নিউজ..... .... ...।

সরকার : বড় বড় রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনা না করে , কবে থেকে রোজা তার সির্ধান্ত দেবেন না ।

ইসি বলেছেন : রোডম্যাপ অনুযায়ী রোজা অনুষ্ঠিত হবে ।

সেনাপ্রধান বলেছেন : রোজা নিয়ে সেনাবাহিনীর কোন মাথা ব্যাথা নেই । তবে যথাসময়ে সেহরী ও ইফতার খেতে জনগনকে সহায়তা দেবে সেনাবাহিনী ।

দুদক চেয়ারম্যান বলেছেন : কোন দূর্নীতিবাজদের সেহরী খেতে দেয়া হবেনা ।

কারা কর্তৃপক্ষ বলেছেন : ইফতারী ও সেহরীর সকল প্রস্ততি সম্পন্ন , এখন শুধু সাইরেন আমাদের কানে এসে পৌছানোর অপেক্ষায় ।

এনবি আর চেয়ারম্যান বলেছেন : রোজা রাখলেও সেহরী এবং ইফতারীর কোন খাবার করমুক্ত রাখা হবেনা ।

ট্রুথ কমিশনের মতে : কেউ রোজা না রেখে স্বীকার করলে তাকে ইফতার পার্টি তে দাওয়াত দেয়া হবে ।

খাদ্য মন্ত্রনালয়ের জরুরী বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিং এ " বেশী বেশী ইফতারি খান সেহরীর উপর চাপ কমান "

"রোজা একান্ত ব্যাক্তিগত ব্যাপার .... ....। যার যখন থেকে ইচ্ছা তখন থেকে রাখবে " গোল টেবিল বৈঠক শেষে সুশীল সমাজ

ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ : আজকে থেকেই সেহরী খাওয়ার নির্দেশ দিতে সরকার কে অনুরোধ জানাবো । প্রয়োজনে পুলিশ নামিয়ে ... ...।

বি এন পি : দলীয় প্রধান ছাড়া রোজা অংশগ্রহন না করার সির্ধান্ত । সংস্কারপন্থী রা সরকারের সির্ধান্তের অপেক্ষায় ... ..। ..

আওয়ামী লীগের : প্রেসিডিয়াম সভা শেষে ঘোষনা দেয়া হবে তাদের দলের রোজা রাখা বা না রাখার সির্ধান্ত .. ... সুরন্জিত সেন গুপ্ত কে প্রধান করে কমিটি গঠন ।

এরশাদ : জোটবদ্ধ আছি .... ... জোটবদ্ধ থাকবো.... .... জোটপ্রধান বললে রোজা রাখবো ...... না বললে....নাই ।

জামায়াত : রোজা নিয়ে ব্রেকিং নিউজ .......!! জেহাদী জনতা কঠোর ভাষায় মন্তব্য লিখে এর সমুচিত জবাব দেবে ।


উৎস:
মেইল থেকে পাওয়া এই মজার পোস্ট টি সবার সাথে শেয়ার করলাম । যারা পড়েন নি এখনো মূলত তাদের জন্য ।

বিশেষ দ্রষ্টব্য : নিজ দায়িত্বে মাইন্ড খাবেন । জিনিষটা আমার না আমি কিছু জানিনা ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28841190 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28841190 2008-09-10 13:52:46
আমরা ও পারি - ২ প্রথম পর্বের পর

ধীরে ধীরে একটি অসম্ভব কাজ এগিয়ে যেতে থাকে পূর্নতার দিকে । এই বিশাল কর্মযজ্ঞের অংশ হিসেবে প্রথম অংশে প্রশিক্ষন । এই কর্মসূচীতে দেশে প্রথমবারের মত নির্বাচন কমিশন এবং সেনাবাহিনী একসাথে কাজ করে যা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি উজ্জল মাইলফলক। এই ইলেকট্রনিক রেজিষ্ট্রেসন পদ্ধতিতে কাজ করার জন্য সারা দেশ থেকে সংগ্রহ করা হয় ৩ লক্ষ ৯ হাজার তথ্য সংগ্রহকারী, ১লক্ষ ৪হাজার কম্পিউটার অপারেটর , ৬২হাজার সুপারভাইজর এবং ৬ হাজার অফিসার, কর্মচারী এবং টেকনিক্যাল সাপোর্টার ।সর্বমোট ১০,০০০ ল্যাপটপ ওয়েবক্যাম সংযুক্ত এবং ফিংগারপ্রিন্ট স্ক্যানার এই কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয় ।



প্রশিক্ষন চলে সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে দ্রুত গতিতে । রাত দিন অক্লান্ত পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে চলে প্রশিক্ষন পর্ব।
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজের ছাত্র ছাত্রীরা প্রমান করে তারাও কোন অংশে কম নয় । মনোবলের দিক থেকে তারা ও স্বল্প সময়ে প্রশিক্ষন শেষ করে সেনাবাহিনীর সদ্যসদের সাথে পাল্লা দিয়ে ভোটার কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়ে চলে দূর্বার গতিতে ।



জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সেনাবাহিনী তথা বাংলাদেশ স্বশস্ত্র বাহিনী এই বিশাল কর্মযজ্ঞে তার নিজস্ব অভিজ্ঞতার আলোকে বিভিন্ন প্রতিকূল পরিবেশে স্বেচ্ছাসেবী সংস্হা এবং এই কর্মযজ্ঞে অংশ নেয়া বেসামরিক সদ্যসদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ শুরু করে।

সাগর উপকূলীয় অন্চলে নৌবাহিনী তার নিজস্ব নৌবহর এবং নৌ সেনাদের নিয়োজিত করে যোগাযোগ এবং লজিস্টিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য ।



নৌবাহিনীর সহযোগিতায় সম্ভব হয় সাগরে অবস্হিত দূরবর্তী দ্বীপগুলোকে ভোটার কার্যক্রমের আওতায় আনা ।এছাড়াও দূর্গম এলাকাগুলিতে সম্ভব হয় জনসাধারনকে ভোটার হিসাবে অন্তভূর্ক্তি করার।








সেনাদের সাথে দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ হয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম এবং কষ্ট স্বীকার করে আমাদের ছাত্ররা এবং অন্যান্য বেসামরিক সদ্যসরা । তারা প্রমান করেছে যে ,মনে দেশের জন্যে আন্তরিকতা আর দেশপ্রেম থাকলে যে কোন কষ্ট হাসিমুখে সহ্য করা যায় অবলীলায় ।




রাত জেগে তারা ঘন্টার পর ঘন্টা কাজ করে গেছে তাদের সকলের এক এবং একটি অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য। এর প্রতিদানে তারা যে অর্থ পেয়েছে সেটাকে সম্মানী বললে খুব একটা ভুল হবেনা । বরং তাদের ত্যাগ এবং কষ্টর পরিমান প্রদেয় অর্থ দ্বারা বিচার করা সম্ভব না ।




এই কার্যক্রমে পিছিয়ে ছিলনা বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও ।বরং তাদের সীমিত সম্পদ এবং লোকবল নিয়ে তারা ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো এই অসাধ্য সাধনে । তাদের নিরলস সহযোগিতার কারনে সম্ভব হয় তথ্য সংগ্রকারীদের পার্বত্য অন্চলের মত দূর্গম এলাকায় গিয়ে এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখার । এবং এই প্রথমবারের মত ব্যাপক সংখক পার্বত্য অন্চলের অধিবাসীদের নাম ভোটার তালিকায় লিপিবদ্ধ করার ।



পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনী এবং স্হানীয় তথ্য সংগ্রহকারী দল সমান তালে এই দূরুহ কাজ কে এগিয়ে নিয়ে চলে সমান গতিতে ।







এ ছিল এক অভূতপূর্ব প্রতিযোগিতা যার লক্ষ্য একটাই । দেশের জন্য বিশেষ একটি কাজকে তার লক্ষ্যর দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া ।

চলবে ....।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28835487 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28835487 2008-08-27 10:18:08
আমরা ও পারি - ১


আমরা কথা বলতে ভালবাসি । আর তার চেয়ে বেশী ভালবাসি উপদেশ বিলি বন্টনে । আমরা ভালবাসি নতুন নতুন নীতি আর পদ্ধতি পরিকল্পনা প্রনয়নে কিন্ত বাস্তবায়নে আমরা নই । আমরা পারি সরকারের চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করতে ।কিন্ত নিজে কতটুকু দিচ্ছি দেশকে সেটা না হয় থাকুক উহ্য ।

আমরা ভালবাসি খুঁত ধরতে কিন্ত পারিনা প্রশংসা করতে । আমরা পছন্দ করি প্রতিবেশী দেশের দেশপ্রেমের কথা সগৌরবে বলত।কিন্ত পছন্দ করিনা নিজের দেশপ্রেমকে কাজে প্রমান করতে ।আমাদের ভাল লাগে কারও তোষামদির জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকতে । কিন্ত বিরক্ত লাগে জাতীয় পতাকাকে দাঁড়িয়ে সম্মান করতে । আমাদের ভাল লাগে যে কোন কাজের নেতিবাচক দিক নিয়ে আলোচনা করতে ।কিন্ত প্রচন্ড বিরক্তি ধরে কেউ যদি বিষয়টির ইতিবাচক দিক নিয়ে কথা বললে।


বেশ কিছুদিন আগে দেশে ঘটে গেল এক নিরব বিপ্লব । যদিও বিষয়টি আমাদের সবার জানা তবু অনেক ঘটনা, অনেক ত্যাগ ,অনেক কাহিনী রয়ে যাবে অজানা । কারন সেই একই , আমরা আলোচনা করি নেতিবাচকে। তাই অন্যান্য ঘটনার মত এই বিশেষ ঘটনাটির অনেক ইতিবাচক দিক রয়ে যাবে আমাদের কাছে অজানা ।

দেশে এই প্রথমবারের মত সম্পূর্ন ইলেকট্রনিক রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে সারাদেশে ৮ কোটি ৫০ লক্ষ ৮ হাজার ৩ শত ১১ জনের তালিকা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে । যে বিষয়টি ছিল এক অসাধ্য সাধনের মত । কিন্ত বাংলাদেশ আবার প্রমান করল বিশ্ব দরবারে যে এই দেশ চাইলে যে কোন অসাধ্য সাধন করে দেখাতে সক্ষম । যদিও প্রথম দিকে এই কাজটি কোন সংস্হাই সরকারের বেঁধে দেয়া সময়ে করতে প্রস্তত ছিলনা এমনকি বিদেশি সংস্হাও কোনভাবেই এই অল্প সময়ে এই কাজ সমাধা করতে রাজী ছিলনা ।এমনকি এই কাজে তাদের বাজেট ছিলো আকাশচুম্বী । এই সময় অন্যান্য সংস্হার মত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তার নিজস্ব পরিকল্পনা এবং সবচেয়ে কম বাজেটের একটি পরিকল্পনা সরকারের কাছে পেশ করে । এ সময় বরাবরের মত সেই জ্ঞানপাপীর দল এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লাগে । আসলে পরিকল্পনা টি নয় বরং একটি বিশেষ বাহিনীর কাছ থেকে বিষয়টি প্রস্তাব আকারে আসায় ।তারা বরাবরের মত বিরুদ্ধাচারন করা শুরু করে দেয় ।

কিন্ত নানা ঝক্কি ঝামেলা পাড়ি দিয়ে অবশেষে সেনাবাহিনীকেই এই দায়িত্ব অর্পণ করা হয় । এখানে একটি বিষয় উল্লেখ্যযোগ্য যে কাজটি সেনাবাহিনীকে দেয়ার পিছনে সরকারের ভূমিকার চেয়ে সাহায্যকারী সংস্হা বা দেশগুলোর কাছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রহনযোগ্যতা ছিল প্রশ্নাতীত । তাই তারা তাদের সাহায্যর হাত বাড়িয়ে দেন সেনাবাহিনীর পরিকল্পনা মাফিক এই বৃহৎ কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়নে ।

প্রায় উনত্রিশ মিলিয়ন ডলার অর্থ সাহায্য আসে সরকারের তহবিল হতে এবং বাকী পন্চাশ মিলিয়ন ডলারের অর্থ সাহায্য আসে বিদেশি সাহায্য সংস্হা যেমন ইউ এন ডিপি, যুক্তরাজ্যর ডিএফআইডি , নেদারল্যান্ড, কানাডা, সুইজারল্যান্ড,ডেনমার্ক এবং গনপ্রজাত্ন্ত্রী কোরিয়া এবং নরওয়ে সরকার কাছ থেকে । এই অর্থ সাহায্য যোগানে ইউএনডিপি এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে ।

এই কাজে সেনাবাহিনীকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসে এশিয়া ফাউন্ডেশন । ৩৪টি স্হানীয় এনজিওকে সংঘটিত করে তারা জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহন করে। সারা দেশব্যাপী তারা ছড়িয়ে পড়ে জনগনকে ভোটার তালিকায় নাম লিপিবদ্ধ করতে ।









একইসাথে দেশব্যাপী মসজিদের ইমামদের ও অন্যান্য ধর্মাবলাম্বীদের কে তাদের নিজ নিজ ধর্মপালন স্হলে উৎসাহিত করা হয় এই কার্যক্রমে অংশগ্রহনের জন্য ।




চলবে .....।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28835378 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28835378 2008-08-27 00:11:09
অন্য এক জীবন

অনেকক্ষন থেকে শকুনটা একমনে আকাশে চক্কর কেটেই চলেছে। বর্ষার অঝোর ধারা ঝরে চলেছে সেই সকাল থেকে ।এর মাঝেও যেন কোন ক্লান্তি নেই শকুনটার। কোন এক বইতে পড়েছিলাম মৃত্যুর গন্ধ এরা নাকি সবার আগেই পায়।

একটানা ঘ্যাস ঘ্যাস আওয়াজ করেই চলেছে হাই ফ্রিকোয়েন্সীর ওয়্যারলেস সেট টা । ওপাশে অনেকক্ষন থেকেই কোন সাড়শব্দ নেই অথচ এদিকে সময়ের কাঁটা টিকটিক করে এগিয়ে চলেছে । রাশেদের কাতর কন্ঠ আবার মনে করিয়ে দিলো ক্যাপ্টেন আমানকে ,মৃত্যুদূত এই দূর্গম পাহাড়ী ক্যাম্পের আশেপাশেই কোথাও নিঃশব্দে বিচরন করছে এক শীতল সরীসৃপের মত ।

ওপাশ থেকে ইথারে ভেসে আসলো ইউনিটের প্রধানের গলা " ক্যান ইউ হিয়ার মি আমান, ফর ইউ । টাইম ইজ একজ্যাকলি ওয়ান আওয়ার থার্টি মিনিটস আই রিপিট ওয়ান আওয়ার থার্টি মিনিটস ।উইস ইউ গুড লাক । ক্যারি অন ,ওভার এন্ড আউট"।

ইথারের বার্তাটি এপাশ থেকে আমান শুধু গ্রহন করে আর কোন দিকে না তাকিয়ে একবার আকাশের দিকে উড়ন্ত শকুন টির তাকিয়ে মনে মনে চ্যালেন্জ গ্রহন করল ।তাকে আজ জিততেই হবে যেভাবেই হউক।

সামনে দাড়ানো তার অনুগত সৈনিকদের তাকিয়ে শুধু একটি কথা বললো সে

“তোমরা সবাই জান আমাদের উদ্দেশ্য কি।আর এই উদ্দেশ্য কে সফল করে তোলার জন্য আমাদের ইউনিট প্রধান আমাদের সময় বেঁধে দিয়েছেন মাত্র একঘন্টা ৩০ মিনিট । আমি জানতে চাই তোমাদের কাছে

এই সময় আমাদের জন্য কি যথেষ্ট নয়?"

১২ জনের ক্ষূদ্র দলটি সম্মিলিত জলদ গম্ভীর আওয়াজে চীৎকার করে সায় দিল " জ্বী স্যার" । চারপাশের পাহাড়ে পাহাড়ে সেই শব্দের প্রতিধ্বনি যেন মুহূর্তে তাদের সেই মনোবলকে ছড়িয়ে দিল দূর থেকে বহুদূরে ।

১২ জনের মাঝে ৫ জন সৈনিক এবং ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন আমান অস্ত্র নিয়ে দলটিকে স্কটের দায়িত্ব নিল । বাকী ৬ জনের মধ্যে ৪ জন তুলে নিল স্ট্রেচারটি । স্ট্রেচারে অষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা ইউনিটের বাস্কেটবল টীমের সুঠামদেহী খেলোয়াড় রাশেদ । ঝাড়া ৬ ফিট লম্বা এই ছেলেটি আমানের ক্যাম্পে এসেছে ৪ মাস হল । অসম্ভব প্রানবন্ত এই ছেলেটি ছিল যেন ক্যাম্পের প্রান । লোকালয় থেকে অনেক দূরে এই পাহারের চূড়ায় এই ক্যাম্পের সবাইকে সে সবসময় মাতিয়ে রাখতো তার তারুণ্যর উচ্ছাস দিয়ে । অথচ আজ সে এই মূহুর্তে মৃত্যুর সাথে পান্জা লড়ছে । কাটা মুরগীর মত যেন মাঝে মাঝে অসহ্য যন্ত্রনায় অস্হির হয়ে উঠছে প্রানবন্ত সেই রাশেদ । আজ ভোরে থেকে তার গায়ে জ্বর ছিলো ।কিন্ত এই জ্বর হঠাৎ করে সেরিব্রিয়াল ম্যালেরিয়ায় রুপ নিল এত দ্রুত যে কেউ কিছু ভেবে উঠার সময় পেলোনা ।

এদিকে অঝোর ধারা বর্ষা আর বিরুপ আবহাওয়ার কারনে ২ সপ্তাহ হল ক্যাম্পে হেলিশটি মানে হেলিকপ্টারে রশদ সরবরাহ বন্ধ । আর অন্য দিকে সেরিব্রিয়াল ম্যালেরিয়ার জন্য ডাক্তারের বেধে দেয়া সময় ২৪ ঘন্টা । এই সময়ের মাঝে রাশেদকে সামরিক হাসপাতালে না নেয়া গেলে মৃত্যু অবধারিত ।

ইউনিট হেকোয়ার্টার, আমানের ক্যাম্প থেকে প্রায় ৬ ঘন্টার হাঁটাপথ দূরত্বে অবস্হিত । এই ক্যাম্পে আসতে হলে একমাত্র পায়ে হেঁটে আসা ছাড়া অন্য কোন উপায় নাই। আর রশদ সরবারাহ হয় হেলিক্পটারের মাধ্যমে । এই ৬ ঘন্টার পথের অর্ধেক পথ ক্যাপ্টেন আমানের দলকে পাড়ি দিতে হবে ১ঘন্টা ৩০ মিনিটের মধ্যে ।অথচ এই পথ পায়ে হেঁটে যেতেই সময় লাগে সাধারনত ৩ ঘন্টার মত ।

চোখের সামনে এক প্রানবন্ত যুবকের মৃত্যুকে কোনভাবে মেনে নেয়া যায়না ।তাই আজ সবাই যেন এক অসম্ভব কে সাধনের নেশায় এক অদৃশ্য শত্রুর বিরুদ্ধে মরনপন যুদ্ধের পণ ধরেছে। যেভাবেই হোক সহযোদ্ধা রাশেদ কে বাচাঁতে হবে মৃত্যুর কবল থেকে । আজ ক্যাপ্টেন আমানের দল সেই পথ যেন হেঁটে নয় বরং অসম্ভব আসুরিক শক্তিকে পুঁজি করে উর্দ্ধশ্বাসে ছুটে চলেছে মিশন সাকশেসফুল করতে । রাশেদকে মৃত্যুর দুয়ারে থেকে ফিরিয়ে নিতে ।

বৃষ্টি কিছুক্ষন আগে থেমেছে আর সেইসাথে পাল্লা দিয়ে পাহাড়ের আনাচে কানাচে ফাঁক দিয়ে তীব্র স্রোতে পানির ঢল নেমেছে । ছড়া বা পাহাড়ী ঝিরিগুলোর গভীরতা পানির স্রোতের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে দ্রুত । ক্যাপ্টেন আমান ঘড়ি দেখে আর ৪০ মিনিট আছে এই বিরুপ ঠান্ডা আবহাওয়ার মাঝেও উইনিফর্মের ভেতর সে দরদর করে ঘামছে । দূরে কোন এক চাকমা পাড়ায় এক ঝুমঘর থেকে উনুনের ধোঁয়া উঠছে । মনে পড়ে গেল আমানের গতকালের প্রিয়বন্ধু নাসিরের চিঠির কথা । ঢাকায় নাকি খুব বৃষ্টি হচ্ছে । আর এই বৃষ্টিতে নাকি সব বন্ধুরা মিলে নাসিরের বাসায় ইলিশ ভাজা আর খিচুরী খেয়েছে । অনেকক্ষন তারা একসাথে বসে আড্ডায় মেতে ছিলো ।
ক্যাপ্টেন আমানের মনে পড়ে যায় ফেলে আসা সেই রঙীন দিনগুলোর কথা। মনে হয় এখন বাসায় এই দুপুরের বৃষ্টিতে সবাই নিশ্চয় খুব মজা করে ঘুমোচ্ছে । আজ যে শুক্রবার ।

আসলে পাহাড়ের ক্যাম্পে শুক্রবার আর রবিবার বলে কিছু নেই । সব দিনগুলো যেন সাদাকালো আর একঘেঁয়ে। কঠিন বাস্তবতায় মোড়া এক একটি দিন । ক্যাপ্টেন আমান আবার আকাশের দিকে তাকায় কি মনে করে। উড়ন্ত শকুন টি এখন ও পিঁছু ছাড়েনি এই লড়াকু দলটির ।একমনে ধীরলয়ে চক্কর কেটেই চলেছে । আমান তাকায় তার দলের অন্যান্য সদস্যদের দিকে । সবার চেহারা যেন ইস্পাতের মত ধারাল , চোয়ালের মাংশপেশী সংকুচিত । দ্রুত হাতবদল হয় স্ট্রেচারের বাহকদের মাঝে । আবারও নতুন উদ্যমে শুরু হয় পথচলা ।

ক্যাপ্টেন আমান একফাঁকে ম্যাপ দেখে হিসাব কষে নেয় কোন ট্র্যাকটা অনুসরন করলে সামনের তীব্র খড়স্রোতা ছড়াটা উপেক্ষা করা যায় । মাথার মধ্যে একসাথে চলে অনেকগুলো ক্যালকুলেশন , একদিকে পথের দূরত্ব অন্যদিকে ইউনিট প্রধানের বেধে দেয়া সময় ।একদিকে দলের সার্বিক নিরাপত্তা অন্যদিকে প্রকৃতির চরম প্রতিকূল পরিস্হিতি । এদিকে বেলা ডুবতে বসেছে । দলটি ছুঁটে চলেছে একইসাথে আমান হিসাব কষে নির্দেশ দিচ্ছে কোনপথে এগিয়ে যেতে হবে দলকে। লক্ষ্য একটাই রাশেদকে বাচাঁতে হবে ।

এই চরম অবস্হার মাঝেও মনে মনে আমান হাসে ছোটবেলার এক ঘটনা মনে পড়ায় । পথভুল করে হারিয়ে যেতে বসেছিল একবার ,ভাগ্য ভাল বাবা তাকে খুঁজে পেয়েছিল । খুব বকেছিলেন বাবা তাকে সেদিন ।আর বলে ছিলেন বড় হয়ে এ ছেলে যে কি হবে ।

বাবা দেখো তোমার সেই আমান আজ কত বড় হয়ে গেছে । আজ এই দূর্গম পাহাড় আর অরন্যর মাঝে সে পুরো দলটিকে এগিয়ে নিয়ে চলেছে গন্তব্যর দিকে ।আমান মনে মনে হাসে বাবা তাকে আজো কত স্নেহ করে । ছুটিতে বাড়ী ফিরলে যত রাতই হোক বাড়ীর সামনে রাস্তায় দাড়িয়ে তার অপেক্ষায় থাকে। বাস থেকে নামামাত্র তার হাতের ব্যাগটি কেড়ে নেয়ার ছেলেমানুষী চেষ্টা করে।

আমান দীর্ঘশ্বাস ফেলে আকাশের দিকে তাকিয়ে মনে মনে বলে " বাব, মা তোমরা সবাই কেমন আছ ? কতদিন হল তোমাদের দেখিনা ? অনেকদিন ওর সাথেও দেখা হয়না । কি করছে এখন । হয়তো জানালার ধারে বসে আমাকেই চিঠি লেখছে। এইবার পাহাড়ের পরিস্হিতি একটু স্বাভাবিক হলে আমান ভাবে তার ছুটির কথা ইউনিট প্রধানকে জানাবে ।

ঘড়ি দেখে আমান আর মাত্র ১৫ মিনিট । অনেক কষ্টে একটা ছড়া কোনমতে অতিক্রম করা গেছে । রাশেদ এখনও মাঝে মাঝে চিৎকার করে উঠছে যন্ত্রনায় । এসময় আমান জানে রাশেদের কানে কোন সান্তনার শব্দ সাড়া দিবেনা । তাই শুধু রাশেদের হাত ধরে শক্ত করে চাপ দিয়ে স্পর্শের মধ্যে ক্যাপ্টেন আমান জানিয়ে দিলো আমরা আছি কোন ভয় নেই রাশেদ । তুমি বাচঁবে আবার ফিরবে আমাদের মাঝে ।

ক্যাপ্টেন আমান দলের সবাইকে আরো জোড়ে পা চালাতে বললো । হঠাৎ দূরের পাহারের গোড়য় দেখা গেল ইউনিট হেকোয়ার্টার থেকে আগত অপেক্ষামান দলটি । কিছুক্ষনের মধ্যে আমানের দলটি তাদের কাছে রাশেদকে দিয়ে তাদের মিশন টাইম ১ ঘন্টা ৩০ মিনিটের পর্ব শেষ করলো । রাশেদকে নিয়ে সেই অপেক্ষামান দলটি নতুন উদ্যমে আবার পরবর্তী মিশন শুরু করলো ।

আমান শুধু যাওয়ার বেলায় রাশেদের হাত ধরে বললো " রাশেদ আমরা ক্যাম্পের সবাই তোমার ফেরার অপেক্ষায় থাকলাম । যন্ত্রনাক্লিষ্ট রাশেদের পান্ডুর মুখে এত কষ্টের মাঝেও ফুটে উঠলো অর্পূব এক হাসি । ক্যাপ্টেন আমান হাত নাড়তে থাকলো যতক্ষননা দৃষ্টিসীমার আড়ালে হারিয়ে গেল রাশেদ কে বহন করা দলটি ।

ক্লান্ত আমান তাকায় আকাশের পানে দেখে অনেক দূরে অপসৃয়মান এক হতাশ শকুনর ছায়া মিলিয়ে গেল ঘনকালো বর্ষার মেঘের আড়ালে । কিছুক্ষন বিশ্রামের পর ক্যাপ্টেন আমানের দল রওয়ানা হল ক্যাম্পের দিকে । ক্লান্ত বিধ্ধস্ত এক সৈনিকদল যেন কোন যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ফিরে যাচ্ছে আপন ডেরায়।অথচ দলের দলনেতা থেকে শুরু করে প্রত্যকটি সদস্য মুখে যেন এক পরিতৃপ্তির হাসি ।

পরের ঘটনা

সেদিন আমানের দলের মত অন্য দলটি সময় মত সৈনিক রাশেদকে হাসপাতালে ডাক্তারের বেঁধে দেয়া নির্দিষ্ট সময়ের আগে নিয়ে যেতে পেরেছিল। এবং সৈনিক রাশেদ কঠিন এক লড়াই করে মৃত্যুর দুয়ার থেকে সেদিন ফিরে এসেছিল । সে ক্যাপ্টেন আমান কে দেয়া তার কথা রেখেছিল।
রাশেদ যেদিন ক্যাম্পে ফেরত আসে সেদিন ইউনিট প্রধান ক্যাপ্টেন আমানকে দীর্ঘদিন পর ছুটি দিয়েছিলেন বাসায় যাবার । সেদিনকার মত মাঝপথে ঐদিন হাতবদল হয় দুজন মানুষের মাঝে ।
ইউনিট হেকোয়ার্টার কে আসা দলটির সাথে সৈনিক রাশেদ ,ক্যাপ্টেন আমানের দলটির সাথে ফিরে যায় তার পুরোনো ক্যাম্পে আর ক্যাপ্টেন আমান ইউনিট হেকোয়ার্টার থেকে আসা দলটির সাথে ফিরে যায় ইউনিট হেকোয়ার্টারে এবং সেখান থেকে তার নিজ বাসায় ।


ক্যাপ্টেন আমান যখন বাসায় ফিরে আসে তার বন্ধুরা তাকে সহ আড্ডায় মেতে উঠে । আড্ডার বিষয়বস্তু এই বর্ষায় কার কি ভাল লাগে ? একটি বদ্ধ ঘরের মাঝে অনেকগুলো প্রানবন্ত ছেলেরা আড্ডায় মশগুল । আমান উদাস মনে ঘরের জানালার মাঝে দিয়ে তাকায় বর্ষার কালো মেঘে ঢাকা আকাশের দিকে । এখন এই মূহূর্তে তার ক্যাম্পে অনেকগুলো প্রানবন্ত মুখের প্রতিচ্ছবি তার চোখে ভেসে উঠছে ।


হঠাৎ আমানকে মনে হয় নিজের কাছে , সে অন্যদের থেকে অনেক আলাদা হয়ে গিয়েছে । মনে হয় নিজেকে এক পিতার মত যে কিনা ব্যাকুল তার অনেকগুলো সন্তানের কথা চিন্তা করে । বর্ষার কালো মেঘ , পাহাড়ের পর পাহাড় আর অরন্যর সারি । জীবন মৃত্যুর হাতছানি । জীবন কে হারাবার আর ফিরে পাবার ব্যাকুলতা আর আশংকার টানপোড়েন । আমান ভাবে আবার কবে ইউনিফর্ম পরে ফিরে যাবে সেই দূর্ধষ রোমান্চকর জীবনে ।

আমান অপেক্ষায় থাকে....।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28825271 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28825271 2008-07-29 14:51:09
উপলদ্ধি অতঃপর বিস্মৃতি








এই পোস্টে কোন গল্প নেই ,কোন কবিতা নেই । শুরুতে নেই কোন দৃষ্টি আকর্ষন করার মত ছবি । কিছু লিংক দেয়া হল নীচে । চাইলে দেখতে পারেন ,ভাবতে পারেন আর ভাল না লাগলে চলে যেতে ও পারেন ।

নীরব মানবতার কান্না না হয় নীরবই থেকে যাক সেলুলয়েডের গায়ে ।

Click This Link


Click This Link



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28818837 http://www.somewhereinblog.net/blog/ashiquehasan007blog/28818837 2008-07-10 13:40:23
ছুটির গন্ধ -২ ( শুভলং এর পথে ) পূর্বের প্রকাশিত পর্বের পর

আমার ভাষা আমার জন্য, তোমার জন্য নয়ত।
আমার মত ছোট্ট ছেলে আছে কোথাও হয়ত।
আমি যখন বলব ‘চল যাই নীল পাহাড়ের দেশে’ ।
আমার সঙ্গে চলবে সে ঠিক কল্পরথে ভেসে।


অবশেষে দীর্ঘ জলযাত্রায় যখন ছোট্ট মালিহা আর তার নানী দাদী সবাই ক্লান্ত হয়ে পড়েছে ঠিক তখনই আমাদের সামনে হাতছানি দিল শুভলং এর অরণ্য ঢাকা দূর পাহাড়ের সারি।


আমরা সবাই অধীর আগ্রহে আড়মোড়া ভেংগে উদগ্রীব হয়ে তাকিয়ে থাকলাম সুউচ্চ সেই পাহাড়ের দিকে । অনেকদিন এই চোখ যেন ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলো ঘাড় উঁচু করে ঢাকার বিশাল বিশাল সব ফ্ল্যাটবাড়ি দেখে। আজ যেন তাই সবার মনের চোখ বুভূক্ষের মত পাহাড় আর অরণ্যর নিরবতার রুপরস সুধাপান করে মুগ্ধ ।



কী ভালো আমার লাগলো এই আকাশের দিকে তাকিয়ে;
চারদিক সবুজ পাহাড়ে আঁকাবাঁকা, কুয়াশায় ধোঁয়াটে,




‘তোমাকে ভাল লাগে’ শুনতেই
মিটি-মিটি হাসে জোনাক-দ্যূতি
‘ভালবাসি’বলতেই -
উচ্ছল পাহাড়ী ঝর্ণা
‘তোমাকে চাই’বলে যদি কেউ
রঙধনুর ঘোমটা টানে লাজে





অবশেষে অনেক দূর পাহাড়ের চূড়োয় দেখা গেল ক্ষীণ তটিনী কিশোরী , পাহাড়ী কন্যা কে । আমাদের গন্তব্যস্হান শুভলং ঝর্ণাকে ।



তিনদিক পাহাড়ের সুউচ্চ পাহাড়ের দেয়াল যেন পরম মমতায় আগলে রেখেছে এই উচ্ছল চপলা কিশোরী ঝর্ণাকে। আর ঝর্ণার জলপ্রপাত প্রায় ২শ ফিট উপর থেকে আছড়ে পড়ছে মসৃণ পাহাড়ের বুকে ।



কাছে গিয়ে দেখলাম এই ঝর্ণা পরিবেষ্টিত স্হানটির নাম রাখা হয়েছে শিলার ডাক



এত কাছে এসে আর লোভ সামলাতে পারলামনা । ঝর্ণার শীতল জলে তাই নেমে পড়লাম মেয়ে মালিহা আর আমার ভাগ্না ভাগ্নীকে নিয়ে । মেতে উঠলাম ফেলে আসা শৈশবের প্রাণ উচ্ছলতায় ।



সব আনন্দের ও মাঝে থাকে শেষ ।যদিও মন চায় থেকে যেতে এই পাহাড় ,অরণ্য আর ঝর্ণার মাঝে চিরকাল । কিন্ত পিছে থাকে ঘরে ফেরার ডাক ,থাকে সময়ের বেড়াজাল ।তাই বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে আমাদের ফিরে যেতে হয় আপন ঠিকানায় । থেকে যায় আমাদের ভেজা পায়ের চিহ্ন পাথড়ের বুকে , আমাদের হাসি কান্নার প্রতিধ্ধনি এই পাহাড়ের বুকে ।

যখন চলে আসছি দেখলাম এই নষ্টালজিয়া শুধু আমাকে নয় বরং সবাইকে আক্রান্ত করেছে । এমনকি দলের সবচে